× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Realme 9 Pro 5G is coming to the market
hear-news
player
print-icon

রিয়েলমি ৯ প্রো ৫জি আসছে বাজারে

রিয়েলমি-৯-প্রো-৫জি-আসছে-বাজারে
ফোনটির বিশেষত্ব হলো এই প্রাইজ সেগমেন্টের মধ্যে প্রথমবারের মতো এতে যুক্ত করা হয়েছে সনি আইএমএক্স৭৬৬ ওআইএস সেন্সরসহ প্রধান ক্যামেরা, যা শুধু ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতে পাওয়া যায়।

সনি আইএমএক্স৭৬৬ ওআইএস ক্যামেরা সম্বলিত নম্বর সিরিজের সবশেষ ৯ প্রো ৫জি সিরিজ দেশের বাজারে আনতে যাচ্ছে রিয়েলমি। ১৯ জুলাই দেশের বাজারে ছাড়া হবে ফোনটি।

৫জি প্রসেসরের সঙ্গে এই সিরিজের দুইটি ডিভাইস। একটি ৯ প্রো প্লাস এবং অন্যটি ৯ প্রো, থাকছে ফ্ল্যাগশিপ ক্যামেরা।

স্মার্টফোন খাতের সেরা ফিচারসহ এই দুটি ডিভাইস তরুণদের কাজের পারফরম্যান্স ও জীবনযাত্রাকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিন স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরও আসছে রিয়েলমি প্যাড মিনি।

লাইভ লঞ্চ ইভেন্টে অংশ নিয়ে থাকছে রিয়েলমি ৯ প্রো প্লাস জিতে নেয়ার সুযোগ। এজন্য https://cutt.ly/BLbpSPv-এই ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বলা হয়েছে।

ফোনটির বিশেষত্ব হলো এই প্রাইজ সেগমেন্টের মধ্যে প্রথমবারের মতো এতে যুক্ত করা হয়েছে সনি আইএমএক্স৭৬৬ ওআইএস সেন্সরসহ প্রধান ক্যামেরা, যা শুধু ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতে পাওয়া যায়।

এর ১/১.৫৬ ইঞ্চির সেন্সর আগের জেনারেশনের ফোনের তুলনায় ৬৩.৮ শতাংশ বেশি আলো ধারণ করবে, যা প্রতিটি ছবিকে করে তুলবে আরও উজ্জ্বল এবং নিখুঁত।

৫জি পারফরমেন্সকে শক্তিশালী করতে ৯ প্রো প্লাস ফোনে থাকছে শক্তিশালী মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯২০ ফাইভজি প্রসেসর। ফোনটির সুপার স্মুথ ৯০ হার্টজ সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতাকে দেবে অনন্য মাত্রা।

এ ছাড়াও, স্মার্টফোনটি রিয়েলমির প্রথম ফোন যাতে সূর্যোদয় থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া লাইট শিফট ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটির লাইট শিফট স্লিম ডিজাইনের কারণে এটি সূর্যের আলো বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মির সংস্পর্শে আসা মাত্র রঙ পরিবর্তন করবে।

ব্যবহারকারীদের গেমিং ও মুভি দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে ফোনটিতে থাকছে সুপার ডার্ট চার্জার এবং ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার। রিয়েলমি দাবি করছে, এ বছর লঞ্চ হওয়া ফোনগুলোর মধ্যে এটি হতে যাচ্ছে বাজারের অন্যতম সেরা স্মার্টফোন।

অন্যদিকে, স্মার্টফোনকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে রিয়েলমি ৯ প্রোতে থাকছে ১২০ হার্টজ আলট্রা স্মুথ ডিসপ্লের সঙ্গে স্ন্যাপড্রাগন ৬ সিরিজের ফাইভজি প্রসেসর। সঙ্গে থাকছে ফ্ল্যাগশিপ নাইটস্কেপ ক্যামেরা।

ফোনটিতে রয়েছে ডার্ট চার্জ সাপোর্টের ব্যাটারি, এতে করে ব্যবহারকারীরা বিরামহীনভাবে কনটেন্ট দেখতে বা গেমিং করতে পারবেন। রিয়েলমি ৯ প্রো প্লাস ও ৯ প্রো দুটি ফোনই প্রযুক্তিপ্রেমীদের পরিপূর্ণ ৫জির অভিজ্ঞতা দেবে বলেও জানিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।

যাদের বড় স্ক্রিন প্রয়োজন তাদের প্রতিদিনের ব্যবহারে ৭.৬ মিলিমিটার আলট্রা-স্লিম ইউনিবডি ডিজাইনের রিয়েলমি প্যাড মিনিতে থাকছে বিশাল ডিসপ্লে। সারাদিন চার্জার বয়ে বেড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্ত করতে প্যাড মিনিতে থাকছে ৬ হাজার ৪০০ মিলি অ্যাম্পায়ারের বিশাল ব্যাটারি। সঙ্গে থাকছে শক্তিশালী প্রসেসর। ফলে বিরামহীনভাবে গান শোনা বা মুভি দেখায় কোনো বাধা নেই।

রিয়েলমি আগামী ৩ বছরের মধ্যে তরুণ ব্যবহারকারীদের কাছে ১০ কোটি ৫জি ফোন সরবরাহের লক্ষ্যে ৫জি পণ্যের এক বিস্তৃত পোর্টফোলিও তৈরিতে কাজ করছে। রিয়েলমি তাদের উন্নত ‘১+৫+টি’ কৌশলের সঙ্গে এআইওটি ২.০ বিকাশের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এর ফলে সাশ্রয়ী মূল্যের ৫জি ফোন ছাড়াও রিয়েলমি তরুণ প্রজন্মের ক্রেতাদের জন্য আরও অনেক এআইওটি পণ্য বাজারে নিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন:
রিয়েলমির স্মার্টফোন ঈদ অফার
দারাজে রিয়েলমির স্টাইলিশ নারজো ৫০এ প্রাইম
তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 
দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়
রিয়েলমি নিয়ে এলো জিটি নিও ৩ নারুতো এডিশন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Duolingo English course launched for Bengali speakers

