গেল মাসে প্রকট আর্থিক সংকটে পড়েন বেসরকারি চাকরিজীবি এইচ এম নূর। কোথায় মিলবে ১০ হাজার টাকা। কেউ যখন সাড়া দেয় না, তখন এগিয়ে আসে তারই এক বন্ধু। তবে টাকা দিয়ে নয়, সন্ধান দেন একটি অনলাইন প্লাটফর্মের। নাম ‘র্যাপিড ক্যাশ’।
অদৃশ্য এই প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যক্তিগত সব তথ্য তুলে দিতে হবে- এই শর্তে রাজি না হয়ে সরে আসেন নূর। বলেন, কে ঋণ দিচ্ছে তা জানি না। লেনদেনের কোনো বৈধতা আছে কি না তাও জানা নেই। বিপদে পড়ার ভয়ে টাকা নেয়া হয়নি।
হ্যাঁ, খুবই সহজ উপায়। মোবাইলে একটি অ্যাপস ডাউনলোড করুন। তথ্য দিন, পেয়ে যাবেন ঋণ। প্রশ্ন আসতে পারে, ঋণ পাওয়া কি এতই সহজ! অনলাইনে ঋণ দেয়ার প্রলোভন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে একাধিক অ্যাপস। সেখানে জুড়ে দেয়া হচ্ছে শর্ত; মেনে নিলে পাওয়া যাচ্ছে ঋণ।
তবে, এই অর্থ লেনদেনকে অবৈধ বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
হাতের নাগালে এখন র্যাপিড ক্যাশ, স্বাধীনসহ নানান অ্যাপস। ইউটিউবে এসব অ্যাপসের রিভিউও দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ঋণ দেয়ার নিয়ম যেমন তুলে ধরা হচ্ছে, অন্যদিকে প্রতারিত হওয়ার মতো তথ্যও দিচ্ছেন কেউ কেউ। কিন্তু এসব অ্যাপস পরিচালনাকারীদের তথ্য উপাত্ত প্রকাশ করা হচ্ছে না। এর মাধ্যমে নাগরিকদের সকল গোপন তথ্য নেয়া হলেও দেখার কেউ নেই।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যাংক কোনো ঋণ দেয়ার আগে গ্রাহকের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেয়। কিন্তু কোনো চক্র যদি অনলাইনে এমন অ্যাপস খুলে ঋণ দিতে চায় সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু করার থাকে না।
‘কারণ, বারবার গ্রাহককে বিভিন্নভাবে সতর্ক করা হয়েছে এসব ফাঁদে যেন না পড়ে। কিন্তু এরপরও এক শ্রেণি এটার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সাধারণ নিরীহ মানুষ এদের ফাঁদে পা দিচ্ছে।’
অনলাইন প্লাটফর্মে বেশ আলোচিত অ্যাপস ‘র্যাপিড লোন’। মোবাইলে অ্যাপসটি নামালে নিয়মনীতি তুলে ধরা হয়। সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ দেয় এই অ্যাপস, যা ১২০ দিনের মধ্যে পরিশোধের শর্ত যুক্ত করা হচ্ছে। তবে, ঋণের পরিমাণ কম হলে সময় কমিয়ে নির্ধারণ হয়।
অ্যাপসে ঋণ প্রক্রিয়া
মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে অ্যাপসে নিবন্ধন করতে হয়। প্রবেশের পর স্পিন কুপনের সঙ্গে পরিচয় করানো হয়। ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করার শর্ত রয়েছে। নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, এনআইডি কার্ডের নম্বর, ছবি, এনআইডি কার্ডের সঙ্গে সেলফি যুক্ত করে পূরণ করতে হয়। ঠিকানার সঙ্গে এলাকা, সড়ক নম্বর, পাড়া, মহল্লা যুক্ত করতে হয়। পরিবারের সদস্য, আত্নীয় স্বজন সংখ্যা এবং পেশাও তুলে ধরার শর্ত যুক্ত করে দিচ্ছে অ্যাপস র্যাপিড লোন।
দেখা যায়, যারা প্রথম গ্রাহক তাদেরকে সচরাচর ২০০০ টাকা ঋণ দেয়া হয়। আর ২০০০ টাকা ঋণ চাহিদা দিলে, অ্যাপসটি গ্রাহককে দেবে ১৬৮৫ টাকা। তবে, পরিশোধ করতে হবে ২০০৫ টাকা। এক্ষেত্রে কেটে রাখা হবে ৩১৫ টাকা। ঋণ পরিশোধের শর্ত দেয়া হয় সাত দিন। তবে, প্রথম গ্রাহককে কম পরিমাণ অর্থাৎ ১০০০ টাকাও সর্বনিম্ন ঋণ দেয়া হয়।
ঋণ দেবার ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জের নামে হচ্ছে ছলচাতুরি। বলা হয়, অ্যাপ্লিকেশন ফি বাবদ ১২০ টাকা, ডাটা অ্যানালাইসিস ফি ১৮০ টাকা, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট ১৫ টাকা এবং সুদ বাবদ ৫ টাকা কেটে রাখা যুক্তি দেয়া হয়। তবে, পরিমাণ যতো বেশি হবে টাকা কেটে রাখার প্রবণতাও বেশি।
ঋণদাতা কারা?
