× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Human food will be made from plastic
hear-news
player
google_news print-icon

প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে মানুষের খাবার!  

প্লাস্টিক-থেকে-তৈরি-হচ্ছে-মানুষের-খাবার- 
প্লাস্টিকের ছোট খণ্ডগুলো সিউডোমোনাস ও রোডোকোকাসের মতো বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়াকে খাওয়ানো হয়। এসব ব্যাকটেরিয়া এমন কোষ তৈরি করে যার প্রায় ৫৫ শতাংশ প্রোটিন। সব প্লাস্টিক উদরপূর্তি করার পর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মানুষের খাওয়ার উপযোগী করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। 

প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে দুর্ভাবনায় গোটা পৃথিবী। সারা বিশ্বের সাগর-মহাসাগর দূষিত করে তুলছে প্লাস্টিক বর্জ্য। হুমকিতে পড়ছে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা। তবে এই বিভীষিকার অবসান সম্ভবত ঘটতে যাচ্ছে। আগামীর পৃথিবীতে দূষণ ঘটানোর পরিবর্তে মানুষের খাদ্যের উৎস হয়ে উঠতে পারে প্লাস্টিক।

বিজ্ঞানী স্টিফেন টেকটমান এমন এক গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে কিছুটা সফলও হয়েছেন তিনি।

তবে বিষয়টি এমন নয় যে প্লাস্টিকের আসবাব বা খেলনা সরাসরি মুখে পুরে ফেলা যাবে। প্লাস্টিককে চূর্ণ করে বিশেষ ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে সুস্বাদু ও নিরাপদ খাদ্যে পরিণত করার গবেষণা চালাচ্ছেন টেকটমান।

ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মতে, বছরে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টন। এসব বর্জ্যের শেষ ঠিকানা হয় সাগর-মহাসাগর। এই বর্জ্যের মাত্র ৯ শতাংশ রিসাইকেল করা হয়, তবে প্রক্রিয়াটি বেশ শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল।

মিশিগান টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ল্যাবে টেকটমান, শক্ত ‘হজমশক্তি’র কিছু ব্যাকটেরিয়াকে গিনিপিগের মতো ব্যবহার করছেন। এই ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিককে খাবার হিসেবে গ্রহণ করে ভোজ্য, প্রোটিন-সমৃদ্ধ উপজাতে পরিণত হয়।

টেকটমান বলেন, ‘ব্যাকটেরিয়া ও পরিবেশে এর ভূমিকা নিয়ে আমি সব সময় গবেষণা করেছি। জানার চেষ্টা করেছি, কীভাবে আমরা সমস্যা সমাধানে এদের ব্যবহার করতে পারি। আমি ছড়িয়ে পড়া তেল পরিষ্কারের উপায় নিয়ে দীর্ঘ সময় কাজ করেছি। এ সময়ে দেখেছি, প্লাস্টিক ও তেলের ক্ষেত্রে অনেক মিল রয়েছে। প্লাস্টিক কিন্তু আদতে তেল থেকেই উৎপন্ন হয়েছিল।’

এর আগে আলকানিভোর‍্যাক্স বরকুমেনসিস প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে ছড়িয়ে পড়া তেল পরিষ্কারের কাজ করেছেন বিজ্ঞানীরা। টেকটমান পরে দেখার চেষ্টা করেন, এই ব্যাকটেরিয়ার ক্ষুধাকে প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় কিনা। প্লাস্টিককেও তারা খাবারে পরিণত করতে পারে কিনা।

টেকটমান বলেন, ‘আপনি যদি আণবিক পর্যায় থেকে ভাবেন তাহলে ব্যাকটেরিয়ার উপাদানের সঙ্গে আমাদের খাবারের খুব মিল রয়েছে। এগুলোতে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। তা ছাড়া এরা লিপিড, চর্বি ও ভিটামিনসমৃদ্ধ। আমরা শেষে যে পণ্যটি তৈরি করছি তা অনেকটা প্রোটিন পাউডারের মতো। অবশিষ্ট অণুজীবের কোষগুলো আর জীবিত থাকে না। প্রোটিন ও লিপিড পাওয়ার জন্য আমরা তাদের ব্যবহার করছি।’

ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে প্লাস্টিককে খাদ্যে পরিণত করার প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক নাম বায়োলজিক্যাল প্লাস্টিক রি-ইউজ বাই ওলেফিন অ্যান্ড এস্টার ট্র্যান্সফরমিং ইঞ্জিনিয়ার্ড আইসোলেটস অ্যান্ড ন্যাচারাল কনসরটিয়া বা বায়োপ্রোটিন।

টেকটমানের দল এরই মধ্যে অল্প পরিমাণে খাবার উপযোগী প্রোটিন পাউডার তৈরি করতে পেরেছে। তবে এর স্বাদ এখনও কেউ পরীক্ষা করেনি। টেকটমান অবশ্য বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ান ভেজিমাইট স্প্রেডের মতো এটি খামির ও গন্ধযুক্ত।

পলি-ইথাইলিন (পিই), পলিপ্রোপাইলিন ও প্লাস্টিক বোতলে ব্যবহৃত পলিথাইলিন টেরেপথ্যালেটের মতো প্লাস্টিককে রাসায়নিকভাবে কয়েক ঘণ্টার জন্য চুল্লিতে প্রি-ট্রিট করতে হয়। পাখিরা অনেকটা এভাবে তাদের বাচ্চাদের জন্য খাবার চিবিয়ে দেয়। এতে প্লাস্টিক তৈলাক্ত খণ্ডে পরিণত হয়, আর ব্যাকটেরিয়াগুলো কয়েক দিনের মধ্যে তা দ্রুত হজম করে ফেলে।

প্লাস্টিকের ছোট খণ্ডগুলো সিউডোমোনাসরোডোকোকাসের মতো বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়াকে খাওয়ানো হয়। ব্যাকটেরিয়াগুলো এই বুফেতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজেদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে। এরা এমন কোষ তৈরি করে, যা প্রায় ৫৫ শতাংশ প্রোটিন। সব প্লাস্টিক উদরপূর্তি করার পর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মানুষের খাওয়ার উপযোগী করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

টেকটমান বলেন, ‘এসব ব্যাকটেরিয়ার কোনোটি মানুষের কোনো রোগ সৃষ্টি করে না। আমরা যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করছি তাতে ব্যাকটেরিয়াকে খাবার হিসেবে ব্যবহার করার আগে তাদের পাস্তুরিত করা হবে। এক কথায় বলা যায় রান্না করা হবে।’

টেকটমান ও তার দল আশা করছে, এই গবেষণার মাধ্যমে একই সঙ্গে ক্ষুধা ও প্লাস্টিক বর্জ্যের সমস্যা সমাধানের পথ উন্মোচিত হবে।

এই বিজ্ঞানী বলেন, ‘নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলার জন্য আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কাজ করছি। আমরা এমন একটি খাদ্যপণ্য তৈরি করতে চাই, যা নিরাপদ। মাইক্রোবিয়াল বায়োমাসের নিরাপত্তা ও পুষ্টি উপাদান মূল্যায়ন করতে আমরা অনেকগুলো পরীক্ষা করছি।’

টেকটমান বলেন, ‘প্লাস্টিক বর্জ্য আমাদের একটি বড় সমস্যা। এর সমাধানে আসতে অনেক দক্ষতা, শক্তি ও প্রচেষ্টার প্রয়োজন। সংকট মোকাবিলায় যদি ছোট কোনো অবদানও রাখতে পারি, সেটি হবে দারুণ এক্সাইটিং।’

আরও পড়ুন:
মানুষের আদি উৎসের সন্ধান দিলেন নোবেলজয়ী এসভান্তে পেবো
শূন্য থেকে বস্তুকণা বানালেন বিজ্ঞানীরা
দস্যি শিশুকেও ১৩ মিনিটে ঘুম পাড়াবেন যেভাবে
মদে লবণ মেশালে কি সিরকা হয়?
৩১ হাজার বছর আগেই ছিল দক্ষ শল্যচিকিৎসা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Monster shaped feet cost 2 million

