× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Searching for oceans deep within the Earth
hear-news
player
google_news print-icon

পৃথিবীর গভীরে মহাসাগরের সন্ধান

পৃথিবীর-গভীরে-মহাসাগরের-সন্ধান
পৃথিবীতে আরেক মহাসাগরের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। ছবি: সংগৃহীত
ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর জিওসায়েন্সেসের একদল গবেষক বলছেন, পৃথিবীর একেবারে উপরের আবরণ (mantle) ও কেন্দ্রের মধ্যবর্তী একটি স্তরে লুকিয়ে আছে এই মহাসাগর।

পৃথিবীতে আরেক মহাসাগরের সন্ধান মিলেছে। এই গ্রহের বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পাঁচ মহাসাগরের কোনোটির চেয়ে এটির ব্যাপ্তি কম না।

তাৎপর্যের বিষয় হলো- আমাদের জানা মহাসাগরগুলোকে আমরা দেখতে পাই। কারণ সেগুলো আছে পৃথিবীর উপরিভাগে। নতুন আবিষ্কৃত মহাসাগরের অবস্থান পৃথিবীর গভীরে।

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর জিওসায়েন্সেসের একদল গবেষক সম্প্রতি বিরল এক হীরার ওপর গবেষণা চালিয়ে নতুন মহাসাগরের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন। তারা বলছেন, পৃথিবীর একেবারে উপরের আবরণ (mantle) ও কেন্দ্রের মধ্যবর্তী একটি স্তরের মধ্যে লুকিয়ে আছে এটি।

‘বাকি পাঁচটি মহাসাগর যেখানে উপরের আবরণের মধ্যে অবস্থিত, সেখানে ৬ নম্বরটি তার নিচে। এ কারণে এটির অস্তিত্ব এতদিন টের পাওয়া যায়নি।’

গবেষকরা বলছেন, দুই আবরণের মধ্যবর্তী স্তরে পাথরের মাঝে আটকে আছে বিপুল জলরাশি, যা কোনো মহাসাগরের চেয়ে কম নয়। তাই এটিকে ৬ নম্বর মহাসাগর বলার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে।

আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশ বতসোয়ানায় সম্প্রতি বিরল এক হীরার সন্ধান মেলে। ১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটারের হীরাটি ৬১০ কিলোমিটার গভীরে গঠিত হয়েছিল বলে গবেষকরা জানান।

তারা বলছেন, হীরাটির বেশিরভাগ অংশজুড়েই পানি। আর এই পানির উৎস খুঁজতে গিয়েই খোঁজ মেলে নতুন মহাসাগরের।

ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর জিওসায়েন্সেসের অধ্যাপক ফ্রাঙ্ক ব্রেনকার বলেন, ‘রামন এবং এফটিআইআর স্পেকট্রোমেট্রিসহ বেশ কয়েকটি কৌশলের মাধ্যমে বিরল এই হীরার ওপর গবেষণা চালাই। এতে বহুদিনের একটি তত্ত্বের প্রমাণ মিলেছে যেখানে বলা হয়, ভূপৃষ্ঠের দুই আবরণের মাঝে পানির অস্তিত্ব আছে।

‘সাগরের পানি স্ল্যাবগুলোকে সাবডাক্ট করে এবং একই প্রক্রিয়ায় ট্রানজিশন জোনে প্রবেশ করে। এর মানে হলো, আমাদের গ্রহের পানিচক্র পৃথিবীর অভ্যন্তরের সঙ্গে যুক্ত।’

‘পুরো ট্রানজিশন জোন ভাঙতে প্রায়ই অসুবিধায় পড়তে হয় সাবডাক্টিং প্লেটগুলোকে। তাই এই অঞ্চলে বিপুল পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কিছু এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এখানে লুকিয়ে আছে আরেকটি মহাসাগর।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে

ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক উত্তাপ। ছবি: সংগৃহীত
আল থুমামা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ ‘বি’ থেকে দুই দলেরই নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ।

কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে ইরান। ফুটবলে শক্তির দিক থেকে দুই দলের খুব একটা পার্থক্য নেই। ফিফা রেটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ নম্বরে; চার ধাপ পিছিয়ে ইরানের অবস্থান ২০-এ। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ।

নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে ইরানে চলমান বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ঢেউ এরই মধ্যে কাতার বিশ্বকাপের মাঠেও পৌঁছে গেছে। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীত গাননি ইরানি ফুটবলাররা। পাশাপাশি আগের দুই ম্যচে গ্যালারিতেও দৃশ্যমান ছিল ইরানিদের প্রতিবাদ। আমেরিকার বিপক্ষে ইরানের তৃতীয় ম্যাচে ক্ষোভের এই মাত্রা আরও তীব্র হতে পারে।

আল থুমামা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ ‘বি’ থেকে দুই দলেরই নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। মাঠের লড়াইটাও তাই হাড্ডাহাড্ডি হবে।

ফ্রান্সে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ছিন্ন হয়। তারপর সেই ম্যাচেই হয়েছিল দু'দলের প্রথম দেখা।

সে ম্যাচের আগে অভূতপূর্ব এক ঘটনা ঘটেছিল। উত্তেজনায় পানি ঢেলে ইরানি খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সাদা গোলাপ। তোলা হয়েছিল গ্রুপ ছবিও।

ম্যাচে হামিদ ইস্টিলি এবং মেহেদি মাহদাভিকিয়ার গোলে ২-০তে জয় পায় ইরান। সেটি ছিল বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ইরানের প্রথম জয়। আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল তেহরানের রাস্তায়।

এবার কাতার বিশ্বকাপে গত শুক্রবার ওয়েলসের বিপক্ষে প্রথম জয় পায় ইরান। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬-২ গোলে হার মানতে হয়েছিল ইরানি ফুটবলারদের। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এবার জয় পেলে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে খেলবে তারা।

তবে আমেরিকার বিপক্ষে লড়াইটা কেবল ফুটবল নিয়ে নয়।

ইসলামি শাসনের ইরান যে কয়েকটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ শাসন করছে, নারীদের হিজাব তার একটি। ৭০ দিনের বেশি সময় ধরে ইরানে হিজাববিরোধী তুমুল বিক্ষোভ চলছে; যেটা এখন ইরানের সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসাবে, বিক্ষোভ দমাতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে প্রাণ দিয়েছেন চার শতাধিক মানুষ। তাদের মধ্যে আছে ৬০ জনের বেশি শিশু। ইরানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

হিজাব ঠিকমতো না করার অভিযোগে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনি পুলিশি হেফাজতে মারা যান গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী তেহরান। অল্প দিনে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে।

‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ স্লোগানটি বিশ্বকাপেও দেখা যাচ্ছে অনেক ইরানি বিক্ষোভকারী আশা করছেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি সাবেক এবং বর্তমান অ্যাথলেটিকরাও তাদের সমর্থন দেবেন।

ইরান দলের অধিনায়ক এহসান হাজিসাফি গত সপ্তাহে দোহায় সংবাদ সম্মেলনে বিক্ষোভে সংহতি প্রকাশ করেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতিও জানান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন খেলোয়াড়রা।

ইংল্যান্ড ম্যাচের পর ইরানে আবার চাঙা হয় বিক্ষোভ। নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা ও ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটতে থাকে।

তবে ওয়েলসের বিপক্ষে জয়ের পর নিরাপত্তা বাহিনীর চোখের সামনেই রাস্তায় উদযাপনে মাতে ইরানি জনতা। এর আগে বিক্ষোভ দমাতে যে পুলিশ সরাসরি গুলি ছুড়তে দ্বিধা করেনি, সেই পুলিশ সদস্যরাও সেদিন পতাকা নাড়িয়ে তাদের উৎসাহ দেয়। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, রাস্তায় নাচতে-গাইতেও দেখা গেছে তাদের। সেদিন প্রথা ভেঙে ইরানের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত নিউজ ওয়েবসাইটগুলো হেডস্কার্ফহীন উল্লসিত নারীদের ছবি প্রকাশ করে৷

