‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অনলাইনে নারী হয়রানি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অনলাইনে নারী হয়রানি’

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: ‘অনলাইনে নারী হয়রানি। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, ‘আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

তিনি বলেন, ‘নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে “আমার আইন, আমার অধিকার”। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।’

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মিথ্যা মামলা করার শাস্তি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মিথ্যা মামলা করার শাস্তি’

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ এবারের বিষয় মিথ্যা মামলা করার শাস্তি’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

এসআই বাবাকে আর্মি ক্যাপ্টেন মেয়ের স্যালুট

এসআই বাবাকে আর্মি ক্যাপ্টেন মেয়ের স্যালুট

পুলিশ বাবা ও আর্মি মেয়ের স্যালুট দেয়ার এই ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে।

‘বাবাকে স্যালুট করছে কন্যা! নাকি বাবা-কন্যাকে। যেটাই হোক ছবিটা বুকভরা ভালোবাসার আনন্দের। এমন দৃশ্য সিনেমায় দেখি কিন্তু বাস্তবে আজ দেখলাম।’

বাবা আব্দুস সালাম পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আর মেয়ে শাহনাজ পারভীন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন। একটি ছবিতে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় একে অপরকে হাত উঁচিয়ে স্যালুট দিতে দেখা যাচ্ছে তাদের।

দেশ সেবায় নিয়োজিত দুই বাহিনীর এই দুই কর্মকর্তার স্যালুট দেয়ার এই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। হাজারো মানুষের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা আর অভিনন্দন বার্তায় সিক্ত হচ্ছেন তারা।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্যালুট দেয়ার এমন একটি ছবি ভাইরাল হয় ফেসবুকে। ছবিতে দেখা যায় পুলিশের এক নারী কর্মকর্তাকে স্যালুট ঠুকছেন বাহিনীরই আরেকজন।

এমন ঘটনা অহরহ ঘটলেও এই ছবি দৃষ্টি কাড়ে সবার। কারণ যাকে স্যালুট দেয়া হচ্ছে তার সঙ্গে লোকটির সম্পর্ক রক্তের। বাবার স্বপ্ন পূরণ করে মেয়ে হয়েছেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট (ডিএসপি)। কর্মক্ষেত্রে তার সঙ্গে দেখা হয়ে যায় পুলিশের ইন্সপেক্টর বাবার। তখনই নিয়ম মেনে মেয়েকে স্যালুট দেন বাবা।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের পোস্ট করা ওই ছবির সঙ্গে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে রংপুরের পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুস সালামের পোস্ট করা ছবির। ছবিটি কোথায় তোলা সে সম্পর্কে না জানা গেলেও ধারণা করা হচ্ছে ছুটিতে বাবা-মেয়ের দেখা হলে একে অপরকে স্যালুট দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলায়। ১৯৯০ সালে পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি নেন তিনি। পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে তিনি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই)। কর্মরত আছেন রংপুরের গঙ্গাচড়া মডেল থানায়।

ব্যক্তিজীবনে আব্দুস সালাম তিন কন্যাসন্তানের জনক। ক্যাপ্টেন ডা. শাহনাজ পারভীন তার প্রথম কন্যা। মেজো মেয়ে উম্মে সালমা একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি পড়ছেন তৃতীয় বর্ষে। সবার ছোট স্মৃতিমনি মীম এবার এসএসসি দেবে।

আব্দুস সালাম জানান, শাহনাজ ছোটবেলা থেকেই মেধাবী। ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেন ২০১০ সালে। উত্তীর্ণ হন জিপিএ-৫ পেয়ে। এরপর ভর্তি হন ফুলবাড়ী ডিগ্রি কলেজে। ২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায়ও ভালো ফল করেন। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন ২০১৩-১৪ সেশনে।

সফলতার সঙ্গে এমবিবিএস পাস করার পর এ বছরই সেনাবাহিনীর আর্মি মেডিক্যাল কোরে সরাসরি ক্যাপ্টেন পদে আবেদন করেন। মেধা আর যোগ্যতায় চাকরি হয় সেনাবাহিনীতে।

তিনি বলেন, ‘দুদিন আগে আমরা ছবিটি তুলি। রোববার ছবিটি আমি ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করি। কিছুক্ষণের মধ্যে ছবিটি ভাইরাল হয়। ছবিটি সবাই শেয়ার করছেন, দোয়া করছেন। আমার খুব ভালো লাগছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি চাই আমার তিন কন্যাই আদর্শ মানুষ হোক। বড় মেয়ের সেনাবাহিনীতে চাকরি হওয়ায় আমি নিজেই গর্বিত।’

এসআই বাবাকে আর্মি ক্যাপ্টেন মেয়ের স্যালুট
ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট মেয়েকে পুলিশের ইন্সপেক্টর বাবার স্যালুট করার এই ছবি আলোড়ন তোলে ফেসবুকে

বাবা-মেয়ের ছবিটি রংপুর জেলা পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজেও আপলোড করা হয়। সেখানে হাজার হাজার কমেন্টস পড়েছে। শেয়ারও হয়েছে অনেক।

ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়, সন্তানের কাছে ধৈর্য, কষ্টসহিষ্ণু ও নৈতিক আদর্শের প্রতীক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারলেই কেবল এই ধরনের অসাধারণ মুহূর্তের উদ্ভব হয়। জেলা পুলিশ রংপুরের পক্ষ থেকে পিতা ও কন্যাকে আন্তরিক অভিনন্দন!