তথাকথিত ঋণের টাকা গ্রাহককে পরিশোধ করা হচ্ছে বিকাশ অথবা নগদ অ্যাকাউন্টে। অর্থাৎ অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। ‘র্যাপিড ক্যাশ’ অ্যাপসে যোগাযোগের কোনো ফোন নম্বর দেয়া নেই।
অ্যাপসে বলা আছে, ‘আমরা কোনো ব্যাংক নই। কিন্তু আমরা অনলাইন মার্কেট প্লেসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঋণ গ্রহণকারীদের সংযুক্ত করি।’
কিন্তু ঋণ দেয়কে বা বিনিয়োগকারী কারা তার কোনো তথ্য দেয়া নেই।
অনলাইন চ্যাটের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়, কোন মানদণ্ডে এসব ঋণ দেয়া হয়? উত্তর আসে, এআই প্রযুক্তি আপনার ঋণ বিভিন্ন যুক্তিবিজ্ঞান এবং গাণিতিক পরিভাষার মাধ্যমে পর্যালোচনা করে থাকবে।
এই ঋণ দেয়া এবং নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অথবা কোনো সম্মতি আছে কি না? এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেয়নি র্যাপিড ক্যাশ।
প্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশ্লেষক লিপন মুস্তাফিজ জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনকৃত প্রতিষ্ঠানই শুধুমাত্র ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। কিন্তু অনলাইনে ব্যাংকের বাইরে এ ধরনের অ্যাপসের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল সুবিধার অপব্যবহার হচ্ছে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা থাকছে না। সার্ভিস চার্জের নামে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বড় অংকের অর্থ।’
এ বিষয়ে সিআইডির সাইবার শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসপি) রেজাউল মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অ্যাপসের মাধ্যমে ঋণ দিতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হয়। আবার ওয়েবপেজভিত্তিক ব্যবসা করতে চাইলে ই কমার্স, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। এসব অনুমোদন না নিয়ে যদি তারা ঋণ বা লভ্যাংশ দেয়, তবে অবশ্যই সেটা প্রতারণা।’
তিনি জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তারা এখনও পাননি। যদি কেউ অভিযোগ করে যে প্রতারিত হয়েছে, তাহলে অবশ্যই বিষয়টি তদন্ত করা হবে।
ছবি: সংগৃহীত
ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব করা হয়, যা সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের সম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।
অনুষ্ঠানে এমটিবি’র পরিচালক, মোঃ আব্দুল মালেক-এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি’র পরিচালকবৃন্দ, খাজা নারগীছ হোসেন, ড্যানিয়েল ডি ল্যাঞ্জ (নরফান্ড কর্তৃক মনোনীত), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ, ড. মোহাম্মদ তারেক, চেয়ারম্যান, বোর্ড অডিট কমিটি, শিব নারায়ন কৈরী এবং জেরিন মাহমুদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ডিএমডি ও কোম্পানী সেক্রেটারী, রেইস উদ্দীন আহমেদ, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণ।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে এই স্টক ডিভিডেন্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়।
ছবি: সংগৃহীত
‘রাইজ টুগেদার’ স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।
সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।
সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত। সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরস্কৃত করা হয়। ছিলো র্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।
ছবি: সংগৃহীত
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র বিচারাধীন মামলাসমূহের নিয়মিত মনিটরিং এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল’ ডিভিশনের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একই সঙ্গে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইন অনুবিভাগ) আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি।
সভাপতিত্ব করেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন। সভায় মহাব্যবস্থাপক (ল’) মোহাম্মদ ফজলুল করিম এবং চিফ ল’ অফিসার মশিউর রহমান চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান, অঞ্চল প্রধান, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সারাদেশের শাখা প্রধান ও ব্যবস্থাপক এবং মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
ছবি: সংগৃহীত
মানবসম্পদ কৌশল নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' থেকে টানা সপ্তমবার ‘টপ এমপ্লয়ার’স্বীকৃতি পেল ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ।
বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশে উৎকর্ষ মূল্যায়নের জন্য পরিচিত 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল কৌশল, কর্মপরিবেশ, মেধাবী কর্মী নিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের কল্যাণসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করে থাকে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএটি দাবি করছে, মূল্যায়নে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তারা সকল বিভাগেই ‘শীর্ষ স্কোরপ্রাপ্তদের অন্যতম’ ছিল।
বিএটি বাংলাদেশের হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ বলেন, “টপ এমপ্লয়ার সনদ আমাদের নীতি ও কার্যপ্রণালীগুলোকে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের বিপরীতে মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে।
“একই সঙ্গে এটি আমাদের আরও এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে আমরা আমাদের কর্মীদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে কীভাবে সহায়তা করছি, তা ধারাবাহিকভাবে পর্যালোচনা, পরিমার্জন ও আরও শক্তিশালী করতে পারি।”
ছবি: সংগৃহীত
বিয়ের মৌসুম কিংবা বছরের যেকোনো সময়ে স্বপ্নের আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আকর্ষণীয় ওয়েডিং প্যাকেজ ও এক্সক্লুসিভ অফার দিচ্ছে পাঁচতারকা হোটেল ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। বিয়ের পাশাপাশি গায়ে হলুদ, মেহেদি সন্ধ্যা, বৌভাত, জন্মদিন কিংবা কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু, সুস্বাদু ক্যাটারিং এবং পেশাদার সেবা নিয়ে প্রস্তুত হোটেলটি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সিলভার, গোল্ড ও প্রিমিয়াম— এই তিন ধরনের ওয়েডিং প্যাকেজের পাশাপাশি কমপ্লিমেন্টারি ভেন্যু, ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, আকর্ষণীয় সাজসজ্জা এবং কমপ্লিমেন্টারি রুমসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা রিজেন্সির ১৪ তলায় অবস্থিত ৫,৭২১ বর্গফুটের ‘সেলিব্রেশন হল’-এ একসঙ্গে প্রায় ৫০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল জনপ্রিয় রুফটপ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ‘গ্রিল অন দ্য স্কাইলাইন’ এবং আরও ৬টি সুসজ্জিত ব্যাংকোয়েট হল রয়েছে, যা ছোট-বড় সব ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে ছোট হলরুমগুলোতে ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাগম সম্ভব, যা ছোট পরিসরে বিয়ের আয়োজন, জন্মদিন উদ্যাপন, সংবাদ সম্মেলন কিংবা কর্পোরেট মিটিংয়ের জন্য বেশ মানানসই। হোটেলের অভিজ্ঞ কর্মীরা বসার সুব্যবস্থা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং পর্যন্ত প্রতিটি সেবা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে নিশ্চিত করে থাকেন।
বিয়ের অতিথিদের জন্য রুম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের জন্য রয়েছে বিশেষ হানিমুন স্টে প্যাকেজ। বুফে ব্রেকফাস্টসহ হানিমুন প্যাকেজের মূল্য ১৪,৯৯৯ টাকা এবং বুফে ব্রেকফাস্ট ও বুফে ডিনারসহ হানিমুন প্রিমিয়াম স্টে প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯,৯৯৯ টাকা। যারা নিখুঁত ভেন্যুর সন্ধান করছেন, তারা বুকিং বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০১৭১৩৩৩২৫১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অথবা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে পারেন।
ছবি: সংগৃহীত
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের আয়োজনে ব্যাংকের আওতাধীন বিভিন্ন শাখা ও টাঙ্গাইল করপোরেট শাখার প্রধানদের নিয়ে এক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এস. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার’স (জিএম) অফিস, ঢাকা নর্থের জিএম ইনচার্জ মোহাম্মদ ইসমাইল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন জিএম অফিস ঢাকা নর্থের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফেরদৌস সেরনিয়াবাত এবং টাঙ্গাইল করপোরেট শাখা প্রধান মোহাম্মদ মতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রিন্সিপাল অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও এর নিয়ন্ত্রণাধীন ১৬টি শাখার প্রধান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
এ সময় ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য