× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

hear-news
player
google_news print-icon

ওয়ালটনের সিসিটিভি পণ্য উন্মোচন

ওয়ালটনের-সিসিটিভি-পণ্য-উন্মোচন
ওয়ালটনের তৈরি সিসিটিভি ক্যামেরাসহ অন্য পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
তৌহিদুর রহমান রাদ জানান, যে সিসিটিভি সিস্টেমের পণ্য উন্মোচন করা হয়েছে সেগুলো বাংলাদেশে ওয়ালটনের নিজস্ব প্রোডাকশন প্ল্যান্টে তৈরি। খুব শিগগিরই দেশের বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যের উচ্চমানের এই সিসিটিভি সিস্টেমের পণ্যগুলো পাওয়া যাবে।

প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে একের পর এক চমক দিচ্ছে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের জন্য এবার বাজারে এনেছে সিসিটিভি সিস্টেমের বিভিন্ন পণ্য।

‘পিনভিউ’ নামে ওয়ালটনের তৈরি সিসিটিভি সিস্টেমের পণ্যের মধ্যে রয়েছে আইপি ক্যামেরা, এইচডি ক্যামেরা, এনভিআর এবং এক্সভিআর।

গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টারে প্রধান অতিথি থেকে সোমবার পিনভিউ সিসিটিভি সিস্টেমের পণ্য উদ্বোধন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ।

‘ওয়ালটন পিনভিউ সিসিটিভি সিস্টেম লঞ্চিং সেরিমনি’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এটুআই প্রোগ্রামের সিনিয়র স্ট্রাটেজিক অ্যাডভাইজার কামরুন নাহার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য ও বিএসসিএলের পরিচালক প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সাঈদ চৌধুরী।

এ ছাড়া এটুআই প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান, ওয়ালটনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর আলম সরকার ও লিয়াকত আলী, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অব.) শাহাদাত আলম, ইউসুফ আলী ও ইয়াসির আল ইমরান, নির্বাহী পরিচালক আজিজুল হাকিম, মোহসিন আলী মোল্লা প্রমুখ।

ওয়ালটন কম্পিউটার পণ্যের চিফ বিজনেস অফিসার তৌহিদুর রহমান রাদ জানান, যে সিসিটিভি সিস্টেমের পণ্য উন্মোচন করা হয়েছে সেগুলো বাংলাদেশে ওয়ালটনের নিজস্ব প্রোডাকশন প্ল্যান্টে তৈরি। খুব শিগগিরই দেশের বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যের উচ্চমানের এই সিসিটিভি সিস্টেমের পণ্যগুলো পাওয়া যাবে।

উদ্বোধনের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং অন্য অতিথিরা ওয়ালটন হেডকোয়ার্টারে রেফ্রিজারেটর, কম্প্রেসর, টেলিভিশন, পিসিবি, এলিভেটর, ল্যাপটপ-কম্পিউটারসহ বিভিন্ন প্রোডাকশন প্ল্যান্ট ঘুরে দেখেন।

তারা এসব পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং দেশীয় হাই-টেক শিল্পের অভাবনীয় অগ্রগতি ও রপ্তানিমুখী শিল্পখাতে বাংলাদেশের সাফল্য ও সম্ভাবনা পর্যবেক্ষণ করেন।

আরও পড়ুন:
ব্লুটুথ ও এয়ার প্লাজমা প্রযুক্তির এসি আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘ব্র্যান্ডিং হিরোস’ পুরস্কার পেল ৪৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি এক দিন বাড়িয়েছে ওয়ালটন
ওয়ালটন এমডির ইতালিতে এসিসি প্রোডাকশন প্ল্যান্ট পরিদর্শন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Violation of policy 5 million videos from Bangladesh Saral TikTok

নীতিমালা লঙ্ঘন: বাংলাদেশ থেকে ৫০ লাখ ভিডিও সরাল টিকটক

নীতিমালা লঙ্ঘন: বাংলাদেশ থেকে ৫০ লাখ ভিডিও সরাল টিকটক
কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের দায়ে ২০২২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশ থেকে ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮৩৮টি ভিডিও সরিয়েছে টিকটক। যা বিশ্বে অবস্থান পঞ্চম। পাশাপাশি কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের দায়ে বেশ কিছু অ্যাকাউন্টও সরিয়ে দিয়েছে টিকটক।

কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন করায় বাংলাদেশ থেকে ৫০ লাখ ভিডিও সরানোর কথা জানিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ শর্ট ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক।

