× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
A dog can see through its nose
hear-news
player
google_news print-icon

নাক দিয়েও দেখতে পায় কুকুর

নাক-দিয়েও-দেখতে-পায়-কুকুর
কুকুরের নাক থেকে অক্সিপিটাল লোব পর্যন্ত সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ছবি: সংগৃহীত
গবেষকেরা বলছেন, কোনো কিছু দেখার জন্য কুকুর তার দৃষ্টি ও ঘ্রাণশক্তি দুটিকেই কাজে লাগায়। তবে দুটি ইন্দ্রিয় ঠিক কীভাবে একযোগে কাজ করে সেটি বুঝতে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন।  

ঘ্রাণের সাহায্যে বিশেষ কোনো বস্তু শনাক্ত বা অনুসরণ করায় কুকুরের দক্ষতার কথা সবার জানা। তবে নতুন তথ্য হলো, কুকুর তার নাককে কেবল ঘ্রাণ নেয়ার কাজেই ব্যবহার করে না, এটি তাকে দেখতেও সাহায্য করে!

অবাক হওয়ার কিছু নেই, সাম্প্রতিক এক গবেষণাতেই বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য। এতে দেখা গেছে, মস্তিষ্কের বিশেষ গঠন কুকুরকে চোখের পাশাপাশি নাকের সাহায্যেও দেখার শক্তি দিয়েছে।

জার্নাল অফ নিউরোসায়েন্স-এ চলতি অক্টোবরে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা নিবন্ধটি। কুকুরের মস্তিষ্কে দৃষ্টি ও ঘ্রাণশক্তি সমন্বয়ের যে ব্যবস্থাপনা রয়েছে, সেটি এখন পর্যন্ত আর কোনো প্রাণীর মস্তিষ্কে দেখা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির কলেজ অফ ভেটেরিনারি মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক এবং গবেষণাপত্রের জ্যেষ্ঠ লেখক ভেটেরিনারি নিউরোলজিস্ট ফিলিপা জনসন বলছেন, ‘এই গবেষণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো কুকুরের নাক থেকে অক্সিপিটাল লোব পর্যন্ত সংযোগ খুঁজে পাওয়া গেছে, আর মাথার পেছনের দিকের এই অক্সিপিটাল লোবেই দৃশ্যমানতাকে বিশ্লেষণে সক্ষম ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সের অবস্থান।’

ফিলিপা জনসন ও তার সহকর্মীরা ২৩টি কুকুরের মস্তিষ্কের এমআরআই স্ক্যান বিশ্লেষণ করেছেন। এতে দেখা গেছে, এদের মস্তিষ্কে গন্ধ বিশ্লেষণের জন্য নির্ধারিত অঞ্চল অলফ্যাক্টরি বাল্বের সঙ্গে অক্সিপিটাল লোবেরও স্নায়বিক সংযোগ রয়েছে। মানুষের মতো প্রাণী যারা যারা কোনো কিছু দেখার জন্য প্রধানত দৃষ্টিশক্তির ওপর নির্ভর করে, তাদের মস্তিষ্কের গঠন এমন নয়।

গবেষক দলটি বলছে, এই আবিষ্কার প্রমাণ করছে কোনো কিছু দেখার জন্য কুকুর তার দৃষ্টি ও ঘ্রাণশক্তি দুটিকেই কাজে লাগায়। তবে দুটি ইন্দ্রিয় ঠিক কীভাবে একযোগে কাজ করে সেটি বুঝতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

ফিলিপা বলেন, ‘কুকুরের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে ঘ্রাণ একটি বড় ভূমিকা রাখে, তবে এটি ঠিক কীভাবে কুকুরের দৃষ্টিশক্তিতে সাহায্য করে তা বের করা বেশ কঠিন। তবে আমি মনে করি এরা কোনো বস্তুকে খুঁজে বের করতে ঘ্রাণকে ব্যবহার করতে পারে।’

