× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Ridesharing Pathao Uber joint campaign for passenger safety
hear-news
player
print-icon

রাইডশেয়ারিং: যাত্রী নিরাপত্তায় পাঠাও-উবারের যৌথ ক্যাম্পেইন

রাইডশেয়ারিং-যাত্রী-নিরাপত্তায়-পাঠাও-উবারের-যৌথ-ক্যাম্পেইন
উবার ও পাঠাও একসঙ্গে রাইডশেয়ারে বিভিন্ন সুরক্ষা পদ্ধতি ও ব্যবস্থা নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে চালক ও গাড়ির যাচাই করা তথ্যসহ ট্র্যাকযোগ্য ও ইন্স্যুরেন্স করা রাইড। থাকবে বাধ্যতামূলক কাগজপত্র যাচাইয়ের সুনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা।

বাংলাদেশের রাইডশেয়ারিংয়ে নিরাপত্তা বাড়াতে প্রথমবারের মতো যৌথ ক্যাম্পেইন পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে পাঠাও এবং উবার।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, গ্রাহকদের উন্নত অভিজ্ঞতা দেয়া এই ক্যাম্পেইনের একটি লক্ষ্য।

উবার ও পাঠাও একসঙ্গে রাইডশেয়ারে বিভিন্ন সুরক্ষা পদ্ধতি ও ব্যবস্থা নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে চালক ও গাড়ির যাচাই করা তথ্যসহ ট্র্যাকযোগ্য ও ইন্স্যুরেন্স করা রাইড। থাকবে বাধ্যতামূলক কাগজপত্র যাচাইয়ের সুনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা।

নিজেদের ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশিক্ষিত করে তুলতে সব চালকদের জন্য একটি ট্রেনিং মডিউল চালু করবে দুই রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান।

মোটরযান চলাচলে সাধারণ নির্দেশনা, ট্রাফিক সংকেত ও ব্যবহারবিধি, ট্রাফিক ও সড়ক নিরাপত্তার নিয়ম ভঙ্গ করার প্রভাবসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো ট্রেনিং মডিউলে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ প্রসঙ্গে পাঠাও-এর সিইও ফাহিম আহমেদ বলেন, ‘আমাদের যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সাথে সম্মিলিতভাবে বিভিন্ন উদ্যোগও আমরা গ্রহণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, উবারের সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ আমাদের নিরাপত্তার উন্নত মান নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে এবং সবার জন্য নিরাপদ রাইডও নিশ্চিত করবে।’

উবার বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারত প্রধান আরমানুর রহমান বলেন, ‘কোম্পানি হিসেবে একটি সাহসী ও স্বচ্ছ পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা উন্নত করতে কাজ করেছি। এর পাশাপাশি এই খাতের জন্য নতুন মানও স্থাপন করেছি।

‘এ ছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং নীতি সংক্রান্ত প্রধান অংশীদারদের সঙ্গে সম্মিলিতভাবেও আমরা এগোচ্ছি।’

দেশে যাত্রার শুরু থেকে সব অংশীদার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে রাইডশেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলো। যাতে একটি বাটন ট্যাপ করার মাধ্যমে সুবিধাজনক ও নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হয়।

আরও পড়ুন:
রিকশাচালক শাফী যেভাবে ভাইরাল ইউটিউবার
দিনমজুর থেকে ইউটিউবার, আয় ৫ লাখ
উবার-সেবায় স্বেচ্ছাচার
ট্রিপে থাকা যাত্রীদের জন্য উবারের হেল্পলাইন
আয়ের তালিকায় শীর্ষ ইউটিউবাররা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Calling to buy fake Gigabyte products in the country after seeing the Smart logo