টিকটক তাদের সর্বশেষ প্রান্তিকের (দ্বিতীয় প্রান্তিক, ২০২২) কমিউনিটি গাইডলাইন ইনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট (এপ্রিল-জুন ২০২২) প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টেই টিকটক এ তথ্য জানিয়েছে।

রিপোর্টটি প্ল্যাটফর্মটিকে নিরাপদ এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য যেসব প্রতিশ্রুতি সেগুলোকে প্রতিফলিত করে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় টিকটক।

সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়, ভুল তথ্য রুখে দেয়ার ক্ষেত্রে টিকটক আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে। এ ছাড়া ডিজিটাল স্বাক্ষরতা শিক্ষা এবং প্ল্যাটফর্মের সমস্যা সমাধানের বিষয়টিও তুলে এনেছে।

২০২২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে নীতিমালা লঙ্ঘন করায় টিকটক বিশ্বব্যাপী ১১ কোটি ৩৮ লাখ ৯ হাজার ৩০০টি ভিডিও সরিয়েছে। এটি টিকটকে এ সময়ের মধ্যে আপলোড করা মোট ভিডিওর ১ শতাংশ।

সক্রিয়ভাবে ভিডিও অপসারণে উন্নতি করেছে টিকটক। এটি প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৮৩.৬ শতাংশ, আর দ্বিতীয় প্রান্তিকে দাঁড়িয়েছে ৮৯.১ শতাংশে। কোনো ভিউ হওয়ার আগেই ভিডিও সরানোর ক্ষেত্রেও দ্বিতীয় প্রান্তিক এগিয়ে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে এর হার ৭৪.৭ শতাংশ, আর প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৬০.৮ শতাংশ।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিও সরানোর ক্ষেত্রেও এগিয়ে আছে দ্বিতীয় প্রান্তিক। এই সময় ভিডিও সরানো হয়েছে ৮৩.৯ শতাংশ আর প্রথম প্রান্তিকে সরানো হয় ৭১.৯ শতাংশ। গত প্রান্তিকে টিকটক তাদের প্ল্যাটফর্মে ৩৩টি নতুন ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে। এতে সে সম্পর্কিত ৫৮ হাজার ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে

কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের দায়ে ২০২২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশ থেকে ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮৩৮টি ভিডিও সরিয়েছে টিকটক। যা বিশ্বে অবস্থান পঞ্চম। পাশাপাশি কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের দায়ে বেশ কিছু অ্যাকাউন্টও সরিয়ে দিয়েছে টিকটক।

প্ল্যাটফর্মটি বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা স্প্যাম ভিডিওগুলোর সাথে স্প্যাম হিসাবে শনাক্ত করে অ্যাকাউন্টগুলো সরিয়ে দিয়েছে। এমনকি টিকটক এখন স্বয়ংক্রিয় উপায়ে স্প্যাম অ্যাকাউন্ট তৈরি করা প্রতিরোধ করতে সক্রিয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

২০২২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিজ্ঞাপন নীতিমালা ও গাইডলাইন লঙ্ঘনের পরিমাণ কমে এসেছে। এটি অ্যাকাউন্ট লেভেল শনাক্তকরণ ও ইনফোর্সমেন্ট স্ট্র্যাটেজির একটি অংশ। যেটি বিজ্ঞাপন ইকোসিস্টেম তৈরি ও ভালো একটি অভিজ্ঞতা সৃষ্টিতে ব্যবহারকারী ও বিজ্ঞাপনদাতার কাছে কাজ করেছে।

এসবের পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মে ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়তে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, টিকটক নতুন একটি পেনাল্টি সিস্টেমও চালু করছে। এখানে যদি কেউ কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন করে, তাহলে তার অ্যাকাউন্ট নির্দিষ্ট নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে স্ট্রাইক খাবে। প্ল্যাটফর্মটি এসব স্ট্রাইককে গণনায় ধরবে এবং ওই ব্যক্তি যদি আবারও গাইডলাইন লঙ্ঘন করে ভিডিও পোস্ট করেন তাহলে তাকে টিকটক থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। অবশ্য এটি নির্ভর করবে ওই ব্যবহারকারী কতবার স্ট্রাইকের সম্মুখীন হয়েছে এবং কী ধরনের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে তার ওপর।

টিকটকের কনটেন্ট গাইডলাইন, টুলস এবং পলিসি সম্পর্কে জানতে কমিউনিটি গাইডলাইন দেখার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
ক্রিয়েটর পোর্টাল: কীভাবে টিকটক শুরু করবেন
ক্রিয়েটর পোর্টাল বাংলা চালু করেছে টিকটক
ক্লাস ফাঁকি দিয়ে টিকটক করায় ৩ ছাত্রীকে টিসি
ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার
সেতু থেকে ধলেশ্বরীতে লাফ দিয়ে টিকটকার নিখোঁজ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Dogecoin is running on Musks decision

