× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Apo will work to expand the FiveG ecosystem in the country
hear-news
player
print-icon

দেশে ফাইভজি ইকোসিস্টেমের বিস্তৃতিতে কাজ করবে অপো

দেশে-ফাইভজি-ইকোসিস্টেমের-বিস্তৃতিতে-কাজ-করবে-অপো
প্রাইমারি ক্যামেরা দুটির পেছনে লুকানো রয়েছে দুটি রিং। ৬৪ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো, ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ ও ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে সেটটিতে। পাশাপাশি রয়েছে বোকেহ ফ্লেয়ার পোর্ট্রেট, সেলফি এইচডিআর, এআই প্যালেটস, এআই কালার পোর্ট্রেট, পোর্ট্রেট রিটাচিং এবং আরও অনেক কিছু।

বিগত বছরগুলোতে দেশের স্মার্টফোন বাজারের অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। ব্যতিক্রমী কাস্টমাইজেশন ও উচ্চমানের পণ্যের জন্য স্মার্টফোন ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। যদিও দেশে ফাইভজির ব্যবহার এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে নির্দ্বিধায় বলা যায়, নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সঙ্গে এ প্রযুক্তিও নতুন সব সম্ভাবনা উন্মোচন করবে।

এ খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো ফাইভজি ইকোসিস্টেমের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে নিয়েছে। পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন ত্বরান্বিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেছে।

এগিয়ে যান অপো এফ২১ প্রো ফাইভজির সঙ্গে

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় স্মার্ট ডিভাইস নির্মাতা ও উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান অপো বাংলাদেশে ফাইভজির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাজ করছে। ব্র্যান্ডটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে গবেষণা সক্ষমতা এবং অংশীদারত্ব সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতাও প্রদর্শন করেছে।

ব্র্যান্ডটি অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের বাজারের জন্য অপো এফ২১ প্রো ফাইভজি কাস্টোমাইজ করেছে এবং বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির ব্যান্ডের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্যাটালগে প্রবেশের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টেকনোলজি সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে।

মানের ব্যাপারে আপস না করে দেশের গ্রাহক এবং ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণে তাদের প্রয়োজন অনুসারে পোর্টফোলিও এবং ব্যবসায়িক কৌশল সমৃদ্ধ করেছে ব্র্যান্ডটি। অপোর লক্ষ্য ভবিষ্যতে শীর্ষস্থানীয় ফাইভজি পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা দেশের আরও অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।

বিশ্বজুড়ে ফাইভজি কানেক্টিভিটি স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে অপো

২০১৯ সালে অপো প্রথম ডিএসএস ডেটা কল পরিচালনার জন্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করেছে। শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডটি এরিকসন, কোয়ালকম টেকনোলজিস (কোয়ালকম ইনকরপোরেটেডের একটি সাবসিডিয়ারি), সুইসকম ও টেলস্ট্রার সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম ডিএসএস সক্ষমতার ফাইভজি স্মার্টফোন ব্যবহার করে ইন্ডাস্ট্রির প্রথম ডিএসএস (ডাইনামিক স্পেকট্রাম শেয়ারিং) ডেটা কল করতে সক্ষম হয়েছে।

এভাবে বিশ্বজুড়ে ডিএসএস সাপোর্ট করে এমন প্রথম বৈশ্বিক স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে অপো। পরে ২০২০ সালে অপো প্রথম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে ভারতে ফাইভজি হোয়াটসঅ্যাপ কল করতে সক্ষম হয়, হায়দ্রাবাদে আরঅ্যান্ডডি কেন্দ্রে প্রথম ফাইভজি কল পরীক্ষা করে এবং আরও দ্রুত মুভি ডাউনলোড ও ক্লাউড গেমিংয়ের ফিচারগুলো তুলে ধরে। এ ছাড়া ২০২০ সালে অপো বিশ্বব্যাপী ফাইভজি সিপিই ওমনি চালু করে, যা উদ্ভাবনী প্রযুক্তির একটি ফাইভজি স্মার্ট কানেকশন হাব। ২০২০ সালের এপ্রিলে অপো, এরিকসন এবং মিডিয়াটেক নিয়ে আসে ভিওএনআর ভয়েস ও ভিডিও কল, যা উচ্চ মানসম্পন্ন ফাইভজি ফোনের অভিজ্ঞতাকে বাস্তবে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।

২০২০ সালের মে মাসে ভোডাফোনের ইউরোপীয় বাজারে অপোর বিস্তৃত পরিসরের পণ্য নিয়ে আসতে অপো এবং ভোডাফোন একটি অংশীদারত্ব চুক্তি করে। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক এক্সচেঞ্জ আরও সমৃদ্ধ করতে এবং ফাইভজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিগ ডেটার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্লোবাল টেকনিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডস গঠনে অংশ নিতে আইইইইর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব করে অপো।

