অনুমোদন পেল শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প

ছবি: সংগৃহীত

অনুমোদন পেল শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প

সভায় অনুমোদন পেয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত দেশের ১৮৬টি উপজেলায় সাড়ে ষোলশত কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত দেশের ১৮৬টি উপজেলায় সাড়ে ষোলশত কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

একনেক সভা শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘২৪তম একনেক বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত দেশের ১৮৬ টি উপজেলায় সাড়ে ষোলশত কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এটি ক্রীড়াঙ্গনের জন্য নিঃসন্দেহে একটি বড় সুসংবাদ।

‘আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই আমাদের ক্রীড়াবান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি সবসময় আমাদের স্পোর্টসকে এগিয়ে নিতে সঠিক দিক র্নির্দেশনা প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা করে চলেছেন।’

শিগগিরই আনুষ্ঠানিকতা শেষে এ সব স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলে আশাবাদী যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

‘আশা করছি অতি অল্প সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু করতে পারব। আমি বিশ্বাস করি, এ সকল স্টেডিয়াম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নবজাগরণের সৃষ্টি হবে।’

এর আগে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের ১২৫ টি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শেষ করে।

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হল অব ফেইমে কোবি ব্রায়ান্ট

হল অব ফেইমে কোবি ব্রায়ান্ট

হল অফ ফেইম অনুষ্ঠানের মঞ্চে মাইকেল জর্ডান ও কোবি ব্রায়ান্টের স্ত্রী ভেনেসা। ছবি: এএফপি

দুবার এনবিএ ফাইনালসের সেরা খেলোয়াড় (এমভিপি) ও একবার পুরো মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার সম্মান অর্জন করা ব্রায়ান্টের সতীর্থ ও ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাকে সর্বকালের অন্যতম সেরা হিসেবে উল্লেখ করেন ভেনেসা।

মৃত্যুর প্রায় ১৬ মাস পর বাস্কেটবল হল অব ফেইমে জায়গা করে নিলেন কোবি ব্রায়ান্ট। শনিবার রাতে এই বাস্কেটবল কিংবদন্তিকে ২০২০ সালের হল অব ফেইমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

দুই দিনের এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিন ব্রায়ান্টের স্ত্রী ভেনেসা ও বড় মেয়ে নাটালিয়া ব্রায়ান্টকে হল অব ফেইমের বিশেষ আঙটি ও জ্যাকেট উপহার দেয়া হয়। পরদিন ভেনেসা ব্রায়ান্টের পক্ষে মঞ্চে আসেন হল অব ফেইমের স্বীকৃতিপত্র ও স্মারক গ্রহণ করতে।

তার হাতে স্মারক ও স্বীকৃতিপত্র তুলে দেন সর্বকালের সেরা বাস্কেটবল খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃত ও ব্রায়ান্টের কাছের বন্ধু মাইকেল জর্ডান।

দুবার এনবিএ ফাইনালসের সেরা খেলোয়াড় (এমভিপি) ও একবার পুরো মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার সম্মান অর্জন করা ব্রায়ান্টের সতীর্থ ও ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাকে সর্বকালের অন্যতম সেরা হিসেবে উল্লেখ করেন ভেনেসা।

‘তুমি করে দেখিয়েছ। এখন তুমি হল অব ফেইমের অংশ। তুমি শুধু একজন এমভিপি নও, সত্যিকারের এক চ্যাম্পিয়ন। সর্বকালের অন্যতম সেরা। কোবির মতো আর কেউ হবে না। সে খুবই স্পেশাল একজন যে কোর্টের বাইরে খুবই বিনয়ী কিন্তু আসলে জীবনের চেয়ে বড় ছিল,’ বলেন ভেনেসা।

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যান ৪১ বছর বয়সী কোবি ব্রায়ান্ট ও তার ছোট মেয়ে ৯ বছরের জিয়ান্না ব্রায়ান্ট।