মাস্কের সিদ্ধান্তে ছুটছে ডজকয়েন

মাস্কের সিদ্ধান্তে ছুটছে ডজকয়েন ইলন মাস্ক নিজেকে ডজফাদার হিসেবে দাবি করেন। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ক্রিপ্টোকারেন্সি ডজকয়েনের একজন সমর্থক, তিনি নিজেকে ডজফাদার দাবি করেন। তাই মাস্কের টুইটার কেনার সিদ্ধান্তে ডজকয়েনের দামেও প্রভাব পড়েছে। রকেটের গতিতে ছুটছে কারেন্সিটি। এরই মধ্যে ৮ শতাংশ দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগের দামেই টুইটার কিনছেন ইলন মাস্ক। বিশ্বের শীর্ষ ধনীর এমন সিদ্ধান্তের পর বেড়েছে টুইটার ও টেসলার শেয়ার। এবার তার এই সিদ্ধান্তে দাম বাড়ছেই ক্রিপ্টোকারেন্সি ডজকয়েনের।

কয়েক মার্কেট ক্যাপের তথ্য মতে, টুইটার কেনার সিদ্ধান্তের পর এখন পর্যন্ত ডজকয়েনের দাম বেড়েছে ৮ শতাংশেরও বেশি।

তবে পাশাপাশি অন্যান্য কয়েকটি ক্রিপ্টোকারেন্সিরও দাম বেড়েছে। বিটকয়েন, ইথারিয়াম, বিএনবি, সোলানার মতো মুদ্রার দাম বাড়লে ইনভেস্টিংয়ের তালিকায় প্রধান ১০টি মুদ্রার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে ডজকয়েনই।

মিমির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এই কয়েনের একজন সমর্থক ইলন মাস্ক। তিনি নিজেকে ডজফাদার বলে দাবি করেন।

টেসলা কিছু পণ্য ও সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে ডজকয়েনে কেনার সুযোগ দিয়েছে। বর্তমানে ডজকয়েনের দাম রয়েছে ৬.৫২ সেন্ট। ক্রিপ্টোকারেন্সিটির মার্কেট ক্যাপিং রয়েছে ৮.৬৪ বিলিয়ন ডলার।

মিমকয়েন হিসেবে যাত্রা শুরু করা ডজকয়েন ক্রিপ্টো মার্কেটে শীর্ষ তিনে উঠে আসে ইলন মাস্কের টুইটারের পর। সে সময় ৮০ সেন্টের কাছাকাছি দাম চলে যায় ডজকয়েনের। গত বছর ডজকয়েনকে তিনি চাঁদে পাঠানোরও ঘোষণা দেন।

সাটারডে নাইট লাইভে ইলন মাস্ক ডজকয়েনকে হ্যাসেল বলার পর তার দাম কিছুটা পড়ে যায়। ক্রিপ্টো মুদ্রার তালিকায় বর্তমানে এর অবস্থান ১০-এ।

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা তার কিনে রাখা বিটকয়েনের অধিকাংশই বিক্রি করে দিয়েছে। তবে কোনো ডজকয়েন বিক্রি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মাস্ক।

টেসলাও এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, তাদের কাছে থাকা বিটকয়েনের ৭৫ শতাংশকে ফিয়াট কারেন্সিতে পরিণত করা হয়েছে।

ডজকয়েনের যারা ভক্ত, অনুসারী ও বিনিয়োগকারী রয়েছেন, তাদের আশা, টুইটারের সার্ভিসগুলোর পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ডজকয়েনকে রাখা হবে। সে ক্ষেত্রে ডজকয়েনের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন:
৬ মাসে ৫০ শতাংশ দাম হারাল বিটকয়েন
ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করতে যাচ্ছে গুচি
ক্রিপ্টোগেম এক্সি ইনফিনিটির ৬০০ মিলিয়ন ডলার চুরি
ক্রিপ্টো বিধিবিধান হালনাগাদ করছে রোমানিয়া-লাটভিয়া
ডিজিটাল মুদ্রা আনছে মেক্সিকো

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Twitter is buying Mask at the previous price

