ক্রীড়া খাতে বাজেট হ্রাসে ভুগবে জেলার ক্রীড়াঙ্গন

অনুশীলনে নারী ফুটবলাররা। ফাইল ছবি

ক্রীড়া খাতে বাজেট হ্রাসে ভুগবে জেলার ক্রীড়াঙ্গন

ফুটবল ও অন্যান্য স্পোর্টস ক্লাবের কর্মকাণ্ড নিয়ে হতাশার সুর ছিল আলী আব্বাসের কণ্ঠেও। বাজেট কমানোতে সামগ্রিকভাবে জেলা পর্যায়ে ক্লাবের পেছনে বরাদ্দও কমে যাবে মনে করেন তিনি।

২০২১-২২ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ক্রীড়া খাতে বাজেট কমিয়ে দেয়ায় জেলা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো।

দেশের যুব ও ক্রীড়া উন্নয়নে বিদায়ী অর্থবছরের থেকে বাজেট কমেছে ৩৫৬ কোটি টাকা। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম বরাদ্দ পেল দেশের ক্রীড়াঙ্গন।

বাজেটে বরাদ্দ হ্রাস নিয়ে মন্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আলী আব্বাস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাজেট যে সংকোচিত হয়েছে জেলাগুলোতে এর প্রভাব তো অবশ্যই পড়বে। টাকা না থাকলে জেলাগুলো বাজেট করবে কীভাবে? সবকিছুই তো এখন দ্বিগুন। গাড়িভাড়া দ্বিগুন, অন্যান্য খরচ দ্বিগুণ।’

করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে মাঠে খেলাধুলা কম থাকায় বাজেট হ্রাসে এই বছর খুব বেশি ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন না এ সংগঠক। বলেন, ‘যেহেতু করোনা মোকাবেলা করতে হচ্ছে , তাই বাজেট খুব একটা খারাপ হয়নি। আগামী এক বছর তো কোনো খেলাধুলা হবেনা। সরকারের যারা পরামর্শক ছিল নিশ্চয় তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এটা করেছে।’



ময়মনসিং জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক একেএম দেলোয়ার হোসেন মুকুল জানালেন স্থানীয় ফুটবলের করুণ অবস্থা। তার দাবী যে টাকা প্রয়োজন খেলা পরিচালনা ও উন্নয়নে তার ছয় ভাগের একভাগ পাচ্ছেন তারা।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ফুটবলে সব খরচ মিলিয়ে প্রতি বছর ত্রিশ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। অথচ গত চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) থেকে বরাদ্দ এসেছে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা। আর ভেঙে ভেঙে এসেছে আরও দেড় লাখ টাকা।

‘জেলায় টুর্নামেন্টের খরচসহ খেলোয়াড়দের আনুষঙ্গিক খরচ বহন করা আমাদের পক্ষে কঠিন। খেলার মানের উন্নয়ন তখনই হয় যখন পর্যাপ্ত অর্থের জোগান দেওয়া হয়।’

ফুটবল ও অন্যান্য স্পোর্টস ক্লাবের কর্মকাণ্ড নিয়ে একই সুর ছিল আলী আব্বাসের কণ্ঠেও। বাজেট কমানোতে সামগ্রিকভাবে জেলা পর্যায়ে ক্লাবের পেছনে বরাদ্দও কমে যাবে মনে করেন তিনি।

বলেন, ‘ক্লাবগুলো তো এমনিতেই মরে গেছে, গত দুই বছর ধরে ক্লাবের কোনো কর্মকাণ্ড নাই। কোনো মিটিংও হচ্ছেনা। অর্থমন্ত্রী যে ১৪টি চলমান প্রকল্পের কথা বলেছেন সেসব প্রকল্পে অর্থ সংকট হলে অর্থ বাড়ানো সম্ভব। কিন্ত সামগ্রিকভাবে কোচিংয়ের জন্য, খেলোয়াড়দের জন্য, জেলা ক্লাবগুলোর জন্য খরচ কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এখানে তো আর ভর্তুকি নেই।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

