অলিম্পিকে পদকজয়ী খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

অলিম্পিকে পদকজয়ী কুস্তিগির সুশীল কুমারকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। ছবি: পিটিআই

অলিম্পিকে পদকজয়ী খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

সুশীল ও আরও কয়েকজন কুস্তিগিরের সঙ্গে গত ৪ মে দিল্লির কুস্তি একাডেমিতে সাগরের বিবাদ হয়। এরপর সুশীল ও তার সহযোগীরা পিটিয়ে সাগরকে রক্তাক্ত করে ফেলে রেখে চলে যান। পরে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় আরও দুজন কনিষ্ঠ কুস্তিগির আহত হন।

অলিম্পিকে পদকজয়ী কুস্তিগির সুশীল কুমার ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।

কনিষ্ঠ কুস্তিগির সাগর ধনকরের হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে সুশীলকে রোববার দিল্লির মুন্ডকা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়।

পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাগর কুমারের সঙ্গে ৪ মে রাতে দিল্লির কুস্তি একাডেমিতে সুশীল ও আরও কয়েকজন কুস্তিগিরের বিবাদ হয়। সেই বিবাদে সুশীল ও তার সহযোগীরা সাগরকে পিটিয়ে জখম করে ফেলে চলে যায়। পরে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় আরও দুজন কনিষ্ঠ কুস্তিগির আহত হন।

৩২ বছর বয়সী সাগর নিহতের ঘটনায় তদন্তে নামে পুলিশ। তখন থেকেই ৩৮ বছর বয়সী সুশীল গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। এই পুরোটা সময় সুশীল দিল্লি, উত্তরাখন্ড, উত্তর প্রদেশ ও হরিয়ানায় লুকিয়ে ছিলেন। তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পরই গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর রোববার বিকেলেই সুশীলকে আদালতে নেয়া হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আদালত ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়।

এ দিন আদালতের ভিতরেই পুলিশ সুশীলকে ৩০ মিনিট ধরে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করার পর জিজ্ঞাসাবাদে আরও ১২ দিনের হেফাজতে চায়।

আদালতে সুশীলের আইনজীবী তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু শুনানি শেষে বিচারক জানান, তার বিরুদ্ধে যে পরোয়ানা জারি হয়েছিল তা জামিন অযোগ্য। এরপর তাকে জামিন না দিয়ে ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

সুশীলের বিরুদ্ধে যে এফআইআর করা হয় সেখান ভারতীয় দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারা উল্লেখ করা হয়।

সেই সঙ্গে গ্যাংস্টার হিসেবে পরিচিত সন্দ্বীপ অ্যালাইস ওরফে কালা জিতেদির সঙ্গে সুশীলের কোনো যোগাযোগ আছে কি না সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চার ঘণ্টার ক্ল্যাসিকে ফাইনালে জকোভিচ, নাদালের বিদায়

চার ঘণ্টার ক্ল্যাসিকে ফাইনালে জকোভিচ, নাদালের বিদায়

সেমি ফাইনালে রাফায়েল নাদালকে হারানোর পর উচ্ছ্বসিত নোভাক জকোভিচ। ছবি: এএফপি

শেষ চারের ম্যারাথন লড়াইয়ে নাদালকে ৩-১ সেটে হারান শীর্ষ বাছাই নোভাক জকোভিচ। তৃতীয় বাছাই স্প্যানিয়ার্ডকে ৩-৬, ৬-৩, ৭-৬ (৭-৪), ৬-২ গেমে হারান জকোভিচ।

ফ্রেঞ্চ ওপেনের ১৪তম শিরোপা আপাতত জেতা হচ্ছে না রাফায়েল নাদালের। ক্লে-কোর্টের রাজা এবারের আসরের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিয়েছেন। শেষ চারের ম্যারাথন লড়াইয়ে নাদালকে ৩-১ সেটে হারান শীর্ষ বাছাই নোভাক জকোভিচ।

তৃতীয় বাছাই স্প্যানিয়ার্ডকে ৩-৬, ৬-৩, ৭-৬ (৭-৪), ৬-২ গেমে হারান জকোভিচ। চার ঘণ্টার লড়াইয়ে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ১০৮ নম্বর ম্যাচে মাত্র তৃতীয় পরাজয়ের স্বাদ পান নাদাল। টানা চার বছর শিরোপা জেতার পর, এই প্রথম হারলেন ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী আধুনিক গ্রেট।

