মোহামেডান তারকাখচিত হওয়ায় ‘আনন্দিত’ আবাহনী

মোহামেডান তারকাখচিত হওয়ায় ‘আনন্দিত’ আবাহনী

হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের উল্লাস আবাহনীর ক্রিকেটারদের। ফাইল ছবি

দলে তারকা ক্রিকেটার না থাকার পরও চিন্তিত নয় আবাহনী। বরং মোহামেডানের শক্তিশালী দল গোছানোকে ইতিবাচক ভাবে দেখছে ধানমন্ডির জায়ান্টরা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এমনটাই জানান আবাহনীর পরিচালক জালাল ইউনুস।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগকে (ডিপিএল) সামনে রেখে তারকাখচিত দল বানাচ্ছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এরই মধ্যে তারা দলে ভিড়িয়েছে মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সৌম্য সরকারের মতো তারকাদের। বিশ্বসেরা সাকিব আল হাসানের যোগ দেয়াটাও প্রায় নিশ্চিত।

তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেডের অবস্থা বিপরীত। তারকা খেলোয়াড় না পাওয়ায় তরুণদের নিয়ে দল তৈরি করছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তারকাদের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তরুণদের নিয়ে ভালো করায় আশাবাদী আবাহনীর পরিচালক জালাল ইউনুস।

দলে তারকা ক্রিকেটার না থাকার পরও চিন্তিত নন তারা। বরং মোহামেডানের শক্তিশালী দল গোছানোকে ইতিবাচক ভাবে দেখছে ধানমন্ডির জায়ান্টরা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এমনটাই জানান আবাহনীর পরিচালক।

তিনি বলেন, ‘আবাহনীর দল তৈরি আছে যতদূর জানি। যেসব খেলোয়াড় দরকার তাদের রেখেছি। মোহামেডান দল শক্তিশালী হয়েছে তাতে আমরা আনন্দিত। মোহামেডান-আবাহনীর খেলায় যে আকর্ষণ থাকে, প্রতিযোগিতা থাকে সেটি বজায় থাকলে তো ভালোই লাগে। শক্তিশালী দলের সঙ্গে আমরা প্রতিযোগিতা করব।’

জালাল ইউনুসের দাবি কাগজে কলমে কখনই শক্তিশালী দল সাজাননা তারা। তারপরও শিরোপা নিয়ে মৌসুম শেষ করে আবাহনী। আর সে কারণেই মোহামেডানের তারকাখচিত দল থেকে চিন্তিত নন জালাল।

তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও সেরা দল না বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। সবসময় কাগজে কলমে তিন নম্বর দল বানিয়েছি; এক নম্বর না। তারপরও চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এর একটা না, কয়েকটা উদাহরণ আছে। এই জন্য আমরা চিন্তিত নই।

‘যেই থাকুক, যত শক্তিশালী হোক না কেন, মাঠে বোঝা যাবে কার কত শক্তি। এটা খেলা দিয়ে বোঝা যাবে। মোহামেডান কখনো চ্যাম্পিয়ন হয় না। প্রায় ১০ বছরের উপরে হয়ে গেছে। সামনে তারা শিরোপা লড়াইয়ের চেষ্টা করবে এটা ভালো কথা।’

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

উইন্ডিজকে ধসিয়ে ইংল্যান্ডের মধুর প্রতিশোধ

উইন্ডিজকে ধসিয়ে ইংল্যান্ডের মধুর প্রতিশোধ

উইন্ডিজ ব্যাটিং লাইন আপ গুড়িয়ে দেয়ার নায়ক আদিল রাশিদ। ছবি: আইসিসি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের সুপার টুয়েলভে উইন্ডিজকে বিশ্বকাপের সর্বনিম্ন রানে আটকে দিয়েছে ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৫৫ রানের জবাবে ছয় উইকেট ও ৭০ বল বাকি রেখেই জয় বাগিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংলিশরা।

পাঁচ বছর আগে ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। ইডেন গার্ডেনসে প্রায় ৬০ হাজার দর্শকের সামনে কার্লোস ব্র্যাথওয়েইটের চার বলে চার ছক্কার অবিশ্বাস্য কীর্তিতে ইংল্যান্ডের হাত থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি ছিনিয়ে মাঠ ছেড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দগদগে ক্ষতের পাল্টা জবাবটা এভাবে দেবে ইংল্যান্ড, সেটি হয়তো ধারণাই করেনি ক্যারিবিয়রা।