১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমেরিকা ও বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ন্যাশনাল বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন (এনবিএ) লিগে খেলেন কোবি ব্রায়ান্ট। লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের হলুদ-বেগুনি জার্সিতে কাটান ২০ বছর; জেতেন ৫টি চ্যাম্পিয়নশিপ। স্কোর করেন ৩৩, ৬৪৩ পয়েন্ট। তার নামের পাশে আছে সাত হাজারের বেশি রিবাউন্ড ও ছয় হাজারের বেশি অ্যাসিস্ট।

বাস্কেটবলের এই জিনিয়াসের মৃত্যুতে তার ৮ ও ২৪ নম্বরের জার্সি দুটিকে অবসর দেয় লেকার্স। ২০২০ সালে জেতা এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপও ব্রায়ান্টের নামে উৎসর্গ করে ক্লাবটি।

ব্রায়ান্টের সঙ্গে একই দিন হল অব ফেইমে জায়গা করেন নেন আরও তিন বাস্কেটবল তারকা। স্যান অ্যান্টোনিও স্পার্সের টিম ডানকান, বোস্টন সেল্টিকসের কেভিন গারনেট ও নারী বাস্কেটবল তারকা টামিকা ক্যাচিংসও বিশেষ এই সম্মান পান শনিবার।

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

দুই দিনের ম্যাচ জিতে সেমিতে জকোভিচ

দুই দিনের ম্যাচ জিতে সেমিতে জকোভিচ

ছবি: এএফপি

টুর্নামেন্টের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন কোয়ার্টার ফাইনালে হারান গ্রিসের স্তেফানোস সিসিপাসকে। বৃষ্টির কারণে শুক্রবার সেমিফাইনাল শুরু হয়ে শেষ হয় শনিবার।

ইতালিয়ান ওপেনের সেমি ফাইনালে পৌঁছেছেন নোভাক জকোভিচ। টুর্নামেন্টের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন কোয়ার্টার ফাইনালে হারান গ্রিসের স্তেফানোস সিসিপাসকে। বৃষ্টির কারণে শুক্রবার সেমিফাইনাল শুরু হয়ে শেষ হয় শনিবার।

রোমে কোয়ার্টার ফাইনালের শুরুতে সুবিধা করতে পারছিলেন না শীর্ষ বাছাই ও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জকোভিচ। শুরুতেই তার সার্ভ ব্রেক করে প্রথম সেট নিয়ে নেন সিসিপাস। ৬-৪ গেমে সেট জিতে লিড নেন ম্যাচে।

পঞ্চম বাছাই গ্রিক তরুণ ১৮ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী অভিজ্ঞ জকোভিচের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেটেও প্রাধান্য ধরে রাখেন। ২-১ গেমে এগিয়ে যান দ্রুত। তখনই ব্যাঘাত ঘটায় বৃষ্টি।

ঘণ্টাখানেক অপেক্ষার পর ম্যাচ পরদিন খেলানোর সিদ্ধান্ত নেন আম্পায়ার। শনিবার ৬-৪, ২-১ গেমে পিছিয়ে থেকে কোয়ার্তার ফাইনাল ম্যাচ আবার শুরু করেন জকোভিচ।

সার্বিয়ান তারকা নিজের অভিজ্ঞতার ঝলক দেখান বাকি সময়ে। ২-১ গেমে পিছিয়ে থাকার অবস্থা থেকে ৭-৫ গেমে জিতে নেন দ্বিতীয় সেট। সমতা ফেরান ম্যাচে।

তৃতীয় সেটেও সিসিপাস মরিয়া লড়াই করেন। তবে, জকোভিচের ওপেন কোর্ট গেমের সঙ্গে পেরে ওঠেননি। এই সেটও ৭-৫ গেমে জিতে ম্যাচ পকেটে পোরেন জকোভিচ।

২-১ সেটে ম্যাচ জিততে তার সময় লাগে ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট। কঠিন ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা পরই আবারও কোর্টে নামতে হচ্ছে তাকে। সেমিফাইনালে শনিবার রাতেই তার প্রতিপক্ষ ইতালির লরেঞ্জো সোনেগো।

