আফগানিস্তানে হাত হারানো যোদ্ধার গলায় অলিম্পিক স্বর্ণ

আফগানিস্তানে হাত হারানো যোদ্ধার গলায় অলিম্পিক স্বর্ণ

ইংল্যান্ডের প্যারালিম্পিয়ান জ্যাকো ভ্যান গাস। ছবি: টুইটার

সালটা তখন ২০০৯। ইংল্যান্ডের সামরিক বাহিনীকে সৈন্য হিসেবে কাজ করছিলেন সাউথ আফ্রিকায় জন্ম নেয়া ভ্যান গাস। ওই বছরে আফগানিস্তানে তালেবানের রকেট চালিত গ্রেনেড হামলায় নিজের বাম হাত হারান। হারান সামরিক চাকরিও। সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ায় ভেবেছেন মৃত্যুর কথা।

আফগানিস্তানে যুদ্ধে রকেট চালিত গ্রেনেডের আঘাতে বাম হাত হারান। বাম পাশের ফুসফুস ধসে যায়। শরীরের ভেতরে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হয়, বাম পায়ের গোড়ালি ভেঙে যায়। এতো এতো আঘাত সামলাতে তাকে ১১ বার অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে!

এই অবস্থার পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসাটা যখন অসম্ভব ছিল সেখান থেকে ঘুড়ে দাঁড়িয়ে অসম্ভবটাই সম্ভব করেন। প্যারালিম্পিকে জিতে নেন স্বর্ণ।

বলা হচ্ছে ইংল্যান্ডের অ্যাথলিট জ্যাকো ভ্যান গাসের কথা। এবার টোকিও প্যারালিম্পিকসে ৩৩ হাজার মিটার সাইক্লিংয়ের ব্যক্তিগত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়নের পদক গলায় ঝুলিয়েছেন এই সাইক্লিস্ট।

এই স্বর্ণ জেতার থেকেও বড় কঠিন ছিল তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার গল্পটা।

সালটা তখন ২০০৯। ইংল্যান্ডের সামরিক বাহিনীকে সৈন্য হিসেবে কাজ করছিলেন সাউথ আফ্রিকায় জন্ম নেয়া ভ্যান গাস। দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করতে যান তিনি। সফর শেষে সেই বছরেই দেশে ফেরার কথা ছিল তার।

এভাবে ফিরতে হবে নিজেও হয়তো ভেবে দেখেননি।

ওই বছরে আফগানিস্তানে তালেবানের রকেট চালিত গ্রেনেড হামলায় নিজের বাম হাত হারান। হারান সামরিক চাকরিও। সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ায় ভেবেছেন মৃত্যুর কথা।

ভ্যান গাস সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ওই ঘটনার পর অনেক সময় লেগেছে নিজেকে বোঝাতে যে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিছু সময় এমন ছিল যে ভাবতাম আমি বেঁচে আছি কেনো? মরে গেলেইতো হতো।’

তার মনোবল একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়নি। মনটাকে শক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। জীবনের ফুল ফোটান ট্র্যাকে। ভাঙা হাত নিয়ে ১১ টি অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে নিজেকে নতুন করে চিনতে শেখেন গাস।

এবারের টোকিও প্যারালিম্পিকসে আসে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত। গাসের ভাষায়, ‘আমি দারুণ কিছু জিনিসি করেছি। সবারই নিজস্ব সমস্যা থাকে। আজও ছিল। এই অর্জন নিশ্চয়ই সকল কিছুকে ছাড়িয়ে গেছে।’

ভ্যান গাসের গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে যেন জীবনের মর্ম। যত খারাপ কিছুই ঘটুক না কেন, হার মানা যাবে না। তাহলে বেজে উঠবে জয়গান।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে প্যাকিয়াও

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে প্যাকিয়াও

বক্সিং রিংয়ে ম্যানি প্যাকিয়াও। ছবি: এএফপি

দুতের্তের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেও এর আগে প্যাকিয়াও দুতের্তের বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্যকে সমর্থন দিয়েছে। এর মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ভয়াবহ যুদ্ধ ও সমকামীদের ‘পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট’ মন্তব্যের প্রতি সমর্থন ছিল প্যাকিয়াওর।

