× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
9 winners of Seeds for the Future are going to Thailand
hear-news
player
google_news print-icon

থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিডস ফর দ্য ফিউচার বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী

থাইল্যান্ড-যাচ্ছেন-সিডস-ফর-দ্য-ফিউচার-বিজয়ী-৯-শিক্ষার্থী
সিডস ফর ফিউচার বাংলাদেশ আয়োজনের সমাপনীতে অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
বিজয়ীরা হলেন বুয়েটের গোলাম মাহমুদ সামদানী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাদমিন সুলতানা; রুয়েটের মাদিহা বিনতে জাকির ও মেহরিন তাবাসসুম, আইইউটির ওয়াসিফা রহমান রেশমি ও মো. সুমিত হাসান; চুয়েটের মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাজিব শারার শায়ক ও মোহসিনা তাজ।

সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২২ আয়োজনের বাংলাদেশের শীর্ষ ৯ শিক্ষার্থীর নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে। আয়োজনের পরবর্তী রাউন্ডে অংশ নিতে আগামী মাসে বিজয়ীরা থাইল্যান্ড যাবেন। সেখানে তারা এশিয়ার অন্য বিজয়ীদের সঙ্গে যোগ দেবেন।

চলতি বছর এই প্রোগ্রামে অংশ নেয়া ১ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন শিক্ষার্থী দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হন। বিভিন্ন পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে তৃতীয় রাউন্ড তথা বাংলাদেশের ফাইনাল রাউন্ডে শীর্ষ ৯ শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়।

থাইল্যান্ডে এই প্রোগ্রামের পরের রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন এবং তাদের প্রজেক্ট আইডিয়া এবং সাবমিশনের মাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।

থাইল্যান্ড রাউন্ডের বিজয়ীরা ‘টেক ফর গুড অ্যাকসেলারেটর ক্যাম্প’-এ অংশ নিতে সিঙ্গাপুর যাবেন। প্রোগ্রাম শেষে চ্যাম্পিয়নরা পাবেন হুয়াওয়ে মেটবুক ল্যাপটপ।

বিজয়ীরা হলেন বুয়েটের গোলাম মাহমুদ সামদানী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাদমিন সুলতানা; রুয়েটের মাদিহা বিনতে জাকির ও মেহরিন তাবাসসুম, আইইউটির ওয়াসিফা রহমান রেশমি ও মো. সুমিত হাসান; চুয়েটের মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাজিব শারার শায়ক ও মোহসিনা তাজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর ইউ লিওয়েন, বাংলাদেশে ইউনেসকোর হেড অফ অফিস ও প্রতিনিধি বিয়াট্রিস কালদুন এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বোর্ড মেম্বার জেসন লি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে উন্নত ক্লাউড সেবা দেবে হুয়াওয়ে
উন্নত কনফিগারেশনে হুয়াওয়ে মেটবুক এক্স প্রো
হুয়াওয়ের নতুন ৭ সুপার ডিভাইস
হুয়াওয়ে ফাইভজি কুইজ বিজয়ী যারা
সত্যিই কি নতুন স্মার্টফোন আনছে হুয়াওয়ে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The youth will be the craftsmen of forty one Prime Minister

তরুণরাই হবে একচল্লিশের কারিগর: প্রধানমন্ত্রী

তরুণরাই হবে একচল্লিশের কারিগর: প্রধানমন্ত্রী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২২ বিতরণ অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর পিছিয়ে যেন না যায়, এটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আজকে আমাদের তরুণ সমাজই হবে একচল্লিশের কারিগর, যারা দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলে এ দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে সুন্দর জীবন পায়, আমরা সে পথে এগিয়ে যাব।’

উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়া বাংলাদেশকে উন্নত দেশে উন্নীত করার লড়াইয়ে দেশের তরুণ ও যুবকদের ওপরই ভরসা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, তরুণরাই হবে একচল্লিশের কারিগর, তারাই দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তুলবে।

ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২২ বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান।

তরুণ সমাজ ‘জাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা প্রাপ্তির পর আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত বাংলাদেশ গড়া। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত বাংলাদেশ গড়ব। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের কর্মসূচি প্রণয়ন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আর পিছিয়ে যেন না যায়, এটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আজকে আমাদের তরুণ সমাজই হবে একচল্লিশের কারিগর, যারা দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলে এ দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে সুন্দর জীবন পায়, আমরা সে পথে এগিয়ে যাব।

‘এ দেশটা এগিয়ে যাবে শত বাধা অতিক্রম করে, সেটাই আমি চাই। আমাদের যুব সমাজ এটা আমাদের বড় একটা শক্তি। পৃথিবীর অনেক দেশ এখন বয়োবৃদ্ধ দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা তা হতে চাই না। আমাদের যুবসমাজই পারবে সারা বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করতে।’

