টানা দুই অলিম্পিকসে স্প্রিন্ট ডাবল এলেইন টমসনের

টানা দুই অলিম্পিকসে স্প্রিন্ট ডাবল এলেইন টমসনের

রেস জেতার পর জ্যামাইকার পতাকা নিয়ে টমসনের উদযাপন। ছবি: এএফপি

২১.৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে ২০০ মিটার রেস শেষ করেছেন টমসন। টমসনের দিনে একই মিটে রৌপ্য জেতা ক্রিস্টিন এমবোম্বাও নিজ দেশ নামিবিয়ার অনূর্ধ্ব ২০ এর রেকর্ড ভেঙেছেন ২১.৮১ টাইমিং করে। ব্রোঞ্জ জেতেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাব্রিয়েল টমাস।

গত রোববার ১০০ মিটারে অলিম্পিকস ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততার টাইমিং গড়ে স্বর্ণ জিতেছিলেন। দুই দিন পরও ২০০ মিটার মিটেও আলো ছড়ালেন জ্যামাইকার কুইন অফ স্প্রিন্ট এলেইন টমসন-হেরাহ। নিজের টাইমিংয়ের রেকর্ড ভেঙে এই মিটেও স্বর্ণ জিতে নিলেন এই স্প্রিন্টার।

এতেই হয়ে গেল ডাবল ধামাকা। রিও অলিম্পিকসের পর টোকিও। ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ এর দুই আসরে ১০০ ও ২০০ মিটারের দুই ইভেন্টে স্বর্ণ জয়ের রেকর্ড গড়েছেন জ্যামাইকান।

ট্র্যাকের সব আলো যেন সব টমসনকে ঘিরেই। সমর্থকদের হতাশ করেননি এই স্প্রিন্টার। ব্যক্তিগত ও জ্যামাইকার জাতীয় রেকর্ড ছাড়িয়ে মিট শেষ করে দুই হাত ছড়িয়ে জানান দিলেন, ধামাকাই তার প্রাপ্য।এদিন ২১.৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে ২০০ মিটার রেস শেষ করেছেন টমসন।

টমসনের দিনে একই মিটে রৌপ্য জেতা ক্রিস্টিন এমবোম্বাও নিজ দেশ নামিবিয়ার অনূর্ধ্ব ২০ এর রেকর্ড ভেঙেছেন ২১.৮১ টাইমিং করে। ব্রোঞ্জ জেতেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাব্রিয়েল টমাস।

এ নিয়ে দুই অলিম্পিকস আসর মিলিয়ে চার স্বর্ণ ও একটি ব্রোঞ্জ জিতলেন টমসন। এই আসরে আরেকটি স্বর্ণ জেতার আনন্দ নিয়ে দেশে ফেরার ‍সুযোগ রয়েছে টমসনের।

রিলেতে স্বর্ণ জিতলেই অলিম্পিকস ক্যারিয়ারে ৫ স্বর্ণ জেতা হবে এই জ্যামাইকানের।

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সাংগঠনিক দক্ষতায় ভরসা নিয়াজের

সাংগঠনিক দক্ষতায় ভরসা নিয়াজের

‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ড মাস্টার্স দাবা’র উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

নিয়াজ মোর্শেদ জানান, নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়ে আসতে হয়েছে দাবা ফেডারেশনকে। সেগুলো মোটামুটি কাটিয়ে ভালো অবস্থানে আসার ঠিক প্রাক্কালেই দেশে আঘাত হানে করোনা। 

২০০৮ সালে দাবায় নতুন গ্র্যান্ডমাস্টারের (জিএম) দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ। সে বছর জিএম হিসেবে আবির্ভাব হয় এনামুল হোসেন রাজিবের। এরপর কেটে গেছে ১২টি বছর। লম্বা এ সময়ে নতুন কোনো জিএমের সঙ্গে পরিচিত হতে পারেনি দেশ।