ফিলিপিনের বক্সিং সুপারস্টার ম্যানি প্যাকিয়াও দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন তিনি।

নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করে প্যাকিয়াও বলেন, ‘এখনই সময়। নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জে এগিয়ে আসতে আমরা প্রস্তুত।’

ফিলিপাইনের পার্লামেন্টে বর্তমানে একজন সিনেটর আট ডিভিশনের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন প্যাকিয়াও।

২০১০ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন প্যাকিয়াও। তারপর থেকেই দেশটির সর্বোচ্চ পদে এই জনপ্রিয় বক্সারকে দেখার দাবি ভক্ত সমর্থকদের।

৪২ বছর বয়সী প্যাকিয়াওর বিশ্বজুড়ে ভক্ত রয়েছে। একেবারে সাদামাটা অবস্থা থেকে উঠে এসে তার সর্বকালের অন্যতম সেরা, সফল ও ধনী বক্সারে পরিণত হওয়ার গল্প ফিলিপাইনের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

দুতের্তের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেও এর আগে প্যাকিয়াও দুতের্তের বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্যকে সমর্থন দিয়েছে। এর মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ভয়াবহ যুদ্ধ ও সমকামীদের ‘পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট’ মন্তব্যের প্রতি সমর্থন ছিল প্যাকিয়াওর।

দুতের্তের দলেরই বিদ্রোহী অংশের গড়া পিডিপি লাবান দলের হয়ে প্রার্থিতা ঘোষণার পর প্যাকিয়াও জেতার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।

পার্লামেন্টে নিজের প্রার্থিতা নিয়ে ‘প্যাকম্যান’ নামে খ্যাত এই বক্সার বলেন, ‘যারা জানতে চায় আমার যোগ্যতা কী, তাদের প্রতি আমার জিজ্ঞাসা, কখনও ক্ষুধার্ত থেকেছেন? কখনও এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন যখন আপনার কাছে কোনো খাবার নেই? প্রতিবেশীর কাছ থেকে ধার করতে হয়েছে বা খাবারের দোকানের ফেলে দেয়া খাবারের অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে?

‘আপনাদের সামনে আজ যে ম্যানি প্যাকিয়াও, সে দরিদ্র অবস্থা থেকেই উঠে এসেছে।’

বক্সিং রিংয়ে ৭২টি ম্যাচের মধ্যে ৬২টি জেতা প্যাকিয়াওর রাজনীতির মাঠে লড়াইটা সহজ হবে না বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নির্বাচনে প্যাকিয়াওর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ডাভাও শহরের বর্তমান মেয়র ও প্রেসিডেন্ট দুতের্তের মেয়ে সারাহ দুতের্তে-কারপিও। সাম্প্রতিক এক জরিপে প্যাকিয়াওয়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন সারাহ দুতের্তে।

২০২২ সালের নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম জমা দেয়ার শেষ দিন ৮ অক্টোবর।

শেয়ার করুন

জিয়া-রাজীবের জয়ের দিনে নাসিরের চমক

জিয়া-রাজীবের জয়ের দিনে নাসিরের চমক

জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টারস দাবার প্রথম রাউন্ডে স্বদেশি স্বর্ণাভো চৌধুরীর বিপক্ষে খেলছেন বাংলাদেশের গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। ছবি: সাইফুল ইসলাম

প্রথম রাউন্ডে ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ সেন গুপ্তকে হারিয়ে দেন বাংলাদেশের ফিদে মাস্টার নাসির আহমেদ। রাজীব স্বদেশি আন্তর্জাতিক মাস্টার দেলোয়ার হোসেনকে হারান। স্বদেশি স্বর্ণাভো চৌধুরীকে হারান গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান।

জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টারস দাবা টুর্নামেন্টের শুরুর দিনটা ভালো গেছে বাংলাদেশের। প্রথম রাউন্ডে জয় পেয়েছেন দুই দেশি গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান ও এনামুল হোসেন রাজীব।

তবে প্রথমদিন চমক দেখান বাংলাদেশের ফিদে মাস্টার নাসির আহমেদ। ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ সেন গুপ্তকে হারিয়ে দেন নাসির।

