মেডভেডেভের চেয়ে রাডুকানুর জয় দেখেছেন বেশি দর্শক

মেডভেডেভের চেয়ে রাডুকানুর জয় দেখেছেন বেশি দর্শক

ইউএস ওপেন ট্রফি হাতে এমা রাডুকানু। ছবি: টুইটার

যুক্তরাষ্ট্রে নারী এককের ফাইনাল দেখেছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার টিভি দর্শক। আর পুরুষ এককের ফাইনাল টিভি সেটের সামনে উপভোগ করেন ২০ লাখ ৫০ হাজার দর্শক।

বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম ইউএস ওপেনের পুরুষদের চেয়ে নারী ফাইনালে দর্শক বেশি ছিল। ইএসপিএন ডেটা রিপোর্টস অনুযায়ী, এমা রাডুকানু ও লেয়লা ফার্নান্ডেজের মধ্যেকার নারী এককের ফাইনাল ম্যাচটিতে পুরুষ এককে ফাইনালে ডানিল মেডভেডেভ বনাম নোভাক জকোভিচ ম্যাচের চেয়ে বেশি টিভি দর্শক ছিল।

ইএসপিএন জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে নারী এককের ফাইনাল দেখেছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার টিভি দর্শক। আর পুরুষ এককের ফাইনাল টিভি সেটের সামনে উপভোগ করেন ২০ লাখ ৫০ হাজার দর্শক।

ইউএস ওপেনের নারী এককের ফাইনালে কানাডার লেয়লা ফার্নান্ডেসকে ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে নিজের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতে নেন ইংল্যান্ডের রাডুকানু।

১৯৭৭ সালে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর প্রথম বৃটিশ নারী হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতেন ১৮ বছরের এই তরুণ তারকা।

আর পুরুষ এককের ফাইনালে নোভাক জকোভিচকে সরাসরি ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ গেমে হারিয়ে মেডভেডেভ জিতে নেন ইউএস ওপেন।

রাডুকানু ও ফার্নান্ডেজের মধ্যেকার ম্যাচটি যে পরিমাণ দর্শক দেখেছেন সেটি সাধারণত টেনিস গ্রেট সেরিনা উইলিয়ামসের ইউএস ওপেনের ম্যাচের সময় থাকে।

সেরিনাকে ছাড়া এত দর্শকের ঘটনা এই প্রথম।

নারীদের খেলাধুলার প্রতি সাধারণ দর্শকের আগ্রহ বাড়ছে, তেমনটাই প্রমাণ করে এই ডেটা।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ফেডারেশনে নারী ও পুরুষ অ্যাথলিটের পারিশ্রমিকের বৈষম্য নিয়ে সোচ্চার নারী খেলোয়াড়রা।

দীর্ঘদিনের দাবির পর গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন (ইউএসএসএফ) নারী ও পুরুষ ফুটবলারদের চুক্তিতে পারিশ্রমিকের পরিমাণ সমান করে।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আবাহনীকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলল মেরিনার্স

আবাহনীকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলল মেরিনার্স

মেরিনার্সের খেলোয়াড়দের জয়োল্লাস। ছবি: হকি ফেডারেশন

২০১৮ সালে এই আবাহনীর কাছেই ১-০ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেরিনার্সের। প্রায় সাড়ে তিন বছর বিরতির পর অনুষ্ঠিত হওয়া ক্লাব হকির টুর্নামেন্টে সেই আবাহনীকে হারিয়েই শিরোপা ঘরে তুলল দলটি।

এসআইবিএল ক্লাব কাপ হকির ফাইনালে আবাহনী লিমিটেডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপার স্বাদ পেল মেরিনার ইয়াংস ক্লাব। শিরোপার মাধ্যমে প্রায় তিন বছর আগের প্রতিশোধ নিল মেরিনার্স।

২০১৮ সালে এই আবাহনীর কাছেই ১-০ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেরিনার্সের। প্রায় সাড়ে তিন বছর বিরতির পর অনুষ্ঠিত হওয়া ক্লাব হকির টুর্নামেন্টে সেই আবাহনীকে হারিয়েই শিরোপা ঘরে তুলল দলটি।

মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২০ মিনিটেই সোহানুরের ফিল্ড গোলে এগিয়ে যায় মেরিনার্স।

পিছিয়ে পড়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে আবাহনী। ৫৩ মিনিটে সমতায় ফিরতে পারত তারা। কিন্তু বেলিমাগার হিট জালে ঢুকলেও রেফারির সিদ্ধান্তে সেটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এরপর প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকে খেলা। ভিআরের মাধ্যমেও সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না রেফারি। যার ফলে গোল বাতিল করে ফের খেলা শুরু করা হয়।

বিরতির পর যেন তেজ বেড়ে যায় মেরিনারের। ম্যাচের ৫৫ মিনিতে দুর্দান্ত এক রিভার্সে ব্যবধান বাড়ান অভিষেক কুমার।

আবাহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন শাহানুর ৫৭ মিনিটের মাথায়। তার এই গোলের সুবাদে ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেরিনার্স।

টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান মেরিনার্সের অভিষেক কুমার। আর ৬টি গোল দিয়ে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হন একই ক্লাবের মো. মিলন।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

নিয়াজ মোর্শেদের কাছে ১২ মিনিটও টিকলেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিয়াজ মোর্শেদের কাছে ১২ মিনিটও টিকলেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদের সঙ্গে শনিবার দাবা খেলায় অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

খেলা শুরুর দেড় মিনিটের মধ্যেই মন্ত্রী খোয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর হাতি, ঘোড়া, নৌকাসহ বেশ কিছু সৈন্য হারিয়ে রাজাকে রক্ষায় বিপাকে পড়ে যান তিনি।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শেখ রাসেল মেমোরিয়াল র‌্যাপিড চেজ টুর্নামেন্টে ২০২১’ উদ্বোধন শেষে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ হয়। তাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অংশ নেন গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ।

খেলা শুরুর দেড় মিনিটের মধ্যেই মন্ত্রী খোয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর হাতি, ঘোড়া, নৌকাসহ বেশ কিছু সৈন্য হারিয়ে রাজাকে রক্ষায় বিপাকে পড়ে যান তিনি। খেলার ১২ মিনিটের মধ্যেই আন্তর্জাতিক দাবাড়ু নিয়াজ মোর্শেদের চালে আটকে যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজা। সব শেষ মন্ত্রী ছাড়া রাজাকে রক্ষা করা যে কঠিন, সেটি বলে হাসতে হাসতে খেলা শেষ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ওই সময় নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর হলেও আপনি বেশ ভালো খেলেছেন।’ পরে উপস্থিত সবাই মন্ত্রীকে উৎসাহ দেন।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দাবা বুদ্ধির খেলা, মজার খেলা। যারা এটা খেলতে পারে, তারা কিন্তু কৌশল নির্ণয়ে ভালো হয়। এটা খুবই প্রয়োজন।

‘বিশেষ করে আমাদের যারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছেন, আমি তাদের অনুরোধ করব।’

নিজের দাবা খেলার অভিজ্ঞতা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন ছাত্র ছিলাম তখন দাবা খেলতাম। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় আমি শেষ দাবা খেলেছি। ১৯৭১ সালে আমরা যখন শহর থেকে পালিয়ে গ্রামে যাই, আশ্রয় নিই বিভিন্ন জায়গায়, তখন আমরা সময় কাটাতাম দাবা খেলে।

‘আমার ধারণা যারা দাবা খেলে, তাদের আইকিউ (বুদ্ধিমত্তা) খুব শার্প। আমি শুনেছিলাম, দাবা চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভের নাকি আইকিউ ছিল ১৫০ প্লাস। বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের পরেই নাকি তার অবস্থান। আইনস্টাইনের আইকিউ ছিল ২০৫।’

