× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
11 of tech budget spent on cyber security Sophos report
hear-news
player
print-icon

প্রযুক্তি বাজেটের ১১% ব্যয় সাইবার নিরাপত্তায়: সফোস রিপোর্ট

প্রযুক্তি-বাজেটের-১১-ব্যয়-সাইবার-নিরাপত্তায়-সফোস-রিপোর্ট
জরিপে অংশ নেয়া ৪৫ শতাংশ কোম্পানি বলছে, তারা গত ১২ মাসে তাদের তথ্য বা সাইবার নিরাপত্তায় কোনো পরিবর্তন আনেনি, যা তাদের তাদের সাইবার নিরাপত্তায় একটি পরোক্ষ নির্দেশ করে। তবে কখনও কখনও সাইবার নিরাপত্তায় অবশ্যই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সফোস ‘দ্য ফিউচার অফ সাইবার সিকিউরিটি ইন এশিয়া প্যাসিফিক অ্যান্ড জাপান’ নামের তাদের এক জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সফোস জরিপ কাজটি করেছে দ্য টেক রিসার্চ এশিয়া (টিআরএ) নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমাগত সাইবার নিরাপত্তায় তাদের বাজেট বাড়াচ্ছে। ২০২২ সালের এসে প্রযুক্তি বাজেটের ১১ শতাংশই ব্যয় হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তায়, যা আগের বছরের চেয়ে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

এশিয়া প্যাসিফিক ও জাপানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সাইবার হুমকি শনাক্তকেই মূল হিসেবে বিবেচনায় নেয়। আর এতেই খরচ করে বেশি। ২০২১ সালে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান (প্রায় ৯০ শতাংশ) তাদের সাইবার নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য সাইবার হুমকি শনাক্ত করার কাজ করেছে। এদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ বলছে, পদ্ধতিটি তাদের প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এর আগে সোফোস র‍্যানসামওয়্যারের যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল সেখানে বলা হয়, এপিজে অঞ্চলের ৭২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালে র‍্যানসামওয়্যার হামলার শিকার হয়েছে। যা আগের বছর ২০২০ সালের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি।

প্রতিষ্ঠানগুলো সাইবার নিরাপত্তার প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়াশীল ও নিষ্ক্রিয়।

জরিপে অংশ নেয়া ৪৫ শতাংশ কোম্পানি বলছে, তারা গত ১২ মাসে তাদের তথ্য বা সাইবার নিরাপত্তায় কোনো পরিবর্তন আনেনি, যা তাদের তাদের সাইবার নিরাপত্তায় একটি পরোক্ষ নির্দেশ করে। তবে কখনও কখনও সাইবার নিরাপত্তায় অবশ্যই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

তাদের কৌশল পরিবর্তনের পেছনে চালিকাশক্তি হলো একটি সাইবার হামলা বা ব্রিচ বা লঙ্ঘন, যা একটি ‘আক্রমণ, পরিবর্তন, আক্রমণ, পরিবর্তন’ চক্রে পরিচালিত হয়। এই প্রবণতা অবশ্য ২০১৯ সাল থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আগের সাইবার হামলা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রায় অর্ধেক বা ৪৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বলছে, তারা আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনবে। সেই সঙ্গে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তায় আলোকপাত করে নিরাপত্তা বাড়াতে ব্যবস্থাপনা জোরদার করে পদক্ষেপ নেবে।

আরও পড়ুন:
প্রতিষ্ঠানকে র‍্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখার পাঁচ উপায়
৬৬% প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার: সোফোস
সোফোসের রিপোর্ট: আরও সুসংগঠিত হবে রানস্যমওয়্যার

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Medium sized businesses are more vulnerable to cyber attacks

মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার ঝুঁকি বেশি

মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার ঝুঁকি বেশি বৃহস্পতিবার মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স টেকনোলজি (আইসিটি) অ্যান্ড ডিজিটাইজেশন অফ ট্রেড বডিজের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘বিশ্বের ৬৬ শতাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অন্তত একবার সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। ২০০২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এ ধরনের হামলার হার ৮০ শতাংশ বেড়েছে। হামলাগুলোর ৯৩ শতাংশই ঘটেছে ফিশিং ই-মেইলের মাধ্যমে। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার ঘটনা বাড়ছে।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ব্যবসা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ছে। এর মধ্যে মাঝারি আকারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব হামলা মোকাবিলায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স টেকনোলজি (আইসিটি) অ্যান্ড ডিজিটাইজেশন অফ ট্রেড বডিজের সভায় বক্তারা এ কথা বলেছেন।

বক্তারা বলেন, মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাইবার হামলা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত কারিগরি সক্ষমতা ও কর্মীদের সচেতনতার অভাব রয়েছে।

স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা জানান, বিশ্বের ৬৬ শতাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অন্তত একবার সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। ২০০২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এ ধরনের হামলার হার ৮০ শতাংশ বেড়েছে।

হামলাগুলোর ৯৩ শতাংশই ঘটেছে ফিশিং ই-মেইলের মাধ্যমে। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার ঘটনা বাড়ছে। সাইবার হামলা প্রতিরোধে নিরাপত্তামূলক সফটওয়্যারের বাজার বছরে সাড়ে ১৪ শতাংশ হারে বাড়ছে। বর্তমানে এই বাজারের বৈশ্বিক আকার ১৫৬ বিলিয়ন ডলার।

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেয়া প্রতিরোধ করতে কর্মীদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেন এই খাতের উদ্যোক্তারা।

সভায় স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ সৈয়দ আলমাস কবীর জানান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে। এ জন্য একাধিক সেমিনারের আয়োজন ও সচেতনতামূলক পোস্টার করা হবে।

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, বেশির ভাগ সরকারি অনলাইন সার্ভিস কার্যকর নয়। বিশেষ করে অনলাইনে সনদ গ্রহণ করতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।

দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্ট্যান্ডিং কমিটিকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

‘তথ্যপ্রযুক্তি একটি ব্যাপক সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ খাতের রপ্তানি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে কমিটির প্রতি আহ্বান জানান।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ার‌ম্যান শহিদ-উল মুনীর। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিটির সদস্যদের একযোগে কাজ করার কথা বলেন তিনি।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কমিটির কো-চেয়ারম্যান মো. নাজমুল করিম বিশ্বাস কাজল, মো. মোতাহার হোসেন খান, অন্যান্য সদস্য ও এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে ব্যাংকে সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠানে চীনের সাইবার হামলা
সাইবার হামলা: রাশিয়াকে দুষতে নারাজ ট্রাম্প
অলিম্পিকের সাইট হ্যাক রাশিয়ার: যুক্তরাজ্য

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Kiselects new calling smartwatch in the country

দেশে কিসিলেক্টের নতুন কলিং স্মার্টওয়াচ

দেশে কিসিলেক্টের নতুন কলিং স্মার্টওয়াচ দেশের বাজারে কিসিলেক্টের নতুন স্মার্টওয়াচ। ছবি: সংগৃহীত
দেশব্যাপী মোশন ভিউয়ের সকল আউটলেট, অনুমোদিত রিটেইল পয়েন্টে ও অনলাইনে স্মার্টওয়াচটি পাওয়া যাচ্ছে। স্মার্টওয়াচটির দাম ৬ হাজার ৭৮০ টাকা। এ ছাড়া ৪ হাজার ৬০০ টাকায় পাওয়া যাবে এটির রেগুলার মডেল কিসিলেক্ট কেআর।

দেশের বাজারে কলিং ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্টওয়াচ নিয়ে এসেছে গ্যাজেট বিপনণকারী প্রতিষ্ঠান মোশন ভিউ লিমিটেড।

কিসিলেক্ট ব্রান্ডের কেআর প্রো কলিং স্মার্টওয়াচটি কেনায় ১ বছরের বিক্রোত্তর সেবা বা ওয়ারেন্টি সুবিধা মিলবে। ১ বছরের মধ্যে ফিজিক্যাল ড্যামেজ ছাড়া অন্য যেকোনো সমস্যা হলে তা বিনামূল্যে সারিয়ে কিংবা পরিবর্তন করে দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