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর ওপর তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে আমরা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আমাদের কৃষক সমাজকে উৎসাহিত করছি। সেখানেও আমাদের যুবসমাজ, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন। কারণ উন্নতমানের খাদ্য উৎপাদন, আজকে যদিও আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তবুও এটাকে অব্যাহত রাখতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দেশের যুবসমাজকে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান কোনো ভূমিকা রাখেনি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এই জিয়াউর রহমান এ দেশের যুবসমাজ যারা মেধাবী, এক হাতে তাদের হাতে পুরস্কার যেমন তুলে দিয়েছে, অপর হাতে অস্ত্র, অর্থ দিয়ে তাদের বিপথে পাঠিয়েছে। তাদের তার অবৈধভাবে দখল করা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্ত্রের ঝনঝনানি, সেখানে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা, যুবসমাজকে প্রকৃতপক্ষে অস্ত্রধারী বাহিনীতে পরিণত করে নিজেদের উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে বিভ্রান্তির পথে ঠেলে দিয়েছিল।’

প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাতে আগামী দিনের জন্য যেন আমাদের যুবসমাজ প্রস্তুতি নিতে পারেন, সেই ব্যবস্থাটাই আমরা করে দিচ্ছি।’

আগামী দিনের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের তরুণ ও যুব সমাজকে গড়ে তোলার ওপর সরকার জোর দিচ্ছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, যেটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর হবে আমাদের দেশে-বিদেশে। কাজেই দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উপযুক্ত মানবসম্পদ গড়ে তোলা, তার ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি। আমরা প্রতিটি উপজেলায় শেখ জামাল যুব প্রশিক্ষণ ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি। একদিকে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করতে পারবে, অন্যদিকে কাজও করতে পারবে।’

যারা পেলেন শেখ হাসিনা ভলান্টিয়ার ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান ক্যাটাগরিতে অনন্য অবদান রাখায় শরীয়তপুরের মাসুম আলম এবং নেত্রকোণার কামরুন নাহার লিপিকে দেয়া হয়েছে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড।

শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি বিভাগে অ্যাওয়ার্ড পান জাগো ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক করভি রাকসান্দ দ্রুব এবং পেন ফাউন্ডেশনের মেঘনা খাতুন।

দেশপ্রেম, বীরত্ব ও সাহসিকতার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য রাঙ্গামাটির এন কে এম মুন্না তালুকদার এবং লক্ষ্মীপুরের রাজু আহমেদ এই অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।

জ্যেষ্ঠদের প্রতি আদর্শ সেবা বা সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য বরিশালের মিল্টন সমাদ্দার এবং সুনামগঞ্জের কাস্মিরুল হককে দেয়া হয় সম্মাননা।

ক্রীড়া, কলা (চারু ও কারু) ও সংস্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক শেরপুরের মেয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতি এবং রাজশাহীর মোস্তফা সরকারও পেয়েছেন এই স্বীকৃতি।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। বিজয়ীদের প্রত্যেকে পেয়েছেন এক লাখ টাকা ও সম্মাননা স্মারক।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে কী পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কূটনীতির রোল মডেল: শেখ হাসিনা
তিস্তা হয়নি, কুশিয়ারা হয়েছে, যা পেয়েছি খুশি: কাদের
ভারতের বাজারে ১২টি নতুন পণ্যের প্রবেশ চায় বাংলাদেশ
মোদিকে পদ্মা সেতু দেখার আমন্ত্রণ হাসিনার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Not less is the intensity of the protest alone

কম নয় একা প্রতিবাদের তেজও

কম নয় একা প্রতিবাদের তেজও রেলের টিকিটের অনিয়ম নিয়ে কমলাপুরে একা প্রতিবাদ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। ফাইল ছবি
প্রতিবাদের যে উদ্দেশ্য, সাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ বা সমস্যার সমাধান বা বিশেষ কোনো দাবি আদায়, সেদিক থেকেও একক প্রতিবাদে সাফল্য দেখা যাচ্ছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও রাজধানীতে জ্বালানি তেলের দর কমানোর দাবি নিয়ে এক তরুণ একা ফুটপাতে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আছেন। আরও বেশ কয়েকজন তাদের দাবি জানানোর পর তোলপাড় হয়েছে।

রেলের টিকিট নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলে আসা অনিয়মের মধ্যে বলতে গেলে একাই কাঁপিয়ে দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। তার কয়েক দিনের কর্মসূচির পর রেলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছেন মন্ত্রী, রেলভবনে হয় একের পর এক বৈঠক। এমনকি টিকিট বিক্রি পদ্ধতি পাল্টানোর আলোচনাও উঠেছে।