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাদের দেশে ‘দাঙ্গা’ এবং ‘সন্ত্রাসবাদ’-এর মূল চালিকাশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করছেন, তবে তা অস্বীকার করেছে ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন:
ফিফার টুইটে এবার বাংলাদেশে ব্রাজিল উদযাপন
নেইমারকে মিস করেছেন তিতে
ব্রাজিলের জয়ে জগন্নাথে বাঁধভাঙা উল্লাস
ম্যাচের আগে মেসিকে পোলিশ ডিফেন্ডারের হুঁশিয়ারি
আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে বন্ধুকে খুন

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The American coach apologized before the Iran match

ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ

ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ যুক্তরাষ্ট্রের হেড কোচ হেড কোচ গ্রেগ বেরহাল্টার। ছবি: সংগৃহীত
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ নিয়ে রোববার ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। সেই পোস্টে তারা ইরানের পতাকার মাঝে থাকা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতীক বাদ দিয়ে বিকৃত ছবি প্রকাশ করে।  

কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার মাঠে নামছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানের টিকে থাকার এ ম্যাচের আগে দেশটির পতাকা বিকৃতি করে ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ হয় তেহরান। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনের হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন দলের হেড কোচ গ্রেগ বেরহাল্টার।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ নিয়ে রোববার ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। সেই পোস্টে তারা ইরানের পতাকার মাঝে থাকা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতীক বাদ দিয়ে প্রকাশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন সিএনএনকে জানায়, মৌলিক মানবাধিকারের জন্য ইরানের নারীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে তারা ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশটির পতাকা পরিবর্তন করেছে। তবে ইরানের মূল পতাকা আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইট ও অন্যান্য জায়গায় আছে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের

এরপর যুক্তরাষ্ট্রকে চলমান কাতার বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান জানায় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র দলের কোচ বারহল্টার সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘যা পোস্ট হয়েছে সে ব্যাপারে খেলোয়াড় ও স্টাফরা কিছু জানে না। কিছু জিনিস থাকে যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ফেডারেশন কী করেছে, এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই আমাদের। বাইরের ব্যাপার নিয়ে আমরা ভাবি না। তারপরও খেলোয়াড় ও স্টাফদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইতে পারি আমরা। ’

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বেরহাল্টার বলেন, ‘আমাদের ভাবনাটা ম্যাচ নিয়ে। তাদের (ইরান) হারাতে খুবই মনোযোগী আমরা। অবশ্যই ইরানিদের পাশে আছি আমরা। দলসহ সবাই তাদের পাশে আছে, তবে আমাদের মনোযোগটা খেলা নিয়েই।’

সংবাদ সম্মেলনে ইরানকে বারবার ‘আইরান’ বলছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক টাইলার অ্যাডামস। ভুল উচ্চারণের জন্য তাকে একহাত নেন এক ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেসটিভির এক সাংবাদিক। অ্যাডামসের উদ্দেশ্যে তার প্রশ্ন ছিল, ‘কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর বৈষম্যবাদী আচরণ করা একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে কেমন লাগে?’

ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ
যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল দলের অধিনায়ক টাইলার অ্যাডামস। ছবি: সংগৃহীত

জবাবে অ্যাডামস বলেন, ‘ভুল উচ্চারণের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। বৈষম্য সর্বত্রই আছে। দেশের বাইরে থেকে এটা বুঝেছি যে বিভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের প্রতিনিয়ত উন্নতি হচ্ছে। ’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Lava is coming out of the worlds largest volcano

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট উপরে মাউনা লোয়া শৃঙ্গ থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে। ছবি: ইউএসজিএস
আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

৩৮ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউনা লোয়া থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ রাজ্য হাওয়াইতে স্থানীয় সময় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় আগ্নেয়গিরিটি থেকে লাভার উদগিরণ শুরু হয়। এরই মধ্যে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তার মাত্রা বাড়িয়েছে প্রশাসন। এ খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