গোলাকার আকৃতির স্মার্টওয়াচটিতে রয়েছে ১.৪৩ ইঞ্চি আকারের অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যাতে রয়েছে অলওয়েজ-অন-ডিসপ্লে (এওডি) ফিচার। এতে থাকা ২৮০ এমএএইচ ব্যাটারি ফুল চার্জ হতে ২ ঘণ্টার মত সময় নেয়। আর একবার ফুল চার্জে সাধারণ ব্যবহারে তিন দিন, ভারী ব্যবহারে দুই দিনের ব্যাকআপ মিলবে। যারা ফিটনেস সচেতন, তাদের কথা মাথায় রেখে এতে প্রায় ৭০টি ভিন্ন ওয়ার্কআউট ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

ঘড়িটির বিশেষত্ব হলো, স্মার্টফোনে ব্লুটুথের মাধ্যমে যুক্ত থাকা অবস্থায় এটি থেকে সরাসরি কল করা যাবে, কিংবা ফোনে আসা কল রিসিভ করেও কথা বলা যাবে। এজন্য ঘড়িটিতে যুক্ত আছে বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন। এ ছাড়া এটিতে রয়েছে বিল্ট-ইন মিউজিক প্লেয়ার ফিচার।

স্মার্ট ওয়াচটিতে আইপি-৬৮ গ্রেডের ওয়াটার রেসিস্ট্যান্স থাকার এটি হাতে থাকা অবস্থায় সাঁতার কাটা যাবে।

দেশব্যাপী মোশন ভিউয়ের সকল আউটলেট, অনুমোদিত রিটেইল পয়েন্টে ও অনলাইনে স্মার্টওয়াচটি পাওয়া যাচ্ছে। স্মার্টওয়াচটির দাম ৬ হাজার ৭৮০ টাকা। এ ছাড়া ৪ হাজার ৬০০ টাকায় পাওয়া যাবে এটির রেগুলার মডেল কিসিলেক্ট কেআর।

দেশব্যাপী মোশন ভিউ দেশের সেরা দামে স্মার্ট গ্যাজেট, স্মার্টফোন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও গ্রাহকের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সেরা বিক্রয়োত্তর সেবা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

দেশব্যাপী ৬৪ জেলায় মোশন ভিউয়ের বিপণন চালু আছে। নিজস্ব ২২ টি ব্র্যান্ড আউটলেট, ২ হাজারের অধিক রিটেইল ও অনলাইনে তাদের পণ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডের অরিজিনাল স্মার্ট গ্যাজেট, যেমন- স্মার্ট ওয়াচ, ইয়ারফোন, স্মার্ট টিভি, পাওয়ার ব্যাংক, , স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স ইত্যাদি গ্রাহকের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সেগুলোর ক্ষেত্রে পূর্ণ বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে প্রযুক্তিপণ্য পৌঁছে দিতে মোশন ভিউয়ের পার্টনার মিট
ধানমন্ডিতে মোশন ভিউয়ের নতুন আউটলেট চালু
মোশন ভিউয়ে পাওয়া যাবে ইনফিনিক্স মোবাইল

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
In Iran Instagram photos are not available on WhatsApp

ইরানে বন্ধ ইনস্টাগ্রাম, ছবি যাচ্ছে না হোয়াটসঅ্যাপে

ইরানে বন্ধ ইনস্টাগ্রাম, ছবি যাচ্ছে না হোয়াটসঅ্যাপে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রায় বন্ধ আছে ইরানে। ছবি: সংগৃহীত
ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে তুমুল আন্দোলনের মধ্যে দেশটিতে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইনস্টাগ্রাম কাজ করছে না। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যাচ্ছে না ছবি।

‘সঠিক নিয়মে’ হিজাব না পরার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর ২২ বছরের মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনায় ইরানে চলমান বিক্ষোভ সামাল দিতে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ব্লক করেছে দেশটির সরকার।

বৈশ্বিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লক্সের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

নেটব্লক্স বলছে, সোমবার থেকে পশ্চিম ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশের কিছু অংশে শুরুতে ইন্টারনেট সেবা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভ শুরুর পর তেহরান ও অন্যান্য শহরেও ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটছে।

তেহরান ও দক্ষিণ ইরানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট পাঠাতে পারলেও কোনো ছবি পাঠাতে পারছেন না। ইনস্টাগ্রাম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।

চলমান উত্তাল পরিস্থিতিতে ইরানে ইন্টারনেটের গতিও কমিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। একটি বড় মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ার কারণে লাখ লাখ গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ইন্টারনেট সেবা নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দেশটিতে ইন্টারনেটে হস্তক্ষেপ নতুন ঘটনা নয়। এর আগে ২০১৯ সালে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময়েও প্রায় সপ্তাহখানেক ইন্টারনেট বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।

পুলিশি হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে দেশটিতে প্রবল বিক্ষোভ চলছে। অনেক নারী এই বিক্ষোভে সমর্থন জানাতে হিজাব আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার ছবি ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘প্রয়োজনে মরব, তবু আগের ইরান ফিরিয়ে আনব’
হিজাবে অনিচ্ছুক নারীদের হয়রানি বন্ধ করুন: জাতিসংঘ
নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে উত্তাল ইরান, নিহত ৫
বিশ্ববিদ্যালয়ে বোরকাকে ফরমাল ড্রেস করার দাবি
ঢাবিতে এবার পোশাকের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Huawei is bringing 15 new types of cloud services

নতুন ১৫ ধরনের ক্লাউড সেবা আনছে হুয়াওয়ে

নতুন ১৫ ধরনের ক্লাউড সেবা আনছে হুয়াওয়ে
হুয়াওয়ের রোটেটিং চেয়ারম্যান কেন হু বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত নিজেদের উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করতে ক্লাউডের ব্যবহার বৃদ্ধি করা, কারণ ডিজিটাল স্মার্ট প্রযুক্তিই হবে আগামীর ভবিষ্যৎ। ক্লাউডে ইতোমধ্যে ২৪০টিরও বেশি সেবা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।’

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে ‘হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২২’ আয়োজন।

সোমবার শুরু হওয়া আয়োজনে হুয়াওয়ের রোটেটিং চেয়ারম্যান কেন হু ‘আনলিশ ডিজিটাল’ নিয়ে মূল বক্তব্য দিয়েছেন।

হুয়াওয়ে ক্লাউডের সিইও ঝাং পিং আন ইন্দোনেশিয়া ও আয়ারল্যান্ডে নতুন ক্লাউড অঞ্চল উন্মোচনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন; পাশাপাশি তিনি ‘গো ক্লাউড, গো গ্লোবাল ইকোসিস্টেম প্ল্যান’ উন্মোচন করেন এবং ‘এভ্রিথিং অ্যাজ এ সার্ভিস’ প্রতিপাদ্যে অনুপ্রাণিত হয়ে সেবার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

হুয়াওয়ে ক্লাউডের গ্লোবাল মার্কেটিং ও সেলস সার্ভিসের প্রেসিডেন্ট জ্যাকুলিন শি জানান, হুয়াওয়ে ক্লাউড বিশ্বব্যাপী ১৫টিরও বেশি উদ্ভাবন উন্মোচন করবে; যার মধ্যে রয়েছে- ক্লাউড নেটিভ, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ডেভেলপমেন্ট, ডেটা গভর্ন্যান্স, ডিজিটাল কন্টেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং ম্যাক্রোভার্স এপিএএএস (অ্যাপ্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম অ্যাজ আ সার্ভিস)।