আধুনিক টেনিসের বিগ থ্রির দুইজনের লড়াইটা যে ক্ল্যাসিক কিছু একটা হতে যাচ্ছে, তার ধারণা পাওয়া যায় তৃতীয় সেটে। প্রথম দুই সেটে একটিতে নাদাল ও একটিতে জকোভিচ জেতায় তৃতীয় সেটেই সুযোগ ছিল এগিয়ে যাওয়ার।

সেই সুযোগ লুফে নেন জকোভিচ। টাইব্রেকে সেট জিতে ম্যাচে লিড নিয়ে নেন তিনি।

ক্লে-কোর্টের কিংবদন্তি নাদাল অবশ্য দমে যাননি তাতে। চতুর্থ সেটের জকোভিচকে ব্রেক করে ২-০ তে এগিয়ে যান তিনি। রোলাঁ গারোঁর ফিলিপ শাতিয়েঁ কোর্টে খেলা দেখারত অনুমতি পাওয়া হাজার পাঁচেক দর্শক যখন অপেক্ষায় পঞ্চম সেটের, তখনই কামব্যাক করেন জকোভিচ।

২-০ গেমে পিছিয়ে থাকার পর টানা ছয়টি গেম জিতে প্রমাণ দেন কেন তিনি ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান। প্রিয় বন্ধু রাফায়েল নাদালের বিপক্ষে খেলা ৫৮ ম্যাচে এটি ছিল জকোভিচের ৩০তম জয়।

ম্যাচ শেষে এই সার্বিয়ান জানান, এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচ ছিল। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘এটা এমন একটা ম্যাচ যেটা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। আমার ক্যারিয়ারের সেরা তিন ম্যাচের একটি।‘

ক্লে-কোর্টের রাজাকে ফ্রেঞ্চ ওপেনে হারাতে নিজের সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলতে হবে মন্তব্য করেন জকোভিচ। বলেন, ‘এই কোর্টে রাফাকে হারাতে হলে সেরা খেলাটাই খেলতে হবে। আর আজ রাতে আমি সেটাই করেছি।

‘বলে বোঝাতে পারব না কেমন লাগছে। নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে কোনো চাপ নেই। কিন্তু চাপ ছিল। তবে এমন ম্যাচে চাপ একটা সুবিধা। কারণ এতে খেলোয়াড় হিসেবে আমার ও আমার দক্ষতার পরীক্ষা হয়।’

জকোভিচের সামনে সুযোগ থাকছে ১৯ নম্বর গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার। রোববারের ফাইনালে গ্রিসের স্টেফানোস সিসিপাসের মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

কোরিয়ায় দুই রৌপ্য ও এক ব্রোঞ্জ পেল বাংলাদেশের আর্চাররা

কোরিয়ায় দুই রৌপ্য ও এক ব্রোঞ্জ পেল বাংলাদেশের আর্চাররা

কম্পাউন্ড মিশ্র দল। ছবি: সংগৃহীত

৭ হতে ১১ জুন পর্যন্ত পাঁচ দিনের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আর্চারি দল (বিকেএসপি) অংশগ্রহণ করে। টুর্নামেন্টজুড়ে বাংলাদেশের অর্জন দুটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ মেডেল।

দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজুতে চলছে আর্চারির এশিয়া কাপ ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং টুর্নামেন্টের স্টেজ-১ এর আসর। পাঁচ দিনের টুর্নামেন্ট শেষে দুই ফাইনালে হেরে একটুর জন্য স্বর্ণ জেতা হয়নি বাংলাদেশের যুব আর্চারদের।

টুর্নামেন্টজুড়ে বাংলাদেশের অর্জন দুটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ মেডেল।

৭ হতে ১১ জুন পর্যন্ত পাঁচ দিনের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আর্চারি দল (বিকেএসপি) অংশগ্রহণ করে।

শেষ দিনে কম্পাউন্ড মিশ্র দলগত ইভেন্টে ফাইনালে ১৪৬-১৫৫ স্কোরের ব্যবধানে কোরিয়ার কিম জঙ্গো ও এসও চাইওন জুটির কাছে হেরে রৌপ্য পদক অর্জন করে বাংলাদেশর শেখ সজিব ও পুস্পিতা জামান জুটি।

কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে ফাইনালে রুপা জেতে বাংলাদেশ।

শেখ সজিব, হিমু বাছাড় ও মো. আসিফ মাহমুদ এই তিনজনের জুটি ২০৫-২৩৫ স্কোরের ব্যবধানে কোরিয়ার চই ইয়ঙ্গী, ক্যাঙ ডংইয়ং ও কিম জঙ্গো জুটির কাছে হেরে যায়।

কোরিয়ায় দুই রৌপ্য ও এক ব্রোঞ্জ পেল বাংলাদেশের আর্চাররা
কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে ফাইনালে রুপা জেতে বাংলাদেশ

অন্যদিকে রিকার্ভ মিশ্র দলগত ইভেন্টে বাংলাদেশের প্রদীপ্ত চাকমা ও রজনী আক্তার জুটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে।

আগামী ১৩ জুন রাত ১০টা ৪০ মিনিটে আর্চারি দলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

সাক্কারির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন স্ফিয়নটেকের বিদায়

সাক্কারির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন স্ফিয়নটেকের বিদায়

ম্যাচ শেষে সাক্কারিকে (বাঁয়ে) অভিনন্দন জানাচ্ছেন স্ফিয়নটেক। ছবি: এএফপি

৬-৪, ৬-৪ গেমে ম্যাচ জিতে সাক্কারি নিশ্চিত করেন ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম সেমিফাইনাল।

ফ্রেঞ্চ ওপেনের নারী এককের কোয়ার্টার ফাইনালে সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কিংধারী ছিলেন আট নম্বর বাছাই ইগা স্ফিয়নটেক। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এই পোলিশ তারকা টানা দ্বিতীয় ফ্রেঞ্চ ওপেন শিরোপা জয়ে ছিলেন ফেভারিট।

কিন্তু নিজের সেই ফেভারিট তকমা ধরে রাখতে পারেননি স্ফিয়নটেক। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে ২০২০ এর চ্যাম্পিয়নকে। তাকে সরাসরি সেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন গ্রিসের মারিয়া সাক্কারি।

১৭ তম বাছাই সাক্কারি প্রথম সেটে ব্রেক নেন দুটি। ৬-৪ গেমে সেট জিতে ম্যাচে লিড নিয়ে নেন তিনি।

দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই তাকে ব্রেক করেন স্ফিয়নটেক। তবে ২-১ গেমে পিছিয়ে থাকা অবস্থা থেকে কামব্যাক করেন গ্রিক তারকা। ৬-৪ গেমে দ্বিতীয় সেট জিতে নিশ্চিত করেন ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম সেমি ফাইনাল। এমন অর্জনে নিজেই অবাক সাক্কারি। ম্যাচ শেষে বলেন, ‘আমি জানি না কী বলব। স্বপ্ন সত্যি হলো। দারুণ একটা অনুভূতি।’

শেষ চারে তার প্রতিপক্ষ চেকরিপাবলিকের বারবোরা ক্রেইচিকোভা। কোয়ার্টার ফাইনালে আমেরিকার কোকো গফগকে সরাসরি ৭-০ (৮-৬), ৬-৩ গেমে হারান অবাছাই ক্রেইচিকোভা। এটি এই চেক খেলোয়াড়েরও প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম সেমিফাইনাল।

পুরুষ এককে ছিল না কোনো অঘটন। প্রত্যাশিত ভাবেই জয় পেয়েছেন দুই সেরা তারকা রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জকোভিচ।
রোলাঁ গারোঁর শেষ আটে আর্জেন্টিনার ডিয়েগো শোয়ার্টজমানের বিপক্ষে এক সেট হারতে হয়েছে নাদালকে। শেষ পর্যন্ত ৬-৩, ৪-৬, ৬-৪, ৬-০ গেমে ম্যাচ জিতে সেমি নিশ্চিত করেন ১৩ বার ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ী নাদাল।

আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে শীর্ষ বাছাই নোভাক জকোভিচকেও খেলতে হয়েছে চার সেট। ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনিকে ৬-৩, ৬-২, ৬-৭ (৫-৭), ৭-৫ গেমে হারান সার্বিয়ান গ্রেট।