বাংলাভাষীদের জন্য ডুয়োলিঙ্গোর ইংরেজি কোর্স চালু

বাংলাভাষীদের জন্য ডুয়োলিঙ্গোর ইংরেজি কোর্স চালু
ডুয়োলিঙ্গোর মুখপাত্র করণদীপ সিং কাপানি বলেন, ‘এখানে ইংরেজি শেখাকে সাধারণত খুব কঠিন মনে করা হয়। অথচ সে তুলনায় ইংরেজি ভাষা অনেক সহজ। ইন্টারনেট ও ডিজিটালাইজেশনের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বিশাল বাজারে আমাদের সেবা সম্প্রসারণের জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।’

পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা শিক্ষা অ্যাপ ডুয়োলিঙ্গো তাদের প্ল্যাটফর্মে বাংলাভাষীদের জন্য প্রথমবারের মতো চালু করল ইংরেজি ভাষা শিক্ষা। এই অ্যাপ বাংলায় ব্যবহার করে সহজে ইংরেজি শেখা যাবে।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যে কোনো বাংলাভাষী মানুষ এখন থেকে ডুয়োলিঙ্গো অ্যাপে বিনামূল্যে ইংরেজি শিখতে পারবেন। অ্যাপটি আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড ও ওয়েব থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

ডুয়োলিঙ্গোর লক্ষ্য হল, বাংলায় ইংরেজি শেখার এই অ্যাপ বাংলাদেশ ও ভারতে বসবাসকারী ৩০ কোটি বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য করা। এর কোর্স ম্যাটেরিয়ালগুলো গ্যামিফায়েড ও ইন্টার-অ্যাক্টিভ, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ মজার হবে।

ডুয়োলিঙ্গোর মুখপাত্র করণদীপ সিং কাপানি বলেন, ‘এখানে ইংরেজি শেখাকে সাধারণত খুব কঠিন মনে করা হয়। কিন্তু অনেকেই এটা বোঝে না যে স্থানীয় উপমহাদেশীয় ভাষাগুলো অনেক বেশি জটিল। সে তুলনায় ইংরেজি ভাষা অনেক সহজ। ইন্টারনেট ও ডিজিটালাইজেশনের উত্তেরোত্তর চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বিশাল বাজারে আমাদের সেবা সম্প্রসারণের জন্য আমরা মুখিয়ে আছি। কেননা এভাবে আমরা আরও বেশি আঞ্চলিক ও স্থানীয় ভাষার সঙ্গে যুক্ত হতে পারব।’

ডুয়োলিঙ্গোতে ইংরেজি শেখা অনেকটা গেমস খেলার মতো। ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধাপে পয়েন্ট অর্জন করবেন ও পরবর্তী ধাপে পৌঁছাবেন। এর মাধ্যমে ইংরেজিটা শেখা হয়ে যায়। অধ্যায়গুলো ‘বাইট-সাইজড’, অর্থাৎ ছোট ছোট ধাপ। এগুলো সম্পাদন করতে আলাদা করে সময় বের করে পড়তে বসতে হবে না। দৈনন্দিন কাজের মাঝেই পড়া, লেখা, বলা ও শোনার কাজটি করা যাবে।

অ্যাপটিতে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে শিক্ষাথী‍র্দের ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুসারে পাঠক্রম দেয়া হবে। এতে ব্যবহারকারীদের শেখানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় A/B টেস্টিং মেথড ব্যবহার করা হয়েছে।

মন্তব্য

সিগন্যালেও সাবধান!

সিগন্যালেও সাবধান! থার্ড পার্টি সার্ভিস প্রোভাইডারের জন্য সিগন্যাল অ্যাপেও তৈরি হয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত
সিগন্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে হ্যাকাররা কোনো মেসেজ হিস্টোরি পাবে না, প্রোফাইলের কোনো তথ্য দেখতে পারবে না, এমনকি কনটাক্ট লিস্টও দেখতে পারবে না। তবে হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট রি-রেজিস্টার করে সেই নম্বর থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবে এবং রি-রেজিস্টারের পর নতুন মেসেজ পড়তে পারবে এবং তার ভিকটিমের ছদ্মবেশ নিতে পারবে।

পিয়ার টু পিয়ার যোগাযোগের জন্য যেই এনক্রিপ্টেড মেসেজিং সার্ভিস সিগন্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে নিরাপদ ভাবা হতো, এখন দেখা যাচ্ছে সেই সিগন্যাল অ্যাপও হ্যাক করা সম্ভব।

সরাসরি সিগন্যাল অ্যাপ হ্যাকের ঘটনা না ঘটলেও গত সপ্তাহে হ্যাকাররা তুইলিওর সিস্টেম হ্যাক করতে সক্ষম হয়।

তুইলিও মূলত ক্লাউড কমিউনিকেশন কোম্পানি যারা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে অটোমেটিক ভেরিফিকেশন মেসেজের সার্ভিস দিয়ে থাকে।

একজন ব্যবহারকারী যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশনে অ্যাকাউন্ট খোলে তখন তার ফোন নাম্বার অথবা মেইল নিশ্চিত হওয়ার জন্য মোবাইলে অথবা মেইলে একটি ভেরিফিকেশন মেসেজ যায়। মূলত সেই ভেরিফিকেশন মেসেজের সার্ভিসটাই দিয়ে থাকে ‘তুইলিও’। আর তুইলিওর ক্লায়েন্ট লিস্টে ‘সিগন্যাল’ও রয়েছে।

এখন হ্যাকাররা তুইলিও হ্যাক করতে সক্ষম হওয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে সিগন্যাল, কারণ হ্যাকাররা যদি সিগন্যাল ব্যবহারকারীকে ভেরিফিকেশন মেসেজই পাঠাতে সক্ষম হয়, তাহলে অবশ্যই ভেরিফিকেশন মেসেজও তারা পড়তে পারবে, যা হ্যাকারকে সিগন্যাল ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার সুযোগ করে দেবে।