স্বভাবতই প্রশ্ন আসে কেন এই দীর্ঘ বিরতি? কী এমন সংকট যার কারণে এক যুগ পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো জিএমের সঙ্গে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দিতে পারেনি দাবা ফেডারেশন? উত্তরটা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম জিএম নিয়াজ মোর্শেদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক দাবাড়ুদের নিয়ে টুর্নামেন্ট ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্রান্ডমাস্টার্স দাবা’। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নিয়াজ।

তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়ে আসতে হয়েছে দাবা ফেডারেশনকে। সেগুলো মোটামুটি কাটিয়ে ভালো অবস্থানে আসার ঠিক প্রাক্কালেই দেশে আঘাত হানে করোনা।

নিয়াজ বলেন, ‘আমাদের যেই গ্যাপটা পড়ে গেছে, সেটা কিন্তু এক-দুই বছরের না; বহু বছরের। নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকেই আমাদের সাংগঠনিক দিকটা দুর্বল ছিল। এটা কিন্তু একদিনে আপনি কভার করতে পারবেন না। তবে এখন অবস্থা বদলাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ফেডারেশনে চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের মতো বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা আসছেন। আমি আশাবাদী তারা আসায় আবার দাবার হারানো ঐতিহ্যটা ফিরে আসবে।

‘আমাদের একটা ভালো সংগঠন আছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, যখন আমরা আমাদের ল্যাকিংসগুলো গুছিয়ে আনা শুরু করেছিলাম, তখনই আঘাত হানে কোভিড।’

বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার জানান, দাবার উন্নয়নে ফেডারেশনের লক্ষ্য ছিল প্রতিভাবান দাবাড়ুদের দেশের বাইরে নিয়ে গিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলিয়ে অবস্থার উন্নতি করা। কিন্তু চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে সেটি সম্ভব নয়। এ কারণে দেশেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে সেই ঘাটতি পূরণে বদ্ধপরিকর ফেডারেশনের কর্তারা।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল যারা প্রতিভাবান, যাদের গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার সুযোগ আছে, তাদের আমরা বাইরে নিয়ে খেলাব। যেহেতু বাইরে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাই এখন আমরা চেষ্টা করব দেশে একটার পর একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে আমাদের নিজেদের খেলোয়াড়দের প্রতিষ্ঠিত করার। যদিও এটা একটু ব্যয়বহুল, তারপরও আমরা আশাবাদী যেই গ্যাপটা পড়েছে, সেটা আমরা মেটাতে সক্ষম হব।’

২০ সেপ্টেম্বর হোটেল লা মেরিডিয়ানে পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টটির। ৯ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের খেলাগুলো হবে হোটেল ৭১-এ। বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন জিএম, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও ৩ জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

নতুন জিএমের জন্য নিয়মিত আন্তর্জাতিক আসরের প্রত্যাশা

নতুন জিএমের জন্য নিয়মিত আন্তর্জাতিক আসরের প্রত্যাশা

‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্রান্ড মাস্টার্স দাবা’র সংবাদসন্মেলনে গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ ও গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান । ছবি: সাইফুল ইসলাম

লম্বা সময় ধরে বাংলাদেশ দেখছে না দাবার নতুন কোনো গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে জিএম নর্মের টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা হলে তা থেকে নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দাবাড়ুদের নিয়ে টুর্নামেন্ট ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্রান্ডমাস্টারস দাবা।’ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্দা উঠছে ৯ দিনব্যাপী টুর্নামেন্টটির।

লম্বা সময় ধরে বাংলাদেশ দেখছে না দাবার নতুন কোনো গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে জিএম নর্মের টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা হলে তা থেকে নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ।

টুর্নামেন্ট সামনে রেখে শুক্রবার ঢাকার এক হোটেলে সংবাদসম্মেলনের আয়োজন করে টুর্নামেন্টটির পৃষ্ঠপোষক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ। সেখানেই এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন নিয়াজ মোর্শেদ।