দেশে গিগাবাইটের নকল পণ্য, স্মার্টের লোগো দেখে কেনার আহ্বান

দেশে গিগাবাইটের নকল পণ্য, স্মার্টের লোগো দেখে কেনার আহ্বান দেশে গিগাবাইটের নতুন কিছু পণ্য প্রদর্শন করে স্মার্ট টেকনোলজিস। ছবি: নিউজবাংলা
আনাস খান বলেন, ‘এখন গিগাবাইট বলতে শুধু মাদারবোর্ড আর গ্রাফিক্স কার্ড নয়, আরও অনেক কিছু বোঝেন ক্রেতারা। ফলে এসব পণ্য যখন অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশে আনছেন তখন শত শত কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছেন। এসব নকল ও রিফারবিশড পণ্য সম্পর্কে আমরা বিষয়টি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিকে (বিসিএস) জানিয়েছি। প্রয়োজনে আমরা আইনগত ব্যবস্থাও নেব।’

প্রযুক্তিপণ্যের অন্যতম ব্র্যান্ড গিগাবাইটের নকল ও রিফারবিশড (মেরামত করা) পণ্যে দেশের বাজার সয়লাবের অভিযোগ তুলেছেন খাতটির ব্যবসায়ীরা।

এসব পণ্য বিক্রি করে গিগাবাইটের নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন বলেও জানান ব্যবসায়ীরা। তাই গ্রাহকদের গিগাবাইটের পণ্য কেনার ক্ষেত্রে দেশের একমাত্র পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিসের দেয়া ওয়ারেন্টি দেখে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এমন আহ্বান জানায় গিগাবাইট।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে গিগাবাইট পণ্যের একমাত্র পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিসের বিতরণ ব্যবসা পরিচালক জাফর আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন দেশ থেকে অসাধু ব্যবসায়ীরা গিগাবাইটের নকল ও রিফারবিশড পণ্য দেশে আনছেন। সেগুলোতে থাকছে না কোনো ওয়ারেন্টি সেবা, বিক্রি হচ্ছে গাগাবাইটের নামেই। ফলে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন তারা, কোনো সমাধান পাচ্ছেন না। এটি দেশের ক্রেতাদের জন্য হুমকি। তাই নকল গিগাবাইট পণ্য থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহারকারীদের অবশ্যই স্মার্টের স্টিকার ও বিক্রয়োত্তর সেবা দেখে পণ্য কিনতে হবে।’

গিগাবাইট বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, এখন দেশে আগের মতো গিগাবাইট শুধু গ্রাফিক্স কার্ড ও মাদারবোর্ড আনে না, এর পাশাপাশি মনিটর থেকে শুরু করে অন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটার পণ্যও আনে।

তিনি বলেন, ‘এখন গিগাবাইট বলতে শুধু মাদারবোর্ড আর গ্রাফিক্স কার্ড নয়, আরও অনেক কিছু বোঝেন ক্রেতারা। ফলে এসব পণ্য যখন অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশে আনছেন তখন শত শত কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছেন। এসব নকল ও রিফারবিশড পণ্য সম্পর্কে আমরা বিষয়টি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিকে (বিসিএস) জানিয়েছি। প্রয়োজনে আমরা আইনগত ব্যবস্থাও নেব।’

তিনি জানান, এখন দেগশে গিগাবাইটের মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ছাড়াও বর্তমানে গিগাবাইট ব্রান্ডের ল্যাপটপ, মনিটর, র‍্যাম, এসএসডি, কেসিং, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলার, মাউস, কি-বোর্ডও পাওয়া যাচ্ছে দেশের বাজারে।

এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলন থেকে নতুন সিরিজের মাদারবোর্ড আনার ঘোষণাও দেয় গিগাবাইট। ইন্টেলের নতুন প্রজন্মের প্রসেসরগুলোর কার্যকারিতা সঠিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ দিতে তাই দেশে গিগাবাইট তাদের ইন্টেল ৬০০ সিরিজের মাদারবোর্ডের বায়োস হালনাগাদ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন স্মার্ট টেকনোলজিসের চ্যানেল সেলস ডিরেক্টর মুজাহিদ আলবেরুনী সুজনসহ অন্যরা।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Indias rocket cancels satellites in different orbits

