ভালো শুরু পেলে বিশ্বকাপে অনেক দূর যাবে দল: তামিম

ভালো শুরু পেলে বিশ্বকাপে অনেক দূর যাবে দল: তামিম

বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে তামিম ইকবাল। ছবি: এএফপি

দলকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তামিম। তবে বিশ্বকাপের উইকেটের মতো ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেটে খেললে দলের জন্য আরও ভালো হতো বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের খুব বেশি সময় বাকি নেই। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের সবচেয়ে বড় আসরে বাংলাদেশ খেলছে তাদের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবালকে ছাড়াই। দলের সঙ্গে না থাকলেও সাকিব-রিয়াদদের নিয়ে আশাবাদী তামিম।

শ্রীলঙ্কার সাবেক ব্যাটসম্যান রাসেল আর্নল্ডের ইউটিউব চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানান বাংলাদেশি এই ওপেনার। তামিমের মতে দলে এখন যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তারা বিশ্বকাপে অনেকদূর যেতে পারে।

তামিম বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছে। প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে বাছাইপর্ব পার হওয়া। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ওমান ও স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলো কঠিন হয়ে যেতে পারে।

‘মূল পর্বে আমরা ভালো করব মনে হয়। টুর্নামেন্টে ভালো শুরু হলে আমরা অনেক দূর যেতে পারব। বাংলাদেশের ইতিহাসে আছে তেমনটা। আমরা ভালো শুরু করলে অনেক দূর যেতে পারি।’

বিশ্বকাপের আগে টানা তিন সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। দেশের বাইরে জিম্বাবুয়ে ও দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে টাইগাররা। টানা জয়ের অভ্যাস নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল।

এ বিষয়টি নিয়েই আত্মবিশ্বাসী তামিম। তবে বিশ্বকাপের উইকেটের মতো ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেটে খেললে দলের জন্য আরও ভালো হতো বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক ব্যস্ত ছিল। আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। বড় কয়েকটা দলকে হারিয়েছি। তবে বিশ্বকাপের আগে স্পোর্টিং উইকেটে খেলতে পারলে আরও ভাল হতো। জেতাটা অনেক জরুরী তবে, এতো বড় টুর্নামেন্টের আগে ওই ধরনের উইকেটে খেলাটা সুবিধাজনক।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনেক দূর যাবে মনে করলেও, শিরোপার ফেভারিট হিসেবে তামিম বেছে নিয়েছেন ভারত ও পাকিস্তানকে।

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিসিবির সমালোচনা দলের ওপর বাড়তি চাপ: ফাহিম

বিসিবির সমালোচনা দলের ওপর বাড়তি চাপ: ফাহিম

অনুশীলনের সময় টিম মিটিংয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। ছবি: বিসিবি

দল জিতলে সেটির কৃতিত্ব নিয়ে নেন বোর্ড সভাপতি থেকে শুরু করে অন্য কর্তারা। কিন্তু হারলে দায়ভার পড়ে খেলোয়াড়দের ওপর। এ বিষয়টিকে ভালো খেলার অন্তরায় বলে মনে করেন ফাহিম।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব পার হওয়ার পর মূল পর্বের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় শ্রীলঙ্কাকে। জয়ের পথে থাকা টাইগারদের হাত ফসকে ম্যাচ চলে যায় প্রতিপক্ষের কাছে। শ্রীলঙ্কা পাঁচ উইকেটে জিতে নেয় ম্যাচ।

ম্যাচের প্রায় পুরো সময় অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহর চোখে-মুখে আতঙ্ক ও চাপ দেখা গেছে টিভি ক্যামেরায়। শেষ পর্যন্ত ক্যাচ ফসকে ও অধিনায়কের ভুল কৌশলে চাপের কাছে পরাস্ত হয়ে ম্যাচ হারতে হয় টাইগারদের।