সে ঘটনার পাঁচ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের সুপার টুয়েলভে উইন্ডিজকে সর্বনিম্ন রানে আটকে দিয়েছে ইংল্যান্ড।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৫৫ রানের জবাবে ছয় উইকেট ও ৭০ বল বাকি রেখে জয় বাগিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নড়বড়ে ছিল ইংল্যান্ড। ৫৬ রানের লক্ষ্যে পৌঁছাতে তাদের বিসর্জন দিতে হয়েছে চার ব্যাটারকে।

দলীয় ২১ রানে জেসন রয় আউট হন। ১৮ রান যোগ করতে তাকে অনুসরণ করেন জনি বেয়ারস্টো, মইন আলি ও লিয়াম লিভিংস্টোন।

উইকেটে টিকে থেকে ২২ বলে অপরাজিত ২৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান জশ বাটলার। জয়ের মুহূর্তে তাকে সঙ্গ দেন ওইন মরগান। ৭ বলে ৭ রান করেন ইংলিশ অধিনায়ক।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। আর ব্যাট হাতে নেমে শুরুতে ধস নামে উইন্ডিজ শিবিরে। একমাত্র ক্রিস গেইল ছাড়া দুই অঙ্কের রান ছুঁতে পারেননি কোনো ব্যাটার।

দলীয় ৯ রানে ক্রিস ওকস ও টাইমল মিলসের শিকার হয়ে ফেরেন দুই উইন্ডিজ ওপেনার; লেন্ডল সিমন্স ও এভন লুইস।

এরপর শিমরন হেটমায়ারকে সঙ্গে নিয়ে দলকে কিছুদূর এগিয়ে নিয়ে যান গেইল। তাতে বাঁধ সাধেন মইন আলি। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে ভাঙ্গেন বিপজ্জনক হয়ে উঠতে থাকা জুটি।

১৩ রান করে বিদায় নেন গেইল। এরপর ইংলিশ বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি কেউই। শেষতক ১৪ ওভারে দ্বিতীয় বলে ৫৫ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়দের রানের চাকা।

ইংল্যান্ডের হয়ে চার উইকেট নেন স্পিনার আদিল রাশিদ। ২.২ ওভার বোলিং করে দুই রানের খরচায় চার উইকেট শিকার করেন তিনি।

দুটি করে উইকেট নেন মইন ও মিলস আর একটি করে উইকেট যায় ক্রিস জর্ডান ও ওকসের ঝুলিতে। ম্যাচসেরা হন মইন আলি।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

রাশিদের স্পিন বিষে ‘নীল’ উইন্ডিজ

রাশিদের স্পিন বিষে ‘নীল’ উইন্ডিজ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫৫ রানে গুটিয়ে দেয়ার অন্যতম ইংল্যান্ডের আদিল রাশিদের উইকেট উদযাপন। ছবি: আইসিসি

ইংলিশ বোলারদের তোপে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়রা। ইংল্যান্ডের হয়ে চার উইকেট নেন স্পিনার আদিল রাশিদ। ২.২ ওভার বোলিং করে দুই রানের খরচায় চার উইকেট শিকার করেন তিনি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে লজ্জায় ফেলেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশ বোলারদের তোপে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়রা।

এর আগে ২০১৯ সালে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৫ রানে অল আউট করে ইংল্যান্ড।

শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। আর ব্যাট হাতে নেমে শুরুতেই ধস নামে উইন্ডিজ শিবিরে। একমাত্র ক্রিস গেইল ছাড়া দুই অঙ্কের রান ছুঁতে পারেননি কোনো ব্যাটার।

দলীয় ৯ রানে ক্রিস ওকস ও টাইমল মিলসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন দুই উইন্ডিজ ওপেনার; লেন্ডল সিমন্স ও এভন লুইস।

এরপর শিমরন হেটমায়ারকে সঙ্গে নিয়ে দলকে কিছুদূর এগিয়ে নিয়ে যান গেইল। তাতে বাধ সাধেন মইন আলি। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে ভাঙ্গেন বিপজ্জনক হয়ে উঠতে থাকা জুটি।