এর ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘মানুষ কোনো ঘরে প্রবেশের পর সেখানে কে আছে বা কী আসবাব রয়েছে তা নির্ধারণে প্রাথমিকভাবে দৃষ্টিশক্তি ব্যবহার করে। অন্যদিকে কুকুর পরিবেশের ব্যাখ্যায় ঘ্রাণকে দৃষ্টির সঙ্গে একীভূত করে বলে মনে হয়।’

এর ফলে দৃষ্টিশক্তি হারানো কুকুরের জন্যও কোনো বস্তুকে খুঁজে বের করা কঠিন কোনো কাজ নয়।

ফিলিপা বলেন, ‘হাসপাতালের একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ আমাদের বলেছেন, কিছু কুকুর মালিক তাদের কুকুর নিয়ে আসেন, যেগুলো পুরোপুরি অন্ধ। তবে মালিকরা এ কথা একদম বিশ্বাস করতে পারেন না। অন্ধ কুকুর সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সক্ষম। তারা মালিকদের সঙ্গে খেলা করে এবং কোনো কিছুর সঙ্গে ধাক্কা না খেয়ে স্বাভাবিক চলাচল করতে পারে।'

ফিলিপা ও তার সহকর্মীরা ভবিষ্যতে বিড়াল ও ঘোড়ার মতো প্রাণীদের মস্তিষ্ক পরীক্ষার পরিকল্পনা করছেন। এসব প্রাণীও গন্ধের ওপর নির্ভর করে অনেক কাজ করতে সক্ষম।

কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। কুকুরের মস্তিষ্কে ঘ্রাণশক্তি বিশ্লেষণের বাল্ব মানুষের মস্তিষ্কের তুলনায় প্রায় ৩০ গুণ বড়। কুকুরের নাকে ১০০ কোটি পর্যন্ত গন্ধ রিসেপ্টর থাকে, যেখানে মানুষের আছে ৫০ লাখ রিসেপ্টর।

আরও পড়ুন:
ড্রাইভার ও হেলপার নিচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
দূরে থাকুক সব যুক্তি, ভেসে যান কোজাগরী পূর্ণিমায়  
কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ
সিগন্যালে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে কুকুরের অনন্য নজির
মানুষের আদি উৎসের সন্ধান দিলেন নোবেলজয়ী এসভান্তে পেবো

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The husband divorced his wife at the daughters wedding

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইকে স্ত্রীকে তালাক

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইকে স্ত্রীকে তালাক প্রতীকী ছবি
মেয়ের বিয়ের আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। তবে এই বিরোধের জেরে যে মেয়ের বিয়ের দিনই তিনি স্ত্রীকে তালাক দেবেন এটি ভাবতে পারেননি কেউ।

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে স্ত্রীকে তালাক দিলেন এক ব্যক্তি। আর এই তালাকের ঘোষণাও তিনি দিয়েছেন মাইক্রোফোনে। ঘটনাটি ঘটেছে মিসরের দামিয়েত্তা শহরে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

ইতোমধ্যে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি তার মেয়ে ও জামাতার প্রতি শুভ কামনা জানাচ্ছেন। এরপরই মাইক্রোফোনে তিনি স্ত্রীকে তালাকের ঘোষণা দেন, যা শুনে আঁতকে ওঠেন উপস্থিত মানুষজন। তবে ওই সময় তালাকের কোনো কারণ জানাননি ওই ব্যক্তি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। তবে এই বিরোধের জেরে যে মেয়ের বিয়ের দিনেই তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে বসবেন এমনটা ভাবতে পারেননি কেউ। এই ঘটনার পর তার মেয়ের বিয়ে স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মিসরের সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা সেন্ট্রাল এজেন্সি ফর পাবলিক মোবিলাইজেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকসের (সিএপিএমএএস) তথ্য অনুসারে, দেশটিতে বিয়ের হার বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। আর বিবাহবিচ্ছেদের হার বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Flossy is the oldest cat in the world