এক মুরগির দাম ২ লাখ

এক মুরগির দাম ২ লাখ ডং তাও মুরগি যা বেশি পরিচিত ড্রাগন চিকেন নামে। ছবি: এএফপি
পুরো মুরগির ওজন ৫-৮ কেজি, কোনো কোনোটি ১০ কেজিও হয়। সবচেয়ে বড় আকারেরগুলো বাজারে ২০০০ হাজার ডলারেও বিক্রি হয়, যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখেরও বেশি। বড় পা যুক্ত, আকর্ষণীয় চেহারার ড্রাগন মুরগির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

অদ্ভুত দেখতে এ মুরগির নাম ‘ডং তাও’। তবে বেশি পরিচিত ড্রাগন চিকেন নামে। মোটা পায়ের এ মুরগির বাণিজ্যিক চাষ হয় দক্ষিণ এশীয় দেশ ভিয়েতনামে। দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে মুরগিটির নামে। সেখানে সবচেয়ে বেশি ড্রাগন মুরগির ফার্ম রয়েছে।

ড্রাগন মুরগির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এর পা। পুরু লালচে আবরণে ঢাকা এই পা লম্বায় হতে পারে একটি ইটের সমান। এর থাবা মানুষের হাতের তালুর আকৃতির। মুরগিটির শুধু পায়ের ওজনই এক দেড় কেজি পর্যন্ত হয়, যা এর শরীরের মোট ওজনের এক-পঞ্চমাংশ।

পুরো মুরগির ওজন ৫-৮ কেজি, কোনো কোনোটি ১০ কেজিও হয়। সবচেয়ে বড় আকারেরগুলো বাজারে ২০০০ হাজার ডলারেও বিক্রি হয়, যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখেরও বেশি। বড় পা যুক্ত, আকর্ষণীয় চেহারার ড্রাগন মুরগির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ড্রাগন মুরগি চাষ করছেন লে ভ্যান হিয়েন।

তিনি বলেন, ‘এই মুরগিকে দিনের বেশ কিছুটা সময় খোলা পরিবেশে ছেড়ে রাখা হয়। এরা যত বেশি হাঁটে, তত বেশি পায়ের পেশি শক্তিশালী ও বড় হয়। আর মুরগিকে খাবার হিসেবে দেয়া হয় ভুট্টা ও চালের গুড়ো, যা এর মাংশের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।’

চন্দ্র নববর্ষে ভিয়েতনামের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার ‘টেট’ বানানোর প্রধান উপকরণ ড্রাগন মুরগি। ঐতিহ্যগতভাবে দেশটির ধনী পরিবারে উৎসবের দিনে এই খাবার পরিবেশন করা হয়। ড্রাগন মুরগির মাংসের রঙ তুলনামূলক কালো, অনেকটা গরুর মাংসের মতো। মাংস ছাড়াও এর পা দিয়ে রান্না করা বিশেষ খাবারও বেশ জনপ্রিয়। যা সেদ্ধ, ভাজা কিংবা লেমনগ্রাস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। মুরগির পা যত বড়, খেতে ততই সুস্বাদু।

বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের বিরলতম মুরগির জাতের মধ্যে একটি এই ড্রাগন মুরগি। এরা গড়ে ৬ থেকে ৭ বছর বাঁচে। প্রজনন হার খুবই কম। একটি মুরগি মাত্র ১০-১৫টি ডিম দেয়। ডিম ফুটে বাচ্চা প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় লাগে ৮ থেকে ১২ মাস, যেখানে সাধারণ মুরগি মাত্র ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহ সময় নেয়। এসব কারণেই এ মুরগির বাজারমূল্য চড়া।

আরও পড়ুন:
সোনালি মুরগির দামে সুখবর
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’
মুরগি-ডিমের দাম বৃদ্ধির যত কারণ
মরা মুরগির মাংস হোটেলে দিচ্ছিলেন তিনি
ডিম পাড়ছে না মুরগি, মেজাজ হারিয়ে পুলিশে অভিযোগ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The marriage broke up because of raw numbers