সেরাফুল ইসলাম হিমেল নামের একজন লেখেন, অস্থির পরিস্থিতির মাঝে এই ছবি শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। শুভ কামনা রইল দুইজনের প্রতি।

সৈয়দ মোহাম্মদ ইয়াসীর লেখেন, অনেক অনেক দোয়া ও শুভ কামনা রইল বাবা-মেয়ের জন্য।

পরিমল মজুমদার মুকুল লেখেন, বাবাকে স্যালুট করছে কন্যা! নাকি বাবা-কন্যাকে। যেটাই হোক ছবিটা বুকভরা ভালোবাসার আনন্দের। এমন দৃশ্য সিনেমায় দেখি কিন্তু বাস্তবে আজ দেখলাম।

মনির হায়দার নামের একজন লেখেন, বাহ! অনন্য সাধারণ।

নাজমুল হুদা নামের একজন লেখেন, গর্বিত পিতার গর্বিত সন্তান।

মহাবুব চয়ন নামের একজন লেখেন, অসাধারণ! মুখে কোনো ভাষা নেই আমার। সম্মানিত পিতার সম্মানিত কন্যা, আমার অভিবাদন গ্রহণ করো।

বাবা-মেয়ের স্যালুট দেয়া হাস্যোজ্জ্বল ছবিটি পুলিশের সদস্যরাও শেয়ার দিচ্ছেন। সহকর্মীর সন্তানের সেনাবাহিনীতে উচ্চ পদে চাকরিপ্রাপ্তির সংবাদে আনন্দিত তারা।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার জানান, ‘প্রতিটি বাবাই চায় তাদের সন্তান আদর্শ মানুষ হোক। ডা. শাহনাজ পারভীনের এমন সফলতায় আমরাও খুশি। তার মঙ্গল কামনা করি আমরা।’

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

রিকশাচালক শাফী যেভাবে ভাইরাল ইউটিউবার

রিকশাচালক শাফী যেভাবে ভাইরাল ইউটিউবার

ইউটিউবার শফিকুল ইসলাম ওরফে শাফী।

বেশি উপার্জনের আশায় ইউটিউবার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন শাফী। কেনেন পুরোনো একটি স্মার্টফোন। সেটি দিয়ে কিছুদিন কৌতুক ও হাস্যরসাত্মক ভিডিও আপ করেন। সেগুলোর আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাতে শুরু করেন। ‘ইমাম মাহদীর আগমনের আলামত’ শিরোনামে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরপরই তিনি ইউটিউবারের পরিচিতি পান।

মোংলার রিকশাচালক শফিকুল ইসলাম ওরফে শাফী। বেশি উপার্জনের আশায় নিজের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে বিতর্কিত বিভিন্ন ভিডিও আপ করে ‘হইচই’ ফেলে দিয়েছিলেন তিনি।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ৩৫ বছর বয়সী এই যুবক ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের জন্য মনগড়া ও উসকানিমূলক বিভিন্ন ভিডিও আপ করার কথা আদালতেও স্বীকার করেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার ইউটিউব চ্যানেলে ‘শান্তির আহ্বান’-এর সাবস্ক্রাইবার ৩ লাখ ২ হাজার। একই নামে ফেসবুক পেজে ফলোয়ার সংখ্যাও কাছাকাছি।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মোংলা বন্দরের শ্রমিক ফজলুল হকের ছেলে শাফীর সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত আলিয়া মাদ্রাসায় যাতায়াত ছিল। আর্থিক সংকটে মাদ্রাসা ছেড়ে রিকশা চালানো শুরু করেন তিনি; ভ্যান-টমটম চালানোও বাদ দেননি। একটা পর্যায়ে বেশি উপার্জনের জন্য মোংলা থেকে চলে যান চট্টগ্রাম শহরে। সেখানে কিছুদিন রিকশা চালানোর পর চাকরি নেন একটি পোশাক কারখানায়।

পরে রাজধানী ঢাকায় এসেও পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। তাতেও সুবিধা করতে না পেরে বেশি উপার্জনের আশায় ইউটিউবার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। কেনেন পুরোনো একটি স্মার্টফোন। সেটি দিয়ে কিছুদিন কৌতুক ও হাস্যরসাত্মক ভিডিও আপ করেন। সেগুলোর আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাতে শুরু করেন। ‘ইমাম মাহদীর আগমনের আলামত’ শিরোনামে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরপরই তিনি ইউটিউবারের পরিচিতি পান।

এরপর আরও বেশি উপার্জনের লোভে কোরআন-হাদিস নিয়ে অপব্যাখ্যা দিয়ে একের পর এক ভিডিও আপ করতে থাকেন। এভাবে বিভিন্ন বিতর্কিত ভিডিও আপ করে মাসে মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় করতেন শাফী।

সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করেন তিনি। এ অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) তাকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ডিএমপির সিটিটিসির সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের উপকমিশনার (ডিসি) আ ফ ম আল কিবরিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভিউ বাড়াতে সরকার ও ধর্ম নিয়ে মিথ্যা, মনগড়া ভিডিও বানিয়ে আপলোড করার অভিযোগে শাফীকে ২৮ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।’

সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের কর্মকর্তারা জানান, শাফীর কাছ থেকে উদ্ধারকৃত শত শত ভিডিও বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, এই রিকশাচালক গুগল থেকে কনটেন্ট সংগ্রহ করতেন। পরে সেগুলোতে ভয়েস দিয়ে বিতর্কিত ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপ করতেন। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বিতর্কিত নানা ইস্যুকে পুঁজি করতেন তিনি। এভাবে ‘বিকৃত ভিডিও’ বানিয়ে ভিউয়ার ও সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর চেষ্টা করতেন।

কর্মকর্তারা আরও জানান, সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে তার ‘শান্তির আহ্বান’ নামে ফেসবুক পেজের সন্ধান পাওয়া যায়। এই পেজ থেকে বিভিন্ন হাদিস অস্বীকার করা হতো। হাদিসের অপব্যাখ্যা করে ভিডিও শেয়ার করা হতো। ‘শান্তির আহ্বান’ নামেরই ইউটিউব চ্যানেল থেকেও একই ধরনের কনটেন্ট আপ করা হতো।

শাফী জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের অংশবিশেষ নিয়ে জোড়াতালি দিয়ে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তার ইউটিউব চ্যানেলে দিতেন। চ্যানেলটি ব্রাউজ করে আরও দেখা গেছে, আলোচিত প্রায় সব ঘটনা নিয়েই ভিডিও বানাতেন তিনি। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনগড়া বিভিন্ন বক্তব্যের সঙ্গে ছবি যুক্ত করতেন শাফী।

এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্ম, রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা চালান তিনি। প্রযুক্তির সহায়তায় তার ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল শনাক্ত করা হয়। সিটিটিসির সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপের নেতৃত্বে ২৮ জুলাই ঝালকাঠি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তার মোবাইল ফোনে ‘শান্তির আহ্বান’ নামের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ লগইন অবস্থায় পাওয়া যায়। ইউটিউব চ্যানেলটিতে এ ধরনের পাঁচ শতাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। সেই মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিমান্ডে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের জন্য মনগড়া ও উসকানিমূলক ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা ও প্রচারের কথা স্বীকার করেছেন শাফী।

সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের সহকারী কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ নিউজবাংলাকে জানান, রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে প্রায় সব অভিযোগই স্বীকার করেছেন তিনি। মোংলায় রিকশা চালিয়ে তেমন আয় না হওয়ায় ২০০১ সালের দিকে চট্টগ্রামের কলসি দিঘিরপাড় এলাকায় চলে যান শাফী। সেখানে কিছুদিন রিকশা চালানোর পর একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন। সেখানে একটি মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়।

সম্পর্কের অবনতি হলে ২০১১ সালে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় চলে যান। সেখানকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন। সেখানেও আরেক মেয়ের সঙ্গে তার প্রেম হয়। ২০১২ সালের মে মাসে তারা বিয়ে করেন। কিছুদিন পর শাফীর বাবা ঢাকায় তার বাসায় আসেন। কিছুদিন থাকার পর তিনি মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর ২০১৩ সালের শেষ দিকে স্ত্রীসহ মোংলায় মায়ের কাছে চলে যান শাফী।

সেখানে গিয়ে রিকশা, ভ্যান ও টমটম যখন যেটা সুবিধাজনক মনে হতো সেটাই চালাতেন। ২০১৪ সালের মে মাসে তিনি বাবা হন। উপার্জন কম হওয়ায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে টানাটানিতে পড়েন। এ অবস্থায় চলতে থাকলে ২০১৮ সালের দিকে একটি পুরোনো স্মার্টফোন কেনেন। ফেসবকু, ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো ব্যবহার শুরু করেন। কিছুদিন পর জানতে পারেন, ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায়। সংসারে আর্থিক সচ্ছলতা আনার জন্য তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখা শুরু করেন।

পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ জানান, শাফী ভ্যান-রিকশা চালানোর পাশাপাশি অবসর সময়ে ইউটিউবের ভিডিওতে দেখানো টিউটরিয়াল অনুসরণ করতে থাকেন। কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেন। কিন্তু সেসব চ্যানেলে আপ করা ভিডিওগুলোর পর্যাপ্ত ভিউ হচ্ছিল না। সেসব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবারও কম থাকায় অর্থ পাচ্ছিলেন না। তখন তিনি হাস্যরসাত্মক ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করে সেগুলো ওই সব চ্যানেলে আপ করতে থাকেন। কিন্তু সেগুলোও ভাইরাল না হওয়ায় অর্থ পেতেন না। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল ‘শান্তির আহ্বান’ নামে আরও একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলেন।

এই চ্যানেলের জন্য গুগল ও ফেসবুক থেকে কিছু ইসলামিক আর্টিকেল সংগ্রহ করেন। সেগুলোর সঙ্গে নিজের মনগড়া বক্তব্য জুড়ে দিয়ে ভিডিও বানিয়ে আপ করতে থাকেন। একই বছরের সেপ্টেম্বরে আরেকটি ছেলে হয় তাদের; বেড়ে যায় সংসারের খরচও। তখন ইউটিউব থেকে উপার্জনের জন্য আরও মনোযোগী হন। এর মধ্যে এক সন্তানের চিকিৎসার খরচ বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভিডিওর ভিউ বাড়াতে মনগড়া ও উসকানিমূলক আরও ভিডিও আপ করতে থাকেন।

