× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
There are 18 not 125 crore internet users in the country
google_news print-icon

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১৮ নয়, সাড়ে ১২ কোটি

দেশে-ইন্টারনেট-ব্যবহারকারী-১৮-নয়-সাড়ে-১২-কোটি
জনশুমারির প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে ফেসবুকে একটি খবর ভাইরাল হতে থাকে যে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটির বেশি। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১৮ কোটি হলে দেশে মোট জনসংখ্যা কীভাবে সাড়ে ১৬ কোটি হয়!

প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রাথমিক যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), তাতে বলা হয়েছে দেশে এখন জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।

জনশুমারির প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি খবর ভাইরাল হতে থাকে যে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটির ওপরে। যদি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১৮ কোটি হয়, তাহলে মানুষ কীভাবে সাড়ে ১৬ কোটি?

অনেকেই সেই খবর ও খবরের লিংকটি শেয়ার করছেন। সেখানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে উদ্ধৃত করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হিসাব দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যে খবরটি এখন ভাইরাল হচ্ছে, সেটি সে সময় মিসকোট করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে আমি স্পষ্ট করে বলেছিলাম যে দেশে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটির ওপরে, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নয়।’

১৮ কোটি যদি মোবাইল ব্যবহারকারী হয়, তবে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কত?

প্রতি মাসেই দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রকাশ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটি মোবাইল ইন্টারনেট, আইএসপি ও পিএসটিএন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রকাশ করে তাদের মাসিক প্রতিবেদনে।

গত মাস অর্থাৎ জুনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার। তাদের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার এবং আইএসপি ও পিএসটিএন মিলিয়ে ১ কোটি ১১ লাখ ৪০ হাজার।

গত মে মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ১২ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার।

সবশেষ ৯০ দিনের মধ্যে কোনো সিমে ইন্টারনেট অ্যাকটিভ করলে সেটিকে একটি ইউনিক গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি। একইভাবে আইএসপি ও পিএসটিএনের প্রতিটি সংযোগকে একটি ইউনিক গ্রাহক ধরে সংস্থাটি।

গত মে মাসে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিক ইনোভেশন কংগ্রেস-২০২২’ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্র্যাকটিস’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থান করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

প্রবন্ধে ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ পরিকল্পনা ঘোষিত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাত কীভাবে দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে সেসব তুলে ধরেন মন্ত্রী। সে সময় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটি বলে প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় মোস্তাফা জব্বারের কাছে।

টেলিযোগাযোগমন্ত্রী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশে মোবাইল ব্যবহারকারী ১৮ কোটি। আপনি যদি এখনও বিটিআরসির ওয়েবসাইটে যান তাহলে দেখতে পাবেন মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটির ওপরে। মে মাসে আমি সে তথ্যই দিয়েছি এবং এটাও ছিল।

‘আমি নরমালি স্মৃতিভ্রষ্ট হই না। ২০০৮ সালে দেশে মোট মোবাইল ব্যবহারকারী ছিল ৪ কোটি। তা থেকে বেড়ে ১৮ কোটি হয়েছে।’

বিটিআরসির জুনের হিসাবে দেশে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার। সেটি গত মে মাসে ছিল ১৮ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ২০০৮ সালে ছিল সাড়ে ৭ লাখ, যেটা এখন হয়েছে ১২ কোটির ওপরে। এটাই প্রকৃত তথ্য। এখন কেউ যদি মিস রিপোর্ট করে সেটার দায়দায়িত্ব তো আমার না।

‘সাধারণত প্রতিটি সিমকে একটি ইউনিক গ্রাহক হিসেবে ধরে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা হিসাব করে বিটিআরসি। সে জন্য সবশেষ তিন মাসের মধ্যে সক্রিয় সিম এক একজন নতুন গ্রাহক ধরা হয়। তাই মোবাইল বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিয়ে মানুষ গণনা করা সম্ভব নয় এবং সেটা সঠিকও নয়।’

মন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘ঈদের সময় অন্তত ৯০ লাখ সিম ঢাকা ছেড়েছে। আমরা সে হিসাব দিয়েছি। এখন কেউ যদি বলে, ৯০ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়েছে সেটা তো ভুল। একজন মানুষের একাধিক সিম রয়েছে। এমনও আছে এক ব্যক্তির কাছে ৪/৫টা সিম রয়েছে, যেগুলো অ্যাকটিভ। আবার করপোরেট সিম আছে। তাই সিম বা মোবাইল ব্যবহারকারী দিয়েও মানুষ গণনা করা যায় না। সেটা সম্ভবও নয়।’