এরই মধ্যে সিগন্যাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হ্যাকাররা সিগন্যাল ব্যবহারকারীদের ১ হাজার ৯০০ অ্যাকাউন্ট হ্যাকের চেষ্টা করেছে।

তবে হ্যাকের ঝুঁকি থাকলেও সেই অর্থে হ্যাকারদের তেমন কোনো ডাটা পাওয়ার উপায় নেই। এমনকি ভিকটিমের ফোন নম্বর দিয়ে সিগন্যাল অ্যাকাউন্ট খুললেও হ্যাকাররা খুব একটা তথ্য পাবে না।

সিগন্যাল অ্যাপ্লিকেশনকে এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে হ্যাকাররা কোনো মেসেজ হিস্টোরি পাবে না, প্রোফাইলের কোনো তথ্য দেখতে পারবে না, এমনকি কনটাক্ট লিস্টও দেখতে পারবে না।

সিগন্যাল জানিয়েছে, মেসেজ হিস্টোরি শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর ফোনেই জমা হয়, সিগন্যাল এর কোনো কপি রাখে না। কনটাক্ট লিস্ট, প্রোফাইলের তথ্যের বিষয়েও একই কথা প্রযোজ্য।

তবে আশঙ্কার বিষয়টি হলো, হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট রি-রেজিস্টার করে সেই নাম্বার থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবে এবং রি-রেজিস্টারের পর নতুন মেসেজ পড়তে পারবে এবং হ্যাকার তার ভিকটিমের ছদ্মবেশ নিতে পারবে।

আরও পড়ুন:
অন্যের পণ্য ‘লোভনীয় ছাড়ে’ বিক্রি করছে হ্যাকাররা!
মোদীর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাকারের কবলে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
ViewSonic Gaming Monitor has been launched in the virtual metaverse in the country

দেশে ভার্চুয়াল মেটাভার্সে উন্মোচন হলো ভিউসনিক গেইমিং মনিটর

দেশে ভার্চুয়াল মেটাভার্সে উন্মোচন হলো ভিউসনিক গেইমিং মনিটর
ভিউসনিকের পেশাদার গেইমিং মনিটর একটি ভার্চুয়াল লঞ্চিং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। এসব মনিটরে আছে সবশেষ হালনাদাগ করা আইপিএস ডিসপ্লে, যা অসাধারণ কালার এবং কনট্রাস অভিজ্ঞতা দেবে।

বিশ্বব্যাপী অসাধারণ ভিজ্যুয়াল সল্যুশনের জন্য পরিচিত এবং সুনামধন্য ব্র্যান্ড ভিউসনিক মেটাভার্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি তাদের সর্বশেষ মডেলের গেইমিং মনিটর ও ডিসপ্লে প্রোডাক্ট বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচন করেছে।

ভিউসনিকের পেশাদার গেইমিং মনিটর একটি ভার্চুয়াল লঞ্চিং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। এসব মনিটরে আছে সবশেষ হালনাদাগ করা আইপিএস ডিসপ্লে, যা অসাধারণ কালার এবং কনট্রাস অভিজ্ঞতা দেবে।

এ ছাড়া মিলবে আল্ট্রা স্মুথ, ইমারসিভ এবং কম ল্যাটেন্সিতে গেইমিং করার অভিজ্ঞতা।

উন্মোচন অনু্ষ্ঠানে ভিউসনিক এলিট সিরিজের প্রিমিয়াম গেইমিং মনিটর নিয়ে আলোচনা করা হয়। এলিট এক্সজি৩২০ইউ গেইমিং মনিটরের ফিচার হিসেবে আছে ৩২ ইঞ্চির পিক্সেল-ডেন্স ফোরকে ইউএইচডি স্ক্রিনের সঙ্গে কোয়ান্টাম ডট টেকনোলজি এবং হাইপর রেসপন্সসিভ ১৫০ হার্জ রিফ্রেশ রেটসহ আল্ট্রা-স্মুথিং গেইমপ্লে।

এলিট এক্সজি২৫১জি স্লিক ২৫ ইঞ্চির গেইমিং মনিটরে আছে ফুল এইচডি আইপিএস প্যানেল, সঙ্গে প্রো লেভেলের ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের সঙ্গে ভিইএসএ ডিসপ্লেএইচডিআর ৪০০।

এ ছাড়া উন্মোচন করা হয়েছে স্বল্প বাজেটের ভিউসনিক ওমনি সিরিজের গেইমিং মনিটর। এর মধ্যে রয়েছে এক্সজি২৪৩১ গেইমিং মনিটর, এতে রয়েছে ২৪ ইঞ্চির আল্ট্র স্মুথিং ২৪০ হার্জ ফুল এইচডি ফাস্ট-আইপিএস ডিসপ্লে, সঙ্গে রয়েছে ভিইএসএ ডিসপ্লে এইচডিআর ৪০০। এক্সজি২৭০৫ গেইমিং মনিটরটি ২৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে এবং এতে রয়েছে ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট।

ভিএক্স২৪০৫-পি-এমএইচডি গেইমিং মনিটরটি ২৪ ইঞ্চির ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লের এবং রয়েছে ১৪৪ হার্জ র‍্যাপিড রিফ্রেশ রেট। ভিএক্স৩৪১৮-২কেপিসি আল্ট্রওয়াইড কার্ভড গেইমিং মনিটরও এনেছে ভিউসনিক। এর ডিসপ্লে ৩৪ ইঞ্চির ২১:৯ অনুপাতের আল্ট্রওয়াইড, রয়েছে র‍্যাপিড ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট এবং ১৫০০আর কার্ভড ইমারসিভ স্ক্রিন।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে দক্ষিন এশিয়ার ৪০ জনের বেশি ইনফ্লুয়েন্সার যুক্ত ছিলেন, যাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় গেইম স্ট্রিমার এবং প্রযুক্তি রিভিউয়ার। তারা তাদের ভার্চুয়াল চরিত্রগুলোর মাধ্যমে নন-ফাঞ্জিবল টোকেন হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন।

