শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

শান্তর পর শুক্কুরের ব্যাটে বড় সংগ্রহ এ-দলের

এ-দল ও এইচপির মধ্যেকার ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের একটি মুহূর্ত। ছবি: বিসিবি

চারদিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ৩৩৯ রানে অল আউট হয়েছে এ-দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষে এইচপি দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটের খরচায় ৪১ রান।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-এ দল ও হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি) মধ্যকার চারদিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ৩৩৯ রানে অল আউট হয়েছে এ-দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষে এইচপি দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটের খরচায় ৪১ রান।

চার দিনের ম্যাচের প্রথম দিনে সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন এ-দলের নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় দিনে একই হতাশায় ডুবতে হল ইরফান শুক্কুরকে।

শান্তর চেয়ে তার কষ্ট কিছুটা কম থাকার কথা। কেননা শান্তর আক্ষেপ ছিল ৪ রানের। আর শুক্কুরের ১৫।

৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৬০ রান দিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে শুরুতে মুনিম শাহরিয়ারকে হারায় এ-দল। সুমন খানের বলে আকবর আলীর হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটসম্যান।

সুমন খানের কল্যাণে উইকেটে থিতু হতে পারেননি নাঈম হাসানও। এরপর ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের শিকার হন শহিদুল ইসলাম।

উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে রাখেন ইরফান। সঙ্গে পান কামরুল ইসলাম রাব্বিকে। ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নিয়ে ব্যাট ছোটান শতকের দিকে।

তার ছুটন্ত ব্যাট থামে হাসান মুরাদের কারনে। ২ ছক্কা এবং ১০ চারে ৮৫ রান করেই থামতে হয় তাকে। এ-দলের কফিনের শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সুমন খান।

৬৬ বলে ১২ রান করা রাব্বিকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে। ততক্ষণে ৩৩৯ রানের বড় পুঁজি পেয়ে গেছে মোহাম্মদ মিঠুনের এ-দল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ সাবধানী হলেও বেশিক্ষণ সেটি ধরে রাখতে পারেনি এইচপি দল।

২৯ রানে এক উইকেট হারানোর পর দলীয় স্কোরে এক রান যোগ করতে আরও দুই উইকেট হারায় তারা। ফলে তিন উইকেটের বিনিময়ে ৪১ রান করে দিন শেষ করে আকবর আলীরা।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অজি বোলিং তোপে অসহায় প্রোটিয়ারা

অজি বোলিং তোপে অসহায় প্রোটিয়ারা

ওয়েডের সঙ্গে হেজলউডের উদযাপন। ছবি: আইসিসি

প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে ১১৮ রানে আটকে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অজি বোলিং তোপের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে ১১৮ রানে আটকে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অজি বোলিং তোপের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা।

আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে সাউথ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অজি দলপতি অ্যারন ফিঞ্চ।

ব্যাট করতে নামা প্রোটিয়া শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। টেম্বা বাভুমাকে দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান এই অজি বোলার। দলের রান তখন ১৩।

বাভুমার বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয় আঘাত হানেন জশ হেইজলউড। দুই রান করা রাসি ফন ডার ডুসেনকে মাঠ ছাড়া করেন উইকেটের পেছনে ম্যাথিউ ওয়েডের তালুবন্দি করে।

হেইজলউডের উঠে আসা বলে কুইন্টিন ডি কক স্কুপ করতে গিয়ে ব্যাটে ঠিকমত না লাগায় সেটি আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। আর তাতে ২৩ রানে তিন উইকেট নেই সাউথ আফ্রিকার।

দলের এমন বিপর্যয়ে হাল সামলানোর গুরুভার কাঁধে তুলে নেন এইডেন মারক্রাম। উইকেট আগলে রেখে এগিয়ে নেন দলকে।