শীর্ষ বাছাই জকোভিচ ও তৃতীয় বাছাই নাদালের মধ্যে একজনই পৌঁছাতে পারবেন ফাইনালে। সেমিতেই মুখোমুখি হচ্ছে দুই বন্ধু।

পুরুষ এককের আরেক সেমিতে লড়বেন ষষ্ঠ বাছাই জার্মানির আলেক্সান্ডার এসফেরেফ ও পঞ্চম বাছাই গ্রিসের স্তেফানোস সিসিপাস।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

দুই দিনে দুবার ভাঙল ১০ হাজার মিটারের রেকর্ড

দুই দিনে দুবার ভাঙল ১০ হাজার মিটারের রেকর্ড

বিশ্বরেকর্ডের পর টাইমিং ক্লকের সামনে লেতসেনবেত গিদে। ছবি: এএফপি

ইথিওপিয়ার দূরপাল্লার দৌড়বিদ লেতেসেনবেত গিদে ২৯ মিনিট ১.০৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে শেষ করেন ১০ হাজার মিটার। যা কিনা আগের রেকর্ডের চেয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ সেকেন্ড কম।

নারীদের ১০ হাজার মিটারের রেকর্ড দুই দিনের ব্যবধানে আবার ভাঙল। মঙ্গলবার রাতে ইথিওপিয়ার দূরপাল্লার দৌড়বিদ লেতেসেনবেত গিদে ২৯ মিনিট ১ দশমিক ০৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে শেষ করেন ১০ হাজার মিটার। যা কিনা আগের রেকর্ডের চেয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ সেকেন্ড কম।

নেদারল্যান্ডসের হ্যাঙেলোতে ইথিওপিয়ার অলিম্পিক ট্রায়ালে গিদে এই রেকর্ড ভাঙেন।

এর আগে সোমবার নেদারল্যান্ডসের স্বাগতিক দৌড়বিদ সিফান হাসান পাঁচ বছর পুরোনো রেকর্ড ভাঙেন। হ্যাঙেলোতেই হাসান টাইমিং করেন ২৯ মিনিট ৬ দশমিক ৮২ সেকেন্ড। সেটাও ছিল নতুন বিশ্ব রেকর্ড।

২০১৬ রিও অলিম্পিকে ইথিওপিয়ার আলমাজ আয়ানা ২৯ মিনিট ১৭ দশমিক ৪৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে শেষ করেন ১০ হাজার মিটার ট্র্যাক।

দৌড় শেষে গিদে জানান তার মাথায় ছিল বিশ্ব রেকর্ডের বিষয়টি। বিবিসিকে ২৩ বছর বয়সী এই ইথিওপিয়ান বলেন, ‘আমি বিশ্ব রেকর্ড গড়তে চাচ্ছিলাম। এই রেকর্ড আবারও ভাঙার চেষ্টা করব এবং টাইমিং ২৯ মিনিটের নিচে নিয়ে আসার চেষ্টা করব।’

ট্রায়ালে গিদে ছিলেন পরিষ্কার ফেভারিট। স্বদেশি সিজিয়ে জেব্রেসেলামাকে প্রায় এক মিনিটের ব্যবধানে পেছনে ফেলে প্রথম হন তিনি।

হ্যাঙেলোতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার ফলে গিদের কাছে এখন লং ডিস্টেন্স রানিংয়ের দুটি রেকর্ড আছে। ১০ হাজার মিটারে বিশ্ব রেকর্ড করার আগে পাঁচ হাজার মিটারেও বিশ্ব রেকর্ড তার নামে ছিল।

২০২০ সালে স্পেনের ভালেনসিয়ায় ১৪ মিনিট ৬ দশমিক ৬২ সেকেন্ডে পাঁচ হাজার মিটার দৌড়ান তিনি।

তার আগে ৫ ও ১০ হাজার মিটারের জোড়া রেকর্ড ছিল নরওয়ের ইংগ্রিড ক্রিস্টিয়ানসেনের। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত জোড়া রেকর্ড ছিল তার দখলে।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

সহজ জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্ফিয়নটেক

সহজ জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্ফিয়নটেক

ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার পর উচ্ছ্বসিত ইগা স্ফিয়নটেক। ছবি: এএফপি

