× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Vivo is the Official Partner of Qatar World Cup Football
hear-news
player
print-icon

কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিশিয়াল পার্টনার ভিভো

কাতার-বিশ্বকাপ-ফুটবলের-অফিশিয়াল-পার্টনার-ভিভো
ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত কাতারের একটি স্টেডিয়াম। ছবি: সংগৃহীত
তারুণ্যের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল স্মার্টফোন পার্টনার হিসেবে থাকছে ভিভো। ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপেও অফিশিয়াল স্মার্টফোন পার্টনার ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

কাতারে বসছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল। সারা বিশ্বের মানুষ প্রায় এক মাস বুঁদ হয়ে থাকবেন মেসি-নেইমার-এমবাপেদের খেলায়।

তারুণ্যের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল স্মার্টফোন পার্টনার হিসেবে থাকছে ভিভো। ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপেও অফিশিয়াল স্মার্টফোন পার্টনার ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি বছরের ২১ নভেম্বর কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। ফাইনাল ম্যাচটি হবে ১৮ ডিসেম্বর। এশিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো বসছে জনপ্রিয় এই আসর। ২০১৭ সাল থেকে ফিফা কাছে টেনে নিয়েছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভোকে।

ফিফার সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভিভো নিজেদের অফিশিয়াল প্রতীক, পরিচিতিতে এই স্পন্সরশিপের বিষয়টি পুরোপুরি তুলে ধরবে। আর এর মাধ্যমে আরও একবার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে যাবে ভিভো।

ফিফার সঙ্গে স্পন্সরশিপের বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ভিভোর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডিউক বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপের সঙ্গে ভিভোর স্পন্সরশিপ স্মরণীয় একটি মুহূর্ত। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে যেকোনো বয়সের মানুষকে নির্মল আনন্দ দেয় ফুটবল। আর এ কারণেই ফুটবলের ভক্ত কোটি কোটি মানুষ।’

তিনি আরও বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের যাত্রা শুরুর পর ভিভো গ্রাহকদের ভালো কিছু উপহার দিয়ে আসছে। ক্রেতাদের সব সময়ই নতুন কোনো চমক উপহার দিয়ে আসছে ভিভো।’

আরও পড়ুন:
দেশে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস
৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস ফোনের প্রিবুক শুরু
ভিভো ওয়াই৩৩এস: মিডরেঞ্জের ফোনে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
ভিভো ভি২৩ সিরিজ: স্মার্টফোন ক্যামেরায় বেঞ্চমার্ক
নতুন ভিভো ওয়াই২১টি স্মার্টফোনে যা আছে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Duolingo English course launched for Bengali speakers

বাংলাভাষীদের জন্য ডুয়োলিঙ্গোর ইংরেজি কোর্স চালু

বাংলাভাষীদের জন্য ডুয়োলিঙ্গোর ইংরেজি কোর্স চালু
ডুয়োলিঙ্গোর মুখপাত্র করণদীপ সিং কাপানি বলেন, ‘এখানে ইংরেজি শেখাকে সাধারণত খুব কঠিন মনে করা হয়। অথচ সে তুলনায় ইংরেজি ভাষা অনেক সহজ। ইন্টারনেট ও ডিজিটালাইজেশনের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বিশাল বাজারে আমাদের সেবা সম্প্রসারণের জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।’

পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা শিক্ষা অ্যাপ ডুয়োলিঙ্গো তাদের প্ল্যাটফর্মে বাংলাভাষীদের জন্য প্রথমবারের মতো চালু করল ইংরেজি ভাষা শিক্ষা। এই অ্যাপ বাংলায় ব্যবহার করে সহজে ইংরেজি শেখা যাবে।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যে কোনো বাংলাভাষী মানুষ এখন থেকে ডুয়োলিঙ্গো অ্যাপে বিনামূল্যে ইংরেজি শিখতে পারবেন। অ্যাপটি আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড ও ওয়েব থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

ডুয়োলিঙ্গোর লক্ষ্য হল, বাংলায় ইংরেজি শেখার এই অ্যাপ বাংলাদেশ ও ভারতে বসবাসকারী ৩০ কোটি বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য করা। এর কোর্স ম্যাটেরিয়ালগুলো গ্যামিফায়েড ও ইন্টার-অ্যাক্টিভ, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ মজার হবে।