মোমেন বলেন, ‘আমি যেটা শুনেছি এই দাবা খেলা আমাদের এই ভারতবর্ষে সপ্তম শতাব্দীতে শুরু হয়। তারপর আরব-পার্সিরা যখন এখানে আসে, তারা খেলাটি শেখে। এরপর দাবা খেলা চলে যায় আরব দেশে। সেখান থেকে চলে যায় দক্ষিণ ইউরোপে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সম্ভবত ১৫০০ বা ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শুরু হয়। এরপর ১৮৮৬ সালে প্রথম এটি গেম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন, চেজ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ ও জিয়াউর রহমান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দাবা খেলায় ৩০ জন অফিসার অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ মোহামেডানে দ্বন্দ্ব, ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন স্থগিত

হবিগঞ্জ মোহামেডানে দ্বন্দ্ব, ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনী তফসিল ঘোষিত হলে ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব নিয়ে এ দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে। গঠিত হয় আখলাক হোসেন মানু-জয়নাল আবেদীন ও সালাউদ্দিন আহমেদ ও টিটু সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি।

নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে আটকে গেছে হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন। খসড়া ভোটার তালিকা নিয়ে আপিল-আপত্তির কারণে তফসিল স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

সংবাদ বিজ্ঞতির মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাতে তফসিল স্থগিত করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার শামছুদ্দিন মো. রেজা।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার ২০২১-২০২৫ মেয়াদে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে গত ৪ অক্টোবর নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হয়। এরপর প্রকাশিত হয় খসড়া ভোটার তালিকা। শহরের মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হন সদ্য ঘোষিত কমিটির (একাংশের) সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন। এতে আপত্তি জানান একই ক্লাবের অপর কমিটির প্রতিনিধি দাবিদার আব্দুল মোতালিব মমরাজ।

আপত্তি শুনানির সময় উভয় ব্যক্তির ভোটাধিকার (প্রতিনিধিত্ব) বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এতে সন্তুষ্ট হননি কেউই। আপিল করা হয় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে। বিষয়টি বর্তমানে শুনানীর অপেক্ষায় রয়েছে। এ অবস্থায় স্বাভাবিক কারণে ঘোষিত তফসিল স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

অনুসন্ধানে নিউজবাংলা জানতে পারে, মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের ১৯ সদস্যের কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সম্পাদকসহ চার জন দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে। নিস্ক্রিয় আছেন আরও দুই সদস্য। মৃত্যুবরণ করেছেন সভাপতি তকাম্মুল হোসেন কামাল। এ সুযোগে কার্যকরী কমিটিতে শুরু হয় নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব।

সম্প্রতি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনী তফসিল ঘোষিত হলে ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব নিয়ে এ দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে। গঠিত হয় আখলাক হোসেন মানু-জয়নাল আবেদীন ও সালাউদ্দিন আহমেদ ও টিটু সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি। ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ‘মানু-জয়নাল’ গ্রুপ থেকে জয়নাল আবেদীন ও ‘টিটু-সালাউদ্দিন’ গ্রুপ থেকে আব্দুল মোতালিব মমরাজের নাম পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশনে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘মানু-জয়নাল’ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গঠনতন্ত্র মেনে আমরা নয় সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে কমিটি গঠন করেছি। খসড়া ভোটার তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভূক্ত ছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে শুনানীতে আমাকে না ডেকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি মাননীয় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে আপিল করেছি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমাদের কমিটি বৈধ ও আমিই মোহামেডানের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য দাবিদার।’

‘টিটু-সালাউদ্দিন’ গ্রুপের প্রতিনিধি দাবিদার সাবেক পৌর কমিশনার আব্দুল মোতালিব মমরাজ বলেন, ‘আমাদের আপত্তিতে উভয়ের ভোটাধিকার বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। আমরা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে আপিল করেছি। বিষয়টি এখন শুনানীর অপেক্ষায়। গঠনতন্ত্র মেনে কমিটি গঠন করা হয়েছে ও আমাকে ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

মোহামেডানের ওয়াকওভার, ফাইনালে মেরিনার্স

মোহামেডানের ওয়াকওভার, ফাইনালে মেরিনার্স

ছবি: সংগৃহীত

প্রথম সেমিতে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে সোনালী ব্যাংককে ৬-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ঢাকা আবাহনী। দিনের দ্বিতীয় সেমি নাটকে রূপ নেয়। মেরিনার্সের বিপক্ষে ওয়াকওভার দিয়ে দেয় মোহামেডান। ফলে বাই লজ অনুযায়ী মেরিনার্সকে ২-০ গোলে জয়ী ঘোষণা করে কাপ কমিটি।

