চিরনিদ্রায় জালাল চৌধুরী

চিরনিদ্রায় জালাল চৌধুরী

ছবি: সংগৃহীত

জালাল চৌধুরীর মরদেহের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ভলিবল ও হ্যান্ডবল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ও বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে তার ক্রিকেটে হাতে খড়ি, এখানেই তার কোচিং ক্যারিয়ারে উত্থানের গল্প আর এই স্টেডিয়ামের প্রেস বক্সে তার সাংবাদিকতার কলম ধরা। মঙ্গলবার চিরপরিচিত সবুজ ঘাসে নিথর দেহে শেষবারের মতো আসলেন সাবেক ক্রিকেটার কোচ ও প্রখ্যাত ক্রীড়া লেখক জালাল আহমেদ চৌধুরী।
তার জানাজায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান শতাধিক সাংবাদিক, সাবেক ক্রিকেটার ও বন্ধু-পরিজন।
জালাল চৌধুরীর মরদেহের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ভলিবল ও হ্যান্ডবল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ও বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন।
বন্ধুর বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন দেশের ক্রিকেটের খ্যাতিমান কোচ ওসমান খান। বলেন, ‘ও চলে গেল। আমাকে একা রেখে। আমি একা হয়ে গেলাম। ক্রিকেটের জন্য যা করে গেছেন তার ঋণ শোধ হওয়ার নয়।’
বহুদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন জালাল চৌধুরী। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাকে। পরে ফুসফুসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন ৭৪ বছর বয়সী জালাল আহমেদ।
সাবেক জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক গাজী আশরাফ লিপুর কণ্ঠেও ঝরে পড়ে গভীর শ্রদ্ধা। লিপু বলেন, ‘আমরা যারা ৮০-৯০ বা ২০০০ দশকের ক্রিকেটার ছিলাম, জালাল ভাইয়ের অভাব তাদের করুণভাবে নাড়া দেবে। রিয়াদ থেকে শুরু অনেকেই তার অধীনে কোচিং করেছে।
‘৯৭ সালের আইসিসি ট্রফিটাকে যদি আমরা মাইলফলক হিসেবে ধরি, তাহলে সেখানে তিনি, ওসমান ভাই নেপথ্যে থেকে কাজ করে গেছেন। আমরা গর্ডন গ্রিনিজের প্রশংসা করি কিন্তু তাদের অবদানও অনেক ছিল। অত্যন্ত মেধাবী কোচ ছিলেন। অনেক জ্ঞান রাখতেন। তিনি যা-ই করতেন অনেক যত্ন নিয়ে করতেন।’
জালাল চৌধুরীর লেখায় ছিল অন্য এক মাত্রা। তিনি শিক্ষকের শিক্ষক ছিলেন মন্তব্য করে কথাগুলো বলেছেন আরেক সাংবাদিক মোস্তফা মামুন।
তিনি বলেন, ‘যখন তিনি ছিলেন, তখন তার গুরুত্ব আমরা বুঝতে পারিনি। তার ভাষার যে শক্তি, মেদহীনতা, শব্দের প্রয়োগ, গভীর চিন্তার প্রকাশ। সবকিছু মিলিয়ে তিনি অনন্য ছিলেন। শিক্ষকের শিক্ষক ছিলেন। তিনি নেই, তবে তিনি বেঁচে থাকবেন তার সতীর্থ ও শিষ্যদের লেখনীতে।’
জালাল চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নামিবিয়ার

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নামিবিয়ার

ট্রাম্পেলম্যানের উইকেট উদযাপন। ছবি: আইসিসি

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নামিবিয়া। বাগিয়ে নিয়েছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিজেদের প্রথম জয়। স্কটল্যান্ডের দেয়া ১১০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নামিবিয়া।

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার ছিল দুই নবাগতর ম্যাচ। নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ড। সেই ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নামিবিয়া। বাগিয়ে নিয়েছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিজেদের প্রথম জয়।

স্কটল্যান্ডের দেয়া ১১০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নামিবিয়া।

আবুধাবিতে ম্যাচের শুরু থেকেই নামিবিয়ার বোলিং তোপে নাস্তাবুদ হতে হয় স্কটল্যান্ডের ব্যাটারদের। রুবেন ট্রাম্পলমানের করা প্রথম ওভারে ফিরে যান স্কটল্যান্ডের তিন টপ অর্ডার ব্যাটার। আর ১৮ রান তুলতে চার উইকেট হারায় দলটি।