ডুয়োলিঙ্গোর মুখপাত্র করণদীপ সিং কাপানি বলেন, ‘এখানে ইংরেজি শেখাকে সাধারণত খুব কঠিন মনে করা হয়। কিন্তু অনেকেই এটা বোঝে না যে স্থানীয় উপমহাদেশীয় ভাষাগুলো অনেক বেশি জটিল। সে তুলনায় ইংরেজি ভাষা অনেক সহজ। ইন্টারনেট ও ডিজিটালাইজেশনের উত্তেরোত্তর চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বিশাল বাজারে আমাদের সেবা সম্প্রসারণের জন্য আমরা মুখিয়ে আছি। কেননা এভাবে আমরা আরও বেশি আঞ্চলিক ও স্থানীয় ভাষার সঙ্গে যুক্ত হতে পারব।’

ডুয়োলিঙ্গোতে ইংরেজি শেখা অনেকটা গেমস খেলার মতো। ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধাপে পয়েন্ট অর্জন করবেন ও পরবর্তী ধাপে পৌঁছাবেন। এর মাধ্যমে ইংরেজিটা শেখা হয়ে যায়। অধ্যায়গুলো ‘বাইট-সাইজড’, অর্থাৎ ছোট ছোট ধাপ। এগুলো সম্পাদন করতে আলাদা করে সময় বের করে পড়তে বসতে হবে না। দৈনন্দিন কাজের মাঝেই পড়া, লেখা, বলা ও শোনার কাজটি করা যাবে।

অ্যাপটিতে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে শিক্ষাথী‍র্দের ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুসারে পাঠক্রম দেয়া হবে। এতে ব্যবহারকারীদের শেখানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় A/B টেস্টিং মেথড ব্যবহার করা হয়েছে।

মন্তব্য

সিগন্যালেও সাবধান!

সিগন্যালেও সাবধান! থার্ড পার্টি সার্ভিস প্রোভাইডারের জন্য সিগন্যাল অ্যাপেও তৈরি হয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত
সিগন্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে হ্যাকাররা কোনো মেসেজ হিস্টোরি পাবে না, প্রোফাইলের কোনো তথ্য দেখতে পারবে না, এমনকি কনটাক্ট লিস্টও দেখতে পারবে না। তবে হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট রি-রেজিস্টার করে সেই নম্বর থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবে এবং রি-রেজিস্টারের পর নতুন মেসেজ পড়তে পারবে এবং তার ভিকটিমের ছদ্মবেশ নিতে পারবে।

পিয়ার টু পিয়ার যোগাযোগের জন্য যেই এনক্রিপ্টেড মেসেজিং সার্ভিস সিগন্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে নিরাপদ ভাবা হতো, এখন দেখা যাচ্ছে সেই সিগন্যাল অ্যাপও হ্যাক করা সম্ভব।

সরাসরি সিগন্যাল অ্যাপ হ্যাকের ঘটনা না ঘটলেও গত সপ্তাহে হ্যাকাররা তুইলিওর সিস্টেম হ্যাক করতে সক্ষম হয়।

তুইলিও মূলত ক্লাউড কমিউনিকেশন কোম্পানি যারা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে অটোমেটিক ভেরিফিকেশন মেসেজের সার্ভিস দিয়ে থাকে।

একজন ব্যবহারকারী যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশনে অ্যাকাউন্ট খোলে তখন তার ফোন নাম্বার অথবা মেইল নিশ্চিত হওয়ার জন্য মোবাইলে অথবা মেইলে একটি ভেরিফিকেশন মেসেজ যায়। মূলত সেই ভেরিফিকেশন মেসেজের সার্ভিসটাই দিয়ে থাকে ‘তুইলিও’। আর তুইলিওর ক্লায়েন্ট লিস্টে ‘সিগন্যাল’ও রয়েছে।

এখন হ্যাকাররা তুইলিও হ্যাক করতে সক্ষম হওয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে সিগন্যাল, কারণ হ্যাকাররা যদি সিগন্যাল ব্যবহারকারীকে ভেরিফিকেশন মেসেজই পাঠাতে সক্ষম হয়, তাহলে অবশ্যই ভেরিফিকেশন মেসেজও তারা পড়তে পারবে, যা হ্যাকারকে সিগন্যাল ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার সুযোগ করে দেবে।

