× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
It is recommended to bring all social media including Facebook under registration
google_news print-icon

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিবন্ধনে আনার সুপারিশ

ফেসবুকসহ-সামাজিক-যোগাযোগ-মাধ্যম-নিবন্ধনে-আনার-সুপারিশ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ফেসবুক-টুইটারসহ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে আইনানুগভাবে নিবন্ধনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে আইনানুগভাবে নিবন্ধনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার সুপারিশ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির ১২তম বৈঠকে এমন সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সদস্য বেগম সিমিন হোসেন (রিমি), মুহম্মদ শফিকুর রহমান, মো. মুরাদ হাসান ও খ. মমতা হেনা লাভলী অংশ নেন।

কমিটির ১১তম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিতকরণ ও গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে প্রদর্শিত অডিও-ভিডিও প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করে সারাদেশে প্রচারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল, অনলাইন/আইপি টেলিভিশন এবং অনলাইন রেডিও নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সচেতনভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে কমিটি।

‘The Censorship of Films Act, 1963 (Amended 2006)’ যুগোপযোগী করার জন্য ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন’ দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রণয়নে কার্যক্রম গ্রহণেরও সুপারিশ করা হয় বৈঠকে।

এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের অর্গানোগ্রাম (পদ সৃজন) ফাইলটি দ্রুত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানগণ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়া মরে গেছে
ফেসবুকের কল্যাণে ৩১ বছর পর জালালের দেশে ফেরা
সব ফিরে পেলেন জাকারবার্গ
আমাদের ক্ষমা করে দেন: ফেসবুক
জাকারবার্গ: ছিলেন সম্রাট, হলেন হতদরিদ্র

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Uber passengers will get special discounts on rides to Mana Bay

মানা বেতে যাতায়াতে বিশেষ ছাড় পাবেন উবার যাত্রীরা

মানা বেতে যাতায়াতে বিশেষ ছাড় পাবেন উবার যাত্রীরা দুই প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা মানা বেতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ ও উন্নত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পাবেন ছাড়। ছবি: উবার
গত ১১ জুন থেকে উবার যাত্রীরা মানা বেতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় উপভোগ করতে পারছেন। ICMANABAYRT2024 প্রমো কোড ব্যবহার করে যাত্রীরা ঢাকা-মানা বে-ঢাকায় পরবর্তী দুটি ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপে ১৪ শতাংশ ছাড় পাবেন।

গ্রাহকদের এক্সক্লুসিভ প্রমোশনাল অফারের উদ্দেশ্যে অংশীদারত্ব করেছে শীর্ষস্থানীয় রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবার ও দেশের প্রথম পলিনেশিয়ান থিমড ওয়াটার পার্ক মানা বে।

দুই প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা পার্কটিতে যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ ও উন্নত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পাবেন ছাড়।

গত ১১ জুন থেকে উবার যাত্রীরা মানা বেতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় উপভোগ করতে পারছেন।

ICMANABAYRT2024 প্রমো কোড ব্যবহার করে যাত্রীরা ঢাকা-মানা বে-ঢাকায় পরবর্তী দুটি ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপে ১৪ শতাংশ ছাড় পাবেন।

চার ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টা সময়ব্যাপী ইন্টারসিটি ট্রিপের ক্ষেত্রে এ ছাড় প্রযোজ্য। প্রত্যেক ব্যবহারকারী/যাত্রী দুটি ট্রিপের ক্ষেত্রে এ ছাড় পাবেন।

ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপ যাত্রীদের জন্য মানা বের এন্ট্রি টিকেটে ১৪ শতাংশ ছাড় দেবে প্রতিষ্ঠানটি। এ যাত্রীরা গাড়ি পার্কিংয়ের সময়ও পাবেন ১০ শতাংশ ছাড়। পাশাপাশি ইন্টারসিটি ওয়ান-ওয়ে চালকরা ২০ মিনিটের জন্য গাড়ি পার্কিং ফির ওপর ছাড় পাবেন।

এ অংশীদারত্বের লক্ষ্য হলো যাত্রীদের নিজের বাড়ি থেকে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো যাত্রাটি আরামদায়ক করে তোলা। এ প্রিমিয়াম ওয়াটার পার্কটি ভ্রমণে সবাইকে উৎসাহিত করে তোলাও এর আরেকটি উদ্দেশ্য।