অঙ্কে কাঁচা হওয়ায় ভাঙল বিয়ে

অঙ্কে কাঁচা হওয়ায় ভাঙল বিয়ে প্রতীকী ছবি
বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরোহিত বরের আচরণ সন্দেহজনক দেখে কনের পরিবারকে জানান। এরপরই বিয়ের মণ্ডপ থেকে উঠে যান কনে।

বর টাকা গুণতে না পারায় বিয়ের মাঝপথেই তা বন্ধ করে দিলেন এক কনে। এমনটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরোহিত বরের আচরণ সন্দেহজনক দেখে কনের পরিবারকে জানান। এরপরই বিয়ের মণ্ডপ থেকে উঠে যান কনে। এ নিয়ে তখন বর ও কনের পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কনের পরিবারের দাবি, বিয়ের আগ দিন পর্যন্ত তারা জানতেন না যে, বর মানসিকভাবে দুর্বল।

কনের ভাই বলেন, ‘বিয়ের ঘটক ছিলে আমার একজন নিকটাত্মীয়। তাই আমরা তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। পুরোহিত বরের অদ্ভুত আচরণ সম্পর্কে জানালে আমরা একটি পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিই। আমরা ১০ রুপির ৩০টি নোট বরকে গুণতে দিয়েছিলাম, কিন্তু সে তা পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে আমার বোন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান।’

উত্তর প্রদেশের পুলিশ কর্মকর্তা অনিল কুমার চৌবে বলেন, ‘এ ঘটনায় কোনো মামলা করা হয়নি।’

আরও পড়ুন:
দলিত বোনদের ধর্ষণ ও হত্যায় ভেঙে পড়েছে পরিবারটি
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-হত্যা দলিত ২ বোনকে
গাছে ঝুলছিল দুই বোনের নিথর দেহ
মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি
বিয়ের অনুষ্ঠানে কুয়ায় পড়ে ১৩ মৃত্যু

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Human bones are fed from the womb

অন্তঃসত্ত্বা হতে খাওয়ানো হয় মানুষের হাড়

অন্তঃসত্ত্বা হতে খাওয়ানো হয় মানুষের হাড় মানুষের হাড়গোড়। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ জানায়, অমাবস্যা রাতে শ্মশানে নিয়ে জোর করে ওই নারীকে মানুষের হাড়ের গুড়ো খাওয়ানো হয়। এর সঙ্গে একজন ওঝাও জড়িতে রয়েছেন।

অন্তঃসত্ত্বা হতে শ্বশুর বাড়ি ও জামাইর কথায় বাধ্য হয়ে মানুষের হাড়গুড়ো খেতে হয়েছে এক স্ত্রীর। কালো জাদুর অংশ হিসেবেই এটি খাওয়ানো হয়েছে।

এমন হতবাক করা ঘটনাই ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে। এ ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে বুধবার মামলা করেছেন ওই স্ত্রী।

বার্তা সংস্থা এএনআইর প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে যৌতুক ও কালো জাদুতে বাধ্য করানোর মামলা করেছেন ওই স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, অমাবস্যা রাতে শ্মশানে নিয়ে জোর করে ওই নারীকে মানুষের হাড়ের গুড়ো খাওয়ানো হয়। এর সঙ্গে একজন ওঝাও জড়িতে রয়েছেন।

পুনে শহরের পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সুনিল শর্মা বলেন, ‘এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা ওই শ্মশানটি কোথায় তা জানার চেষ্টা করছি। শিগগিরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। ’

আরও পড়ুন:
পদ ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে
মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে আগুন, ৪ রোগীর মৃত্যু
বেড নেই, হুইলচেয়ারে অক্সিজেন নিচ্ছে করোনা রোগীরা
আবার লকডাউনের পথে মহারাষ্ট্র
সংক্রমণ বাড়ছে মহারাষ্ট্রে, ১ দিনে শনাক্ত ১৬৬২০

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
He never went to the hospital in 115 years

১১৫ বছরে কখনোই হাসপাতালে যাননি তিনি!