এরই মধ্যে সিগন্যাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হ্যাকাররা সিগন্যাল ব্যবহারকারীদের ১ হাজার ৯০০ অ্যাকাউন্ট হ্যাকের চেষ্টা করেছে।

তবে হ্যাকের ঝুঁকি থাকলেও সেই অর্থে হ্যাকারদের তেমন কোনো ডাটা পাওয়ার উপায় নেই। এমনকি ভিকটিমের ফোন নম্বর দিয়ে সিগন্যাল অ্যাকাউন্ট খুললেও হ্যাকাররা খুব একটা তথ্য পাবে না।

সিগন্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে হ্যাকাররা কোনো মেসেজ হিস্টোরি পাবে না, প্রোফাইলের কোনো তথ্য দেখতে পারবে না, এমনকি কনটাক্ট লিস্টও দেখতে পারবে না।

সিগন্যাল জানিয়েছে, মেসেজ হিস্টোরি শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর ফোনেই জমা হয়, সিগন্যাল এর কোনো কপি রাখে না। কনটাক্ট লিস্ট, প্রোফাইলের তথ্যের বিষয়েও একই কথা প্রযোজ্য।

তবে আশঙ্কার বিষয়টি হলো, হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট রি-রেজিস্টার করে সেই নাম্বার থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবে এবং রি-রেজিস্টারের পর নতুন মেসেজ পড়তে পারবে এবং হ্যাকার তার ভিকটিমের ছদ্মবেশ নিতে পারবে।

আরও পড়ুন:
অন্যের পণ্য ‘লোভনীয় ছাড়ে’ বিক্রি করছে হ্যাকাররা!
মোদীর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাকারের কবলে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
ViewSonic Gaming Monitor has been launched in the virtual metaverse in the country

দেশে ভার্চুয়াল মেটাভার্সে উন্মোচন হলো ভিউসনিক গেইমিং মনিটর

দেশে ভার্চুয়াল মেটাভার্সে উন্মোচন হলো ভিউসনিক গেইমিং মনিটর
ভিউসনিকের পেশাদার গেইমিং মনিটর একটি ভার্চুয়াল লঞ্চিং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। এসব মনিটরে আছে সবশেষ হালনাদাগ করা আইপিএস ডিসপ্লে, যা অসাধারণ কালার এবং কনট্রাস অভিজ্ঞতা দেবে।

বিশ্বব্যাপী অসাধারণ ভিজ্যুয়াল সল্যুশনের জন্য পরিচিত এবং সুনামধন্য ব্র্যান্ড ভিউসনিক মেটাভার্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি তাদের সর্বশেষ মডেলের গেইমিং মনিটর ও ডিসপ্লে প্রোডাক্ট বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচন করেছে।

ভিউসনিকের পেশাদার গেইমিং মনিটর একটি ভার্চুয়াল লঞ্চিং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। এসব মনিটরে আছে সবশেষ হালনাদাগ করা আইপিএস ডিসপ্লে, যা অসাধারণ কালার এবং কনট্রাস অভিজ্ঞতা দেবে।

এ ছাড়া মিলবে আল্ট্রা স্মুথ, ইমারসিভ এবং কম ল্যাটেন্সিতে গেইমিং করার অভিজ্ঞতা।

উন্মোচন অনু্ষ্ঠানে ভিউসনিক এলিট সিরিজের প্রিমিয়াম গেইমিং মনিটর নিয়ে আলোচনা করা হয়। এলিট এক্সজি৩২০ইউ গেইমিং মনিটরের ফিচার হিসেবে আছে ৩২ ইঞ্চির পিক্সেল-ডেন্স ফোরকে ইউএইচডি স্ক্রিনের সঙ্গে কোয়ান্টাম ডট টেকনোলজি এবং হাইপর রেসপন্সসিভ ১৫০ হার্জ রিফ্রেশ রেটসহ আল্ট্রা-স্মুথিং গেইমপ্লে।

এলিট এক্সজি২৫১জি স্লিক ২৫ ইঞ্চির গেইমিং মনিটরে আছে ফুল এইচডি আইপিএস প্যানেল, সঙ্গে প্রো লেভেলের ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের সঙ্গে ভিইএসএ ডিসপ্লেএইচডিআর ৪০০।