ইউক্রেনের মার্টা কোস্টিয়ুককে সরাসরি ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে পৌঁছে গেছেন কোয়ার্টার ফাইনালে। ২০০৭ সালে জুস্তিন এনার পর নারী এককের প্রথম তারকা হিসেবে টানা দুইবার রোলাঁ গারোঁ জয়ের পথে থাকলেন স্ফিয়নটেক।

গত বছর ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেই টেনিস বিশ্বের পরিচিতি পান ইগা স্ফিয়নটেক। ১৯ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতা এই পোলিশ তারকা তারপর আরও দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেলেছেন কিন্তু চতুর্থ রাউন্ডের বেশি যেতে পারেননি।

এবারের ফ্রেঞ্চ ওপেনে সেই ধারা ভাঙলেন স্ফিয়নটেক। ইউক্রেনের মার্টা কোস্টিয়ুককে সরাসরি সেটে হারিয়ে পৌঁছে গেছেন কোয়ার্টার ফাইনালে।

ক্লে-কোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যামে নিজের একমাত্র শিরোপা ডিফেন্ড করতে নামা স্ফিয়নটেক প্রথম সেটে কিছুটা বেকায়দায় পড়েন। কস্টিয়ুক তাকে ব্রেক করে এগিয়ে যান।

কিন্তু স্ফিয়নটেক ম্যাচে ফেরেন দ্রুত। ইউক্রেনের প্রতিপক্ষকে টানা দুইবার ব্রেক করে লিড নিয়ে নেন সেটে। ৬-৩ গেমে সেট জিতে নেন অষ্টম বাছাই।

দ্বিতীয় সেটেও ছিল একই চিত্র। কস্টিয়ুক ব্রেক নিলেও, নিজের সার্ভের জোরে ম্যাচে ফেরেন স্ফিয়নটেক। ৬-৪ গেমে সেট জিতে নিশ্চিত করেন নিজের কোয়ার্টার ফাইনাল।

এই জয়ে ২০০৭ সালে জুস্তিন এনার পর নারী এককের প্রথম তারকা হিসেবে টানা দুইবার রোলাঁ গারোঁ জয়ের পথে থাকলেন স্ফিয়নটেক।

বুধবার গ্রিসের ১৭তম বাছাই মারিয়া সাক্কারির বিপক্ষে শেষ আটের লড়াইয়ে নামবেন তিনি। স্ফিয়নটেকই এবারের আসরে টিকে থাকা সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কের বাছাই নারী খেলোয়াড়।

পুরুষ এককে স্ফিয়নটেকের আগে কোর্টে নামেন দুই সেরা তারকা রাফায়েল নাদাল ও নোভাজ জকোভিচ।

তিন নম্বর ভাছাই নাদাল পেয়েছেন সরাসরি সেটে জয়। ইতালির জানিক সিনারকে ৭-৫, ৬-৩, ৬-০ গেমে হারিয়ে নাদাল নিশ্চিত করেন ফ্রেঞ্চ ওপেনে তার ১০৩তম ম্যাচ জয়। পৌঁছান শেষ আটে।

শীর্ষ বাছাই জকোভিচের প্রতিপক্ষও ছিলেন এক ইতালিয়ান। তবে ১৮ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী সার্বিয়ানকে সহজে ছাড় দেননি লরেঞ্জো মুসেত্তি। টানা পাঁচ সেট খেলে জকোভিচকে পৌঁছাতে হয় কোয়ার্টার ফাইনালে।

টাইব্রেকে প্রথম দুই সেট ৭-৬, ৭-৬ গেমে হেরে বসেন জকোভিচ। আপসেটের অপেক্ষায় থাকা মুসেত্তিকে পরের তিন সেটে নিজের সেরা ফর্মের ঝলক দেখান শীর্ষ বাছাই।

৬-১, ৬-০ গেমে তিন ও চার নম্বর সেট জিতে সমতা ফেরান ম্যাচে। পঞ্চম ও নির্ধারনী সেটেও ৪-০ গেমে এগিয়ে যান জকোভিচ। এরপর চোট পেয়ে আর খেলতে পারেননি মুসেত্তি। ফলে জয় পেয়ে পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয় সার্বিয়ান তারকার।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী

সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী

সৌদি আরবের হয়ে প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেন স্প্রিন্টার সারাহ আত্তার। ফাইল ছবি