নিয়াজ বলেন, ‘আমাদের পাইপ লাইনে যারা আছে, সবার জন্যই এটা বড় একটা মঞ্চ। এবার না হলেও টুর্নামেন্টটি যদি নিয়মিত হয় ভবিষ্যতে আমরা এখান থেকেই নতুন গ্র্যান্ডমাস্টার পাব বলে আশা রাখি।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্সহ অন্যান্যরা।

এই ধরনের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট দেশের দাবার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজক, সংগঠক ও সাবেক তারকারা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিধি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে তিনিও আশাবাদী।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘যদি প্রতিবছর এভাবেই করা হয়, নিশ্চয়ই আমাদের কোয়ালিটি বাড়বে এবং নতুন নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টি হবে। খেলোয়াড় সৃষ্টির জন্য তো আন্তর্জাতিক খেলার কোন বিকল্প নেই। এইবার এটা একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতোদিন বন্ধ ছিল। এখন আবার শুরু হয়েছে।’

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্রান্ড মাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিন জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

দেশে প্রতি বছর বসবে আন্তর্জাতিক দাবার আসর

দেশে প্রতি বছর বসবে আন্তর্জাতিক দাবার আসর

প্রধানমন্ত্রীর নামে কেন টুর্নামেন্ট, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকন্যা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খুব কমসংখ্যক নেতা আছেন, যারা ৩৮ বছর ধরে রাজনীতিতে আছেন। বাংলাদেশে গত ১২ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার শুরু হচ্ছে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’।

আয়োজনের পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত জানিয়েছেন, প্রতি বছরই হবে এ টুর্নামেন্ট।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধনের তিন দিন আগে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্‌, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম।

দেশে প্রতি বছর বসবে আন্তর্জাতিক দাবার আসর
বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত

প্রধানমন্ত্রীর নামে কেন টুর্নামেন্ট, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকন্যা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খুব কমসংখ্যক নেতা আছেন, যারা ৩৮ বছর ধরে রাজনীতিতে আছেন। বাংলাদেশে গত ১২ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য।’

তিনি বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে অনেক দেশে গিয়েছি। দেশের বাইরে তার জন্য যে সম্মান বা শ্রদ্ধা সেটা দেখেছি। তার নামে আয়োজিত একটি টুর্নামেন্টের অংশ হতে পেরে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ আনন্দিত।’

দাবার সঙ্গে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। সে জন্য তাদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা খুবই জরুরি।

‘দাবা এমনই একটি খেলা, যার মাধ্যমে মানসিক এবং শারীরিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়। দাবা যৌক্তিক, জ্ঞানভিত্তিক এবং মেধাভিত্তিক একটি খেলা। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মেধাভিত্তিক খেলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের উপমহাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় দাবা খেলায় এগিয়ে আছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দাবাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা একান্ত প্রয়োজন।

‘এ জন্যই আমরা এ রকম কঠিন সময়ে দাবায় অগ্রগতির লক্ষ্যে সামাজিক উন্নয়ন ও দেশের মানুষকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিকভাবে সরকার ও দেশকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এ রকম একটি উদ্যোগ নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার

‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’ টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত। টুর্নামেন্টটির নামকরণ এমন একজন নেতার নামে, যিনি নিজে একজন শান্তির প্রতীক, যিনি দেশের ও মানুষের উন্নতির জন্য তার পুরো জীবন আবেগ ও নিষ্ঠা নিয়ে পরিশ্রম করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো বিশ্বকে তার ‘মানবতার নেতৃত্ব’ দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছেন ও অসীম মমতায় আমাদের সবাইকে উৎসাহিত করেছেন নিজের দেশ ও জনগণের সেবা করার জন্য।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’। টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে সোমবার উদ্বোধন হবে আট দিনের এই টুর্নামেন্ট। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে হোটেল ৭১-এ।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গত বছর সেপ্টেম্বরে হয়েছিল জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অনলাইন দাবা টুর্নামেন্ট। ওই টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এবং সহসভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে গ্র্যান্ডমাস্টার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার। সে ঘোষণা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্ট।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্‌, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতার সাফল্য কামনা করেন। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত। টুর্নামেন্টটির নামকরণ এমন একজন নেতার নামে, যিনি নিজে একজন শান্তির প্রতীক, যিনি দেশের ও মানুষের উন্নতির জন্য তার পুরো জীবন আবেগ ও নিষ্ঠা নিয়ে পরিশ্রম করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো বিশ্বকে তার ‘মানবতার নেতৃত্ব’ দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছেন ও অসীম মমতায় আমাদের সবাইকে উৎসাহিত করেছেন নিজের দেশ ও জনগণের সেবা করার জন্য।”

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার
বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত

দাবা মূলত দার্শনিকদের খেলা মন্তব্য করে চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, “এটি জীবনের সঙ্গে জড়িত যেখানে দুটি পরিচ্ছন্ন মস্তিষ্ক কোনো পুরস্কারের জন্য নয় বরং ‘সম্মান’-এর জন্য লড়াই করে। এ কারণে আমাদের গত বছরের টুর্নামেন্টটিও সফল হয়েছে।”

তিনি বলেন, ‘কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, মানবতার জননীর প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই আয়োজন করা হয়েছে এই টুর্নামেন্ট। এই ইভেন্টটিকে এ বছর এবং সামনের বছরগুলোতে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’

আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ এরই মধ্যে বাংলাদেশে কানাডার মানের শিক্ষা প্রদান করে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিজেদের আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে আমরা কেবল শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত করার লক্ষ্য রাখছি না, এটি এমন একটি যাত্রা যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে উন্নত মানুষে পরিণত হতে শেখেন।

‘এ ছাড়াও তারা শিখবেন, শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অবস্থান নয় বরং এটি একটি অভ্যাস। দাবা অনুশীলন ও প্রশিক্ষণ উচ্চমানের ভাবনার দক্ষতা যেমন, সমস্যা সমাধান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমালোচনামূলক ভাবনা, পরিকল্পনা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশকে সমর্থন করে। এটি সাধারণ জ্ঞানীয় ক্ষমতা ও শিক্ষাগত অর্জনকে উন্নত করতে সহায়তা করে- বিশেষত কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির মতো একটি প্রায়োগিক শিক্ষার পরিবেশে।’

সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবউদ্দিন শামীম। প্রতিযোগিতা আয়োজনে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ায় তিনি দাবা ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা শুরু সোমবার

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিনজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন। বিদেশি খেলোয়াড়রা হচ্ছেন: গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ দাস গুপ্ত (ভারত), এহসান ঘাইম মাগামি (ইরান), মাসোউদ মোসাদেগপোর (ইরান), ভাদিম মালাখাটকো (বেলজিয়াম), অড্রে সুমেটস (ইউক্রেন), জুভারেভ আলেক্সান্ডার (ইউক্রেন) ও আলেক্সেই কিসলিনসি (চেক রিপাবলিক)।

আন্তর্জাতিক, ফিদে ও ক্যান্ডিডেট মাস্টারেরা হলেন শেখ মোহাম্মদ নুবাইর শাহ (ভারত), আবদিহাপার আসিলবেক (কিরগিজস্তান), মাহমুদ লোদি (পাকিস্তান), অরোক ঘোষ (ভারত), কোস্তোভ চ্যাটার্জি (ভারত), চক্রবর্তী রেড্ডি মেরেড্ডি (ভারত), মিত্রভা গুহ (ভারত), মোকশকুমার অমিতকুমার দোশি (ভারত), নিলাশ সাহা (ভারত), সামেদ সেকুয়ার সেটি (ভারত), সায়ন্তন দাস (ভারত), সোমক পালিত (ভারত), শ্রীজিত পাল (ভারত), শুভায়ন কুন্ডু (ভারত), সংকল্প গুপ্ত (ভারত), সংকেত চক্রবর্তী (ভারত), সৌরথ বিশ্বাস (ভারত), অরপিতা মুখার্জি (ডব্লিউআইএম, ভারত), লিয়ানাগে রানিদু দিলশান (সিএম, শ্রীলঙ্কা), সাসিথ নিপুন পিউমান্থা (এফএম, শ্রীলঙ্কা) এবং রুপেশ জসওয়াল (এফএম, নেপাল)।