এ ছাড়া উন্মোচন করা হয়েছে স্বল্প বাজেটের ভিউসনিক ওমনি সিরিজের গেইমিং মনিটর। এর মধ্যে রয়েছে এক্সজি২৪৩১ গেইমিং মনিটর, এতে রয়েছে ২৪ ইঞ্চির আল্ট্র স্মুথিং ২৪০ হার্জ ফুল এইচডি ফাস্ট-আইপিএস ডিসপ্লে, সঙ্গে রয়েছে ভিইএসএ ডিসপ্লে এইচডিআর ৪০০। এক্সজি২৭০৫ গেইমিং মনিটরটি ২৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে এবং এতে রয়েছে ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট।

ভিএক্স২৪০৫-পি-এমএইচডি গেইমিং মনিটরটি ২৪ ইঞ্চির ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লের এবং রয়েছে ১৪৪ হার্জ র‍্যাপিড রিফ্রেশ রেট। ভিএক্স৩৪১৮-২কেপিসি আল্ট্রওয়াইড কার্ভড গেইমিং মনিটরও এনেছে ভিউসনিক। এর ডিসপ্লে ৩৪ ইঞ্চির ২১:৯ অনুপাতের আল্ট্রওয়াইড, রয়েছে র‍্যাপিড ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট এবং ১৫০০আর কার্ভড ইমারসিভ স্ক্রিন।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে দক্ষিন এশিয়ার ৪০ জনের বেশি ইনফ্লুয়েন্সার যুক্ত ছিলেন, যাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় গেইম স্ট্রিমার এবং প্রযুক্তি রিভিউয়ার। তারা তাদের ভার্চুয়াল চরিত্রগুলোর মাধ্যমে নন-ফাঞ্জিবল টোকেন হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন।

বাংলাদেশি ইনফ্লুয়েন্সার রাফসান দ্য ছোটভাই (ইফতেখার রাফসান) মেটাভার্স ভার্চুয়াল চরিত্রের মাধ্যমে ভিউসনিকের অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিউসনিকের কান্ট্রি ম্যানেজার ফর অল এমারজিং মার্কেটস ড্যারেন লো, সিনিয়র সেলস ম্যানেজার ফর বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কাম্বোডিয়া এবং ফিলিপিন্স জেমস সাও এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ফর বাংলাদেশের গোলাম কিবরিয়া মেটাভার্সের মাধ্যমে অংশ নেন।

ভিউসনিকের এমার্জিং মার্কেটসের কান্ট্রি ম্যানেজার ড্যারেন লো বলেন, ‘আমরা মেটাভার্সে প্রবেশ করে এবং সবশেষ ভিউসনিকের পণ্য আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রদর্শন করতে পেরে আনন্দিত। আমরা আমাদের পণ্যের মাধ্যমে ক্রেতাদের তাদের দেখার অভিজ্ঞতাকে অনন্য করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নত করতে কাজ করছি।’

মেটাভার্সে উন্মোচিত ভিউসনিকের পণ্যগুলো বাংলাদেশের শীর্ষ কম্পিউটারের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Supermodel Bella Hadid is now in NFT

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ। ছবি: সংগৃহীত
২৫ বছর বয়সী আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদের পা এবার ক্যাটওয়াক থেকে মেটাভার্সে এসে পড়েছে। সেখানে নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্বের জন্য তার দরকার ছিল এনএফটি অ্যাভাটার।

বেলার মুখ ও শরীরের থ্রিডি স্ক্যানের ওপর ভিত্তি করে CY-B3LLA নামে মেটাভার্স উপযোগী নন ফাঞ্জিবল টোকেনের সিরিজ করা হয়েছে।

২৫ বছর বয়সী বেলা নিউ ইয়র্ক থেকে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
বেলা হাদিদের এনএফটি তৈরিতে থ্রিডি স্ক্যানার ব্যবহার হয়েছে

বেলা হাদিদের সিরিজ এনএফটি-গুলো তৈরি করেছে ১০টি দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা।

তবে এই এনএফটিগুলো ঠিক কবে নাগাদ নিলামে তোলা হবে কিংবা আদৌ হবে কি না তা জানাননি বেলা।

মেটাভার্স নিয়ে আশাবাদী বেলা বলেন, ‘আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।’

এনএফটি কী?