এক প্রান্ত মারক্রাম আকরে ধরে রাখলেও অপরপ্রান্তে চলছিল আসা যাওয়ার মিছিল।

এক পর্যায়ে ধৈর্যহারা হয়ে ওঠেন মারক্রাম। বড় শট খেলতে গিয়ে ধরা দেন ম্যাক্সওয়েলের হাতে।

শেষতক নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট পান মিচেল স্টার্ক, জশ জেইজলউড ও অ্যাডাম জ্যাম্পা। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিনস।

শেয়ার করুন

মাঠের বাইরের সমালোচনাকে পাত্তা দিলেন না ডমিঙ্গো

মাঠের বাইরের সমালোচনাকে পাত্তা দিলেন না ডমিঙ্গো

বাংলাদেশের অনুশীলনে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে আলোচনায় হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। ফাইল ছবি

গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট চলার সময়ে সংবাদমাধ্যমে আসা চটকদার খবরে মাথা ঘামাচ্ছেন না বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। মূল পর্বে যাত্রা শুরুর আগের দিন সংবাদসম্মেলনে তিনি জানান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের রণকৌশল নিয়ে ব্যস্ত তিনি।

বাংলাদেশ দল বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে গেলেই সরব হয়ে ওঠে দেশের সংবাদমাধ্যম। সরব হয়ে ওঠেন বিসিবি সভাপতি। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ব্যতিক্রম হয়নি।

বিশ্বকাপ চলাকালীন সংবাদমাধ্যমের কাছে দল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। সমালোচনা করেছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহসহ অন্য দুই সিনিয়র খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের। পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে ম্যাচ শেষ করে টাইগার অধিনায়ক জবাব দেন কিছু সমালোচনার।

মাহমুদুল্লাহ দলের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান। বিসিবি সভাপতি পালটা বক্তব্য দেন অধিনায়কের। ইঙ্গিত দেন, বিশ্বকাপ শেষে দলের দায়িত্ব নাও থাকতে পারে তার কাঁধে।

গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট চলার সময়ে সংবাদমাধ্যমে আসা এসব চটকদার খবরে অবশ্য মাথা ঘামাচ্ছেন না বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। মূল পর্বে যাত্রা শুরুর আগের দিন সংবাদসম্মেলনে তিনি জানান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের রণকৌশল নিয়ে ব্যস্ত তিনি। অন্য কিছু নয়।

ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমি এখানে শুধু ক্রিকেটে ফোকাস করতে চাই। দলের বাইরে কী বলা হচ্ছে সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। দলকে শারীরিক ও মানসিকভাবে কালকের (রোববার) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তৈরি করা আমার লক্ষ্য।’

সমালোচনা কেনো হচ্ছে? কে করছে বা কোন উদ্দেশ্যে হচ্ছে সেসব প্রশ্নের ধার না ধেরে পেশাদার কোচের মতোই ডমিঙ্গো জানালেন দলের মনোযোগ এখন মাঠের খেলায়।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় যখন পারফরম্যান্স খারাপ হবে তখন সমালোচনা নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টসের অংশই এটি। কোচিংয়ের অন্যতম দিক হচ্ছে যে বিষয়গুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটা নিয়ে কাজ করা।

‘মানুষ কী বলছে বা লিখছে সেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা নিজেদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করতে পারি। কোন জায়গায় উন্নতি দরকার সেটা নিয়ে চিন্তা করতে পারি। মাঠের বাইরে কী হচ্ছে সেটা নিয়ে চিন্তা করলে মাঠের আসল কাজ, ক্রিকেট খেলা, তা থেকে আমাদের ফোকাস সরে যাবে।’

কঠিন বাছাইপর্বের পর ডমিঙ্গো ও তার শিষ্যদের মূলপর্বের চ্যালেঞ্জ শুরু হচ্ছে রোববার থেকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বিকেল চারটায় মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন

২০১৬ ফাইনালের ‘রি-ম্যাচে’ নামছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

২০১৬ ফাইনালের ‘রি-ম্যাচে’ নামছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