আগের দামেই টুইটার কিনছেন মাস্ক

আগের দামেই টুইটার কিনছেন মাস্ক ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত
ইলন মাস্কের টুইটার কেনা নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। বিষয়টি গড়িয়েছে আদালতেও। পরবর্তী শুনানির যেখানে কয়েক সপ্তাহ বাকি, এর আগেই মাস্ক জানিয়েছেন টুইটারের সঙ্গে হওয়া চুক্তির আলোকে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে প্রতিষ্ঠানটি কিনতে রাজি মাস্ক। তবে আইন গবেষকরা বলছেন, আইনি পরাজয় নিশ্চিত জেনেই ইলন মাস্ক এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

টুইটার কিনতে চেয়েও পরে অস্বীকার করায় আদালতে দায়ের করা মামলায় লড়তে হচ্ছে ইলন মাস্ককে। সেই মামলার পরবর্তী শুনানি যখন আরও কয়েক সপ্তাহ পরে, তখনই আগের দামেই টুইটার কেনার প্রস্তাব আবারও দিলেন টেসলা-স্পেসএক্সের মালিক।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে দেয়া এক ফাইলিং-এ ইলন মাস্ক বলেছেন, এরই মধ্যে তিনি আগের চুক্তিকে সম্মান করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুইটারকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

এ ঘটনার পর এরই মধ্যে টুইটারের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে টেসলার শেয়ারের দামও।

ইলন মাস্কের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিচমন্ড ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক কার্ল টোবিয়াস এএফপিকে বলেছেন, ‘আমি মনে করি, মাস্ক বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি সেই বিচারে জয়ী হবেন না।’

এর আগে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল জানা যায়, টুইটারের প্রায় ৯.২ শতাংশ শেয়ারের মালিক ইলন মাস্ক। যার জন্য তিনি খরচ করেছেন ২.৪ বিলিয়ন ডলার। যদিও সে সময় একক মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বেশি শেয়ারের মালিক হলেও ১০ এপ্রিল টুইটার বোর্ডের মিটিংয়ে যোগ দিতে অস্বীকার করেন। পরে তিনি তার পরিকল্পনা স্পষ্ট করেন যে তিনি আসলে পুরো টুইটারই চান।১৪ এপ্রিলে ইলন মাস্ক টুইটারের বাকি শেয়ারগুলোর প্রতিটি ৫৪.২০ ডলারে কিনে নেয়ার প্রস্তাব দেন, যা আগের কেনা ৯.২ শতাংশ শেয়ারের থেকে ৩৮ শতাংশ বেশি।

ইলন মাস্কের বক্তব্য ছিল কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা একটি সামাজিক বাধ্যবাধকতা। বর্তমান কাঠামোতে টুইটার তা দিতে পারবে না।

পরে তিনি ‘সেরা ও চূড়ান্ত’ প্রস্তাব হিসেবে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে কোম্পানিটিকে ব্যক্তিগতভাবে কিনে ফেলার প্রস্তাব দেন। টুইটার কর্তৃপক্ষও তার প্রস্তাবে রাজি হয়।

কিন্তু পরে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেন মাস্ক। টুইটার কেনার প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেন তিনি। অভিযোগ আনেন, টুইটারে অধিকসংখ্যক বট প্রোফাইল থাকার।

তিনি জানিয়েছিলেন মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের স্প্যাম এবং ভুয়া অ্যাকাউন্ট নিয়ে সর্বশেষ তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য অপেক্ষা করবেন মাস্ক।

তিনি বলেছিলেন যে, টুইটারের দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর ৫ শতাংশ স্প্যাম অ্যাকাউন্ট।

মাস্কের পক্ষ থেকে সে সময় তার আইনজীবী বলেছিলেন, টুইটার চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলেনি। মাস্কের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা চুক্তির জন্য প্রাসঙ্গিক ব্যাবসায়িক তথ্য তারা সরবরাহ করেনি। কখনো কখনো মাস্কের অনুরোধ তারা উপেক্ষা করেছে এবং কখনো অযৌক্তিক বলে সেগুলো সরবরাহের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইলন মাস্কের এই চিঠির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর টুইটারের শেয়ারের দাম ৬ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

এর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে টেডের এক সাক্ষাৎকারে দেয়া বক্তব্যে মাস্ক জানান, টুইটার থেকে আয়ের কোনো লক্ষ্য নেই তার। বিশ্বব্যাপী সর্বজনীন বাকস্বাধীনতাই তার লক্ষ্য। এমনকি টুইটারের অভ্যন্তরীণ সব কিছু একজন ব্যবহারকারী যাতে জানতে পারে, তার জন্য টুইটারের অ্যালগরিদমও উন্মুক্ত করে দিতে চান তিনি।