সৌদি আরবে নারীদের সর্বক্ষেত্রে অংশ নেয়ার অনুমতি নেই। ২০১৮ সালে প্রথমবার নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়া হয় দেশটিতে। একই বছর স্টেডিয়ামে খেলা দেখার অনুমতি পান সৌদি নারীরা।

সৌদি আরবের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর পরিচালক বোর্ডে ৩০ শতাংশ সদস্য নারী বলে দাবি করেছেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী।

রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলাজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল এমন দাবি করেন।

আব্দুলাজিজ দেশটির অলিম্পিক কমিটিরও (এসএওসি) প্রধান।

তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা করে এমন দলের সংখ্যা ১৩ ভাগ থেকে বেড়ে ১৯ ভাগ হয়েছে। ৪৫০ দলের মধ্যে ২০০টিই নারীদের।’

দেশের জিডিপিতে ক্রীড়াক্ষেত্রেরও অবদান গত দুই বছরে ১৭০ ভাগ বেড়ে ৬৪ কোটি ডলার থেকে ১৭০ কোটি ডলার হয়েছে বলে জানান সৌদির ক্রীড়ামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো ১৩টি ক্লাব ও ফেডারেশনে বিনিয়োগকারী হিসেবে বিদেশি কোম্পানিকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

সৌদি আরবে নারীদের সর্বক্ষেত্রে অংশ নেয়ার অনুমতি নেই। ২০১৮ সালে প্রথমবার নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়া হয় দেশটিতে। একই বছর স্টেডিয়ামে খেলা দেখার অনুমতি পান সৌদি নারীরা।

২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে প্রথমবারের মতো সৌদির নারী অ্যাথলিটরা অংশ নেন। জুডো ও ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে অংশ নেন তাদের দুই নারী অ্যাথলিট। পরেরবার রিওতেও সৌদি আরব নারী দল পাঠায়।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বডিবিল্ডার

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বডিবিল্ডার

ব্রিসবেনের জিমে অনুশীলনের সময় নূর কবির। ছবি: নূর কবির

৯ বছর আগে নৌকায় চেপে অস্ট্রেলিয়ায় পা রাখেন ১৬ বছরের রোহিঙ্গা কিশোর নূর কবির। তারপর থেকে শুরু তার জীবন বদলের সংগ্রাম।

আসছে সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতা। আসরে অংশ নিতে আবেদন করেছেন দেশসেরা বডিবিল্ডাররা। এদেরই একজন নূর কবির।

গেল মাসেই ব্রিসবেন রাজ্যে বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতা জেতা নূর প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহাদেশের সবচেয়ে বড় আয়োজনের।

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা উঠতি বডিবিল্ডার নূরের গল্পটা একেবারেই অন্যরকম। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠার কোনোটাই অস্ট্রেলিয়ায় নয়।

৯ বছর আগে নৌকায় চেপে অস্ট্রেলিয়ায় পা রাখেন ১৬ বছরের রোহিঙ্গা কিশোর নূর কবির। তারপর থেকে শুরু তার জীবন বদলের সংগ্রাম। দুই বছর ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকার পর পান ব্রিজিং ভিসা।

নূর ছোটখাটো কাজ পান অস্ট্রেলিয়ায়। এভাবে কেটে যায় পাঁচ বছর। কাজের ফাঁকে নিয়মিত জিমে যেতেন তিনি।

একদিন তার সঙ্গে দেখা হয় ব্রিসবেনের রোহিঙ্গা কমিউনিটির প্রশিক্ষক ফিল নিক্সনের। শরীরচর্চায় ২১ বছরের নূরের আগ্রহ দেখে তাকে লেগে থাকার পরামর্শ দেন ফিল।

অস্ট্রেলিয়ার এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নূর জানান তার শুরুর গল্প ও ফিলের সঙ্গে দেখা হওয়ার ঘটনা।

‘বন্ধুদের সঙ্গে মজা করার জন্যই জিমে যেতাম। ফিলই আমাকে বলেন যে এটাতে আমি বেশ ভালো ও আমার শরীরচর্চা নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত’, বলেন নূর।

এরপরই শরীরচর্চা নিয়ে পড়াশোনা করা শুরু করেন তিনি। দুই বছরের মাথায় পারসোনাল ফিজিক্যাল ট্রেইনার হিসেবে কাজ শুরু করেন। আর বডিবিল্ডিংয়ের যাত্রা শুরু ২০২০ সালে ফিটনেস গুরু সাইমন স্ট্রকটনের হাত ধরে।