এসআইবিএল ক্লাব হকি প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে সোনালী ব্যাংককে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে পা রাখে ঢাকা আবাহনী। আর দ্বিতীয় সেমিতে ওয়াকওভার দিয়েছে মোহামেডান। ফলে ফাইনালে আবাহনীর সঙ্গী মেরিনার ইয়াংস ক্লাব।

দিনের প্রথম সেমিতে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে সোনালী ব্যাংককে ৬-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ঢাকা আবাহনী।

আবাহনীর পক্ষে হ্যাটট্রিক করেন বেলিমাগ্গা বাহারান। তিনটি গোলই ফিল্ড থেকে করেছেন বাহারান। দলের বাকী তিন গোল আসে পুস্কর ক্ষিসা মিমো, নাইম উদ্দিন ও খোরশেদের স্টিক থেকে।

সোনালী ব্যাংকের হয়ে সান্ত্বনাসূচক দুটি গোল আসে রকির স্টিক থেকে।

দিনের দ্বিতীয় সেমি নাটকে রূপ নেয়। মেরিনার্সের বিপক্ষে ওয়াকওভার দিয়ে দেয় মোহামেডান। ফলে বাই লজ অনুযায়ী মেরিনার্সকে ২-০ গোলে জয়ী ঘোষণা করে কাপ কমিটি।

১৬ অক্টোবর আবাহনী ও মেরিনার্সের মধ্যকার ফাইনালটি আয়োজন করা হবে একই ভেন্যুতে।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

মেয়র কাপের প্রচারণায় মাশরাফি-তামিম-জামালরা

মেয়র কাপের প্রচারণায় মাশরাফি-তামিম-জামালরা

মেয়র কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

ফুটবল-ক্রিকেট-ভলিবল এই তিন বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে মেয়র কাপ। ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে মাঠ ও কোর্টের খেলা। উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের দল অংশ নেবে এই আসরে।

মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজন করতে যাচ্ছে মেয়র কাপ টুর্নামেন্ট৷ টুর্নামেন্টের আয়োজক ডিএনসিসির মূল মন্ত্র ‘খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকি, মাদককে দূরে রাখি’।

রাজধানীর একটি হোটেলে মেয়র কাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ফুটবল-ক্রিকেট-ভলিবল এই তিন বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে মেয়র কাপ। ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে মাঠ ও কোর্টের খেলা। উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের দল অংশ নেবে এই আসরে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা ফোন-ল্যাপটপে নিয়ে থাকে। এটা তাদের দোষ নয়, আমরা তাদের মাঠে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারিনি। এটা আমাদের ব্যর্থতা। সব মাঠ দখল করে দালান বানাচ্ছি। এতে ছেলেমেয়েরা খেলার মাঠ পাচ্ছে না। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা দরকার। তাই আমাদের এই প্রচেষ্টা।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যে কোনো নাগরিক নিজ নিজ ওয়ার্ডের দলের হয়ে অংশ নিতে পারবেন। ৫৪ জন কাউন্সিলর এবং ১৮ নারী জন কাউন্সিলরের তত্ত্বাবধানে গঠিত হবে তিন ইভেন্টের দলগুলো।

মেয়র কাপের প্রচারণায় অংশ নেবেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মোর্ত্তজা, আকরাম খান, ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল, জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, ভলিবল খেলোয়াড় হরষিত বিশ্বাস, চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।

মেয়র কাপ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আসরের টাইটেল স্পন্সর প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূর আলী।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

হৃদয়ের হাত ধরে টিটিতে বাংলাদেশের ইতিহাস

হৃদয়ের হাত ধরে টিটিতে বাংলাদেশের ইতিহাস

ছবি: সংগৃহীত

কাতারের দোহায় ব্যক্তিগত ইভেন্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় টেনিস খেলোয়াড় মোহতাসিম আহমেদ হৃদয়।