আরও পড়ুন:
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিনতে চান ব্রিটিশ ধনকুবের
ম্যান ইউ কেনা নিয়ে মজা করেছিলেন মাস্ক
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিনছি: ইলন মাস্ক
টুইটারের বিরুদ্ধে ইলন মাস্কের মামলা
মাস্কের সেই বন্ধুপত্নী শানাহান কে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
List of critical information infrastructures in question TIB

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা প্রশ্নবিদ্ধ: টিআইবি

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা প্রশ্নবিদ্ধ: টিআইবি
কোনো রাষ্ট্রীয় নীতি সমর্থিত না হওয়ার পরও এই তালিকার প্রকাশ বেশকিছু মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করে টিআইবি। সংস্থাটি বলছে, এতে করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমূল সংস্কারের দাবির যৌক্তিকতা আরও একবার প্রমাণ হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ১৫-তে প্রদেয় ক্ষমতাবলে ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি দাবি করেছে, এই তালিকা প্রশ্নবিদ্ধ ও বিভ্রান্তিকর।

কোনো রাষ্ট্রীয় নীতি সমর্থিত না হওয়ার পরও এই তালিকার প্রকাশ বেশকিছু মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করে টিআইবি। সংস্থাটি বলছে, এতে করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমূল সংস্কারের দাবির যৌক্তিকতা আরও একবার প্রমাণ হয়েছে।

সরকার ২ অক্টোবর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ২৯টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা সরকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। অথচ সম্প্রতি প্রকাশিত গেজেটে ২৯টি প্রতিষ্ঠানকেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বলা হচ্ছে।

‘এছাড়া কোন বিবেচনায় এই তালিকা করা হয়েছে সেটা স্পষ্ট নয়। যেমন জাতীয় নিরাপত্তার কথা বলা হলেও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্রবাহিনী এই তালিকার বাইরে রয়ে গেছে। একইভাবে বাদ পড়েছে জাতীয় সংসদ, বিচার বিভাগ, অডিট বিভাগ, স্বাস্থ্য খাত, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ ইত্যাদি। চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ছাড়া বাকি কোনো ব্যাংকই এই তালিকায় স্থান পায়নি। কিন্তু এই কয়টি থেকেই নিশ্চিত করে বলা যায় যে তালিকাটি প্রশ্নবিদ্ধ ও অবিবেচনাপ্রসূত। তা না হলে ধরে নিতে হবে, নির্ধারিত এই কয়টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বলতে এমন সব বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামোর কথা বলা হয়েছে যার কোনো ধরনের ক্ষতি জননিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বা জনস্বাস্থ্য এবং জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্বের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তাসহ আলোচ্য প্রায় সব ক্ষেত্রেই সুস্পষ্ট নীতিমালা অনুপস্থিত বা ধারণাগত স্পষ্টতা নেই। এমন বাস্তবতায়, সবার আগে রাষ্ট্রীয় ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত নীতিমালা করা জরুরি বলে মনে করে টিআইবি। কারণ সুস্পষ্ট নীতি-নির্দেশনা না থাকলে নিরাপত্তা তো নিশ্চিত হবেই না, বরং আইনটির যথেচ্ছ অপপ্রয়োগ হতেই থাকবে।

‘এ ছাড়া ধারা ১৬(৩)-এর বিধানের আওতায়, প্রজ্ঞাপনে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ বা তথ্য অধিকার আইনের অধীনে তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আছে। কারণ আলোচ্য প্রজ্ঞাপনে প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার নেটওয়ার্কের পরিবর্তে পুরো প্রতিষ্ঠানকেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।’

ড. জামান বলেন, ‘এই তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে নতুন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আরও একটি দুর্বলতা সামনে চলে এসেছে। আইনের ১৭ ধারায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোয় শুধু বেআইনি প্রবেশ-এর সাজার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অথচ আইনি প্রবেশ সত্ত্বেও অননুমোদিত কার্য সম্পাদনের কথা বিবেচনা করা হয়নি।

‘নিরাপত্তা নীতিমালার অনুপস্থিতিতে দেশের বাইরে থেকে এমন পরিকাঠামোয় অবৈধ প্রবেশ এবং ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেয়া হবে তা-ও বিবেচনায় আসেনি। আইনটি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে নিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে প্রণীত হওয়ার এটা আরও একটি উদাহরণ।

‘টিআইবি আশা করে, সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেচ্ছ অপব্যবহার বন্ধ ও সত্যিকারের কার্যকরতা নিশ্চিত করতে দ্রুত আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেবে।’