একপর্যায়ে ‘ইমাম মাহদীর আগমের আলামত’ শিরোনামে একটি ভিডিও আপ করেন, যেটি ভাইরাল হয়। এরপর গুগল ও ফেসবুক থেকে ‘ইমাম মাহদী’-সম্পর্কিত বিভিন্ন আর্টকেল নিয়ে নিজের মনগড়া বক্তব্য জুড়ে ভিডিও বানাতে থাকেন। এর আগে তিনি প্রায় এক বছর ইউটিউব থেকেই ভিডিও এডিটিং শেখেন। কীভাবে ভিডিও আপলোড ও থাম্বনেল করতে হয় তাও শিখে নেন।

পুলিশ কর্মকর্তা ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ জানান, ইউটিউব চ্যানেল খোলা থেকে শুরু করে ভিডিও এডিটিং, আপলোড, থাম্বনেল বানানো, অ্যাডসেন্সের সঙ্গে চ্যানেল যুক্ত করা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে টাকা উত্তোলন পর্যন্ত সবকিছুই ইউটিউব থেকে শেখেন। তার দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার তিন-চার মাস পর ‘শান্তির আহ্বান’ চ্যানেল অর্থ উপার্জনের উপযুক্ত হয়। তবে ভোটার আইডি কার্ড না থাকায় স্ত্রীকে দিয়ে ইসলামী ব্যাংকের মোংলা শাখায় একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন।

এই ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রথম উপার্জন হিসেবে প্রায় ৩৭ হাজার টাকা তোলেন তারা। এরপর প্রায় প্রতি মাসেই ৩০-৪০ হাজার টাকা করে তুলেছেন। এ পর্যায়ে ভ্যান ও রিকশা চালানো ছেড়ে দিয়ে ইউটিউবের প্রতি আরও মনোযোগী হন শাফী। এর মধ্যে ভাস্কর্য ইস্যু নিয়ে একটি ভিডিও আপ করেন। সেই ভিডিওটিও ভাইরাল হয়। তখন থেকেই তিনি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিতর্কিত ভিডিও তৈরি করতে থাকেন। তার আয়ও বাড়তে থাকে।

সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, সরকারি বিষয় ছাড়া অন্য কোনো নিয়ে কথা বললে তেমন ভিউ হয় না। এ জন্য শাফী ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্য নিয়েই সরকারবিরোধী ভিডিও বানিয়ে আপ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করেন। যে ভিডিওতে তিনি মনগড়া নানা প্রশ্ন রেকর্ড করেন আর প্রধানমন্ত্রীর কথা কেটে কেটে জোড়া লাগান। একইভাবে কোরআনের একটি সুরারও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ভিডিও বানিয়ে আপ করেন।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮’

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

ইশতিয়াক আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের অডিওর ফরেনসিক চান সুমন

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের অডিওর ফরেনসিক চান সুমন

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের ফাঁস হওয়া কথোপকথনের ফররেনসিক চান সুমন।

একই সঙ্গে অডিও রেকর্ড ফাঁসের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানান সুমন।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুলের কথপোথকন ফাঁসের অডিও রেকর্ডের ফরেনসিক করে সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ও আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এক ফেসবুক লাইভে এসে মঙ্গলবার তিনি এ আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে অডিও রেকর্ড ফাঁসের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানান সুমন।

সম্প্রতি ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে অশানীল ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এর পিছনে ভর্তি বাণিজ্য নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণ উল্লেখ করা হয়।

ব্যারিস্টার সুমন ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, ‘একটা সময় ছিল যখন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ছিল খুব অ্যাডভান্সড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখলাম ভিকারুননিসার মেয়েরাই সব জায়গায় নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়, বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গায়।

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের অডিওর ফরেনসিক চান সুমন
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

‘আজকে আমি দেখলাম ভিকারুননিসার যিনি প্রিন্সিপাল তার একটা অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। অডিও রেকর্ড শুনে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। আমি যে বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই তা হলো, উনার যে অডিও রেকর্ড ফাঁস করা হইলো, এই ফাঁস করা কিন্তু আইনবিরুদ্ধ। মানুষের ব্যক্তিগত এমন কথাবার্তা ফাঁস হওয়া উচিত না। এটা আইনবিরুদ্ধ, সংবিধানবিরুদ্ধ।’

সুমন বলেন, ‘আরেকটা কথা হচ্ছে, আমি মনে করি যারা এই অডিও ফাঁস করেছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এটা সরকারকেই করতে হবে। কারা এমন একটি অডিও ভাইরাল করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়ে আসছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

‘সরকারের এখানে আরেকটা দায়িত্ব হচ্ছে, যদি অডিওটি সঠিক হয়ে থাকে, এটা যদি প্রিন্সিপাল সাহেবের অডিও বা কথোপকথন হয়ে থাকে তাহলে আমি বলব, এখানে আইনের বিষয় না, নৈতিকতার গ্রাউন্ডে একজন শিক্ষকের যে লেভেলের কথাবার্তা বলা উচিত তা তিনি মানেননি।’