বাংলাদেশি ইনফ্লুয়েন্সার রাফসান দ্য ছোটভাই (ইফতেখার রাফসান) মেটাভার্স ভার্চুয়াল চরিত্রের মাধ্যমে ভিউসনিকের অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিউসনিকের কান্ট্রি ম্যানেজার ফর অল এমারজিং মার্কেটস ড্যারেন লো, সিনিয়র সেলস ম্যানেজার ফর বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কাম্বোডিয়া এবং ফিলিপিন্স জেমস সাও এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ফর বাংলাদেশের গোলাম কিবরিয়া মেটাভার্সের মাধ্যমে অংশ নেন।

ভিউসনিকের এমার্জিং মার্কেটসের কান্ট্রি ম্যানেজার ড্যারেন লো বলেন, ‘আমরা মেটাভার্সে প্রবেশ করে এবং সবশেষ ভিউসনিকের পণ্য আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রদর্শন করতে পেরে আনন্দিত। আমরা আমাদের পণ্যের মাধ্যমে ক্রেতাদের তাদের দেখার অভিজ্ঞতাকে অনন্য করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নত করতে কাজ করছি।’

মেটাভার্সে উন্মোচিত ভিউসনিকের পণ্যগুলো বাংলাদেশের শীর্ষ কম্পিউটারের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
How the discovery of DNA changed the world of thought of scientists

ডিএনএ আবিষ্কারে যেভাবে পাল্টাল বিজ্ঞানীদের চিন্তার জগৎ

ডিএনএ আবিষ্কারে যেভাবে পাল্টাল বিজ্ঞানীদের চিন্তার জগৎ ডিএনএ-তে সংরক্ষিত তথ্য জীবন্ত কোষে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রাণের গহিনে লুকিয়ে থাকা রহস্য প্রথমবারের মতো উদঘাটিত হতে চলেছে। ছবি: বিবিসি
ডিএনএ থেকে প্রোটিন উৎপাদনের প্রক্রিয়া এতটাই জটিল যে, তা দেখলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে হয়। ফলে যে কারো পক্ষে প্রাণের উৎস কী ব্যাখ্যা করতে যাওয়াটা আরও কঠিন হয়ে পড়ল। কারণ এত জটিল প্রক্রিয়া কীভাবে একা একা শুরু হয়েছিল তা কল্পনা করাটাও বিজ্ঞানীদের জন্য দুরূহ হয়ে উঠল।

বিবিসি আর্থ-এ প্রকাশিত মাইকেল মার্শাল এর লেখা দ্য সিক্রেট অফ হাউ লাইফ অন আর্থ বিগ্যান অবলম্বনে এই লেখা। থাকছে কয়েক পর্বে।

১৯৫০-এর দশকের শুরুর দিকেই বিজ্ঞানীরা ‘আমাদের প্রাণ সরাসরি ঈশ্বরের দান’ বহুদিনের পুরোনো এই ধারণা থেকে সরে আসতে থাকেন। তার পরিবর্তে তারা প্রাণ কীভাবে নিজে নিজেই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হলো সেই রহস্য উন্মোচনে আগ্রহী হয়ে উঠলেন।

যুগান্তকারী ওই পরীক্ষার জন্য অবশ্যই স্ট্যানলি মিলারকে ধন্যবাদ। বিজ্ঞানীরা প্রাণের উৎস অন্বেষণে মিলারের পরীক্ষা থেকে ভবিষ্যৎ গবেষণার রসদ পেয়ে গেলেন।

মিলার যখন ভিন্ন ভিন্ন বস্তু থেকে প্রাণের উপাদান বানাতে ব্যস্ত ছিলেন তখন কিছু বিজ্ঞানী জিন কীসের তৈরি তা খুঁজতে গবেষণারত ছিলেন। এর মধ্যেই বিজ্ঞানীরা প্রাণকোষের অনেক অণুজীবকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন। চিনি, চর্বি, আমিষ, নিউক্লিক অ্যাসিড, যেমন- ডি-অক্সিরিবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা সংক্ষেপে ডিএনএ আবিষ্কার হয়ে গেছে এত দিনে।

আজকে আমরা নিশ্চিতভাবেই জানি ডিএনএ আমাদের জিন বহন করে। কিন্তু ডিএনএ আবিষ্কার ১৯৫০-এর দশকের বিজ্ঞানীদের জন্য একটা বড় আঘাত ছিল। কারণ এর আগে তারা আমিষের জটিল গঠন দেখে সেটাকেই জিন ভেবেছিলেন।

১৯৫২ সালে আলফ্রেড হারশে এবং মার্থা চেস বিজ্ঞানীদের সেই ভুল ভেঙে দেন। তারা ওয়াশিংটনের কার্নেগি ইনস্টিটিউটে শুধু প্রোটিন আর ডিএনএ বহনকারী ক্ষুদ্র ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করছিলেন। পুনরুৎপাদনের জন্য ভাইরাসটি ব্যাকটেরিয়ার মাঝে সংক্রমিত হতে হবে। পরীক্ষায় দেখা গেল সংক্রামক ভাইরাস থেকে শুধু ডিএনএ ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রবেশ করেছে, কিন্তু প্রোটিন বাইরেই রয়ে গেল। ফলে পরিষ্কার করেই বোঝা গেল, ডিএনএ-ই হলো জিন বা বংশগতির মৌলিক উপাদান।