ভারতের রকেট ভুল ঠিকানায়

ভারতের রকেট ভুল ঠিকানায় অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটায় সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রের লঞ্চ প্যাড থেকে রোববার সকালে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটায় সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রের লঞ্চ প্যাড থেকে রোববার সকালে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এর ৬ ঘণ্টা পরই কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে যে রকেটটি বৃত্তাকার কক্ষপথের পরিবর্তে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে উপগ্রহগুলো স্থাপন করায় সেগুলো আর ব্যবহারযোগ্য নয়।

ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো) একটি নতুন রকেট (এসএসএলভি) উৎক্ষেপণ করেছে। অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটায় সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রের লঞ্চ প্যাড থেকে রোববার সকালে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। তবে অভিযানটি সফল হয়নি।

উৎক্ষেপণের ৬ ঘণ্টা পরই ইসরো কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে যে ‘এসএসএলভি-ডি ১’ তাদের বৃত্তাকার কক্ষপথের পরিবর্তে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে স্থাপন করায় উপগ্রহগুলো আর ব্যবহারযোগ্য নয়।

‘ইওএস ০২’ এবং ‘আজাদীস্যাট’ স্যাটেলাইটগুলোও এই ছোট স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলে পাঠানো হয়েছিল। সফল উৎক্ষেপণ শেষে উভয় উপগ্রহকে তাদের নির্ধারিত কক্ষপথে আনার পর রকেটটি আলাদা হয়ে যায়। এরপর মিশন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে উপগ্রহ থেকে তথ্য পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য প্রকল্পটি হুমকির মুখে পড়েছে।

প্রাথমিক পর্বে ইসরো প্রধান এস. সোমনাথ বলেন, ‘মিশন কন্ট্রোল সেন্টার ইসরো ক্রমাগত ডেটা লিঙ্ক পাওয়ার চেষ্টা করছে। লিংক স্থাপিত হলেই আমরা জানাব।’

স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে ৭৫০ জন স্কুল ছাত্র-ছাত্রী দ্বারা ‘আজাদিস্যাট’ তৈরি করা হয়েছে। শ্রীহরিকোটার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে ‘এসএসএলভি ডি ১’ উৎক্ষেপণের সময় স্যাটেলাইটটির নকশা করা শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার বিকেল ৩টার দিকে ইসরো এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, এই মিশনের যে লক্ষ্য ছিল তা আর পূরণ করা সম্ভব হবে না। একাধিক টুইট করে এ বিষয়ে বার্তা দিয়েছে ভারতের এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

‘এসএসএলভি-ডি ১’ রকেটটি ৩৫৬ কিলোমিটার সার্কুলার কক্ষপথের পরিবর্তে ৩৫৬ কিলোমিটার x ৭৬ কিলোমিটার এলিপ্টিক্যাল কক্ষপথে পৌঁছে দিয়েছে স্যাটেলাইটগুলোকে। সেগুলো আর ব্যবহার করা যাবে না। সেন্সরের ব্যর্থতা ধরতে না পেরে উদ্ধার অভিযান চালানোর জন্যই এই কক্ষচ্যুতি ঘটেছে।

ইসরোর এই ক্ষুদ্রতম রকেট বা স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলটি লম্বায় (এসএসএলভি) ৩৪ মিটার। এর ভেহিকেল ডায়ামিটারের দৈর্ঘ্য ২ মিটারের বেশি নয়।

ইসরোর সাবেক প্রধান ড. মাধবন নায়ার মিশনটিকে বেশ জটিল বলেই দাবি করেছিলেন। খুব অল্প সময়ে রকেটটি বানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন তিনি। উৎক্ষেপণের তৃতীয় পর্যায় পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যায়ে গিয়ে সবকিছু ভণ্ডুল হয়ে যায়।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Schneider Electric held Innovation Day in Dhaka

