মুশফিক-তামিম-জামালদের ঈদশুভেচ্ছা

মুশফিক-তামিম-জামালদের ঈদশুভেচ্ছা

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান মুশফিকুর রহিম। ছবি: ফেসবুক

শুভেচ্ছা জানাতে সোশ্যাল মিডিয়াকেই বেছে নিয়েছেন তামিম-মুশফিক-জামাল ভূঁইয়ারা। প্রায় সব তারকাই শুভেচ্ছার সঙ্গে করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ভক্তদের।

ক্রীড়াপ্রেমী ও ভক্তদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ক্রীড়াজগতের তারকারা। শুভেচ্ছা জানাতে সোশ্যাল মিডিয়াকেই বেছে নিয়েছেন তামিম-মুশফিক-জামাল ভূঁইয়ারা। প্রায় সব তারকাই শুভেচ্ছার সঙ্গে করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ভক্তদের।

মা-বাবার অসুস্থতার জন্য জিম্বাবুয়ে সফর থেকে দেশে ফিরে আসা মুশফিকুর রহিম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সবাইকে।

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান লেখেন, ‘সবাইকে ঈদ মুবারক। সবাইকে খুশি ও আনন্দময় ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।’
এরপরই করোনা মহামারির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। লিখেছেন, ‘আমাদের দেশ এখনও মহামারির সঙ্গে লড়ছে, তাই সবাইকে নিরাপদে থেকে ও নিরাপত্তার নিয়ম মেনে উদযাপন করার অনুরোধ করছি। সুবিধাবঞ্চিতদের প্রতি আমরা সদয় হই ও তাদের সঙ্গেও আমাদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই।’

সবশেষে সাবেক টাইগার অধিনায়ক জানান যে তার মা-বাবা দুইজনই সুস্থ হয়ে উঠছেন। মুশফিক লেখেন, ‘আমার বাবা-মা সুস্থ হয়ে উঠছেন। আল্লাহকে ধন্যবাদ। যারা তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করেছেন ও খোঁজ নিয়েছেন তাদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আমার ও আমার পরিবারের জন্য আসলেই এটা অনেক কিছু। দোয়া করবেন আমাদের জন্য। ঈদ মুবারক।’

বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হকও ফেসবুকে ঈদ শুভেচ্ছা জানান। নিজের পেজে ছোট এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘সবাইকে ঈদ মুবারক। আল্লাহ আমাদের কোরবানি কবুল করুন।’

জিম্বাবুয়ে থেকে ওয়ানডে সিরিজ শেষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে দেশে ফিরে আসছেন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তৃতীয় ওয়ানডের পুরস্কার বিতরণীর সময়ে সবাইকে ঈদ মুবারক জানান তামিম।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে ঈদ পালন করছি। সবাইকে ঈদ মুবারক।’

বাংলাদেশের ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও ফেসবুক পোস্টে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সবাইকে।

জামাল ভূঁইয়া লেখেন, ‘সবাইকে ঈদ মুবারক। আপনার ও আপনার পরিবারকে আমার পক্ষ থেকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।’

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হোটেলের রুম ভাঙচুর করে জরিমানা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

হোটেলের রুম ভাঙচুর করে জরিমানা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ান রাগবি দল। ছবি: টুইটার

অলিম্পিক আয়োজক কমিটির এমন অভিযোগ মেনে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ক্ষমা চেয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে দেশটি।

এবার টোকিও অলিম্পিকসে বেশ উজ্জ্বল পারফরম্যান্স করছে অস্ট্রেলিয়া। এবার ১৭ স্বর্ণ নিয়ে শীর্ষ চারে আছে দেশটি। এমন অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মাতাল হয়ে টোকিওর হোটেলের ‍রুম ভাঙচুর করেছে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা।

এমনকি ফ্লাইটে করে ফেরার পথেও গণ্ডগোল করার মতো অভিযোগও এসেছে তাদের বিরুদ্ধে।

অলিম্পিক আয়োজক কমিটির এমন অভিযোগ মেনে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ক্ষমা চেয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে দেশটি।