২০১৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ের পর কার্লোস ব্র্যাথওয়েইটের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচবারই জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা। রোববার রাত ৮টায় মুখোমুখি হচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ধরা হয় সেটিকে। ইডেন গার্ডেনসে প্রায় ৬০ হাজার দর্শকের সামনে চার বলে চার ছক্কার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে ইংল্যান্ডের নাগালের মধ্যে থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি কেড়ে নেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট।

নিজেদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ড্যারেন স্যামির ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তারপরের পাঁচ বছরে পাল্টেছে অনেক কিছুই। ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব ধরে রাখলেও কাণ্ডারি স্যামিকে হারিয়েছে উইন্ডিজ। হোল্ডার, ব্র্যাথওয়েইটের হাত ঘুরে অধিনায়কত্ব এখন অভিজ্ঞ কাইরন পোলার্ডের কাঁধে।

এবারের বিশ্বকাপের আগে দুই দলই আছে ছন্দে। দেশের মাটিতে খেলা চারটি সিরিজের দুটি জিতেছে উইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জেতার পাশাপাশি তারা হেরেছে সাউথ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের কাছে।

বিশ্বকাপ যাত্রা শুরুর আগে পোলার্ড জানালেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচ সব সময়ই অনুপ্রাণিত করে তাদের।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ওই পরিস্থিতিটা আমাদের হার না মানা চরিত্রকে তুলে ধরেছে। ও ধরনের স্মৃতি সবার সঙ্গে মিশে থাকে। দল হিসেবে আবারও আমরা এই টুর্নামেন্টটা জিততে চাই।’

অন্যদিকে ইংল্যান্ড ভারতের কাছে হেরে বছর শুরু করলেও সিরিজ জিতেছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শর্টার ফরম্যাটেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেতে প্রস্তুত।

২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। ১১ বছর পর ওইন মরগানের নেতৃত্বে আবারও বিশ্বজয় করতে প্রস্তুত বাটলার, বেয়ারস্টো, রয় ও রাশিদদের সোনালি প্রজন্ম।

মরগান জানান ২০১৬-এর হার নয়, বরং ২০১৯-এর বিশ্বজয় থেকেই শিক্ষা নিয়েছে দল।

তিনি বলেন, ‘ওই হারের ক্ষত থাকলে আমার মনে হয় না আমরা গত চার-পাঁচ বছর যেমনটা উন্নতি করতে পেরেছি, তেমনটা পারতাম।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচবার জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা।

সম্ভাব্য একাদশ

উইন্ডিজ : এভন লুইস, লেন্ডল সিমন্স, ক্রিস গেইল, নিকোলাস পুরান, শিমরন হেটমায়ার, কাইরন পোলার্ড, আন্ড্রে রাসেল, ডোয়েইন ব্রাভো, আকিল হোসেন, ওবেদ ম্যাকয় ও ওশান টমাস।

ইংল্যান্ড : জেসন রয়, জস বাটলার, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলি, লিয়াম লিভিংস্টোন, ওইন মরগান, ক্রিস ওকস, ডেভিড উইলি, আদিল রাশিদ, মার্ক উড ও ক্রিস জর্ডান।

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ না জেতা দুই বড় দলের লড়াই

বিশ্বকাপ না জেতা দুই বড় দলের লড়াই

কুইন্টন ডি কককে আউট করার পর উচ্ছ্বসিত মিচেল স্টার্ক। ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ২১ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা। অজিদের জয় ১৩টি ও প্রোটিয়াদের জয় ৮টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে একবারই মুখোমুখি হয় দুই দল। শ্রীলঙ্কায় ২০১২ সালের আসরের ওই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে হারায় সাউথ আফ্রিকাকে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ক্রিকেটেও বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের অধীনে ক্রিকেটের দুই ফরম্যাটে প্রায় অপরাজেয় হয়ে উঠেছিল অজিরা।

যে ট্রফিটি তাদের এখনও নাগালের বাইরে সেটি হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ছয়টি আসরের কোনোটি জেতা তো দূরে থাক, ফাইনালেও উঠতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। সে হতাশা দূর করতে এবারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অ্যারন ফিঞ্চের দল।

দলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রয়েছে একগাদা ম্যাচ উইনার। অধিনায়ক ফিঞ্চ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিনসরা একাই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিতে সক্ষম।

তারপরও ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে তাদের রেকর্ড সাধারণ মানের। বিশ্বকাপের আগে সেটিকে দেখাচ্ছে আরও ম্লান।

টানা পাঁচটি সিরিজ হেরে বিশ্বমঞ্চে নামছে ফিঞ্চের দল। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হার।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে অজিরা চিন্তিত অভিজ্ঞ ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে। এ বছর কোনো টি-টোয়েন্টি খেলেননি তিনি।

সবশেষ খেলা ২৩টি টি-টোয়েন্টিতে মাত্র তিনটি হাফ সেঞ্চুরি আছে ৩৫ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যানের। তারপরও দলের সমর্থন পাচ্ছেন ওয়ার্নার।

অধিনায়ক ফিঞ্চ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় সে। আমার সন্দেহ নেই সে প্রথম ম্যাচেই ভালো করবে ও সেটা বাকি টুর্নামেন্টে ধরে রাখবে।’

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ সাউথ আফ্রিকা আছে দারুণ ছন্দে। শেষ ১০ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছে প্রোটিয়ারা।

২০২১ সালের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে তারা। টেম্বা বাভুমার দল মুখিয়ে আছে সাউথ আফ্রিকাকে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম কোনো আইসিসি ইভেন্টে সাফল্য এনে দিতে।

এবারের টুর্নামেন্টের আগে শিরোপার প্রত্যাশা অনেক জানালেন অধিনায়ক বাভুমা। দর্শক ও সংবাদমাধ্যমের প্রত্যাশাটাও মনে করিয়ে দিলেন সবাইকে।

প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে মিডিয়ায় আমরা বেশ আক্রমণের শিকার হয়েছি। তবে সেসব ভুলে আমরা যেমনটা খেলছি, তেমনটা আমাদের খেলে যেতে হবে।’

টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ২১ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা। অজিদের জয় ১৩টি ও প্রোটিয়াদের জয় ৮টি।

২০২০ সালে ফেব্রুয়ারিতে সাউথ আফ্রিকার মাটিতে সবশেষ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে একবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। শ্রীলঙ্কায় ২০১২ সালের আসরের ওই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে হারায় সাউথ আফ্রিকাকে।

সম্ভাব্য একাদশ

অস্ট্রেলিয়া: অ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, ম্যাথিউ ওয়েড, অ্যাস্টন এইগার, মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জ্যাম্পা ও প্যাট কামিনস।

সাউথ আফ্রিকা: কুইন্টিন ডি কক, টেম্বা বাভুমা, এইডেন মারক্রাম, রাসি ফন ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, হেনরিখ ক্লাসেন, উইয়ান মালডার, কাগিসো রাবাডা, কেশভ মহারাজ, আনরিখ নরটিয়া ও তাবরেইজ শামসি।

শেয়ার করুন

বাংলাদেশের বিপক্ষে নেই লঙ্কান ‘রহস্য স্পিনার’

বাংলাদেশের বিপক্ষে নেই লঙ্কান ‘রহস্য স্পিনার’

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে উইকেট উদযাপন করছেন মাহিশ থিকসানা। ছবি: এএফপি

শ্রীলঙ্কার ক্যাম্প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই স্পিনারকে নিয়ে তারা প্রথম ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চায় না।

দুই মাস আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে নিজের বোলিং দিয়ে নজর কাড়তে সামর্থ্য হয়েছেন মাহিশ থিকসানা।