অগ্ন্যুৎপাত শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই অঞ্চলে রিখটার স্কেল প্রায় তিন মাত্রার ১০টির বেশি ভূকম্পন আঘাত হেনেছে। তবে সবচেয়ে বেশি মাত্রার ভূকম্পনটি ছিল ৪ দশমিক ২ মাত্রার।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে উদগিরিত গলিত লাভা পবর্তের সুউচ্চ শৃঙ্গ কলডেরাসে সীমাবদ্ধ রয়েছে। পাদদেশের বাসিন্দাদের জন্য এটি তেমন বিপজ্জনক নাও হতে পারে। তবে আগের ভয়াবহ উদগিরণের কথা বিবেচনায় রেখে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তা বাড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, লাভার পরিমাণ যেকোনো সময় বাড়তে পারে এবং তা গড়িয়ে পাদদেশে নেমে এসে জনবহুল দুটি শহর হিলো ও কোনাতে ধ্বংসলীলা চালাতে পারে।

আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

ইউএসজিএস জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সতর্কতার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তায় জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হবে।

হাওয়া ভলকানোস ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে অবস্থিত মাউনা লোয়া পর্বতটি হাওয়াইয়ের ‘বিগ আইল্যান্ড’-এ অর্ধেকেরও বেশি জায়গা দখল করে রেখেছে। মাউনা লোয়া পবর্তটি ২,০০০ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

আগ্নেয়গিরির চূড়াটি সমুদ্রের উপরিভাগ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট ওপরে।

এর আগে ১৯৮৪ সালের অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল মাউনা লোয়াতে। সে সময় ওই দ্বীপের সবচেয়ে জনবহুল শহর হিলোর পাঁচ মাইল ভেতরেও লাভা চলে গিয়েছিল।

চার দশকে এই বিগ আইল্যান্ডের জনসংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে দুই লাখের বেশি।

১৮৪৩ সাল থেকে মাউনা লোয়ায় অন্তত ৩৩টি অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে সুনামি সতর্কতা
সাগরতলে অগ্ন্যুৎপাত, টোঙ্গায় সুনামি
আবার জেগেছে নিরাগঙ্গো, আতঙ্কে ডিআর কঙ্গো
ভাঙল ৮০০ বছরের ঘুম

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Bangladesh Luxembourg flight is starting

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ ফ্লাইট

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ ফ্লাইট সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তির ফলে উভয় দেশেই ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরো ভালো হবে। এখন চুক্তি হলো। এরপর বাজার সম্প্রসারণ করার চিন্তাভাবনা করে তারা বাস্তবায়নে যাবে।’

বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যুক্ত হতে ফ্লাইট চলাচল চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এর ফলে উভয় দেশেই ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরো ভালো হবে। এখন চুক্তি হলো। এরপর বাজার সম্প্রসারণ করার চিন্তাভাবনা করে তারা বাস্তবায়নে যাবে।’

এর পাশাপাশি বৈঠকে বাংলাদেশ বিমান (রহিত বাংলাদেশ বিমান অর্ডার ১৯৭২ পুনর্বহাল এবং সংশোধন) আইন ২০২২ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরের আগে দেশ কিন্তু পিও অর্ডার বা প্রেসিডেন্ট অর্ডারে চলেছে। সে বছরের ৪ নভেম্বর যখন সংবিধান হলো, তখন থেকে পিও অর্ডারগুলো সংবিধানের আওতায় আইন হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

‘সুতরাং পিও অর্ডার সংবিধানের অংশ। তখন কেবিনেটে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হলো এগুলো বহাল রাখতে হবে। নইলে আমাদের সরকারের ইতিহাস থাকবে না। এরপর ১৯৭৭ সালে একটি কর্পোরেশন করে; ২০০৭ সালের ১১ জুলাই কোম্পানি করে দেয় বিমান।

