আজকের খেলা

আজকের খেলা

ইউরো ২০২০ সেমিফাইনাল

ইতালি বনাম স্পেন - রাত ১টা


কোপা আমেরিকা

আর্জেন্টিনা বনাম কলম্বিয়া - সকাল ৭টা

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেডভেডেভের চেয়ে রাডুকানুর জয় দেখেছেন বেশি দর্শক

মেডভেডেভের চেয়ে রাডুকানুর জয় দেখেছেন বেশি দর্শক

ইউএস ওপেন ট্রফি হাতে এমা রাডুকানু। ছবি: টুইটার

যুক্তরাষ্ট্রে নারী এককের ফাইনাল দেখেছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার টিভি দর্শক। আর পুরুষ এককের ফাইনাল টিভি সেটের সামনে উপভোগ করেন ২০ লাখ ৫০ হাজার দর্শক।

বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম ইউএস ওপেনের পুরুষদের চেয়ে নারী ফাইনালে দর্শক বেশি ছিল। ইএসপিএন ডেটা রিপোর্টস অনুযায়ী, এমা রাডুকানু ও লেয়লা ফার্নান্ডেজের মধ্যেকার নারী এককের ফাইনাল ম্যাচটিতে পুরুষ এককে ফাইনালে ডানিল মেডভেডেভ বনাম নোভাক জকোভিচ ম্যাচের চেয়ে বেশি টিভি দর্শক ছিল।

ইএসপিএন জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে নারী এককের ফাইনাল দেখেছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার টিভি দর্শক। আর পুরুষ এককের ফাইনাল টিভি সেটের সামনে উপভোগ করেন ২০ লাখ ৫০ হাজার দর্শক।

ইউএস ওপেনের নারী এককের ফাইনালে কানাডার লেয়লা ফার্নান্ডেসকে ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে নিজের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতে নেন ইংল্যান্ডের রাডুকানু।

১৯৭৭ সালে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর প্রথম বৃটিশ নারী হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতেন ১৮ বছরের এই তরুণ তারকা।

আর পুরুষ এককের ফাইনালে নোভাক জকোভিচকে সরাসরি ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ গেমে হারিয়ে মেডভেডেভ জিতে নেন ইউএস ওপেন।

রাডুকানু ও ফার্নান্ডেজের মধ্যেকার ম্যাচটি যে পরিমাণ দর্শক দেখেছেন সেটি সাধারণত টেনিস গ্রেট সেরিনা উইলিয়ামসের ইউএস ওপেনের ম্যাচের সময় থাকে।

সেরিনাকে ছাড়া এত দর্শকের ঘটনা এই প্রথম।

নারীদের খেলাধুলার প্রতি সাধারণ দর্শকের আগ্রহ বাড়ছে, তেমনটাই প্রমাণ করে এই ডেটা।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ফেডারেশনে নারী ও পুরুষ অ্যাথলিটের পারিশ্রমিকের বৈষম্য নিয়ে সোচ্চার নারী খেলোয়াড়রা।

দীর্ঘদিনের দাবির পর গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন (ইউএসএসএফ) নারী ও পুরুষ ফুটবলারদের চুক্তিতে পারিশ্রমিকের পরিমাণ সমান করে।

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

শুরু হচ্ছে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা

শুরু হচ্ছে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। এতে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ দাবা ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা’। ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে উদ্বোধন হবে ৯ দিনের এই টুর্নামেন্ট। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে হোটেল ৭১-এ।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজন করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। এতে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ দাবা ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।

আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশসহ ১১টি দেশের দাবাড়ুরা অংশ নেবেন। বিদেশি ২৮ জনসহ বাংলাদেশের ৪০ দাবাড়ুর অংশ নেয়ার কথা রয়েছে এই আসরে।

তাদের মধ্যে গ্র্যান্ডমাস্টার রয়েছেন বেশ কয়েকজন।

লা মেরিডিয়ান হোটেলে ২৭ সেপ্টেম্বর বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হবে বিজয়ীদের।

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

খেলোয়াড়দের কোটি টাকা সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

খেলোয়াড়দের কোটি টাকা সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। সহায়তা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত ফুটবলার বাদল রায়। তার স্ত্রী মাধুরী রায়ের হাতে ফ্ল্যাট ও ২৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

দেশের খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এক কোটি টাকারও বেশি অনুদান দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এক কোটি দশ লাখ টাকার চেক, সঞ্চয়পত্র ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