বিশ্বের সবচেয়ে ‘বুড়ো বিড়াল’ ফ্লসি

বিশ্বের সবচেয়ে ‘বুড়ো বিড়াল’ ফ্লসি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক বিড়াল ফ্লসি। ছবি:সংগৃহীত
ফ্লসির বয়স এখন ২৬ বছর ৩৩০ দিন। বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক বিড়ালের তকমা এখন তার।

বিড়াল ভালোবাসেন অনেকেই। গৃহপালিত এই প্রাণীর গড় বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছর। তবে দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের বিড়াল ফ্লসির বয়স শুনলে অবাক হবেন অনেকেই । এই বিড়ালের বয়স এখন ২৬ বছর ৩৩০ দিন! বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক বিড়ালের তকমাও জুটেছে ফ্লসির।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফ্লসির মালিক ভিকি গ্রিন বিবিসিকে বলেন, ‘ফ্লসি একটা আশ্চর্য বিড়াল।’

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৫ সালে জন্ম নেয়া ফ্লসির শুরুতে কোনো আশ্রয় ছিল না। সে মার্সিসাইড হাসপাতালের কাছেই থাকত। সেখান থেকে তাকে এক নারী নিয়ে যায়। ১০ বছর তার সঙ্গেই ছিল ফ্লসি। ওই নারীর মৃত্যুর পর ফ্লসিকে নিয়ে যান তার বোন। তার কাছে ১৪ বছর ছিল ফ্লসি। পরে তার মৃত্যু হলে ফ্লসির দায়িত্ব নেয় ক্যাটস প্রটেকশন নামের একটি চ্যারিটি সংগঠনের কর্মকর্তা ভিকি গ্রিন।

ভিকি বলেন, ‘ফ্লসি বধির। সে এখন চোখেও কম দেখে। তারপরও সে এখনো অনেক প্রাণবন্ত। আমার বাড়িতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি আসবে... এটা কখনও ভাবিনি।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Police seized 200 kg of cannabis in the stomach of rats

থানার ২০০ কেজি গাঁজা ইঁদুরের পেটে!

থানার ২০০ কেজি গাঁজা ইঁদুরের পেটে!
আদালত জানায়, ইঁদুর ছোট প্রাণী এবং তাদের পুলিশের ভয় নেই। তাই তাদের কাছে থেকে মাদক রক্ষা করা কঠিন।

জব্দকৃত ২০০ কেজি গাঁজা ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে বলে দাবি করেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের পুলিশ। রাজ্যটির আদালতের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি

আদালত জানায়, ইঁদুর ছোট প্রাণী এবং তাদের পুলিশের ভয় নেই। তাই তাদের কাছে থেকে মাদক রক্ষা করা কঠিন।

বিচারক সঞ্জয় চৌধুরী বলেন, ‘এক নির্দেশে পুলিশকে জব্দকৃত মাদকের প্রমাণ আদালতে জমা দেয়ার কথা বলা হয়েছিল। পরে পুলিশ জানায় প্রায় ১৯৫ কেজি গাঁজা ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে।’

এর আগে গত মে মাসে উত্তর প্রদেশ থেকে ৩৮৬ কেজি গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। তাও ইঁদুরের পেটেই গেছে বলে আদালতকে জানানো হয়েছিল। এ ঘটনায় আটকরা জেলে আছেন।

বিচারক সঞ্জয় চৌধুরী জানান, জব্দ করা প্রায় ৭০০ কেজি গাঁজা মথুরা জেলার থানায় পড়ে আছে। এগুলোও ইঁদুরের হুমকিতে রয়েছে।

ইঁদুরগুলো খুব ছোট হওয়ায়, তাদের ঠেকানোর দক্ষতা পুলিশের নেই বলেও জানায় আদালত।

উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এমপি সিং অবশ্য বলছেন, ‘কিছু পুলিশ স্টেশনে জব্দকৃত গাঁজা বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়েছে। ইঁদুরের জন্য নয়।’

২০১৮ সালে ৫০০ কেজি গাঁজা লাপাত্তা হওয়ার ঘটনায় ইঁদুরকে দায়ী করে বরখাস্ত হন আর্জেন্টিনার ৮ পুলিশ। তবে বিশেষজ্ঞরা এই দাবির বিরোধিতা করে বলেছিলেন, যদি ইঁদুর এগুলো খেয়ে ফেলত তবে গুদামে সেগুলো মরে পড়ে থাকত।