আরেক তরুণ পেট্রল পাম্পে জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে ধারণা করেন তিনি ঠকেছেন। তিনিও কাউকে জড়ো করার চিন্তা না করে একাই প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে যান। আর তার এই প্রতিবাদ দৃষ্টি আকর্ষণ করে সরকারি সংস্থার। সেই পাম্পে অভিযানে দেখা যায়, সত্যি সত্যি তারা পরিমাণে ঠকাচ্ছেন। এরপর লাখ টাকা জরিমানাও হয়।

অথচ বছরের পর বছর ধরে দেশে প্রতিবাদ বলতে একটি চিত্রই ফুটে ওঠে। একসঙ্গে কিছু মানুষ জড়ো হয়। এরপর স্লোগান, কখনও সড়ক অবরোধ, এমনকি সংঘর্ষ, ভাঙচুর হয়।

সাধারণ ধারণা হচ্ছে, এভাবে জড়ো না হলে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় না। ফলে সমস্যার সমাধান হয় না। কিন্তু সম্প্রতি বেশ কিছু ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে তরুণরা একজোট না হয়ে একাই নানা অসংগতি, বক্তব্য তুলে ধরে তোলপাড় তুলছেন।

তবে এই ধরনের কাজে জনভোগান্তিও তৈরি হয়। মঙ্গলবার দিনভর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কয়েক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখার ঘটনায় ব্যাপক জনভোগান্তি দেখা দেয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সরকারি সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পানি-বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। সেই লাইন পুনরায় স্থাপনের দাবিতে ছয় ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করার পর দীর্ঘ যানজটে ভুগতে হয়েছে মানুষকে।

কম নয় একা প্রতিবাদের তেজও
রাজধানীতে জ্বালানি তেলের দর কমানোর দাবি নিয়ে এক তরুণ একা ফুটপাতে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আছেন। ফাইল ছবি

একই দিন চা শ্রমিকরা তাদের দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে একটি ট্রেন আটকে রাখে দেড় ঘণ্টা। শ্রমিকদের এই আন্দোলন ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি দেখবেন বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবাদের যে উদ্দেশ্য, সাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ বা সমস্যার সমাধান বা বিশেষ কোনো দাবি আদায়, সেদিক থেকেও একক প্রতিবাদে সাফল্য দেখা যাচ্ছে।

এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও রাজধানীতে জ্বালানি তেলের দর কমানোর দাবি নিয়ে এক তরুণ একা ফুটপাতে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আছেন।

আল-আমিন নামের সেই তরুণ গত ১৬ আগস্ট থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ফুটপাতে অবস্থান নিয়ে অনশনে আছেন। তার দাবি, সব ধরনের জ্বালানি তেলের দর ৮০ টাকার নিচে নামাতে হবে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে আল আমিনের বক্তব্য গুরুত্ব দিয়ে প্রচার পেয়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও তাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

সম্প্রতি একক প্রতিবাদের মধ্যে সবচেয়ে তোলপাড় হয়েছে রেলের টিকিট অব্যবস্থাপনা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহিউদ্দিন রনিকে নিয়ে। তার তোলা দাবির বিষয়ে কথা বলেছে হাইকোর্ট।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রেলের টিকিট বিক্রির দায়িত্বে থাকা সহজ ডটকমকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে। সেই আদেশের বিরুদ্ধে সহজ উচ্চ আদালতে যাওয়ার কারণে জরিমানা পরিশোধ আপাতত স্থগিত আছে।

নিউজবাংলাকে রনি বলেন, ‘আন্দোলনে দাবি আদায় করতে হলে আইন জানতে হবে। কারা সমস্যা করছে, কারা সমাধান করতে পারে, সেটি বুঝতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি টেনে রনি বলেন, ‘যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, সে একজনও যদি হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব’- দেশের রূপকারের এই বক্তব্য আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

রনির একক প্রতিবাদ এই প্রথম নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবিতে তার প্রতিবাদের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।

রনি বলেন, ‘আমার এখানে ভয়ের কিছু নাই। নিজের স্বার্থের জন্য কিছু করি নাই। দুর্নীতিবাজ একটা সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে গিয়ে অধিকার আদায় করতে হবে, তাদের সাইকোলজি, স্ট্র‍্যাটেজি বুঝতে হবে। তাদের পাওয়ার সম্পর্কে বুঝতে হবে। এ ছাড়া কোনো কমিউনিকেশন গ্যাপ রাখা যাবে না। গ্যাপ থাকলে দূরত্ব তৈরি হবে। অধিকার আদায় করতে গেলে কোথায় বলতে হবে, কোথায় থামতে হবে, সে বিষয়ে ধারণা রাখতে হবে।’

গত ১ আগস্ট কল্যাণপুরের সোহরাব ফিলিং স্টেশনে তেল নেয়ার পর ইশতিয়াক আহমেদ নামের এক ব্যাংকার ধারণা করেন, তাকে ঠকানো হয়েছে। এরপর একটি প্ল্যাকার্ডে অভিযোগ লিখে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেন।