সহায়তা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত ফুটবলার বাদল রায়। তার স্ত্রী মাধুরী রায়ের হাতে ফ্ল্যাট ও ২৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সৌভাগ্যবান যে একজন ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। আমার জানা নেই, বিশ্বের আর কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো এতোটা ক্রীড়া অন্তঃপ্রাণ কি না।

‘প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে আমাদের ক্রীড়াঙ্গন। ক্রিকেট, আর্চারি, শুটিং, হকি, দাবা, সুইমিং ও ফুটবলসহ সকল খেলায় আমাদের খেলোয়াড়রা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একের পর এক সাফল্য নিয়ে আসছেন।’

যুব বিশ্বকাপজয় সহ দেশের কিছু অর্জন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছি। আমরা ধারাবাহিক ভাবে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় করছি। এসএ গেমসে রেকর্ড সংখ্যক স্বর্ণ পদক অর্জন করেছি।

‘আমাদের আর্চার রোমান সানা টোকিও অলিম্পিকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানেও তিনি ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। স্পেশাল অলিম্পিকেও আমরা ভালো করেছি।’

সাফল্যের ধারাবাহিকতাতে এই আর্থিক সহযোগিতা দেয়া হয়েছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুখে দুঃখে সবসময় খেলোয়াড়দের পাশে থাকেন। ক্রীড়ার উন্নয়নে বা যে কোনো খেলোয়াড় বা সংগঠকের কোনো সমস্যাতে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।’

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ

জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ

ইউএস ওপেনের শিরোপা হাতে ডানিল মেডভেডেভ। ছবি: এএফপি

৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ গেমে সরাসরি জকোভিচকে হারিয়ে মেডভেডেভ জিতে নেন বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম শিরোপা। এটা মেডভেডেভের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম ট্রফি।

এই বছরের আগের তিন গ্র্যান্ডস্ল্যামের পরিচিত দৃশ্য ছিল দুই সপ্তাহের টেনিসের পর শিরোপা উঁচিয়ে ধরছেন নোভাক জকোভিচ। মেলবোর্ন, লন্ডন, প্যারিস কোনো জায়গাতে এর ব্যতিক্রম হয়নি।

নিউ ইয়র্কের ইউএস ওপেনেও সবাই একই প্রত্যাশায় ছিলেন। জকোভিচ ফাইনাল জিতবেন ও ছাড়িয়ে যাবেন সর্বকালের সেরা তালিকায় থাকা রজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদালের ২০ গ্র্যান্ডস্ল্যামের সংগ্রহকে।

সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ফাইনালে পৌঁছে যান বিশ্বের ১ নম্বর টেনিস তারকা।

এরপরই হলো অঘটন। শিরোপা জয়ের ম্যাচে হেরে বসলেন ২০ গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ী জকোভিচ।

সার্বিয়ান গ্রেটকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ের স্বাদ নিলেন রাশিয়ার ডানিল মেডভেডেভ।

বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে জকোভিচের কাছে হেরে শিরোপা হারান ২৫ বছরের এ রাশিয়ান।

ইউএস ওপেনে যেন নিলেন তার প্রতিশোধ। ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ গেমে সরাসরি জকোভিচকে হারিয়ে জিতে নেন বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম শিরোপা।

এটা মেডভেডেভের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম ট্রফি। ইয়েফগেনি কাফেলনিকভ ও মারাত সাফিনের পর তৃতীয় রাশিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতলেন তিনি।

ম্যাচ শেষে ট্রফি হাতে নিয়ে মেডভেডেভ প্রথমে শুভেচ্ছা ও সান্ত্বনা জানান জকোভিচকে।

বলেন, ‘নোভাকের জন্য আমার খারাপ লাগছে। আমি ভাবতেও পারছি না সে কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্যানদের জন্যও খারাপ লাগছে। আমরা সবাই জানতাম সে কিসের অপেক্ষায় ছিল। তারপরও আপনি যা অর্জন করেছেন ক্যারিয়ারে আমার কাছেই সর্বকালের সেরা।’

বছরের তিনটি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতা জকোভিচ ক্যালেন্ডার স্ল্যামের লক্ষ্যে নেমেছিলেন ইউএস ওপেনে। তার আগে সবশেষ ১৯৬৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার রড লেভার একই বছর সব গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছিলেন।

লেভারের কীর্তি ছুঁতে না পেরে বেশ হতাশ ছিলেন ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান। তবে বিজয়ীকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি এই সার্বিয়ান।