ম্যাচ শেষে জকোভিচ জানান দুই দিনে দুটো আলাদ ম্যাচ খেলার মতো অভিজ্ঞতা হয়েছে তার।

‘ম্যাচটা নিয়ে অনেককিছুই বলার আছে। মনে হয়েছে আমরা দুটো আলাদ ম্যাচ খেলেছি। গতকালকের ম্যাচে ও (সিসিপাস) ভালো খেলেছে। আজকেও ও ভালো শুরু করেছিল। আমি কোনোমতে স্নায়ু ঠাণ্ডা রেখে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেটে ওর সার্ভ ব্রেক করতে পেরেছি।’

ইতালিতে কোভিড মহামারির পর মাঠে দর্শক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। রোমে হাজার দশেক দর্শকের সামনে খেলতে পেরে উচ্ছ্বসিত জকোভিচ।

‘দর্শকের সমর্থন দারুণ ছিল। তাদের সামনে খেলাটা সত্যিই বিশেষ কিছু। কিছুটা ভাগ্য, মানসিক শক্তি ও সঠিক সময়ে সঠিক কৌশলের মিশেল ছিল এই জয়ে। আমি আনন্দিত যে জিততে পেরেছি।’

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

১২ দিন বন্দি থেকে ঈদের দুপুরে ফিরলেন শুভ

১২ দিন বন্দি থেকে ঈদের দুপুরে ফিরলেন শুভ

ছবি: সংগৃহীত

২ মে কোর্স সমাপ্তির শিডিউল থাকায় দেশে ফিরতে পারেননি শুভ। তার কোর্স ছিল পাতিয়ালায়। কোর্স শেষ করে সেখান থেকে কলকাতায় চলে যান তিনি। কলকাতা থেকে আগরতলা যান। আজ দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছান।

অবশেষে ঈদের দিন দেশে ফিরেছেন করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভারতে ১২ দিন আটকে থাকা জাতীয় হকি দলের সাবেক স্ট্রাইকার ও বিকেএসপির কোচ মওদুদুর রহমান শুভ।

শুক্রবার বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন সাবেক এই খেলোয়াড় নিজেই।

শুভ লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে বাংলাদেশে। কৃতজ্ঞতা বিকেএসপি প্রশাসন, রোকন স্যার, মন্টু দাদা , ইউসুফ ভাই (বাহফে), শামীম ভাই (দাবা ফেডারেশন), প্রিয় বড়, ছোট ভাই ও বন্ধুরা এবং সাংবাদিক ভাইয়েরা। আপনাদের দোয়া ও চেষ্টায় আজ দেশে পৌঁছালাম।’

স্পোর্টস অথরিটির অফ ইন্ডিয়ার (সাই) অধীনে স্পোর্টস ডিপ্লোমা ইন কোচিং কোর্স করতে গত ১৩ এপ্রিল ভারতে গিয়েছিলেন শুভ। সঙ্গে দেশের আরও দুই কোচও গিয়েছিলেন একই সময়ে। বাকী দুই কোচ হলে হকির বিপ্লব ও টিটি কোচ তীর্থ।

২৬ এপ্রিল সীমান্ত বন্ধের আগেই প্রবেশ করেন এই দুই কোচ। ২ মে কোর্স সমাপ্তির শিডিউল থাকায় দেশে ফিরতে পারেননি শুভ। তার কোর্স ছিল পাতিয়ালায়। কোর্স শেষ করে সেখান থেকে কলকাতায় চলে যান তিনি। কলকাতা থেকে আগরতলা যান। আজ দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছান।

দুই দেশেই ঈদের দিনটি কেটেছে শুভর। বলেন, ‘সকালে আগরতলায় একটা মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করি। পরে দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৌঁছাই। এখানে একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে আমাকে।’

১২ দিন আটকে থেকে শেষ পর্যন্ত কয়েকধাপে চিঠি চালাচালির এক পর্যায়ে দেশে ফিরতে সমর্থ হয়েছেন শুভ।

কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুললেন না তিনি। লেখেন, ‘কৃতজ্ঞতা শাহরিয়ার ভাই (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী), হাইকমিশন আগরতলা। ফয়সাল আহসান উল্লাহ ভাই আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। আপনার জন্যই সবকিছু সহজে হয়ে গেল। পাশে থাকার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। ঈদ মোবারক।’

মে মাসের শেষ সপ্তাহে কোর্সে অনলাইন পরীক্ষা রয়েছে হকির এই কোচের। পরীক্ষাটি বিকেএসপি থেকে দিতে চান তিনি। বলেন, ‘ঈদের পর অফিস খুললে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি পত্র পেলে বিকেএসপিতে গিয়ে কোয়ারেন্টিন করতে পারব। সেখান থেকে আমার পরীক্ষা দিতে সুবিধা হবে।’

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

ফ্রান্সে ক্রিকেট খেলে ঈদ কাটালেন সাঁতারু আরিফ

ছবি: ফেসবুক

বাংলাদেশ থেকে প্রায় আট হাজার কিলোমিটার দূরে এবারের ঈদ অন্যরকম কেটেছে আরিফের। ফ্রান্সের উত্তরে নরম্যান্ডি প্রদেশের পেটিট কাউরন শহরে অবস্থিত প্রবাসী বাঙালীদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলেই ঈদ আনন্দে মেতেছেন তিনি।

টোকিও অলিম্পিকের স্কলারশিপ নিয়ে গত আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে ফ্রান্সে আছেন সাঁতারু আরিফ। মাঝেমধ্যে দেশে ফেরার সুযোগ হলেও এবার ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারছেন না অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পাওয়া দেশের উদীয়মান সাঁতারু।

বাংলাদেশ থেকে প্রায় আট হাজার কিলোমিটার দূরে এবারের ঈদ অন্যরকম কেটেছে আরিফের। ফ্রান্সের উত্তরে নরম্যান্ডি প্রদেশের পেটিট কাউরন শহরে অবস্থিত প্রবাসী বাঙালীদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলেই ঈদ আনন্দে মেতেছেন তিনি।

উত্তর আটলান্টিক মহসাগরের পাশে ইংলিশ চ্যানেলের ধারের নরম্যান্ডি প্রদেশের এই শহরে এখন গ্রীষ্ম মৌসুম চলছে। এর মধ্যেই সতেজ হয়ে ২২ গজের আনন্দে মেতেছেন আরিফ।

ফ্রান্সে ঈদের দিন বৃহস্পতিবার। দিনটি যেভাবে কাটিয়েছেন নিউজবাংলাকে জানান আরিফ, ‘সকালে ঈদের নামাজ শেষে প্রবাসী বন্ধু-পরিজনদের সঙ্গে ব্যাট হাতে নেমে পড়েছি। সকালে শুরু করে ম্যাচ এখনও খেলছি। ১৪ প্রবাসী বাঙালী মিলে খেলছি। আরও ম্যাচ খেলার ইচ্ছা আছে।’

এর মাঝেও অবশ্য পরিবারকে অনেক মিস করছেন আরিফ। জানান, ‘কয়দিন আগেই বাংলাদেশ গেমস খেলতে দেশে গিয়েছিলাম। তাই আরেকটু খারাপ লাগছে। মিস করতেছি তাদের। তবে প্রবাসীরাও একটা পরিবারের মতো হয়ে গেছে। ঈদটা বলতে গেলে ভালোই কেটেছে।’

প্রবাসী বাঙালীদের সঙ্গে ক্রিকেটে মেতেছেন সাঁতারু আরিফ। ছবি: ফেসবুক

ফ্রান্সে গত আড়াই বছর ধরে অলিম্পিকসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে টোকিও আসরে খেলার সুযোগ পেয়েছেন আরিফ। ফ্রান্স থেকেই জাপানে খেলতে যাবেন এই সাঁতারু।

৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলে অলিম্পিকে খেলবেন আরিফ। প্রস্তুতি অব্যহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