কেন ১৫-১৬ বছর ধরে ক্রিকেট খেলা মাহমুদুল্লাহ-মুশফিকরা এখনও হারতে ভয় পান বা ম্যাচের সময় আতঙ্কে থাকেন? অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতে বিসিবির কারণে বাড়তি এ চাপ থাকে সিনিয়রদের ওপর।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন বিসিবি কর্তাদের সমালোচনার কারণে ক্রিকেটাররা সেরাটা দিয়ে খেলতে পারছে না। চাপের কাছে বারবার নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে।

ফাহিম বলেন, ‘খেলোয়াড়দের যে মানসিক অবস্থা সেটি আসলে সমালোচনার কারণে। মনে হয় না এটি বাইরের মানুষদের সমালোচনার প্রতিক্রিয়া। কাছের মানুষদের সমালোচনাই ওদেরকে কষ্ট দেয় বলে আমার মনে হয়।’

তিনি যোগ করেন, ‘কারো ভেতর কোনো শক্তি নেই। সবার ভেতরই একটা চিন্তা, ভালো না করতে পারলে বাদ পড়ে যাবে। এই চাপ নিয়ে ভালো খেলা যায় না। ভয় নিয়ে খেলা যায় না। আমাদের ভেতর এটা অনেক বেশি। এটা আমাদের আরও ওপেন হতে দিচ্ছে না। চ্যালেঞ্জিং ক্রিকেট খেলতে দিচ্ছে না।’

চাপের পাশাপাশি ঘরের মাঠে স্লো ও লো উইকেটে খেলে বিশ্বকাপের স্পোর্টিং উইকেটে খেলতে যাওয়ায় বাংলাদেশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে মনে করেন সাকিব-মুশফিকদের কোচ।

ফাহিম বলেন, ‘আত্মবিশ্বাসের অভাব আমরা প্রথম থেকে দেখছি। প্রস্তুতি ম্যাচ ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর ওমানের বিপক্ষে টেনশন নিয়ে খেলেছি। আত্মবিশ্বাসের জায়গাটা একদম নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলা যায় না। আমরা যাদের সাথে খেলব প্রত্যেকে ভাল দল।

‘শ্রীলঙ্কা আমাদের মানের দল। তারা যেমন আক্রমণাত্মক খেলল, যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলল তেমনটা আমরা পারিনি। সে যায়গাটাতে আমরা যেতেই পারছি না। অনেক ব্যাটসম্যানের ফর্ম নেই। অনেকেই নিশ্চিত না যে পরের ম্যাচ খেলতে পারবে কিনা। বোলাররা এই কন্ডিশনে কিভাবে বল করবে সে সম্পর্কে পুরোপুরি জানে না। আমরা আত্মবিশ্বাসটা তুঙ্গে থাকারা অবস্থানে নেই।’

প্রায় সময় দেখা যায় দল জিতলে সেটির কৃতিত্ব নিয়ে নেন বোর্ড সভাপতি থেকে শুরু করে অন্য কর্তারা। কিন্তু হারলে দায়ভার পড়ে খেলোয়াড়দের ওপর। এ বিষয়টিকে ভালো খেলার অন্তরায় বলে মনে করেন ফাহিম।

তিনি বলেন, ‘বোর্ডের কিছু কমেন্ট শুনেছি যেগুলো খেলোয়াড়দের জন্য ইতিবাচক ছিল না। খেলোয়াড়দেরও নিজের জায়গা থেকে সংযত হওয়া উচিত। সবাই সবার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে। দল মানে কিন্তু ১৫ জন না। কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে বিসিবি পুরোটাই দলের অংশ। তাই ভালো করি মন্দ যাই হোক পুরো দলের সেই দায় নিতে হবে। এটা করতে পারলে আমরা আরও ভালো খেলতে পারব।’

ফাহিমের সঙ্গে সুর মিলিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মোর্ত্তজা।

নিজের ফেসবুক আইডিতে মাশরাফি লিখেন ‘দায় খেলোয়ারদেরকেই নিতে হয়/হবে। এটাই স্বাভাবিক, কারণ মাঠে তারাই খেলে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার যে, খেলোয়ারদের সেরকম পরিবেশ করে দিতে হবে। তাদেরকে বোঝাতে হবে, তাদের বিপদে কেউ পাশে না থাকুক, অন্তত টিম ম্যানেজমেন্ট থাকবে।

‘যদি কোচ এ বিষয়ে রিয়াদের সঙ্গে কথা না বলে থাকে, তাহলে তো ব্রেকের সময় দলের টিম বয়কেই মাঠে পাঠিয়ে দেওয়া যায় হাই-হ্যালো করতে, কোচের আর প্রয়োজন কী!’