বিশ্ব টেবিল টেনিসের ট্যুর হিসেবে এশিয়ান কোয়ালিফায়ার্সে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কা ও সৌদি আরবকে হারিয়ে প্রথমবার মূল পর্বে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।

কাতারের দোহায় ব্যক্তিগত ইভেন্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় টেনিস খেলোয়াড় মোহতাসিম আহমেদ হৃদয়।

এর ফলে ইতিহাসে প্রথমবার এই প্রতিযোগিতার মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এখন মূলপর্বে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন হৃদয়।

গ্রুপের প্রথম ম্যাচে র‌্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড় গামেজ থিসুমকে ৩-০ ব্যবধানে হারান। দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের একজন খেলোয়াড়কে ৩-১ ব্যবধানে হারান।

দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে পা রাখেন দেশের ১৭ বছরের এই তরুণ টিটি খেলোয়াড়।

হৃদয়ের এ অবিস্মরণীয় সাফল্যে হৃদয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: জাহিদ আহসান রাসেল।

এশিয়ান বাছাইয়ে ৪১ দেশের মধ্যে ২০তম হয় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন

‘এআইয়ের কাছে সহজে হারবে না মানবমস্তিষ্ক’

‘এআইয়ের কাছে সহজে হারবে না মানবমস্তিষ্ক’

নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপচারিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

গ্র্যান্ডমাস্টার রাজীব বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষ হিসাব করে পারবে না। কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষের খেলা হওয়া উচিত টাইম লিমিট ছাড়া। তখন বোঝা যাবে যে, কম্পিউটার কতটা ভালো।’

বাংলাদেশে দাবার সবশেষ ও কনিষ্ঠতম গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব। ২০০৮ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম পাওয়া এ দাবাড়ু মনে করেন, দাবায় মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া কঠিন হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই)।

নিউজবাংলার সঙ্গে দাবা, নিজের ক্যারিয়ার ও এ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে কথা বলেছেন গ্র্যান্ডমাস্টার রাজীব। নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য তার সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

আপনার যাত্রার শুরুটা কেমন ছিল সেটা যদি জানাতেন...দাবায় কীভাবে আগ্রহ পেলেন?

ছোটবেলাতে দাবার বোর্ড দেখে এটার প্রতি কেন যেন এক ধরনের আগ্রহ বোধ করি। তারপরে বাবার সঙ্গে খেলা শুরু করি। সেখান থকেই দাবার প্রতি আকর্ষণের শুরুটা।



এখনকার তরুণদের, যারা আসলে নানা ডিভাইসে ভিডিও গেমস খেলে, তাদের কীভাবে দাবার প্রতি আগ্রহী করে তোলা সম্ভব?

দাবাও এখন ডিভাইস বেজড। বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে এটা অনলাইনে খেলতে পারেন। বিশ্বের যেকোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলা সম্ভব। তাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য প্রথম আমাদের তরুণদের দাবা শেখাতে হবে। শুরুটা করিয়ে দিতে পারলে দেখা যাবে তারা ভিডিও গেমস খেলা বন্ধ করে দাবার প্রতি আকর্ষণ বোধ করছে।

দাবায় শারীরিক ফিটনেস কতটা জরুরি?

দাবায় ফিজিক্যাল ফিটনেস খুবই জরুরি। নয় রাউন্ডে প্রতিটা খেলা ৪-৫ ঘণ্টা করে খেলা শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর। কিংবদন্তি ববি ফিশার বা এখনকার চ্যাম্পিয়ন দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেন ফিটনেসের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন।

আমাদের দেশে অবশ্য ফিটনেসের বিষয়টি এতটা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয় না। আমি নিজেও ফিটনেস নিয়ে যতটা করা প্রয়োজন ততটা করি না। কিন্তু খুবই দরকার।

দাবা টুর্নামেন্টের আগে কীভাবে প্রস্তুতি নেন?