আন্তর্জাতিক এ আয়োজনের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ ছিল রোববার। ফিদে মাস্টার নাসির সাদা ঘুঁটি নিয়ে ভারতের দীপ সেনের বিপক্ষে ইংলিশ ওপেনিং পদ্ধতিতে খেলা শুরু করেন ও পরবর্তীতে অ্যান্টি কাতালান ডিফেন্স ধারার খেলায় ৯০ চালের মাথায় জয়ী হন।

একই দিন জয় পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান ও এনামুল হোসেন রাজীব। রাজীব স্বদেশি আন্তর্জাতিক মাস্টার দেলোয়ার হোসেনকে হারান। স্বদেশি প্রতিপক্ষ পান জিয়াউর রহমানও। প্রথম রাউন্ডে স্বর্ণাভো চৌধুরীকে হারাতে বেগ পেতে হয়নি এই গ্র্যান্ডমাস্টারের। জয় পান আন্তর্জাতিক মাস্টার ফাহাদ রহমানও। নারী ক্যান্ডিডেট মাস্টার নোশিন আঞ্জুমকে হারান এই উঠতি তারকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে সোমবার। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা রোববার থেকেই শুরু হয়েছে বিজয়নগরের হোটেল ৭১-এ।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত নয় দিনের এই টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ। রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হবে বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের।

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিনজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন।

৯ রাউন্ড সুইস লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় এ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার, আন্তর্জাতিক মাস্টার, নারী গ্র্যান্ডমাস্টার ও নারী আন্তর্জাতিক মাস্টারের নর্ম অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় ১৫ হাজার ডলার অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা উদ্বোধন সোমবার

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা উদ্বোধন সোমবার

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিনজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন। প্রতিযোগিতায় পুরস্কার হিসেবে মোট ১৫ হাজার ডলার দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে সোমবার। বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত ৯ দিনের এই টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হবে বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা রোববার থেকেই শুরু হয়েছে বিজয়নগরের হোটেল ৭১-এ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ও সাউথ এশিয়ান দাবা কাউন্সিলের সভাপতি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি তরফদার রুহুল আমিন, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম এবং ফেডারেশনের আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মল্লিক।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গত বছরের সেপ্টেম্বরে হয়েছিল জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অনলাইন দাবা টুর্নামেন্ট। ওই টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এবং সহসভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে গ্র্যান্ডমাস্টার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার। সে ঘোষণা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে এবারের টুর্নামেন্টের।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদ সম্মেলন করেন আয়োজকেরা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. শোয়েব রিয়াজ আলম।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা উদ্বোধন সোমবার
‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’ টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা



সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত। টুর্নামেন্টটির নামকরণ এমন একজন নেতার নামে, যিনি নিজে একজন শান্তির প্রতীক, যিনি দেশের ও মানুষের উন্নতির জন্য তার পুরো জীবন আবেগ ও নিষ্ঠা নিয়ে পরিশ্রম করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো বিশ্বকে তার ‘মানবতার নেতৃত্ব’ দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছেন ও অসীম মমতায় আমাদের সবাইকে উৎসাহিত করেছেন নিজের দেশ ও জনগণের সেবা করার জন্য।”

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিনজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন।

বিদেশি খেলোয়াড়রা হচ্ছেন গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ দাস গুপ্ত (ভারত), এহসান ঘাইম মাগামি (ইরান), মাসোউদ মোসাদেগপোর (ইরান), ভাদিম মালাখাটকো (বেলজিয়াম), অড্রে সুমেটস (ইউক্রেন), জুভারেভ আলেক্সান্ডার (ইউক্রেন) ও আলেক্সেই কিসলিনসি (চেক রিপাবলিক)।