দেশের পাঁচ গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব; তিন আন্তর্জাতিক মাস্টার আবু সফিয়ান শাকিল, মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান, দুই নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ ও শারমীন সুলতানা শিরিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

৯ রাউন্ড সুইস লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় এ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার, আন্তর্জাতিক মাস্টার, নারী গ্র্যান্ডমাস্টার ও নারী আন্তর্জাতিক মাস্টারের নর্ম অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় মোট নগদ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

এর মধ্যে মূল পুরস্কার থাকবে ১৩ হাজার মার্কিন ডলার (চ্যাম্পিয়ন ৪,০০০, রানার-আপ ২,৫০০, তৃতীয় ১,৫০০, চতুর্থ-১০০০, পঞ্চম ১০০০, ষষ্ঠ ১০০০, সপ্তম ১০০০, অষ্টম ১০০০ ডলার)।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য দুই হাজার মার্কিন ডলার- প্রথম ৭০০, দ্বিতীয় ৫০০, তৃতীয় ৪০০, চতুর্থ ২০০, পঞ্চম ২০০ ডলার পুরস্কার দেয়া হবে। ২০ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ৩টায় হোটেল ৭১-এ প্রতিযোগিতার খেলা শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

মেডভেডেভের চেয়ে রাডুকানুর জয় দেখেছেন বেশি দর্শক

মেডভেডেভের চেয়ে রাডুকানুর জয় দেখেছেন বেশি দর্শক

ইউএস ওপেন ট্রফি হাতে এমা রাডুকানু। ছবি: টুইটার

যুক্তরাষ্ট্রে নারী এককের ফাইনাল দেখেছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার টিভি দর্শক। আর পুরুষ এককের ফাইনাল টিভি সেটের সামনে উপভোগ করেন ২০ লাখ ৫০ হাজার দর্শক।

বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম ইউএস ওপেনের পুরুষদের চেয়ে নারী ফাইনালে দর্শক বেশি ছিল। ইএসপিএন ডেটা রিপোর্টস অনুযায়ী, এমা রাডুকানু ও লেয়লা ফার্নান্ডেজের মধ্যেকার নারী এককের ফাইনাল ম্যাচটিতে পুরুষ এককে ফাইনালে ডানিল মেডভেডেভ বনাম নোভাক জকোভিচ ম্যাচের চেয়ে বেশি টিভি দর্শক ছিল।

ইএসপিএন জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে নারী এককের ফাইনাল দেখেছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার টিভি দর্শক। আর পুরুষ এককের ফাইনাল টিভি সেটের সামনে উপভোগ করেন ২০ লাখ ৫০ হাজার দর্শক।

ইউএস ওপেনের নারী এককের ফাইনালে কানাডার লেয়লা ফার্নান্ডেসকে ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে নিজের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতে নেন ইংল্যান্ডের রাডুকানু।

১৯৭৭ সালে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর প্রথম বৃটিশ নারী হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতেন ১৮ বছরের এই তরুণ তারকা।

আর পুরুষ এককের ফাইনালে নোভাক জকোভিচকে সরাসরি ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ গেমে হারিয়ে মেডভেডেভ জিতে নেন ইউএস ওপেন।