আরও পড়ুন:
রুশ দূতাবাসের বিবৃতির জবাবে টিআইবি যা বলছে
গম নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের
বেশি দামে গম আমদানি জনস্বার্থ পরিপন্থী: টিআইবি
সেবায় দুর্নীতির শীর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: টিআইবি
প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনীর খসড়া প্রকাশে টিআইবির আহ্বান

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Strong security in TikToks family pairing feature

টিকটকের ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারে শক্তিশালী নিরাপত্তা

টিকটকের ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারে শক্তিশালী নিরাপত্তা
বাংলাদেশের খুবই জনপ্রিয় তারকা ও ক্রিয়েটরের সঙ্গে এক হয়ে টিকটক ফ্যামিলি সেফটি কনটেন্ট তৈরি করছে, বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের জন্য এটি খুবই উপকারী।

জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারের মাধ্যমে পরিবারের সেফটির বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে নিজেদের প্রয়োজন মতো মা-বাবা ও তার সন্তানদের সেফটি সেটিংস করতে দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে টিকটক নতুন করে একটি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে।

#ফ্যামিলি ফার্স্ট উদ্যোগে টিকটকের উদ্দেশ্য সচেতনতা তৈরি করা। ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারের মাধ্যমে কীভাবে মা-বাবারা তার কিশোর সন্তানদের কার্যক্রমে নজরদারি করতে পারে সেটি দেখা। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাকাউন্ট ডিএমএস, নোটিফিকেশন, ওয়াচ এবং ডাউনলোড সেটিংস। প্রতিশ্রুতি থেকে টিকটক ব্যবহারকারী কিশোরদের প্ল্যাটফর্মে নিরাপদ রাখার এটি একটি উপায়।

ফ্যামিলি পেয়ারিংয়ে মা-বাবারা তাদের সন্তানদের টিকটক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে নিজের অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন যেভাবে:

স্ক্রিন টাইম ম্যানেজমেন্ট : আপনার সন্তানরা দিনে ঠিক কতটা সময় টিকটকে কাটাতে পারবেন সেটি আপনি নিয়ন্ত্রণ করে দিতে পারবেন। সেখানে বেছে নেয়া যাবে, তারা দিনে ৪০ মিনিট নাকি ১২০ মিনিট সময় দেবে।

রেস্ট্রিকটেড মোড : সব দর্শকের জন্য উপযুক্ত নয় এমন কনটেন্ট সীমাবদ্ধ করে দিন। এমনকি ফ্যামিলি পেয়ারিং না করেও মা-বাবারা অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল ওয়েলবিং কন্ট্রোলের মাধ্যমে তাদের সন্তানের স্ক্রিন টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং রেস্ট্রিকটেড মোড চালু করে দিতে পারবেন।

ডিরেক্ট মেসেজ : আপনার সংযুক্ত করা অ্যাকাউন্টে কে সরাসরি মেসেজ পাঠাতে পারবে সেটি সীমাবদ্ধ করে দিন। কিংবা একবারেই ডিরেক্ট মেসেজ অপশন বন্ধ করে দিন। ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে, টিকটক মেসেজিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ চালু করেছে। যেমন, শুধু ফলোয়াররাই মেসেজ দিতে পারবেন এবং টিকটক কোনো ছবি ও ভিডিও পাঠানোর অনুমতি দেবে না। এমনকি ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিরেক্ট মেসেজ সীমবন্ধ করে দেবে।

গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সেটিংস নিয়ন্ত্রণ : আপনার কিশোর-কিশোরী সন্তানের ভিডিওতে কে লাইক দিতে পারবে বা কমেন্ট করতে পারবে সেটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তার অ্যাকাউন্টটি পাবলিক নাকি প্রাইভেট থাকবে এবং অন্যদের রেকমেন্ড করবে কি না। মা-বাবারা এটাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, তার সন্তানরা কি খুঁজবে; ব্যক্তি, হ্যাশট্যাগ কিংবা সাউন্ড।

বাংলাদেশের খুবই জনপ্রিয় তারকা ও ক্রিয়েটরের সঙ্গে এক হয়ে টিকটক ফ্যামিলি সেফটি কনটেন্ট তৈরি করছে, বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের জন্য এটি খুবই উপকারী।

টিকটক পরিবারের সবাইকে নিয়ে তাদের সৃজনশীলতার প্রকাশ, তাদের স্টোরি শেয়ার করতে এবং কমিউনিটিকে সহায়তা করতে দেয়। একই সময়, তারা তাদের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপ নেভিগেট করতে পারে এবং একটি সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।

