× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Immortal jellyfish defeating death
hear-news
player
google_news print-icon

মৃত্যুকে হার মানিয়ে ‘অমর’ যে জেলিফিশ

মৃত্যুকে-হার-মানিয়ে-অমর-যে-জেলিফিশ
অমরত্বের খোঁজে বিজ্ঞানীদের চোখ জেলিফিশে। ছবি: সংগৃহীত
টুরিটোসিস ডোরনির বিস্ময়কর ক্ষমতা হলো, এদের মেডুসা আহত, অসুস্থ বা বুড়িয়ে গেলে তা মরে যায় না। উল্টো ‘সিস্ট’ হয়ে যায়, যা একসময় পলিপে পরিণত হয়ে শুরু হয় নতুন চক্র। 

সাধারণভাবে জীবনের শেষ মৃত্যুতে। তবে সব প্রাণীর ক্ষেত্রে বিষয়টি সত্যি নাও হতে পারে, অন্তত জেলিফিশের একটি প্রজাতি মৃত্যুকে যেন দেখিয়ে চলছে বুড়ো আঙুল।

নতুন এক গবেষণা বলছে, টুরিটোসিস ডোরনি জেলিফিশ যৌন মিলনের পর বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়ে জৈবিকভাবে অমর হয়ে উঠেছে। আর এর ডিএনএ-তেই লুকিয়ে আছে শাশ্বত জীবনের রহস্যের উত্তর।

মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে আশ্চর্য এক জৈবিক কৌশল আয়ত্ত করেছে টুরিটোসিস ডোরনি। এ প্রজাতির প্রতিটি সদস্য আসলে একে অপরের ক্লোন। পলিপ (বর্ধনশীল কোষগুচ্ছ) হিসেবে জীবনের শুরু, সময়ের পরিক্রমায় তা জীবন্ত সত্তা মেডুসা পরিণত হয়।

টুরিটোসিস ডোরনির আরেক বিস্ময়কর ক্ষমতা হলো, মেডুসা আহত, অসুস্থ বা বুড়িয়ে গেলে তা মরে যায় না। উল্টো ‘সিস্ট’ হয়ে যায়, যা একসময় পলিপে পরিণত হয়ে শুরু হয় নতুন চক্র।

এ প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘লাইফ সাইকেল রিভার্সাল’ বা জীবনচক্রের উল্টোগতি। বিষয়টি অনেকটা কোনো বয়স্ক ব্যক্তির ফের ভ্রূণে কিংবা একটি মুরগির ডিমে পরিণত হওয়ার মতো ঘটনা।

পিএনএএস জার্নালে সোমবার প্রকাশিত এক নিবন্ধে স্পেনের ওভেইডাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। টুরিটোসিস ডোরনির ডিএনএ-এর সঙ্গে জেলিফিশের অন্য প্রজাতির ডিএনএর তুলনা করেছেন তারা। গবেষকরা দেখতে চেয়েছেন, ঠিক কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে টুরিটোসিস ডোরনি মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে সক্ষম।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, গবেষকেরা টুরিটোসিস ডোরনি বয়সের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ মেরামতে যুক্ত জিনের দিকে বিশেষভাবে নজর দিয়েছেন। তারা জীবনচক্রের উল্টোগতির প্রক্রিয়াও পর্যালোচনা করেছেন। এর মাধ্যমে টুরিটোসিস ডোরনির অমরত্বের পেছনে ভূমিকা রাখা আণবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন ধারণা পাওয়া গেছে।

গবেষণায় জেলিফিশের অন্য প্রজাতির সঙ্গে টুরিটোসিস ডোরনির বেশ কিছু পার্থক্য পাওয়া গেছে। গবেষকদের ধারণা, এগুলোই টুরিটোসিস ডোরনিকে অমর করতে ভূমিকা রাখছে। যেমন টুরিটোসিস ডোরনিতে পিওএলডি-১ এবং পিওএলডি-২ জিনের বেশি প্রতিলিপি খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। এগুলো টুরিটোসিস ডোরনির ‘নশ্বর আত্মীয়দের’ তুলনায় বিভিন্ন প্রোটিনকে বেশি প্রথিত করে রাখে। ফলে এই প্রজাতির জেলিফিশের ডিএনএ মেরামতের সক্ষমতা অনেক বেশি।