ইতালিয়ান ওপেনের শেষ আটে জকোভিচ

ইতালিয়ান ওপেনের শেষ আটে জকোভিচ

ইতালিয়ান ওপেনে দাভিদোভিচ ফোকেনের বিপক্ষে ম্যাচে নোভাক জকোভিচ। ছবি: এএফপি

অবাছাই ফোকিনার বিপক্ষে প্রথম সার্ভ হারালেও দ্রুত কামব্যাক করেন জকোভিচ। এক ঘণ্টার কম সময়ে ম্যাচ জিতে নেন ৬-২, ৬-১ গেমে।

ক্যারিয়ারে ১৫তম বারের মতো ইতালিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন নোভাক জকোভিচ। শীর্ষ বাছাই সার্বিয়ান তারকা সরাসরি সেটে হারান স্পেনের আলেহান্দ্রো দাভিদোভিচ ফোকিনাকে।

করোনা বিরতির পর ধারণক্ষমতার ২৫ শতাংশ দর্শককে কোর্টে প্রবেশে অনুমতি দেয় ইতালি সরকার। দর্শকের উপস্থিতিতে উজ্জ্বীবিত জকোভিচ শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। স্প্যানিশ প্রতিপক্ষকে তেমন কোনো সুযোগ দেননি।

অবাছাই ফোকিনার বিপক্ষে প্রথম সার্ভ হারালেও দ্রুত কামব্যাক করেন জকোভিচ। এক ঘণ্টার কম সময়ে ম্যাচ জিতে নেন ৬-২, ৬-১ গেমে।

গ্রিসের পঞ্চম বাছাই স্টেফানোস সিসিপাস ও নবম বাছাই ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনির মধ্যেকার ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ খেলবেন জকোভিচ।

কোর্টে দর্শক ফেরায় নিজের পারফরমেন্সে উন্নতি হয়েছে ম্যাচ শেষে এমনটা দাবি করেন জকোভিচ। জকোভিচ জানান টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের চেয়ে তার পারফর্মেন্স ‘অন্তত ২০-৩০ শতাংশ’ উন্নতি হয়েছে। এর পুরো কৃতিত্ব দর্শকদের দেন টুর্নামেন্টের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন।

‘শুধু ভালোই না ব্যাপারটা দারুণ হয়েছে। দর্শকদের অনেক মিস করেছি। তাদেরকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে।’

জকোভিচ জিতলেও নারী এককে হেরে গেছেন সেরিনা উইলিয়ামস। ফেব্রুয়ারির পর নিজের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন ৩৯ বছর বয়সী এই আমেরিকান।

তার প্রতিপক্ষ ছিলেন আর্জেন্টিনার নাদিয়া পোদোরস্কা। ক্যারিয়ারের ১,০০০ তম ম্যাচ খেলতে নামা সেরিনাকে সরাসরি সেটে হারান তিনি। ৭-৬ (৮-৬), ৭-৫ গেমে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেন ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী।

নারী এককে আরও অঘটন ছিল বুধবার রাতে। ওয়ার্ল্ড নাম্বার টু নেওমি ওসাকা হেরে গেছেন আমেরিকার জেসিকা পেগুলার কাছে। ক্লে-কোর্টে ৭-৬ (৭-২), ৬-২ গেমে হারেন ওসাকা।

টুর্নামেন্টের সাবেক চ্যাম্পিয়ন সিমোনা হালেপকে বিদায় নিতে হয়েছে চোটের কারণে। ওয়ার্ল্ড নাম্বার থ্রি খেলছিলেন জার্মানির অ্যাঞ্জেলিক কেরবারের বিপক্ষে। ৬-১, ৩-৩ গেমে এগিয়ে থাকার সময় বাঁ পায়ের চোটে পড়ে কোর্ট ছাড়তে বাধ্য হন হালেপ।