সুমন আরও বলেন, ‘এই কথাবার্তাগুলো যদি সত্য হয়ে থাকে, উনি এক জায়গায় বলেছেন, আমি পিস্তল বালিশের নিচে নিয়ে ঘুমাই। এ ছাড়া বিভিন্ন কথা বলেছেন যেগুলো আসলে উচ্চারণ করার মতো না।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক এই প্রসিকিউটর বলেন, ভিকারুননিসার যারা সফল তারা আজকে কী কথা বলছেন, এক সময় হামিদা ম্যাডাম ছিলেন, তার সময় কী ভিকারুননিসা ছিল আর আজকে কী অবস্থা।’

শিক্ষামন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সুমন বলেন, ‘অডিওতে যে কথাবার্তা এগুলো যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, অডিওটির ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে উনার ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস করার জন্য আইনের আওতায় আনতে হবে। আমার আবেদন নৈতিক গ্রাউন্ডে তিনি যেন নিজে রিজাইন করেন, যদি উনি এই কথা বলেন থাকেন।

‘আর প্রমাণ যদি হয়, তাহলে আপাতত উনাকে ভিকারুননিসা থেকে সরিয়ে দেয়াটাই ভিকারুননিসার ভবিষ্যতের জন্য, বাংলাদেশে ভিকারুননিসার যেসব স্টুডেন্টরা নেতৃত্ব দেবে তাদের জন্য ভালো হবে।’

সরকারের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয় ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘যদি অডিও সত্যি হয় তাহলে এরকম কোনো মহিলা এমন একটা স্কুল ও কলেজের প্রিন্সপাল হতে পারেন না।

‘নৈতিক গ্রাউন্ডে যদি রিজাইন করার ন্যূনতম জায়গা থাকে তাহলে যেন এই ভদ্রমহিলা রিজাইন করেন, তাহলে ভালো একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেঁচে যাবে। ভিকারুননিসার সম্মান রক্ষা পাবে।’

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

পেগাসাসের কাছে আইফোনের তথ্য চেয়েছিল ফেসবুক!

পেগাসাসের কাছে আইফোনের তথ্য চেয়েছিল ফেসবুক!

এনএসও যুক্তরাষ্ট্রের আদালতকে জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের মালিক ফেসবুক তাদের কাছে ব্যবসায়িক সহায়তা চেয়েছিল। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, আইফোনের ব্যবহারকারীদের অভ্যাস কেমন, তারা কোন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করেন ও কতটা সময় সেগুলোর পেছনে ব্যয় করেন সেটা জানতে এনএসওর সহায়তা চেয়েছিল ফেসবুক।

ফোনে আড়ি পাতার ভয়ংকর স্পাইওয়্যার পেগাসাস নিয়ে আলোচনার ঝড় চলছে বিশ্বজুড়ে। তোপের মুখে রয়েছে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলি সফটওয়্যার ফার্ম এনএসও। জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়্যাটসঅ্যাপের প্রধান নির্বাহী উইল ক্যাথকার্টও মুখ খুলেছেন এ বিষয়ে। একই সঙ্গে বেরিয়ে এসেছে, অ্যাপলের আইফোনের ব্যবহারকারীদের অভ্যাস কেমন, তারা কোন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করেন ও কতটা সময় সেগুলোর পেছনে ব্যয় করেন সেটা জানতে এনএসওর সহায়তা চেয়েছিল ফেসবুক। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানকে দেয়া ক্যাথকার্টের সাক্ষাৎকার এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। নিউজবাংলার পাঠকের জন্য সেটি অনুবাদ করেছেন রুবাইদ ইফতেখার।

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলের এনএসও গ্রুপের প্রধানের বিবৃতিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। বিশ্ব জুড়ে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তির জন্য কোম্পানিটির সামরিক পর্যায়ের সফটওয়্যার ব্যবহার করার খবর সংবাদ মাধ্যমে আসার পর এমন চ্যালেঞ্জ জানালেন হোয়াটসঅ্যাপ সিইও উইল ক্যাথকার্ট।

এনএসও-এর পেগাসাস সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াটসঅ্যাপকেও হ্যাক করেছে। ওই ঘটনার পর ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ এনএসওর বিরুদ্ধে মামলা করেছে যেটি এখনও চলছে। তবে এনএসও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদক স্টেফানি কির্চগেজনারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্যাথকার্ট বলেন, ‘সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সঙ্গে আমরা দুই বছর আগে যে আক্রমণটিকে পরাস্ত করেছিলাম সেটি মিলে যায়। পেগাসাসের মাধ্যমে এমন অনেককেই টার্গেট করা হয়েছে যাদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তির কোনো ধরনের প্রয়োজন বা কারণ নেই।’