জকোভিচ বলেন, ‘ডানিলকে শুভেচ্ছা। দারুণ ম্যাচ ছিল। এই মুহূর্তে শিরোপার দাবিদার তোমার চেয়ে বেশি কেউ নেই। আমি আসলে বেশ স্বস্তিতে আছি কারণ এটা শেষ হলো। টুর্নামেন্টটা যে প্রত্যাশায় শুরু হয়েছিল, সেটার চাপ মানসিক ও শারীরিকভাবে নেয়াটা আসলেই কঠিন ছিল।’

২০২২ সালে জকোভিচ, ফেডেরার ও নাদাল তিনজনই শুরু করবেন ২০টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম নিয়ে

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

ইউএস ওপেনে রাডুকানুর ইতিহাস

ইউএস ওপেন ট্রফি হাতে ইংল্যান্ডের এমা রাডুকানু। ছবি: এএফপি

লেয়লা ফার্নান্ডেসকে ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে নিজের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতে নেন রাডুকানু। ১৯৭৭ সালে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর প্রথম বৃটিশ নারী হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন ১৮ বছরের এই তরুণ তারকা।

ইউএস ওপেনে যখন এবার খেলতে নামেন এমা রাডুকানু তখন তার বিশ্ব র‍্যাংকিং ১৫০। বাছাই তালিকায় ছিলেন না তিনি। কোয়ালিফাইং রাউন্ড খেলে সুযোগ পান মূল পর্বে। অথচ ১৭ দিন পর তার হাতেই শোভা পাচ্ছে বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম।

ফ্ল্যাশিং মিডোজের ফাইনালে কানাডার লেয়লা ফার্নান্ডেসকে সরাসরি সেটে হারিয়ে সেরিনা উইলিয়ামসের পর সর্বকনিষ্ঠ স্ল্যামজয়ী তারকা বনে যান রাডুকানু। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭৭ সালে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর প্রথম বৃটিশ নারী হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন ১৮ বছরের এই তরুণ তারকা।

তিনটি কোয়ালিফাইং ম্যাচের পর টুর্নামেন্টের ফাইনাল পর্যন্ত কোনো সেট হারেননি রাডুকানু। রোমানিয়ান বাবা ও চীনা মায়ের সন্তান রাডুকানুর জন্ম কানাডায়। কিন্তু বেড়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডে। ফলে এখন বৃটিশদের গর্ব এই টিনেজার।

ইউএস ওপেনের ফাইনালে আরেক টিনেজার লেয়লা ফার্নান্ডেস টুর্নামেন্টে খ্যাতি পান জায়ান্ট কিলার হিসেবে। নেওমি ওসাকা, অ্যাঞ্জেলিক কেরবারদের মতো ঝানুদের হারিয়ে ফাইনালে ওঠা ১৯ বছরের লেয়লা ও ১৮ বছরের রাডুকানুকে ধরা হচ্ছে এখন নারী টেনিসের ভবিষ্যৎ।

দুই ভবিষ্যৎ তারকার শিরোপার লড়াইটা হয়েছে একপেশে। টুর্নামেন্টে নিজের ছন্দ ধরে রেখে ৬-৩, ৬-৪ গেমে ম্যাচ এবং নিজের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতে নেন রাডুকানু।

সেরিনা উইলিয়ামস ১৯৯৯ সালে যখন ইউএস ওপেন জেতেন তখন তার বয়স ছিল ১৮। ২২ বছর পর রাডুকানু ১৮ বছর বয়সে জিতলেন গ্র্যান্ডস্ল্যাম।

ম্যাচ শেষে রাডুকানু জানান স্কোরলাইন দেখে যেমনটা মনে হচ্ছে ততটা সহজ ছিল না ম্যাচ।

তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম শেষ পর্যন্ত লেগে থাকতে হবে। খুবই কঠিন একটা ম্যাচ ছিল। খুবই সেরা পর্যায়ের টেনিস ছিল। আমাকে সেরা খেলাটাই খেলতে হয়েছে।’

এই তরুণ তারকার সাফল্যে ভাসছে গোটা ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের রানি এলিজাবেথ স্বয়ং তাকে শভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক বার্তায় রানি বলেন, ‘এত অল্প বয়সে দারুণ এক অর্জন। এটা আপনার পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফসল।’

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

পদ্মার পাড়ে হচ্ছে শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম

পদ্মার পাড়ে হচ্ছে শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম

স্টেডিয়ামের জন্য প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। ছবি: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীর পাড়ে নতুন এক স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