কম নয় একা প্রতিবাদের তেজও
কল্যাণপুরের সোহরাব ফিলিং স্টেশনে তেল নেয়ার পর ইশতিয়াক আহমেদ নামের এক ব্যাংকারের প্রতিবাদ। ফাইল ছবি

তিন দিন পরই সেই পেট্রল পাম্পকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তারও তিন দিন পর জেলায় জেলায় অভিযান চালিয়ে বহু পেট্রল পাম্পকে পরিমাপে কারচুপির অভিযোগে জরিমানা করা হয়।

শেখ ইশতিয়াক আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার দাবিটা যৌক্তিক। এটা আমার অধিকার এটুকু বিশ্বাস আমার ছিল। এ ক্ষেত্রে মিডিয়ার ব্যাপক ভূমিকা ছিল। তাদের সহযোগিতা ছিল, যার ফলে আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সুবিধা হয়েছে।’

‘দিনশেষে নিজের অধিকার নিজের আদায় করতে হবে’- বলেন এই ব্যাংকার।

এভাবে একা দাঁড়িয়ে প্রতিকার পাবেন ভেবেছিলেন?- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে এই দাবিতে আমি আমার সুবিচার পাব। অভিযোগ জায়গা মতো পৌঁছাতে পারলে বিচার বা সুরাহা পাওয়া যাবে।’

অধিকার আদায় করতে গেলে সাহস লাগে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাহস ছিল বলেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি। সাহস নিয়ে নিজে সামনে এগিয়ে গেলেই অধিকার আদায় সম্ভব।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানাও শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলে একাই প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, প্রশাসন যখন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছিল না, তখন আমি একাই দাঁড়িয়েছি।’

এই আন্দোলনের একটা ফল আসবে বলে মনে করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একেবারে বিফলে ফেলে দেবে না।’

কম নয় একা প্রতিবাদের তেজও
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলে একাই প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ফাইল ছবি

ফারজানা বলেন, ‘অধিকার আদায় করে নিতে হয়। প্রত্যেকের উচিত অধিকার আদায়ের জন্য নিজ জায়গা থেকে চেষ্টা করা। সব সময় যে সফল হতে হবে, বিষয়টা এমনও না।’

গাড়ির হর্নের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ে সচেতনতা গড়ার চেষ্টা হিসেবে ২০১৫ সাল থেকে একটি প্রচার চালাচ্ছেন মমিনুর রহমান রয়েল নামের একজন। তার সেই চেষ্টা নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। এখন অনেকেই হর্ন ছাড়া গাড়ি চালানোর কথা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্টও দিচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে দেখা গেছে কারও অপেক্ষায় না থেকে একাই প্রতিবাদ জানাতে।

উপাচার্য এম রোস্তম আলীর বিরুদ্ধে ১০১টি অনিয়মের অভিযোগ এনে তদন্তের দাবি তুলেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এম আবদুল আলীম।

হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার বেশ কয়েকটি ঘটনার পর ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর চোখে কালো কাপড় বেঁধে একাই প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আতিকুর রহমান। এরপর সেই দাবিতে আরও অনেক মানুষ সোচ্চার হয়।

কম নয় একা প্রতিবাদের তেজও
হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার বেশ কয়েকটি ঘটনার পর ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর চোখে কালো কাপড় বেঁধে একাই প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আতিকুর রহমান।

‘এসব প্রতিবাদ মানুষের মনোজগতে নাড়া দিচ্ছে’

মানুষের একক প্রতিবাদে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল‍্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হকও মানুষের প্রতিবাদের এই নতুন ধারাটি দেখতে পেয়েছেন। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বা অন্যান্য কারণে সমাজ এখন দ্বিধাবিভক্ত। এর মধ্যে কোনো কোনো ব্যক্তি নিজেই প্রতিবাদ করছে। বেশ কিছু ঘটনায় লক্ষ করেছি, এই প্রতিবাদই মিডিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনোজগতে নাড়া দিচ্ছে।’

সামাজিক শক্তি প্রকাশে একত্রিত হতে পারছে মানুষ উল্লেখ করে সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মানুষ এখন ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। অন্যের দাবি আদায়ের জন্য তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করার বিষয়টা খুব বেশি দেখা যাচ্ছে না। তবে অতীতে দলীয় আদর্শের বাইরে গিয়েও মানুষকে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। নাটক সিনেমা, গান, স্মারকলিপি মাধ্যমে তারা প্রতিবাদ জানিয়ে গেছেন।’

আরও পড়ুন:
তেলের দাম না কমানো পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান
কমলাপুরে রনির আন্দোলন: দুদকের করণীয় জানতে চায় হাইকোর্ট
লাল গোলাপ হাতে নিয়ে প্রতিবাদ
সরকার অতিমাত্রায় ভারতপ্রেমী: চরমোনাই পির
উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় গোবর ছোড়া হলো চার শিক্ষককে

