ফিনিশিংয়ে সমস্যা মেটেনি বাংলাদেশের

ফিনিশিংয়ে সমস্যা মেটেনি বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট করছেন আফিফ হোসেন। ফাইল ছবি

ওপেনার, বোলার, অলরাউন্ডারের বিকল্প থাকলেও, দলে নেই ফিনিশার। শর্টার ভার্সনে যেটা আবশ্যক সেই স্পেশালিস্ট ফিনিশার নেই কেউ। এমন কেউ নেই যিনি কঠিন অবস্থায় ম্যাচ চলে গেলে, সেখান থেকে ওভারে ৮-১০ রান তাড়া করে দলকে বের করে আনবেন।

একটা সময় ছিল তামিম-মুশফিক-মাশরাফি ছাড়া কল্পনা করা যেত না বাংলাদেশ জাতীয় দল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এসেছে পরিবর্তন। বর্তমান দলে রয়েছেন অনেক বিকল্প ক্রিকেটার। খেলোয়াড় নির্বাচনে মধুর সংকটে পড়তে হচ্ছে বোর্ডকে।

জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ও অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের মতে ওপেনার থেকে শুরু করে অলরাউন্ডার, উইকেটকিপার, স্পিনার, পেইসার কোনোটার কমতি নেই দলে। সবার রয়েছে বিকল্প।

ওপেনার, বোলার, অলরাউন্ডারের বিকল্প থাকলেও, দলে নেই ফিনিশার। শর্টার ভার্সনে যেটা আবশ্যক সেই স্পেশালিস্ট ফিনিশার নেই কেউ। এমন কেউ নেই যিনি কঠিন অবস্থায় ম্যাচ চলে গেলে, সেখান থেকে ওভারে ৮-১০ রান তাড়া করে দলকে বের করে আনবেন।

এক সময় ফিনিশার হিসেবে চেষ্টা করা হয় নাসির হোসেনকে। সেই ধারাবাহিকতায় আসেন সাব্বির রহমান। কেউই টিকতে পারেননি।

এই দুজনের পর এখন পর্যন্ত কোনো ন্যাচারাল ফিনিশার খুঁজে পায়নি বিসিবি। অনেকেই হুট করে এসে এক দুই ম্যাচে ফিনিশারের ভূমিকা পালন করেছেন। মাহমুদুল্লাহ, সাইফুদ্দিন, মোসাদ্দেক, আফিফ, সৌম্য তালিকাটা একেবারে ছোট নয়। ওই পজিশনে ধারাবাহিক হতে পারেননি কেউ।

গত অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও দল গেছে এই সমস্যার মধ্যে দিয়ে। ব্যাটিং বিপর্যয়, সেই মুহূর্তে ভরসা করার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, যে কিনা শেষ করে আসবে ইনিংস।

সিরিজে ৫,৬,৭ নম্বরে নামা ব্যাটসম্যানদের বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এক আফিফ বাদে ৫ ম্যাচে নিয়মিত হাসেনি কারও ব্যাট। আফিফের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৭ রান; দ্বিতীয় ম্যাচে। বাকি ম্যাচগুলোতে ৩০ ছুঁতে পারেননি। শেষ ৫ ওভারে বাংলাদেশের ৫ ম্যাচে গড়ে রান আসে প্রায় ৩৩ করে।

তবে কি জাতীয় দলের থিংক ট্যাঙ্ক ফিনিশার নিয়ে চিন্তা করছে না? নাকি এখন যে অবস্থায় রয়েছে দল সেটিতেই স্বস্তিতে সবাই?

ফিনিশার ছাড়া ঘরের মাটিতে সিরিজ পার পেয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে বিশ্বকাপের বিশ্ব মঞ্চে যেখানে ৫ ওভারে নিয়মিত দরকার পড়বে ৭০-৮০ রান, সেখানে ফিনিশার তৈরি করে নিয়ে যাওয়ার জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছে না বিসিবি।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সুযোগ পেলে মেধা কাজে লাগাতে চান মাসুদ

সুযোগ পেলে মেধা কাজে লাগাতে চান মাসুদ

মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের পর খালেদ মাসুদ পাইলট। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় দলকে ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সার্ভিস দেয়া সাবেক এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান তার ক্রিকেটের জ্ঞান ও ক্রিকেট উন্নয়নে করা কাজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান পরিচালক পদে বসে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন একেবারে দরজায়। অক্টোবরের ৬ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আলোচিত এই নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী প্রক্রিয়া।