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

নির্মম ট্রলের শিকার শামির পাশে ‍শচীন-সেওয়াগ

নির্মম ট্রলের শিকার শামির পাশে ‍শচীন-সেওয়াগ

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বোলিং করছেন মোহাম্মদ শামি। ছবি: এএফপি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভয়ংকর ট্রলের শিকার হয়েছেন ভারতের পেইস বোলার মোহাম্মদ শামি। এমন সময়ে শামির পাশে দাঁড়ালেন ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার।

বিশ্বকাপ মঞ্চে পাকিস্তানের কাছে করুণ হার বরণ করে ভারত। তার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভয়ংকর ট্রলের শিকার হয়েছেন ভারতের পেইস বোলার মোহাম্মদ শামি। এমন সময়ে শামির পাশে দাঁড়ালেন ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার।

বিশ্বকাপ মঞ্চে প্রথমবার ভারতকে হারিয়েছে পাকিস্তান। ১০ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে বাবর আজম-রিজওয়ানরা। এই ম্যাচে ভারতের কোনো বোলার উইকেটের দেখা পাননি। শামি বল হাতে চার ওভারে দিয়েছেন সর্বোচ্চ ৪৩ রান।

ম্যাচ শেষে নির্মম ট্রলিংয়ের শিকার হন শামি।

তার পাশে দাঁড়িয়েছেন টেন্ডুলকার। তিনি এক টুইটে লেখেন, ‘যখন আমরা টিম ইন্ডিয়া সমর্থন করি, তখন আমরা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে সমর্থন করি যারা টিম ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে। শামি একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বিশ্বমানের বোলার। অন্য যেকোনো ক্রীড়াবিদদের মতোই তার বাজে দিন ছিল। আমি শামি এবং টিম ইন্ডিয়ার পাশে আছি।’

শামিকে নিয়ে করা ট্রলিং হতবাক করেছে ভারতের ক্রিকেটার ভিরেন্দর সেওয়াগকেও। তিনি লেখেন, ‘শামিকে অনলাইন আক্রমণ করায় হতবাক হচ্ছি। আমরা তার পাশে আছি। শামি একজন চ্যাম্পিয়ন। যারা ভারতের ক্যাপ পরে তারা ‍হৃদয়ে ভারতকে ধরে রাখে। শামি আগামী ম্যাচে ম্যাজিক দেখাও এই কামনা।’

ম্যাচের শুরুতে ‘ব্লাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগানে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে ক্রিকেটারদের অবস্থান নেয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন অনেকে। তাদের একজন ভারতের রাজনীতিবিদ ওমর আব্দুল্লাহ।

তিনি টুইটে লেখেন, ‘মোহাম্মদ শামি গতরাতে হেরে যাওয়া ১১ জন খেলোয়াড়ের একজন ছিলেন। মাঠে তিনি একমাত্র খেলোয়াড় ছিলেন না। টিম ইন্ডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভয়ংকরভাবে গালিগালাজ ও ট্রলের শিকার হওয়া সতীর্থের পক্ষে দাঁড়াতে না পারলে আপনাদের বর্ণবাদবিরোধী অবস্থানের কোনো মূল্য নেই।’

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

টিম ম্যানেজমেন্টকে ‘রিহ্যাব’ মনে হয় মাশরাফির

টিম ম্যানেজমেন্টকে ‘রিহ্যাব’ মনে হয় মাশরাফির

ফাইল ছবি

কিছু ভুল সিদ্ধান্ত, ক্যাচ মিস ও ম্যানেজমেন্টের সমস্যার কারণে ম্যাচটা হাত থেকে ফসকে গেছে বলে মনে করছেন মাশরাফি। 