১৩ রান করে বিদায় নেন গেইল। এরপর ইংলিশ বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি কেউই। শেষতক ১৪ ওভারে দ্বিতীয় বলে দলীয় সংগ্রহ ৫৫ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়দের রানের চাকা।

ইংল্যান্ডের হয়ে চার উইকেট নেন স্পিনার আদিল রাশিদ। ২.২ ওভার বোলিং করে দুই রানের খরচায় চার উইকেট শিকার করেন তিনি।

দুটি করে উইকেট নেন মইন ও মিলস। আর একটি করে উইকেট যায় ক্রিস জর্ডান ও ওকসের ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

ম্যাথিউ ওয়েড ও মার্কাস স্টয়নিসের জয়োল্লাস। ছবি: আইসিসি

সাউথ আফ্রিকার করা ১১৮ রানের জবাবে স্মিথ, স্টয়নিস ও ওয়েডের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ২ বল অক্ষত রেখে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় দিয়ে শুভসূচনা করেছে অস্ট্রেলিয়া। সাউথ আফ্রিকার করা ১১৮ রানের জবাবে স্মিথ, স্টয়নিস ও ওয়েডের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ২ বল আগে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া।

সাউথ আফ্রিকার দেয়া ১১৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শূন্য রানে আনরিক নরটিয়ারের বলে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে কাগিসো রাবাডা ফেরান ডেভিড ওয়ার্নারকে। দলের রান যখন ৩৮, সে সময় কেশভ মহারাজের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন মিচেল মার্শ।

এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন স্টিভেন স্মিথ। দুই জনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে রানের চাকা সচল থাকে অস্ট্রেলিয়ার।

তবে দুর্দান্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এই জুটি ভাঙে নরটিয়ার কল্যাণে। তিনি স্মিথকে ফেরান ৩৫ রানে। পরের ওভারেই রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে মহারাজের কাছে ধরাশায়ী হন ম্যাক্সওয়েল। তার ব্যাট থেকে আসে ১৮।

এরপর বাকি কাজটা সারেন মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথিউ ওয়েড মিলে। স্টয়নিস ২৪ ও ওয়েড ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ব্যাট করতে নামা প্রোটিয়া শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। টেম্বা বাভুমাকে দুর্দান্তভাবে বোল্ড করে ফেরান এই অজি বোলার। দলের রান তখন ১৩।

বাভুমার বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতে দ্বিতীয় আঘাত হানেন জশ হেইজলউড। দুই রান করা রাসি ফন ডার ডুসেনকে মাঠছাড়া করেন উইকেটের পেছনে ম্যাথিউ ওয়েডের তালুবন্দি করে।

হেইজলউডের উঠে আসা বলে কুইন্টিন ডি কক স্কুপ করতে গিয়ে ব্যাটে ঠিকমত না লাগায় সেটি আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। আর তাতে ২৩ রানে তিন উইকেট নেই সাউথ আফ্রিকার।

দলের এমন বিপর্যয়ে হাল সামলানোর গুরুভার কাঁধে তুলে নেন এইডেন মারক্রাম। উইকেট আগলে রেখে এগিয়ে নেন দলকে।

এক প্রান্ত মারক্রাম আকরে ধরে রাখলেও অপরপ্রান্তে চলছিল আসা যাওয়ার মিছিল।

এক পর্যায়ে ধৈর্যহারা হয়ে ওঠেন মারক্রাম। বড় শট খেলতে গিয়ে ধরা দেন ম্যাক্সওয়েলের হাতে। তার ব্যাট থেকে আসে ৪০ রান।

শেষতক নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট পান মিচেল স্টার্ক, জশ জেইজলউড ও অ্যাডাম জ্যাম্পা।

একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিনস। ম্যাচ সেরা হন হেইজলউড।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

অজি বোলিং তোপে অসহায় প্রোটিয়ারা

অজি বোলিং তোপে অসহায় প্রোটিয়ারা

উইকেটকিপার ম্যাথিউ ওয়েডের সঙ্গে জশ হেইজলউডের উদযাপন। ছবি: আইসিসি

প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে ১১৮ রানে আটকে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অজি বোলিং তোপের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে ১১৮ রানে আটকে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অজি বোলিং তোপের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা।

আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে সাউথ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অজি দলপতি অ্যারন ফিঞ্চ।

ব্যাট করতে নামা প্রোটিয়া শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। টেম্বা বাভুমাকে দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড করে ফেরান এই অজি বোলার। দলের রান তখন ১৩।

বাভুমার বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতে দ্বিতীয় আঘাত হানেন জশ হেইজলউড। দুই রান করা রাসি ফন ডার ডুসেনকে মাঠ ছাড়া করেন উইকেটের পেছনে ম্যাথিউ ওয়েডের তালুবন্দি করে।

হেইজলউডের উঠে আসা বলে কুইন্টিন ডি কক স্কুপ করতে গিয়ে ব্যাটে ঠিকমত না লাগায় সেটি আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। আর তাতে ২৩ রানে তিন উইকেট নেই সাউথ আফ্রিকার।

দলের এমন বিপর্যয়ে হাল সামলানোর গুরুভার কাঁধে তুলে নেন এইডেন মারক্রাম। উইকেট আগলে রেখে এগিয়ে নেন দলকে।

এক প্রান্ত মারক্রাম আকরে ধরে রাখলেও অপরপ্রান্তে চলছিল আসা যাওয়ার মিছিল।

এক পর্যায়ে ধৈর্যহারা হয়ে ওঠেন মারক্রাম। বড় শট খেলতে গিয়ে ধরা দেন ম্যাক্সওয়েলের হাতে। মারক্রাম করেন ৪০।

শেষতক নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের খরচায় ১১৮ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট পান মিচেল স্টার্ক, জশ জেইজলউড ও অ্যাডাম জ্যাম্পা। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিনস।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

মাঠের বাইরের সমালোচনাকে পাত্তা দিলেন না ডমিঙ্গো

মাঠের বাইরের সমালোচনাকে পাত্তা দিলেন না ডমিঙ্গো

বাংলাদেশের অনুশীলনে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে আলোচনায় হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। ফাইল ছবি

গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট চলার সময়ে সংবাদমাধ্যমে আসা চটকদার খবরে মাথা ঘামাচ্ছেন না বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। মূল পর্বে যাত্রা শুরুর আগের দিন সংবাদসম্মেলনে তিনি জানান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের রণকৌশল নিয়ে ব্যস্ত তিনি।

বাংলাদেশ দল বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে গেলেই সরব হয়ে ওঠে দেশের সংবাদমাধ্যম। সরব হয়ে ওঠেন বিসিবি সভাপতি। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ব্যতিক্রম হয়নি।

বিশ্বকাপ চলাকালীন সংবাদমাধ্যমের কাছে দল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। সমালোচনা করেছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহসহ অন্য দুই সিনিয়র খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের। পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে ম্যাচ শেষ করে টাইগার অধিনায়ক জবাব দেন কিছু সমালোচনার।

মাহমুদুল্লাহ দলের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান। বিসিবি সভাপতি পালটা বক্তব্য দেন অধিনায়কের। ইঙ্গিত দেন, বিশ্বকাপ শেষে দলের দায়িত্ব নাও থাকতে পারে তার কাঁধে।

গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট চলার সময়ে সংবাদমাধ্যমে আসা এসব চটকদার খবরে অবশ্য মাথা ঘামাচ্ছেন না বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। মূল পর্বে যাত্রা শুরুর আগের দিন সংবাদসম্মেলনে তিনি জানান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের রণকৌশল নিয়ে ব্যস্ত তিনি। অন্য কিছু নয়।

ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমি এখানে শুধু ক্রিকেটে ফোকাস করতে চাই। দলের বাইরে কী বলা হচ্ছে সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। দলকে শারীরিক ও মানসিকভাবে কালকের (রোববার) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তৈরি করা আমার লক্ষ্য।’