হারশে এবং মার্থা চেস এর এই আবিষ্কারের পর এবার ডিএনএ কীভাবে কাজ করে এবং তার গঠন কেমন তা আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল। পরের বছরই ডিএনএ রহস্যের সমাধান করে ফেললেন কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির ফ্রান্সিস ক্রিক ও জেমস ওয়াটসন। দীর্ঘ পরিশ্রমসাধ্য গবেষণায় তাদের সাহায্য করেন রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন।

তাদের আবিষ্কার ছিল ২০ শতকের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলোর একটি। প্রাণের উৎপত্তির রহস্য সমাধানে চলমান গবেষণার গতিপথও বদলে দিল এই আবিষ্কার। কারণ তাদের এই আবিষ্কার জীবন্ত কোষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা অবিশ্বাস্য এক জটিলতার রহস্য উন্মোচন করে ফেলে।

ক্রিক ও ওয়াটসন বুঝতে পেরেছিলেন ডিএনএ হলো দুটি প্যাঁচানো মইসদৃশ বস্তু, যারা আবার নিজেদের মধ্যেও সর্পিল আকৃতিতে জড়িয়ে থাকে। প্যাঁচানো মইয়ের দুই প্রান্ত নিউক্লিওটাইড নামের মলিকিউল দিয়ে গঠিত। ডিএনএর গঠন ব্যাখ্যা করে কীভাবে আমাদের কোষ ডিএনএকে অনুসরণ করে। অন্যভাবে বলা যায়, ডিএনএ উন্মোচন করে কীভাবে বাবা-মা তাদের জিন বা বংশগতির প্রতিলিপি তৈরি করে এবং পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে তা ছড়িয়ে দেয়।

জীবনের শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ায় বাবা-মা তাদের সন্তানদের মাঝে জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রবাহিত করতে থাকে। ক্রিক ও ওয়াটসন আবিষ্কার করলেন সেই আদি এককোষী ব্যাকটেরিয়া থেকে কীভাবে ধাপে ধাপে বংশগতির প্রতিলিপি তৈরি করে প্রাণিজগৎ আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে।

ক্রিক ও ওয়াটসন ১৯৫৩ সালে তাদের গবেষণালব্ধ এই নতুন জ্ঞানবিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশ করেন। ক্রিক ও ওয়াটসনের আবিষ্কারের ফলে পরের বছরগুলোতে জৈবরসায়নবিদ বিজ্ঞানীরা ডিএনএ ঠিক কী তথ্য বহন করে সেটার আদ্যোপান্ত খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। তারা দেখতে চাইলেন কীভাবে ডিএনএ-তে সংরক্ষিত তথ্য জীবন্ত কোষে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রাণের গহিনে লুকিয়ে থাকা রহস্য প্রথমবারের মতো উদঘাটিত হতে চলেছে।

জানা গেল ডিএনএ-র একটাই কাজ। কোনো কোষের ভেতরে থাকা ডিএনএ সেই কোষকে বলে দেয় কীভাবে প্রোটিন তৈরি করতে হবে। প্রোটিন ছাড়া আপনার খাদ্য হজম হবে না, আপনার হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে এবং আপনি নিঃশ্বাস নিতে পারবেন না।

কিন্তু ডিএনএ থেকে প্রোটিন উৎপাদনের প্রক্রিয়া এতটাই জটিল যে, তা দেখলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে হয়। ফলে যে কারো পক্ষে প্রাণের উৎস কী ব্যাখ্যা করতে যাওয়াটা আরও কঠিন হয়ে পড়ল। কারণ এত জটিল প্রক্রিয়া কীভাবে একা একা শুরু হয়েছিল তা কল্পনা করাটাও বিজ্ঞানীদের জন্য দুরূহ হয়ে উঠল।

প্রতিটি প্রোটিনই মূলত অ্যামাইনো অ্যাসিডের বিশাল শিকল এবং একটা বিশেষ শৃঙ্খলার বাঁধনে তারা পরস্পরের সঙ্গে আবদ্ধ। অ্যামাইনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণ করে দেয় প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক আকার এবং এর কাজ।

সর্পিল ডিএনএর ভেতরে প্রাণের প্রয়োজনীয় তথ্য সাংকেতিক আকারে লিপিবদ্ধ থাকে। সুতরাং যখন একটা কোষকে কোনো নির্দিষ্ট প্রোটিন সৃষ্টি করতে হয় তখন সে অ্যামাইনো অ্যাসিডের শিকলের নাগাল পেতে তার ডিএনএর মধ্যে সংরক্ষিত জিন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করতে শুরু করে।

তবে এখানে একটা টুইস্ট আছে। ডিএনএ প্রাণের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোষ ডিএনএকে সংরক্ষণ করতে নিরাপদে জমিয়ে রাখে। যে জন্য কোষ ডিএনএর তথ্যকে প্রতিলিপি করে আরএনএ (রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) অণুতে স্থানান্তর করে। আরএনএ হলো ডিএনএর ক্ষুদ্র অংশ। ডিএনএর তুলনায় আরএনএ অণু ছোট। ডিএনএর সর্পিল মইতে আরএনএর একটা মাত্র সুতার মতো প্রান্ত থাকে। আরএনএর মধ্যে সংরক্ষিত তথ্য প্রোটিনে পরিণত হয় এবং প্রচুর পরিমাণ ‘রাইবোসোম’ প্রোটিন গঠন করে। প্রতিটি জীবিত কোষে এই সৃষ্টি প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এমনকি অতি সাধারণ ব্যাকটেরিয়াও এই প্রক্রিয়ার বাইরে নয়। খাবার ও নিঃশ্বাস নেয়ার মতোই গুরুত্বপূর্ণ এই প্রক্রিয়া।

ফলে প্রাণের উৎস ব্যাখ্যা করতে গেলে আমাদের অবশ্যই ডিএনএ, আরএনএ ও রাইবোসোম প্রোটিন এই তিন উপাদানের জটিল মিথস্ক্রিয়া বুঝতে হবে। কীভাবে তাদের উৎপত্তি হলো, কেমন করেই বা তারা পরস্পর সংগঠিত হয়ে কাজ শুরু করে। এই আবিষ্কারের পর প্রথম প্রাণ গঠিত হয়েছিল আরএনএ দিয়ে এই ধারণা বিজ্ঞানে খুব প্রভাবশালী তত্ত্ব হিসেবে হাজির হয়।