১১৫ বছরে কখনোই হাসপাতালে যাননি তিনি! স্পেনের ১১৫ বছরের বাসিন্দা মারিয়া ব্রানিয়াস মোরেরা। ছবি: এএফপি
বর্তমানে স্পেনে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকছেন মারিয়া। ২০১৯ সালে ১১৩তম জন্মদিনের কয়েক সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও হাসপাতালে যেতে হয়নি তাকে।

১১৫ বছর বয়সী মারিয়া ব্রানিয়াস মোরেরা। গত মঙ্গলবার ১১৮ বছর বয়সে ফরাসি লুসিল রাঁদোঁর মৃত্যুর পর তাকে বিশ্বের প্রবীণতম মানুষ হিসেবে ভাবছে গিনেক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি সংস্থাটি।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, জীবদ্দশায় এক দিনের জন্যও হাসপাতালে যেতে হয়নি মারিয়াকে। ১১৫ বছরের জীবনে ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি, দুই বিশ্বযুদ্ধ এবং স্পেনের গৃহযুদ্ধ ও করোনাভাইরাসের মহামারির সাক্ষী হয়েছেন তিনি।

মারিয়ার পূর্বপুরুষরা স্পেনের বাসিন্দা হলেও তার জন্ম আমেরিকায়। ১৯০৭ সালের শুরুর দিকে তার বাবা-মা মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় চলে আসেন। ওই বছরেই ৪ মার্চ সান ফ্রান্সিসকোতে জন্ম হয় মারিয়ার।

১৯১৫ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মারিয়ার পরিবার স্পেনে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। জাহাজে আমেরিকা থেকে স্পেন যাওয়ার পথে মারিয়ার বাবা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সমুদ্রে ফেলে দেয়া হয়েছিল তার মৃতদেহ।

১৯৩১ সালে মারিয়া একজন চিকিৎসকে বিয়ে করেন। চার দশকের বেশি একসঙ্গে থাকার পর তার স্বামী ৭২ বছর বয়সে মারা যান। মারিয়া তিন সন্তানের মা, যদিও একজন মারা গেছেন। এ ছাড়া ২২ জন নাতি-পুতি রয়েছে মারিয়ার।

মারিয়ার ছোট মেয়ে ৭৮ বছর বয়সী রোসা মোরেট বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, তার মা জীবনে কোনো দিন হাসপাতালে যাননি। একেবারে ঠিক আছেন। ‘জিনগত’ কারণেই মারিয়া দীর্ঘজীবী হয়েছেন বলে মনে করেন তিনি।

বর্তমানে স্পেনে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকছেন মারিয়া। ২০১৯ সালে ১১৩তম জন্মদিনের কয়েক সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও হাসপাতালে যেতে হয়নি তাকে।

২০১৯ সালে বার্সেলোনাভিত্তিক একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মারিয়া বলেছিলেন, ‘আমি আহামরি কিছু করিনি। শুধু প্রাণবন্ত থাকার চেষ্টা করেছি।’

আরও পড়ুন:
পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল  
রানির মৃত্যুর দায় কার
বিশ্ব রেকর্ডের জন্য রানির অপেক্ষা আরও দেড় মাস
দড়ি লাফে জোড়া বিশ্বরেকর্ড ঠাকুরগাঁওয়ের রাসেলের
২০ ইঞ্চির রানিকে পাচ্ছেন কে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Bird set a record by flying continuously from Alaska to Australia

টানা সাড়ে ১৩ হাজার কিলোমিটার উড়ল পাখিটি

টানা সাড়ে ১৩ হাজার কিলোমিটার উড়ল পাখিটি বার টেইলড গডউইট পাখি। ছবি: গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস
যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা থেকে ১৩ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পরিভ্রমণ করে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া প্রদেশে আসে পাখিটি। এর মধ্য দিয়ে সে দীর্ঘতম পরিভ্রমণের বিশ্বরেকর্ড গড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা থেকে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া। দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি। কোনো বিরতি ছাড়া দীর্ঘ এ পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে একটি বার টেইলড গডউইট পাখি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সমুদ্রের ওপর দিয়ে ১৩ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম পরিভ্রমণের রেকর্ড গড়েছে পাখিটি।