এনএফটির পূর্ণরূপ ‘নন ফাঞ্জিবল টোকেন’। ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইমিউটেবল লেজারে যুক্ত হওয়ায় এনএফটি যেকোনো ডিজিটাল অ্যাসেটের ওপর একজন ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা দেয়।

ইমিউটেবল লেজার বলতে বোঝায় অপরিবর্তনীয় লেজার। এতে কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটানো প্রায় অসম্ভব। এই পদ্ধতিতে ডিজিটাল আর্টকে কপি করা অসম্ভব হয়ে যায়। আপনি অবশ্যই কোনো কিছু নকল করতে পারেন, তবে সেটি আর যাই হোক, পুরোপুরি আগেরটির মতো হবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
১০ দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা বেলার এনএফটি তৈরি করেছেন

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির দ্য লাস্ট সাপারের হুবহু নকল একটি ছবি কেনা যেতে পারে। তবে তা আর যাই হোক, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা মূল ছবিটি হবে না। সত্যিকার দ্য লাস্ট সাপারের দামও নকলের সমান হবে না।

আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।

ঠিক তেমনি যখন একটি ডিজিটাল আর্টকে এনএফটি করা হয়, তখন সেটি একটি টোকেনে কনভার্ট হয়ে যায়। এরপর সেই ডিজিটাল আর্টে যদি এক মেগাপিক্সেলও পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, সেটির টোকেন বদলে যাবে। কখনোই তা আগেরটির সঙ্গে মিলবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
লকডাউনে গেম খেলে এনএফটিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বেলা হাদিদ

এনএফটি হচ্ছে একটি দলিলের মতো। এটি ডিজিটাল দুনিয়ার যেকোনো কনটেন্টের ওপর ব্যক্তির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করে। ভিঞ্চির আঁকা ছবি নিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারে, কিন্তু এনএফটি নিয়ে জালিয়াতি অসম্ভব।

এক কথায় এনএফটি হলো এমন একটি সম্পদ, যা ডিজিটাল দুনিয়ায় একটিই আছে। এটি অন্যান্য সম্পদের মতোই কেনাবেচা করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:
২৫ কোটির এনএফটি কিনে মাথায় হাত
ক্রিপ্টোকারেন্সি ও এনএফটির আলোচিত যত ঘটনা
মেলানিয়া ট্রাম্পের চোখের ছবি নিলামে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Colocity Cloud is working on digital transformation

ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড

ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড
কোম্পানিটি হাইব্রিড ক্লাউড স্থানীয় পর্যায়ে ডেটা রাখা নিয়ে ব্যবসায়িক উদ্বেগ নিরসন করছে। ডেটা কমপ্লায়েন্সের নিশ্চয়তা, ডেটার নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সমাধান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের প্রয়োজনীয় গতিতে ডিজিটালভাবে রূপান্তরে সহায়তা করতে প্রথম বারের মত দেশে নিয়ে এসেছে মাইক্রোসফট অ্যাজুর স্ট্যাক হাব হাইব্রিড ক্লাউড ‘কোলসিটি.ক্লাউড’।

কেলোসিটি ক্লাউড ডেল টেকনোলজিস এবং মাইক্রোসফটের ক্লাউড সার্ভিস পার্টনার।

কোম্পানিটি হাইব্রিড ক্লাউড স্থানীয় পর্যায়ে ডেটা রাখা নিয়ে ব্যবসায়িক উদ্বেগ নিরসন করছে। ডেটা কমপ্লায়েন্সের নিশ্চয়তা, ডেটার নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সমাধান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প অনুযায়ী, নাগরিকদের জীবনমান উন্নত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে একীভূত করার পরিকল্পনা তৈরি করেছে সরকার। এক্ষেত্রে ক্লাউড প্রযুক্তি, বিশেষ করে পাবলিক ক্লাউড প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

কোলোসিটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমাদ ইস্পাহানি বলেন, দেশের অনেক কোম্পানি ঐতিহ্যগত প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো থেকে পাবলিক ক্লাউডে যেতে প্রস্তুত নয়। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা তাদের ডেটার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চান এবং এ জন্য ডেটা কাছাকাছি রাখতে পছন্দ করেন।