দেশে স্টেডিয়ামের অভাবের সময়ে তৈরি হচ্ছে আরেকটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীর পাড়ে নতুন এক স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হবে।

শনিবার বিকেলে স্টেডিয়ামের জন্য প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করে এ কথা জানিয়েছেন জাহিদ আহসান রাসেল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক মানিকগঞ্জে নির্মিত হতে যাচ্ছে ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি। বছর দুয়েক ধরে এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের মাধ্যমে শুরু হলো এর আনুষ্ঠানিকতা।

মানিকগঞ্জ-পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ডান দিকে পদ্মা রিভারভিউ রিসোর্টের পেছনের একটি জমি বাছাই করা হয়েছে স্টেডিয়াম বানানোর জন্য।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নামে নামকরণ করা হবে স্টেডিয়ামটির।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মানিকগঞ্জে একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরির ব্যাপারে। সে অনুযায়ী আমরা কাজ শুরু করেছি। আগেই শুরু হয়েছিল, মাঝে করোনার জন্য থেমে যায়। ফিজিক্যালি পরিদর্শনের পর টেকনিক্যাল টিমের কাজ শুরু হবে শিগগিরই।

‘এরই মধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আশা করছি এক সপ্তাহের মধ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য ওয়ার্ক অর্ডার দিতে পারব।’

চলতি অর্থবছরই কাজ শুরুর আশা ব্যক্ত করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘টেকনিক্যাল টিমের পরিদর্শনে বিভিন্ন ধরনের সমীক্ষা হয়। মাটি উপযুক্ত কিনা, কত নিচে যেতে হবে এসব পরীক্ষার পর করতে হয়। সাধারণত এটার জন্য তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে জায়গা অনুযায়ী।

‘যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প, উনি নিজে ঘোষণা করেছেন। আমরা চেষ্টা করব এ অর্থবছরই যেন স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজ শুরু করতে পারি। ফিজিক্যাল স্টাডির জন্য আমরা এরই মধ্যে প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।’

স্টেডিয়ামে অত্যাধুনিক ডরমিটরিসহ আন্তর্জাতিক মানের সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি করার পর যদি এখানে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হয় তবে ২৫ একর জমির উপর একটি আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ন স্টেডিয়াম নির্মাণ করার প্রাথমিক চিন্তা করেছি।’

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী পদ্মা রিভারভিউ রিসোর্ট প্রাঙ্গনে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের বিষয়ে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন

সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ

সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ

ছবি: এএফপি

অপেক্ষা শুধু ইউএস ওপেনের ট্রফি হাতে নেওয়ার। জিততে পারলে একই বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের মালিক হবেন জকোভিচ। একইসঙ্গে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ীর তালিকায় শীর্ষে উঠে যাবেন এই সার্বিয়ান। 

চলতি ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে আলেকজান্ডার এসভেরেভকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছেন নোভাক জকোভিচ।

পাঁচ সেটের লড়াই জয়ের পর ইতিহাসের দ্বার প্রান্তে আছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা।

চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডন ট্রফি নিজের ঝুলিতে নিয়েছেন জোকোভিচ।

অপেক্ষা শুধু ইউএস ওপেনের ট্রফি হাতে নেওয়ার। জিততে পারলে একই বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের মালিক হবেন জকোভিচ।

একই সঙ্গে লেখা হবে ইতিহাস। ইতিহাসের সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ীর তালিকায় শীর্ষে উঠে যাবেন এই সার্বিয়ান। ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম নিয়ে শীর্ষে থাকা রজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদালকে ছাড়িয়ে যাবেন জকোভিচ।

বিশ্বের ষষ্ঠ টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার সুযোগ থাকছে দ্য জোকারের সামনে। ছুঁয়ে ফেলবেন অস্ট্রেলিয়ান রড লেভারকে।

সেমিফাইনাল শেষে বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা বলেন, ‘আর মাত্র এক ম্যাচ বাকি। পেছনে ফিরে তাকাতে চাই না। আমি আমার হৃদয়, আত্মা, শরীর, মাথা সব ওই ম্যাচে দিয়ে দিতে চাই। আমি ভাবতে চাই যে ওটাই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হতে চলেছে।’

ইউএস ওপেনের ফাইনালে রোববার রাতে রাশিয়ান দ্বিতীয় বাছাই ডানিল মেডভেডেভের মুখোমুখি হবেন জকোভিচ।

আরও পড়ুন:
আজকের খেলা
আজকের খেলা
আজকের খেলা

শেয়ার করুন