উবার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড নাশিদ ফেরদৌস কামাল বলেন, ‘নিজেদের সেবার মান উন্নত করতে উবার সবসময়ই সচেষ্ট। বাংলাদেশের গ্রাহকদের সুবিধাজনক ও সহজলভ্য যাতায়াত ব্যবস্থা প্রদানে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মানা বের সাথে এ পার্টনারশিপও আমাদের সেই প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

‘ইন্টারসিটি যাত্রীদের সাশ্রয়ী ভাড়ায় মানা বেতে যাতায়াত এবং স্বাচ্ছন্দ্যে এর রাইডগুলো উপভোগ করার জন্য এটি চমৎকার সুযোগ।’

মানা বে ওয়াটার পার্কের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সেলিম খান সুরাত্তি বলেন, ‘উবারের মতো একটি ব্র্যান্ডের সাথে মিলিতভাবে কাজ করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এ পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা উবার গ্রাহকদের জন্য এক্সক্লুসিভ প্রমোশনাল অফার দিচ্ছি। ফলে মানা বেতে তাদের ভ্রমণ হয়ে উঠবে আরও আনন্দময়।

‘একসাথে কাজ করার মাধ্যমে গ্রাহকদের অসাধারণ সেবা ও সুবিধা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মানা বেতে তাদের দারুণ ও অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই।’

উবারের ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপ সার্ভিসের সাহায্যে যাত্রীরা শহরের বাইরে ভ্রমণের সময় একই গাড়ি ও চালককে এক বা একাধিক দিনের জন্য বুক করতে পারবেন।


যেভাবে মিলবে ছাড়

১. উবার অ্যাপের অ্যাকাউন্ট সেকশনে যান → পেমেন্ট → অ্যাড প্রমো কোড

২. প্রমো কোড ICMANABAYRT2024 লিখুন

৩. অ্যাপের হোমে গিয়ে ‘হোয়্যার টু’ বক্সটিতে লিখুন ‘মানা বে ওয়াটার পার্ক’ → রাউন্ড ট্রিপ সিলেক্ট করুন

৪. ট্রিপের ভাড়াসহ বুকিংয়ের অন্যান্য তথ্য ভালোভাবে দেখে নিয়ে ‘কনফার্ম ইন্টারসিটি’ ট্যাপ করুন

৫. রাইড উপভোগ করুন

আরও পড়ুন:
নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ বিআরটিএ ও উবারের
যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয়
দেশে উবারের যাত্রীরা ভুলে সবচেয়ে বেশি ফেলে যান যেসব জিনিস
ইফতার সেহরি কিংবা ঈদ শপিং, যাতায়াত হোক ঝামেলামুক্ত
‘২০২৮ সালের মধ্যে ঢাকার কর্মশক্তিতে যুক্ত হবেন ৩ লাখ নারী'

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Blink in favor of the popular small packages of the Internet

ইন্টারনেটের জনপ্রিয় ছোট ছোট প্যাকেজের পক্ষে পলক

ইন্টারনেটের জনপ্রিয় ছোট ছোট প্যাকেজের পক্ষে পলক সচিবালয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিনমন্ত্রী পলক বলেন, ‘যদি আমাদের ডাটা প্যাকেজ তিনটি থেকে বাড়াতে হয় বা অন্য কোনো ছোট প্যাকেজ কাজে লাগে বা মানুষের কাছে প্রিয় হয়, তাহলে গ্রাহকের যেটা প্রিয় বা পছন্দের, সেটা আমরা যাতে বিবেচনা করি, এটা তাদের বলেছি।’

ইন্টারনেট প্যাকেজগুলো রিভিউ করে জনপ্রিয় ছোট ছোট প্যাকেজ চালু রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সচিবালয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোমবার প্রতিমন্ত্রী পলক এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডাটা প্যাকেজ বেঁধে দেয়ার পর থেকে গ্রাহকদের মধ্যে একটা অসন্তোষ আছে। এছাড়া বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে বসেছিলাম। আমরা রিভিউ করছি। আমি বলেছি একটা রিপোর্ট দিতে।’

তিনি বলেন, ‘যদি আমাদের ডাটা প্যাকেজ তিনটি থেকে বাড়াতে হয় বা অন্য কোনো ছোট প্যাকেজ কাজে লাগে বা মানুষের কাছে প্রিয় হয়, তাহলে গ্রাহকের যেটা প্রিয় বা পছন্দের, সেটা আমরা যাতে বিবেচনা করি, এটা তাদের বলেছি।’

গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় মোবাইল ফোন অপারেটরদের ডাটা ও ডাটা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্যাকেজের নতুন নির্দেশিকা উদ্বোধন করেন।

এরপর গত ১৫ অক্টোবর মোবাইল ইন্টারনেটের তিন ধরনের সময়ের মেয়াদে প্যাকেজ কার্যকর হয়- ৩ দিন, ৭ দিন ও ১৫ দিন। এছাড়া ৩০ দিনের প্যাকেজের জায়গায় যথাক্রমে ৭ দিন, ৩০ দিন ও আনলিমিটেড প্যাকেজ চালু করা হয়।

ওই সময় ৩ দিনের প্যাকেজ তুলে দেয়া হয়। অসংখ্য প্যাকেজ থেকে সেসময় ৪০টি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়। ৩ দিনের মেয়াদ তুলে দেয়ার পক্ষে ওই সময় মন্ত্রী বলেন, ‘৩ দিনের মেয়াদে ১৫ জিবি ডাটা দিলে তা গ্রাহকের উপকারে আসে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মোবাইল অপারেটরগুলো ব্যবসায়িক স্বার্থে ডাটার মেয়াদ সীমিত রাখতে চায়। অসংখ্য প্যাকেজ থাকায় জনগণ বিভ্রান্তিতে পড়ছে।’

নতুন নির্দেশিকায় ৪০টি প্যাকেজ গ্রাহকদের স্বাচ্ছন্দ্য দেবে বলে জানিয়েছিলেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

আরও পড়ুন:
ইন্টারনেটে গতি ফিরতে আরও এক মাস
নেট দুনিয়ায় তথ্য বিক্রির ফাঁদ, পা দিলেই সর্বনাশ
১০ বছরে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৭ গুণ
৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক সমস্যার জন্য দায়ী ইন্টারনেট

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The government wants to ensure 100 paperless services by 2041

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতে কাগজহীন সেবা প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ: ২০৪১’ রূপকল্পের অংশ হিসেবে সব পরিষেবা সম্পূর্ণ কাগজহীন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, সরকারের লক্ষ্য শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড পরিষেবা প্রদান।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।’

এই রূপান্তরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- স্মার্ট বাংলাদেশ ধারণার মাধ্যমে ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি করে সব সেবা সহজলভ্য ও আন্তঃব্যবহারযোগ্য করে তোলা। এ ছাড়াও, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ড্যাশবোর্ড তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। খবর ইউএনবি

২০৪১ সালের মধ্যে, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে ৫০-এর ঘরে অবস্থান করার লক্ষ্যে নিজের অবস্থানের উন্নতিতে কাজ করছে সরকার। তাছাড়া প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ২২ শতাংশে উন্নীত করার চেষ্টাও চলমান।

সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে, সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, ব্যাপক সামাজিক কল্যাণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।

স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হলো, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্রিল্যান্সার, সিএমএসএমই উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাদের গড়ে তুলছে।

এই কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (এসইইডি)-ভিত্তিক সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ‘ওয়ান ফ্যামিলি ওয়ান সিড’ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ দেশজুড়ে উদ্যোক্তাদের একটি শক্তিশালী ভিত গড়ে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, ‘হার পাওয়ার প্রজেক্ট: এমপাওয়ারমেন্ট অফ উইমেন উইথ দ্য হেল্প অফ টেকনোলজি’ নামক একটি প্রকল্পও পরিচালনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে ৪৪টি জেলার ১৩০টি উপজেলার ২৫ হাজার ১২৫ জন নারীকে আইটি প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে এক মাসের মেন্টরশিপ ও একটি ল্যাপটপ দেয়া হয়।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করতে সরকার ‘ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যাকাডেমি’ (আইডিইএ) প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও স্টার্টআপকে উৎসাহিত করতে উদ্ভাবনের কেন্দ্রস্থলের বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ লঞ্চপ্যাড’ নামে ভেঞ্চার স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্টার্টআপগুলোকে আরও সহায়তা করতে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। এই কোম্পানি একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, যা স্টার্টআপগুলোর যাত্রা শুরু ও বেড়ে ওঠার সময় বিনিয়োগের মাধ্যমে সাহায্য করে এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতি প্রণয়নে যুক্ত করে।

এ ছাড়াও মিশন গভর্নমেন্ট ব্রেইনের (জি-ব্রেইন) অধীনে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উদ্যোগের বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, যেমন: পার্সোনালাইজড লার্নিং ইনভেস্টরজিপিটি, লজিপিটি, হেলথজিপিটি ও ক্লাইমেটজিপিটি। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য বিভিন্ন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে দক্ষতা ও পরিষেবা সরবরাহ বাড়ানো।