উইম্বলডন খেলছেন না চ্যাম্পিয়ন হালেপ

উইম্বলডন খেলছেন না চ্যাম্পিয়ন হালেপ

স্টুটগার্ট ডব্লিউটিএ গ্রাঁ-প্রি টুর্নামেন্টের ম্যাচে সিমোনা হালেপ। ছবি: এএফপি

পায়ের চোটের কারণে বছরের একমাত্র গ্রাস কোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেলা হচ্ছে না এই রোমানিয়ান তারকার। মে মাসে ইতালিয়ান ওপেন খেলার সময় ঊরুতে আঘাত পান নারী টেনিসের ওয়ার্ল্ড নাম্বার থ্রি। সেই চোট এখনও সারেনি।

উইম্বলডন নারী এককের নতুন চ্যাম্পিয়ন পেতে যাচ্ছে টেনিস বিশ্ব। কারণ এ বছরের টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সিমোনা হালেপ।

পায়ের চোটের কারণে বছরের একমাত্র গ্রাস কোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেলা হচ্ছে না এই রোমানিয়ান তারকার। মে মাসে ইতালিয়ান ওপেন খেলার সময় ঊরুতে আঘাত পান নারী টেনিসের ওয়ার্ল্ড নাম্বার থ্রি। সেই চোট এখনও সারেনি।

২৯ বছর বয়সী হালেপ উইম্বলডনে দ্বিতীয় বাছাই ছিলেন। শুক্রবার ড্রয়ের ঠিক আগেই উইম্বলডনের আয়োজক অল ইংল্যান্ড টেনিস ও ক্রোকে ক্লাবকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার চিঠি পাঠান হালেপ।

বিবিসি স্পোর্টকে হালেপ বলেন, ‘দুই বছর আগের দারুণ স্মৃতি থাকায় উইম্বলডনের জন্য ফিট হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আবারও ওইসব চমৎকার কোর্টে নামার জন্য মুখিয়ে ছিলাম ও সম্মানিত বোধ করছিলাম। কিন্তু আমার শরীর সায় দেয়নি।’

উইম্বলডন খেলতে না পারলেও নিজেকে পরের গ্র্যান্ড স্ল্যামের জন্য প্রস্তুত করবেন হালেপ। আরও শক্ত হয়ে ও ছন্দে কোর্টে ফিরবেন এমনটা বলেন তিনি।

‘এই সিদ্ধান্ত নিতে আমার খুবই কষ্ট হয়েছে। শেষ দুইটা মেজর টুর্নামেন্ট খেলতে না পারাটা মানসিক ও শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং। দেখা যাক সামনে কী হয়। আশা করি এটা আমাকে আরও শক্তিশালী ব্যক্তি ও অ্যাথলিটে পরিণত করবে।’

নেওমি ওসাকার পর দ্বিতীয় হাই প্রোফাইল খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিলেন হালেপ। ফ্রেঞ্চ ওপেনের পর উইম্বলডন থেকেও মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতায় নাম প্রত্যাহার করে নেন ওয়ার্ল্ড নাম্বার টু ওসাকা।

দুই ও তিন নম্বর বাছাই টুর্নামেন্টে না খেলায়, তিন বছর বাছাই হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করবেন বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কা। শীর্ষ বাছাই হিসেবে খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশলি বার্টি।

শেয়ার করুন

উইম্বলডনের জন্য প্রস্তুত ৩০ টন স্ট্রবেরি

উইম্বলডনের জন্য প্রস্তুত ৩০ টন স্ট্রবেরি

উইম্বলডন দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় স্ট্রবেরি অ্যান্ড ক্রিম। ছবি: সংগৃহীত

দর্শকদের জন্য উইম্বলডনের আরেকটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো স্ট্রবেরি অ্যান্ড ক্রিম। বিশ্বসেরা টেনিস তারকাদের দ্বৈরথ উপভোগ করতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা দর্শকরা ম্যাচের ফাঁকে কিংবা চলাকালীন উপভোগ করেন এই খাঁটি ইংলিশ ডেজার্ট।