রাডুকানু ও ফার্নান্ডেজের মধ্যেকার ম্যাচটি যে পরিমাণ দর্শক দেখেছেন সেটি সাধারণত টেনিস গ্রেট সেরিনা উইলিয়ামসের ইউএস ওপেনের ম্যাচের সময় থাকে।

সেরিনাকে ছাড়া এত দর্শকের ঘটনা এই প্রথম।

নারীদের খেলাধুলার প্রতি সাধারণ দর্শকের আগ্রহ বাড়ছে, তেমনটাই প্রমাণ করে এই ডেটা।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ফেডারেশনে নারী ও পুরুষ অ্যাথলিটের পারিশ্রমিকের বৈষম্য নিয়ে সোচ্চার নারী খেলোয়াড়রা।

দীর্ঘদিনের দাবির পর গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন (ইউএসএসএফ) নারী ও পুরুষ ফুটবলারদের চুক্তিতে পারিশ্রমিকের পরিমাণ সমান করে।

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

শুরু হচ্ছে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা

শুরু হচ্ছে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। এতে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ দাবা ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’। ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে উদ্বোধন হবে ৯ দিনের এই টুর্নামেন্ট। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে হোটেল ৭১-এ।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। এতে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ দাবা ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।

আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশসহ ১১টি দেশের দাবাড়ুরা অংশ নেবেন। বিদেশি ২৮ জনসহ বাংলাদেশের ৪০ দাবাড়ুর অংশ নেয়ার কথা রয়েছে এই আসরে।

তাদের মধ্যে গ্র্যান্ডমাস্টার রয়েছেন বেশ কয়েকজন।

লা মেরিডিয়ান হোটেলে ২৭ সেপ্টেম্বর বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হবে বিজয়ীদের।

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন

খেলোয়াড়দের কোটি টাকা সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

খেলোয়াড়দের কোটি টাকা সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। সহায়তা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত ফুটবলার বাদল রায়। তার স্ত্রী মাধুরী রায়ের হাতে ফ্ল্যাট ও ২৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

দেশের খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এক কোটি টাকারও বেশি অনুদান দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এক কোটি দশ লাখ টাকার চেক, সঞ্চয়পত্র ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

সহায়তা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত ফুটবলার বাদল রায়। তার স্ত্রী মাধুরী রায়ের হাতে ফ্ল্যাট ও ২৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সৌভাগ্যবান যে একজন ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। আমার জানা নেই, বিশ্বের আর কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো এতোটা ক্রীড়া অন্তঃপ্রাণ কি না।

‘প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে আমাদের ক্রীড়াঙ্গন। ক্রিকেট, আর্চারি, শুটিং, হকি, দাবা, সুইমিং ও ফুটবলসহ সকল খেলায় আমাদের খেলোয়াড়রা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একের পর এক সাফল্য নিয়ে আসছেন।’

যুব বিশ্বকাপজয় সহ দেশের কিছু অর্জন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছি। আমরা ধারাবাহিক ভাবে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় করছি। এসএ গেমসে রেকর্ড সংখ্যক স্বর্ণ পদক অর্জন করেছি।

‘আমাদের আর্চার রোমান সানা টোকিও অলিম্পিকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানেও তিনি ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। স্পেশাল অলিম্পিকেও আমরা ভালো করেছি।’

সাফল্যের ধারাবাহিকতাতে এই আর্থিক সহযোগিতা দেয়া হয়েছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুখে দুঃখে সবসময় খেলোয়াড়দের পাশে থাকেন। ক্রীড়ার উন্নয়নে বা যে কোনো খেলোয়াড় বা সংগঠকের কোনো সমস্যাতে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।’

আরও পড়ুন:
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে বাস্কেটবলের সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র
৪০০ মিটার হার্ডলসে বিশ্বরেকর্ড ওয়ারহোলমের
নারী ফুটবলে স্বর্ণের জন্য লড়বে সুইডেন-কানাডা

শেয়ার করুন