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

অলিম্পিকস নিয়ে অনিশ্চিত ওসাকা-সেরিনা

অলিম্পিকস নিয়ে অনিশ্চিত ওসাকা-সেরিনা

ছবি: এএফপি

আয়োজক জাপান এরই মধ্যে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দর্শকদের অনুমতি দেয়া হবে না এবারের আসরে। আর স্থানীয় দর্শকরা অলিম্পিকস দেখতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জুনে।

কোভিড মহামারির কারণে জাপানে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। অলিম্পিক গেমসের মাত্র ১০ সপ্তাহ আগে এমন পরিস্থিতি শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে পুরো আসরকে। যদিও ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিকস কমিটি (আওসি) ও আয়োজক দেশ জাপান বারবার বলছে গেমস স্থগিত করার কোনো সুযোগ নেই, খেলোয়াড়রা বলছেন ভিন্ন কথা।

টেনিস চ্যাম্পিয়ন নেওমি ওসাকা নিজ দেশে হতে যাওয়া অলিম্পিকস নিয়ে নিশ্চিত নন। তার মতে, আসর আয়োজনের চেয়ে জনগণে স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে গুরুত্ব বেশি দেয়া উচিত।

‘আমি একজন অ্যাথলেট। আমার প্রথম লক্ষ্য অলিম্পিকসে অংশ নেয়া। কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে আমি বলব যে, আমরা একটা মহামারির মধ্যে আছি। মানুষের যদি স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়া না যায়, তারা যদি নিরাপদ বোধ না করেন তাহলে এটা চিন্তার বড় একটা কারণ।’

গত বছর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল টোকিও অলিম্পিকস। কোভিড মহামারির কারণে তা এক বছর পিছিয়ে দেয়া হয়। এ বছরও আসর নিয়ে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। আয়োজক জাপান এরই মধ্যে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দর্শকদের অনুমতি দেয়া হবে না এবারের আসরে। আর স্থানীয় দর্শকরা অলিম্পিকস দেখতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জুনে।

এমন পরিস্থিতিতে ওসাকা বিবিসি স্পোর্টকে বলেন, সবার সুরক্ষায় দর্শকশূন্য অবস্থাতেও তিনি খেলতে রাজি।

‘সত্যি কথা বলতে আমি জানি না (অলিম্পিক আয়োজন করা উচিত হবে কিনা)। আমি অলিম্পিকে কখনও অংশ নিইনি। তাই জানি না অনুভূতি কেমন হবে। তবে সবার সুরক্ষার জন্য যদি দর্শকশূন্য কোর্টে খেলতে হয় আমি রাজি আছি।’

অলিম্পিকসে খেলা নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন ২৩ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী সেরিনা উইলিয়ামসও। শিশুকন্যাকে রেখে মহামারির মধ্যে অলিম্পিকসে অংশগ্রহণ করা নিয়ে নিশ্চিত নন তিনি।

‘আমি কখনও ওকে (সন্তান) ছাড়া ২৪ ঘণ্টাও থাকিনি। টোকিও গেমস নিয়ে আমি চিন্তিত নই। এটা গত বছর হওয়ার কথা ছিল। এখন এই মহামারির মধ্যে সেখানে খেলতে যাওয়াটা চিন্তা ভাবনার বিষয়।’

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

৩৯-এও গ্যাটলিনের স্বপ্ন অলিম্পিক স্বর্ণ

৩৯-এও গ্যাটলিনের স্বপ্ন অলিম্পিক স্বর্ণ

টোকিও অলিম্পিকের পরীক্ষামূলক স্প্রিন্ট ইভেন্টের প্রস্তুতিতে জাস্টিন গ্যাটলিন। ছবি: এএফপি।

বোল্টের অবসরের পর টোকিও অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক জয়ের দিকে নজর ৩৯ বছর বয়সী এই স্প্রিন্টারের। টোকিও আসরে অংশ নিয়ে জিতলে গ্যাটলিন হবেন সবচেয়ে বয়সী স্বর্ণ জেতা স্প্রিন্টার।