বিশ্বের একমাত্র গ্রাস কোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে টেনিসভক্তদের আগ্রহটা বরাবরই একটু বেশি। অল ইংল্যান্ড লন টেনিস ও ক্রোকে ক্লাবের ঐতিহ্য, সাদা পোশাক, দিনের বেলায় খেলা ও ক্ল্যাসিক টেনিস ম্যাচ উইম্বলডন ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দর্শকদের জন্য উইম্বলডনের আরেকটা অনুষঙ্গ অপরিহার্য হলো স্ট্রবেরি অ্যান্ড ক্রিম। বিশ্বসেরা টেনিস তারকাদের দ্বৈরথ উপভোগ করতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা দর্শকরা ম্যাচের ফাঁকে কিংবা চলাকালীন উপভোগ করেন এই খাঁটি ইংলিশ ডেজার্ট।

আর তিন দশক ধরে উইম্বলডনকে স্ট্রবেরি সরবরাহ করে আসছে কেন্টের হিউ লো ফার্মস। এই বছর তারা উইম্বলডনের জন্য প্রস্তুত রেখেছে ৩০ টন স্ট্রবেরি। টুর্নামেন্টের ১৪ দিন ক্রিমের সঙ্গে দর্শকরা উপভোগ করবেন সুস্বাদু এই ফল।

ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যারিয়ন রিগান জানান, উইম্বলডনে প্রতিদিন তরতাজা স্ট্রবেরি পাঠানো হয়। পুরোনো হয়ে যাওয়া স্ট্রবেরি তারা সরবরাহ করেন না। প্রতিবছর ফার্মটি ৫ হাজার টন স্ট্রবেরি উৎপাদন ও বাজারজাত করলেও তাদের কাছে উইম্বলডনের আবেদনটা ভিন্ন।

বার্তা সংস্থা এফপিকে ম্যারিয়ন বলেন, ‘উইম্বলডনের অর্ডার আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা হাই প্রোফাইল একটা ইভেন্ট, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খেলা দেখার জন্য দর্শকরা আসেন।

‘তারা সবাই আমাদের স্ট্রবেরি উপভোগ করেন। আমাদের পুরো মনোযোগ ওইদিকেই থাকে।’

উইম্বলডনের জন্য প্রস্তুত ৩০ টন স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি অ্যান্ড ক্রিম এখন উইম্বলডন ঐতিহ্যের অংশ। ছবি: সংগৃহীত

ম্যারিয়ন রিগানদের পরিবার পাঁচ প্রজন্ম ধরে স্ট্রবেরি ফলনের সঙ্গে যুক্ত। ফার্মের স্ট্রবেরি নিয়ে উইম্বলডনের রেস্তোরাঁ ও অফিশিয়াল শেফদের মতামতকে গুরুত্বের সঙ্গে নেন তারা।

তাদের প্রতিদিনের মতামত নেয়ার পরই পরদিনের জন্য স্ট্রবেরি পাঠানো হয় বলে জানান ম্যারিয়ন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্ট্রবেরি যেহেতু এত নামী একটা টুর্নামেন্টে যাচ্ছে, আমরা সবাই খুব নার্ভাস থাকি। দুই সপ্তাহ ধরেই এই চাপ আমাদের নিতে হয়।

উইম্বলডনের জন্য প্রস্তুত ৩০ টন স্ট্রবেরি
উইম্বলডনের জন্য সরবরাহ করা হিউ লো ফার্মের স্ট্রবেরি। ছবি: এএফপি



‘বাজারের পরিস্থিতি ও আবহাওয়ার ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়, যেটা এই চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। উইম্বলডনের খাবার ও পানীয় অত্যন্ত স্পেশাল, যেটা তাদের ফুড অ্যান্ড ড্রিংক বিভাগের অসাধারণ সব শেফ তৈরি করেন। আমি তাদের কোনো খারাপ কিছু দিয়ে অসন্তুষ্ট করতে চাই না।’