‘এরপর একটি অধ্যাদেশ করে ২০১১ সালের ২৫ জুলাই আবার এটিকে কোস্পানি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আইনে বলেছে, ২০০৭ সালের ১১ জুলাই পরে আবার বলে ২৫ জুলাই... এটা নিয়ে একটা বিরোধ তৈরি হচ্ছে। এ জন্য তারা (বিমান মন্ত্রণালয়) একটি সংশোধন নিয়ে আসছে। সেটা হলো, ১৯৭২ সালের পিও অর্ডারে ফিরে যাবে। কিন্তু ২০০৭ সালে ১১ জুলাই থেকে যে কোম্পানি করা হলো সেটা বজায় থাকবে। এই ছোট সংশোধন নিয়ে আসছে বেসরকারি বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।’

আরও পড়ুন:
টেক্সাসে মাঝ আকাশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ২ বিমানের সংঘর্ষ
বিমানের সারচার্জ মওকুফ ঠিক হবে না: বেবিচক
তানজানিয়ার উড়োজাহাজ হ্রদে পড়ে নিহত ১৯
বিমানের ৩,৪৪৯ কোটি টাকার সারচার্জ মওকুফ
বিমানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় এমডির কক্ষ থেকে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Iran calls for the United States to be kicked out of the World Cup

যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের বিশ্বকাপে ম্যাচ শুরুর আগে প্রদর্শিত হচ্ছে ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবারই কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী রাউন্ডে যেতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে ইরানকে। এর আগেই ছড়িয়েছে এই উত্তেজনা।

যুক্তরাষ্ট্রকে চলমান কাতার বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের পতাকার ছবি বিকৃত করার অভিযোগ তুলে এই আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবারই কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী রাউন্ডে যেতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে ইরানকে। এর আগেই ছড়িয়েছে এই উত্তেজনা।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ নিয়ে রোববার ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। সেই পোস্টে তারা ইরানের পতাকার মাঝে থাকা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতীক বাদ দিয়ে বিকৃত ছবি প্রকাশ করে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয় তেহরান।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন সিএনএনকে জানায়, মৌলিক মানবাধিকারের জন্য ইরানের নারীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে তারা ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশটির পতাকা পরিবর্তন করে। তবে ইরানের মূল পতাকা আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইট ও অন্যান্য জায়গায় আছে বলেও জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সিএনএনকে জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ফুটবল ফেডারেশন পতাকা পরিবর্তন করেনি।

তিনি সিএনএনকে বলেন, ‘আমরা মাঠে শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের অপেক্ষায় আছি। নারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সহিংসতা এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নৃশংস দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণকে সহায়তা করার উপায় খুঁজছে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম রোববায় জানায়, পতাকা বিকৃতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয়া উচিত এবং ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা উচিত।

আরও পড়ুন: আন্দোলনে সংহতি: জাতীয় সংগীত গায়নি ইরান দল

এ নিয়ে ফিফার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পায়নি সিএনএন।

সঠিকভাবে হিজাব না করার অভিযোগে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যু হয় গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে। যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত রাজতন্ত্রকে উৎখাত করার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ইরানে ইসলামি বিপ্লব ঘটে। এ বিপ্লবের চার বছর পর ইরানে হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়।

আরও পড়ুন:
ছয় গোলের রোমাঞ্চ উপহার দিল সার্বিয়া ও ক্যামেরুন
যে স্টেডিয়ামে ব্রাজিল-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ
তিতের বিশ্বাস নেইমারের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায়নি

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Saudi wants to buy Manchester United Liverpool

ম্যানইউ-লিভারপুল কিনতে চায় সৌদি আরব

ম্যানইউ-লিভারপুল কিনতে চায় সৌদি আরব ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুলের ম্যাচ। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল বিবিসিকে জানিয়েছেন, কোনো বেসরকারি সংস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল কিনতে চাইলে সরকার সহায়তা করবে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল নিউকাসল ইউনাইটেডের মালিক সৌদি মালিকানাধীন কনসোর্টিয়াম সৌদি পাবলিক ইনভেস্ট ফান্ড (পিআইএফ)। এবার দেশটি ওই লিগের অন্য দুই দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল কিনতে চাইছে।