জনশুমারির তথ্যে ইন্টারনেট ব্যবহার

জনশুমারিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের একটা ধারণা উঠে এসেছে। ২০২২ সালের গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে মোট ৩০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ১৮ বছর থেকে বেশি বয়সীদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ জনসংখ্যা ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে পরিলক্ষিত হয়, গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে এমন জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম রংপুর বিভাগে।

আরও পড়ুন:
ইন্টারনেটে বাংলা কনটেন্টের ঘাটতি: মোস্তাফা জব্বার
ইন্টারনেট নিরাপদ হবে কীভাবে
২০২১ সালে প্রতি মিনিটে ইন্টারনেটে যা ঘটেছে
তিন মাস ইন্টারনেট না থাকলে কী হবে?
মোবাইল ইন্টারনেটে এক রেট চালু করবে সরকার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Without adequate preparation in data protection we will not have sovereignty
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

ডাটা সুরক্ষায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকলে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না

ডাটা সুরক্ষায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকলে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না শুক্রবার বিকেলে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ইনফোকম ঢাকা ২০২৪’ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করি না, সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি।’

‘প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এ জন্য ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুদিনব্যাপী আয়োজিত ‘লিডারশিপ, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রেন্ডজ’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইনফোকম ঢাকা ২০২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, দ্য ডেইলি স্টার, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টার ও জেসিআই বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ সম্মেলন আয়োজন করে ভারতের এবিপি গ্রুপ। সম্মেলনের এবারের থিম ‘সাসটেইনেবল ডিসরাপশন’।

বক্তৃতাকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে।

‘মানবতা, মানবাধিকার ও মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষগুলোকে একত্রিত হতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসঙ্গে চেষ্টা করতে হবে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘কোনো উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।

‘আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করি না, সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এজন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে, শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল, কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কি না- সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে- সেটিই বিবেচ্য।

‘আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি; এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের কাজ করে যাচ্ছে।’

মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, ‘যত বেশি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে পারব, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে এবং আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারব। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ ও জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও ধ্রুব মুখার্জি, ভারত ও সার্কের পালো আলতো নেটওয়ার্কসের সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচালক হুজেফা মতিওয়ালা, সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কাউন্সিল ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড আইটির চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার, জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান
সরকার ও নাগরিকের মধ্যে অংশীদারত্ব চান তথ্য প্রতিমন্ত্রী
পরিকল্পিত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য সহজলভ্য করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সরকারের ব্যর্থতা ধরিয়ে দিন, সাংবাদিকদের তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
USTDAs Study Grant to CDNet on Expanding Internet Connectivity
সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান মঙ্গলবার সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর তা তুলে ধরেন সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা ড. নাফিজ সরাফাত এবং ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং। ছবি: সংগৃহীত
সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

ইউএস ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ইউএসটিডিএ) বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল সাবমেরিন ক্যাবল (বাঘা-১)-এর উন্নয়নের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণের জন্য মঙ্গলবার বাংলাদেশি টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি সিডিনেট কমিউনিকেশনস লিমিটেডকে (সিডিনেট) সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন করেছে।

সাব-সি ক্যাবল শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করবে। সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ফ্লোরিডাভিত্তিক এপি টেলিকম এলএলসি-কে নির্বাচিত করেছে সিডিনেট।

ইউএসটিডিএ ও সিডিনেট ষষ্ঠ ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেখানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ রোমুয়াল্ডেজ মার্কোস জুনিয়র মূল বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে আমরা সিডিনেটের মতো অংশীদারদের সঙ্গে সাব-সি ক্যাবল প্রকল্পগুলোর একটি পোর্টফোলিও তৈরি করছি। তারা সাব-সি ফাইবার অপটিক ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের দেশগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড ক্ষমতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এজেন্সি একটি অংশীদারত্বভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করে, যা প্রকল্পের বিকাশকারী, যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত, সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সমমনা ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের সম্পদ ও ক্ষমতাকে কাজে লাগায়। এসব প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বাঘা-১।’

সাব-সি ক্যাবলগুলো বিশ্বব্যাপী যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা বাস্তবায়িত হলে বাঘা-১ ক্যাবলটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যান্ডউইথড বৃদ্ধি করবে, যা নিরাপদ উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রসারিত করতে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