শ্রীলঙ্কার সঙ্গে জয়ের আশা জাগিয়েও কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তে হার বরণ করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে হয় বাংলাদেশের। এই ম্যাচটা নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

মূলপর্বের এই ম্যাচ নিয়ে নীরবতা ভেঙেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মঙ্গলবার দুপুরে ম্যাচের পর্যালোচনা করেছেন তিনি।

বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া ১৭১ রানের টার্গেটে নেমে শ্রীলঙ্কা যখন চার উইকেট হারিয়ে চাপে, তখন চাপ অব্যাহত না রেখে দুই অনিয়মিত বোলারকে দিয়ে বল করানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ওই তিন ওভারে ৩৬ রান নেয় শ্রীলঙ্কা।

মোস্তাফিজকে দীর্ঘ বিরতিতে রেখে সাকিবকেও এ সময় বিশ্রামে রাখা হয়। ম্যাচে কিছু ভুল সিদ্ধান্ত, ক্যাচ মিস ও ম্যানেজমেন্টের সমস্যার কারণে ম্যাচটা হাত থেকে ফসকে গেছে বলে মনে করছেন মাশরাফি।

তিনি লেখেন, ‘ম্যাচের ৯.৪ ওভার ৭৯ রানে ওদের (শ্রীলঙ্কা) ৪ উইকেট, ঠিক তখন আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ড্রিংকস ব্রেক। তার মানে কোচ মাঠের ভেতর আসবে। আমাদের কোচও এসেছিলেন। তাহলে উনি (কোচ) এসে রিয়াদের (মাহমুদউল্লাহ) সঙ্গে কী কথা বলেছিলেন? যদি বলে থাকেন, তাহলে কি সব দায় রিয়াদের?

‘মানলাম, অন ফিল্ড ক্যাপ্টেন’স কল ইজ ফাইনাল। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ক্রাঞ্চ মোমেন্টে কি কোচ ডিসকাশন করেন না? ক্যাপ্টেন তখন বিভিন্ন বিষয়ে চাপে থাকে। তার প্ল্যান কী, এটা কি জানতে চেয়েছিলেন কোচ?’

ম্যাচ চলাকালে কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে মাশরাফি বলেন, ‘যদি কোচ এ বিষয়ে রিয়াদের সঙ্গে কথা না বলে থাকেন, তাহলে তো ব্রেকের সময় দলের টিম বয়কেই মাঠে পাঠিয়ে দেয়া যায় হাই-হ্যালো করতে, কোচের আর প্রয়োজন কী!

‘আবারও বলছি, সিদ্ধান্ত রিয়াদ নেবে। কিন্তু ওকে তো হেল্প করতে হবে! কারণ মাঠে ক্যাপ্টেন কখনও কখনও অসহায় হয়ে পড়ে। আর ঠিক তখনই টিম ম্যানেজমেন্টকে টেক অফ করতে হয়। অন্যান্য দলে তো তা-ই দেখি।’

ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্যাচ মিস নিয়েও কথা বলেন ম্যাশ।

ক্যাচ মিসে কোনো অজুহাতের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘লিটনের ক্যাচ মিসের কোনো এক্সকিউজ দেব না, এমনকি লিটন নিজেও দেবে না। তবে ক্যাচ মিস খেলার একটা অংশই। তবে ফিল্ডিং কোচের কাছে কি এ বিষয়গুলো নিয়ে জানতে চাওয়া হয়? ক্যাচ মিস কি এই প্রথম হলো?

‘২০১৯ বিশ্বকাপের পর ম্যানেজমেন্টের প্রায় সবাই চাকরি হারিয়েছে স্রেফ বর্তমান ফিল্ডিং কোচ ছাড়া। তাহলে আমরা বিশ্বকাপ বা তারপর কি সেরা ফিল্ডিং সাইড হয়ে গিয়েছি?’