অভিযোগে আয়োজক কমিটি জানায়, অলিম্পিকস ভিলেজে যেখানে খেলোয়াড়রা থাকেন সেখানে অস্ট্রেলিয়ার রাগবির খেলোয়াড়রা মাতাল হয়ে রুমের ক্ষতি করেছে। দেয়াল ছিদ্র করেছে। এই কর্মকাণ্ডগুলোকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে অস্ট্রেলিয়া বরাবর অভিযোগ পাঠানো হয়।

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার রাগবি দল। একইসঙ্গে ফ্লাইটের গণ্ডগোল নিয়ে করা অভিযোগের বিপরীতে ক্ষমা চেয়ে অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিকস রাগবি দল।

এক বিবৃতিতে ক্ষমা প্রার্থনা করে রাগবি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি মারিনোস বলেন, ‘এই ব্যবহার একেবারে অগ্রহণযোগ্য। অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের কাছে এটা আশা করা যায় না।’

এই কাজের জন্য রাগবি খেলোয়াড়দের সতর্ক করা হয়েছে। দেশে ফিরে কাউন্সেলিংয়ের আওতায় খেলোয়াড়দের নেয়া হবে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।

রুম হোটেলে ভাঙচুরের দিনে ফিজির কাছে ১৯-০ পয়েন্টে হারে অস্ট্রেলিয়া রাগবি দল।

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

৪০০ মিটারের স্বর্ণে নাম লেখালেন বাহামার গারডিনার

৪০০ মিটারের স্বর্ণে নাম লেখালেন বাহামার গারডিনার

৪০০ মিটার জেতার পর পতাকা হাতে গারডিনার। ছবি: এএফপি

বৃহস্পতিবার অ্যাথলেটিকসের সব আলো কেড়ে নিলেন গারডিনার। পুরো ট্র্যাক একবার দৌঁড়ানোর এই ইভেন্টে ৪৩.৮৫ সেকেন্ড টাইমিং করে স্বর্ণ জেতেন এই স্প্রিন্টার।

ফেভারিট হিসেবে শুরু করে টোকিও অলিম্পিকসে ৪০০ মিটার মিটে স্বর্ণ জিতলেন স্টিভেন গারডিনার। রিও অলিম্পিকসের পর নিজের রাজত্ব ধরে রাখলেন দ্বীপরাষ্ট্র বাহামার এই স্প্রিন্টার।

২৫ বছর বয়সী বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের হাতেই উঠল স্বর্ণ।

বৃহস্পতিবার অ্যাথলেটিকসের সব আলো কেড়ে নিলেন গারডিনার। পুরো ট্র্যাক একবার দৌঁড়ানোর এই ইভেন্টে ৪৩.৮৫ সেকেন্ড টাইমিং করে স্বর্ণ জেতেন এই স্প্রিন্টার।

সিলভার ও ব্রোঞ্জ দুটিই আসে ৪৪ সেকেন্ডের ঘরে। ৪৪.০৮ সেকেন্ড টাইমিং করে সিলভার জেতেন কলম্বিয়ার আন্থনি সামব্রানো।

২০১২ সালের চ্যাম্পিয়ন ও ২০১৬ সালের সিলভার পদকজয়ী গ্রেনাডার কিরানি জেমস ৪৪.১৯ সেকেন্ড টাইমিং করে ব্রোঞ্জ জেতেন।

৪০০ মিটারে ৪ বছর নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন স্বর্ণজয়ী গারডিনার।

২০১৭ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পর এখনও কোনো রেস হারেননি এই স্প্রিন্টার।

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন ১০ জন

শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন ১০ জন

পুরস্কার নেয়ার সময় ক্রীড়াবিদরা। ছবি: সংগৃহীত

আজীবন সম্মাননা বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ক্রীড়াবিদ হিসেবে পেয়েছেন রোমান সানা, মাহফুজা খাতুন শিলা ও মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মনজুর কাদের ও কারাতে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্য শৈহ্ন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বাংলাদেশে আধুনিক ক্রীড়ার পথিকৃত শহীদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচিতে পালন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শেখ কামাল মিলনায়তনে শেখ কামালের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের ওপর ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার ২০২১ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ কামালের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ ও ক্রীড়াঙ্গনে তার অসামান্য অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবারই প্রথম শুরু করে এই পুরস্কার। ৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেয়া হয়।