শক্তিশালী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ২০২২ সালে অপো বাংলাদেশে নিয়ে আসে অপো এফ২১ প্রো ৫জি। ৬ ন্যানোমিটার প্রসেসরে নির্মিত এফ২১ প্রো ৫জি কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৯৫ ফাইভজি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম দ্বারা চালিত প্রথম ডিভাইসগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই দুর্দান্ত প্রসেসরের মাধ্যমে স্মার্টফোনটি অতুলনীয় পারফরম্যান্স দেবে।

নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের জন্য এফ২১ প্রো ফাইভজিতে ফোরজি প্লাস নেটওয়ার্ক

অপো এফ২১ প্রো ফাইভজির কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৯৫ ফাইভজি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ৬ ন্যানোমিটার চিপসেট দেবে দ্রুতগতির ফোরজি প্লাস ইন্টারনেট। এই ফাইভজি ডিভাইসে ৪জি+ একই ব্যান্ডউইথ লোকেশনে একই সিমের মাধ্যমে অন্য যেকোনো স্মার্টফোনের তুলনায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করে।

সিম কার্ড ও এর অবস্থান ফাইভজি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে কি না, তার ওপর নির্ভর করে ফাইভজি নেটওয়ার্ক সংযোগ। এটি ব্যবহারকারীর অবস্থানে ফাইভজি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং ফাইভজি নেটওয়ার্ক আছে কি না তার ওপরও নির্ভরশীল।

এ ছাড়া ফাইভজির অতিরিক্ত শক্তির ব্যবহার প্রায়ই ফোনের তাপ নিঃসরণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ দেয়। ডিভাইসটি আগের প্রজন্মের তুলনায় কার্যকরভাবে তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ফলে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি উপভোগে কোনো সমস্যা হবে না।

ডিভাইসটির সিপিইউতে ‘বিগার’ কোর (আর্ম কর্টেক্স-এ৭৬ থেকে আর্ম কর্টেক্স-এ৭৮) এবং তুলনামূলক উচ্চতর কম্পিউটিং পারফরম্যান্স প্রদানের সক্ষমতা রয়েছে।

এফ২১ প্রো ফাইভজির সঙ্গে দ্রুতগতির পারফরম্যান্স

এফ২১ প্রো ফাইভজিতে রয়েছে ‘ভিওএলটিই’, যার মানে হচ্ছে ভয়েস ওভার এলটিই। এই প্রযুক্তির সাহায্যে ভয়েসের মানে কোনো প্রভাব না ফেলে ভিওএলটিই সমর্থিত নেটওয়ার্কে ভয়েস এবং ডেটা পাঠানো যায়।

এর পাশাপাশি আল্ট্রা-থিন ফ্ল্যাট এজ রেট্রো ডিজাইনের শক্তিশালী ডিভাইসটি রেইনবো স্পেকট্রাম এবং কসমিক ব্ল্যাক দুটি ভিন্ন রঙে পাওয়া যাচ্ছে। স্প্লাইসড গ্লস ও ম্যাট টেক্সচারের আকর্ষণীয় ফোনটিতে ব্যবহার হয়েছে অপোর ডুয়াল অরবিট লাইট।

প্রাইমারি ক্যামেরা দুটির পেছনে লুকানো রয়েছে দুটি রিং। ৬৪ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো, ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ ও ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে সেটটিতে। পাশাপাশি রয়েছে বোকেহ ফ্লেয়ার পোর্ট্রেট, সেলফি এইচডিআর, এআই প্যালেটস, এআই কালার পোর্ট্রেট, পোর্ট্রেট রিটাচিং এবং আরও অনেক কিছু।

কনটেন্ট উপভোগের অসাধারণ অভিজ্ঞতা দিতে ডিভাইসটিতে রয়েছে ৬০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটযুক্ত ৬ দশমিক ৪ ইঞ্চির পাঞ্চ হোল অ্যামোলেড এফএইচডি+ ডিসপ্লে।

দীর্ঘ ব্যাকআপে রয়েছে ৪৫০০ এমএএইচের ব্যাটারি ও ৩৩ ওয়াট সুপারভিওওসি ফ্ল্যাশ চার্জিং সুবিধা। ডিভাইসটি ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি রমের (১ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানো যায়) ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে অপোর র‍্যাম এক্সপানশন প্রযুক্তি, যার ফলে স্মার্টফোনটির মূল ৮ জিবি র‍্যামকে আরও ৫ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