ম্যাচ হারার দায়টা খেলোয়াড়দের ঘাড়েও নিতে হবে বলে জানান সাবেক টাইগার অধিনায়ক।

মাশরাফি লেখেন, ‘তারপরও দায় খেলোয়াড়দেরই নিতে হয়, হবে। এটাই স্বাভাবিক, কারণ মাঠে তারাই খেলে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার, খেলোয়াড়দের সেরকম পরিবেশ করে দিতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে, তাদের বিপদে কেউ পাশে না থাকুক, অন্তত টিম ম্যানেজমেন্ট থাকবে।’

এই ম্যাচের হারে টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর খেপেন মাশরাফি। বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট ‘পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব সেন্টারে’ পরিণত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘এখন টিম ম্যানেজমেন্ট দেখলে মনে হয় একটা রিহ্যাব সেন্টার, যেখানে সাউথ আফ্রিকার সব চাকরি না পাওয়া কোচগুলো একসঙ্গে আমাদের রিহ্যাব সেন্টারে চাকরি করছে।

‘এদের বাদ দেয়া আরও বিপদ। কারণ তারা চুক্তির পুরো টাকাটা নিয়ে চলে যাবে। তাহলে দাঁড়ালো কী? তারা যত দিন থাকবে আর মন যা চাইবে, তাই করবে।’ যোগ করেন মাশরাফি

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

ভারতের বোলারকে ‘গলির ক্রিকেটার’ আখ্যা সালমানের

ভারতের বোলারকে ‘গলির ক্রিকেটার’ আখ্যা সালমানের

ছবি: এএফপি

ভারুন চক্রবর্তীকে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলানো ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সালমান বাট। তার মতে ভারুনের বোলিং কোনো প্রভাবই রাখতে পারেনি পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের উপর।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০ উইকেটের হারের দুঃস্বপ্ন নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মিশন শুরু করেছে ভারত। পাকিস্তানের দুই ওপেনার রিজওয়ান ও বাবর আজমের সামনে হতবিহ্বল ছিল ভারতের বোলিং অস্ত্র।

পুরো ম্যাচে দুই ব্যাটারকে আউট করা সম্ভব হয়নি ভারতের বোলারদের। ১০ উইকেটে দাপটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাকিস্তান।

এর পরপরই দেশটির বোলিং সাইড নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিজ্ঞ রভিচন্দ্রন আশউইনকে বেঞ্চে বসিয়ে মূল একাদশে সুযোগ করে দেয়া হয়েছে তরুণ বোলার ভারুন চক্রবর্তীকে। চার ওভারে ৩৩ রান দিয়েছেন এই ভারতীয় বোলার।

তাকে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলানো ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সালমান বাট। তার মতে ভারুনের বোলিং কোনো প্রভাবই রাখতে পারেনি পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের উপর।

গলির ক্রিকেটে ভারুনের মতো বোলার আছে মন্তব্য করে সালমান বলেন, ‘ভারুন চক্রবর্তী একজন রহস্যময় বোলার হতে পারেন। কিন্তু পাকিস্তানের টেপ টেনিস বলে গলির ক্রিকেট আমরা খেলি। গলির ক্রিকেটে প্রত্যেক পাকিস্তানি শিশুরা চক্রবর্তীর মতো বোলারের বল খেলে আসে। সুতরাং সে কোনো চমক দিতে পারেনি আমাদের।’

তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে এভাবেই ব্যাখ্যা করেন সালমান বাট।

সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘একইভাবে অজন্থা মেন্ডিস শ্রীলঙ্কার হয়ে খেলেছেন। অনেক দলকে সমস্যায় ফেলে দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে তার রেকর্ড ভালো নয়। একটা সময় শ্রীলঙ্কা তাকে পাকিস্তানের বিপক্ষে বোলিং করানো বন্ধ করে দেয়। কারণ আমরা তার বোলিংয়ে কোনো রহস্য পাইনি।’

ভারতের হারার পেছনে আরেকটি কারণ দেখেন বাট।

তিনি বলেন, ‘ম্যাচে দুয়েকটা কৌশল হাতছাড়া করেছে ভারত। প্রথমত তারা তাদের পেইস বোলারদের থেকে যথেষ্ট গতি পায়নি। দ্বিতীয়ত তারা ক্লাসিক্যাল স্পিনারের বদলে রহস্যময় স্পিনারকে পছন্দ করেছে ম্যাচে। পাকিস্তানের ব্যাটারদের জন্য ভারুন কোনো রহস্য নয়।’