২০১৯ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ইঁদুর যখন গাঁজা খায় তখন সেগুলোর সক্রিয়তা কমে যায়; শরীরের তাপমাত্রাও নেমে যায়।

২০১৭ সালে ভারতের বিহার রাজ্যের পুলিশ দাবি করে, তাদের জব্দকৃত হাজার হাজার লিটার মদ খেয়ে ফেলেছে ইঁদুর।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
One day after death the ghost of the patient appeared in the hospital

আর্জেন্টিনায় মৃত্যুর পর হাসপাতালে হাজির রোগীর ভূত!

আর্জেন্টিনায় মৃত্যুর পর হাসপাতালে হাজির রোগীর ভূত! সিসিটিভি ফুটেজে রোগীর ‘ভূত’-এর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীকে। ছবি: সংগৃহীত
শুনলে চমকে উঠবেন, হাসপাতালের গ্লাস ডোর খুলে ঢোকা কিংবা নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলা সেই রোগীর কোনো ছবি দেখা যায়নি সিসিটিভি ফুটেজে। মিনিটখানেক যেন বাতাসের সঙ্গে কথা চালিয়ে গেছেন ওই নিরাপত্তাকর্মী। আর প্রৌঢ়া নারী রোগীর জলজ্যান্ত ছবি ভিডিওতে থাকবেই বা কী করে? তিনি তো ওই হাসপাতালেই মারা গেছেন মাত্র এক দিন আগে!

ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টার ঘর পেরিয়ে তখন ৩টা ২৬। চারদিকে সুনসান। হাসপাতালের সামনের অংশের গার্ডহাউসের ডেস্কে মাত্র একজন নিরাপত্তাকর্মী।

হঠাৎ খুলে যায় রাস্তার পাশের গ্লাস ডোর। চেয়ার ছেড়ে নিরাপত্তাকর্মী এগিয়ে যান, কথা বলেন দরজা পেরিয়ে আসা রোগীর সঙ্গে। হাতের ক্লিপবোর্ডের কাগজে লেখা নয় রোগীর নাম-পরিচয়।

এরপর পিছিয়ে গিয়ে লিফটের পাশ থেকে একটি হুইলচেয়ার বের করে আনেন নিরাপত্তাকর্মী। তবে রোগী বসতে না চাওয়ায় আবার সেটি রেখে দেন লিফটের পাশে।

আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস শহরের ফিনোচিয়েত্তো স্যানাটোরিয়াম হাসপাতালে ১১ নভেম্বর ভোররাতের এই দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। তবে শুনলে চমকে উঠবেন, হাসপাতালের গ্লাসডোর খুলে ঢোকা কিংবা নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলা সেই রোগীর কোনো ছবি দেখা যায়নি সিসিটিভি ফুটেজে। প্রায় মিনিটখানেক যেন বাতাসের সঙ্গে কথা চালিয়ে গেছেন ওই নিরাপত্তাকর্মী।

আর প্রৌঢ়া নারী রোগীর জলজ্যান্ত ছবি ভিডিওতে থাকবেই বা কী করে? তিনি তো ওই হাসপাতালেই মারা গেছেন মাত্র একদিন আগে!

ভোররাত পার হওয়ার বেশ কিছু সময় পর ঘটনাটিতে কিছু একটা গড়বড় ধরা পড়ে। নাম এন্ট্রি করে ভেতরে পাঠানো রোগীর বের হওয়ার তথ্য না পেয়ে সকালে খোঁজ নেন হাসপাতালের কর্মীরা। আর তখনই জানা যায়, আগের কয়েক ঘণ্টায় এমন কোনো রোগীকে পাননি চিকিৎসক। শুধু তাই নয়, রোগী হিসেবে যে নারীর নাম এন্ট্রি করা হয়েছে তিনি হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন, তবে তার মৃত্যু হয়েছে ঠিক আগের দিন।