আন্তর্জাতিক, ফিদে ও ক্যান্ডিডেট মাস্টারেরা হলেন শেখ মোহাম্মদ নুবাইর শাহ (ভারত), আবদিহাপার আসিলবেক (কিরগিজস্তান), মাহমুদ লোদি (পাকিস্তান), অরোক ঘোষ (ভারত), কোস্তোভ চ্যাটার্জি (ভারত), চক্রবর্তী রেড্ডি মেরেড্ডি (ভারত), মিত্রভা গুহ (ভারত), মোকশকুমার অমিতকুমার (ভারত), নিলাশ সাহা (ভারত), সামেদ সেকুয়ার সেটি (ভারত), সায়ন্তন দাস (ভারত), সোমক পালিত (ভারত), শ্রীজিত পাল (ভারত), শুভায়ন কুন্ডু (ভারত), সংকল্প গুপ্ত (ভারত), সংকেত চক্রবর্তী (ভারত), সৌরথ বিশ্বাস (ভারত), অরপিতা মুখার্জি (ডব্লিউআইএম, ভারত), লিয়ানাগে রানিদু দিলশান (সিএম, শ্রীলঙ্কা), সাসিথ নিপুন পিউমান্থা (এফএম, শ্রীলঙ্কা) এবং রুপেশ জসওয়াল (এফএম, নেপাল)।

দেশের পাঁচ গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব। তিন আন্তর্জাতিক মাস্টার হলেন আবু সুফিয়ান শাকিল, মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান। দুই নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ ও শারমীন সুলতানা শিরিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

৯ রাউন্ড সুইস লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় এ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার, আন্তর্জাতিক মাস্টার, নারী গ্র্যান্ডমাস্টার ও নারী আন্তর্জাতিক মাস্টারের নর্ম অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় ১৫ হাজার ডলার অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

এর মধ্যে মূল পুরস্কার থাকবে ১৩ হাজার ডলার (চ্যাম্পিয়ন চার হাজার, রানার-আপ আড়াই হাজার, তৃতীয় দেড় হাজার, চতুর্থ এক হাজার, পঞ্চম এক হাজার, ষষ্ঠ এক হাজার, সপ্তম এক হাজার ও অষ্টম এক হাজার ডলার)।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য দুই হাজার ডলার (প্রথম ৭০০ ডলার, দ্বিতীয় ৫০০, তৃতীয় ৪০০, চতুর্থ ২০০, পঞ্চম ২০০ ডলার) পুরস্কার দেয়া হবে।

বনানীর হোটেল শেরাটনে ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হবে প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান।

শেয়ার করুন

সাংগঠনিক দক্ষতায় ভরসা নিয়াজের

সাংগঠনিক দক্ষতায় ভরসা নিয়াজের

‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ড মাস্টার্স দাবা’র উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

নিয়াজ মোর্শেদ জানান, নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়ে আসতে হয়েছে দাবা ফেডারেশনকে। সেগুলো মোটামুটি কাটিয়ে ভালো অবস্থানে আসার ঠিক প্রাক্কালেই দেশে আঘাত হানে করোনা। 

২০০৮ সালে দাবায় নতুন গ্র্যান্ডমাস্টারের (জিএম) দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ। সে বছর জিএম হিসেবে আবির্ভাব হয় এনামুল হোসেন রাজিবের। এরপর কেটে গেছে ১২টি বছর। লম্বা এ সময়ে নতুন কোনো জিএমের সঙ্গে পরিচিত হতে পারেনি দেশ।

স্বভাবতই প্রশ্ন আসে কেন এই দীর্ঘ বিরতি? কী এমন সংকট যার কারণে এক যুগ পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো জিএমের সঙ্গে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দিতে পারেনি দাবা ফেডারেশন? উত্তরটা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম জিএম নিয়াজ মোর্শেদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক দাবাড়ুদের নিয়ে টুর্নামেন্ট ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্রান্ডমাস্টার্স দাবা’। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নিয়াজ।

তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়ে আসতে হয়েছে দাবা ফেডারেশনকে। সেগুলো মোটামুটি কাটিয়ে ভালো অবস্থানে আসার ঠিক প্রাক্কালেই দেশে আঘাত হানে করোনা।

নিয়াজ বলেন, ‘আমাদের যেই গ্যাপটা পড়ে গেছে, সেটা কিন্তু এক-দুই বছরের না; বহু বছরের। নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকেই আমাদের সাংগঠনিক দিকটা দুর্বল ছিল। এটা কিন্তু একদিনে আপনি কভার করতে পারবেন না। তবে এখন অবস্থা বদলাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ফেডারেশনে চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের মতো বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা আসছেন। আমি আশাবাদী তারা আসায় আবার দাবার হারানো ঐতিহ্যটা ফিরে আসবে।