আজীবন সম্মাননা বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ক্রীড়াবিদ হিসেবে পেয়েছেন রোমান সানা, মাহফুজা খাতুন শিলা ও মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মনজুর কাদের ও কারাতে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্য শৈহ্ন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

উদীয়মান ক্রীড়াবিদের পুরস্কার গ্রহণ করেন যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের অধিনায়ক আকবর আলি, দাবারু ফাহাদ রহমান ও নারী ফুটবলার উন্নতি খাতুন। সেরা ফেডারেশনের পুরস্কার পায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। অভিজ্ঞ ক্রীড়া সাংবাদিক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান পান এই পুরস্কার। সেরা পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করে ওয়ালটন।

শেখ কামালের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন শেখ কামালের ঘনিষ্ঠজন, বন্ধু ও সহযোদ্ধারা।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশীদ, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ক্রীড়া সংগঠক ও ম্যানেজার তানভীর মাজহার ইসলাম তান্না।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আখতার হোসেন। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন শেখ কামাল। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ছাত্র রাজনীতি, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলার মাঠ থেকে নাটকের মঞ্চ-সর্বত্র ছিল তার দীপ্ত উপস্থিতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেট তার শারীরিক মৃত্যু ঘটিয়েছে। কিন্তু তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে আছেন এ দেশের ক্রীড়ায়, সংস্কৃতিতে, সংগীতে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শহীদ শেখ কামাল তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনিঃশেষ উৎস। আমার বিশ্বাস, তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।’

আলোচনা অনুষ্ঠানে শেখ কামালকে নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত ‘শেখ কামাল: উত্তাল তারুণ্যের নাবিক’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘চিরতারুণ্যের প্রতীক অনন্য শেখ কামাল’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুর ১২:৩০ টায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক সারাদেশে এক লাখ চারাগাছ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

শহীদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৯টায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিনিয়র সচিব মো: আখতার হোসেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর ধানমন্ডির আবাহনী ক্লাব মাঠে শহীদ শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে ও বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ কামালের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি ।

১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শেখ কামাল। এবারই প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে নানা আয়োজনে তার জন্মদিন উদযাপন করছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

৪১ বছর পর হকিতে পদক ভারতের

৪১ বছর পর হকিতে পদক ভারতের

৪১ বছর পর পদকের দেখা পেল ভারত হকি দল। ছবি: সংগৃহীত

তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে জার্মানিকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক এনে দেন দেশকে। ১৯৮০ সালের পর প্রথম অলিম্পিকস হকিতে পদক পেল ভারত।

একটা সময় ছিল, যখন অলিম্পিকসের হকি ইভেন্টে অনেকটা পূর্বনির্ধারিত ছিল যে স্বর্ণপদকটি যাবে ভারতের ঝুলিতে। ১৯২৮ থেকে ১৯৮০। এই সময়টাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে অলিম্পিকসের ১২টি আসর। আর এই ১২ টি আসরের ভেতর ৮টি আসরেই হকিতে স্বর্ণপদক জিতেছিল ভারত।

১৯৮০ সালের পর থেকেই বদলদে যায় দৃশ্যপট। যেই হকিতে অলিখিত স্বর্ণপদকজয়ী হিসেবে ধরা হত ভারতকে সেই ভারত হারিয়ে বসে নিজেদের। ২০২১ পর্যন্ত এই ইভেন্টে দেখা পায়নি কোনো পদকের।

অবশেষে ফুরাল সেই অপেক্ষার প্রহর। কাটল ভারতের হকিতে ৪১ বছরের পদক খরা। বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক এই কীর্তি স্থাপন করেন মনপ্রিত সিং, সিমরানজিতরা। তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে জার্মানিকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক এনে দেন দেশকে।

জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পরে ভারত। ১-০তে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই ভারতকে সমতায় ফেরান সিমরানজিত।

দ্বিতীয় কোয়ার্টারেই পরপর দুই গোলে এগিয়ে ফের এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানি। বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকা সম্ভব হয়নি তাদের। দ্রুতই দলকে সমতায় ফেরান ভারতের হার্দিক সিং ও হারমানপ্রিত সিং। ৩-৩ সমতায় শেষ হয় দ্বিতীয় কোয়ার্টার।

তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই পেনাল্টি পায় ভারত। সেখান থেকে গোল করে দলকে প্রথমবারের মতো এগিয়ে দেন রুপিন্দর পাল। কিছু পরেই জার্মানির পোস্টে ফের আঘান হানেন হারমানপ্রিত। তার গোলের বদৌলতে ৫-৩ এ লিড নিয়ে তৃতীয় কোয়ার্টার শেষ করে ভারত।

চতুর্থ কোয়ার্টারে এসে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। লুকাস ভিন্ডফিডার একটি গোল শোধ করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ৫-৪ গোলের জয় ও ৪১ বছরের খরা কাটানো পদক নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ভারত।

হকির এই ইভেন্টের স্বর্ণপদক গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ঝুলিতে আর রৌপ্য পেয়েছে বেলজিয়াম।

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

বোল্ট যুগের পর নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল অলিম্পিকস

বোল্ট যুগের পর নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল অলিম্পিকস

২০০ মিটার স্প্রিন্ট জেতার পর দেশের পতাকা হাতে কানাডার স্প্রিন্টার আন্ড্রে ডি গ্রাস। ছবি: এএফপি

১৯.৬২ সেকেন্ড টাইমিং নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর স্বর্ণ জেতেন এই কানাডিয়ান। এই জয়ে ব্যক্তিগত ও কানাডার জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছেন গ্রাস।

ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের ১০০ মিটারের পর এবার ২০০ মিটারে নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখল টোকিও অলিম্পিকস। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর স্প্রিন্টারকে হারিয়ে এই ইভেন্টে স্বর্ণ বগলদাবা করেছেন কানাডার আন্ড্রে ডি গ্রাস।

বুধবার ১৯.৬২ সেকেন্ড টাইমিং নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর স্বর্ণ জেতেন এই কানাডিয়ান। এই জয়ে ব্যক্তিগত ও কানাডার জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছেন গ্রাস।

একই ইভেন্টে ১৯.৬৮ সেকেন্ড টাইমিং করে রৌপ্য পদক জেতেন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেথ বেডনারেক। ১৯.৭৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ পান স্বদেশী নোয়াহ লাইলেস।

এর মধ্য দিয়ে এই ইভেন্টে বিশ্বরেকর্ডধারী উসাইন বোল্টের ১৩ বছরের রাজত্ব শেষে নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল অলিম্পিকস।

এবার দুর্দান্ত পারফর্ম করা বিশ্ব সেরা স্প্রিন্টাররা ফাইনালে পৌঁছান। রেসে অংশ নেন বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের ১, ২, ৫ ও ৬ নম্বর অবস্থানে থাকা চার স্প্রিন্টার।

বোল্টের অধ্যায় শেষে ২০০৪ সালের পর নতুন চ্যাম্পিয়ন কে হতে চলেছেন তার দিকেই চেয়েছিল বিশ্ব।

বাঁশি বাজল। রেস শুরু হলো। এগিয়ে লাইলেস। পেছন থেকে তাকে ছাড়িয়ে যান গ্রাস। অলিম্পিকসে ২০০ মিটারে নতুন চ্যাম্পিয়নের মুকুট পড়েন এই কানাডিয়ান।

টোকিওতে ১০০ মিটার স্প্রিন্ট জিতেছেন ইতালির মার্সেল জ্যাকবস। তিনি ২০০ মিটারে অংশ নেননি।

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

‘গুরুর’ পথ অনুসরণ করে ‘শিষ্যের’ স্বর্ণ

‘গুরুর’ পথ অনুসরণ করে ‘শিষ্যের’ স্বর্ণ

৮০০ মিটারে স্বর্ণ জয়ের পর এমানুয়েল কোরির। ছবি: এএফপি

১ মিনিট ৪৫.০৬ সেকেন্ড টাইমিং করে স্বর্ণ জেতেন কেনিয়ার ইমানুয়েল কোরির। ১ মিনিট ৪৫.২৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে রৌপ্য পদক জেতেন একই দেশের ফার্গুসন রটিচ। আর ১ মিনিট ৪৫.৩৯ সেকেন্ড টাইমিং করে ব্রোঞ্জ জেতেন পোল্যান্ডের প্যাট্রিক ডোবেক।