এ ছাড়া টেলোমারেজ এনজাইমকে নিয়ন্ত্রণের ডিএনএ সংখ্যাও এই প্রজাতিতে বেশি। বয়সের গতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রয়েছে এই এনজাইমের।

গবেষণার এসব ফলকে চমকপ্রদ বলছেন বিজ্ঞানীরা। তবে তারা বলছেন, মানুষের অমরত্ব লাভের পথ এখনও অনেক বাকি। টুরিটোসিস ডোরনির জৈবিক কৌশলগুলো আমাদের বয়সকে বিশ্লেষণের পথ আপাতত অনেক বিস্তৃত করবে।

আরও পড়ুন:
মৃত জেলিফিশের দখলে কুয়াকাটার সৈকত
সৈকতে একঝাঁক মৃত জেলিফিশ, তবু এটি ‘অমর’ কেন?
ঘরে এলো জেলিফিশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The freedom fighters son made his wife a sister to take advantage of the quota

কোটা সুবিধা নিতে স্ত্রীকে বোন বানালেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান

কোটা সুবিধা নিতে স্ত্রীকে বোন বানালেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটা সুবিধা পেতে জাতীয় পরিচয়পত্রে মুক্তিযোদ্ধা শ্বশুরকে বাবা এবং শাশুড়িকে মা হিসেবে তথ্য দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী লাকু বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনুল হকের ৮ ছেলে-মেয়ের মধ্যে সোনালী খাতুন নামে কোনো সন্তান নেই। এই নামে তার পুত্রবধূ আছেন। তিনি আনিছুর রহমানের স্ত্রী।’

আছে একাধিক সন্তান, প্রতিবেশীরাও জানেন তারা স্বামী-স্ত্রী। অথচ জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তারা ভাই-বোন!

কোটা এবং সরকারি সুযোগ সুবিধা নিতে স্ত্রীকে বোন বানানোর এমন তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছেন আনিসুর রহমান। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

প্রতারণার বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে ছোট ভাইকে ভোটার আইডি এবং শিক্ষা সনদ জালিয়াতি করে রেলওয়েতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাইয়ে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে আনিসুরের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসী জনায়, নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের কুটিনাওডাঙ্গা আমিরটারী তালবেরহাট গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনুল হকের ৮ ছেলে-মেয়ে।। তাদের মধ্য সবার বড় আনিছুর রহমান। তিনি রংপুর বেতারে অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন।

২০০৭ সালে জেলার উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের নাগড়াকুরা বাজার এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের মেয়ে সোনালী খাতুনকে বিয়ে করেন আনিসুর। সাত ভাই-বোনের মধ্যে সোনালী সবার ছোট। আনিছুর-সোনালী দম্পতির ঘরে জমজসহ বর্তমানে তিন সন্তান রয়েছে।

তবে বিয়ের পর উপজেলার সাপখাওয়া দাখিল মাদরাসায় নিজের শ্বশুর-শাশুড়িকে বাবা-মা হিসেবে তথ্য দিয়ে ২০১০-১১ সেশনে অনিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হন সোনালী। ২০১৩ সালে ওই মাদরাসা থেকে জিপিএ-২.৯৪ পেয়ে দাখিল পাশ করেন তিনি।

পরে দাখিল পাসের সনদ ও ভুয়া জন্ম নিবন্ধন দেখিয়ে ২০১৪ সালে ভোটার হন সোনালী। সনদ অনুসারে মুক্তিযোদ্ধা শ্বশুর আইনুল হককে নিজের বাবা ও শাশুড়ি জামিলা বেগমকে নিজের মা হিসেবে তথ্য দেন তিনি।

সোনালী আনিসুরের বোন নয় দাবি করে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ জহুরুল হক বলেন, ‘আনিছুর রহমান আমার বাল্যবন্ধু। সোনালী খাতুন তার স্ত্রী। উলিপুর উপজেলায় সোনালীর বাবার বাড়ি।’