‘আমাদের একটা ভালো সংগঠন আছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, যখন আমরা আমাদের ল্যাকিংসগুলো গুছিয়ে আনা শুরু করেছিলাম, তখনই আঘাত হানে কোভিড।’

বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার জানান, দাবার উন্নয়নে ফেডারেশনের লক্ষ্য ছিল প্রতিভাবান দাবাড়ুদের দেশের বাইরে নিয়ে গিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলিয়ে অবস্থার উন্নতি করা। কিন্তু চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে সেটি সম্ভব নয়। এ কারণে দেশেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে সেই ঘাটতি পূরণে বদ্ধপরিকর ফেডারেশনের কর্তারা।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল যারা প্রতিভাবান, যাদের গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার সুযোগ আছে, তাদের আমরা বাইরে নিয়ে খেলাব। যেহেতু বাইরে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাই এখন আমরা চেষ্টা করব দেশে একটার পর একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে আমাদের নিজেদের খেলোয়াড়দের প্রতিষ্ঠিত করার। যদিও এটা একটু ব্যয়বহুল, তারপরও আমরা আশাবাদী যেই গ্যাপটা পড়েছে, সেটা আমরা মেটাতে সক্ষম হব।’

২০ সেপ্টেম্বর হোটেল লা মেরিডিয়ানে পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টটির। ৯ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের খেলাগুলো হবে হোটেল ৭১-এ। বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন জিএম, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও ৩ জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন।

শেয়ার করুন

নতুন জিএমের জন্য নিয়মিত আন্তর্জাতিক আসরের প্রত্যাশা

নতুন জিএমের জন্য নিয়মিত আন্তর্জাতিক আসরের প্রত্যাশা

‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্রান্ড মাস্টার্স দাবা’র সংবাদসন্মেলনে গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ ও গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান । ছবি: সাইফুল ইসলাম

লম্বা সময় ধরে বাংলাদেশ দেখছে না দাবার নতুন কোনো গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে জিএম নর্মের টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা হলে তা থেকে নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দাবাড়ুদের নিয়ে টুর্নামেন্ট ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্রান্ডমাস্টারস দাবা।’ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্দা উঠছে ৯ দিনব্যাপী টুর্নামেন্টটির।

লম্বা সময় ধরে বাংলাদেশ দেখছে না দাবার নতুন কোনো গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে জিএম নর্মের টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা হলে তা থেকে নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ।

টুর্নামেন্ট সামনে রেখে শুক্রবার ঢাকার এক হোটেলে সংবাদসম্মেলনের আয়োজন করে টুর্নামেন্টটির পৃষ্ঠপোষক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ। সেখানেই এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন নিয়াজ মোর্শেদ।

নিয়াজ বলেন, ‘আমাদের পাইপ লাইনে যারা আছে, সবার জন্যই এটা বড় একটা মঞ্চ। এবার না হলেও টুর্নামেন্টটি যদি নিয়মিত হয় ভবিষ্যতে আমরা এখান থেকেই নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার পাব বলে আশা রাখি।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্সহ অন্যান্যরা।

এই ধরনের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট দেশের দাবার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজক, সংগঠক ও সাবেক তারকারা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিধি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে তিনিও আশাবাদী।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘যদি প্রতিবছর এভাবেই করা হয়, নিশ্চয়ই আমাদের কোয়ালিটি বাড়বে এবং নতুন নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টি হবে। খেলোয়াড় সৃষ্টির জন্য তো আন্তর্জাতিক খেলার কোন বিকল্প নেই। এইবার এটা একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতোদিন বন্ধ ছিল। এখন আবার শুরু হয়েছে।’

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্রান্ড মাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিন জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন।

শেয়ার করুন

দেশে প্রতি বছর বসবে আন্তর্জাতিক দাবার আসর

দেশে প্রতি বছর বসবে আন্তর্জাতিক দাবার আসর

প্রধানমন্ত্রীর নামে কেন টুর্নামেন্ট, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকন্যা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খুব কমসংখ্যক নেতা আছেন, যারা ৩৮ বছর ধরে রাজনীতিতে আছেন। বাংলাদেশে গত ১২ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার শুরু হচ্ছে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’।