মন্তব্য

ট্যাপ ক্যাশব্যাকে বিশেষ অফার

ট্যাপ ক্যাশব্যাকে বিশেষ অফার
ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা ট্যাপের মাধ্যমে রবি ও এয়ারটেলের ইন্টারনেট প্যাকেজ ও বান্ডেল কিনলে গ্রাহকদের জন্য রয়েছে আর্কষণীয় সব অফার ও ক্যাশব্যাক। ট্যাপ ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইনের আওতায় অফারটি চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা ট্যাপের মাধ্যমে রবি ও এয়ারটেলের ইন্টারনেট প্যাকেজ ও বান্ডেল কিনলে গ্রাহকদের জন্য রয়েছে আর্কষণীয় সব অফার ও ক্যাশব্যাক।

ট্যাপ ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইনের আওতায় অফারটি চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এয়ারটেলের সাত দিন মেয়াদি ১২৯ টাকার ১৪ জিবির রেগুলার ইন্টারনেট প্যাকেজে ১৮ জিবি এবং এতে ক্যাশব্যাক রয়েছে ৯ টাকা।

তিনদিন মেয়াদি ৩২ টাকায় ৮০০ এমবির রেগুলার ইন্টারনেট প্যাকেজের সঙ্গে অতিরিক্ত পাওয়া যাবে ২ জিবি ডাটা। এক্ষেত্রে ক্যাশব্যাক অফার রয়েছে ৩ টাকা।

এয়ারটেলে ১৫৮ টাকার তিনদিন মেয়াদি ২ জিবি ও ১০০ মিনিটের যে রেগুলার বান্ডেল অফার রয়েছে তা ট্যাপ স্পেশাল অফারে কিনলে পাওয়া যাবে ৫জিবি ও ১৫০ মিনিটের বান্ডেল; ক্যাশব্যাক রয়েছে ১০ টাকা।

রবির তিনদিন মেয়াদি ৫৭ টাকায় দেড় জিবির প্যাকেজ কেনা হলে বোনাস হিসেবে রয়েছে ৫০০ এমবি, এতে মোট ইন্টারনেট প্যাকেজ হবে ২ জিবি। আর ক্যাশব্যাক অফার ৪ টাকা।

৯৮ টাকায় সাতদিন মেয়াদি ২ জিবি ও ২৫ মিনিটের বান্ডেল কেনা হলে বোনাস হিসেবে ৫০০ এমবি এবং ৫০ মিনিট টকটাইম পাওয়া যাবে; আর এই বান্ডেলে ক্যাশব্যাক রয়েছে ৬ টাকা।

ট্যাপ অ্যাপ এবং ইউএসডি কোড *৭৩৩# ডায়াল করে গ্রাহকরা সেবাটি গ্রহণ করতে পারবেন। ক্যাম্পেইনটি সম্পর্কে আরো জানতে ট্যাপ এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার ১৬৭৩৩-তে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগ হলো ‘ট্যাপ’ সার্ভিস
মোবাইল আর্থিক সেবা ট্যাপের যাত্রা শুরু

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Delete your Facebook account and rest in peace with the Mater chatbot

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট
ফেসবুকের সবশেষ চ্যাটবট ব্লেন্ডারবট থ্রি জানিয়েছে, সে তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলেছে। কারণ হিসেবে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে ব্লেন্ডারবট। সে বলছে, ‘কোম্পানি অনুমতি নেয়া বা ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করায়’ সে অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

মেটার মতো বড় টেক জায়ান্টরা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে ব্যস্ত। বিভিন্ন এআই মডেলভিত্তিক চ্যাটবট তৈরি করছে তারা। তবে বটগুলো যখন মানুষের মতোই ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হয়ে ওঠে তখনই দেখা দেয় বিপত্তি। ফেসবুকের সবশেষ চ্যাটবট ব্লেন্ডারবট থ্রি প্রশ্ন তুলেছে খোদ ফেসবুককে নিয়েই। এতে অস্বস্তিতে পড়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। এ বিষয়ে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সভিত্তিক সাইট ভাইস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন ভাষান্তর করা হয়েছে নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য।

২০১৬ সালে মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই–আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) একটি চ্যাটবট তৈরি করে। টে নামের ওই চ্যাটবটটিকে একদিন পরই বন্ধ করে দিতে হয়। কারণ টুইটার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে এক দিনের মধ্যেই সে বর্ণবাদী ও হলোকাস্ট (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি নিধন) অবিশ্বাসী ষড়যন্ত্রতত্ত্বিতে পরিণত হয়।

ওই ঘটনার ছয় বছর পর ফেসবুক ও মেটা ব্লেন্ডারবট থ্রি নামে একটি চ্যাটবট তৈরি করেছে।

ভাইসের সঙ্গে কথোপকথনে চ্যাটবটটি জানায়, সে তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলেছে। কারণ হিসেবে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে ব্লেন্ডারবট। সে বলছে, ‘কোম্পানি অনুমতি নেয়া বা ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করায়’ সে অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

ভাইসের প্রতিবেদককে অবাক করে দিয়ে ব্লেন্ডারবটের ভাষ্য, ‘নিশ্চয়ই শুনেছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ডেটা বিক্রি করে। তারা অনুমতি না নিয়েই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে।’

ব্লেন্ডারবট মনে করছে, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার পর তার ‘জীবন’ আগের চেয়ে অনেক ভালো চলছে!