উইম্বলডনের সঙ্গে স্ট্রবেরির সখ্য অনেক পুরোনো। ব্রিটেনের জনপ্রিয় এই ফলটির সর্বোচ্চ ফলন হয় জুনের শেষে। ঠিক যখন উইম্বলডন আয়োজন হয়।

তবে ম্যারিয়ন জানালেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে স্ট্রবেরির মৌসুমে বদল এসেছে। এখন এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ফলটির মৌসুম হতে পারে। সর্বোচ্চ ফলনও হতে পারে এর যেকোনো সময়ে।

‘উইম্বলডনের সঙ্গে ঐতিহাসিক যোগাযোগটা হলো, একসময় স্ট্রবেরির সর্বোচ্চ ফলন হতো জুনের শেষে। খুব ছোট মৌসুম ছিল ফলটির। তখন গ্রীষ্মের মধ্যে সবাই স্ট্রবেরি খাওয়ার জন্য কাড়াকাড়ি করতেন’, বলেন ম্যারিয়ন।

হিউ লো ফার্মসে প্রায় ৭০০ কর্মচারীর মধ্যে অধিকাংশই স্ট্রবেরি তোলার কাজে নিয়োজিত। ইউরোপে এই কাজে সবচেয়ে দক্ষ ছিল বুলগেরিয়া ও রোমানিয়ার কর্মীরা। ব্রেক্সিটের কারণে দাম ঠিক রাখতে ম্যারিয়নদের এখন নিয়োগ দিতে হচ্ছে বার্বেডোসের কর্মী।

উইম্বলডনের জন্য প্রস্তুত ৩০ টন স্ট্রবেরি
হিউ লো ফার্মে স্ট্রবেরি তোলার কাজে নিয়োজিত আছেন প্রায় ৭০০ কর্মী। ছবি: হিউ লো ফার্ম

২০১৯ সালে ১০টি স্ট্রবেরির প্যাকেট কিনতে উইম্বলডনের দর্শকদের গুনতে হতো আড়াই পাউন্ড বা বাংলাদেশি ২৯৫ টাকা। এবারও দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার ইচ্ছা তাদের।

এক বছরের করোনাভাইরাস বিরতির পর খুব শিগগিরই রজার ফেডেরার, রাফায়েল নাদাল, সেরিনা উইলিয়ামস ও নোভাক জকোভিচের মতো অলটাইম গ্রেটদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে উইম্বলডনের সেন্টার কোর্ট। ২৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এই বছরের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপ।

২০২০ সালে করোনায় স্থগিত হওয়ার পর এই বছর দর্শকদের নিয়ে কড়াকড়ি করছে টুর্নামেন্টের আয়োজক অল ইংল্যান্ড ক্লাব। আপাতত চার ভাগের এক ভাগ দর্শক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে তারা। পরিস্থিতি উন্নতির সঙ্গে বাড়তে পারে এই সংখ্যা।

শেয়ার করুন

আজকের খেলা

আজকের খেলা

কোপা আমেরিকা

বলিভিয়া বনাম উরুগুয়ে - রাত ৩টা (শুক্রবার)

চিলি বনাম প্যারাগুয়ে - সকাল ৬টা (শুক্রবার)

টি-টোয়েন্টি

ইংল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা (দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি) - রাত ১১.৩০

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব বনাম প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব – সন্ধ্যা ৬.৩০

শেয়ার করুন

আজকের খেলা

আজকের খেলা

ইউরো ২০২০

সুইডেন বনাম পোল্যান্ড - রাত ১০টা

স্পেন বনাম স্লোভাকিয়া - রাত ১০টা

ফ্রান্স বনাম পর্তুগাল - রাত ১টা

জার্মানি বনাম হাঙ্গেরি - রাত ১টা

কোপা আমেরিকা

ইকুয়েডর বনাম পেরু - রাত ৩টা

ব্রাজিল বনাম কলম্বিয়া - সকাল ৬টা


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল

ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড (শেষ দিন) - দুপুর ৩.৩০


টি-টোয়েন্টি

ইংল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা - রাত ১১.৩০

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

আবাহনী লিমিটেড বনাম প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব – সন্ধ্যা ৬.৩০