বডিবিল্ডিং শুরু করার পর রোহিঙ্গা কমিউনিটির প্রতিনিধি হিসেবে ভিন্ন কিছু করার তাগিদ থেকেই বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশ নেন নূর।

তিনি বলেন, ‘আমি বডিবিল্ডিংয়ের কিছুই জানতাম না। প্রতিযোগিতা নিয়েও কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু আমি আমার লোকদের জন্য অংশ নিতে চাইতাম। স্ট্রকটন বিভিন্ন প্রদর্শনীর জন্য বিল্ডারদের ট্রেনিং করাতেন। আমি তার কাছে যাই ও আমার সম্পর্কে সব খুলে বলি।’

স্ট্রকটনের অধীনেই দেড় বছরের মধ্যে বডিবিল্ডিংয়ে নিজের জায়গা করে নেন নূর। তার সবশেষ সাফল্য ব্রিসবেন আইসিএন ক্ল্যাসিকের শিরোপা জয়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বডিবিল্ডার
ব্রিসবেন ক্ল্যাসিক শিরোপা জয়ের পর পোডিয়ামে নূর কবির। ছবি: সংগৃহীত



অস্ট্রেলিয়ার সেরা বডিবিল্ডার হওয়ার লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাওয়া নূর জানান, অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে আসার আগে মাকেও বলেননি তিনি।

‘তিনি আমাকে আসতে দিতেন না। কিন্তু আমি আর থাকতে পারছিলাম না। একটা উন্নত জীবনের লক্ষ্য ছিল আমার। আমার মা সপ্তাহ দুয়েক পর যখন জানতে পারেন আমি কোথায়, তখন অনেক কান্নাকাটি করেছেন। তার ধারণা ছিল আমাকে বাংলাদেশিরা মেরে ফেলেছে।’

রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন ছেড়েছেন সেই কারণগুলোও জানান নূর। তার ভাষ্য, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের মতো মৌলিক চাহিদাগুলো মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিল তার পরিবার।

তিনি বলেন, ‘যখন ক্যাম্পে থাকতাম, খাবারের কষ্ট ছিল। পর্যাপ্ত খাবার পেতাম না। পানির কষ্ট ছিল। পরিষ্কার পানির অভাব ছিল। তিন বেলা খাওয়ার জোগাড় হতো না।

‘অনেক সময় এক বেলা খেয়ে দিন পার করতে হতো। ক্যাম্পের বাইরে যাওয়ার নিয়ম ছিল না। রেশনের ওপর নির্ভর করতে হতো। সেটা সব সময়ই কম পড়ত।’

দুর্দশাগ্রস্ত জীবন তাকে হাঁপিয়ে তুলেছিল উল্লেখ করে নূর বলেন, ‘পাঁচ বর্গমিটারের একটা রুমে আমরা সাতজন থাকতাম। জীবনের ১৫টা বছর আমি সেভাবেই কাটিয়েছি। তাই সবকিছু ছেড়ে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছিলাম।’

অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় এক দশক নূরকে দিয়েছে উন্নত জীবন ও নতুন পরিচিতি। তারপরও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্বজনদের ভোলেননি তিনি। তার লক্ষ্য একজন সফল পুষ্টিবিদ হয়ে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মানুষদের সাহায্য করা।

‘সেখানে (রোহিঙ্গা ক্যাম্প) জীবন খুব কঠিন। আমার অনেক বন্ধু ও স্বজন ঠিকমতো খেতেও পান না। তাদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ হয় না। কারণ সেখানে ইন্টারনেটের ঝামেলা আছে। আশা করি ফিটনেস নিয়ে কাজ করে সেখানকার ভয়ংকর পরিস্থিত পাল্টাতে পারব’, বলেন আশাবাদী নূর।

আরও পড়ুন:
অলিম্পিকে যাচ্ছেন স্প্রিন্টার জহির
বিশ্বকাপ আর্চারিতে বাজে শুরু বাংলাদেশের
অলিম্পিকস বাতিলের দাবি টোকিওর চিকিৎসকদের
বিশ্বকাপ রূপকথার অপেক্ষায় রোমানরা
ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

শেয়ার করুন