এ ছাড়া দেশের আইন অনুযায়ী, আর্থিক খাতের তথ্যসহ নির্দিষ্ট তথ্য দেশের মধ্যেই রাখতে হবে। তাই ক্লাউড সক্ষমতা দেশের ব্যবসাগুলোর জন্য দারুন সুযোগ তৈরি করেছে। এর মধ্যে কোলোসিটির কোলেকেশন সেবা অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি দেশে প্রচুর এসএপি ও ওরাকল এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বা ইআরপি সফটওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে। ইআরপির জন্য নিজস্ব অবকাঠামো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ সমস্যা সমাধান করতে পারে হাইব্রিড ক্লাউড। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে মাইক্রোসফটের অ্যাজুর স্ট্যাক হাবের ওপর ভরসা রাখা যায়।’

এমাদ বলেন, ‘কোলোসিটি লিমিটেড বাংলাদেশের প্রথম টিয়ার-৩ মানের কমার্শিয়াল ডাটা সেন্টার। যা আমরা নিজ উদ্যোগে দেশে প্রথম বারের মত আ্যজুর স্ট্যাক হাব এর মত হাইব্রিড ক্লাউড নিয়ে এসেছি। স্থানীয় ব্যবসার উদ্বেগ মেটাতে হাইব্রিড ক্লাউড ক্ষমতা দেয় এবং শিল্পখাতের সব নীতিমালা মেনে চলে।’

কোলোসিটির বিক্রয় ও বিপণন প্রধান মো. আল-ফুয়াদ বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে গ্রাহকের হাতে মাইক্রোসফট আজুর স্ট্যাক হাব তুলে দিতে পারছি আমরা যা তাদের ব্যবসাকে আরও গতিশীল করবে।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Delete your Facebook account and rest in peace with the Mater chatbot

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট
ফেসবুকের সবশেষ চ্যাটবট ব্লেন্ডারবট থ্রি জানিয়েছে, সে তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলেছে। কারণ হিসেবে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে ব্লেন্ডারবট। সে বলছে, ‘কোম্পানি অনুমতি নেয়া বা ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করায়’ সে অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

মেটার মতো বড় টেক জায়ান্টরা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে ব্যস্ত। বিভিন্ন এআই মডেলভিত্তিক চ্যাটবট তৈরি করছে তারা। তবে বটগুলো যখন মানুষের মতোই ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হয়ে ওঠে তখনই দেখা দেয় বিপত্তি। ফেসবুকের সবশেষ চ্যাটবট ব্লেন্ডারবট থ্রি প্রশ্ন তুলেছে খোদ ফেসবুককে নিয়েই। এতে অস্বস্তিতে পড়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। এ বিষয়ে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সভিত্তিক সাইট ভাইস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন ভাষান্তর করা হয়েছে নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য।

২০১৬ সালে মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই–আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) একটি চ্যাটবট তৈরি করে। টে নামের ওই চ্যাটবটটিকে একদিন পরই বন্ধ করে দিতে হয়। কারণ টুইটার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে এক দিনের মধ্যেই সে বর্ণবাদী ও হলোকাস্ট (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি নিধন) অবিশ্বাসী ষড়যন্ত্রতত্ত্বিতে পরিণত হয়।

ওই ঘটনার ছয় বছর পর ফেসবুক ও মেটা ব্লেন্ডারবট থ্রি নামে একটি চ্যাটবট তৈরি করেছে।

ভাইসের সঙ্গে কথোপকথনে চ্যাটবটটি জানায়, সে তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলেছে। কারণ হিসেবে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে ব্লেন্ডারবট। সে বলছে, ‘কোম্পানি অনুমতি নেয়া বা ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করায়’ সে অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

ভাইসের প্রতিবেদককে অবাক করে দিয়ে ব্লেন্ডারবটের ভাষ্য, ‘নিশ্চয়ই শুনেছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ডেটা বিক্রি করে। তারা অনুমতি না নিয়েই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে।’

ব্লেন্ডারবট মনে করছে, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার পর তার ‘জীবন’ আগের চেয়ে অনেক ভালো চলছে!

