‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘পাবলিক প্লেসে হয়রানি’

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: পাবলিক প্লেসে হয়রানি। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, ‘আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

তিনি বলেন, ‘নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে “আমার আইন, আমার অধিকার”। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।’

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরের কাছে পৌঁছেছে বুনো হাতির দলটি। ছবি: এএফপি

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন হাতির দলটি লক্ষ্য করে এগিয়ে চলেছে, সেই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টাই টেলিভিশনটিতে তাদের কর্মকাণ্ড লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একদল বুনো হাতি ৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের পর ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরের পাশে একটি বনে বিশ্রাম নেয়ার ছবি আলোড়ন তুলেছে।

হাতিগুলো এই পথ আসতে অন্তত ১০ লাখ ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন হাতির দলটি লক্ষ্য করে এগিয়ে চলেছে, সেই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টাই টেলিভিশনটিতে তাদের কর্মকাণ্ড লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে।

ইউনান প্রদেশে ১৫ সদস্যের হাতির দলটি চলার পথে বাড়িঘর, ফসল ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে জানায় চীন।

সোমবারের প্রকাশ করা চীনের টেলিভিশন সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে, হাতির পালটি ক্লান্ত হয়ে প্রদেশের রাজধানী শহর কুনমিং থেকে কিছু দূরের একটি বনে শুয়ে পড়েছে।

একটি ছবিতে দেখা যায়, একটি বাচ্চা তিনটি বড় হাতির মাঝখানে দুই পা উপরের দিকে তুলে ঘুমাচ্ছে। অন্যরাও শুয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছে।

আরেকটি ছবিতে সাতটি হাতিকে একসঙ্গে পড়ে ঘুমাতে দেখা যাচ্ছে। এই ছবি নেট দুনিয়ায় অসংখ্যবার শেয়ার হয়েছে।

যখন থেকে বুনো হাতির দলটি রওনা হয়, তখন থেকেই আলোচনা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যাত্রার ছবি হাজার হাজার শেয়ার হতে থাকে। নেট দুনিয়ায় অনেকটা আলোচনার জন্ম দেয় চীন সরকারের নেয়া পদক্ষেপেরও।

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম
৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের পর শান্তির ঘুমে বুনো হাতির দল। ছবি: এএফপি

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, হাতির দলটিকে তাদের যাত্রাপথে দেখভালের জন্য কর্তৃপক্ষ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য চার শতাধিক মানুষকে ভ্রাম্যমাণ হিসেবে তাদের আশপাশে থাকার জন্য নিয়োগ দিয়েছে চীন সরকার।

হাতির গতিবিধি সার্বক্ষণিক নজরে রাখতে ও টেলিভিশনে সম্প্রচার করতে ২৪ ঘণ্টা ড্রোন ব্যবহার হচ্ছে।

জনবহুল কুনমিং শহর থেকে হাতির পালটিকে দূরে রাখতে রাস্তার পাশে কনভয় ট্রাকগুলো সারিবদ্ধ করে অনেকটা ব্যারিকেড তৈরি করে রেখেছেন নিরাপত্তায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম
বুনো হাতির দলটির ওপর নজর রাখতে চীন সরকার চার শতাধিক লোক নিয়োগ দিয়েছে। ছবি: এএফপি

স্থানীয় সরকার গ্রামবাসীকে সতর্ক করে বলেছে, তারা যেন বাড়ির আশপাশে ভুট্টাগাছ বা অন্য কোনো ফসল না ফেলে, যেগুলো হাতিদের আকৃষ্ট করে।

কর্তৃপক্ষ হাতিদের এগোনোর সম্ভাব্য পথ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে। সেই সঙ্গে হাতিদের এরই মধ্যে অন্তত ২০০ টন খাবার সরবরাহও করেছে।

বিশেষজ্ঞরা এখনও কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না, কেন জন্মস্থান বা মূল আবাসস্থল থেকে হাতির দলটি সরে অন্য কোথাও যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন

ফ্রায়েড চিকেন অর্ডারে পেলেন ভাজা তোয়ালে

ফ্রায়েড চিকেন অর্ডারে পেলেন ভাজা তোয়ালে

চিকেন ফ্রাই অর্ডার করে ফিলিপাইনের এক নারী পেয়েছেন ভাজা তোয়ালে। ছবি: ফেসবুক

ফিলিপাইনের অ্যালিক পেরেজ নামের ওই নারী খাবারের পরিবর্তে ভাজা তোয়ালে পাওয়ার কয়েকটি ভিডিও ও ছবি শেয়ার করেছেন নিজের ফেসবুকে।

ফিলিপাইনে এক নারী তার ছেলের জন্য জনপ্রিয় এক খাবারের দোকান থেকে অনলাইনে ফ্রায়েড চিকেন অর্ডার করেন।

যখন তিনি সেই ফ্রায়েড চিকেন ডেলিভারি পান, তখন সেটি আর চিকেন ছিল না। তিনি পেয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জিনিস। ফ্রায়েড চিকেনের মতো দেখতে হলেও তিনি আসলে ডেলিভারি পেয়েছিলেন কড়া করে ভাজা তোয়ালে!

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যালিক পেরেজ নামের ওই নারী খাবারের পরিবর্তে ভাজা তোয়ালে পাওয়ার কয়েকটি ভিডিও ও ছবি শেয়ার করেছেন নিজের ফেসবুকে।

ভিডিও শেয়ারের পর নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি খুব সাড়া ফেলে। ভিডিওটিতে এক লাখের বেশি রি-অ্যাকশন, দুই হাজারের বেশি মন্তব্য এবং শেয়ার হয়েছে ৮৭ হাজারের বেশি।

খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জোলিবি ফুড করপোরেশন তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নজরে আনে ও প্রশ্নবিদ্ধ আউটলেটটি বন্ধ করে দেয়।

ফেসবুক পোস্টে অ্যালিক পেরেজ লেখেন, ‘আমার ছেলের জন্য আমি চিকেন ফ্রাই অর্ডার করি। সেটি দিয়ে গেলে প্রথমে আমি এক একটু খেতে চেষ্টা করি। কিন্তু সেটা ছিল খবুই শক্ত। আমি যখন হাত দিয়ে তা ছেঁড়ার চেষ্টা করি, তখন অবাক হয়ে দেখি সেটি একটি কড়া করে ভাজা তোয়ালে। এটি সত্যিই খুব বিরক্তিকর। কীভাবে একটি তোয়ালে ঘিতে দেয়া হলো, এমনকি এটি কড়া করে ভাজাও হলো?’

এরপরই তিনি ওই ছবি ও ভিডিওগুলো পোস্ট করেছেন ফেসবুকে।

অবশ্য এমন এক পণ্য অর্ডার করে অন্য পণ্য পাওয়ার বিষয়টি নতুন কিছু না। অনলাইনে এমন বিড়ম্বনার মধ্যে অনেকেই পড়েছেন।

কিছুদিন আগেও ভারতে এক ব্যক্তি মাউথওয়াশ অর্ডার করে পেয়েছেন একটি রেডমি স্মার্টফোন। অবশ্য পেরেজের কপালটা হয়তো খারাপ, তাই চিকেন ফ্রাইয়ের বদলে পেয়েছেন তোয়ালে ভাজা।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

ইশতিয়াক আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, ‘আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

তিনি বলেন, ‘নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে “আমার আইন, আমার অধিকার”। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।’

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন

ইউটিউব-ফেসবুককে আইনের আওতায় আনছে সরকার

ইউটিউব-ফেসবুককে আইনের আওতায় আনছে সরকার

আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মন্ত্রিসভার সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা চাই ফেসবুক, ইউটিউব নিবন্ধনের আওতায় আসুক। যাতে আমরা তাদের ধরতে পারি। কে কোথা থেকে কী করে, তার কিছুই পাওয়া যায় না। একজনের কারণে পাঁচজন সমালোচিত হয়, পাঁচজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

অপপ্রচার, বিজ্ঞাপনের অর্থ লেনদেনসহ নানা বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ইউটিউব ও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগযোগমাধ্যমগুলোকে নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে আইনের আওতায় আনতে চায় সরকার। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে এসব প্রতিষ্ঠানের অফিস খোলার বাধ্যবাধকতাও আরোপ করা হচ্ছে।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মন্ত্রিসভার সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘গুগল এবং অ্যামাজন ইতিমধ্যে তারা ভ্যাটের আওতায় এসেছে। রেজিস্ট্রেশন করেছে। আমরা চাই, অন্য যারা করেনি সেগুলো আইনের আওতায় রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসুক।’

‘আমরা চাই, ফেসবুক, ইউটিউব নিবন্ধনের আওতায় আসুক। যাতে আমরা তাদের ধরতে পারি। কে কোথা থেকে কী করে, তার কিছুই পাওয়া যায় না। একজনের কারণে পাঁচজন সমালোচিত হয়, পাঁচজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

সরকার সবার জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যেমন অনেকেই ভালো কাজ করছেন, অল্পসংখ্যক আবার এমন সব তথ্য-উপাত্ত দিয়ে মিথ্যাচার করেন, যা সকলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্যই হুমকিস্বরূপ।

‘এ জন্য আমরা বলেছি সবাই যেন রেজিস্ট্রেশন করে। আইনের আওতায় আসুক। তারা তাদের স্বাধীনমতো কাজ করুক। সংবাদ আদান-প্রদানে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপই সরকার করবে না।’

তবে অপরাধ করলে কাউকে ছাড় নয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যিনি অপরাধ করবেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদের সাফারিংস থাকবে না। সেই হিসেবে আমরা বলেছি, আমাদের বিটিআরসির চেয়ারম্যান সাহেবকে নির্দেশনা দিয়েছি।

‘একইভাবে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককেও নির্দেশনা দিয়েছি, (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে) যারা বিজ্ঞাপন দেয়, তারা টাকাটা কীভাবে দেয়। বাংলাদেশে যারা আছে, তাদের হিসাবটা পাওয়া যাবে। কিন্তু বিদেশে যারা বিজ্ঞাপন দেয়, যাদের রেজিস্ট্রেশন নাই… আর বিনা পয়সায় তো কেউ বিজ্ঞাপন প্রচার করে না। করলে তো সবারটা করত। তারা কারা যেসব কোম্পানি বিজ্ঞাপন দেয়, ওনারা কীভাবে দেয়- সেই তথ্য আগামী সভায় উপস্থাপন করতে হবে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতারা কীভাবে অর্থ পরিশোধ করে সেই তথ্যও খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মন্ত্রিসভা।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘যাদের বিজ্ঞাপন যায়, কীভাবে যায় এবং বিজ্ঞাপনের টাকা সেই প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে পেমেন্ট করে; সেটা কি লিগ্যালি করে, নাকি ইলিগ্যালি করে, ব্যাংকের মাধ্যমে যায়, নাকি হুন্ডির মাধ্যমে যায়- সেটা আমরা জানতে চেয়েছি। পরবর্তী সভায় সেই তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বাংলাদেশ ব্যাংককে সেই নির্দেশনা দিয়েছি।’

দেশে এসব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের একটা অফিস থাকাও দরকার বলে মনে করছে সরকার।