ক্রিক ও ওয়াটসনের এই আবিষ্কারের পর হঠাৎ করেই যেন ওপারিন ও হালডেনের ধারণা সাদামাটা প্রতীয়মান হয়ে গেল। একই সঙ্গে মিলারের যে যুগান্তকারী পরীক্ষার মাধ্যমে উৎপন্ন হয়েছিল অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা দিয়ে প্রোটিন সৃষ্টি সম্ভব; সেটাকেও মনে হলো অসম্পূর্ণ ও ভাসাভাসা।

জন সাদারল্যান্ড বলেন, ‘ডিএনএ থেকে আরএনএ, আরএনএ থেকে প্রোটিন, জিনের ভেতরে এই যে জটিল রাসায়নিক কাণ্ড-কারখানা তা আমাদের বিস্ময়ে বিমূঢ় করে দেয়। আমাদের ভাবিয়ে তোলে, কীভাবে আমরা প্রাণকোষের ভেতরে থাকা এই উপাদানগুলো প্রাণশূন্য বস্তু থেকে একসঙ্গে সৃষ্টি করে দেখাব এবং প্রমাণ হাজির করব যে, এই যে এভাবেই প্রাণের উৎপত্তি হয়েছিল পৃথিবীতে?

এ পর্যন্ত আলোচিত বিজ্ঞানীরা যদি ধরি প্রাণের উৎস গবেষণার রাস্তা তৈরি করেছেন তাহলে ব্রিটিশ রসায়নবিদ লেজলি ওরগেলকে বলতে হবে প্রথম বিজ্ঞানী, যিনি সেই রাস্তায় হাঁটা শুরু করেন। লেজলি ওরগেলই প্রথম ক্রিক এবং ওয়াটসনের ডিএনএর মডেল নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে লিখিত এক গবেষণাপত্রে তিনি দাবি করেন, প্রাণের শুরুতে প্রোটিন বা ডিএনএ কিছুই ছিল না। প্রাণ সৃষ্টি হয়েছিল পুরোপুরি আরএনএ দিয়ে এবং ফ্রান্সিস ক্রিক নিজেও ওরগেলের এই দাবিকে সমর্থন করেন।

ওরগেলের দাবি যদি সঠিক হয়, তাহলে প্রথম আরএনএ মলিকিউলের অবশ্যই অভিযোজন ক্ষমতা থাকতে হবে এবং তাকে নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করতে পারতে হবে।

প্রাণের যাত্রা শুরু হয়েছিল আরএনএ দিয়ে- এই ধারণা এখন বিজ্ঞানে খুবই প্রভাবশালী তত্ত্ব। কিন্তু জন্ম দিয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক তর্কযুদ্ধের, যেসব আজ অবধি চলছে।

প্রাণের যাত্রা শুরু হয়েছিল আরএনএ দিয়ে, এই দাবি করেই ওরগেল ক্ষান্ত হননি, তিনিই সবার আগে প্রস্তাব করেন আরএনএ নিজেকে নিজেই পুনরুৎপাদন করতে পারে, যা প্রাণের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। অন্যভাবে বলা যায় তিনি শুধু প্রাণ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল সেটাই বলেননি, প্রাণ আসলে কী- এই প্রশ্নেরই প্রায় সমাধান করে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু এ পর্যায়ে বিজ্ঞানীরা প্রাণের সৃষ্টি রহস্য নিয়ে আবার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলেন।

অনেক জীববিজ্ঞানী ওরগেলের ‘প্রাণ নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে’ দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন। ডারউইনের বিবর্তনবাদের সারাংশ ছিল নিজের অসংখ্য প্রতিলিপি বা সন্তান জন্মদানের মাধ্যমেই শুধু প্রাণী নিজের বংশ রক্ষা করতে পারে।

কিন্তু প্রাণের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলোও সমানভাবে জরুরি মনে হলো। যেমন: প্রাণ বেঁচে থাকার জন্য একটি জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে ঘটতে থাকা রাসায়নিক বা বিপাকীয় প্রক্রিয়াও (মেটাবোলিজম)। বেঁচে থাকতে হলে চারপাশের পরিবেশ থেকে শক্তি সঞ্চয় করতে হয়। আবার অনেক জীববিজ্ঞানী মনে করেন, প্রাণের প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরে চলমান রাসায়নিক বা বিপাকীয় প্রক্রিয়া (মেটাবোলিজম) এবং প্রাণের নিজের প্রতিলিপি তৈরি করার ক্ষমতার (বংশগতি বা জীন) উদ্ভব হয়েছে অনেক পরে। এখান থেকেই বিতর্ক ও বিভক্তির শুরু।

১৯৬০ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে গবেষণায় দুই দলে বিভক্ত। ‘জীব কোষের ভেতরে চলমান রাসায়নিক বা বিপাকীয় প্রক্রিয়া নাকি বংশগতি তথা নিজের প্রতিলিপি তৈরি করার সক্ষমতা প্রথমে সৃষ্টি হয়েছে’ এই প্রশ্নই বিজ্ঞানীদেরকে দুই ভাগে বিভক্ত করে দেয়।

তৃতীয় আরেকদল বিজ্ঞানী বললেন, প্রাণ সৃষ্টিতে প্রথমেই জীব কোষের উপাদানগুলোকে জড়ো হতে হয়েছে। উপাদানগুলো জড়ো হওয়া ছাড়া কোষের ভেতরে চলমান রাসায়নিক বা বিপাকীয় প্রক্রিয়াও শুরু হওয়া সম্ভব নয়। তাদের মতে প্রাণ সৃষ্টিতে প্রথমেই একটি কোষের প্রয়োজন, যে কোষের কথা ওপারিন এবং হালডেন কয়েক দশক আগেই জোরালোভাবে বলে গেছেন। যা হয়তো চর্বি জাতীয় স্বচ্ছ তরল পর্দায় আবৃত ছিল।