ঢাকায় ‘ইনোভেশন ডে’ করল স্নাইডার ইলেকট্রিক

ঢাকায় ‘ইনোভেশন ডে’ করল স্নাইডার ইলেকট্রিক ম্নাইডার ইলেকট্রিকের ইনোভেশন ডে আয়োজনের একটা সময়। ছবি: সংগৃহীত
স্বরূপ দাস বলেন, ‘স্নাইডার ইলেকট্রিক বাংলাদেশে আগামীতে একটি টেকসই ও দক্ষ বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা দেখছে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী যে এটি বাংলাদেশে আমাদের অংশীজনদের ব্যবসার টেকসই সম্প্রসারণ এবং বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটাবে। আমরা আমাদের গ্রাহক ও ক্রেতাদের বিশ্বমানের পণ্য ও পরিষেবা তুলে দিতে পারব বলেই প্রত্যাশা করছি।’

এনার্জি ম্যানেজমেন্ট এবং অটোমেশন ট্রান্সফরমেশনের গ্লোবাল লিডার স্নাইডার ইলেকট্রিক দেশের শীর্ষ ১০০ গ্রাহককে নিয়ে ঢাকায় সফলভাবে ‘ইনোভেশন ডে’ আয়োজন করেছে।

বৃহস্পতিবার তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী, ডাটা সেন্টার প্রফেশনালস, সরকারি কর্মকর্তা এবং চ্যানেল পার্টনারদের নিয়ে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোর বাজার ধরতে সর্বশেষ পণ্য, বিভিন্ন সল্যুশন্সের এবং সফটওয়্যার প্রদর্শন করে, যা ব্যবসা ও শিল্প খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে স্নাইডার ইলেকট্রিক জানায়, ইনোভেশন ডে ইভেন্টের লক্ষ্য ছিল গ্রাহকদের জন্য একটি সহযোগী প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসা। সেই সঙ্গে এই শিল্পের একটি টেকসই প্রবৃদ্ধি আনার জন্য সাম্প্রতিক প্রযুক্তির ট্রেন্ডসগুলো উপস্থাপন করা।

শীর্ষ ১০০ গ্রাহক এবং একটি সফল আয়োজন করায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে স্নাইডার ইলেকট্রিক বৃহত্তর ভারতের চ্যানেল সেলস, সিকিউর পাওয়ারের ডিরেক্টর স্বরূপ দাস বলেন, ‘স্নাইডার ইলেকট্রিক বাংলাদেশে আগামীতে একটি টেকসই ও দক্ষ বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা দেখছে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী যে এটি বাংলাদেশে আমাদের অংশীজনদের ব্যবসার টেকসই সম্প্রসারণ এবং বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটাবে। আমরা আমাদের গ্রাহক ও ক্রেতাদের বিশ্বমানের পণ্য ও পরিষেবা তুলে দিতে পারব বলেই প্রত্যাশা করছি।’

এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্নাইডার ইলেকট্রিক উন্মোচন করেছে ইনোভেশন হাব, যেখানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সর্বশেষ সব পণ্য, সল্যুশনস, ডেমো এবং সফটওয়্যার প্রদর্শন করবে। সেখানে দেখানো হবে:

মাইক্রো ডাটা সেন্টার: এটি নেটওয়ার্ক প্রান্তে আরও সাশ্রয়ীভাবে মাইক্রো ডাটা সেন্টার স্থাপন করতে এবং সক্রিয়ভাবে, সহজে ও দ্রততার সঙ্গে কাজ করতে দেবে।

ইকোস্ট্রাকচার আইটি এক্সপার্ট: এটি সুদক্ষতার সঙ্গে প্রযুক্তি বিতরণ এবং স্থানীয় অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে পাওয়ার ও কুলিং সিস্টেম দেখাশোনার জন্য একটি অবকাঠামো ও সরঞ্জাম সরবরাহ করে।

দ্য ইজি ইউপিএস থ্রিএস: এটি আপনার ব্যবসাকে টেকসই করতে বিদ্যুৎব্যবস্থা নিশ্চিত করে এবং দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ক্রমাগত ব্যবসা বৃদ্ধি করবে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Teletalk cancels 5G orders to strengthen 4G