কেনিয়ায় থেকে গেল ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের ৮০০ মিটার ডিসিপ্লিনের স্বর্ণ। রিও ও লন্ডন অলিম্পিকসে এই মিটে স্বর্ণ জিতেছিলেন কেনিয়ার স্প্রিন্টার ডেভিড রুডিশা।

এবার ইনজুরির কারণে টোকিও অলিম্পিকসে অংশ নেয়া হয়নি দুই বারের চ্যাম্পিয়ন এই কেনিয়ানের।

রুডিশার পথ অনুসরণ করে তারই দেশের ইমানুয়েল কোরির এনে দিলেন স্বর্ণ।

বুধবার ১ মিনিট ৪৫.০৬ সেকেন্ড টাইমিং করে স্বর্ণ জেতেন কেনিয়ার এই স্প্রিন্টার। ১ মিনিট ৪৫.২৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে রৌপ্য পদক জেতেন একই দেশের ফার্গুসন রটিচ। আর ১ মিনিট ৪৫.৩৯ সেকেন্ড টাইমিং করে ব্রোঞ্জ জেতেন পোল্যান্ডের প্যাট্রিক ডোবেক।

ইভেন্ট জিতলেও রুডিশার বিশ্বরেকর্ড ভাঙা হয়নি কোরির। রুডিশা লন্ডন অলিম্পিকসে এই ইভেন্টে ১ মিনিট ৪০.৯১ সেকেন্ড টাইমিং করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।

জয়ের পর কোরিরকে অভিনন্দন জানিয়ে রুডিশা এই টুইট বার্তায় লেখেন, ‘কেনিয়ায় পদক ফিরল। আমরা টানা চার অলিম্পিকস আসরে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড অব্যাহত রেখেছি। অভিনন্দন কোরির ও ফার্গুসন রটিচ।’

টোকিও অলিম্পিকস জয়ের পর নিজের লক্ষ্য নিয়ে জানালেন কোরির, ‘আমি ৪০০ মিটারে খেলা চালিয়ে যাব। ৪৩ সেকেন্ডের মধ্যে রেস শেষ করতে চাই। সেজন্য আমি নিজের সেরাটা চেষ্টা করব। ৮০০ মিটারে ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে শেষ করতে চাই। সেটা আমার জন্য অনেক খুশির মুহূর্ত হবে।’

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন

হার্ভার্ড থেকে টোকিওর ট্র্যাকে

হার্ভার্ড থেকে টোকিওর ট্র্যাকে

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট গ্যাব্রিয়েলা টমাস অলিম্পিকসে জিতেছেন ব্রোঞ্জ। ছবি: টুইটার

টোকিও অলিম্পিকসের ২০০ মিটার স্প্রিন্টে ব্রোঞ্জ জয় করা যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাব্রিয়েলা টমসন, হার্ভার্ডের নিউরো-বায়োলজির গ্র্যাজুয়েট। এখন মাস্টার্স করছেন ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের এপিডেমিওলজিতে।

টোকিও অলিম্পিকসে অন্যতম সেরা ইভেন্ট ২০০ মিটারের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় বুধবার। আধুনিক সময়ের অলিম্পিক গ্রেট জ্যামাইকার এলেইন টমসনের দৌঁড় দেখতে মুখিয়ে ছিল পুরো বিশ্ব।

পুরো বিশ্বের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের বিখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির হোস্টেলেও ভোরে উঠে পড়েন ছাত্র-ছাত্রীরা। তাদের চোখ অবশ্য বিশ্বসেরা তারকা এলেইন টমসনের দিকে ছিল না।

তারা অপেক্ষায় ছিলেন প্রিয় সতীর্থ গ্যাব্রিয়েলা টমাসের জন্য। করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে অনেকে একসঙ্গে বন্ধুর খেলা উপভোগ করার জন্যে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন।

বন্ধুদের হতাশ করেননি টমসন। ২১.৮৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ২০০ মিটারে ব্রোঞ্জ জিতে নেন ২৪ বছর বয়সী এই আমেরিকান।

এলেইন টমসনের সঙ্গে স্বর্ণের দৌঁড়ে পেরে না উঠলেও পেছনে ফেলেন আরেক জ্যামাইকান গ্রেট শেলি অ্যান ফ্রেজার-প্রাইসকে।