ইউএসটিডিএর গবেষণা বাংলাদেশে একটি বিশ্বস্ত সাব-সি ক্যাবল সিস্টেম স্থাপনের জন্য সবচেয়ে কৌশলগত পথ চিহ্নিত করার বিকল্পগুলো মূল্যায়নে সিডিনেটকে সহায়তা করবে।

সিডিনেটের পরিচালক এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত অনুষ্ঠানে বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য আরও কানেক্টেড এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলার এই অগ্রযাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, ‘ইউএসটিডিএর সমীক্ষা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উন্নত ইন্টারনেট ব্যবহার আরও সহজ ও সুবিধাজনক করবে।’

দ্রুতগতির ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও কানেক্টেড করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব স্থাপন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

ইউএসটিডিএ বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের অগ্রাধিকারের লক্ষ্যগুলো যেমন এগিয়ে নেয়, তেমনি বৈশ্বিক অবকাঠামো, বিনিয়োগের জন্য অংশীদারত্ব, ডিজিটাল সংযোগ এবং সাইবার নিরাপত্তা অংশীদারত্ব ও সমৃদ্ধ প্রকল্প প্রস্তুতি সুবিধার জন্য ইন্দো-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা পালন করে থাকে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Infinix budget phone Smart 8 Pro is available all over the country

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’। ছবি: ইনফিনিক্স
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশের বাজারে সম্প্রতি এসেছে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’।

ব্র্যান্ডটির স্মার্ট সিরিজের নতুন সংযোজন এ বাজেট ফোন।

সাশ্রয়ী মূল্য ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এটি তরুণদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জারের সাহায্যে ডিভাইসটি দ্রুত চার্জ করা যায়। বারবার চার্জ দেয়ারও প্রয়োজন হয় না। একবার সম্পূর্ণ চার্জে ব্যবহারকারীরা টানা ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও দেখতে পারবেন।

এন্ট্রি-লেভেলের স্মার্টফোন হিসেবে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ দুর্দান্ত বলে দাবি করেছে ইনফিনিক্স।

কোম্পানিটি জানায়, ব্যবহারকারীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এ ডিভাইসে আরও আছে ইনফিনিক্স পাওয়ার ম্যারাথন সমাধান। আল্ট্রা-পাওয়ার-সেভিং মোড ব্যবহার করে মাত্র ৫ শতাংশ চার্জেও অনায়েসেই দুই ঘণ্টা কথা বলা যায়।

ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে উন্নত অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৩৬ চিপসেট। এটি নিরবচ্ছিন্ন মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও স্ট্রিমিং নিশ্চিত করে। ডিভাইসটিতে আছে ৪ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।

পছন্দের অ্যাপ, ছবি, ভিডিওসহ নানা কিছু সহজেই সংরক্ষণ করতে এতে আছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ। পাশাপাশি মাইক্রোএসডির সাহায্যে এর ধারণক্ষমতা ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে ম্যাজিক রিংযুক্ত ৬.৬ ইঞ্চি এইচডি+ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে। এ ম্যাজিক রিংয়ের মাধ্যমে চার্জিং স্ট্যাটাস এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন নির্বিঘ্নে দেখা যায়।

৯০ হার্টজের রিফ্রেশ রেটের কারণে ব্রাউজিংয়ের সময় পাওয়া যাবে না কোনো ল্যাগ, যা ব্যবহারকারীদের স্বাচ্ছন্দ্যময় টাচের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

ডিভাইসটির রিং ফ্ল্যাশলাইটযুক্ত ৫০ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল এআই ক্যামেরার সাহায্যে স্বল্প আলোতেও সুন্দর ছবি তোলা যায়। ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্য চমৎকার সেলফি তুলতে পারবেন।

তরুণদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয় ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। টিম্বার ব্ল্যাক, শাইনি গোল্ড ও রেইনবো ব্লু—এ তিন ট্রেন্ডি রঙে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।

সারা দেশের ইনফিনিক্স অফিশিয়াল রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। ফোনটির দাম ১১ হাজার ৪৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স
যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Legislation to deal with adverse effects of AI Minister of State for Telecom

এআইয়ের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আইন হচ্ছে

এআইয়ের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আইন হচ্ছে শুক্রবার জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৪ উদযাপন করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ছবি: সংগৃহীত
ইন্টারনেটের ২০ এমবিপিএস গতিকে ব্রডব্যান্ড হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতে এবং ইন্টারনেট সুলভ ও সহজলভ্য করতে ২০২৪ সালের মধ্যেই নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়ণ করা হবে বলে জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) বিরূপ প্রভাব সামলাতে সরকার আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৪ উদযাপনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। খবর ইউএনবি

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পলক বলেন, ‘এআই মানুষের জীবনধারা যেমন সহজ করবে, ঠিক তেমনি এটি সভ্যতার জন্য একটি বড় ঝুঁকি। প্রযুক্তির এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়, বিশেষ করে এআইর বিরূপ প্রভাব সামলাতে সরকার আইন প্রণয়ণ করতে যাচ্ছে।’

এ ছাড়াও ইন্টারনেটের ২০ এমবিপিএস গতিকে ব্রডব্যান্ড হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতে এবং ইন্টারনেট সুলভ ও সহজলভ্য করতে ২০২৪ সালের মধ্যেই নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়ণ করা হবে বলে জানান তিনি।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উদযাপনের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আইটিইউর সদস্যপদ অর্জন করেন এবং যুদ্ধের ধ্বংস্তূপের ওপর দাঁড়িয়েও বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্ব তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দুনিয়ায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেন।

‘আর ভিস্যাটের মাধ্যমে দেশে ইন্টারনেট সংযোগ, তিনটি মোবাইল কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয়ার মাধ্যমে মোবাইল ফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেয়া এবং ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার সাধারণের জন্য সহজলভ্য করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বেরই ফসল।’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিগত বছরগুলোর সফলতা ডিজিটাল দুনিয়ায় বাংলাদেশকে নেতৃত্বদানকারী দেশের কাতারে সামিল করেছে বলে জানান তিনি।

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন এবং এই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

বাংলাদেশে এ বছর প্রথমবারের মতো ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগসহ টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি খাতের সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীজনদের নিয়ে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উদযাপনের আয়োজন করা হয়।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম, আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইও ড. শাহজাহান মাহমুদ এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।

পরে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মোবাইল অপারেটর রবি ও বাংলালিংকের মধ্যে নেটওয়ার্ক স্মারক সই হয়।

আরও পড়ুন:
এআইকে স্বাগত, তবে অপব্যবহার রোধে পদক্ষেপ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
৪০% চাকরিকে প্রভাবিত করবে এআই: আইএমএফ
অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এআইইউবিতে সেমিনার
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘বিপজ্জনক’, সতর্ক করে গুগল ছাড়লেন এআই গডফাদার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
AI welcome but steps needed to curb misuse PM

এআইকে স্বাগত, তবে অপব্যবহার রোধে পদক্ষেপ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

এআইকে স্বাগত, তবে অপব্যবহার রোধে পদক্ষেপ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী হলি সি টু বাংলাদেশের অ্যাপোস্টলিক নুনসিও আর্চবিশপ কেভিন এস র‌্যান্ডাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন। সূত্র: বাসস
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) স্বাগত জানাই। তবে এর অপব্যবহার রোধে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে আমাদের কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে হবে।’

বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (এআই) স্বাগত জানায়, তবে এক্ষেত্রে কিছু প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হলি সি টু বাংলাদেশের অ্যাপোস্টলিক নুনসিও আর্চবিশপ কেভিন এস র‌্যান্ডাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) স্বাগত জানাই। তবে এর অপব্যবহার রোধে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে আমাদের কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। এখানে মুসলিম, হিন্দু, খ্রীষ্টান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। আমরা সবাই মিলে উৎসব উদযাপন করি।’

জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান এবং গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন আর্চবিশপ।

আরও পড়ুন:
খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিজের নাম বাদ দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারি সংস্থা ও কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়তে পারে: প্রধানমন্ত্রী
মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা কমাতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
How to make Mothers Day memorable

যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয়

যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয় প্রতীকী ছবি
ব্যস্ততার কারণে আপনি হয়তো মায়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন না, কিন্তু বিশেষ দিনে উপহার দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই পারেন। নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলেও উবারের ডেলিভারি সার্ভিস উবার কানেক্ট আপনার উপহার ঠিকই মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে।    

মা আমাদের সবার কাছেই বিশেষ এক মানুষ। বিশেষ মানুষের জন্য বিশেষ দিন মা দিবসও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