আয়োজনের পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত জানিয়েছেন, প্রতি বছরই হবে এ টুর্নামেন্ট।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধনের তিন দিন আগে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্‌, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম।

দেশে প্রতি বছর বসবে আন্তর্জাতিক দাবার আসর
বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত

প্রধানমন্ত্রীর নামে কেন টুর্নামেন্ট, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকন্যা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খুব কমসংখ্যক নেতা আছেন, যারা ৩৮ বছর ধরে রাজনীতিতে আছেন। বাংলাদেশে গত ১২ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য।’

তিনি বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে অনেক দেশে গিয়েছি। দেশের বাইরে তার জন্য যে সম্মান বা শ্রদ্ধা সেটা দেখেছি। তার নামে আয়োজিত একটি টুর্নামেন্টের অংশ হতে পেরে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ আনন্দিত।’

দাবার সঙ্গে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। সে জন্য তাদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা খুবই জরুরি।

‘দাবা এমনই একটি খেলা, যার মাধ্যমে মানসিক এবং শারীরিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়। দাবা যৌক্তিক, জ্ঞানভিত্তিক এবং মেধাভিত্তিক একটি খেলা। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মেধাভিত্তিক খেলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের উপমহাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় দাবা খেলায় এগিয়ে আছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দাবাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা একান্ত প্রয়োজন।

‘এ জন্যই আমরা এ রকম কঠিন সময়ে দাবায় অগ্রগতির লক্ষ্যে সামাজিক উন্নয়ন ও দেশের মানুষকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিকভাবে সরকার ও দেশকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এ রকম একটি উদ্যোগ নিয়েছি।’

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার

‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’ টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত। টুর্নামেন্টটির নামকরণ এমন একজন নেতার নামে, যিনি নিজে একজন শান্তির প্রতীক, যিনি দেশের ও মানুষের উন্নতির জন্য তার পুরো জীবন আবেগ ও নিষ্ঠা নিয়ে পরিশ্রম করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো বিশ্বকে তার ‘মানবতার নেতৃত্ব’ দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছেন ও অসীম মমতায় আমাদের সবাইকে উৎসাহিত করেছেন নিজের দেশ ও জনগণের সেবা করার জন্য।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’। টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে সোমবার উদ্বোধন হবে আট দিনের এই টুর্নামেন্ট। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে হোটেল ৭১-এ।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গত বছর সেপ্টেম্বরে হয়েছিল জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অনলাইন দাবা টুর্নামেন্ট। ওই টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এবং সহসভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে গ্র্যান্ডমাস্টার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার। সে ঘোষণা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্ট।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্‌, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতার সাফল্য কামনা করেন। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত। টুর্নামেন্টটির নামকরণ এমন একজন নেতার নামে, যিনি নিজে একজন শান্তির প্রতীক, যিনি দেশের ও মানুষের উন্নতির জন্য তার পুরো জীবন আবেগ ও নিষ্ঠা নিয়ে পরিশ্রম করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো বিশ্বকে তার ‘মানবতার নেতৃত্ব’ দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছেন ও অসীম মমতায় আমাদের সবাইকে উৎসাহিত করেছেন নিজের দেশ ও জনগণের সেবা করার জন্য।”

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার
বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত

দাবা মূলত দার্শনিকদের খেলা মন্তব্য করে চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “এটি জীবনের সঙ্গে জড়িত যেখানে দুটি পরিচ্ছন্ন মস্তিষ্ক কোনো পুরস্কারের জন্য নয় বরং ‘সম্মান’-এর জন্য লড়াই করে। এ কারণে আমাদের গত বছরের টুর্নামেন্টটিও সফল হয়েছে।”

তিনি বলেন, ‘কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, মানবতার জননীর প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই আয়োজন করা হয়েছে এই টুর্নামেন্ট। এই ইভেন্টটিকে এ বছর এবং সামনের বছরগুলোতে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’

আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ এরই মধ্যে বাংলাদেশে কানাডার মানের শিক্ষা প্রদান করে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিজেদের আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে আমরা কেবল শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত করার লক্ষ্য রাখছি না, এটি এমন একটি যাত্রা যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে উন্নত মানুষে পরিণত হতে শেখেন।

‘এ ছাড়াও তারা শিখবেন, শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অবস্থান নয় বরং এটি একটি অভ্যাস। দাবা অনুশীলন ও প্রশিক্ষণ উচ্চমানের ভাবনার দক্ষতা যেমন, সমস্যা সমাধান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমালোচনামূলক ভাবনা, পরিকল্পনা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশকে সমর্থন করে। এটি সাধারণ জ্ঞানীয় ক্ষমতা ও শিক্ষাগত অর্জনকে উন্নত করতে সহায়তা করে- বিশেষত কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির মতো একটি প্রায়োগিক শিক্ষার পরিবেশে।’

সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবউদ্দিন শামীম। প্রতিযোগিতা আয়োজনে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ায় তিনি দাবা ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিনজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন। বিদেশি খেলোয়াড়রা হচ্ছেন: গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ দাস গুপ্ত (ভারত), এহসান ঘাইম মাগামি (ইরান), মাসোউদ মোসাদেগপোর (ইরান), ভাদিম মালাখাটকো (বেলজিয়াম), অড্রে সুমেটস (ইউক্রেন), জুভারেভ আলেক্সান্ডার (ইউক্রেন) ও আলেক্সেই কিসলিনসি (চেক রিপাবলিক)।

আন্তর্জাতিক, ফিদে ও ক্যান্ডিডেট মাস্টারেরা হলেন শেখ মোহাম্মদ নুবাইর শাহ (ভারত), আবদিহাপার আসিলবেক (কিরগিজস্তান), মাহমুদ লোদি (পাকিস্তান), অরোক ঘোষ (ভারত), কোস্তোভ চ্যাটার্জি (ভারত), চক্রবর্তী রেড্ডি মেরেড্ডি (ভারত), মিত্রভা গুহ (ভারত), মোকশকুমার অমিতকুমার দোশি (ভারত), নিলাশ সাহা (ভারত), সামেদ সেকুয়ার সেটি (ভারত), সায়ন্তন দাস (ভারত), সোমক পালিত (ভারত), শ্রীজিত পাল (ভারত), শুভায়ন কুন্ডু (ভারত), সংকল্প গুপ্ত (ভারত), সংকেত চক্রবর্তী (ভারত), সৌরথ বিশ্বাস (ভারত), অরপিতা মুখার্জি (ডব্লিউআইএম, ভারত), লিয়ানাগে রানিদু দিলশান (সিএম, শ্রীলঙ্কা), সাসিথ নিপুন পিউমান্থা (এফএম, শ্রীলঙ্কা) এবং রুপেশ জসওয়াল (এফএম, নেপাল)।

দেশের পাঁচ গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব; তিন আন্তর্জাতিক মাস্টার আবু সফিয়ান শাকিল, মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান, দুই নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ ও শারমীন সুলতানা শিরিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

৯ রাউন্ড সুইস লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় এ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার, আন্তর্জাতিক মাস্টার, নারী গ্র্যান্ডমাস্টার ও নারী আন্তর্জাতিক মাস্টারের নর্ম অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় মোট নগদ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

এর মধ্যে মূল পুরস্কার থাকবে ১৩ হাজার মার্কিন ডলার (চ্যাম্পিয়ন ৪,০০০, রানার-আপ ২,৫০০, তৃতীয় ১,৫০০, চতুর্থ-১০০০, পঞ্চম ১০০০, ষষ্ঠ ১০০০, সপ্তম ১০০০, অষ্টম ১০০০ ডলার)।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য দুই হাজার মার্কিন ডলার- প্রথম ৭০০, দ্বিতীয় ৫০০, তৃতীয় ৪০০, চতুর্থ ২০০, পঞ্চম ২০০ ডলার পুরস্কার দেয়া হবে। ২০ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ৩টায় হোটেল ৭১-এ প্রতিযোগিতার খেলা শুরু হবে।

শেয়ার করুন