টেলিটকের ফাইভজি স্থগিত

টেলিটকের ফাইভজি স্থগিত
সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন টেলিটকের ফাইভজি প্রকল্প এখনই দরকার নেই। বাংলাদেশের সব জায়গায় আগে ফোরজি সেবা নিশ্চিত করা দরকার। শুধু টেলিটককে নয়, সব মোবাইল অপারেটরকে বলেছেন ফোরজির আওতা বাড়াতে।’

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় টেলিটকের ফাইভজি প্রকল্প স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কৃচ্ছ্রসাধনের জন্যই প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, টেলিটকের ফোরজি সেবার আওতা বাড়াতে।

আগারগাঁওয়ের এনইসি সম্মেলনকক্ষে মঙ্গলবার একনেক সভায় এ নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান।

একনেক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধানমন্ত্রীর এসব অনুশাসন সাংবাদিকদের জানান।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন টেলিটকের ফাইভজি প্রকল্প এখনই দরকার নেই। বাংলাদেশের সব জায়গায় আগে ফোরজি সেবা নিশ্চিত করা দরকার। শুধু টেলিটককে নয়, সব মোবাইল অপারেটরকে বলেছেন ফোরজির আওতা বাড়াতে।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘যেহেতু সরকার কৃচ্ছ্রসাধন করছে এবং টেলিটকের ফাইভজি প্রকল্পের বড় অংশই আমদানিনির্ভর, তাই ডলার ব্যবহারের ওপর চাপ কমাতেই প্রকল্পটি বাদ দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপাতত দেশে ফাইভজি কাভারেজের চেয়ে ফোরজির পরিধি বাড়ানো জরুরি। সেই আঙ্গিকে মোবাইল অপারেটরদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

একনেক সভায় সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের প্রকল্পের পরিধি কমবে কি না সে বিষয়ে আলোচনা হয়নি বলে জানান তিনি।

সভায় ২ হাজার ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়।

টেলিটকের ফাইভজি প্রকল্প

রাজধানীতে সীমিত আকারে টেলিটকের ফাইভজি সেবা চালুর পরিকল্পনা করে অপারেটরটি। এ জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কয়েকটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়। লক্ষ্য অন্য মোবাইল অপারেটরদের একই ধরনের সেবা শুরুতে উদ্বুদ্ধ করা। এ-সংক্রান্ত ২৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প উপস্থাপন করা হয় একনেক সভায়। বাস্তবায়ন শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালে।

পরিকল্পনা কমিশন জানায়, টেলিটকের মাধ্যমে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনা ফাইভজি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার চিন্তা ছিল। এ জন্য মেট্রোপলিটন এলাকার ২০০টি ফোরজি বিটিএস সাইটে নতুন ডিভাইস সংযোজন করারও চিন্তা করা হয়। ফাইভজি প্রযুক্তির যন্ত্রাংশের দাম বেশি হওয়ায় ধাপে ধাপে এর পরিধি বাড়াতে চায় টেলিটক।

আরও পড়ুন:
বন্যার্তদের টেলিটকের ১৫ মিনিট ফ্রি টক টাইম
গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বললেন টেলিটকের এমডি
একনেকে ২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রকল্প: মেয়াদ ও ব্যয় তৃতীয় দফা বাড়ল
নতুন সড়ক নয়, রক্ষণাবেক্ষণে জোর প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
5G launched in India in October