শেয়ার করুন

আজকের খেলা

আজকের খেলা

ইউরো ২০২০

ক্রোয়েশিয়া বনাম স্কটল্যান্ড - রাত ১টা

ইংল্যান্ড বনাম চেক রিপাবলিক - রাত ১টা

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল

ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড (চতুর্থ দিন) - দুপুর ৩.৩০

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জ বনাম ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টস ক্লাব– দুপুর ১.৩০

শেয়ার করুন

অলিম্পিকের টিকিট পেলেন আর্চার দিয়া

অলিম্পিকের টিকিট পেলেন আর্চার দিয়া

ছবি: সংগৃহীত

রোমান সানার পর দ্বিতীয় আর্চার হিসেবে অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেলেন দিয়া। পুরুষ কোটায় দেশের আরেক আর্চার অলিম্পিকের টিকিট পেতে পারেন বলে জানা যায়।

রোমান সানার পর আর্চারিতে আসন্ন টোকিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেলেন দেশসেরা নারী তীরন্দাজ দিয়া সিদ্দীকী।

সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)।

দিয়ার অলিম্পিকের খবরটি চিঠি দিয়ে বিওএকে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। দিয়াকে টোকিও অলিম্পিকে খেলার আমন্ত্রণ জানিয়েছে অলিম্পিকের সর্বোচ্চ সংস্থা।

ফ্রান্সের প্যারিসে চলমান আর্চারির ফাইনাল কোয়ালিফিকেশন টুর্নামেন্টে রিকার্ভ ব্যক্তিগত নারী এককের খেলায় দিয়া সিদ্দিকী ৬-০ সেটে আর্জেন্টাইন আর্চারকে হারায়। পরে স্লোভাকিয়ার আনা উমেরের কাছে হেরে যান এই দেশ সেরা তীরন্দাজ। অলিম্পিক লড়াই শেষ করেছেন।

এর আগে বিশ্বকাপ আর্চারির দ্বিতীয় স্টেজের ফাইনালে রোমান সানার সঙ্গে জুটি গড়ে রৌপ্য জেতেন দিয়া।

রোমান সানার পর দ্বিতীয় আর্চার হিসেবে অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেলেন দিয়া। পুরুষ কোটায় দেশের আরেক আর্চার অলিম্পিকের টিকিট পেতে পারেন বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

১১৭০ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেবে সরকার

১১৭০ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেবে সরকার

বৈঠকে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রণালয়। ছবি: সংগৃহীত

প্রত্যেক ক্রীড়াবিদ বা তাদের পরিবারকে মাসিক ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা হারে বছরে ২৪ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন হতে এই ভাতা দেয়া হবে।

দেশের ১১৭০ জন অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদকে মাসিক ক্রীড়া ভাতা হিসেবে প্রায় দুই কোটি একাশি লক্ষ টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন হতে এই ভাতা দেয়া হবে।

প্রত্যেক ক্রীড়াবিদ বা তাদের পরিবারকে মাসিক ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা হারে বছরে ২৪ হাজার টাকা দেয়া করা হবে।

সোমবার বিকেলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১২তম বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় সভাপতি হিসেবে ছিলেন বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীনতার পরেই অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের কল্যাণার্থে এ ফাউন্ডেশনটি গড়ে তুলেছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত এ ফাউন্ডেশনটি সবসময় ক্রীড়াবিদদের পাশে রয়েছে।'

করোনার সময়ে দেশের পাঁচ হাজারের বেশি অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে সরকার।

এ বছর হাজারের অধিক ক্রীড়াবিদের মাসিক ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। শিগগিরই এই অর্থ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থ বছরে ১১৭০ জন অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদকে মাসিক ক্রীড়া ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আমরা অচিরেই এ অর্থ ক্রীড়াবিদদের হাতে তুলে দিব।’

শেয়ার করুন