১১ দিনের এ পরিভ্রমণে খাবার খাওয়া কিংবা বিশ্রামের জন্য এক সেকেন্ডের জন্যও থামেনি গডউইট। পায়ে লাগানো স্যাটেলাইট ট্যাগের মাধ্যমে পাখিটির পরিভ্রমণ পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ২৩৪৬৮৪ ট্যাগ লাগানো গডউইট আগের রেকর্ড গড়া পাখির চেয়ে ২১৭ মাইল বেশি উড়েছে। ২০২০ সালে আগের রেকর্ডটি গড়ে একই প্রজাতির পাখি।

গত বছরের ১৩ অক্টোবর পরিভ্রমণ শুরু করে পাখিটি। একটানা ১১ দিন না খেয়ে, না থেমে উড়তে থাকে সে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ভ্রমণে পাখিটির ওজন অর্ধেক কমে গেছে।

আরও পড়ুন:
বেলার লেখা বই
এবার তৃতীয় বিশ্বরেকর্ড অন্তুর
বরিশালের মেয়ের গিনেস রেকর্ড
জনের মাথায় আস্ত গাড়ি
কাটবিল চাচ্চুর চকলেট ব্যালেন্স রেকর্ড

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Drinking and urinating on a fellow passenger on an airplane

বিমানে সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ

বিমানে সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্সের বিমান। ছবি: সংগৃহীত
এয়ার ইন্ডিয়ার বিজনেস ক্লাসের ভেতরে থাকা ওই যুবক প্যান্টের চেইন খুলে ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা সহযাত্রীর ওপর প্রস্রাব করে দেন। বিমানটিতে দুপুরের খাবারের পর কিছু বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে ওই বৃদ্ধার সঙ্গে কী হচ্ছিল তা পাশের যাত্রীরা বুঝতে পারছিলেন না।

মাতাল অবস্থায় বিমানের পাশের সিটে বসা এক বৃদ্ধার গায়ে মূত্রত্যাগ করেন এক যুবক। আর এর জেরে ৩০ দিনের জন্য ওই এয়ারলাইন্স থেকে নিষিদ্ধ হলেন তিনি।

গত ২৬ নভেম্বর নিউইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ওই যুবক এই অপ্রীতিকর কাণ্ড ঘটান।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এয়ার ইন্ডিয়ার বিজনেস ক্লাসের ভেতরে থাকা ওই যুবক প্যান্টের চেইন খুলে ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা সহযাত্রীর ওপর প্রস্রাব করে দেন। বিমানটিতে দুপুরের খাবারের পর কিছু বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে ওই বৃদ্ধার সঙ্গে কী হচ্ছিল তা পাশের যাত্রীরা বুঝতে পারছিলেন না। অভিযুক্ত যুবক এতটাই মাতাল ছিলেন যে, প্রস্রাব করার পরও তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে আরেকজন তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন।

এমন ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর এ নিয়ে টনক নড়ে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের। অভিযুক্ত ওই মাতাল যুবককে এয়ারলাইন্সটি থেকে ৩০ দিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

এয়ার ইন্ডিয়ার পরিচালনাকারী সংস্থা টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখড়ের কাছে বৃদ্ধা চিঠি লিখে অভিযোগ জানানোর পর এ ঘটনাটি আমলে নেয়া হয়।

ওই নারী চিঠিতে জানান, যুবকের মাতলামি বিষয়ে তিনি কেবিন ক্রুদের অবহিত করেছিলেন। প্রস্রাব করার পর তার কাপড় এবং জুতা প্রস্রাবে ভিজে যায়। ক্রুরা তাকে অন্য কাপড় ও জুতা দিয়ে সিটে গিয়ে বসতে বলেন। কিন্তু তার সিটটিও প্রসাবে ভিজে গিয়েছিল।