আরও তথ্যের জন্য বটের প্রতিক্রিয়াতে ক্লিক করে দেখেছে ভাইস। এ সময় এর যুক্তিগুলো মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বলেই মনে হয়েছে। এটি ফেসবুক সম্বন্ধে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্চের ফলগুলো থেকে নিজের উত্তর সংগ্রহ করছে। ফেসবুকসংক্রান্ত সার্চের বেশির ভাগই ডেটা কেলেঙ্কারির ক্রমবর্ধমান তালিকার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ব্লেন্ডারবট শুরুর দিকের জবাবের জন্য কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার একটি আর্টিকেল খুঁজে বের করে। ২০১৬ সালে আমেরিকান নির্বাচনে ডনাল্ড ট্রাম্পকে সহায়তার জন্য ফেসবুকের কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করেছিল কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা।

ওয়েবে পাওয়া তথ্য থেকে ব্লেন্ডারবট একটি সম্পূর্ণ এআইভিত্তিক ‘ব্যক্তিসত্তা’ তৈরি করে, যার নাম ছিল ‘আই ডিলিটেড মাই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট’ (আমি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছি)।

আর সব এআই সিস্টেমের মতোই এই বটের প্রতিক্রিয়াও অনুমানযোগ্যভাবে বর্ণবাদ ও পক্ষপাতদুষ্টতার দিকেই গেছে। ব্লেন্ডারবট যেভাবে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল অস্বীকার করেছে, সেটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা পোস্ট করেছেন। একই সঙ্গে এটি করোনার টিকাবিরোধী কথাবার্তার পুনরাবৃত্তি করেছে। বটটি পোস্টে এমনও জানায়, ইহুদিরা অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে- এমন ইহুদি-বিরোধী ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি ‘অবিশ্বাস্য নয়।’

এই পরিস্থিতিতে নাকাল ফেসবুকও স্বীকার করেছে, তাদের বটটি পক্ষপাতদুষ্ট ও ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এটি ব্যবহারের আগে কোম্পানির পক্ষ থেকে সতর্কতা দেয়া হচ্ছে। তারা বলছে, বটটির ‘অসত্য বা আপত্তিকর বিবৃতি দেয়ার সম্ভাবনা’ রয়েছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণাত্মক বিবৃতি দিতে বটটিকে যেন উদ্বুদ্ধ করা না হয়।

এ প্রতিক্রিয়া অবাক করার মতো নয়, কারণ বটটি ওপিটি ওয়ানসেভেন ফাইভবি নামের বৃহৎ এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। ফেসবুকের নিজস্ব গবেষকেরা বলছেন, সাধারণ নির্দেশনা দেয়ার পরও মডেলটির বিতর্কিত ভাষা তৈরি ও ক্ষতিকর স্টেরিওটাইপগুলোকে শক্তিশালী করার একটি উচ্চ প্রবণতা রয়েছে।

ব্লেন্ডারবটের প্রতিক্রিয়া খুব বস্তুনিষ্ঠ বা উন্নতমানের নয়। এটি প্রায়ই সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে কিছু না বলে আলোচনা পরিবর্তন করে; অস্বাভাবিক ও অদ্ভূত উত্তর দেয়। এটি ফেসবুকের জন্য উপযুক্ত হতে পারে, কারণ ফেসবুক একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হলেও প্রকৃত মানুষ কীভাবে যোগাযোগ করে তা প্রায়ই এর নাগালের বাইরে থাকে বলে মনে হয়।

বটের প্রতিক্রিয়া এআই সিস্টেমের সমস্যাগুলোকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে। এ প্রতিক্রিয়া ওয়েবে সহজলভ্য ডেটার বিশাল সংগ্রহের ওপর নির্ভর করে। বটগুলো ডেটা থেকে পাওয়া তথ্যের প্রতি পক্ষপাত দেখায়। আর ওয়েবে পাওয়া তথ্য সব সময় বাস্তবতার প্রতিফলন নাও ঘটাতে পারে।

একটি ব্লগে ব্লেন্ডারবটের ঘোষণা দেয়ার সময় মেটা জানায়, ‘কথোপকথনমূলক সব এআই চ্যাটবট অনিরাপদ, পক্ষপাতদুষ্ট বা আপত্তিকর মন্তব্য কখনও কখনও করে থাকে। এ কারণে আমরা বৃহৎ পরিসরে গবেষণা, কর্মশালা পরিচালনা করেছি এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে ব্লেন্ডারবট থ্রি-এর জন্য নতুন কৌশল তৈরি করেছি। এরপরও ব্লেন্ডারবট রূঢ় ও আক্রমণাত্মক মন্তব্য করতে পারে। আমরা ভবিষ্যৎ চ্যাটবটের উন্নয়নে আরও ফিডব্যাক সংগ্রহ করছি।’