প্রাণের উৎপত্তি সংক্রান্ত এই তিনটি ধারণা নিয়ে আজও বিজ্ঞানীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক এবং গবেষণাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বিজ্ঞানীরা নিজেদের ধারণার স্বপক্ষে নিরন্তর গবেষণা করছেন, এমনকি অনেক সময় অন্ধভাবে নিজেদের মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনও করছেন। প্রায়ই দেখা যায় একদল বিজ্ঞানী আত্মপক্ষ সমর্থন করে অন্য বিজ্ঞানীদেরকে নির্বোধ বলতেও দ্বিধা করছেন না। ফলে প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে বিজ্ঞানসভার বিতর্ক সাংবাদিকদের পত্রিকার চটকদার কলাম আর সাধারণ পাঠকদের মুখরোচক গল্পেও পরিণত হয়েছে।

ওরগেলকে ধন্যবাদ। তিনি প্রথম ধারণা দিলেন, বংশগতি নয় বরং প্রাণের যাত্রা শুরু হয়েছিল আরএনএ দিয়ে। তারপর এলো ১৯৮০-র দশক, জীব বিজ্ঞানের চমক লাগানো আবিষ্কারের যুগ। যার ফলে আরএনএ তত্ত্ব আরও জোরালো হলো।

লেখক: সাংবাদিক

[email protected]

পরের পর্বে থাকছে: নিজের প্রতিরূপ সৃষ্টিতে সক্ষম প্রথম অণুজীবের সন্ধানে

আরও পড়ুন:
পৃথিবীতে প্রাণ রহস্যের সমাধান আর কতদূর?
‘সূর্যই ঘুরছে পৃথিবীর চারদিকে’, আমানতের দাবি কেন ভুল
‘ক্রিস্টাল পৃথিবীতে’ ব্যাখ্যাতীত সব রহস্যের সমাধান!

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
After 52 years NASAs rocket will go to the moon

৫২ বছর পর নাসার রকেট ছুটবে চাঁদে

৫২ বছর পর নাসার রকেট ছুটবে চাঁদে ফ্লোরিডার লঞ্চিংপ্যাড কেনেডি স্পেস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ রকেটটিকে। ছবি: নাসা
আর্টেমিস প্রোগ্রামের আওতায় এসএলএস রকেটটি চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে ২৯ আগস্ট। ফ্লোরিডা থেকে যাত্রা শুরু হবে মনুষ্যবিহীন রকেটটির।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী রকেট ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ বা এসএলএস চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে ২৯ আগস্ট।

আর্টেমিস প্রোগ্রামের আওতায় ফ্লোরিডা থেকে যাত্রা শুরু হবে মনুষ্যবিহীন রকেটটির।

৫২ বছর আগে ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো ১১ অভিযানের মাধ্যমে প্রথম চাঁদে মানুষ পাঠায় নাসা। ওই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নিল আর্মস্ট্রং প্রথম চাঁদে পা রাখেন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ১২ নভোচারী চাঁদে হাঁটতে সক্ষম হন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভিহিকেল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লঞ্চিংপ্যাড কেনেডি স্পেস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ৩৩২ ফুট লম্বা ৩৫ লাখ পাউন্ড ওজনের রকেটটিকে। পরীক্ষার সময়, রকেটের মূল অংশে মাত্র সাত সেকেন্ডে দেড় মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি শক্তি তৈরি করা গেছে।

গ্রিক দেবী আর্টেমিসের নামে রাখা এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য এসএলএস রকেটের ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখা। মহাকাশে অতি গতির ঘর্ষণ এবং তীব্র গরমের আঘাত সয়ে যেতে সাড়ে ১৬ ফুট পুরু তাপ-নিরোধক হিটশিল্ড রয়েছে এতে। ফলে এটি পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসার কঠিন যাত্রা সইতে পারবে।

নাসার পরিচালিত বাণিজ্যিক স্পেসফ্লাইট কোম্পানিগুলোর এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মানুষ পাঠানো হবে।

নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘মহাকাশ বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান চালাতে আর্টেমিস-ওয়ান সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি ক্রুসহ আর্টেমিস-টু পাঠানোর আগে পর্যাপ্ত তথ্য দেবে এটি। এ ছাড়া চাঁদে মানুষের অবস্থানের ক্ষমতা সম্প্রসারণেও আর্টেমিস-ওয়ান সহায়তা করবে।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Supermodel Bella Hadid is now in NFT

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ। ছবি: সংগৃহীত
২৫ বছর বয়সী আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদের পা এবার ক্যাটওয়াক থেকে মেটাভার্সে এসে পড়েছে। সেখানে নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্বের জন্য তার দরকার ছিল এনএফটি অ্যাভাটার।

বেলার মুখ ও শরীরের থ্রিডি স্ক্যানের ওপর ভিত্তি করে CY-B3LLA নামে মেটাভার্স উপযোগী নন ফাঞ্জিবল টোকেনের সিরিজ করা হয়েছে।

২৫ বছর বয়সী বেলা নিউ ইয়র্ক থেকে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
বেলা হাদিদের এনএফটি তৈরিতে থ্রিডি স্ক্যানার ব্যবহার হয়েছে

বেলা হাদিদের সিরিজ এনএফটি-গুলো তৈরি করেছে ১০টি দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা।

তবে এই এনএফটিগুলো ঠিক কবে নাগাদ নিলামে তোলা হবে কিংবা আদৌ হবে কি না তা জানাননি বেলা।

মেটাভার্স নিয়ে আশাবাদী বেলা বলেন, ‘আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।’

এনএফটি কী?