হুয়াওয়ের রোটেটিং চেয়ারম্যান কেন হু বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত নিজেদের উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করতে ক্লাউডের ব্যবহার বৃদ্ধি করা, কারণ ডিজিটাল স্মার্ট প্রযুক্তিই হবে আগামীর ভবিষ্যৎ। ক্লাউডে ইতোমধ্যে ২৪০টিরও বেশি সেবা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।’

এ ছাড়া হুয়াওয়ে ক্লাউডে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, বিগ ডেটা টেকনোলোজিস এবং বিভিন্ন রকম ডেভেলপমেন্ট টুলসের সর্বাধুনিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ৫০ হাজারেরও বেশি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) ব্যবহার করা হয়েছে।

ইভেন্টে ‘গো ক্লাউড, গো গ্লোবাল’পরিকল্পনাটি উন্মোচন করেন হুয়াওয়ে ক্লাউডের সিইও ঝাং পিং আন।

একটি গ্লোবাল ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে ‘বাই লোকাল, ফর লোকাল’ কৌশল গ্রহণ করেছে হুয়াওয়ে ক্লাউড। আগামী তিন বছরে বিশ্ব জুড়ে ১০ হাজারেরও বেশি সম্ভবনাময় স্টার্টআপকে ব্যয়-সাশ্রয়ী কৌশল অবলম্বন, প্রযুক্তিগত সহায়তা, উদ্যোগবিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং ব্যবসায়িকভাবে অন্যান্য সহায়তা দেবে হুয়াওয়ে ক্লাউড।

ইতোমধ্যে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১২০টির বেশি এন্টারপ্রাইজ হুয়াওয়ে ক্লাউড স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিডস ফর দ্য ফিউচারের এশিয়া-প্যাসিফিক রাউন্ডে দেশের ৪ শিক্ষার্থী
ক্লাউড খাতের বিকাশে একসঙ্গে কাজ করবে হুয়াওয়ে-রেডডট ডিজিটাল
ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড
উন্নত ক্লাউড ও ডিজিটাল পাওয়ার সেবা দিতে হুয়াওয়ের দল
শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Conca Refrigerator wins 3 awards

কনকা রেফ্রিজারেটর পেল ৩ পুরস্কার

কনকা রেফ্রিজারেটর পেল ৩ পুরস্কার চায়না রেফ্রিজারেটর ইন্ডাস্ট্রি সামিট ফোরামে তিনটি পুরস্কার জিতেছে কনকা রেফ্রিজারেটর। ছবি: সংগৃহীত
ইলেক্ট্রো মার্ট দুই যুগেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের বাজারে কনকা রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এলইডি টিভি, সিলিং ফ্যান, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং অন্যান্য হোম অ্যাপ্লায়েন্স সরবরাহ ও বাজারজাত করছে। কনকা রেফ্রিজারেটরের বর্তমান মার্কেট শেয়ার ২৫ শতাংশ। দেশে ৪০টির অধিক সিরিজের কনকা রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার পাওয়া যাচ্ছে।

চায়না রেফ্রিজারেটর ইন্ডাস্ট্রি সামিট ফোরাম ২০২২-এ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তিনটি পুরস্কার জিতেছে কনকা রেফ্রিজারেটর।

সম্প্রতি চীনের বেইজিং শহরে হওয়া সামিটে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ তিন ক্যাটাগরিতেই জয়ী হয় কনকা।

বিশ্বের ১৬০টির বেশি দেশে সমাদৃত ব্র্যান্ড কনকা বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ১৯৯৮ সালে। ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের হাত ধরে এ অগ্রযাত্রায় দ্রুতই তারা গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করে। বিশ্বমানের পণ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ট্রেডিং ব্যবসা থেকে উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