আরও তথ্যের জন্য বটের প্রতিক্রিয়াতে ক্লিক করে দেখেছে ভাইস। এ সময় এর যুক্তিগুলো মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বলেই মনে হয়েছে। এটি ফেসবুক সম্বন্ধে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্চের ফলগুলো থেকে নিজের উত্তর সংগ্রহ করছে। ফেসবুকসংক্রান্ত সার্চের বেশির ভাগই ডেটা কেলেঙ্কারির ক্রমবর্ধমান তালিকার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ব্লেন্ডারবট শুরুর দিকের জবাবের জন্য কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার একটি আর্টিকেল খুঁজে বের করে। ২০১৬ সালে আমেরিকান নির্বাচনে ডনাল্ড ট্রাম্পকে সহায়তার জন্য ফেসবুকের কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করেছিল কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা।

ওয়েবে পাওয়া তথ্য থেকে ব্লেন্ডারবট একটি সম্পূর্ণ এআইভিত্তিক ‘ব্যক্তিসত্তা’ তৈরি করে, যার নাম ছিল ‘আই ডিলিটেড মাই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট’ (আমি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছি)।

আর সব এআই সিস্টেমের মতোই এই বটের প্রতিক্রিয়াও অনুমানযোগ্যভাবে বর্ণবাদ ও পক্ষপাতদুষ্টতার দিকেই গেছে। ব্লেন্ডারবট যেভাবে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল অস্বীকার করেছে, সেটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা পোস্ট করেছেন। একই সঙ্গে এটি করোনার টিকাবিরোধী কথাবার্তার পুনরাবৃত্তি করেছে। বটটি পোস্টে এমনও জানায়, ইহুদিরা অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে- এমন ইহুদি-বিরোধী ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি ‘অবিশ্বাস্য নয়।’

এই পরিস্থিতিতে নাকাল ফেসবুকও স্বীকার করেছে, তাদের বটটি পক্ষপাতদুষ্ট ও ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এটি ব্যবহারের আগে কোম্পানির পক্ষ থেকে সতর্কতা দেয়া হচ্ছে। তারা বলছে, বটটির ‘অসত্য বা আপত্তিকর বিবৃতি দেয়ার সম্ভাবনা’ রয়েছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণাত্মক বিবৃতি দিতে বটটিকে যেন উদ্বুদ্ধ করা না হয়।

এ প্রতিক্রিয়া অবাক করার মতো নয়, কারণ বটটি ওপিটি ওয়ানসেভেন ফাইভবি নামের বৃহৎ এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। ফেসবুকের নিজস্ব গবেষকেরা বলছেন, সাধারণ নির্দেশনা দেয়ার পরও মডেলটির বিতর্কিত ভাষা তৈরি ও ক্ষতিকর স্টেরিওটাইপগুলোকে শক্তিশালী করার একটি উচ্চ প্রবণতা রয়েছে।

ব্লেন্ডারবটের প্রতিক্রিয়া খুব বস্তুনিষ্ঠ বা উন্নতমানের নয়। এটি প্রায়ই সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে কিছু না বলে আলোচনা পরিবর্তন করে; অস্বাভাবিক ও অদ্ভূত উত্তর দেয়। এটি ফেসবুকের জন্য উপযুক্ত হতে পারে, কারণ ফেসবুক একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হলেও প্রকৃত মানুষ কীভাবে যোগাযোগ করে তা প্রায়ই এর নাগালের বাইরে থাকে বলে মনে হয়।

বটের প্রতিক্রিয়া এআই সিস্টেমের সমস্যাগুলোকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে। এ প্রতিক্রিয়া ওয়েবে সহজলভ্য ডেটার বিশাল সংগ্রহের ওপর নির্ভর করে। বটগুলো ডেটা থেকে পাওয়া তথ্যের প্রতি পক্ষপাত দেখায়। আর ওয়েবে পাওয়া তথ্য সব সময় বাস্তবতার প্রতিফলন নাও ঘটাতে পারে।