সমালোচনা কেনো হচ্ছে? কে করছে বা কোন উদ্দেশ্যে হচ্ছে সেসব প্রশ্নের ধার না ধেরে পেশাদার কোচের মতোই ডমিঙ্গো জানালেন দলের মনোযোগ এখন মাঠের খেলায়।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় যখন পারফরম্যান্স খারাপ হবে তখন সমালোচনা নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টসের অংশই এটি। কোচিংয়ের অন্যতম দিক হচ্ছে যে বিষয়গুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটা নিয়ে কাজ করা।

‘মানুষ কী বলছে বা লিখছে সেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা নিজেদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করতে পারি। কোন জায়গায় উন্নতি দরকার সেটা নিয়ে চিন্তা করতে পারি। মাঠের বাইরে কী হচ্ছে সেটা নিয়ে চিন্তা করলে মাঠের আসল কাজ, ক্রিকেট খেলা, তা থেকে আমাদের ফোকাস সরে যাবে।’

কঠিন বাছাইপর্বের পর ডমিঙ্গো ও তার শিষ্যদের মূলপর্বের চ্যালেঞ্জ শুরু হচ্ছে রোববার থেকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বিকেল চারটায় মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

২০১৬ ফাইনালের ‘রি-ম্যাচে’ নামছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

২০১৬ ফাইনালের ‘রি-ম্যাচে’ নামছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

২০১৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ের পর কার্লোস ব্র্যাথওয়েইটের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচবারই জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা। রোববার রাত ৮টায় মুখোমুখি হচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ধরা হয় সেটিকে। ইডেন গার্ডেনসে প্রায় ৬০ হাজার দর্শকের সামনে চার বলে চার ছক্কার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে ইংল্যান্ডের নাগালের মধ্যে থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি কেড়ে নেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট।

নিজেদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ড্যারেন স্যামির ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তারপরের পাঁচ বছরে পাল্টেছে অনেক কিছুই। ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব ধরে রাখলেও কাণ্ডারি স্যামিকে হারিয়েছে উইন্ডিজ। হোল্ডার, ব্র্যাথওয়েইটের হাত ঘুরে অধিনায়কত্ব এখন অভিজ্ঞ কাইরন পোলার্ডের কাঁধে।

এবারের বিশ্বকাপের আগে দুই দলই আছে ছন্দে। দেশের মাটিতে খেলা চারটি সিরিজের দুটি জিতেছে উইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জেতার পাশাপাশি তারা হেরেছে সাউথ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের কাছে।

বিশ্বকাপ যাত্রা শুরুর আগে পোলার্ড জানালেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচ সব সময়ই অনুপ্রাণিত করে তাদের।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ওই পরিস্থিতিটা আমাদের হার না মানা চরিত্রকে তুলে ধরেছে। ও ধরনের স্মৃতি সবার সঙ্গে মিশে থাকে। দল হিসেবে আবারও আমরা এই টুর্নামেন্টটা জিততে চাই।’

অন্যদিকে ইংল্যান্ড ভারতের কাছে হেরে বছর শুরু করলেও সিরিজ জিতেছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শর্টার ফরম্যাটেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেতে প্রস্তুত।

২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। ১১ বছর পর ওইন মরগানের নেতৃত্বে আবারও বিশ্বজয় করতে প্রস্তুত বাটলার, বেয়ারস্টো, রয় ও রাশিদদের সোনালি প্রজন্ম।

মরগান জানান ২০১৬-এর হার নয়, বরং ২০১৯-এর বিশ্বজয় থেকেই শিক্ষা নিয়েছে দল।

তিনি বলেন, ‘ওই হারের ক্ষত থাকলে আমার মনে হয় না আমরা গত চার-পাঁচ বছর যেমনটা উন্নতি করতে পেরেছি, তেমনটা পারতাম।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচবার জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা।

সম্ভাব্য একাদশ

উইন্ডিজ : এভন লুইস, লেন্ডল সিমন্স, ক্রিস গেইল, নিকোলাস পুরান, শিমরন হেটমায়ার, কাইরন পোলার্ড, আন্ড্রে রাসেল, ডোয়েইন ব্রাভো, আকিল হোসেন, ওবেদ ম্যাকয় ও ওশান টমাস।

ইংল্যান্ড : জেসন রয়, জস বাটলার, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলি, লিয়াম লিভিংস্টোন, ওইন মরগান, ক্রিস ওকস, ডেভিড উইলি, আদিল রাশিদ, মার্ক উড ও ক্রিস জর্ডান।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ না জেতা দুই বড় দলের লড়াই