ভারতে ফাইভজি চালু অক্টোবরে

ভারতে ফাইভজি চালু অক্টোবরে ফাইভজি ভিআর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দেবে। ছবি: সংগৃহীত
১০ আগস্টের মধ্যেই ৫জি স্পেকট্রাম বরাদ্দ শেষ হবে এবং অক্টোবরেই ভারতে ফাইভজি চালু হতে যাচ্ছে। ফাইভজি চালু হলে দেশের টেলিকম সার্ভিসের মান আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দেশটির টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ভারতের সবচেয়ে বড় ফাইভজি নিলামের স্পেকট্রামের নিলাম সম্পন্ন হয়েছে। সাত দিনে ৪০ রাউন্ড বিডিংয়ে ১.৫ লাখ কোটি রুপির ওপর দর এসেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৮ হাজার ৭৮ কোটি রুপি ব্যয় করেছে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স জিও। ৪ আবেদনকারীর মধ্যে প্রিমিয়াম ৭০০ মেগাহার্টজের ব্যান্ড স্পেকট্রাম অর্জনকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স জিও।

ভারতের টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এমনটাই জানিয়েছেন।

এ ছাড়া তিনি আরও জানিয়েছেন, ১০ আগস্টের মধ্যেই ৫জি স্পেকট্রাম বরাদ্দ শেষ হবে এবং অক্টোবরেই দেশটিতে ফাইভজি চালু হতে যাচ্ছে।

ফাইভজি চালু হলে দেশের টেলিকম সার্ভিসের মান আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ভারত সরকার আশা করছে, উচ্চগতির ফাইভজি মোবাইল ইন্টারনেট দেশটির জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফাইভজিতে প্রতি সেকেন্ডে ডাউনলোড স্পিড ১০ থেকে ৫০ গিগাবাইট। ফোরজিতে এই গতি ১০ থেকে ২০ মেগাবাইট। অর্থাৎ ফোরজির চেয়ে ফাইভজির গতি ১০০ থেকে ২৫০ পর্যন্ত গুণ বেশি।

ফলে ফাইভজিতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি, যানবাহন চালানো, রোবট দিয়ে অস্ত্রোপচার, রোবটের কাজ, ড্রোন দিয়ে কৃষিকাজ, ভিআর গেইমিং, এআর, আইওটির ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব।

আরও পড়ুন:
ঘরে ৫০ কোটি রুপি, ‘জানতেনই না’ অর্পিতা
প্রশিক্ষণে বিধ্বস্ত ভারতীয় যুদ্ধবিমান, দুই পাইলট নিহত
ভারতে সংসদ চত্বরে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্যদের অবস্থান
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ক্লিন সুইপ ভারতের
শুধু আমি না, পার্থর আরও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী আছে: অর্পিতা

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Registration for ICT Olympiad Bangladesh has started

আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের নিবন্ধন শুরু

আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের নিবন্ধন শুরু দেশে আইসিটি অলিম্পিয়াডের ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা। ছবি: সংগৃহীত
আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের ঘোষণা দেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতা আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রাজধানীর কেআইবি কনভেনশন হলে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের ঘোষণা দেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথ ধরে তার সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে ডিজিটালে রূপান্তরিত করছেন। তরুণদের মাঝে বিশ্বমানের আইটি জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ তার প্রয়াস রাখবে।

এ সময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন দেশের আইসিটি, শিক্ষা ও গবেষণা খাতের অনেক ব্যক্তি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক ড. দেওয়ান মো. হুমায়ূন কবির, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. সাজ্জাদ হোসেন, ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার, উইয়ের প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার নিশা, বিসিএস সভাপতি সুব্রত সরকারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সারা দেশ থেকে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী এই আয়োজনে অংশ নেন।

ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট ও হুইসেলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার নলেজ পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে ই-লার্নিং প্রতিষ্ঠান ব্রাইট স্কিলস।

স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা মোট ছয়টি ক্যাটাগরিতে অংশ নিতে পারবেন।

প্রতিযোগীদের জন্য সর্বমোট প্রাইজমানি থাকছে ৫০ লাখ টাকা। প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশনের পর থেকে পাঁচ মাস শিক্ষার্থীরা মেন্টরদের মাধ্যমে নিজেদের আইসিটি জ্ঞানকে প্রসারিত করার সুযোগ পাবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যাতে অংশগ্রহণ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকছে আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের বুথ।