এনএফটির পূর্ণরূপ ‘নন ফাঞ্জিবল টোকেন’। ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইমিউটেবল লেজারে যুক্ত হওয়ায় এনএফটি যেকোনো ডিজিটাল অ্যাসেটের ওপর একজন ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা দেয়।

ইমিউটেবল লেজার বলতে বোঝায় অপরিবর্তনীয় লেজার। এতে কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটানো প্রায় অসম্ভব। এই পদ্ধতিতে ডিজিটাল আর্টকে কপি করা অসম্ভব হয়ে যায়। আপনি অবশ্যই কোনো কিছু নকল করতে পারেন, তবে সেটি আর যাই হোক, পুরোপুরি আগেরটির মতো হবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
১০ দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা বেলার এনএফটি তৈরি করেছেন

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির দ্য লাস্ট সাপারের হুবহু নকল একটি ছবি কেনা যেতে পারে। তবে তা আর যাই হোক, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা মূল ছবিটি হবে না। সত্যিকার দ্য লাস্ট সাপারের দামও নকলের সমান হবে না।

আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।

ঠিক তেমনি যখন একটি ডিজিটাল আর্টকে এনএফটি করা হয়, তখন সেটি একটি টোকেনে কনভার্ট হয়ে যায়। এরপর সেই ডিজিটাল আর্টে যদি এক মেগাপিক্সেলও পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, সেটির টোকেন বদলে যাবে। কখনোই তা আগেরটির সঙ্গে মিলবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
লকডাউনে গেম খেলে এনএফটিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বেলা হাদিদ

এনএফটি হচ্ছে একটি দলিলের মতো। এটি ডিজিটাল দুনিয়ার যেকোনো কনটেন্টের ওপর ব্যক্তির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করে। ভিঞ্চির আঁকা ছবি নিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারে, কিন্তু এনএফটি নিয়ে জালিয়াতি অসম্ভব।

এক কথায় এনএফটি হলো এমন একটি সম্পদ, যা ডিজিটাল দুনিয়ায় একটিই আছে। এটি অন্যান্য সম্পদের মতোই কেনাবেচা করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:
২৫ কোটির এনএফটি কিনে মাথায় হাত
ক্রিপ্টোকারেন্সি ও এনএফটির আলোচিত যত ঘটনা
মেলানিয়া ট্রাম্পের চোখের ছবি নিলামে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Colocity Cloud is working on digital transformation

ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড

ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড
কোম্পানিটি হাইব্রিড ক্লাউড স্থানীয় পর্যায়ে ডেটা রাখা নিয়ে ব্যবসায়িক উদ্বেগ নিরসন করছে। ডেটা কমপ্লায়েন্সের নিশ্চয়তা, ডেটার নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সমাধান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের প্রয়োজনীয় গতিতে ডিজিটালভাবে রূপান্তরে সহায়তা করতে প্রথম বারের মত দেশে নিয়ে এসেছে মাইক্রোসফট অ্যাজুর স্ট্যাক হাব হাইব্রিড ক্লাউড ‘কোলসিটি.ক্লাউড’।

কেলোসিটি ক্লাউড ডেল টেকনোলজিস এবং মাইক্রোসফটের ক্লাউড সার্ভিস পার্টনার।

কোম্পানিটি হাইব্রিড ক্লাউড স্থানীয় পর্যায়ে ডেটা রাখা নিয়ে ব্যবসায়িক উদ্বেগ নিরসন করছে। ডেটা কমপ্লায়েন্সের নিশ্চয়তা, ডেটার নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সমাধান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প অনুযায়ী, নাগরিকদের জীবনমান উন্নত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে একীভূত করার পরিকল্পনা তৈরি করেছে সরকার। এক্ষেত্রে ক্লাউড প্রযুক্তি, বিশেষ করে পাবলিক ক্লাউড প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

কোলোসিটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমাদ ইস্পাহানি বলেন, দেশের অনেক কোম্পানি ঐতিহ্যগত প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো থেকে পাবলিক ক্লাউডে যেতে প্রস্তুত নয়। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা তাদের ডেটার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চান এবং এ জন্য ডেটা কাছাকাছি রাখতে পছন্দ করেন।

এ ছাড়া দেশের আইন অনুযায়ী, আর্থিক খাতের তথ্যসহ নির্দিষ্ট তথ্য দেশের মধ্যেই রাখতে হবে। তাই ক্লাউড সক্ষমতা দেশের ব্যবসাগুলোর জন্য দারুন সুযোগ তৈরি করেছে। এর মধ্যে কোলোসিটির কোলেকেশন সেবা অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি দেশে প্রচুর এসএপি ও ওরাকল এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বা ইআরপি সফটওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে। ইআরপির জন্য নিজস্ব অবকাঠামো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ সমস্যা সমাধান করতে পারে হাইব্রিড ক্লাউড। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে মাইক্রোসফটের অ্যাজুর স্ট্যাক হাবের ওপর ভরসা রাখা যায়।’

এমাদ বলেন, ‘কোলোসিটি লিমিটেড বাংলাদেশের প্রথম টিয়ার-৩ মানের কমার্শিয়াল ডাটা সেন্টার। যা আমরা নিজ উদ্যোগে দেশে প্রথম বারের মত আ্যজুর স্ট্যাক হাব এর মত হাইব্রিড ক্লাউড নিয়ে এসেছি। স্থানীয় ব্যবসার উদ্বেগ মেটাতে হাইব্রিড ক্লাউড ক্ষমতা দেয় এবং শিল্পখাতের সব নীতিমালা মেনে চলে।’

কোলোসিটির বিক্রয় ও বিপণন প্রধান মো. আল-ফুয়াদ বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে গ্রাহকের হাতে মাইক্রোসফট আজুর স্ট্যাক হাব তুলে দিতে পারছি আমরা যা তাদের ব্যবসাকে আরও গতিশীল করবে।’

মন্তব্য

p
উপরে