20201002104319.jpg
ঝালকাঠির ফ্রি-স্টাইলার জুবায়ের

ঝালকাঠির ফ্রি-স্টাইলার জুবায়ের

রোনালদিনিয়োকে গুরু মেনে শুরু করা জুবায়েরের নামের পাশে এখন জ্বলজ্বল করছে ফ্রি স্টাইলিং জগতের অন্যতম রেকর্ড। বিশ্বখ্যাত গিনেস বুকে আছে তার নাম। নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচ বা ঘাড় থেকে মাথায় বল নেওয়ার কসরতে দুইবার ভেঙেছেন বিশ্বরেকর্ড। একটি রেকর্ড এখনও টিকে আছে।

আর দশজন তরুণের মতোই আশিকুর রহমান জুবায়েরের সময় কাটে খেলা দেখে। টিভি আর ইউটিউবে প্রায় সারাক্ষণই দেখেন প্রিয় খেলা ফুটবল। মাঠে প্রিয় ফুটবলার রোনালদিনিয়োর পায়ের কাজ মুগ্ধ করে তাকে ছেলেবেলা থেকেই। এই ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির মত নিজেও শিখতে চাইতেন ফুটবলের নানা কলাকৌশল। ভিডিও দেখে ধীরে ধীরে শুরু করেন ফ্রি স্টাইল ফুটবল শেখা। তিন বছর অনুশীলন করার পর নাম লিখিয়েছেন গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

জুবায়েরের নামের পাশে এখন জ্বলজ্বল করছে ফ্রি স্টাইলিং জগতের রেকর্ড। বিশ্বখ্যাত গিনেস বুকে আছে তার নাম। নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচ বা ঘাড় থেকে মাথায় বল নেওয়ার কসরতে দুইবার ভেঙেছেন বিশ্বরেকর্ড। 

জুবায়ের প্রথম রেকর্ড গড়েন ২০১৯ সালের নভেম্বরে। এক মিনিট ক্যাটাগরিতে ৬৫ বার নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচ করে ভেঙে দেন তিন বছর আগের জার্মান ফ্রি স্টাইলার মের্কেল গুর্কের করা ৬২ ক্যাচের রেকর্ড। পরের মাসে অবশ্য আরেক বাংলাদেশি ফ্রি স্টাইলার মাহমুদ হাসান ফয়সালের কাছে রেকর্ড হারান জুবায়ের।

তার দ্বিতীয় রেকর্ডটিও আসে একই ইভেন্টে ৩০ সেকেন্ড ক্যাটাগরিতে। ভারতের তরুণ কুমার ২৯ বার নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচের রেকর্ড জুবায়ের টপকান ২০ এপ্রিল। ৩০ সেকেন্ডে ৩৩ বার করেন নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচ। গিনেস বুকের কাছ থেকে ১৭ আগস্ট দ্বিতীয় রেকর্ডের স্বীকৃতি পান।

২২ বছরের জুবায়ের পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবল নিয়ে প্রায় সময়ই অন্যরকম কিছু করার অনুশীলন করতেন। সেখান থেকেই মাথায় আসে গিনেস বুকে নাম তোলার চিন্তা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ফ্রি স্টাইলকে নিয়ে যেতে চান। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, 'ফ্রি স্টাইলে আরও ভালো করার জন্য সবার সমর্থন চাই। সবার সমর্থন পেলে আমি দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারব এবং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারব।'

চার ভাই বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট জুবায়ের পড়ছেন বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষে। থাকেন বাবা জালাল আহম্মেদ ও মা রোকসানা আহম্মেদের সঙ্গে ঝালকাঠির মসজিদ বাড়ি রোড এলাকায়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য