শুক্রবার শুরু হয়েছে নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র বিতরণ। প্রথম দিনে পরিচালক পদের জন্য রাজশাহী বিভাগের হয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেছেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট।

জাতীয় দলকে ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সার্ভিস দেয়া সাবেক এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান তার ক্রিকেটের জ্ঞান ও ক্রিকেট উন্নয়নে করা কাজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান পরিচালক পদে বসে।

তিনি বলেন, ‘খুব ইচ্ছা ছিল ক্রিকেটের সঙ্গে কাজ করার। অবসরের পর থেকে মাঠে, তৃণমূল থেকেই কাজ করে আসছি। রাজশাহী বিভাগ থেকে মনোনয়নপত্র তুললাম। আশা করি নির্বাচন করব। রাজশাহী বিভাগের কাউন্সিলররা যদি সহায়তা করেন আশা করি বোর্ডে আসব। আশা করি অভিজ্ঞতা বোর্ডের সাথে ভাগাভাগি করতে পারব।’

একই সঙ্গে পরিচালক পদে বসলে রাজশাহীর ক্রিকেটের উন্নয়নে নিজের সেরাটা দিবেন বলেও জানান খালেদ মাসুদ।

তিনি বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চলে ক্রিকেটের অবকাঠামোর বাজে অবস্থা, খুবই দুঃখজনক। সব জেলায় খেলা হয় না। আম্পায়ার, কোচদের সুযোগ-সুবিধা কম। যদি রাজশাহীর ৮ জেলার কাউন্সিলররা আমাকে যোগ্য ব্যক্তি মনে করেন, আমি আমার ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা বোর্ডের সঙ্গে ভাগ করতে চাই।

‘যেভাবে যাচ্ছি তা খুবই ধীর প্রক্রিয়া। আমার যে মেধা আছে তার পুরোটা প্রয়োগ করতে চাই। পুরো সময় আমি মাঠে কাটিয়েছি। প্রত্যেক মানুষ আশা করে আমরা কিছু একটা করব। সেই দায়িত্ববোধ থেকে আমার মনে হয়েছে এটাই সেরা সময়।’

জাতীয় দলের হয়ে এক যুগের ক্যারিয়ারে পাইলট খেলেছেন ৪৪ টি টেস্ট ও ১২৬ টি ওয়ানডে। দুই ফরম্যাট মিলিয়ে তার ব্যাট থেকে রান এসেছে ৩ হাজার ২৭৭।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া মনোনয়ন পত্র বিতরণ চলবে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা। ২৮ সেপ্টেম্বর চলবে দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রের যাচাই বাছাই। বাছাইকৃতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে সেদিন।

২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে শুরু হনে মনোনয়নের বিষয়ে আপিল গ্রহণ। এরপর বেলা দুইটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত চলবে আপিলের শুনানী। ৩০ তারিখ সময় দেয়া হয়েছে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের। ওইদিন প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

একই দিন বেলা তিনটায় পোস্টাল অথবা ই-ব্যালট প্রেরণ করা হবে ভোটারদের কাছে যা কিনা ৬ অক্টোবর ভোট গ্রহণ সমাপ্তির আগে অর্থাৎ বিকেল পাঁচটার মধ্যে জমা দিতে হবে রিটার্নিং অফিসারের কাছে।

৬ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে বিসিবি নির্বাচন। চলবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। আর ৭ তারিখ প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ফলাফল।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

ইপিএল খেলতে নেপালে তামিম

ইপিএল খেলতে নেপালে তামিম

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তামিম ইকবাল। ছবি: বিসিবি

টুর্নামেন্টে ভাইরাহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলবেন তিনি। টুর্নামেন্টে ২৬ সেপ্টেম্বর পোখারা রাইনোসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে তামিমের গ্ল্যাডিয়েটর্স।

ফ্র্যাঞ্চাইজি-ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল) খেলতে নেপালে গেছেন তামিম ইকবাল। শুক্রবার ভোরে দেশটিতে পৌঁছান দেশসেরা এই ওপেনার।

গত মঙ্গলবার ইপিএলের খেলার ছাড়পত্র পান তামিম। টুর্নামেন্টে ভাইরাহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলবেন তিনি।

টুর্নামেন্টে ২৬ সেপ্টেম্বর পোখারা রাইনোসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে তামিমের গ্ল্যাডিয়েটর্স। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর চিতওয়ান টাইগার্স, ২৯ সেপ্টেম্বর বিরাটনগর ওয়ারিয়র্স, ২ অক্টোবর কাঠমান্ডু কিংস ইলেভেন ও ৪ অক্টোবর ললিতপুর প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে লড়বে তামিমের দল।

চলতি বছরের শুরুতে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি তামিম ইকবালকে। হাঁটুর ইনজুরির জন্য ক্রিকেটের শর্টার ফরম্যাট থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

সম্প্রতি বিশ্বকাপ থেকেও নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন দেশসেরা এই ওপেনার।

বিসিবি জানিয়েছে, চোট থেকে সেরে ওঠা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইপিএলে খেলতে যাচ্ছেন তামিম। সেখানে তার খেলার ওপর নির্ভর করে পরবর্তী চিকিৎসার পদ্ধতি ঠিক করবে বোর্ড।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

‘উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে তৈরি হচ্ছে না লেগস্পিনার’

‘উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে তৈরি হচ্ছে না লেগস্পিনার’

আমিনুল ইসলাম বিপ্লব এবং জুবায়ের হোসেন লিখন। ছবি: সংগৃহীত

অভিজ্ঞ কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে না পারায় বাংলাদেশ বিশ্বমানের কোনো লেগি পায়নি। লেগস্পিনারদের জন্য বাড়তি মনোযোগী হতে হবে কর্তৃপক্ষকে এমনটা মনে করেন ফাহিম। আলাদা অনুশীলন, স্টাফ ও পিচের পাশাপাশি প্রয়োজন প্রতিভাদের আত্মবিশ্বাস যোগানো।

বিশ্বের সেরা দলগুলোতে এখন একটা দৃশ্য অতিপরিচিত। একজন লেগস্পিনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন আক্রমণে, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুলে নিচ্ছেন উইকেট। রাশিদ খান, তাবরেইজ শামসি, অ্যাডাম জ্যাম্পা, আদিল রাশিদ, বিশ্বসেরা সব দলে আছেন একজন করে লেগস্পিনার।

হাতেগোনা যে কয়টি দলে নেই তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। মোহাম্মদ রফিক, আব্দুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান বিশ্বসেরা অফ স্পিনারদের সার্ভিস বছরের পর বছর পেয়েছে টাইগার ক্রিকেট। কিন্তু টেস্ট অভিষেকের ২০ বছরেও দেখা মেলেনি একজন বিশ্বমানের লেগস্পিনারের।

দুই দশকে বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা গেছে হাতেগোনা কয়েকজন লেগস্পিনারকে। এর মধ্যে অলক কাপালি, জুবায়ের হোসেন ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব মোটামুটি সাফল্য পেয়েছেন।

অলরাউন্ডার হওয়াতে ক্যারিয়ার কিছুটা লম্বা হয়েছিল অলক কাপালির। কিন্তু শুরুতে সাফল্যের পরও থেমে যায় জুবায়ের হোসেনের ক্যারিয়ার। আর বর্তমানে আমিনুল ইসলাম দলে থাকলেও পাচ্ছেন না খেলার সুযোগ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই শুধু নয় ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে সুযোগ পাননা জুবায়ের, বিপ্লবরা। ঘরোয়া ক্লাবগুলো আগ্রহী নয় তাদের নিতে।

কেনো লেগস্পিনারদের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকা বাংলাদেশের? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নিউজবাংলা কথা বলেছে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব-তামিম-মুশফিকদের গুরু, ঘরোয়া ক্রিকেটের কিংবদন্তি কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সঙ্গে।

অভিজ্ঞ এই কোচ জানালেন উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় বাংলাদেশ বিশ্বমানের কোনো লেগি পায়নি।

তিনি বলেন, ‘একটা লেগস্পিনার চাইলে তাকে বের করে আনতে কী ধরনের পরিবেশ লাগবে? সেটার প্রক্রিয়া কী হবে? এগুলো তো আমাদের তৈরি করা লাগবে। সেটার দিকে আমরা এখনও মনোযোগ দেইনি। তাই স্বাভাবিকভাবে যার যেটা পছন্দ সে সেটাই করে। যেই পরিবেশ আছে সেখান থেকে যতটুক সাপোর্ট নেয়ার ততটুকুই নেয়। আর সেভাবেই বেড়ে ওঠে।’

লেগস্পিনারদের জন্য বাড়তি মনোযোগী হতে হবে কর্তৃপক্ষকে এমনটা মনে করেন ফাহিম। আলাদা অনুশীলন, স্টাফ ও পিচের পাশাপাশি প্রয়োজন প্রতিভাদের আত্মবিশ্বাস যোগানো।

তিনি বলেন, ‘লেগস্পিনারদের জন্য আমাদের একটা পরিবেশ তৈরি করা দরকার। লেগস্পিন করাটা কঠিন। এই কঠিন কাজটাকে যাতে সহজে করতে পারে সে রকম একটা অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে। লেগস্পিনারদের জন্য কোচ, ট্রেনিংয়ের সুযোগ সুবিধা আলাদাভাবে দিতে হবে। যেহেতু আমরা সেরকম কিছু করতে পারছি না, তাই স্বাভাবিকভাবে কঠিন কাজটা কেউ করতে চায় না। যে লেগস্পিনার হতে পারতো সে অফ স্পিনার হয়, কারণ সেটা সহজ।’

জাতীয় দলে এখন পর্যন্ত একমাত্র অলক কাপালি বাদে আর কোনো লেগি নিজেকে প্রমাণের জন্য পাননি পর্যাপ্ত সুযোগ। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অলক কাপালি খেলেছেন ১৭টি টেস্ট, ৬৯টি ওয়ানডে ও ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

আর বাংলাদেশের হয়ে ৬টি টেস্ট, ৩টি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলেই থেমে গেছে জুবায়েরের ক্যারিয়ার। আর বিপ্লব খেলেছেন ৭টি টি-টোয়েন্টি।

‘উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে তৈরি হচ্ছে না লেগস্পিনার’
তিন ছাত্র নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান ও সোহরাওয়ার্দী শুভর সঙ্গে ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম। ছবি: ফেসবুক

সাকিব-তামিম-মুশফিকদের গুরু ফাহিমের মতে পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে নিজেদের প্রমাণ করতে পারছেন না লেগিরা। যার কারণে অল্পতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে তাদের ক্যারিয়ার। কিভাবে অবস্থার উন্নতি করা যায় তার একটি উপায় বাতলেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘লেগস্পিনার বের করতে আমরা জাতীয়ভাবে একটা উদ্যোগ নিতে পারি। যেমন পেইস বোলিং হান্ট হচ্ছে, তেমনি লেগস্পিনারদের জন্য এমন একটা প্ল্যাটফর্ম করে দিতে পারি, তাদের জন্য একটা বিশেষ ক্যাম্প হবে সেখান থেকে লেগস্পিনার উঠিয়ে নিয়ে আসতে পারি। যদি সত্যিকারের ইচ্ছা থাকে তাহলে গোড়া থেকে ধরতে হবে। নাহলে অপেক্ষা করতে হবে হঠাৎ করে একটা আন্তর্জাতিক মানের লেগস্পিনার পেয়ে যাব। যেটা একেবারেই অলৌকিক একটা ব্যাপার হবে।’

আপাতত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিশ্বমঞ্চে লেগস্পিনার ছাড়াই নামছে বাংলাদেশ। শামসি, রাশিদরা যেখানে দলের হয়ে ঘাম ঝড়াবেন মাঠে সেখানে বিপ্লবকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে স্ট্যান্ডবাই বেঞ্চে।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

ইপিএল খেলা তামিমের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ

ইপিএল খেলা তামিমের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ

অনুশীলনে তামিম ইকবাল। ফাইল ছবি

পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে তামিম মাঠে ফেরার মতো অবস্থায় রয়েছেন বলে জানালেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

হাঁটুর চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষ না করেই দেশে ফিরে আসেন তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক এরপর ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ খেলেননি। নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে।

তবে এই মাসেই চোট থেকে সেরে উঠে ফিরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ছাড়পত্র নিয়ে খেলতে যাচ্ছেন নেপালের এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগে (ইপিএল)।

পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে তামিম মাঠে ফেরার মতো অবস্থায় রয়েছেন বলে জানালেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘তামিম মাসখানেক ধরে এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। জাতীয় দলের ফিজিও ও ট্রেইনারের অধীনে জটিল পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করেছে।

‘তামিমের যে পরিকল্পনা ছিল তাতে এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগ খেলা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার একটা অংশ। খেলার মধ্যে বোঝা যাবে সে স্কিল ও অন্যান্য বিষয় কীভাবে সামলাচ্ছে। এই খেলার ফিডব্যাকের ওপর নির্ভর করে আমরা ওর পরবর্তী চিকিৎসা ঠিক করব।’

বিশ্বকাপের পরপরই বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল। এরপর বাংলাদেশ দল যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড সফরে। তামিম দুই সিরিজে খেলা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও, দেবাশীষ নিশ্চিত নন এই অভিজ্ঞ ওপেনারের খেলা নিয়ে।