আনিছুর রহমানের ছোট ভাই খালেক জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি দেখে নিশ্চিত করেন সোনালী খাতুন তার ভাবী। তিনি স্বীকার করেন, মুক্তিযোদ্ধা বাবার সুযোগ সুবিধা পেতেই তার ভাই এমনটি করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী লাকু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনুল হকের ৮ ছেলে-মেয়ের মধ্যে সোনালী খাতুন নামে কোনো সন্তান নেই। এই নামে তার পুত্রবধূ আছেন। তিনি আনিছুর রহমানের স্ত্রী।’

অভিযুক্ত আনিছুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, স্ত্রীকে বোন বানানোর বিষয়টি ভুলবশত হয়েছে। তার স্ত্রী এমনটি করেছেন।

তবে বিষয়টি নিয়ে আনিসুরের স্ত্রী সোনালী খাতুন কথা বলতে রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, ২০১৪ সালে ভোটার হালনাগাদ করার সময় সোনালী খাতুন এসএসসি সনদ এবং জন্ম নিবন্ধনের তথ্য দিয়ে ভোটার হন। তথ্য গোপন করার বিষয়ে কেউ লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেনি।

এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে ভোটার তালিকা আইন ও বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান আনোয়ার হোসেন।

এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনুল হকের দুই ছেলে আনিছুর রহমান এবং আজিজুল হক তথ্য গোপন করে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন বলে অভিযোগ আছে। এনআইডিতে দুই ভাইয়ের একই নাম হলেও আলাদা ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

২০১২ সালে রংপুর বেতারে অফিস সহায়ক পদে চাকরি নেন আনিছুর। আর ২০১৪ সালে রেলওয়ের ওয়েম্যান পদে অষ্টম শ্রেণি পাশের যোগ্যতা দেখিয়ে চাকরি পান আনিসুরের ছোট ভাই আজিজুল হক।

চাকরি নিতে তথ্য গোপনের আশ্রয় নেন আজিজুল। এ ক্ষেত্রে তিনি তার আগের ভোটার আইডি সংশোধন করেন।

বড় ভাই আনিসুরের সব তথ্য ব্যবহার করে তিনি এনআইডি সংশোধন করেন। পড়াশুনা না করেও তিনি বড় ভাই আনিছুর রহমানের অষ্টম শ্রেণি পাশের সনদ ব্যবহার করেন।

আগের ভোটার আইডিতে আজিজুল হকের জন্ম সাল ছিল ১৯৮৭ সালের ৫ এপ্রিল। পেশা ছিল কৃষক। নতুন আইডিতে তার জন্মের সাল-তারিখে লেখা ১৯৮২ সালের ৭ জুলাই।

জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য গোপন করে নাম পরিবর্তন করলেও স্বাক্ষর পরিবর্তন করেননি আজিজুল হক।

২০১৪ সালে এনআইডিতে তথ্য গোপন করে চাকরি করার সংবাদ গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। পরে তদন্ত করে নির্বাচন কমিশন দুই ভাইয়ের নামে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনে মামলার নির্দেশ দেয়।

২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাচন অফিসার আনোয়ার হোসেন তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেন।

আরও পড়ুন:
সন্তানকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তোলেন মুক্তিযোদ্ধার বাবা
ভাতা পান নকল মুক্তিযোদ্ধা, আসলের সন্তানরা দ্বারে দ্বারে
প্রতিবন্ধী কোটা ব্যবহার করেন না তামান্না
সাড়ে ২৪ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা পাচ্ছেন স্মার্ট আইডি
ব্যবহার হচ্ছে না ঝিনাইদহের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলো

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Woman in hospital with dog poop in her mouth

মুখের ভেতর পোষা কুকুরের মলত্যাগ, হাসপাতালে নারী

মুখের ভেতর পোষা কুকুরের মলত্যাগ, হাসপাতালে নারী আদরের বেলের সঙ্গে আমান্ডা গোম্মো (বাঁয়ে) এবং হাসপাতালের বিছানায়। ছবি: এসডাব্লিউএনএস
অবিশ্বাস্য বিভীষিকার মধ্যে দিয়ে যাওয়া আমান্ডা বলেন, ‘বেলে খুব জঘন্য কাজ করেছে। আমি পরের কয়েক ঘণ্টা পাগলের মতো আচরণ করেছি। মুখ থেকে কুকুরের মলের স্বাদ কোনোভাবেই দূর করা যাচ্ছিল না।’  