গভর্নিং বডির সদস্য ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোহাম্মদ শাহরিয়ার খান বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে আমাদের শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী করার জন্য এই প্রতিযোগিতাটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

আরেক সদস্য আরেফিন দিপু বলেন, ‘চলতি বছরের শুরুতেই শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের শুভ সূচনা করেন। তার পর থেকেই সারা দেশে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইসিটি বিষয়ে মেন্টরিং কার্যক্রম চলত। এবার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরুর মাধ্যমে এই কার্যক্রমের পূর্ণতা পেল।’

গভর্নিং বডির সদস্য ও ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের সিইও মনির হোসেন বলেন, ‘প্রি-স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বত্র আইসিটি শিক্ষাকে জনপ্রিয় করতেই আমাদের এই আয়োজন। শুধু শিক্ষার্থী নয়, অভিভাবকও এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আইসিটি শিক্ষাকে ভালোবাসুক। এই শিক্ষা তার সন্তানদের সঙ্গে সঙ্গে সমাজেও ছড়িয়ে দিক।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Huaweis ICT Academy in Khulna Engineering for students

শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি

শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠায় হুয়াওয়ে ও কুয়েটের সমঝোতা স্মারক সই করেন কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
এই অ্যাকাডেমি প্রথমে কুয়েটের শিক্ষকদের হুয়াওয়ের সার্টিফাইড ট্রেইনার হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষিত করবে। এরপর আইসিটি অ্যাকাডেমির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সর্বাধুনিক আইসিটি প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক জ্ঞানে আরও বেশি দক্ষ করে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একটি আইসিটি অ্যাকাডেমি চালু করবে শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো, পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

এ নিয়ে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কুয়েট ও হুয়াওয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়।

এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আযহারুল হাসান, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান ভুঁইয়া, ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. পল্লব কুমার চৌধুরী, হুয়াওয়ে বাংলাদেশের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন, পাবলিক রিলেশন্স ম্যানেজার তৌহিদুল হাসান এবং অন্যরা।

এই চুক্তির অধীনে কুয়েটে একটি বিশেষ ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং হুয়াওয়ের নিজস্ব আই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ট্রেনিং ম্যাটেরিয়াল ও কোর্স প্রদান করবে।

এই অ্যাকাডেমি প্রথমে কুয়েটের শিক্ষকদের হুয়াওয়ের সার্টিফাইড ট্রেইনার হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষিত করবে। এরপর আইসিটি অ্যাকাডেমির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সর্বাধুনিক আইসিটি প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আযহারুল হাসান বলেন, ‘ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ও সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই আইসিটি ট্যালেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের আইসিটি ইকোসিস্টেমে হুয়াওয়ে নানাভাবে অবদান রেখেছে। আমি বিশ্বাস করি, হুয়াওয়ে কুয়েট আইসিটি অ্যাকাডেমি আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন বলেন, ‘ডিজিটালাইজেশনের সাথে সম্পর্কিত লক্ষ্য পূরণ করতে বাংলাদেশকে সার্বিক সহায়তা করতে সব সময় প্রস্তুত হুয়াওয়ে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, একটি শক্তিশালী আইসিটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। এ জন্য একটি ইকোসিস্টেম তৈরির মাধ্যমে আইসিটি বিষয়ে মেধাবী তরুণদের দক্ষ করে তুলতে সরকার ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে যাচ্ছে হুয়াওয়ে।’

হুয়াওয়ে ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী স্কুল-এন্টারপ্রাইজ কো-অপারেশন প্রকল্প হিসেবে আইসিটি অ্যাকাডেমি চালু করে। বর্তমানে পাকিস্তান, জাম্বিয়া ও চীনসহ বিশ্বজুড়ে ৯০টির বেশি দেশে হুয়াওয়ের পরিচালনায় দেড় হাজারের বেশি আইসিটি অ্যাকাডেমি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ উদ্যোগের সাথে সব মিলিয়ে ৯২৭টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সম্পৃক্ত।

মন্তব্য

p
উপরে