এরপর প্রথমে ম্যাথু ক্রস ও পরে ক্রিস গ্রিভসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন মিচেল লিস্ক। তবে বেশিদূর যেতে পারেননি তারা।

দলীয় ৫৭ রানে ক্রস বিদায় নেন। এর আগে তিনি খেলেন ৩৩ বলে ১৯ রানের ইনিংস।

ক্রসের বিদায়ের পর গ্রিভসকে নিয়ে জুটি বেঁধে রানের চাকা সচল রাখেন লিস্ক। ৪৪ রান করা এই ব্যাটারকে থামতে হয় জেজে স্মিটের বলে।

শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১১০ রানে থামে স্কটল্যান্ডের ইনিংস।

নামিবিয়ার হয়ে তিন উইকেট শিকার করেন ট্রাম্পেলমান। ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক নেন দুটি উইকেট আর একটি করে উইকেট যায় স্মিট ও ডেভিড ভিসের ঝুলিতে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ক্রেইগ উইলিয়ামসের ২৩, মাইকেল লিঙ্গেনের ১৮, ডেভিড ভিসের ১৬ ও স্মিটের অপরাজিত ৩২ রানের ইনিংসে পাঁচ বল ও চার উইকেট হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নামিবিয়া।

তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন ট্রাম্পেলমান।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

‘তোমাদের ভালোবাসে বলেই এত কথা বলে’

‘তোমাদের ভালোবাসে বলেই এত কথা বলে’

ফাইল ছবি

মাশরাফির দাবি সমালোচকরা ভালোবাসে দেখে সমালোচনা করে। নেতিবাচক সমালোচনা এড়িয়ে ইতিবাচক মানসিকতা গড়ার পরামর্শ দেন সাবেক এ অধিনায়ক।

একের পর এক হারে জর্জরিত বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। হারটা যতটা না পোড়াচ্ছে তাদের, তার চেয়ে বেশি পোড়াচ্ছে তাদের নিয়ে সমালোচনা।

এই সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ফুঁসে উঠতে দেখা গেছে জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের। সমালোচকদের সমালোচনা নিতে না পেরে ক্ষোভ ঝেড়েছেন প্রেস কনফারেন্সে।

তবে সতীর্থদের সকল সমালোচনা মেনে নিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।

বুধবার ফেসবুকে নিজের ভ্যারিফাইড পেজে মাশরাফি লেখেন, ‘সমালোচনা জীবনের একটা অংশ। এটা সহ্য করাও একটা আর্ট। যে যত সমালোচনা নিতে পারে সে তত ভালো থাকে। ঠিক এই মুহূর্তে তোমাদের সমালোচনা সবাই করবে। এমনকী আমিও! তাতে তোমাদের কিছু যাওয়া আসার কথা নয়।’

তিনি আরও লেখেন, ‘শুধু তোমাদের চিন্তা করা উচিত তোমরা কী করতে চেয়েছিলে আর তা কেন করতে পারনি। পরের ম্যাচে যেন সেরাটা দিতে পার সেই চিন্তা করা শুরু করো। কারণ পরের ম্যাচটাও তোমরা বাংলাদেশের জন্যই খেলবে আর দেশের সবাই আবার নতুন কোন আশা নিয়ে খেলা দেখতে বসবে। মাঝখান দিয়ে হয়তো কেউ গঠনমূলক সমালোচনা অথবা আরো বেশি নেতিবাচক কথা বলবে।’

মাশরাফির দাবি সমালোচকরা ভালোবাসে দেখে সমালোচনা করে। নেতিবাচক সমালোচনা এড়িয়ে ইতিবাচক মানসিকতা গড়ার পরামর্শ দেন সাবেক এ অধিনায়ক।