চিহুয়াহুয়া প্রজাতির কুকুরটিকে ভালোবেসে নাম দেয়া হয়েছে ‘বেলে’। ব্রিটিশ নারী আমান্ডা গোম্মোর মেয়ের পালন করা কুকরটি বাড়ি মাতিয়ে রাখে সারাক্ষণ। ওর দুষ্টুমি আমান্ডার মনকেও জয় করে নিয়েছিল।

তাই বলে বেলে যে এমন অপকর্ম ঘটিয়ে বসবে ঘূর্ণাক্ষরেও মাথায় আসেনি মা-মেয়ের।

আমান্ডার ক্ষোভ-বিস্ময় এখনও কাটছে না। ভাবতেই পারছেন না, কেন এমন দুর্মতি হয়েছিল বেলের। যাকে আদর-যত্নে আগলে রেখেছিলেন সেই কুকরই কিনা মলত্যাগের জায়গা হিসেবে বেছে নিল তার মুখ!

ঘুমিয়ে থাকায় ককুরের সেই মল বিনা বাধায় পৌঁছে যায় আমান্ডার পেটে। এরপর যা হওয়ার কথা, তাই হয়েছে। পেটে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়েছে কুকুরপ্রেমী এই নারীকে। পুরোপুরি সুস্থ হতে লেগেছে তিনটি দিন।

আমান্ডা গোম্মো সাউথ ওয়েস্ট নিউজ সার্ভিসকে (এসডাব্লিউএনএস) জানিয়েছেন সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘আমি ও বেলে প্রতিদিনের মতো দুপুরে ঘুমাচ্ছিলাম। কোনো এক কারণে সে সময় ও (বেলে) মারাত্মক ডায়েরিয়ায় ভুগছিল।

‘সে যাই হোক, ঘুমের সময়ে আমি হা করে ছিলাম। হঠাৎ ধড়মড় করে জেগে দেখি, বেলে আমার মুখের মধ্যে মলত্যাগ করে দিয়েছে।’

এর পরের কয়েক ঘণ্টায় আমান্ডার পেটে ব্যথা তীব্র হয়ে ওঠে। পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে শেষপর্যন্ত তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

অবিশ্বাস্য বিভীষিকার মধ্যে দিয়ে যাওয়া আমান্ডা বলছিলেন, ‘বেলে খুব জঘন্য কাজ করেছে। আমি পরের কয়েক ঘণ্টা পাগলের মতো আচরণ করেছি। মুখ থেকে কুকুরের মলের স্বাদ কোনোভাবেই দূর করা যাচ্ছিল না।’

ঘটনার পর আমান্ডার মেয়ে বেলেকে প্রাণীচিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে কিছু পরীক্ষার পর যা জানতে পারেন সেটি পরিস্থিতিকে আরও উৎকণ্ঠার দিকে নিয়ে যায়। কুকুরটির পেটে কৃমিজাতীয় পরজীবীর অস্তিত্ব ধরা পড়ে।

আতংকিত আমান্ডার পেটে ব্যথা দূর করতে শুরুতে কিছু ওষুধ ও প্রচুর তরল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। তবে এতে কাজ না হওয়ায় দিন কয়েক পর তাকে কাছের এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসা শেষে মোটামুটি সুস্থ হন এই নারী।

আমান্ডা বলেন, ‘অসুস্থতা ও ডায়রিয়ার কারণে আমি প্রচণ্ড পানিশূন্য হয়ে পড়েছিলাম। হাসপাতাল থেকে বলা হয়, মুখে কুকুরের মলত্যাগের কারণে আমি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণে ভুগছি এবং এমন ঘটনা এর আগে চিকিৎসকেরা কখনও শোনেননি।‘