চিঠিতে বৃদ্ধা আরও জানিয়েছেন, তিনি ওই ভেজা সিটে বসতে চাননি। তাই তাকে ক্রুদের একটি সিটে বসতে দেয়া হয়, কিন্তু এক ঘণ্টা পর একজন ক্রু তাকে আবারও সেখানে ফিরে যেতে বলেন। সিটটি যদিও শিট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছিল, তবে সেখান থেকে প্রস্রাবের বাজে গন্ধ আসছিল। এরপর অপর একজন ক্রু সেখানে জীবানুনাশক ছিটিয়ে দেন। এরপরেও যখন ওই নারী বসতে অস্বীকৃতি জানান তখন আরেকজন ক্রুর সিটে বসানো হয়। সেখানে ভ্রমণের বাকি সময় কাটান।

আরও পড়ুন:
ভারত ও পাকিস্তানের পরমাণু স্থাপনার তালিকা বিনিময়
বাসচালকের হার্ট অ্যাটাক, সংঘর্ষে নিহত এসইউভির ৮ যাত্রী
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রিশাভ পান্ট
অনলাইন যৌনতার ফাঁদে সর্বনাশ
বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা নিয়ে বাংলাদেশে ভারতের পাপ্পু

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Why put up the poster Haji Milan

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন ‘পোস্টার বয়’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছেন হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন। ছবি: সংগৃহীত
‘রাস্তায় বের হলেই আমারে দেখা যায়, এই জন্য অন্যদের খারাপ লাগে। আমার ছবি কেন রাস্তায় দেখা যায়, তাদের ছবি কেন দেখা যায় না– এ জন্যে তাদের খারাপ লাগে।’

‘ঢাকা শহরের রাস্তায় বের হলেই আমাকে দেখা যায়, কারণ আমি উঁচুতে পোস্টার লাগাই। নিচে পোস্টার লাগালে তো অন্যরা আমার পোস্টারের উপর পোস্টার মাইরা দিব। তখন তো কেউ আমারে দেখতে পারবে না,’ বললেন হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন, যিনি ‘পোস্টার বয়’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।

ঢাকা শহরের যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই দেখা যায় হাজী মিলনের পোস্টার। জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে নানান উপলক্ষে ছাপানো পোস্টারে দেখা যায় তার হাস্যোজ্জ্বল মুখ। সম্প্রতি মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার লাগানো নিয়ে তিনি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হয়ে হেরেছেন দুই বার।

নিউজবাংলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় বের হলেই আমারে দেখা যায়, এই জন্য অন্যদের খারাপ লাগে। আমার ছবি কেন রাস্তায় দেখা যায়, তাদের ছবি কেন দেখা যায় না– এ জন্যে তাদের খারাপ লাগে। ঢাকা শহরে দেড়-দুই কোটি মানুষ থাকে। এর মধ্যে দুই-তিন শ মানুষ সমালোচনা করে। কারণ তাদের খারাপ লাগে, আর বাকি মানুষ প্রশংসা করে। এই দুই-তিন শ লোকের ছবিসহ পোস্টার লাগায় দেন, দেখবেন তাদের কাছেও ভালো লাগবে।’

হাজী মিলন ঢাকা দক্ষিণে রাজনীতি করলেও উত্তর ঢাকাতেও তার পোস্টার ও প্রচারনা দেখা যায়। গত ২০ বছর ধরে তিনি নিজের পোস্টার লাগিয়ে আসছেন বলেন জানান হাজী সাইফুদ্দিন।

অতিরিক্ত পোস্টার লাগানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এগুলো আমি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মারছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পার্টি আমাকে রিকোয়েস্ট করে, তাই আমি পোস্টার লাগাই। আমি পার্টিতে টাকা দেই, ওরা পোস্টার লাগায়।’

পার্টির পোস্টার ছাড়াও ঈদসহ বিভিন্ন উপলক্ষেও তার পোস্টার দেখা যাওয়ার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, ‘ওই মাঝে মাঝে পোস্টার লাগাই আরকি।’

মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার লাগানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে হাজী সাইফুদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেট্রোরেলের পিলারের পোস্টার তো উঠায় ফালাইছি আমরা। ওই ছেলেদের বারণ করার পরও তারা পোস্টার লাগায় ফালাইছিল। একদিন লাগায় ফালাইছে, এরপর আমরা যখন দেখছি, তহন আমরা বারণ করছি। পিলারে তো আমরা পোস্টার লাগাতে ওদের বলিনি। অশিক্ষিত লোক তো, তাই ওরা লাগায় ফালাইছে। এরপর কিছু কিছু জায়গায় আমরা এই পোস্টার তুলছিও। আরো পোস্টার তুলব, কিন্তু পোস্টার তোলার লোক খুঁজে পাচ্ছি না। কেউ এগুলো তুলতে চায় না। আঙ্গুল-টাঙ্গুল ছুইল্লা যাই তো, তাই।’

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

আগামীতেও পোস্টার লাগানোর পরিকল্পনা আছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, না, ওই রকমভাবে পোস্টার মারার পরিকল্পনা আমার নাই।’

পোস্টারের পেছনে বছরে তার খরচ জানতে চাইলে হাজী মিলন বলেন, ‘এটা তো বলতে পারব না। যখন যা লাগে, তখন সেটা খরচ করি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার পোস্টার তো আমি লাগাই না, মানুষে লাগায়। আমার পোস্টার আমি রাস্তায় গিয়ে মারব, এটা হয় নাকি? আমি তো বছরে একবার পোস্টার লাগাই। আর অন্যরা তো সারা বছরই পোস্টার লাগায়।’

পোস্টার লাগানোর পেছনে কত জন কর্মী নিযুক্ত, জানতে চাইলে মিলন বলেন, ‘এগুলো বিভিন্ন মানুষ লাগায়, কত জন লাগায় এটা তো জানি না। এগুলো পার্টির মানুষ লাগায়।’

পোস্টার লাগানোর কারণে সিটি করপোরেশন তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেছে বলে জানান তিনি। পোস্টারে ব্যবহৃত ছবি সাম্প্রতিক কালের তোলা কিনা জানতে চাইলে হাজী মিলন বলেন, ‘এগুলো এখনকার ছবি। আর আগের পোস্টারে আগের ছবি।’

দক্ষিণ সিটির নির্বাচন করলেও উত্তর সিটি এলাকায় পোস্টার লাগানোর যৌক্তিকতা জানতে চাইলে হাজী মিলন বলেন, ‘পোস্টার মারলে সবাই চিনে। আর ওই পোলাপাইনরা সব জায়গায় পোস্টার মাইরা দেয়। আমি তো ওদের বলি না উত্তরে পোস্টার মারতে।’

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

ঢাকা শহরে পোস্টার মারা নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তার মোহাম্মাদ আবু নাসের বলেন, ‘ঢাকা শহরে এই ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার অপসারণে দক্ষিণ সিটি বছরে পাঁচ-ছয়বার অভিযান চালায়। এটা হয়তো পর্যপ্ত নয়, তারপরও আমরা এগুলো অপসারণ করি এবং যারা এই পোস্টার মারে তাদেরকেও নোটিশ করি।’

পোস্টার মারা থেকে বিরত করতে হাজি মিলনের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আবু নাসের বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তাকে নোটিশ করেছি। শুধু হাজি মিলনই নয়, যারা যারা এই পোস্টার দিয়ে দূষণ করে, আমরা তাদের সবাইকেই নোটিশ করি। কোনো কোনো জায়গায় জরিমানা ও মামলাও করি।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের ‘অকথ্য ভাষার’ প্রতিবাদে পোস্টারিং
হারানো বিড়াল খুঁজে দিলেই পুরস্কার
নির্বাচনি পোস্টার-ব্যানারে খাতা, স্কুলব্যাগ

মন্তব্য

p
উপরে