২০০৩ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। পরের বছর এথেন্স অলিম্পিকে ১০০ মিটার স্প্রিন্টের স্বর্ণ জিতে খ্যাতি পান বিশ্ব জোড়া। সেই স্বর্ণের ১৭ বছর পর আরেকটি অলিম্পিক স্বর্ণ জিততে মুখিয়ে আছেন জাস্টিন গ্যাটলিন।

খ্যাতির পরপরই নেমে আসে অন্ধকার। ডোপ পাপে ২০০৬ থেকে ২০১০ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিলেন ট্র্যাকে। এটাই তার ক্যারিয়ারের প্রথম নিষিদ্ধ হওয়া নয়। ১৯ বছর বয়সে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন গ্যাটলিন।

ডোপিংয়ে কুখ্যাতি কুড়ানোর পর ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডেও ফর্ম হারান তিনি। আমেরিকান অ্যাথলিটদের একের পর এক ডোপ কেলেঙ্কারিতে উত্থান ঘটে জ্যামাইকা স্প্রিন্ট দলের। কিংবদন্তির উসাইন বোল্ট,আসাফা পাওয়েল ও ইয়োহান ব্লেইকদের ভিড়ে একরকম হারিয়ে যান গ্যাটলিন।

শাস্তি শেষে ফিরে এসে অংশ নেন লন্ডন ও রিও অলিম্পিকে। কিন্তু সর্বকালের সেরা বোল্টের কাছে পাত্তাই পাননি। জিতেছেন ব্রোঞ্জ ও রৌপ্য পদক।

এখন বোল্টের অবসরের পর টোকিও অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক জয়ের দিকে নজর ৩৯ বছর বয়সী এই স্প্রিন্টারের। টোকিও আসরে অংশ নিয়ে জিতলে গ্যাটলিন হবেন সবচেয়ে বয়সী স্বর্ণ জেতা স্প্রিন্টার।

বোল্ট, পাওয়েল নেই। তিনবার ডোপ টেস্টে অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ১০০ মিটারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ক্রিস্টিয়ান কোলম্যান নিষিদ্ধ টোকিও গেমস থেকে। প্রায় ফাঁকা মাঠে গোল করার সুযোগ গ্যাটলিনের সামনে।

টোকিও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে রুদ্ধদ্বার পরীক্ষামুলক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শেষে রোববার তিনি সাংবাদিকদের বলেন তার সুপ্ত বাসনার কথা।

‘অলিম্পিক দলের সঙ্গে থাকতে আমি পছন্দ করি। এখানে কোনো অপ্রয়োজনীয় সফরে আসিনি। কঠিন পরিশ্রম করতে চাই ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে চাই। আশা করছি এই বছরটি হবে আমার সাফল্য পাওয়ার বছর।’

টোকিও অলিম্পিক তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ও শেষ অলিম্পিক হবে বলে জানিয়েছেন গ্যাটলিন। তবে এ বছরই ট্র্যাক ছাড়ছেন কিনা প্রশ্ন করা হলে গ্যাটলিন বলেন, ‘আমি এখন এসব কথা বলছি। যেভাবে আমার ক্যারিয়ার এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ঠিক বলতে পারছি না কি ঘটবে। নিজের অবস্থান নিয়ে আমি সব সময় খুশি থাকি। আমি এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামার জন্য মুখিয়ে আছি। আমি বলতে পারব না।’

১০০ মিটার পরীক্ষামূলক ইভেন্টে গ্যাটলিন সময় নিয়েছেন ১০.২৪ সেকেন্ড। নিজের ফর্মে সন্তোসও প্রকাশ করেন এই আমেরিকান। এখন তিনি তাকিয়ে আছেন জুনের আমেরিকান ট্রায়ালের দিকে।

গ্যাটলিনের মতে করোনাকালে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আয়োজিত এবারের গেমসটি হবে আলাদা।

‘আমি বাইরে যাওয়া মিস করব। বঞ্চিত হব স্থানীয় ডিনার ও খাবার থেকে। আশা করছি আরো পরে যখন অলিম্পিক শুরু হবে তখন এই বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হবে।’

আরও পড়ুন:
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন