পিপিইর পর বোরকায় সেই যুবক

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক

মানসিক ভারসাম্যহীন সেই যুবকের পোশাক ঠিক করে দিচ্ছেন সুজন নামের এক ব্যক্তি। ছবি: নিউজবাংলা

আকাশ জানান, গোপনে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হলেও অনেক ভিউ, শেয়ার হয়েছে। কমেন্টও করেছেন অনেকে। পরে জানতে পারেন সাহায্যকারী ব্যক্তির নাম সুজন। তিনি নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা।

কুড়িয়ে পাওয়া পিপিই পরে ঘুরে বেড়ানো বরিশালের সেই মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে এবার দেখা গেছে বোরকায়।

তবে বোরকাটি ঠিকভাবে পরতে না পারায় এক পথচারী মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে সেটি ঠিক করে দিয়েছেন। সঙ্গে থাকা অন্যান্য পোশাকগুলোও ব্যাগে ভরে দেন। এরপর দেন অল্প কিছু টাকাও।

নগরীর নতুনবাজার এলাকার ভূঁইয়া পেট্রল পাম্পের সামনে বুধবার সন্ধ্যার পর এমন দৃশ্যের দেখা মেলে।

এ ঘটনা ভিডিও করে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন আকাশ দাস নামের এক যুবক।

ক্যাপশনে লেখেন, ‘আপনার মতো মানুষের দেখা পাওয়া অনেক কষ্টকর ভাইয়া।’

একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সঙ্গে অপরিচিত সেই ব্যক্তির এমন ব্যবহার অনেকেরই নজর কাড়ে।

নিউজবাংলাকে আকাশ জানান, গোপনে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হলেও অনেক ভিউ, শেয়ার হয়েছে। কমেন্টও করেছেন অনেকে। পরে জানতে পারেন সাহায্যকারী ব্যক্তির নাম সুজন। তিনি নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহৃত পিপিই ও নানা সুরক্ষাসামগ্রী নিয়ে ঘুরতে দেখা যায় তাকে। এ নিয়ে নিউজবাংলায় একটি সংবাদও প্রকাশ হয়।

এরপর হাসপাতালের করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এ বিষয়ে গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন বলেন, ‘এত বড় এই হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নাজুক। সেখানে করপোরেশন বর্জ্য নিতে চাচ্ছে না বলে শুনেছি। তা ছাড়া যারা স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী করোনা ইউনিটে ব্যবহার করছেন, তাদের সেগুলো নিজ দায়িত্বে নষ্ট করা কিংবা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা দরকার।

‘তা না হলে মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তির মতো অনেকেই সেগুলো কুড়িয়ে নিতে পারেন। এতে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা অনেক।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য