তিনি বলেন, ‘তামিম বেশ আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে। স্কিল ট্রেনিংগুলো করতে পারছে। ও শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করছে। কিন্তু খেলার ব্যাপারটা অন্যরকম। যতক্ষণ প্রকৃত খেলার মধ্যে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ঠিকমতো নিজেকে বিচার করতে পারবে না।’

শুধু তামিম ইকবালই নন, চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন বাংলাদেশের দুই পেইসার আল আমিন হোসেন ও হাসান মাহমুদও। আল আমিন সামনের জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খেলতে পারবেন বলে আশাবাদী দেবাশীষ।

বলেন, ‘আল আমিন হোসেনের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। ও প্রায় ১০০ ভাগ এফোর্ট দিয়ে বোলিং করছে। এখন পর্যন্ত ওর অগ্রগতি যথেষ্ট সন্তোষজনক। আগামী জাতীয় ক্রিকেট লিগে ওর খেলার সম্ভাবনা আছে।’

আর হাসান মাহমুদের অগ্রগতি ভালো হলেও তার বোলিং অ্যাকশনের জন্য প্রয়োজন বায়োমেকানিক্যাল পদ্ধতির যাচাই। যে কারণে তাকে দেশের বাইরে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে বিসিবি।

দেবাশীষ বলেন, ‘হাসান মাহমুদের একটা বায়োমেকানিক্যাল বোলিং অ্যাসেসমেন্ট দরকার। যেটা দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের এখানে সম্ভব না। চেষ্টা করছি বিদেশে পাঠিয়ে ওর পূর্ণাঙ্গ অ্যাসেসমেন্ট করার। আশা করছি আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে ওকে দেশের বাইরে পাঠাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

বিলালের সেঞ্চুরিতে লিডে আফগান যুবারা

বিলালের সেঞ্চুরিতে লিডে আফগান যুবারা

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সেঞ্চুরিয়ান বিলাল সায়েদি। ছবি: নিউজবাংলা

দ্বিতীয় দিনশেষে বিলাল সায়েদির সেঞ্চুরিতে আট উইকেটে ২২৬ রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ৬৪ রানের লিড পেয়েছে সফরকারী দল।

বাংলাদেশ সফরের একমাত্র আন-অফিশিয়াল টেস্ট ম্যাচে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে আফগানুস্তান যুব দল। দ্বিতীয় দিনশেষে বিলাল সায়েদির সেঞ্চুরিতে আট উইকেটে ২২৬ রান সংগ্রহ করেছে তারা। ৬৪ রানের লিড পেয়েছে সফরকারী দল।

সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই উইকেটে ৪০ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। প্রথম সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় বাংলাদেশ। ৮৪ রানের ছয় উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে আফগান যুবারা।

সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন সায়েদি ও কামরান হোতাক। সপ্তম উইকেটে ১৪০ রান যোগ করেন দুই ব্যাটসম্যান।

সায়েদি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে আহত অবসর নিলে ভাঙে তাদের জুটি। ২৯১ বলে ১০১ রান করেন তিনি। হোতাক ১৭৫ বলে ৬৬ রান করেন। তাকে আউট করেন বাংলাদেশ যুব দলের অধিনায়ক আইচ মোল্লা।

এরপর ইজহারুলহক নাভিদের উইকেটও হারায় সফরকারী দল।

আফগানিস্তানের শেষ দুই ব্যাটসম্যান ফাইসাল আহমাদজাই ও বিলাল সামি শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের হয়ে আশরাফুল ইসলাম ৬৩ রানে তিন উইকেট নেন। আইচ মোল্লা, আহসান হাবিব, মুশফিক হাসান, মেহেরব নেন একটি করে উইকেট।

নিজেদের প্রথম ইনিংসে আফগান সিমার বিলাল সামির বোলিং তোপে ১৬২ রানে অলআউট স্বাগতিক দল। দ্বিতীয় দিনশেষে তাই আফগানরা এগিয়ে ৬৪ রানে।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

ঐচ্ছিক অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ

ঐচ্ছিক অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ

অনুশীলনে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ছবি: বিসিবি

রিয়াদ-মুশফিক নিজেদের ব্যস্ত রাখছেন শেরে বাংলায় অনুশীলন করে। রানিং সেশনের পাশাপাশি নেটে ব্যাটিং করেন দুই টাইগার। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ অনুশীলন করেছেন বল হাতেও।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ক্যাম্প বিসিবি আয়োজন করছে ওমানে। ৩ অক্টোবর ওমানে যাওয়ার পর বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করবে টাইগাররা। শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে প্রস্তুতি ম্যাচ।