স্মার্ট প্রশাসনে রূপান্তরকে সহজতর করতে আরও বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ইমেইল নীতিমালা ২০১৮ এবং ৪৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১৮ হাজার ৪৩৪টি সরকারি অফিসকে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কে একীভূত করা।

এদিকে, কোনো বাড়তি ইউএসবি সিস্টেম বা ডঙ্গলের ব্যবহার ছাড়াই ই-সই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। এরইমধ্যে ২৭৩ জন কর্মকর্তা ই-সই ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল পৌরসভা পরিষেবা সিস্টেমের (ডিএমএসএস) কাজ চলছে।

কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সহায়তায় ৯টি পৌরসভা এবং একটি সিটি করপোরেশনে ই-পরিষেবা সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ৩২৯টি পৌরসভায় ১১টি ই-সেবা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে ‘ন্যাশনাল মিউনিসিপ্যাল ডিজিটাল সার্ভিস’ প্রকল্প।

সরকারি অফিসগুলোকে কাগজহীন করতে ৯টি মডিউলসহ একটি এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫টি মডিউল আইসিটি ও পরিকল্পনা বিভাগে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ ছাড়াও সরকার ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব নিরসনে চালু করা হয়েছে নাগরিকবান্ধব ওয়েব পোর্টাল ‘জনতার সরকার’। নাগরিক ও সরকারের মধ্যে স্বচ্ছ ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার্থে এই পোর্টাল বর্তমানে ১১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে যুক্ত করেছে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
One and a half million mobile handsets in one IMEI number

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট!

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট! বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিরা। ছবি: সংগৃহীত
টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

মোবাইল ফোনের পরিচয় বহন করে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি তথা আইএমইআই নম্বর। একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে একটি আইএমইআই নম্বর এবং দুটি সিম সংযুক্ত হয়- এমন মোবাইলে দুটি আইএমইআই নম্বর থাকে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে শুধু একটি আইএমইআই নম্বরের নিবন্ধন দিয়ে অন্তত দেড় লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গ্রাহকের হাতে চলে গেছে এসব অবৈধ মোবাইল ফোন। এমন অভিযোগ করেছেন দেশের মোবাইল উৎপাদকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে মোবাইল ডেটাবেজের উপাত্ত তুলে ধরে এ তথ্য জানান টেলিকম অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম।

টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় শাহেদ আলম বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে এখন পাঁচটি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এ ফোনগুলোর বিপরীতে একটি আইএমইআই নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করা আছে ১ লাখ ৫০ হাজারের ওপরে হ্যান্ডসেট। দেড় লাখ হ্যান্ডসেটে আছে একটিমাত্র আইএমইআই নম্বর; সব কপি।

‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর না হওয়া এবং গ্রে-মার্কেটের কারণে আমাদের জন্য একটি মোবাইল ডিভাইস লকিং গাইডলাইন দেয়া হয়েছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই গাইডলাইন কোনো কাজে আসছে না; কেননা এর শর্তগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। সেটে থাকা দুটি সিম স্লটের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে আরেকটা চালু রাখার ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে না।’

এ তথ্য জেনে চমকে ওঠেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘কী বলেন! এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’

এ সময় সেমিনারে উপস্থিত পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী।

জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে যখন অভিযান করি, তখন দেখি আপনাদের মতো এমন অফিস বানিয়ে তারা ব্যবসা করছে এবং হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে। এক অভিযানে ৭০০ মোবাইল জব্দ করি। চীনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ এনে তারা এ মোবাইলগুলো বানাচ্ছে; দুই-তিন মাস চালানোর পর তা নষ্ট হয়ে যায়। শুধু মোবাইল নয়, গাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখেছি। এক নম্বর দিয়ে ২৯টা গাড়ি চলছে।’

সেমিনারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোর নতুন সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ, সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক, এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনইআইআর বাস্তবায়ন করে উজবেকিস্তানে ৭০০ শতাংশ রাজস্ব বেড়েছে। আজারবাইজানের ৯৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখন নিবন্ধিত হয়েছে। নিবন্ধন জটিলতার কারণে বাংলাদেশে এনইআইআর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ মোবাইল অ্যাডাপশন ৪০ শতাংশ বাড়লে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৪.৮ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড অ্যাডাপশন হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১২ শতাংশ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রবিন।