পেগাসাসের কাছে আইফোনের তথ্য চেয়েছিল ফেসবুক!
হোয়াটসঅ্যাপ সিইও উইল ক্যাথকার্ট

ফ্রান্সের অলাভজনক সংবাদমাধ্যম ফরবিডেন স্টোরিজের উদ্যোগে বিশ্বের ১৬টি সংবাদমাধ্যম পেগাসাসের নজরদারির তথ্য উদ্ঘাটনের প্রজেক্টে জড়িত। এর মধ্যে দ্য গার্ডিয়ান এবং ওয়াশিংটন পোস্টও রয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ হাজার ফোন নম্বর যাচাই করা হচ্ছে, যার মধ্যে অনেকগুলো ২০১৬ সালের। এই ফোন নম্বরগুলো এমন অনেক দেশের, যেখানকার সরকার এনএসওর ক্লায়েন্ট হিসেবে স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে।

ফরবিডেন স্টোরিজ ও এক সহযোগীরা প্রায় ১ হাজার নম্বর এরই মধ্যে শনাক্ত করেছে। এসব নম্বর আরব রাজ পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন দেশের অন্তত ৬৫ জন ব্যবসায়ী, ৮৫ জন মানবাধিকার কর্মী, ১৮৯ জন সাংবাদিক ও ছয় শরও বেশি রাজনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তা ব্যবহার করছেন।

তালিকায় বেশ কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নম্বরও রয়েছে। এর মধ্যে ফ্রান্সের ইমানুয়েল মাঁখো, ইরাকের বারহাম সালিহ ও সাউথ আফ্রিকার সিরিল রামাফোসা আছেন। আছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, মিশরের মোস্তাফা মাদবুলি এবং মরক্কোর সাদ এদ্দিন এল ওথমানির মতো সরকার প্রধান।

পেগাসাস যে কোনো স্মার্টফোনে আক্রমণ করতে পারে, এটি ডিভাইসটির টেক্সট, ফটো, ভিডিও ও ইমেইল চুরি করতে পারে। ব্যবহারকারীর অজান্তে এর ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন চালু করে রিয়াল টাইম নজরদারি চালাতে পারে।

হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, তাদের অ্যাপকে আক্রমণ করে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোন দখল নেয়ার জন্য পেগাসাস ব্যবহার করা হয়েছে। কোম্পানিটি জানায়, তারা ১৪০০ স্মার্টফোনের হদিস পেয়েছে, যেগুলোকে দুই সপ্তাহের মধ্যে হ্যাক করা হয়।

ক্যাথকার্ট বলেন, ‘আমরা ওই অল্প সময়ের মধ্যে ১৪০০ জন ভুক্তভোগীকে খুঁজে পেয়েছি। এখান থেকে যেটা বোঝা যায়, আরও দীর্ঘ সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হওয়া ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে।’

ব্যবহারকারীদের ডিভাইস ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত করার অভিযোগ এনে, হোয়াটসঅ্যাপ ২০১৯ সালে এনএসওর বিরুদ্ধে মামলা করে।
তবে আদালতে ‘সার্বভৌম দায়মুক্তি’ দাবি করে এনএসও। কোম্পানিটির যুক্তি ছিল, তাদের ক্লায়েন্টরা বিভিন্ন দেশের পরীক্ষিত সরকার, আর আইন অনুযায়ী কোনো সরকারের বিরুদ্ধে তাদের বৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য মামলা করা যায় না।

আদালতে প্রদর্শিত এক নথিতে এনএসওর বলেছে, ‘সিস্টেম চালাতে, ব্যবস্থাপনা করতে, ঠিকঠাক মতো ব্যবহার করতে এবং সফটওয়্যারের টেকনিক্যাল ইস্যু সমাধানে ব্যবহারকারীদের সহায়তা দেবে কোম্পানি।’

পেগাসাসের কাছে আইফোনের তথ্য চেয়েছিল ফেসবুক!

আরেকটি নথিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন কোনো আক্রমণের জন্য ইনস্টল করতে চাইলে পেগাসাস সিস্টেমের অপারেটরকে শুধু টার্গেটের ফোন নম্বরটি দিতে হবে। বাকি কাজ সিস্টেমই নিজে থেকে করে নেবে। এতে করে টার্গেট করা ডিভাইসে একটি ম্যালওয়্যার ইন্সটল হয়ে যাবে।’

ক্যালিফর্নিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের এক বিচারক পরে রুল জারি করে বলেন, এই মামলা চলতে পারে, কারণ বোঝা যাচ্ছে এনএসওর হাতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। যদিও এনএসও জোর দিয়ে বলছে, তারা কেবল ক্লায়েন্টের অনুমতি পাওয়ার পরই ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের নবম সার্কিটের কোর্ট অফ অ্যাপিলস আপিল গ্রহণ করে বিচারকের রুল শুনেছে, তবে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি।

এনএসও আদালতে এক পর্যায়ে এটাও জানায়, হোয়াটসঅ্যাপের মালিক ফেসবুক তাদের কাছে ব্যবসায়িক সহায়তা চেয়েছিল। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, আইফোনের ব্যবহারকারীদের অভ্যাস কেমন, তারা কোন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করেন ও কতটা সময় সেগুলোর পেছনে ব্যয় করেন সেটা জানতে এনএসওর সহায়তা চেয়েছিল ফেসবুক। এনএসও জানিয়েছে তারা ফেসবুকের সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে, কারণ তারা শুধু সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করে।