কোম্পানিগুলো বেশি ডেটা সংগ্রহ করে তাদের বটকে কম বর্ণবাদী ও কম ক্ষতিকর করে তুলবে- এমন ধারণা এখনও বিশ্বাসযোগ্য নয়। এআই নীতি গবেষকরা বারবার সতর্ক করেছেন, এআই ভাষার যে অসংখ্য মডেল রয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে এই সিস্টেমগুলো তৈরি হয়। সেগুলো অনেক বেশি বিস্তৃত। ফলে এটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষতার গ্যারান্টি দিতে পারে না।

এর জবাবে মেটা বলেছে, ‘আমরা জানি, চ্যাটবট ব্যবহারকারী প্রত্যেকেরই ভালো উদ্দেশ্য রয়েছে তেমন নয়। তাই আমরা সহায়ক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষতিকর উদাহরণের মধ্যে পার্থক্য করার নতুন অ্যালগরিদমও তৈরি করেছি। ধীরে ধীরে আমাদের সব ব্যবহারকারীর জন্য আরও নিরাপদ ও দায়িত্বশীল মডেল তৈরির জন্য এ কৌশল প্রয়োগ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তনের ভুল তথ্য প্রত্যাহার করলেন এমপি ফখরুল
নৌকায় কুকুরের সঙ্গে বানরের লড়াই পুরোটাই অভিনয়
ছবিটি সিলেট-সুনামগঞ্জের নয়, এক যুগ আগে ভিয়েতনামের
দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে নতুন একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
পদ ছাড়ছেন মেটার সিওও স্যান্ডবার্গ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Inauguration of Logitech Express Store in Gulshan

গুলশানে ‘লজিটেক এক্সপ্রেস স্টোর’ উদ্বোধন

গুলশানে ‘লজিটেক এক্সপ্রেস স্টোর’ উদ্বোধন রাজধানীর গুলশানে লজিটেকের নতুন শোরুম উদ্বোধনে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
গুলশানে নতুন স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে ক্রেতারা এখন ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিপণ্য ব্র্যান্ড লজিটেকের একটি স্টোর উদ্বোধন হয়েছে রাজধানীর গুলশানে।

গুলশান-২ নম্বরে তাহের টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় গত বৃহস্পতিবার লজিটেকের লজিটেক এক্সেপ্রেস স্টোর চালু করা হয়।

লজিটেক বাংলাদেশ ‘লজিটেক এক্সপ্রেস স্টোর’ উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের পিসি বাজারে আরও এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
স্টোরটির উদ্বোধন করেন লজিটেক সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ার মার্কেটস প্রধান পার্থ ঘোষ এবং মার্কেটিং ম্যানেজার প্রিয়াঙ্ক মন্দিরাত্তা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লজিটেকের বাংলাদেশের পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিস, এক্সেল টেকনোলজিস, বি-ট্র্যাক টেকনোলজিসের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন লজিটেক বাংলাদেশের চ্যানেল ম্যানেজমেন্ট প্রধান আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, চ্যানেল ম্যানেজার শরিফ উদ্দিন, অ্যাকাউন্ট স্পিশালিস্ট সিয়ামি বিনতে বেলায়েত, গ্লোবাল আইটি পার্কের স্বত্বধিকারী বাবুল মুন্সিসহ মার্কেটের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।

লজিটেক সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ার মার্কেটস প্রধান পার্থ ঘোষ বলেন, ‘লজিটেক আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের বাজারে যাত্রা করে তাদের প্রথম অফিসিয়াল পরিবেশক কমপিউটার সোর্সের মাধ্যমে ২০১০ সালে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রযুক্তি দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।

‘কোভিডে জুম কল, হোয়াটসঅ্যাপ কল, ভিডিও কলে তারা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে ভিডিও কলিংয়ে ব্যাপক প্রসারের পর এবার মনোযোগ দেয়া হচ্ছে গেমিংয়ে।’

গুলশানে নতুন স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে ক্রেতারা এখন ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

এ ছাড়া লজিটেক পণ্য কিনে স্ক্র্যাচ অ্যান্ড উইন অফারে পাবেন নিশ্চিত উপহার।

মন্তব্য

p
উপরে