সংগঠনের সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

সেমিনারে মোবাইল উৎপাদকরা দাবি করেন, লাগেজে আনা কর ফাঁকি দেয়া মোবাইল ফোন দেশের মার্কেটগুলোতে বাজারজাত বন্ধে সরকারের মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজরদারি বাড়াতে হবে।

তারা বলেন, এসব অবৈধ ফোন বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে ফোন কারখানাগুলো থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হবেন হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা।

হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা জানান, হ্যান্ডসেট সংযোজনে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেটের বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ লাগেজ-ব্যাগেজে আনা অবৈধ মোবাইল ফোনের দখলে। এতে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। টিকতে না পেরে স্মার্ট ও ফিচারফোন মিলিয়ে ৪০ লাখ উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান জোরদারের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেটকারের ভেতর ২৯৭টি স্মার্টফোন
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
AI Doctor feature added to Waltons smart fridge

ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত হলো ‘এআই ডক্টর’ ফিচার

ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত হলো ‘এআই ডক্টর’ ফিচার

ওয়ালটনের আইওটি (ইন্টারনেট অফ থিংস) সমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত করা হয়েছে ‘এআই ডক্টর’ ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ফিচার গ্রাহকের বাসায় ব্যবহৃত ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজের কুলিং পারফরম্যান্স, সেন্সরসহ অন্যান্য কম্পোনেন্টসে কোনো সমস্যা হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করে তৎক্ষণাৎ নিজেই সমাধানের চেষ্টা করবে।

যদি তা না পারে, তবে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে দেবে। নোটিফিকেশন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাসায় গিয়ে সমস্যার সমাধান করেবেন। ফলে গ্রাহক ফ্রিজের কোনো অস্বাভাবিকতা বোঝার অনেক আগেই পেয়ে যাবেন প্রয়োজনীয় বিক্রয়োত্তর সেবা।

বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম স্মার্ট ফ্রিজে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফিচার সংযোজন করেছে। এর মধ্য দিয়ে উৎকর্ষ ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির স্মার্ট ফ্রিজ উৎপাদনে বাংলাদেশকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেল ওয়ালটন।

রোববার সকালে রাজধানীর বসুবন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘এআই ডক্টর ফিচার’ উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকা ও ইভা রিজওয়ানা নিলু, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তাহসিনুল হক, ডেপুটি সিবিও আনিসুর রহমান মল্লিক, ফ্রিজ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (আরঅ্যান্ডআই) বিভাগের প্রধান আজমল ফেরদৌস বাপ্পী ও ডেপুটি হেড আব্দুল মালেকসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Buy Infinix smartphone on Eid and win a bike to visit Coxs Bazar

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ ‘ঈদ বোনানজা’ নামের ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার। ছবি: ইনফিনিক্স
গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

‘ঈদ বোনানজা’ নামের এ ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার।

ইনফিনিক্সের নির্দিষ্ট কিছু স্মার্টফোন কিনে বিশেষ মূল্যছাড়সহ এসব পুরস্কার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ক্যাম্পেইনটি চলবে ৫ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত।

ক্যাম্পেইনে ইনফিনিক্সের নোট ৩০ এবং ৪০ সিরিজ, হট ৩০ (৪+১২৮ এবং ৮+১২৮ জিবি সংস্করণ), হট ৪০ সিরিজ এবং স্মার্ট ৮ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো কিনলেই কেবল এ পুরস্কার পাওয়া যাবে।

ক্যাম্পেইন চলাকালে অফিশিয়াল স্টোর থেকে ইনফিনিক্সের এ মডেলগুলোর যেকোনো একটি কিনলে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে কক্সবাজার ভ্রমণ এবং একটি এক্সক্লুসিভ বাইক জেতার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বিশেষ পুরস্কার ছাড়াও ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক জিতে নিতে পারবেন। আর স্মার্টফোন কিনলেই থাকছে ১০০ টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

এ ছাড়া স্টক থাকা সাপেক্ষে নিশ্চিত উপহার হিসেবে গ্রাহকরা পেতে পারেন নেক ব্যান্ড, টি-শার্ট ও ছাতা।

গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ‘ঈদ বোনানজা’ ক্যাম্পেনইটির মূল লক্ষ্য আকর্ষণীয় সব পুরস্কার জেতার মাধ্যমে গ্রাহকদের ঈদ আনন্দ দ্বিগুণ করে তোলা।