সেই সঙ্গে খারাপ সময় পার করে দল জয়ে ফিরবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ম্যাশের মতে, ‘তোমাদের ভালোবাসে বলেই এত কথা বলে। পরের ম্যাচে সেরাটা দিয়ে জিতে আসলে দেখবা সবাই আনন্দে পেছনের বিষয় ভুলে যাবে। একমাত্র ইতিবাচক মানসিকতা সেরাটা বের করে আনতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। মাঠে যা কিছু ঘটুক না কেন তোমাদের পাশে আছি। মন প্রাণ দিয়েই থাকব। সবাই বিশ্বাস করে তোমরা আনন্দের উপলক্ষ। বাজে দিনকে ভুলে যাওয়াই উত্তম। তবে বাজে দিন যে শিক্ষা দিয়ে যাবে তা মনে রাখা আরও উত্তম। গুড লাক বাংলাদেশ ক্রিকেট। আল্লাহ ভরসা।’

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারছে না দল, বললেন নাসুম

পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারছে না দল, বললেন নাসুম

ব্যর্থতার ধারা বজায় রেখে অল্প রানে ফিরছেন লিটন দাস। ছবি: এএফপি

পাওয়ার প্লে থেকে শুরু করে মিডল অর্ডার পর্যন্ত ব্যাটারদের পারফরম্যান্স ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। কিন্তু সেখানে পরিবর্তনের আভাস নেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর নাসুম আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন ভালো করার চেষ্টা করেও পারছেন না তারা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত প্রস্তুতি, বাছাইপর্ব ও সুপার টুয়েলভ মিলিয়ে মোট ৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এই আট ম্যাচের মাত্র তিনটিতে জয়ের মুখ দেখেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। বাকিগুলোতে হারকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে হয় মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর।

প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে হারতে হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। আর বাছাইপর্বে টাইগাররা হারের স্বাদ পেয়েছে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।

বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সহজ প্রতিপক্ষ ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয় পেলেও সুপার টুয়েলভে এসে ধুঁকছে বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু করতে হয় বাংলাদেশকে। আর দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের সামনে দাঁড়াতে পারেনি জাতীয় দল।

প্রতি ম্যাচে হারের পর সংবাদসম্মেলনে দলের পক্ষে থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় হার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে সেগুলো প্রয়োগ করার। কিন্তু এতগুলো হারের পরও দেখা যাচ্ছে না কোনো পরিবর্তন।

পাওয়ার প্লে থেকে শুরু করে মিডল অর্ডার পর্যন্ত ব্যাটারদের পারফরম্যান্স ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। কিন্তু সেখানে পরিবর্তনের আভাস নেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর নাসুম আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন ভালো করার চেষ্টা করেও পারছেন না তারা।

নাসুম বলেন, ‘প্রথম ছয় ওভার আমরা রান তুলতে পারছি না। এজন্য আমরা ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছি। রানও হচ্ছে না, উইকেটও চলে যাচ্ছে। এটা নিয়ে কথা হয়। সবার ভেতরই চেষ্টা আছে ভালো কিছু করার । হচ্ছে না আসলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পারছি না, ঠিক না। হচ্ছে না কিন্তু চেষ্টা করে যাচ্ছি। হয়তো যা পরিকল্পনা করছি সেটা ভালোভাবে প্রয়োগ করতে পারছি না।’

নিজেদের সবশেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৪ রানে ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট ও ৩৫ বল অক্ষত রেখে চলতি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় বাগিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড।

শুক্রবার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে হারলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার আশায় ইতি টানতে হবে ডমিঙ্গোর শিষ্যদের।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ অবনতি বাংলাদেশের

র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ অবনতি বাংলাদেশের

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে টানা দুই ম্যাচ হারায় র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি হয়েছে মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর। ২৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে নেমে গেছে বাংলাদেশ।

আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে থেকে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত দুটি সিরিজ জয়ের মাধ্যমে র‍্যাঙ্কিংয়ে লম্বা লাফ দিয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে টানা দুই ম্যাচ হারায় র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি হয়েছে মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর। ২৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে নেমে গেছে বাংলাদেশ।

মূল পর্বে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের কাছে হারের আগে বাছাইপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যায় বাংলাদেশ। ওমান ও পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে ম্যাচ জিতে মূলপর্বে কোয়ালিফাই করে মাহমুদুল্লাহর দল।

র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ইংল্যান্ড। বর্তমানে তাদের রেটিং পয়েন্ট ২৭৮। ২৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে ভারত। সমান পয়েন্টে বেশি ম্যাচ খেলায় তিনে পাকিস্তান।