দুদিকে বল ঘোরানো ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিয়মিত উইকেট এনে দেয়ার কারণে জাতীয় দলে জায়গা মজবুত করে নেন এই ডানহাতি। অজন্থা মেন্ডিস, আকিলা দনঞ্জয়াদের পথ ধরে শ্রীলঙ্কা পেয়ে যায় আরেকজন ‘রহস্য স্পিনার’।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দারুণ ছন্দে ছিলেন থিকসানা। আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪৫ রানে আট উইকেট নেন তিনি। লঙ্কানদের সহজে মূলপর্বে কোয়ালিফাই করার অন্যতম নায়ক ছিলেন এ ২১ বছর বয়সী স্পিনার।

তবে বাংলাদেশের জন্য সুখবর। মূলপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে চোটের কারণে থাকছেন না থিকসানা।

শ্রীলঙ্কার ক্যাম্প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই স্পিনারকে নিয়ে প্রথম ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চায় না তারা।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০ রানে তিন উইকেট নেন থিকসানা। বোলিংয়ের সময় চোট পাওয়ায় তাকে ফিল্ডিং করতে দেখা যায়নি।

পরে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান ভানুকা রাজাপাকশা নিশ্চিত করেন থিকসানার চোটের বিষয়টি। প্রথম ম্যাচ না খেললেও মূলপর্বের বাকি ম্যাচ খেলবেন তিনি- এমনটা প্রত্যাশা করছে লঙ্কান ম্যানেজমেন্ট।

সংবাদমাধ্যমকে রাজাপাকশা বলেন, ‘তাকে প্রথম ম্যাচে খেলিয়ে বাকি ম্যাচে না পাওয়ার ঝুঁকি আমরা নিতে চাই না। আমি যতদূর জানি, সে প্রথম ম্যাচে খেলছে না। সুস্থ হয়ে বাকি ম্যাচগুলোতে খেলবে, তেমনটা আশা করছি।’

রোববার বিকেল ৪টায় আবুধাবিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল পর্বের লড়াই শুরু করবে শ্রীলঙ্কা।

শেয়ার করুন

‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’

‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত

সুপার টুয়েলভে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু করবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে টাইগারদের হাতে সময় আছে এক দিন। সময় স্বল্পতাই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার মূল চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেন অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত দুটি সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ফলে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে বিশ্বকাপে খেলতে যায় টাইগাররা।

বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের আগে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে শুধু ওমানের এ-দলের বিপক্ষে জয় পায় মাহমুদুল্লাহর বাহিনী। বাকি দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের কাছে হারতে হয়।

এ ধারা অব্যাহত থাকে বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ছয় রানে হারায় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাবার উপক্রম হয় টাইগারদের। তবে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয়ে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

দলীয় পারফরম্যান্সের অবনতি ছাপিয়ে লাইমলাইটে জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় দলের ব্যাটারদের পারফরম্যন্স। ঘরের মাঠে দুটো সিরিজে যেমন ধুঁকতে হয়েছে লিটন-সৌম্যদের, ঠিক একইভাবে তাদের ধুঁকতে হয়েছে প্রস্তুতি ও বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতে।

ব্যাটারদের এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন ঘরোয়া ক্রিকেটের কিংবদন্তি কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

নিউজবাংলাকে সাকিব-মুশফিকদের গুরু ফাহিম বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল। ঘরের মাঠে আমাদের পারফরম্যান্স যে খুব একটা ভালো ছিল না সেটা আমরা এখন এসে বুঝতে পারছি। হোম সিরিজে ব্যাটিংয়ের প্রস্তুতি ভালো হয়নি সেটি এখানে টের পাওয়া যাচ্ছে। এখান থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে বের করাটা আসল চ্যালেঞ্জ হবে।’

সুপার টুয়েলভে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু করবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে টাইগারদের হাতে সময় আছে এক দিন। সময় স্বল্পতাই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার মূল বাধা বলে মন্তব্য করেন অভিজ্ঞ এ ক্রিকেট কোচ।