এরপরই দুটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া ‘ভৌতিক’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ফিনোচিত্তো স্যানাটোরিয়ামের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান ডা. গুইলারমো ক্যাপুয়া বলছেন, ভিডিওতে যে নিরাপত্তাকর্মীকে দেখা গেছে তিনি হাসপাতালের নিজস্ব কর্মী নন। সেকিউরিটাস নামের একটি আউটসোর্সিং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে ওই রাতে পাঠানো হয়েছিল।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বেশ বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গুইলারমো ক্যাপুয়া বলেন, ‘লোকজন আমাকে আমাকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, পানামা থেকেও ফোন করেছে। একটি ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আমরা পড়েছি। রসিকতা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে কি না, আমি জানি না। তবে ওখানে কোনো ভৌতিক ঘটনা ঘটেছে বলে আমি বিশ্বাস করি না।’

ভৌতিক না হলে দরজা আপনাআপনি কীভাবে খুলে গেল, নিরাপত্তাকর্মীই-বা কার সঙ্গে কথা বললেন?

এসব প্রশ্নেরও জবাব রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে।

ক্যাপুয়া বলেন, ‘ওই দিন অনেক আগেই গ্লাসডোরটিতে কারিগরি সমস্যা ধরা পড়ে। এ কারণে ১০ ঘণ্টায় অন্তত ২৮ বার আপনাআপনি খুলে সেটি খুলে যায়। ভোররাতের ওই সময়েও একই কারণে দরজাটি খুলে গিয়েছিল।

‘সে সময় ওই নিরাপত্তাকর্মী একাই ডেস্কে ছিলেন। সম্ভবত তিনি সুযোগের সদ্ব্যবহার করে প্রাঙ্ক ভিডিও তৈরি করেন।’

ওই নিরাপত্তাকর্মীর নাম পরিচয় প্রকাশ করেনি তার প্রতিষ্ঠান সেকিউরিটাস। তবে তারা জানিয়েছে তার একটি সাইকোটেকনিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে৷

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Trying to prevent suicide with toilet paper

টয়লেট পেপার দিয়ে আত্মহত্যা ঠেকানোর চেষ্টা!

টয়লেট পেপার দিয়ে আত্মহত্যা ঠেকানোর চেষ্টা! প্রতীকী ছবি
জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে জাপানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ড ৪৯৯ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় জাপানে আত্মহত্যার হার তুলনামূলক বেশি। আর এই প্রবণতা টয়লেট পেপার দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করছে জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষ।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানে আত্মহত্যা দীর্ঘদিনের সমস্যা। এই প্রবণতা বাড়ছেই।

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে জাপানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ড ৪৯৯ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন ।

আত্মহত্যার এই প্রবণতা কমাতে জাপানের ইয়ামানশি শহরের কর্মকর্তারা একটি ব্যতিক্রমী উপায় খুঁজে বের করেছেন। তারা টয়লেট পেপারের মধ্যে আশ্বস্তমূলক বার্তা এবং আত্মহত্যা-প্রতিরোধ হটলাইন নম্বরগুলো সেখানে লিখে হতাশায় নিমজ্জিত তরুণদের মধ্যে বিলি করছেন।

জাপানের ইয়ামানশি শহরের কর্মকর্তা কেনিচি মিয়াজাওয়া একটি টয়লেট পেপারের বার্তা এএফপিকে পড়ে শোনান। যুবকদের উদ্দেশে ওই টয়লেট পেপারে লেখা হয়,

‘আপনি টয়লেটে একা। আমরা অনুভব করেছি, এটি এমন মুহুর্তে যখন আপনার মাথায় দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে।’

আত্মহত্যার ঠেকানোর এই প্রচারণায় ৬ হাজার রোল টয়লেট পেপারে বিভিন্ন ধরনের আশ্বস্তমূলক বার্তা ও ফোন নম্বর দেয়া হয়েছে। গত মাসে এগুলো জাপানের প্রায় ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতরণ করা হয়।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
7 km flag of German fan thanks to Kabiraji medicine