এসব বিষয় মাথায় রেখেই টিকটক গত কয়েক বছর থেকে তাদের বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করেছে এবং গ্রাহকদের স্বাচ্ছন্দ্যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করায় অনুপ্রাণিত করেছে।

টিকটক বলছে, যখন কমিউনিটির নিরাপত্তা, সুরক্ষা, গোপনীয়তা ও ভালোর জন্য কাজ করার কথা হয় সেখানে তারা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।

আরও পড়ুন:
ক্রিয়েটর পোর্টাল বাংলা চালু করেছে টিকটক
ক্লাস ফাঁকি দিয়ে টিকটক করায় ৩ ছাত্রীকে টিসি
ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার
সেতু থেকে ধলেশ্বরীতে লাফ দিয়ে টিকটকার নিখোঁজ
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে নিরাপদ করতে টিকটকে নতুন ফিচার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Waltons Orbit series is the first smartphone in the market

বাজারে ওয়ালটনের ‘অরবিট’ সিরিজের স্মার্টফোন

বাজারে ওয়ালটনের ‘অরবিট’ সিরিজের স্মার্টফোন
ভ্যাট ছাড়া ‘অরবিট ওয়াইফিফটি’ মডেলের ফোনটির মূল্য ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

নতুন সিরিজ ‘অরবিট’-এর প্রথম ডিভাইস বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। ‘অরবিট ওয়াইফিফটি’ মডেল দিয়ে সিরিজটির যাত্রা করল।

ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এইচডি প্লাস রেজুলেশনের বিশাল পর্দা, ট্রিপল ব্যাক ক্যামেরা, শক্তিশালী প্রসেসর, র‌্যাম-রমসহ নজরকাড়া সব ফিচার।

ওয়ালটন মোবাইলের মার্কেটিং ইনচার্জ হাবিবুর রহমান তুহিন জানান, ‘অরবিট’ সিরিজের স্মার্টফোন গ্রাহককে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করাবে।

মেটালিক গোল্ড, বেবি ব্লু এবং পাইন গ্রিন তিনটি আকর্ষণীয় রঙে ফোনটি বাজারে এসেছে। ভ্যাট ছাড়া ‘অরবিট ওয়াইফিফটি’ মডেলের ফোনটির দাম ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, মোবাইলের ব্র্যান্ড ও রিটেইল আউটলেটের পাশাপাশি ঘরে বসেই ই-কমার্স ওয়েবসাইট ওয়ালটন ই-প্লাজা এবং ওয়ালকার্ট থেকে ফোনটি কেনা যাচ্ছে।

ওয়ালটন মোবাইলের মার্কেটিং কো-অর্ডিনেটর রুবায়েত রহমান চৌধুরী জানান, নতুন এই স্মার্টফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ৬.৮২ ইঞ্চির ফুল ল্যামিনেশন এইচডি প্লাস ভি-ড্রপ ডিসপ্লে। ২০:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিওর পর্দার রেজ্যুলেশন ১৬৪০ বাই ৭২০ পিক্সেল।

‘অরবিট ওয়াইফিফটি’ মডেলের ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১২ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত। এতে ব্যবহৃত হয়েছে ২.০ গিগাহার্টজ গতির হেলিও এটুয়েন্টিটু এআরএম কর্টেক্স প্রসেসর। সঙ্গে রয়েছে পাওয়ারভিআর জিই৮৩০০ গ্রাফিক্স এবং ৪ গিগাবাইট র‌্যাম।

ফলে এই ফোনের কার্যক্ষমতা ও গতি অনেক বেশি। বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, থ্রিডি গেমিং এবং দ্রুত ভিডিও লোড ও ল্যাগ-ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা মিলবে।

ফোনটির অভ্যন্তরীণ মেমোরি ৬৪ গিগাবাইটের। যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

নতুন ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত এফ ২.০ অ্যাপারচার সমৃদ্ধ পিডিএএফ প্রযুক্তির অটোফোকাস এআই ট্রিপল ক্যামেরা। যার প্রধান সেন্সর ১৩ মেগাপিক্সেলের। আকর্ষণীয় সেলফির জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।

পর্যাপ্ত পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ডিভাইসটিতে রয়েছে ৪২০০ এমএএইচ হাই-ডেনসিটি ব্যাটারি।