এ ব্যাপারে আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, ‘ইউটিউব, গুগল এসবের অফিস আমাদের এখানে না থাকার কারণে আমার মনে হয় অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণে আনা যায় না। আমাদের দেশে এত বেশি কাস্টমার, এগুলোর ব্যবহারকারী ফলে এখানে অফিস থাকা খুবই লাভজনক হবে। তারা যদি এই কথা না শোনে, তাহলে পরবর্তীতে আমরা ভেবে দেখব কী ব্যবস্থা নেয়া যায়। তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ অব্যাহত থাকবে। ভারতে তাদের অফিস আছে। অনুরূপভাবে বাংলাদেশেও যাতে তাদের অফিস থাকে। যাতে কোনো অন্যায় হলে আমরা বলতে পারি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই সবাই আইনের মধ্যে থাকুক। কারও ওপর আইনের অপপ্রয়োগ আমরা চাই না। আমরাও কারও দ্বারা আইনের অপপ্রয়োগের শিকার হতে চাই না।’

বিদেশে পণ্য পাঠাতে প্রেরকের এনআইডি লাগবে

বিদেশে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রেরকের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত থাকতে হবে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মন্ত্রিসভার সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘কারণ অনেক ক্ষেত্রে কে পার্সেল পাঠাল তাকে আর পাওয়া যায় না। সেটার মধ্যে কোনো অবৈধ জিনিস থাকতে পারে। পার্সেল বিমানবন্দরে স্ক্যানিং হবে এবং কে পাঠাল তার পূর্ণ ঠিকানা থাকতে হবে।’

যারা পণ্য পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘কাজেই যেখান থেকে পার্সেল পাঠানো হবে, পোস্ট অফিস হলে এনআইডির ছবি নিশ্চিত করে পার্সেল অ্যাকসেপ্ট করবেন। যাতে করে কোনো অবৈধ জিনিস থাকলে স্ক্যানিংয়ে ধরা পড়ে। যাতে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনতে পারি। পরে দেখা যাবে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন

টিকটক গ্রুপে নজরদারি

টিকটক গ্রুপে নজরদারি

টিকটক ভিডিও তৈরির ফাঁদে ফেলে ভারতে পাচার করে বাংলাদেশি তরুণীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অ্যাপটির বিভিন্ন গ্রুপে নজরদারির কথা জানিয়েছে পুলিশ। ফাইল ছবি

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, মানবপাচার ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর টিকটক নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের কার্যক্রম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘নেগেটিভলি’ দেখছে।

ছোট ভিডিও তৈরির প্ল্যাটফর্ম টিকটক সম্পর্কিত গ্রুপগুলোর ওপর নজরদারি শুরুর কথা জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ।

তিনি বলেন, মানবপাচার ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর টিকটক নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের কার্যক্রম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘নেগেটিভলি’ দেখছে।

নিজ কার্যালয়ে বুধবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এমন কথা জানান তিনি।

টিকটককেন্দ্রিক অপরাধ বন্ধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান শহীদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘টিকটকের কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এই পাচারকেন্দ্রিক অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। উঠতি বয়সী কিশোরী-তরুণীদের মডেল বা স্টার বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে পাচার করছে।

‘এ জন্য আমরা টিকটককে নেগেটিভলি দেখছি। টিকটককেন্দ্রিক অপচেষ্টা বন্ধে আমরা এটি আইনের আওতায় নিয়ে আসব।’

পাচারের শিকার ও পাচারকারীরা কীভাবে ভারতে যায়, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পাচারের শিকার ও পাচারকারীরা অবৈধভাবে ভারতে যায়। এরপর অবশ্য চক্রের ভারতীয়দের সহায়তায় আধার কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়। আধার কার্ড থাকলে ভারতে মুভমেন্ট করা যায়।’

সম্প্রতি ভারতের কেরালায় এক বাংলাদেশি তরুণীকে যৌন নিপীড়নের ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর ওই ঘটনায় ভারতে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশি এক তরুণ রিফাতুল ইসলাম হৃদয় বা ‘টিকটক হৃদয় বাবু’। বেঙ্গালুরুতে গ্রেপ্তার হৃদয় পালানোর সময় পায়ে গুলিবিদ্ধ হন।