সুখবর হলো আমান্ডার মেয়ের পোষা কুকুরও এখন ভালো আছে, বেশ কিছু এন্টিবায়োটিক ওর পেটের সমস্যাও দূর করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
আরামে ঘুম পাড়াবে ৫৩ লাখ টাকার বালিশ
পুরুষ তেলাপোকার কষ্ট ঘোচাবে কে?
বিশ্বের সবচেয়ে থুত্থুড়ে বুড়ো কুকুর ‘পেবলস’
সহোদর না হয়েও চেহারা যাদের অবিকল
সাইবেরিয়ান হাস্কি কুকুরের খামারে সফল শহীদুল

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Auto driver won 25 crores in 500 rupees lottery

৫০০ রুপির লটারিতে অটোচালক জিতলেন ২৫ কোটি

৫০০ রুপির লটারিতে অটোচালক জিতলেন ২৫ কোটি পুরস্কারের অনুষ্ঠানে অনুপ ও তার স্ত্রী। ছবি: দ্য হিন্দু
কীভাবে এত বিশাল অঙ্কের অর্থ তিনি ব্যয় করবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে অনুপ বলেন, ‘আমার প্রথম ইচ্ছা, পরিবারের জন্যে একটি বাড়ি কিনব এবং সংসার চালাতে যেসব ঋণ আমাকে নিতে হয়েছিল সেগুলো পরিশোধ করে দেব। আমি আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তা করব। কিছু দাতব্য ও জনসেবামূলক কাজ করব। এ ছাড়া কেরালায় হোটেল ব্যবসায় কিছু বিনিয়োগ করব।’

ভারতের কেরালায় ৫০০ রুপি দিয়ে একটি লটারি কিনে প্রথম পুরস্কার ২৫ কোটি জিতে নিয়েছেন এক অটোরিকশাচালক।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিদ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার ‘ওনাম বাম্পার লটারি’ জেতা এই অটোচালকের নাম অনুপ।

দোটানা নিয়ে হঠাৎই ড্রয়ের ঠিক আগের দিন শনিবার ‘ভগবতী লটারি এজেন্সির’ একটি টিকিট কিনেন তিনি।

কেরালার শ্রীভরাহমের বাসিন্দা অনুপ সেফ (বাবুর্চি) হিসেবে কাজ করার জন্য মালয়েশিয়া পাড়ি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অভিবাসনের খরচ সামাল দিতে ব্যাংক থেকে তিন লাখ রুপি ঋণ পেতে আবেদন করেছিলেন তিনি। শনিবারই ব্যাংক থেকে অনুমোদনের সুসংবাদ পান তিনি।

ছোট্ট সেই খুশি আকাশ ছুঁয়েছে এর পরের দিন। ২৫ কোটি রুপির লটারি জেতার খবর পেলেন সেদিন।

লটারি কর্তৃপক্ষের খরচ, কর এসব মিটিয়ে অনুপের হাতে আসবে ১৫ কোটি রুপি, এমনটি জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।

লটারি জেতার পর অনুপ বলেন, ‘ঋণ অনুমোদনের বিষয়ে শনিবার ব্যাংক থেকে ফোন এসেছিল। আমি বলে দিয়েছি, আমার ঋণের আর প্রয়োজন হবে না। আমি মালয়েশিয়াও যাচ্ছি না।’

লটারি কেনার প্রতি আগ্রহী অনুপ গত ২২ বছর অনেক টিকিট কিনছেন। এসব লটারিতে শ খানিক রুপি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার রুপি জিতেছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে উচ্ছ্বসিত অনুপ বলেন, ‘এবার লটারি জেতার কল্পনাও করি নাই। তাই টিভিতে ড্রয়ের ফলও দেখিনি। কিন্তু আমার মোবাইল ফোনে এসএমএস আসে। দেখলাম, আমি ২৫ কোটি রুপির প্রথম পুরস্কার জিতে গেছি।’

অনুপ আরও বলেন, ‘আমি তখনও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমার স্ত্রীকে এসএমএসটি দেখালাম। তিনি নিশ্চিত করেন যে আমার কেনা লটারির নম্বরটিই প্রথম স্থান জয়ী।’

এরপর তিনি তার পরিচিত এক নারী যিনি এই লটারি বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাকে টিকিটের ছবি তুলে পাঠান। ওই নারী তাকে নিশ্চিত করেন যে তার টিকিটই এবার জিতে নিয়েছে প্রথম পুরস্কার।