২৫৫ পয়েন্ট নিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ের চারে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। র‍্যাঙ্কিংয়ের পাঁচে অবস্থান করছে সাউথ আফ্রিকা। তাদের রেটিং পয়েন্ট ২৪৯। এক ধাপ উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। ২৪২ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে অবস্থান করছে অ্যারন ফিঞ্চের দল।

উন্নতি হয়েছে আফগানিস্তানেরও। বাংলাদেশের সমান ২৩৬ পয়েন্ট নিয়ে সাতে রয়েছে তারা। ২৩৩ পয়েন্ট নিয়ে ৯ ও ১০ এ রয়েছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

ব্যাটিং নিয়ে রিয়াদের আফসোস

ব্যাটিং নিয়ে রিয়াদের আফসোস

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

চলতি বিশ্বকাপের শুরু থেকে রান আসছে না ওপেনিং জুটি থেকে। একই সঙ্গে রানের দেখা পাচ্ছে না মিডল অর্ডার। ব্যাটিং ইউনিটের দুর্বলতা নিয়ে হতাশ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় হতাশা লুকাননি টাইগার অধিনায়ক।

ব্যাটিং নিয়ে সংগ্রাম করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও দেখা গেল তার নমুনা। ইংলিশ বোলিং তোপের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ১২৪ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংসের চাকা।

চলতি বিশ্বকাপের শুরু থেকে রান আসছে না ওপেনিং জুটি থেকে। একই সঙ্গে রানের দেখা পাচ্ছে না মিডল অর্ডার। বড় কোনো জুটিও দাঁড়াতে পারছে না।

ব্যাটিং ইউনিটের দুর্বলতা নিয়ে হতাশ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় হতাশা লুকাননি টাইগার অধিনায়ক।

রিয়াদ বলেন, ‘অবশ্যই আমাদের ব্যাটিং নিয়ে খুবই হতাশ। উইকেট খুবই ভালো ছিল কিন্তু আমরা ভালো শুরু করতে পারিনি। মাঝেও কোনো পার্টনারশিপ গড়তে পারিনি। আমাদের ভালো শুরুর ক্ষেত্রে সমস্যা আছে।

‘পাওয়ার হিটারের চেয়ে দলে অভিজ্ঞ হিটার রয়েছে। এটি পরিবর্তন করা উচিত হবে না। কারণ এতে বড় পুঁজি পাব বলে আমার বিশ্বাস। এটি আবার মূল্যায়ন করতে হবে আর ভালো একটি পরিকল্পনায় আসতে হবে।’

টানা দুই হারে সেমির আশা এখন ম্লান মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর। শেষ চারে খেলতে পরের তিন ম্যাচে অনেক বড় ব্যবধানে জয় ছাড়া কোনো রাস্তা খোলা নেই বাংলাদেশের সামনে।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

লড়াইও করতে পারল না বাংলাদেশ

লড়াইও করতে পারল না বাংলাদেশ

আফিফের রান আউটের পর হতাশ মাহমুদুল্লাহ। ছবি: এএফপি

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৪ রানে ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট ও ৩৫ বল অক্ষত রেখে চলতি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় বাগিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের আগে মাঠের বাইরের বাকযুদ্ধ যে প্রভাব ফেলেছে মাহমুদুল্লাহর দলে তার প্রমাণ মিলল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে। ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ১২৪ রানে ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট ও ৩৫ বল অক্ষত রেখে চলতি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় বাগিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড।

টানা দুই হারে সেমির আশা এখন ম্লান মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর। শেষ চারে খেলতে পরের তিন ম্যাচে অনেক বড় ব্যবধানে জয় ছাড়া কোনো রাস্তা খোলা নেই বাংলাদেশের সামনে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বল হাতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ছিল কেবলমাত্র ওপেনার জস বাটলার ও জেসন রয়ের উইকেট।

পঞ্চম ওভারের শেষ বলে নাসুম আহমেদকে এক্সট্রা কভারে উড়িয়ে মারতে গিয়ে নাঈম শেখের হাতে ধরা দিয়ে ফেরেন বাটলার। আর দলের রান যখন ১১২, সে সময় নাসুমের তালুবন্দি করে ৬১ রান করা রয় ফেরেন শরিফুলের শিকার হয়ে।