টানা তিন মাস চারটি সিরিজে বিভিন্ন মেয়াদের কোয়ারেন্টিন ও কোভিড বিধিনিষেধের পর ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেটারদের আবদ্ধ পরিবেশে রাখতে চায়নি। ফুরফুরে ও হালকা মেজাজে থেকেই বিশ্বকাপের বিমানে ওঠার উদ্দেশ্য টাইগারদের। যে কারণে দেশে রাখা হয়নি কোনো অনুশীলন সেশন।

তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুশীলন করছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিমরা। বাংলাদেশের অন্যতম দুই সেরা টি-টোয়েন্টি তারকা সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান ব্যস্ত আইপিএলে। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের মধ্যে দিয়েই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি সারছেন তারা।

আর রিয়াদ-মুশফিক নিজেদের ব্যস্ত রাখছেন শেরে বাংলায় অনুশীলন করে। রানিং সেশনের পাশাপাশি নেটে ব্যাটিং করেন দুই টাইগার। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ অনুশীলন করেছেন বল হাতেও।

অফস্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা রিয়াদ কাঁধের চোটে বেশ কিছুদিন বোলিং করেননি। তবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাকে বল করতে দেখা গেছে।

বিশ্বকাপের জন্যও হাত ঘুরিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছেন টাইগার দলপতি। পাশাপাশি নিজের ব্যাটিংকে ঝালানোতো ছিলই।

মুশফিক-রিয়াদের সঙ্গে এ দিন অনুশীলন করেন টাইগারদের হার্ড হিটার ব্যাটার শামীম শিকদার।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন

আকবর-হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে লিডে এইচপি দল

আকবর-হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে লিডে এইচপি দল

ফাইল ছবি

দ্বিতীয় দিনশেষে এ-দলের বিপক্ষে এইচপির সংগ্রহ আট উকেটে ২৩৭ রান। তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ছয় রানের। মাহমুদুল হাসান দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন। আকবরে ব্যাট থেকে আসে ৫১।

বাংলাদেশ এ-দলের বিপক্ষে চারদিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন লিড নিয়েছে বিসিবি হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি)। দ্বিতীয় দিনশেষে এইচপির সংগ্রহ আট উকেটে ২৩৭ রান। তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ছয় রানের।

নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৩১ রানে গুটিয়ে যায় এ-দল। মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তর হাফ সেঞ্চুরিতে প্রথম দিন নয় উইকেটে ২২৩ রান সংগ্রহ করে তারা। দ্বিতীয় দিনে আর আট রান যোগ করেই থামে তাদের ইনিংস।

আগের দিনের পাঁচ উইকেটের সঙ্গে এ-দলের শেষ উইকেটটিও নেন মুরাদ হাসান। এই স্পিনার ইনিংসে ৫৫ রানে নেন ছয় উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে, দুই ওপেনারকে দ্রুত হারায় এইচপি। পারভেজ হোসেনকে চার রানে আউট করেন আবু জায়েদ। আর তানজিদ হাসান শামীমুলের বলে বোল্ড হন ১১ রান করে।

শাহাদাত হোসেন শূন্য রানে বিদায় নেন খালেদ আহমেদের বলে। ২৩ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে এইচপি।

সেখান থেকে দলকে সামাল দেন মাহমুদুল হাসান, আকবর আলি ও তৌহিদ হৃদয়। এই তিনজনের ব্যাটেই মূলত এইচপি ছাড়িয়ে যায় এ-দলের সংগ্রহকে।

মাহমুদুল দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন। আকবরে ব্যাট থেকে আসে ৫১ আর হৃদয় করেন ৪৭।

দিনশেষে রেজাউর রহমান পাঁচ রান নিয়ে খেলছিলেন। এ-দলের হয়ে রাকিবুল হাসান ৬০ রানে তিনটি আর খালেদ আহমেদ ৪৬ রানে দুই উইকেট নেন।

আরও পড়ুন:
র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা পাঁচে আসার সুযোগ টাইগারদের
বিশ্বকাপের দল গুছিয়ে ফেলেছেন রিয়াদ
অতি-আত্মবিশ্বাসী হতে চান না মাহমুদুল্লাহ
বাংলাদেশের কন্ডিশনে প্রস্তুতির ওপর ভরসা লেইথামের
সিরিজ শেষের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেবে বিসিবি

শেয়ার করুন