কীভাবে এত বিশাল অঙ্কের অর্থ তিনি ব্যয় করবেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে অনুপ বলেন, ‘আমার প্রথম ইচ্ছা, পরিবারের জন্যে একটি বাড়ি কিনব এবং সংসার চালাতে যেসব ঋণ আমাকে নিতে হয়েছিল সেগুলো পরিশোধ করে দেব।

‘আমি আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তা করব। কিছু দাতব্য ও জনসেবামূলক কাজ করব। এ ছাড়া কেরালায় হোটেল ব্যবসায় কিছু বিনিয়োগ করব,’ যোগ করেন তিনি।

পুরস্কারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন অনুপের স্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী এর আগেও অনেক লটারির টিকিট কিনেছেন। লটারি জেতার পর অনেক শুভেচ্ছা পেয়েছি।’

কাকতালীয়ভাবে এর আগের বছর ওনাম বামপার লটারির প্রথম পুরস্কার ১২ কোটি রুপি জেতেন আরেক অটোরিকশাচালক। কোচির বাসিন্দা ওই অটোচালকের নাম জয়পলান।

এ বছর দ্বিতীয় স্থান জয়ী পেয়েছেন ৫ কোটি রুপি ও অন্য ১০ জন পেয়েছেন এক কোটি করে।

আরও পড়ুন:
কাঁঠাল বেচতে লটারি

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
How the helmet saved the biker from 2 accidents in Murhute

হেলমেটে রক্ষা প্রাণ

হেলমেটে রক্ষা প্রাণ গাড়িতে লেগে সড়কে ছিটকে পড়েন মোটরসাইকেলসহ চালক। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়, ‘হেলমেট পরলে আপনি একবার, দুবার, তিনবার এবং বহুবার বেঁচে যেতে পারেন।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার ১৭ ঘণ্টার মধ্যে সচেতনতামূলক এই ভিডিওটিতে লাইক পড়ে ২৬ হাজার এবং রিটুইট হয় ৫ হাজারের বেশি বার।

হেলমেট পরায় মোটরসাইকেলচালক কয়েক মুহূর্তের মধ্যে দুটি দুর্ঘটনা থেকে কীভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন, সেই ভিডিওটি প্রকাশ করেছে ভারতের নয়াদিল্লি পুলিশ।

জনসচেতনতা বাড়াতে সতর্কতামূলক বার্তা হিসেবে দেয়া ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল অল্প গতির গাড়ির সামনের অংশে খোঁচা লাগে। এতে চালকসহ মোটরসাইকেলটি সড়কে ছিটকে গিয়ে সড়ক বিভাজকের মাঝে থাকা ল্যাম্প পোস্টের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে লোহার খুঁটিটি নড়বড়ে হয়ে যায়।

কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আঘাত নিয়ে চালক সোজা হয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ওই খুঁটিটি সরাসরি তার হেলমেটের ওপর পড়ে।

ল্যাম্প পোস্টের আঘাতে আবার সড়কে লুটিয়ে পড়েন ওই যুবক।

সড়কের পাশের কোনো ভবনের গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত ১৫ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়।

কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ভয়াবহ এই দুটি দুর্ঘটনায় তার মাথাকে সুরক্ষিত রাখে হেলমেটটি।

ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়, ‘হেলমেট পরলে আপনি একবার, দুবার, তিনবার এবং বহুবার বেঁচে যেতে পারেন। স্রষ্টা, যারা হেলমেট পরেন তাদের সুরক্ষিত রাখুন।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার ১৭ ঘণ্টার মধ্যে সচেতনতামূলক এই ভিডিওটিতে লাইক পড়ে ২৬ হাজার এবং রিটুইট হয় ৫ হাজারের বেশি বার।

মতামতে অনেকে অবাক হয়ে মন্তব্য করেন কীভাবে হেলমেট নিশ্চিত মৃত্যু থেকে বাইকারকে রক্ষা করেছে।