টমাসের এই সাফল্যের উদযাপন শুধু টোকিওতেই নয়, শুরু হয় ম্যাসাচুসেটসের হার্ভার্ডেও। যারা দুই বছর আগেও টমাসের সঙ্গে এক রুমে থাকতেন সেই বন্ধু-বান্ধবীরা মেতে ওঠেন উচ্ছ্বাসে।

পড়াশোনার পাশাপাশি অলিম্পিকস ট্র্যাকেও যে হার্ভার্ডের নাম উজ্জ্বল করছে তাদের প্রিয় ‘গ্যাবি’।

হার্ভার্ড থেকে টোকিওর ট্র্যাকে

১৯৯৬ সালে আটলান্টার জর্জিয়ায় জন্ম নেওয়া গ্যাব্রিয়েলা টমাসের ছোট থেকেই পড়াশোনার দিকে মন। জ্যামাইকান বাবা আর আমেরিকান মায়ের এক মেয়ে গ্যাবি। বড় হলে হয় ডাক্তার হবে না হলে প্রফেসর, এমনটা ভেবে নিয়েছিলেন সবাই।

তেমন ভাবাটাই ছিল স্বাভাবিক। গ্যাবির মা জেনিফার র‍্যান্ডল নিজেই ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি থেকে এজুকেশন অ্যান্ড সাইকোমেট্রিকসের ওপর পিএইচডি করে শিক্ষকতা করছেন।

পড়াশোনা বেশ ভালোই যাচ্ছিল টমসনের। হঠাৎ করেই টিভিতে একদিন দেখেন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা স্প্রিন্টার অ্যালিসন ফিলিক্সের দৌঁড়। ২০০৫ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও ২০১২ সালের অলিম্পিকস চ্যাম্পিয়ন ফিলিক্সের দৌঁড় দেখেই প্রথম তার ট্র্যাকে নামার সাধ জাগে।

হাই স্কুলে থাকতে দৌঁড়কে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেন টমসন। জিতে নেন তার বয়স কোটার সবগুলো রেস। স্টেট পর্যায় থেকে পৌঁছে যান জাতীয় পর্যায়ে। নজরে আসেন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের।

ততদিনে বিখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে গেছেন টমসন। ক্লাস, পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্টের চাপে ট্র্যাক ছাড়েননি। হার্ভার্ডের চার বছরে মোট ২২টি রেস জেতেন তিনি।

২০২০ সালে নিউরোবায়োলজি ও গ্লোবাল হেলথে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন তিনি। যোগ দেন জাতীয় দলের ট্রেনিং ক্যাম্পে।

অলিম্পিকসের প্রস্তুতি শুরু হয় তখন থেকেই। নিজ দেশের হয়ে ট্রায়ালে দ্বিতীয় দ্রুততম ছিলেন টমসন। আর অলিম্পিকসের ২০০ মিটারে যুক্তরাষ্ট্রের স্প্রিন্টারদের মধ্যে হলেন প্রথম।

টোকিও থেকে বাড়ি ফিরে আপাতত ট্র্যাক থেকে ছুটি নেবেন কয়েকদিন। বিশ্রামের পাশাপাশি আবারও যে শুরু করতে হবে পড়াশোনা।

ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের এপিডেমিওলজিতে মাস্টার্স করছেন টমসন। পিএইচডিও করতে চান একই বিষয়ে।

অলিম্পিকসে সুযোগ পেয়ে বলেছিলেন জীবনে তার স্বপ্ন অনেক বড় ট্র্যাকে সেরা হওয়ার পাশাপাশি পড়াশোনাতেও কিছু করে দেখানো।

ঠিক পথেই এগুচ্ছেন টমসন। ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, পরীক্ষা আর ট্র্যাকে উল্কার বেগে ছোটা, সব কিছু মিলিয়েই সাফল্যের দিকে ছুটছে তার জীবন।

আরও পড়ুন:
টেন্ডুলকার-কোহলির পর সাকিব
রানের পাহাড় টপকে জিম্বাবুয়েকে ক্লিন সুইপ
বড় রান তাড়ায় তামিমের সেঞ্চুরি

শেয়ার করুন