বাংলাদেশে তৈরি ‘অরবিট ওয়াইফিফটি’ স্মার্টফোনে ৩০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়াৱ ১০১ দিনের মধ্যে প্রায়োরিটি বেসিসে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্রেতা বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। স্মার্টফোনে এক বছরের এবং ব্যাটারি ও চার্জারে ছয় মাসের বিক্রয়োত্তর সেবাও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
আয়ারল্যান্ডে ওয়ালটন স্মার্ট টিভিতে ব্যাপক সাড়া
নতুন মেকানিক্যাল কিবোর্ড আনল ওয়ালটন
স্টার ব্র্যান্ড প্রোমোটার কার্যক্রম শুরু করল ওয়ালটন

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
29 Special arrangements for the organizations information security
সাইবার নিরাপত্তা

২৯ প্রতিষ্ঠানের তথ্য সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা

২৯ প্রতিষ্ঠানের তথ্য সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ফাইল ছবি
সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করে রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডেটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট।

সাইবার আক্রমণ থেকে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষায় ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানে সাইবার আক্রমণ ঠেকাতে এবং তথ্য সুরক্ষায় এ ব্যবস্থা বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহ্‌মেদ পলক।

সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করে রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডেটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট।

তালিকায় আরও রয়েছে সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিটিসিএল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপজিটরি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহ্‌মেদ পলক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কিছু অবকাঠামো আছে যেগুলো আইসিটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এগুলো যদি সাইবার হামলার স্বীকার হয় তাহলে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, বেশিসংখ্যক তথ্য ও অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং যেগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

সব বিষয় বিবেচনায় রেখে আমরা এই ২৯টি প্রতিষ্ঠান আইডেন্টিফাই করেছি।

‘এগুলো ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির কাজ, যাতে করে তারা আমাদের যে ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানুয়াল আছে, তাকে হাই প্রায়োরিটি দিয়ে, আমরা তাদের দেখাশোনা করতে পারি। আবার তারাও যাতে তাদের নিয়মিত আইটি অডিট প্রস্তুতি ও যে সতর্কতাগুলো মেনে চলা প্রয়োজন সেটা করতে পারে।’

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘সাইবার স্পেসে গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নিরাপদ রাখা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া এবং তাদের আমাদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা। এই গুরুত্ব বিবেচনায় আমরা প্রজ্ঞাপনটা জারি করেছি। যেমন ধরেন সরকারের কোনো এটা ওয়েবসাইট আছে, সেখানে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের শুধু তথ্য আছে, সেটা হ্যাক হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যে এটা রিস্টোর করতে পারি।

‘এতে তেমন কোনো ক্ষতি নাই। এটা নিয়ে সাইবার ক্রিমিনালরা তেমন কিছু করতে পারবে না। কিন্তু ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংক বা সিভিল এভিয়েশন বা পাসপোর্ট অধিদপ্তর, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি হামলা চালানো হয় এবং তথ্য চুরি করতে পারে বা অর্থ চুরি করে তাহলে সেটার ক্ষতির পরিমাণটা অনেক বেশি ও মারাত্মক। এই গুরুত্ব বিবেচনায় আমরা প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছি।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এর ১৫ ধারায় বলা আছে- এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।

আইনটির ১৬-এর (১) ধারায় বলা হয়েছে- মহাপরিচালক, এই আইনের বিধানাবলী যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনে সময় সময় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতদসংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।

১৬-এর (২) ধারায় বলা হয়েছে- এই আইনের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রতি বছর এর অভ্যন্তরীণ ও বহিস্থ পরিকাঠামো পরিবীক্ষণপূর্বক একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে এবং ওই প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে জানাবে।

১৬-এর (৩) ধারায় বলা আছে- ‘মহাপরিচালকের নিকট যদি যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।’

১৬-এর (৪) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন কার্যক্রম ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।’

আইন লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে ১৭-এর (১) ধারায় বলা হয়েছে- যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে– (ক) বে-আইনি প্রবেশ করেন, বা (খ) বে-আইনি প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন বা বিনষ্ট বা অকার্যকর করেন অথবা করিবার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর (ক) দফা (ক)-এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন; এবং

(খ) দফা (খ)-এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃ পুনঃ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

আরও পড়ুন:
সাইবার জগতের নিরাপত্তা নিয়ে এনসিক্যামের কর্মসূচি
মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার ঝুঁকি বেশি
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এবার ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চিনুকন্যার মামলা
মেয়েরা বেশি সাইবার ক্রাইমের শিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাইবার অপরাধে ৫০.২৭ শতাংশই বুলিংয়ের শিকার: সিসিএএফের গবেষণা

মন্তব্য

p
উপরে