তিনি বলেন, ‘বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচ আমরা হেরেছি। পরের ম্যাচগুলো আমাদের সামর্থ্য ও অভিজ্ঞতার কারণে টিকে গেছি। হোম সিরিজগুলোর যে নেতিবাচক প্রভাব ছিল তার কারণে কিন্তু এখানে এসে ম্যাচ হারলাম। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারলাম।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমরা হারের মধ্য দিয়ে দলকে গোছাচ্ছিলাম। প্রক্রিয়াটা চলছে। কোয়ালিফাই করে একটা ধাপ এগিয়েছি।’

বাছাইপর্বের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ লঙ্কানদের বিপক্ষে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। মূল পর্বে এসে তাদের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করতে পারলে সেটি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে বলে জানান ফাহিম।

বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে আমরা কিন্তু সেই পর্যায়ের না। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যদি জিততে পারি তাহলে ধরে নিতে পারব একটা শক্তিশালী দল নিয়ে বিশ্বকাপে গিয়েছি। বিষয়টা এমন নয় যে আমরা বাকি ম্যাচগুলো জিতে যাব।

‘কিন্তু বাকি দলের সঙ্গে পার্থক্য কমাতে পারব। শ্রীলঙ্কা ছাড়া বাকি দলগুলো অনেক শক্তিশালী। তাদের সঙ্গে ব্যবধান কমাতে পারলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হবে এই বিশ্বকাপে।’

সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশকে লড়তে হবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই ছয় দলের ভেতর সেরা দুই দল খেলবে সেমি ফাইনালে।

সেমিফাইনালকে বাংলাদেশ তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে দেশ ছেড়েছে।

শেয়ার করুন

ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা

ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা

ম্যাচ জয়ের পর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের উদযাপন। ছবি: আইসিসি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৪ রানে থেমে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। আর সহজ লক্ষ্যের ম্যাচ মাত্র ৭.১ ওভারে ৮ উইকেটে জিতে নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।

২০১৪ সালে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার মাঠে নামে নেদারল্যান্ডস।

সে ম্যাচে ডাচদের ৩৯ রানে অল আউট করে দিয়ে লজ্জার সাগরে ডুবিয়েছিল কুমার সাঙ্গাকারার দল। সেই ঘটনার ৭ বছর পর আবারও লজ্জায় পড়তে হল ডাচদের। প্রতিপক্ষ এবারও শ্রীলঙ্কা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৪ রানে থেমে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। আর সহজ লক্ষ্যের ম্যাচ মাত্র ৭.১ ওভারে ৮ উইকেটে জিতে নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।

সাগরিকার সাত বছর আগের সে ম্যাচ আর বাছাইপর্বের শুক্রবারের ম্যাচের ভেতর রয়েছে বেশ কিছু মিল। দুই ম্যাচে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। দুটি ম্যাচেই তিনটি করে উইকেট শিকার করেন একজন স্পিনার ও একজন পেইসার।

২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসের ৬ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন পেইসার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও স্পিনার অজন্থা মেন্ডিস। আর শুক্রবারের ম্যাচে একইভাবে ছয় উইকেটের তিনটি নিয়েছেন পেইসার লাহিরু কুমারা আর তিনটি নিয়েছেন স্পিনার হাসারাঙ্গা ডি সিলভা।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে লঙ্কান বোলিং তোপের সামনে শুরু থেকে অসহায় ছিলেন ডাচ ব্যাটাররা। কেবলমাত্র কলিন একারম্যানের ব্যাট থেকে আসে দুই অঙ্কের ইনিংস। বাকিদের ফিরতে হয় এক অঙ্কের রান করে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ও লাহিরু কুমারা। দুটি উইকেট ঝুলিতে পুরেন মাহেশ থিকসানা আর একটি উইকেট নেন দুশমন্থ চামিরা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুধুমাত্র পাথুম নিশাঙ্কা ও চারিথ আসালাঙ্কাকে হারিয়ে জয় পেয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

এ জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে এ-গ্রুপ নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। যার ফলে সুপার টুয়েলভে লঙ্কানরা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশকে।

২৪ তারিখ বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল পর্বের লড়াই শুরু করবে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪ টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

শেয়ার করুন