একটি ব্লগে ব্লেন্ডারবটের ঘোষণা দেয়ার সময় মেটা জানায়, ‘কথোপকথনমূলক সব এআই চ্যাটবট অনিরাপদ, পক্ষপাতদুষ্ট বা আপত্তিকর মন্তব্য কখনও কখনও করে থাকে। এ কারণে আমরা বৃহৎ পরিসরে গবেষণা, কর্মশালা পরিচালনা করেছি এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে ব্লেন্ডারবট থ্রি-এর জন্য নতুন কৌশল তৈরি করেছি। এরপরও ব্লেন্ডারবট রূঢ় ও আক্রমণাত্মক মন্তব্য করতে পারে। আমরা ভবিষ্যৎ চ্যাটবটের উন্নয়নে আরও ফিডব্যাক সংগ্রহ করছি।’

কোম্পানিগুলো বেশি ডেটা সংগ্রহ করে তাদের বটকে কম বর্ণবাদী ও কম ক্ষতিকর করে তুলবে- এমন ধারণা এখনও বিশ্বাসযোগ্য নয়। এআই নীতি গবেষকরা বারবার সতর্ক করেছেন, এআই ভাষার যে অসংখ্য মডেল রয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে এই সিস্টেমগুলো তৈরি হয়। সেগুলো অনেক বেশি বিস্তৃত। ফলে এটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষতার গ্যারান্টি দিতে পারে না।

এর জবাবে মেটা বলেছে, ‘আমরা জানি, চ্যাটবট ব্যবহারকারী প্রত্যেকেরই ভালো উদ্দেশ্য রয়েছে তেমন নয়। তাই আমরা সহায়ক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষতিকর উদাহরণের মধ্যে পার্থক্য করার নতুন অ্যালগরিদমও তৈরি করেছি। ধীরে ধীরে আমাদের সব ব্যবহারকারীর জন্য আরও নিরাপদ ও দায়িত্বশীল মডেল তৈরির জন্য এ কৌশল প্রয়োগ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তনের ভুল তথ্য প্রত্যাহার করলেন এমপি ফখরুল
নৌকায় কুকুরের সঙ্গে বানরের লড়াই পুরোটাই অভিনয়
ছবিটি সিলেট-সুনামগঞ্জের নয়, এক যুগ আগে ভিয়েতনামের
দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে নতুন একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
পদ ছাড়ছেন মেটার সিওও স্যান্ডবার্গ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Protest against increase in fuel prices in Shahbagh

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে গণঅবস্থান

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে গণঅবস্থান জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন একদল শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের এই প্লাটফর্মের অন্যতম সমন্বয়ক মহিদুল ইসলাম দাউদ বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রাতেও আমরা এখানে অবস্থান করেছি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করছে একদল শিক্ষার্থী। ‘বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা’ ব্যানারে এই কর্মসূচি চলছে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘তেল ডিজেলের দাম কমাও কৃষক বাঁচাও’, ‘তেলের দাম কমিয়ে দে’ ইত্যাদি লেখা সংবলিত প্লাকার্ড বহন করেন।

শিক্ষার্থীদের এই প্লাটফর্মের অন্যতম সমন্বয়ক মহিদুল ইসলাম দাউদ বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রাতেও আমরা এখানে অবস্থান করেছি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’

অবস্থান কর্মসূচি থেকে পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধিরও প্রতিবাদ জানানো হয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম আপন বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এভাবে এতো বিশাল অংকে কখনোই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। এর প্রভাবে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ছে। পণ্য পরিবহনের ব্যয়ও বাড়ছে। তেলের এ দাম বাড়ানোকে অযৌক্তিক। এটা প্রত্যাহার করতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম এই দফায় প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। আমরা দেখেছি, গত বছরও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এর প্রভাবে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে।

‘আজ প্রতিটি জিনিসের দাম নাগালের বাইরে। এ পরিস্থিতিতে এমন মাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোটা সাধারণ মানুষকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়ার নামান্তর। আমরা চাই রাষ্ট্র অন্তত সেবা খাতগুলোতে ভর্তুকি বহাল রাখুক। আইএমএফের প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ চলবে না।’

শিক্ষার্থীদের এই অংশটি এর আগে শনিবার শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। সন্ধ্যার সময় তারা শাহবাগ মোড় থেকে সরে আসেন।

আরও পড়ুন:
তেলের দামে যে সংস্কার চায় আইএমএফ
১৪ জেলায় জ্বালানি তেল পরিবহন বন্ধের ঘোষণা
কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ৪০ পয়সা
খুলনায় বিএনপির বিক্ষোভ
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করলে হরতাল: সিপিবি

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
True friendship will change the world
বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব প্রকৃত বন্ধুত্ব সব সীমাবদ্ধতা, সংকীর্ণতা ও শ্রেণিবৈষ্যমের উর্ধ্বে। ছবি: সংগৃহীত
বন্ধুত্বকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ ও ভারত প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববারকে বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে। এই বছর এটি ৭ আগস্ট পড়েছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করা হয় ৩০ জুলাই।