এ বছর চীনের রেফ্রিজারেটর শিল্পে পরিবেশগত সংরক্ষণের ২০২২ শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড পুরস্কার জিতেছে কনকা। এ ছাড়া পুরস্কার মিলেছে ‘চায়না রেফ্রিজারেটর ইন্ডাস্ট্রি আল্ট্রা-লং ফ্রেশ প্রিজারভেশন লিডিং প্রোডাক্ট-২০২২’ ক্যাটাগরিতে। আরেকটি পুরস্কার এসেছে কনকার জীবাণুমুক্ত ক্লিন টেস্ট ফ্রেশ প্রযুক্তির জন্য ‘চায়না রেফ্রিজারেটর ইন্ডাস্ট্রি আউটস্ট্যান্ডিং চ্যানেল পারফরম্যান্স পণ্য-২০২২’ ক্যাটাগরিতে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কনকা রেফ্রিজারেটরের উন্নতমানের প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী ভোক্তাদের জীবনমান সহজলভ্য ও উপভোগ্য করে তুলেছে। গ্রাহকরা পাচ্ছেন স্বাস্থ্যসম্মত আধুনিক ও উন্নত জীবনমান।

কনকা রেফ্রিজারেটর অরিজিনাল ফ্রেশ প্রযুক্তির কারণে শাকসবজি ও অন্য ফলমূলকে ১৫ দিন পর্যন্ত বাগানের মতো স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম।

ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল চায়না-বাংলাদেশের যৌথ প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের নিত্যনতুন ইলেকট্রনিকস পণ্যসামগ্রী সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করে যাচ্ছে। কনকা ও হাইকো ফ্রিজের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় এনে দিয়েছে বাজারখ্যাতি ও বিশেষ সুনাম।

ইলেক্ট্রো মার্ট দুই যুগেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের বাজারে কনকা রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এলইডি টিভি, সিলিং ফ্যান, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং অন্যান্য হোম অ্যাপল্যায়েন্স সরবরাহ ও বাজারজাত করছে।

কনকা রেফ্রিজারেটরের বর্তমান মার্কেট শেয়ার ২৫ শতাংশ। দেশে ৪০টির অধিক সিরিজের কনকা রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার পাওয়া যাচ্ছে সেলস অ্যান্ড ডিসপ্লে সেন্টার, রিটেইল শোরুম এবং পার্টনার শোরুমসহ সর্বত্র।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Oppo A16 smartphone price reduced

অপো এ১৬ স্মার্টফোনের দাম কমল

অপো এ১৬ স্মার্টফোনের দাম কমল
ফোনটিতে আছে এআই ট্রিপল ক্যামেরা, এইচডি ও আই কেয়ার ডিসপ্লে  এবং ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। দাম কমানোর পর এখন ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ১৩ হাজার ৯৯০ টাকায়।

গ্রাহকদের স্মার্টফোন কেনার সুযোগ করে দিতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অপো তাদের মিড-রেঞ্জ স্মার্টডিভাইস এ১৬ মডেলের দাম কমিয়েছে এক হাজার টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দাম কমানোর পর এখন ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ১৩ হাজার ৯৯০ টাকায়।

অপো বলছে, ফোনটিতে আছে এআই ট্রিপল ক্যামেরা, এইচডি ও আই কেয়ার ডিসপ্লে এবং ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি।

ডিভাইসটিতে এআই ট্রিপল ক্যামেরা সেট-আপ রয়েছে। যার ১৩ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা ও ২ মেগাপিক্সেল পোর্ট্রেট মোড। যারা ফটোগ্রাফি এবং এআই বিউটিফিকেশন পছন্দ করেন তাদের জন্য ফোনটিতে ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে, যা ছবি তোলার সময় ব্যবহারকারীর ন্যাচারাল বিউটিকে তুলে ধরে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপো এ-১৬ ফোনটিতে রয়েছে এইচডি ও আই-কেয়ার ডিসপ্লে। সুপার পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করে ব্যবহারকারী নির্বিঘ্নে ১.৮৪ ঘণ্টা কল টাইম উপভোগ করতে পারবেন।

ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী মিডিয়াটেক হেলিও জি৩৫ অক্টা-কোর প্রসেসর। ফোনটি বাজারে দু’টি রঙে পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো হলো ক্রিস্টাল ব্ল্যাক ও পার্ল ব্লু।

অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ব্র্যান্ড ম্যানেজার লিউ ফেং বলেন, ‘অপো সবসময় ক্রেতাদের প্রাধান্য দেয়। বিশ্বজুড়ে মানুষ যখন অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি হয়ে দিন পরিচালনা করছে, তখনই মানুষকে সাশ্রয়ী দামে ফোন কেনার সুযোগ করে দিতে ও তাদের চাহিদা পূরণে অপো এ১৬ মডেলের স্মার্টফোনের দাম কমিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
থ্রিডি গ্রাফিক্সের মানোন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে অপো
১৭৯৯০ টাকায় অপোর নতুন স্মার্টফোন
এ সিরিজের নতুন ডিভাইস আনছে অপো
চীনের বাজারে শীর্ষে ভিভো
কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিশিয়াল পার্টনার ভিভো

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Important information of Uber users in the hands of hackers

‘হ্যাকারদের হাতে’ উবার ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

‘হ্যাকারদের হাতে’ উবার ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
হ্যাকারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা দুজন গবেষক জানিয়েছেন, এক হ্যাকারের বয়স ১৮ বছর। তার আর পরিচয় পাওয়া যায়নি। প্রচারণাই তাদের মূল লক্ষ্য। ব্যবহারকারীদের তথ্যের কোনো ক্ষতির প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান উবারের গ্রাহক ও সেবাদানকারীদের তথ্য চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

হ্যাকারদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার উবারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তা নিয়ন্ত্রণে নেয়ার দাবি করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স

হ্যাকিংয়ে অংশ নেয়া একজনের শেয়ার করা স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জমা রাখার স্থানে ঢুকে পড়েছেন হ্যাকাররা।

তবে কী পরিমাণ তথ্য চুরি হয়েছে বা হ্যাকাররা কতক্ষণ ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেরেছিলেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হ্যাকারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা দুজন গবেষক জানিয়েছেন, এক হ্যাকারের বয়স ১৮ বছর। তার আর পরিচয় পাওয়া যায়নি। প্রচারণাই তাদের মূল লক্ষ্য। ব্যবহারকারীদের তথ্যের কোনো ক্ষতির প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

টুইটারে শেয়ার হওয়া তথ্য ও গবেষকদের মতে, উবারের অভ্যন্তরীণ সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ ছিল হ্যাকারদের। হ্যাকারের সঙ্গে অনলাইনে চ্যাট করা গবেষক করবিন লিও বলেন, ওয়েবসাইটে হ্যাকার ঢোকার ব্যাপারটি খারাপ। এটা খুব ভয়ংকর।

ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক তথ্য ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ নানা তথ্য রাখার স্থান হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানান তিনি।

নিরাপত্তা সংস্থা জেলিকের গবেষক এবং ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের প্রধান লিও বলেন, কারো হাতে কোথাও ঢোকার চাবি থাকার অর্থ হলো তিনি সে প্রতিষ্ঠানের সেবা বন্ধ করে দিতে পারেন। কর্মীদের নাম কেটে দিতে পারেন। কোনো ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ কিংবা পাসওয়ার্ডও বদলে দিতে পারেন।

এসব অভিযোগ নিয়ে শুক্রবার অনলাইনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান উবারের পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সতর্কতার অংশ হিসেবে আমরা যে অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যার সরঞ্জামগুলো সরিয়ে নিয়েছিলাম, সেগুলো আবার অনলাইনে ফিরে আসছে।

উবারের সব ধরনের সেবা এখন চালু আছে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।

বার্তা সংস্থা এএফপির পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি হওয়ার অভিযোগ নিয়ে যোগাযোগ করা হলে তা নিয়ে মন্তব্য করেনি উবার। প্রতিষ্ঠানটি শুধু জানিয়েছে, সংবেদনশীল ব্যবহারকারীর তথ্যে কোনো হ্যাকারের প্রবেশের প্রমাণ নেই।

আরও পড়ুন:
উবারের দাবি, তাদের সেবায় নারী ‘নিরাপদ’
দেশের ২০ শহরে উবার মোটো

মন্তব্য

p
উপরে