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

জয়ের খোঁজে প্রোটিয়া-উইন্ডিজ, পাকিস্তানের সামনে নিউজিল্যান্ড

জয়ের খোঁজে প্রোটিয়া-উইন্ডিজ, পাকিস্তানের সামনে নিউজিল্যান্ড

ফাইল ছবি

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকা ম্যাচটি। অন্যদিকে শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে মঙ্গলবারের দিনটা জমজমাট হতে চলেছে নিঃসন্দেহে। ভারতকে ১০ উইকেটে হারানো দুর্দান্ত পাকিস্তানের মুখোমুখি হতে চলেছে নিউজিল্যান্ড। আর প্রথম ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপের মিশন শুরু করা দুই দল সাউথ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে প্রথম জয়ের খোঁজে।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকা ম্যাচটি। অন্যদিকে শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ।

চিরপ্রতিন্দ্বন্দ্বি ভারতকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করেছে পাকিস্তান। প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতকে হারানোয় আকাশে উড়ছে বাবর আজমের দল।

আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে মঙ্গলবার সুপার টুয়েলভে গ্রুপ-টুতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। জয়ের ধারায় থাকার লক্ষ্য পাকিস্তানের। অন্যদিকে শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া নিউজিল্যান্ডও।

শারজাতেই ভারতের মুখোমুখি হয় পাকিস্তান। ভিরাট কোহলির দলকে উড়িয়ে ১০ উইকেটে বিশাল জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপে শুরুটা চমৎকার করে আজম-রিজওয়ানরা।

অন্যদিকে হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকা। পরাজয়ের বৃত্ত থেকে বের হয়ে দুই দলের লক্ষ্য টুর্নামেন্টের প্রথম জয়।

সুপার টুয়েলভে গ্রুপ-ওয়ানের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকা।

সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় প্রোটিয়ারা। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ম্যাচটি হারতে হয় তাদের।

তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জয় চায় সাউথ আফ্রিকা। দলের অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা বলেন, ‘শুরুটা ভালো হয়নি। তবে আশা করছি, দল দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে। ব্যাটারদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। উইকেটে টিকে থাকতে হবে, প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল। আগের ম্যাচটি তাদের জন্যও সুখকর নয়। তবে লড়াইয়ে ফিরতে সময় নিবে না ক্যারিবিয়ানরা।’

উইন্ডিজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারে ইংল্যান্ডের কাছে। ইংলিশদের কাছে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ছয় উইকেটের পরাজয় মেনে নিতে হয় কাইরন পোলার্ডের দলকে।

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

সেই স্কটল্যান্ড খাবি খেল আফগানিস্তানের কাছে

সেই স্কটল্যান্ড খাবি খেল আফগানিস্তানের কাছে

উইকেট পাওয়ার পর আফগানিস্তানের উদযাপন। ছবি: এএফপি

আগে ব্যাট করে এবারের মূলপর্বে সর্বোচ্চ ১৯০ রানের পাহাড় গড়ে আফগানরা। পরে মুজিব উর রেহমানের পাঁচ উইকেটের অনবদ্য স্পেল আর রশিদ খানের ৯ বলে চার উইকেটে স্কটল্যান্ডকে ১০ ওভারে ৬০ রানে গুটিয়ে ফেলে আফগানিস্তান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে আইসিসির সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে যায় টেস্ট খেলুড়ে দেশ বাংলাদেশ। এই অঘটনের রেশ কাটতে না কাটতে আরেক বাস্তবতা হাজির হলো সামনে। স্কটল্যান্ডকে চূর্ণবিচূর্ণ করে ছেড়েছে আফগানিস্তান।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩০ রানের বিশাল জয় পেয়েছে রাশিদ-মুজিবরা।