জয়ের জন্য বাকি পথটা পাড়ি দিতে একদমই বেগ পেতে হয়নি জনি বেয়ারস্টো ও ডাউয়িড মালানকে। মালান অপরাজিত থাকেন ২৮ রানে। ৮ রানে অপরাজিত থেকে তাকে শেষ পর্যন্ত সঙ্গ দেন বেয়ারস্টো।

এর আগে দুবাইয়ের শেখ আবু জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে পুরো সময়টাতে স্নায়ু চাপে ভুগেছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা।

প্রথম ওভারে বেশ মারকুটে ছন্দে ছিলেন ওপেনার লিটন দাস। মঈন আলির উদ্বোধনী ওভারে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ১০ রান।

পরের ওভারে বাংলাদেশের রানের রাশ টেনে ধরেন ক্রিস ওকস। দ্বিতীয় ওভারে দেন তিন রান। ম্যাচের শুরুতে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়া লিটন ব্যর্থতার বেড়াজাল ছিঁড়ে বের হতে পারেননি এদিনও।

স্কয়্যার লেগে মইনকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লিভিংস্টোনের হাতে ধরা দিয়ে ফেরার পথ ধরতে হয় ৯ রান করা লিটনকে।

লিটনের বিদায় যেন মেনে নিতে পারছিলেন না সঙ্গী নাঈম শেখ। পরের বলে সতীর্থের দেখানো পথে হাঁটলেন তিনিও। ৭ বলে ৫ রানের ইনিংস খেলে ক্রিস ওকসের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

বড় ইনিংসে খেলতে ব্যর্থ হন সাকিব আল হাসানও। ওকসের বলে শর্ট ফাইন লেগে আদিল রাশিদের হাতে ধরা দিয়ে চার রান করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই অলরাউন্ডার।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে তোলে তিন উইকেটের খরচায় ২৭ রান।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে পরিস্থিত সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম।

একাদশ ওভারের রিয়াদের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়ে আউট হন মুশফিক। লিয়াম লিভিংস্টোনকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ১১ তম ওভারের চতুর্থ বলে এলবিডব্লিউ হন মুশফিক। ফেরার আগে করেন ৩০ বলে ২৯ রান।

১৩তম ওভারের চতুর্থ বলে মিস ফিল্ডিংয়ের সুযোগে দুই রান নিতে যেয়ে আউট হন আফিফ। দ্বিতীয় রানের কল ছিল অন্যপ্রান্তে থাকা মাহমুদুল্লাহর।

দল ও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বোর্ডের তোপের মুখে থাকা মাহমুদুল্লাহ স্নায়ু চাপ মুক্ত হতে পারেননি। ওই ওভারের পরের বলে মাহমুদুল্লাহের ভুলে কাটা পড়ার সম্ভাবনা জাগে নুরুল হাসান সোহানের। সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে সোহানকেও যেন পেয়ে বসেছিল অপরপ্রান্তের ব্যাটারকে ঝুঁকিতে ফেলে রান নেয়ার নেশা। যার ফলে পরের বলটিও পয়েন্টে ঠেলে দিয়ে দ্রুত সিঙ্গেল নেন। ভাগ্য ভালো হওয়ায় ফিল্ডারের থ্রো থেকে সে যাত্রায় বেঁচে যান রিয়াদ।

ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষে এতোটাই ধুঁকছিল বাংলাদেশ যে প্রথম ১৪ ওভারে ডট বল দিতে হয়েছে ৩৭টি।

বারবার জীবন পেয়েও ইনিংস টেনে নিয়ে যেতে পারেননি রিয়াদ। লিয়াম লিভিংস্টোনের বল টাইমিং মিস করে পয়েন্টে ওকসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তার আগে খেলেন ১৯ রানের ইনিংস।

ব্যর্থতার খাতায় নাম লেখান মাহেদি হাসানও। শেষ দিকে নাসুমের ঝোড়ো ৯ বলে ১৯ রানের কল্যাণে দলীয় স্কোর ১২০ ছাড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটের খরচায় ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি উইকেট নেন টাইমল মিলস। দুটি করে উইকেট নেন মঈন আলি ও লিভিংস্টোন। আর একটি উইকেট ঝুলিতে পুরেন ক্রিস ওকস।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন

ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১২৪ রানে থামল বাংলাদেশ

ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১২৪ রানে থামল বাংলাদেশ

বাউন্সারে কুপোকাত আফিফ হোসেন। ছবি: এএফপি

নাসুমের ঝোড়ো ৯ বলে ১৯ রানের কল্যাণে দলীয় স্কোর ১২০ ছাড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটের খরচায় ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

ক্রিকেটের শর্টার ভার্সন টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। জয়ে ফেরার মিশনে নামা ম্যাচে ইংলিশদের সামনে ১২৫ রানের মামুলি লক্ষ্য দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১২৪ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

দুবাইয়ের শেখ আবু জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে বেশ মারকুটে ছন্দে ছিলেন ওপেনার লিটন দাস। মঈন আলির উদ্বোধনী ওভারে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ১০ রান।

পরের ওভারে বাংলাদেশের রানের রাশ টেনে ধরেন ক্রিস ওকস। দ্বিতীয় ওভারে দেন তিন রান। ম্যাচের শুরুতে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়া লিটন ব্যর্থতার বেড়াজাল ছিঁড়ে বের হতে পারেননি এদিনও।

স্কয়্যার লেগে মইনকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লিভিংস্টোনের হাতে ধরা দিয়ে ফেরার পথ ধরতে হয় ৯ রান করা লিটনকে।

লিটনের বিদায় যেন মেনে নিতে পারছিলেন না সঙ্গী নাঈম শেখ। পরের বলে সতীর্থের দেখানো পথে হাঁটলেন তিনিও। ৭ বলে ৫ রানের ইনিংস খেলে ক্রিস ওকসের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

বড় ইনিংসে খেলতে ব্যর্থ হন সাকিব আল হাসানও। ওকসের বলে শর্ট ফাইন লেগে আদিল রাশিদের হাতে ধরা দিয়ে চার রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই অলরাউন্ডার।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে তোলে তিন উইকেটের খরচায় ২৭ রান।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে পরিস্থিত সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম।

একাদশ ওভারের রিয়াদের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়ে আউট হন মুশফিক। লিয়াম লিভিংস্টোনকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ১১ তম ওভারের চতুর্থ বলে এলবিডব্লিউ হন মুশফিক। ফেরার আগে করেন ৩০ বলে ২৯ রান।

১৩তম ওভারের চতুর্থ বলে মিস ফিল্ডিংয়ের সুযোগে দুই রান নিতে যেয়ে আউট হন আফিফ। দ্বিতীয় রানের কল ছিল অন্যপ্রান্তে থাকা মাহমুদুল্লাহর। সে ওভারের পরের বলে আবার মাহমুদুল্লাহের ভুলে কাটা পড়ার সম্ভাবনা জেগেছিল নুরুল হাসান সোহানের। তবে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে সোহানকেও যেন পেয়ে বসেছিল অপরপ্রান্তের ব্যাটারকে ঝুঁকিতে ফেলে রান নেয়ার নেশা। যার ফলে পরের বলটিও পয়েন্টে ঠেলে দিয়ে দ্রুত সিঙ্গেল নেন। ভাগ্য ভালো হওয়ায় ফিল্ডারের থ্রো থেকে সে যাত্রায় বেঁচে যান রিয়াদ।

ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষে এতোটাই ধুঁকছিল বাংলাদেশ যে প্রথম ১৪ ওভারে ডট বল দিতে হয়েছে ৩৭টি।

বারবার জীবন পেয়েও ইনিংস টেনে নিয়ে যেতে পারেননি রিয়াদ। লিয়াম লিভিংস্টোনের বল টাইমিং মিস করে পয়েন্টে ওকসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তার আগে খেলেন ১৯ রানের ইনিংস।

ব্যর্থতার খাতায় নাম লেখান মাহেদি হাসানও। শেষ দিকে নাসুমের ঝোড়ো ৯ বলে ১৯ রানের কল্যাণে দলীয় স্কোর ১২০ ছাড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটের খরচায় ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি উইকেট নেন টাইমল মিলস। দুটি করে উইকেট নেন মঈন আলি ও লিভিংস্টোন। আর একটি উইকেট ঝুলিতে পুরেন ক্রিস ওকস।

আরও পড়ুন:
নেপালে খেলার এনওসি পেলেন তামিম
কেউ বলুক সভাপতি হতে চাই: পাপন
‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’
বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

শেয়ার করুন