পেগাসাস প্রজেক্টের জবাবে এনএসও জানায়, ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বরের যে তালিকা ফাঁস হয়েছে তার সঙ্গে এনএসও বা পেগাসাস জড়িত নয়, কারণ এনএসওর ক্লায়েন্টের অনুপাতে সংখ্যাটি ‘অনেক বড়’। কোম্পানিটির অপারেশনসের সঙ্গে পরিচিত একজন জানান, একেকটি ক্লায়েন্ট বছরে সাধারণত সর্বোচ্চ ১১২টি ফোনকে টার্গেট করে। এনএসওর দাবি ৪০টি দেশে তাদের ৬০ জন ক্লায়েন্ট রয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানকে দেয়া সাক্ষাত্কারে ক্যাথকার্ট এনএসও সম্পর্কে একই বিষয়টি উত্থাপন করেন যেটা তার কোম্পানি আদালতে বলেছে। হোয়াটসঅ্যাপ ও ক্যাথকার্টের দাবি, এনএসও তার ক্লায়েন্টদেরকে লাইসেন্স দেয়া সফটওয়্যার পরিচালনা করে বা ক্লায়েন্ট কাকে টার্গেট করছে সেটি তারা জানে।

গার্ডিয়ানকে ক্যাথকার্ট বলেন, ‘সফটওয়্যারকে খুব সহজেই পরিবর্তন করা যায়। তারা কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছে যে, তাদের সফটওয়্যারকে পরিবর্তন করা হচ্ছে না? বা তারা নিজেরাই এটিকে চালাচ্ছে না?’

তিনি আরও জানতে চান, এনএসও কীভাবে নিশ্চিত হয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের কান্ট্রি কোড +১ যুক্ত নম্বরগুলোকে টার্গেট করা হয় না?

ক্যাথকার্ট যোগ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নম্বর টার্গেট করা হচ্ছে না- এই দাবিতে তারা (এনএসও) এতোটা আত্মবিশ্বাসী কী করে হয়? এর কারণ কি এই যে, তারাই এটা চালাচ্ছে এবং তাদের কাছেই তালিকা (টার্গেটের) আছে? সেটাই যদি আসল ঘটনা হয়, তাহলে যা ঘটছে ও অপব্যবহারের জন্য কেন তারা দায়ী হবে না?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমেরিকানরা দেশের বাইরে যান, তারা বিদেশি নম্বর ব্যবহার করেন। বিশ্বজুড়ে সব মানুষের বা রাষ্ট্রদূতদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। ফোন নম্বরে কান্ট্রি কোড থাকল সেটা সুরক্ষিত হচ্ছে কী? ব্যাপারটা একটি আজগুবি না! ব্যাপারটা এমন যে, আপনি একটা মিসাইল ছুড়বেন যেটা পৃথিবীর নির্দিষ্ট একটা এলাকার বাইরে আর কিছুকে ধ্বংস করবে না। মিসাইল তো এভাবে কাজ করে না!।

ক্যাথকার্টের মন্তব্যের উত্তরের এনএসওর এক মুখপাত্র গার্ডিয়ানকে পাঠানো বিবৃতিতে বলেন, ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন অ্যাপের আড়ালে লুকিয়ে কাজ করতে থাকা পিডোফিলিয়া ও সন্ত্রাসীচক্র এবং অপরাধমূলক কাজের তদন্ত ও প্রতিরোধ করতে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীগুলোকে সহায়তা করা পেগাসাস ও সমমানের প্রযুক্তিগুলোর জন্যই বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ লোক রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছে এবং রাস্তার বেরোতে পারছে।’

‘আমরা আবারও বলতে চাই: এনএসও সফটওয়্যারটি চালায় না এবং প্রাপ্ত ডেটা আমাদের হাতে আসে না। আমাদের প্রযুক্তি পণ্য পরীক্ষিত সরকারগুলোর কাছে বিক্রি করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার নজরদারিতে ব্যবহার করা যায় না। আর যুক্তরাষ্ট্রের নম্বর ব্যবহারকারীর ডিভাইসকে আক্রান্ত করতে কখনওই কোনো বিদেশি গ্রাহককে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দেয়া হয়নি। প্রযুক্তির দিক থেকে এটা অসম্ভব।

‘জনাব ক্যার্থকার্টের কাছে এমন কোনো বিকল্প ব্যবস্থা আছে কী যেটা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ব্যবহার করা পিডোফাইল, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের চিহ্নিত করতে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সহায়তা করে?...থাকলে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে সেটা সম্পর্কে শুনব।’

পেগাসাসের কাছে আইফোনের তথ্য চেয়েছিল ফেসবুক!

হোয়্যাটসঅ্যাপের করা মামলায় বড় ইন্টারনেট ফার্মগুলো যোগ দিয়েছে এবং স্বেচ্ছায় তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল অ্যাপল। প্রজেক্টের করা ৩৭টি আইফোনের বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে তাদের ফোনগুলো পেগাসাস আক্রমণের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ।

তারপরও অ্যাপল জবাবে জানিয়েছে, তাদের অধিকাংশ ব্যবহারকারীর ফোন নিরাপদ।

ক্যাথকার্ট অন্যান্য ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর মতো অ্যাপলকেও মামলায় যোগ দিতে ও জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ ব্যবহারকারীকে এটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না- এমনটা বলাই যথেষ্ট নয়। হাজার হাজার ভুক্তভোগী আছেন। একজনের ফোন অনিরাপদ থাকা মানে সবার ফোন অনিরাপদে থাকা।’

সরকারের প্রতি এনএসও মতো কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান ক্যাথকার্ট।

তিনি বলেন, ‘আশা করছি আমরা এই মুহূর্তটা ভুলব না। আমরা যদি অনিরাপদ মোবাইল ফোন ও সফটওয়্যারের দিকে এগোতে থাকি থাকি তাহলে মানুষের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার পরিস্থিত কতটা খারাপ হয়ে যাবে সেটারই একটা ঝলক দেখা গেছে। আশা করছি, এই আলোচনাগুলো বদলাবে। আমার মতে এটা নির্ভর করছে, নিরাপত্তা হুমকি ও স্বাধীনতার প্রতি হুমকিগুলো নিয়ে সরকারের সচেতন হওয়ার ওপর।’

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন

বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বেথানিতে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ১২ বছর বয়সী বালকের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় সে শ্বাস নিতে এমন কি কোনো ধরনের সাড়াও দিতে পারছিল না।

কয়েক বছর ধরে টিকটক ব্যবহারকারী কিছু তরুণের মধ্যে বিপজ্জনক ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। চলতি বছর তেমন ট্রেন্ডে যুক্তরাষ্ট্রেই তিন শিশু নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া বিষয়টিকে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ। যেখানে অজ্ঞান হওয়ার আগ পর্যন্ত দম বন্ধ করে রাখতে হয় চ্যালেঞ্জগ্রহণকারীদের।

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বেথানিতে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ১২ বছর বয়সী বালকের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় সে শ্বাস নিতে এমন কি কোনো ধরনের সাড়াও দিতে পারছিল না।

ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক ওই বালককে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ধারণা করছে, ওই বালক ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েই মারা গেছে।

ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বেথানি পুলিশের কর্মকর্তা অ্যাঞ্জেলো ওরিফিস বলেন, ‘এটা এমন একটি চ্যালেঞ্জ, যেখানে শিশুরা দম বন্ধ করে রেখে অজ্ঞান হয়ে যেতে থাকে। একটা পর্যায় পর তারা আবার শ্বাস নিতে শুরু করে, এতে যে অনুভূতি হয়, তাতে তারা প্রচণ্ডরকম আনন্দ পায়।’

ভাইস ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ট্রেন্ডে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ওকলাহোমায় ওই এক বালকের মৃত্যুর ঘটনায় এটা প্রথম নয়। গত জুনে মেমফিসের ৯ বছরের এক শিশুও মারা যায়। তার পরিবার জানায়, সেও একই চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল। তারা তাদের শিশুকে ঘরের মধ্যে নিথর অবস্থায় পায়। তার গলায় বেল্ট বাঁধা ছিল।

তার আগে মার্চে কলোরাডো রাজ্যে ১২ বছর বসয়ী যমজ দুই ভাই একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জটি নিতে গিয়ে মারা যায়। তাদের নিথর দেহ পাওয়া যায় ফ্ল্যাটের বাথরুমে। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে ১৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায় তারা।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইতালিতে চ্যালেঞ্জ নিতে গিয়ে মারা যায় এক মেয়ে। এরপর ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য দেশটিতে যেন টিকটক ব্যবহার করতে না দেয়া হয় সেই দাবি ওঠে।

বেথনি পুলিশ বলছে, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেয়া লকডাউনে শিশুরা বাইরে বের হতে পারছে না। এতে তারা বিরক্ত হচ্ছে। সেই জায়গা দখল করেছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মাধ্যমগুলো তাদের প্রভাবিত করছে বেশি। বিষয়টি নিয়ে বাবা-মাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।’

বিষয়টি নিয়ে টিকটকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মাধ্যমটি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ আসলে নতুন কিছু নয়। বিপজ্জনক এই চ্যালেঞ্জটি বিভিন্ন নামে পরিচিতি পেয়ে এসেছে অনেক বছর আগে থেকেই; ‘দমবন্ধ খেলা’, ‘ফ্ল্যাটলাইনার’, ‘ক্যালিফোর্নিয়া হাই’ নামেও পরিচিত এটি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংস্থা জিএএসপি ২০০৫ সালে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার সময় এর অস্বাভাবিক অস্তিত্ব খুঁজে পায়। অবশ্য এটি ১৯৩০ দশক থেকেই চলে আসছে বলে তাদের দাবি।

দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র ২০১০ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৮২ শিশু ও কিশোর মারা গেছে যাদের বয়স ৬ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে।

গত কয়েক বছর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি ব্ল্যাকআউট।

২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ফায়ার চ্যালেঞ্জ নামে একটি ট্রেন্ড হয়। যেখানে তরল জ্বালানি গায়ে মেখে আগুন ধরিয়ে দিয়ে তা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অনেক শিশু-কিশোর আহত হয়।

সে বছরই টাইপড চ্যালেঞ্জ নামে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ট্রেন্ড হয়। যেখানে লন্ড্রির ডিটারজেন্ট কামড়ে খাওয়া হয়। সে চ্যালেঞ্জে শুধু শিশু বা কিশোর নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিও বিষক্রিয়ার শিকার হন।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’

শেয়ার করুন