ট্রেন্ডি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স সম্প্রতি নোট ৪০ সিরিজে প্রথমবারের মতো ওয়্যারলেস ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি চালু করেছে।

আরও পড়ুন:
পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Infinix Inbook X2 can be the daily companion of professionals

পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২

পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২ হালকা ওজনের ইনবুক এক্স২ ১৪.৮ মিলিমিটার পুরু এবং এর ওজন ১.২৪ কেজি। এটি সহজেই ব্যাগে এঁটে যায়। ফলে বহন করা খুবই সহজ। ছবি: ইনফিনিক্স
ইনফিনিক্সের ভাষ্য, সাশ্রয়ী মূল্যের এ ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করা যায়।

ব্যস্ত এ সময়ে সহজে বহনযোগ্য প্রযুক্তি পণ্য প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। আর কর্মজীবীদের জন্য যেকোনো জায়গায় বসে কাজ করতে পারাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি মাথায় রেখে ইনফিনিক্স নিয়ে এসেছে ইনবুক এক্স২ ল্যাপটপ, যা সহজেই বহন করা যায়।

ইনফিনিক্সের ভাষ্য, সাশ্রয়ী মূল্যের এ ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করা যায়।

হালকা ওজনের ইনবুক এক্স২ ১৪.৮ মিলিমিটার পুরু এবং এর ওজন ১.২৪ কেজি। এটি সহজেই ব্যাগে এঁটে যায়। ফলে বহন করা খুবই সহজ।

ল্যাপটপটির ৫০ ওয়াট-আওয়ারের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির ফলে ব্যবহারকারীরা নিশ্চিন্তে দিনভর কাজ করে যেতে পারেন। ফলে চার্জ দেয়া নিয়ে বাড়তি চিন্তা করতে হয় না। এ ছাড়া এর ৪৫ ওয়াটের টাইপ-সি চার্জারটি ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। এতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ব্যাটারি চার্জ করে নেয়া যায়।

আকারে খুব বেশি বড় না হলেও ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২তে আছে ১১তম প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই৫ প্রসেসর। ফলে যেকোনো জায়গায় বসেই অফিসের কাজ অনায়েসেই সেরে নেয়া যাবে।

ইনফিনিক্সের নিজস্ব কুলিং সিস্টেম ‘আইস স্টর্ম ১.০’-এর সাহায্যে প্রসেসর দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। ফলে ডিভাইসটি কোনো ঝামেলা ছাড়াই কার্যকরভাবে চলতে পারে।

দুর্দান্ত ভিজ্যুয়ালের জন্য ল্যাপটপটিতে যুক্ত করা হয়েছে ১০০ শতাংশ এসআরজিবি প্রফেশনাল ডিসপ্লে। এর ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলের রেজুল্যুশনের ১৪ ইঞ্চি এফএইচডি আইপিএস স্ক্রিনের সাহায্যে চলতি পথেই ভিডিও কনফারেন্সিং, প্রেজেন্টেশন ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের মতো কাজ করা যায়।

এ ছাড়া লাইভ মিটিং বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের সময় চেহারাকে স্পষ্ট করে তুলতে ইনবুক এক্স২-এর এইচডি ক্যামেরার সঙ্গে আছে ডুয়েল এলইডি ফিল লাইট। ল্যাপটপটির দুই স্তরের স্টিরিও ডিজাইনের সাহায্যে ঘরের ভেতরে ও বাইরে সুন্দরভাবে মিডিয়া উপভোগ করা যায়।

কানেকটিভিটির প্রয়োজন মেটাতে ল্যাপটপটিতে বিভিন্ন ধরনের পোর্ট সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে আছে দুটি টাইপ-সি পোর্ট, দুটি ইউএসবি পোর্ট, এইচডিএমআই, একটি কার্ড স্লট এবং একটি হেডফোন জ্যাক। ফলে কর্মজীবীরা সহজেই ল্যাপটপটিকে বিভিন্ন ডিভাইস ও পেরিফেরালের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন প্রয়োজনমতো।

বহনযোগ্য ল্যাপটপ ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২-এর বাজারমূল্য ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা, তবে ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ইনফিনিক্সের এ ল্যাপটপের দাম আরও কমতে পারে, যা সহজে বহনযোগ্য এই ল্যাপটপটিকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলবে।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স

মন্তব্য

p
উপরে