কবিরাজি ওষুধের গুণে ৭ কিলোমিটার পতাকা জার্মান ভক্তের

কবিরাজি ওষুধের গুণে ৭ কিলোমিটার পতাকা জার্মান ভক্তের
নিউজবাংলাকে আমজাদ জানান, ১০ দিন ধরে পতাকাটি বানাচ্ছেন। তবে পুরোটা নতুন নয়। ২০১৮ সালে বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকার সঙ্গে নতুন করে তিনি জুড়ে দিয়েছেন ২ কিলোমিটার অংশ। 

মাগুরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থাকেন আমজাদ হোসেন। এলাকায় তিনি পতাকা আমজাদ নামে পরিচিত। কারণ, ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় প্রিয় দল জার্মানির বিশাল সব পতাকা বানিয়ে আসছেন তিনি।

এবার তিনি সাড়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা বানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তবে সেটি এখনও প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। জানালেন, আগামী শুক্রবার সেটি স্থানীয় স্কুল মাঠে প্রদর্শন করবেন।

জার্মানির পতাকা তৈরির পেছনে এতটা টান কেন? জানতে কথা হয় ঘোড়ামারা গ্রামের আমজাদের সঙ্গে।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, ১০ দিন ধরে পতাকাটি বানাচ্ছেন। তবে পুরোটা নতুন নয়। ২০১৮ সালে বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকার সঙ্গে নতুন করে তিনি জুড়ে দিয়েছেন ২ কিলোমিটার অংশ।

আমজাদ বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০০৪ দুই বছর পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে খুব অসুস্থ ছিলাম। এরপর জামার্নি একটি কবিরাজি ওষুধ খেয়ে ৩ মাস পর সুস্থ হয়ে যাই। এই ওষুধ দিয়েছিলেন এলাকার মনোরঞ্জন কবিরাজ।

‘জার্মান ফুটবল দল আগে থেকেই সমর্থন করতাম। তবে ওই জার্মানির ওষুধ খেয়ে সুস্থ হওয়ার পর মূলত জার্মান ফুটবল দলের অন্ধভক্ত হয়ে গেছি।’

তিনি বলেন, ‘তখন দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ দেখতে আসত পতাকা। আমার ভাল লাগত। পতাকা বানাতে জমিও বিক্রি করেছি।’

আমজাদ জানান, এবারের ২ কিলোমিটার পতাকা বানাতে প্রায় ২০০ গজ কাপড় লেগেছে। মজুরিসহ খরচ পড়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। এবার আর জমি বিক্রি করতে হয়নি। তার প্রবাসী ছেলে পতাকা বানাতে টাকা পাঠিয়েছেন।

এই পতাকা জার্মান দূতাবাসে পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন আমজাদ।

মন্তব্য

বরিশালে হলো এবার ‘ক্যাট শো’

বরিশালে হলো এবার ‘ক্যাট শো’
ক্যাট শো এর বিচারক পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. দীবেন্দ্যু বিশ্বাস বলেন, ‘মানু‌ষের মান‌সিক ও শা‌রীরিক দুই দিক থে‌কেই স্ব‌স্তি দরকার। সে হিসেবে যারা বিড়াল পছন্দ ক‌রে, তারা এই প্রাণীটি পুষে মান‌সিক শা‌ন্তি পায়।’

এই শো এর মূল আকর্ষণ বিড়াল। মূলত তাদেরই প্রতিযোগিতা। তাই সাজিয়ে-গুছিয়ে আদুরে এসব বিড়ালকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন মালিকরা।

শুক্রবার ব্যতিক্রমী এই ‘ক্যাট শো’ এর আয়োজন করা হয়েছে বরিশালে।

বিশ্বের নানা দেশে পোষা প্রাণীদের নিয়ে এমন আয়োজন করা হলেও দেশে এ ধরনের ঘটনা বিরল।

‘ক্যাট/পারসিয়ান ক্যাট সোসাইটি অব বরিশাল’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপ এই শো-এর আয়োজন করে।