বিশ্বকাপ না জেতা দুই বড় দলের লড়াই

কুইন্টন ডি কককে আউট করার পর উচ্ছ্বসিত মিচেল স্টার্ক। ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ২১ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা। অজিদের জয় ১৩টি ও প্রোটিয়াদের জয় ৮টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে একবারই মুখোমুখি হয় দুই দল। শ্রীলঙ্কায় ২০১২ সালের আসরের ওই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে হারায় সাউথ আফ্রিকাকে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ক্রিকেটেও বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের অধীনে ক্রিকেটের দুই ফরম্যাটে প্রায় অপরাজেয় হয়ে উঠেছিল অজিরা।

যে ট্রফিটি তাদের এখনও নাগালের বাইরে সেটি হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ছয়টি আসরের কোনোটি জেতা তো দূরে থাক, ফাইনালেও উঠতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। সে হতাশা দূর করতে এবারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অ্যারন ফিঞ্চের দল।

দলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রয়েছে একগাদা ম্যাচ উইনার। অধিনায়ক ফিঞ্চ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিনসরা একাই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিতে সক্ষম।

তারপরও ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে তাদের রেকর্ড সাধারণ মানের। বিশ্বকাপের আগে সেটিকে দেখাচ্ছে আরও ম্লান।

টানা পাঁচটি সিরিজ হেরে বিশ্বমঞ্চে নামছে ফিঞ্চের দল। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হার।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে অজিরা চিন্তিত অভিজ্ঞ ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে। এ বছর কোনো টি-টোয়েন্টি খেলেননি তিনি।

সবশেষ খেলা ২৩টি টি-টোয়েন্টিতে মাত্র তিনটি হাফ সেঞ্চুরি আছে ৩৫ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যানের। তারপরও দলের সমর্থন পাচ্ছেন ওয়ার্নার।

অধিনায়ক ফিঞ্চ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় সে। আমার সন্দেহ নেই সে প্রথম ম্যাচেই ভালো করবে ও সেটা বাকি টুর্নামেন্টে ধরে রাখবে।’

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ সাউথ আফ্রিকা আছে দারুণ ছন্দে। শেষ ১০ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছে প্রোটিয়ারা।

২০২১ সালের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে তারা। টেম্বা বাভুমার দল মুখিয়ে আছে সাউথ আফ্রিকাকে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম কোনো আইসিসি ইভেন্টে সাফল্য এনে দিতে।

এবারের টুর্নামেন্টের আগে শিরোপার প্রত্যাশা অনেক জানালেন অধিনায়ক বাভুমা। দর্শক ও সংবাদমাধ্যমের প্রত্যাশাটাও মনে করিয়ে দিলেন সবাইকে।

প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে মিডিয়ায় আমরা বেশ আক্রমণের শিকার হয়েছি। তবে সেসব ভুলে আমরা যেমনটা খেলছি, তেমনটা আমাদের খেলে যেতে হবে।’

টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ২১ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা। অজিদের জয় ১৩টি ও প্রোটিয়াদের জয় ৮টি।

২০২০ সালে ফেব্রুয়ারিতে সাউথ আফ্রিকার মাটিতে সবশেষ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে একবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। শ্রীলঙ্কায় ২০১২ সালের আসরের ওই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে হারায় সাউথ আফ্রিকাকে।

সম্ভাব্য একাদশ

অস্ট্রেলিয়া: অ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, ম্যাথিউ ওয়েড, অ্যাস্টন এইগার, মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জ্যাম্পা ও প্যাট কামিনস।

সাউথ আফ্রিকা: কুইন্টিন ডি কক, টেম্বা বাভুমা, এইডেন মারক্রাম, রাসি ফন ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, হেনরিখ ক্লাসেন, উইয়ান মালডার, কাগিসো রাবাডা, কেশভ মহারাজ, আনরিখ নরটিয়া ও তাবরেইজ শামসি।

আরও পড়ুন:
আবাহনীর হ্যাটট্রিক ডিপিএল শিরোপা
ডিপিএল ‘ফাইনালে’ মুখোমুখি আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক

শেয়ার করুন