ভারতে সেই বাংলাদেশি তরুণীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় হৃদয়ের বিরুদ্ধে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাতেও মামলা হয়েছে। ২৭ মে মানবপাচার প্রতিরোধ, দমন আইন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেন নির্যাতনের শিকার তরুণীর বাবা।

টিকটক হৃদয়কে দেশে ফেরত আনার চেষ্টা করার কথাও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন

‘মতপ্রকাশে বাধা ভারত নয়, টুইটার দেয়’

‘মতপ্রকাশে বাধা ভারত নয়, টুইটার দেয়’

ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভারতে মতপ্রকাশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা টুইটারের মতো বেসরকারি, লাভজনক, বিদেশি সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। বরং তা নিশ্চিত করা বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ও এর বলিষ্ঠ বিভিন্ন সংস্থার অঙ্গীকার।’

ভারতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় সম্ভাব্য হুমকি ও নতুন ডিজিটাল আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার। বৃহস্পতিবার দেয়া ওই বিবৃতির পাল্টা জবাব দিয়েছে দেশটির ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রণালয়।

ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টুইটারের উচিত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতকে নির্দেশ না দিয়ে আইন মেনে কাজ করা।

ডিজিটাল মাধ্যমের ওপর আরও কড়া নজরদারি চায় সরকার। এজন্য নতুন আইন করা হয়েছে। ২৬ মে থেকে কার্যকর হওয়া এই আইনের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটস্‌অ্যাপ।

সোমবার টুইটারের দিল্লি কার্যালয়ে যায় পুলিশ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এই আইনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে মাধ্যমটি।

‘‌ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা হুঁশিয়ারির মুখে’‌, এমন মন্তব্য করে এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে টুইটার।

নতুন আইন মেনে চলার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌যে মানুষগুলোকে আমরা পরিষেবা দিই, তাদের ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ভারতে আমাদের কর্মীদের নিয়ে এখন আমরা উদ্বেগে রয়েছি।’‌

টুইটারের এমন বক্তব্য ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও ভারতকে অপবাদ দেয়ার চেষ্টা’ হিসেবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে আইটি মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আইন প্রণয়ন ও নীতি ঠিক করা সার্বভৌম দেশের অধিকার। টুইটার কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ভারতের আইনি নীতি বিষয়ক কাঠামো কেমন হবে, সে বিষয়ে নির্দেশ দেয়ার অধিকার সামাজিক প্ল্যাটফর্মটির নেই।’

টুইটারের দিল্লি কার্যালয়ে পুলিশের যাওয়ার বিষয়ে ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘টুইটারসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ভারত সরকার পরিষ্কারভাবে বলতে চায়, এ দেশে তারা সবসময় নিরাপদে থাকবেন এবং তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের হুমকি নেই।’

মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে ভারতের সুদীর্ঘ গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ভারতে মতপ্রকাশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা টুইটারের মতো বেসরকারি, লাভজনক, বিদেশি সংস্থার দায়িত্ব নয়। বরং তা নিশ্চিত করা বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ও এর বলিষ্ঠ বিভিন্ন সংস্থার অঙ্গীকার।’

ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘টুইটারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ও সমালোচনা করার জনগণের অধিকারকে সম্মান জানায় ভারত। একই সঙ্গে মানুষের গোপনীয়তার অধিকারকেও সমানভাবে মর্যাদা দেয় ভারত সরকার।

‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় যদি কেউ হস্তক্ষেপ করে থাকে, তবে তা টুইটার নিজেই ও এর অস্বচ্ছ নীতি। এর ফলে মানুষের অ্যাকাউন্ট স্থগিত হয় ও নির্বিচারে টুইটবার্তা মুছে ফেলা হয়।’

আরও পড়ুন:
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’
বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে জানুন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’- এ
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’
‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘লকডাউনে পারিবারিক সহিংসতা’’

শেয়ার করুন