শুক্রবার সন্ধ‌্যার পর ব‌রিশাল নগরীর বাঁধ রোডস্থ ইউরো কন‌ভেনশন হ‌লে আয়োজিত ওই শোতে দেশি-বিদেশি ৫০টি বিড়াল অংশ নেয়। পরে ৭টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন খেলায় অংশ নেয় এসব বিড়াল। আর ৩টি ক্যাটাগরি‌তে টিকিট বিক্রি হয় অনুষ্ঠানের।

আয়োজক সংগঠনটির ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন আবির বিন মিজান জানান, বিড়াল নিয়ে এমন আয়োজন করতে পেরে তারা খুব খুশি। প্রতি বছরই তাই এই আয়োজনটি করতে চান।

এদিকে আয়োজনে অংশ নেয়া বিড়াল মালিকদের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। তারা আহ্বান জানান, অসহায় প্রাণীদের কেউ উপকার না করলেও যেন ক্ষতি না করে।

শেহতাজ রহমান না‌মে এক তরুণী ব‌লেন, ৭ মাস ধরে পা‌র্সিয়ান জা‌তের এক‌টি বিড়াল পালন কর‌ছি। এতে আমার বেশ ভালোই লাগছে। রাস্তায় অনেকে বিড়াল দেখ‌লে ইট ছু‌ড়ে মারে বা নানাভাবে বিরক্ত করে। কিন্তু এটা করা ঠিক নয়। এরা অবলা প্রাণী।’

বরিশালে হলো এবার ‘ক্যাট শো’
শো তে অংশ নেয়া একটি বিড়াল

বিড়াল মা‌লিকদের পাশাপা‌শি শো‌টি‌তে ছি‌ল দর্শনার্থী‌দে‌রও উপ‌স্থি‌তি।

ব‌্যতিক্রমী এই শো দেখতে আসা তান‌জিলা আক্তার বলেন, ‘এমনটি জীবনে প্রথম দেখলাম। সাজগোছ করা বিড়ালগুলো দেখে দারুণ আনন্দ পেয়েছি।’

মাহাদ হো‌সেন নামে আরেকজন ব‌লেন, ‘এত বিড়াল কখনোই একসঙ্গে দেখা হয়নি। সবই বেশ মায়া‌বী ছি‌ল।’

ক্যাট শো এর বিচারক পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. দীবেন্দ্যু বিশ্বাস বলেন, ‘মানু‌ষের মান‌সিক ও শা‌রীরিক দুই দিক থে‌কেই স্ব‌স্তি দরকার। সে হিসেবে যারা বিড়াল পছন্দ ক‌রে, তারা এই প্রাণীটি পুষে মান‌সিক শা‌ন্তি পায়।’

ক‌্যাট শো এর প্রধান অতিথি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল আলম বলেন, ‘এই আয়োজন মানুষকে প্রাণীদের প্রতি আরও সদয় করবে।’

ক্যাট শো‌তে বিড়াল‌দের খাবার খাওয়ার প্রতি‌যো‌গিতা ও র‌্যাম্প শোসহ নানা আনুষ্ঠা‌নিকতা ছি‌ল। ছি‌ল বিড়াল পাল‌নে প্রয়োজনীয় নানা জি‌নিসপ‌ত্রের দোকানও।

আয়োজক ‘পারসিয়ান ক্যাট সোসাইটি অব বরিশাল’ নামে ফেসবুক গ্রুপটি ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বিড়ালপ্রেমী এ গ্রুপের সদস‌্য।’

আরও পড়ুন:
বিড়ালের কোন আচরণে কী বুঝবেন
ঈদে জায়গা খালি নেই কুকুর-বিড়ালের ‘হোটেলে’
ইউক্রেন ছাড়ল স্টেপান, স্বস্তিতে ১১ লাখ ভক্ত
বিড়ালটিকে গাছে ঝুলিয়েছে কে, জানে না কেউ
সানসেটে আটকা পড়া বিড়াল উদ্ধার যেভাবে

মন্তব্য

p
উপরে