একজন বলেন, ‘আশ্চর্য’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পুরো মুখ ও মাথা সুরক্ষা দেয়া উন্নত হেলমেট দুর্ঘটনায় ভয়াবহ আঘাত কমিয়ে আনতে পারে ৬৪ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে আঘাত থেকে মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দিতে পারে ৭৪ শতাংশের বেশি।

আরও পড়ুন:
দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে ধাক্কা, নিহত ৪
দুই বাইকের ধাক্কা পিকআপে, নিহত ৩

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
6 children born together without surgery

অস্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে ৬ সন্তানের জন্ম

অস্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে ৬ সন্তানের জন্ম প্রতীকী ছবি
ওই ছয় নবজাতকের মধ্যে চার ছেলে ও দুই মেয়ে। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

পাকিস্তানের করাচিতে একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এক নারী।

জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল সেন্টারে (জেপিএমসি) বুধবার অস্ত্রোপচার ছাড়াই ছয় যমজ প্রসব করেন তিনি।

পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই ছয় নবজাতকের মধ্যে চার ছেলে ও দুই মেয়ে। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ওই নারীর নাম হিনা নাজিম। তার বাসা করাচির হাজারা কলোনি এলাকায়, যেটি কালাপুল হিসেবেও পরিচিত।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পাঁচ শিশুর সবাই সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে।

জন্মের পর শিশুদের জিন্নাহ হাসপাতাল থেকে পাকিস্তানের জাতীয় শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের রাখা হয়েছে ইনকিউবেটরে।

সামা নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এর আগে এক সন্তান জন্ম দেয়া হিনা ভিডিও বার্তায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ এত সন্তান দেয়ায় আমি খুবই খুশি।’

জেপিএমসির গাইনি ওয়ার্ডের চিকিৎসক আয়শা ওয়ারিস জানান, বুধবার মধ্যরাতে প্রসববেদনা নিয়ে হাসপাতালে আসেন ওই নারী। স্বাভাবিকভাবেই তার সন্তান প্রসব হয়।

আরও পড়ুন:
যমজ নবজাতকের মৃত্যু: ধাত্রীই চালাতেন সেই ক্লিনিক
‘ওয়ার্ম আপ’ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার জয়
গ্যালারিতে পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারল আফগানরা
‘অপরিণত হওয়ায়’ সেই যমজ নবজাতকের মৃত্যু
‘বিলের জন্য অক্সিজেন খুলে নেয়ায়’ যমজ নবজাতকের মৃত্যু

মন্তব্য

কানের ভেতরে সাপ ঢুকল কীভাবে

কানের ভেতরে সাপ ঢুকল কীভাবে কানের ভেতর ঢুকে পড়েছে সাপ। ভিডিও থেকে নেয়া স্ক্রিনশট
পোস্ট করার পর ৮০ হাজারেরও বেশি বার দেখা হয়েছে ভিডিওটি। অনেকেই নানা মন্তব্য করেছেন। কেউ বলছেন, ঘটনা সত্য। আবার কেউ বলছেন, এর কোনো সত্যতা নেই।

ছোট্ট কানের তুলনায় সাপটার আকৃতি বেশ বড়ই। সঙ্গে আছে ভয়াবহ ভঙ্গিমাও। তবু কীভাবে যেন এতে ঢুকে পড়েছে প্রাণিটি। বহু সময় ধরে চেষ্টা করেও বের করা যাচ্ছে না। এরপর?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এক নারীর কানের মধ্যে ঢুকে পড়া এই সাপ বের করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। তবে সম্ভব হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি।

এনডিটিভি বলছে, চন্দন সিং নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্টে ওই ভিডিও আপ করেছেন। তিনি লিখেছেন, সাপটি কানের ভেতরে ঢুকে গেল। তবে ঘটনার সময় বা স্থান নিয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।

ভিডিওতে হাতে গ্লাভস পরে যন্ত্র দিয়ে এক স্বাস্থ্যকর্মীকে ওই নারীর কানের ভেতর থেকে সাপ বের করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত কী হয়েছে তা দেখানো হয়নি এতে।