প্রস্তুতিটা আসলে কয়েকটা ধাপে হয়। শুরুতে আমরা যদি জানি যে প্রতিপক্ষ কে, তাহলে তার খেলার ধরনের বিপক্ষে নির্দিষ্ট প্রস্তুতি নিতে হয়। যখন জানি না যে প্রতিপক্ষ কে হবেন, তাহলে নিজের সাধারণ প্রস্তুতিটা ভালো করার চেষ্টা করি। সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেললে কেমন ওপেনিং খেলব বা কালো ঘুঁটি নিয়ে খেললে শুরুটা কেমন হবে সেটা অনুশীলন করি। এরপর টুর্নামেন্ট শুরু হলে পরের রাউন্ডে কার বিপক্ষে খেলব সেটা নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকে, কিন্তু সময় খুব বেশি থাকে না।

দাবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ডিপ ব্লু গ্যারি কাসপারভকে হারিয়েছিল। এখন গুগল জিরোর মতো অত্যন্ত শক্তিশালী সফটয়্যার আছে। আপনার কি মনে হয় একসময় এআই দাবা খেলায় মানুষের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে?

এখন একজন গণিতবিদের সঙ্গে যদি একটা কম্পিউটারের প্রতিযোগিতা করান, তাহলে গণিতবিদ কিন্তু পারবেন না। তাতে কিন্তু গণিতবিদের গুরুত্ব কমছে না। কম্পিউটারকে আমরা একটা টুল হিসেবে ব্যবহার করি। আর মানুষের সঙ্গে কম্পিউটারের যত প্রতিযোগিতা সেখানে সময় বেঁধে দেয়া থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষ হিসাব করে পারবে না। কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষের খেলা হওয়া উচিত টাইম লিমিট ছাড়া। তখন বোঝা যাবে যে কম্পিউটার কতটা ভালো।

আলফা জিরোর কথা বলেছেন আপনি। আরেকটা অত্যন্ত শক্তিশালী দাবা ইঞ্জিন আছে স্টকফিশ। এগুলো যে পর্যায়ে চলে গেছে তাতে হয়তো অনেকে ভাবতে পারেন যে সর্বোচ্চ উৎকর্ষে পৌঁছানো হয়েছে, কিন্তু ইঞ্জিনগুলোও তো একে অপরের সঙ্গে হারছে। এর মানে এই এআই ইঞ্জিনগুলো দাবা খেলাটা পুরো আয়ত্ত করতে পারেনি। একটা রহস্য রয়ে গেছে।

একটা দাবা খেলায় সম্ভাব্য চাল অসংখ্য। বলা হয় যে, দৃশ্যমান মহাবিশ্বের যতগুলো অণু আছে, তার চেয়েও বেশি চাল দেয়া সম্ভব দাবার এক খেলায়। কম্পিউটার যতই শক্তিশালী হোক, সহজ না বিষয়টা।

‘এআইয়ের কাছে সহজে হারবে না মানবমস্তিষ্ক’
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার প্রথম রাউন্ডে খেলছেন এনামুল হোসেন রাজীব। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা



দাবাড়ুদের লেখা বই পড়েন কি? কার বই ভালো লাগে?

আমি ববি ফিশারের ‘মাই সিক্সটি মেমরেবল গেমস’ অসংখ্যবার পড়েছি। আমি যখন শুরু করেছি তখন বই এতটা পাওয়া যেত না। তাই ওই একটা বই অনেকবার পড়তে হয়েছে। পরে অবশ্য গ্যারি কাসপারভের বই পড়েছি; মিখাইল তালের বই পড়েছি। বর্তমানে প্রচুর বই পাওয়া যায়। এর মধ্যে গ্যারি কাসপারভের ‘মাই গ্রেট প্রিডেসেসরস’-এর পাঁচটা খণ্ড আছে, যেটা আমি মনে করি যে, খুবই ভালো। কারপভের সঙ্গে নিজের (কাসপারভ) ম্যাচের বই লিখেছেন; নিজের খেলার ওপরে বই লিখেছেন। সেগুলোও দারুণ।

দাবা নিয়ে কখনো কোনো বই লিখবেন কি না?

ওই রকম নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই। সময় ও সুযোগ থাকলে দাবা নিয়ে অবশ্যই কিছু লিখতে চাই।

আরও পড়ুন:
ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

শেয়ার করুন