মায়ের জন্য স্মরণীয় কিছু করে তাকে চমকে দিতে সবারই নানা পরিকল্পনা থাকে। সেই পরিকল্পনার একটি অংশ হতে পারে মাকে নিয়ে কোথাও ঘুরে আসা। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাকে সাহায্য করতে পারে উবারের মতো রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো।

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে রাইড বুক করা যায় বলে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো সুবিধাজনক বিবেচিত হতে পারে। একই সঙ্গে এ সার্ভিস অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ীও।

মাকে নিয়ে শপিং, সিনেমা হল বা পছন্দের কোনো রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য বেছে নিতে পারেন এক্স বা প্রিমিয়ারের মতো সার্ভিস। আরেকটু কম খরচে ঘুরতে চাইলে আছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস।

যদি আপনার একই দিনে একাধিক জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে রেন্টালস সার্ভিস হবে আপনার জন্য যথার্থ। এ সার্ভিসের আওতায় ১০ ঘণ্টার জন্য রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়িটি আপনার সঙ্গে রাখার সুযোগ পাবেন। আর শহরের বাইরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য ইন্টারসিটি সার্ভিস চমৎকার।

ব্যস্ততার কারণে আপনি হয়তো মায়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন না, কিন্তু বিশেষ দিনে উপহার দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই পারেন। নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলেও উবারের ডেলিভারি সার্ভিস উবার কানেক্ট আপনার উপহার ঠিকই মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে।

তা ছাড়া রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে নিজের ও মায়ের নিরাপত্তা নিয়েও আপনি থাকতে পারেন নিশ্চিন্ত।

ব্যস্ততা আমাদের অবসর দেয় না। তারপরও যতটা সম্ভব, বিশেষ দিনটি মায়ের সঙ্গে কাটাতে চান অনেকে। এমন দিনে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে পাশে থাকবে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো।

আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাচন: গজারিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় আরেক মামলা
চকরিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় ১৫ জনের নামে মামলা
প্রতারণার মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
চট্টগ্রামে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার
‘সোর্ড অফ অনার’সহ নানা প্রাপ্তি অসিম জাওয়াদের

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Advice to verify Facebook page YouTube channel of Ministers MPs

মন্ত্রী-এমপিদের ফেসবুক পেজ-ইউটিউব চ্যানেল ভেরিফায়েড করার পরামর্শ

মন্ত্রী-এমপিদের ফেসবুক পেজ-ইউটিউব চ্যানেল ভেরিফায়েড করার পরামর্শ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সংসদে প্রশ্নোত্তরে বলেছেন, ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল মন্ত্রণালয়ে পাঠালে আমরা ফেরিফাই করে দেব। তাহলে ফেক আইডি দিয়ে কারও নামে কেউ অপপ্রচার চালাতে পারবে না।’

অপপ্রচার বন্ধে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ভেরিফায়েড করার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল মন্ত্রণালয়ে পাঠালে আমরা ফেরিফাই করে দেব। তাহলে ফেক আইডি দিয়ে কারও নামে কেউ অপপ্রচার চালাতে পারবে না।’

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে স্বতন্ত্র সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে সাইফুল ইসলাম সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, ‘ফেক ফেসবুক আইডি খুলে জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীদের চরিত্র হনন করা হচ্ছে। ইউটিউব চ্যানেল খুলে মানুষের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এটা বন্ধে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ কী?’

জবাবে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা পৃথিবীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নতুন মাধ্যমে ভুল তথ্য, ফিশিং, মাসকিংসহ এ ধরনের অপরাধ করা হচ্ছে। অপপ্রচার, গুজব ছড়িয়ে অনেকের প্রাণহানি হচ্ছে; অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

‘সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদদের নামে অপপ্রচার হয়। ছাত্রী, বোন, কন্যাদের অনেক ডিপফেক ভিডিও বানিয়ে অথবা ইমোজি ফটোশপ করে অপপ্রচার, মানহানিকর কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এজন্য সময়ের প্রয়োজনে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছি। উদ্দেশ্য, কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেন আইনের আশ্রয় নিতে পারে।’

মন্ত্রী-এমপিদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ অন্য সংস্থাগুলোতে নিয়মিত (অভিযোগ) পাঠাই। এই প্ল্যাটফর্মটা মাল্টিন্যাশনাল। তাদের অফিস বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন নেই। এজন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করছি। যেন কেউ বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুমতি না নিয়ে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে না পারে এবং অপব্যবহার করতে না পারে। অভিযোগ করলে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

p
উপরে