সৌদি ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল বিবিসিকে জানিয়েছেন, কোনো বেসরকারি সংস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল কিনতে চাইলে সরকার সহায়তা করবে।

তিনি যোগ করেন, ‘সৌদিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ খুব জনপ্রিয় এবং অনেক দর্শক রয়েছে। বেসরকারিভাবে কেউ এগিয়ে এলে আমরা অবশ্যই তাদের সমর্থন করব। কারণ আমরা জানি যে এটি দেশের মধ্যে খেলাধুলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

কয়েকদিন আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দিনই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্জেন্টিনার তারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি সৌদি আরবের বিলিয়ন ডলারের ‘ভিশন ২০৩০’ প্রজেক্ট বাস্তবায়নে একটি অন্যতম অংশ।


সৌদির পর্যটনকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরাই ছিল এই চুক্তির বিষয়বস্তু। এই ভিশনের আওতায় সৌদি ২০৩০ বিশ্বকাপে আয়োজক হওয়ার পরিকল্পনা করছে।

ফুটবল বিশ্বের আরেক আইকন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে সৌদি ফুটবলের শীর্ষ ক্লাব আল নাসের ৩ বছরে ২২ কোটি ডলারের অবিশ্বাস্য অর্থের বিনিময়ে দলে ভেড়াতে চেয়েছিল। তবে রোনালডো রাজি হননি।

শুধু ফুটবলই নয় ফরমুলা ওয়ান, গলফ ও টেনিসের বিশ্বসেরা আসরগুলোও আয়োজন করতে চায় সৌদি সরকার।

আরও পড়ুন:
যেখানে অনন্য রোনালডো
স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ঘানাকে হারাল পর্তুগাল
বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার: রোনালডোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন ম্যানইউর

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Women look beautiful in nothing

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব বাবা রামদেব। ছবি: সংগৃহীত
রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

বিতর্কিত মন্তব্যে ফের আলোচনায় ভারতের যোগগুরু স্বামী রামদেব। এবার নারীর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ৫৭ বছরের এই সেলিব্রেটি।

ভক্তদের কাছে এই যোগগুরু বাবা রামদেব নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্রের থানেতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

রামদেবের এমন মন্তব্য ফুঁসে উঠেছে ভারতের নারীবাদীরা। নিন্দা জানিয়ে রামদেবকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। রামদেবের ওই ভিডিও টুইট করেছেন তিনি।

এতে রামদেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের ভাগ্য ভালো। আমাদের সামনে যারা অবস্থান করছেন তারা শাড়ি পরার সুযোগ পেয়েছেন। পেছনেররা হয়তো সুযোগ পায়নি; সম্ভবত ওনারা বাসা থেকে শাড়িগুলো প্যাক করে এনেছে, তবে বদল করার সময় পাননি।

'আপনাদের শাড়িতে দারুণ লাগে, সালোয়ারেও তাই। কিছুই না পরলেও ভালো লাগে।’

রামদেব নারীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘সামাজিক নিয়মের জন্য পোশাক পরেন। শিশুরা কোনো কিছুই পরে না। আমরা ৮ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কিছুই পরিনি।’

দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল ভিডিওটি পোস্ট করে টুইটে বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর সামনে নারীদের নিয়ে স্বামী রামদেবের করা মন্তব্য অশালীন এবং নিন্দনীয়৷ এই বক্তব্যে নারীরা হতাশ হয়েছেন। বাবা রামদেবের ক্ষমা চাওয়া উচিত৷’

এ নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রামদেব বা তার প্রতিষ্ঠান পতঞ্জলির পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য আসেনি।

রামদেবের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র।

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরের ঘনিষ্ঠরাও এমন মন্তব্যকে ভালো চোখে দেখছেন না। উদ্ধব-ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত জানান, এই বাজে মন্তব্যের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর।

‘এই সরকার অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে না।’

মন্তব্য

p
উপরে