শারজায় বিশ্বকাপের মূলপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে অল্প রানে গুটিয়ে ১৩০ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে আফগানরা।

এতে করে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছে আফগানিস্তান। আগে ব্যাট করে এবারের মূলপর্বে সর্বোচ্চ ১৯০ রানের পাহাড় গড়ে আফগানরা।

পরে মুজিব উর রেহমানের পাঁচ উইকেটের অনবদ্য স্পেল আর রশিদ খানের ৯ বলে চার উইকেটে স্কটল্যান্ডকে ১০ ওভারে ৬০ রানে গুটিয়ে ফেলে আফগানিস্তান।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে হাজরাতুল্লাহ জাজাইয়ের ৪৪ ও মোহাম্মদ শেহজাদের ২২ রানে ভালো শুরু করে আফগানিস্তান। পরে রহমানুল্লাহ গুরবাজের ৪৬ আর নাজিবুল্লাহ জাদরানের ৫৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চার উইকেটে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ তোলে আফগানিস্তান।

টার্গেটে নেমে রীতিমতো চোখে সরষে ফুল দেখে স্কটল্যান্ড। দুই ওপেনার জর্জ মানসির ২৫, কাইল কোয়েটজারের ১০ আর ৭ নম্বরে নামা ক্রিস গ্রিভসের ১২ রান ছাড়া দুই অঙ্কের রান পাননি কেউ।

দুই স্পিনার মুজিব ও রাশিদই ধসিয়ে দেন স্কটল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপ।

১০ ওভার ২ বলে ৬০ রানে গুটিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। আর ১৩০ রানের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফগানিস্তান।

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন

সাকিবদের পর লঙ্কানদের কাছে হারল জুনিয়র টাইগাররাও

সাকিবদের পর লঙ্কানদের কাছে হারল জুনিয়র টাইগাররাও

ছবি: টুইটার

ডাম্বুলায় চার রানে হারের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জুনিয়র টাইগাররা। এর ফলে সিরিজের পাঁচ ম্যাচেই হেরেছে দলটি।

একদিনের ব্যবধানে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল সিনিয়র ও জুনিয়র টাইগাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে আশা জাগিয়েও লঙ্কানদের কাছে হেরেছে সাকিব-রিয়াদরা।

পরের দিন একইভাবে আশা জাগিয়ে ডাম্বুলায় সিরিজের শেষ ম্যাচে লঙ্কানদের কাছে হেরেছে মেহেরব-মাহফিজুলরা। ৪ রানে হারের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জুনিয়র টাইগাররা। এর ফলে সিরিজের পাঁচ ম্যাচেই হেরেছে দলটি।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। চামিন্দু উইক্রামাসিংঘের সেঞ্চুরি ও শেভন ড্যানিয়েলের ফিফটিতে নয় উইকেটে ২৪০ রান করে স্বাগতিকরা।

বল হাতে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন মুশফিক হাসান। দুটি করে পান রিপন মন্ডল ও আহসান হাবিব। আর একটি উইকেট পান নাইমুর রহমান।

শেষ ম্যাচে জয়ের আশায় টার্গেটে নেমে দারুণ শুরু করে টাইগারদের ওপেনিং জুটি। ৬২ রান করে বিদায় নেন মাহফিজুল আর ৩২ রানে ইফতেখার। এরপরে দলের ভার নেন নওরোজ নাবিল ও আইচ মোল্লাহ। দুই জুটিতে জয়ের পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল দল।

নাবিল ফেরেন ৩৩ ও ৫৫ রান করে ফেরেন আইচ। এরপরেই মন্থর হয়ে যায় দলের রানের চাকা। অধিনায়ক মেহেরব ১১ রান আর আরিফুল ২১ রানে সাজঘরে ফিরলে জয়ের বন্দরে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বাংলাদেশের।

মাত্র চার রানে হেরে যায় জুনিয়র টাইগাররা। ফলে পাঁচ ম্যাচে হেরে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সফর শেষ করল বাংলাদেশের যুবারা।

আরও পড়ুন:
হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল যুব দল
ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত তামিম
শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শেয়ার করুন