পোস্ট করার পর ৮০ হাজারেরও বেশি বার দেখা হয়েছে ভিডিওটি। অনেকেই নানা মন্তব্য করেছেন। কেউ বলছেন, ঘটনা সত্য। আবার কেউ বলছেন, এর কোনো সত্যতা নেই।

পৃথিবীর সবচেয়ে মারাত্মক এবং সবচেয়ে বিষাক্ত প্রাণীর মধ্যে একটি হলো সাপ। প্রতি বছর বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় অনেক মানুষের।

আরও পড়ুন:
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Divorce celebration party for 18 men by printing cards

কার্ড ছাপিয়ে ১৮ পুরুষের ডিভোর্স উদযাপনের পার্টি

কার্ড ছাপিয়ে ১৮ পুরুষের ডিভোর্স উদযাপনের পার্টি
ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাকি আহমেদ বলেন, ‘গত আড়াই বছরে বিয়েতে জীবন জটিল হয়ে পড়ছিল- এমন ১৮ পুরুষের পক্ষে লড়ে তাদের বিচ্ছেদে সহায়তা করেছি আমরা। সব সময় এই মানুষগুলোকে আমরা মানসিকভাবে সাহায্য করেছি।’

বিয়ে ভালো ব্যাপার অনেকের জন্যই, কারো জন্য তা হয়তো বিষাদেরও। এই তিক্ততা আর না বাড়াতে কেউ কেউ বেছে নেন বিচ্ছেদের পথ। এমন একদল পুরুষ এবার জড়ো হচ্ছেন এক অনুষ্ঠানে। বিচ্ছেদ উদযাপনের এই পার্টির জন্য কার্ডও ছাপিয়েছেন তারা।

মধ্যপ্রদেশের ভোপালের এই ঘটনা এরই মধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছে বলে রোববার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিচ্ছেদ করাতে ইচ্ছুক পুরুষদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ভাই ওয়েলফেয়ার সোসাইটি এই বিয়েবিচ্ছেদ পার্টির আয়োজন করেছে।

সংস্থাটি বলছে, বিচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়নি এবং তারা যেন ভালো কিছু করতে পারেন, এ ব্যাপারটি নিয়ে উৎসাহ দিতেই আয়োজন।

অর্থনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক, মানসিক অবসাদ- এসব ব্যাপার পেরিয়ে যখন একটা মানুষ এমন স্বাধীনতা পায় তখন তার উদযাপন করা উচিত বলে মনে করেন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

কার্ড ছাপিয়ে ১৮ পুরুষের ডিভোর্স উদযাপনের পার্টি

ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাকি আহমেদ বলেন, ‘গত আড়াই বছরে বিয়েতে জীবন জটিল হয়ে পড়ছিল, এমন ১৮ পুরুষের পক্ষে লড়ে তাদের বিচ্ছেদে সহায়তা করেছি আমরা। সব সময় এই মানুষগুলোকে আমরা মানসিকভাবে সাহায্য করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আদালতসহ নানা ক্ষেত্রে বেশ চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে এই পুরুষদের। এ জন্য নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করতে তাদের নিয়ে এমন উৎসাহদায়ক আয়োজন করা দরকার।’

জাকি আহমেদ বলেন, ‘বিচ্ছেদের পর অনেকেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। আমাদের আয়োজন তাদের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে।’

বিচ্ছেদ হওয়া পুরুষদের মধ্যে কারো বিয়ের বয়স ছিল মাত্র কদিন, কারো বা ৩০ বছরের মতো। তাদের একেকজনের বয়স একেক রকম।

জাকি আহমেদ জানান, তারা খুব ছোট পরিসরে গোপনে আয়োজন করতে চেয়েছিলেন। তবে কীভাবে যেন আমন্ত্রণপত্রের কার্ড ভাইরাল হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম আয়োজন ছোট হবে। তবে এখন বিষয়টি ভাইরাল হওয়ায় বড় ধরনের পার্টি করছি।’

আরও পড়ুন:
রোহিনীকে ছেড়ে গেলেন এক বউ
প্রেমে পড়া সিলেট ও গাইবান্ধার সেই দুই তরুণী ঘরছাড়া
মসজিদের ব্যাটারি চুরি: স্বামীকে তালাক

মন্তব্য

p
উপরে