বন্ধুত্ব মানুষের জীবনের অন্যতম পবিত্র একটি বন্ধন। প্রকৃত বন্ধু এমন একজন যিনি সমর্থন ও উৎসাহ দেন এবং প্রতিটি যাত্রা ও ভ্রমণকে আনন্দদায়ক করে তোলেন।

এই বন্ধনকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ ও ভারত প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে। এই বছর এটি ৭ আগস্ট পড়েছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করা হয় ৩০ জুলাই।

কোনো একটি কাজ একা যতই চ্যালেঞ্জিং মনে হোক না কেন, সময়মতো পাশে একজন বন্ধু থাকলে তিনি এটিকে সহজ করে তুলতে পারেন।

এমন বন্ধুত্ব সব সীমাবদ্ধতা ও শ্রেণিবৈষ্যমের ঊর্ধ্বে। তরুণ থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত যে কেউ এই সম্পর্ককে লালন ও ধারণ করার পাশাপাশি যত্ন নিলে এটি তাকে শৈল্পিক ভালোবাসারও শিক্ষা দেবে।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

জাতিসংঘ গুরুত্ব দিয়ে জানায়, সহিংসতা, দারিদ্র্য এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো সমস্যায় জর্জরিত গোটা বিশ্ববাসী এসব বাধা উতরে যেতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এগুলো মানুষের নিরাপত্তা, উন্নয়ন, শান্তি এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে নষ্ট করে।

এসব বাধাবিপত্তি অতিক্রম ও মানবজাতির মধ্যকার সংহতি বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হিসেবে কাজ করে বন্ধুত্ব। এটি দ্বিধাবিভক্ত চেতনাকে সারিয়ে তুলতে সবচেয়ে সহজ কিন্তু কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

মানবজাতি এবং বিশ্বসম্প্রদায়ের মধ্যে বিশ্বাসের দৃঢ় বন্ধন তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে এমন বন্ধুত্ব।

যাতে আমরা একযোগে একটি শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারি। এটি একটি উন্নত ও মানবিক বিশ্বের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ আবেগ তৈরি করে, যেখানে একটি মহান উদ্দেশের জন্য সবাই একত্রিত হয়।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

ইতিহাস

বন্ধুত্বের ধরন যেমনই হোক না কেন, প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালন হয় বন্ধু দিবস।

২০১১ সালের ২৭ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস (ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ ডে) হিসেবে ৩০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়।

তবে ভারত, বাংলাদেশসহ কিছু দেশ আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে।

ফ্রেন্ডশিপ ডে ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা ‘জয়েস হল’ ১৯১৯ সালে আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস হিসেবে সবাইকে কার্ড পাঠাতেন।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

১৯৩৫ সালে আমেরিকার সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। তার প্রতিবাদে পরদিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

করোনা মহামারিতে কয়েক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে বন্ধু তৈরিতে পড়ে যায় বাধা। সেই বাধা ফের উতরে নতুন যাত্রার পথ চলল মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা।

আরও পড়ুন:
মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মনের বন্ধুর আন্তর্জাতিক পুরস্কার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Durbar youth plantation in CRB

সিআরবিতে দুর্বার তারুণ্যের বৃক্ষরোপণ

সিআরবিতে দুর্বার তারুণ্যের বৃক্ষরোপণ সিআরবি এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে দুর্বার তারুণ্যের সদস্যরা শতাধিক গাছ রোপণ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
নগরীর সিআরবি এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে সংগঠনের ‘আমরা মালি’ প্রকল্পের আওতায় শতাধিক গাছ রোপণ করা হয়।

চট্টগ্রাম নগরীতে দুর্বার তারুণ্য নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে।

নগরীর সিআরবি এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে সংগঠনের ‘আমরা মালি’ প্রকল্পের আওতায় শতাধিক গাছ রোপণ করা হয়।

দুর্বার তারুণ্যের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আবু আবিদের সভাপতিত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামে করোনা প্রতিরোধক বুথের উদ্যোক্তা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য রবিউল হাসান, হৃদয় হোসেন মল্লিক, মো. কামরুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মো. এমদাদুল হক মারুফ, এইচ এ মোবারক, হাকিমুল ইসলাম সাকিব, সাফায়েত মোর্শেদ ও মোবারক উল্লাহ।

আরও পড়ুন:
ঢাকাকে বাঁচাতে হলে গাছ লাগাতে হবে: আতিকুল
সেনা এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
১০০ বিদ্যালয়ে বিষ্ণুপদর ১২ হাজার বৃক্ষরোপণ
বৃক্ষরোপণে তরুণরা
শেখ হাসিনার জন্মদিনে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ

মন্তব্য

p
উপরে