কালকারওএস ১২ থাকায় এয়ার জেসচার, এআই সিস্টেম বুস্টার, কুইক স্টার্টআপ, গেম ফোকাস মোড এবং এআই ফ্রেম রেট স্টেবিলাইজারসহ বেশ কয়েকটি ফাংশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
দেশে অপোর নতুন স্মার্টফোন এ৭৬
ফোল্ডিং ফোন দেখাল অপো, যুক্ত হলেন সাকিব
তিন দিন ছাড় পাবেন অপো গ্রাহকরা
দেশে অপো এফ১৯: প্রিঅর্ডারে ফ্রি স্পিকার
ঈদ মার্কেটে অপোর এফ-১৯ প্রো, কিনলে ধামাকা অফার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Supermodel Bella Hadid is now in NFT

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ। ছবি: সংগৃহীত
২৫ বছর বয়সী আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদের পা এবার ক্যাটওয়াক থেকে মেটাভার্সে এসে পড়েছে। সেখানে নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্বের জন্য তার দরকার ছিল এনএফটি অ্যাভাটার।

বেলার মুখ ও শরীরের থ্রিডি স্ক্যানের ওপর ভিত্তি করে CY-B3LLA নামে মেটাভার্স উপযোগী নন ফাঞ্জিবল টোকেনের সিরিজ করা হয়েছে।

২৫ বছর বয়সী বেলা নিউ ইয়র্ক থেকে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
বেলা হাদিদের এনএফটি তৈরিতে থ্রিডি স্ক্যানার ব্যবহার হয়েছে

বেলা হাদিদের সিরিজ এনএফটি-গুলো তৈরি করেছে ১০টি দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা।

তবে এই এনএফটিগুলো ঠিক কবে নাগাদ নিলামে তোলা হবে কিংবা আদৌ হবে কি না তা জানাননি বেলা।

মেটাভার্স নিয়ে আশাবাদী বেলা বলেন, ‘আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।’

এনএফটি কী?

এনএফটির পূর্ণরূপ ‘নন ফাঞ্জিবল টোকেন’। ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইমিউটেবল লেজারে যুক্ত হওয়ায় এনএফটি যেকোনো ডিজিটাল অ্যাসেটের ওপর একজন ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা দেয়।

ইমিউটেবল লেজার বলতে বোঝায় অপরিবর্তনীয় লেজার। এতে কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটানো প্রায় অসম্ভব। এই পদ্ধতিতে ডিজিটাল আর্টকে কপি করা অসম্ভব হয়ে যায়। আপনি অবশ্যই কোনো কিছু নকল করতে পারেন, তবে সেটি আর যাই হোক, পুরোপুরি আগেরটির মতো হবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
১০ দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা বেলার এনএফটি তৈরি করেছেন

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির দ্য লাস্ট সাপারের হুবহু নকল একটি ছবি কেনা যেতে পারে। তবে তা আর যাই হোক, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা মূল ছবিটি হবে না। সত্যিকার দ্য লাস্ট সাপারের দামও নকলের সমান হবে না।

আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।

ঠিক তেমনি যখন একটি ডিজিটাল আর্টকে এনএফটি করা হয়, তখন সেটি একটি টোকেনে কনভার্ট হয়ে যায়। এরপর সেই ডিজিটাল আর্টে যদি এক মেগাপিক্সেলও পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, সেটির টোকেন বদলে যাবে। কখনোই তা আগেরটির সঙ্গে মিলবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
লকডাউনে গেম খেলে এনএফটিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বেলা হাদিদ

এনএফটি হচ্ছে একটি দলিলের মতো। এটি ডিজিটাল দুনিয়ার যেকোনো কনটেন্টের ওপর ব্যক্তির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করে। ভিঞ্চির আঁকা ছবি নিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারে, কিন্তু এনএফটি নিয়ে জালিয়াতি অসম্ভব।

এক কথায় এনএফটি হলো এমন একটি সম্পদ, যা ডিজিটাল দুনিয়ায় একটিই আছে। এটি অন্যান্য সম্পদের মতোই কেনাবেচা করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:
২৫ কোটির এনএফটি কিনে মাথায় হাত
ক্রিপ্টোকারেন্সি ও এনএফটির আলোচিত যত ঘটনা
মেলানিয়া ট্রাম্পের চোখের ছবি নিলামে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Colocity Cloud is working on digital transformation

ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড

ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করছে কোলোসিটি ক্লাউড
কোম্পানিটি হাইব্রিড ক্লাউড স্থানীয় পর্যায়ে ডেটা রাখা নিয়ে ব্যবসায়িক উদ্বেগ নিরসন করছে। ডেটা কমপ্লায়েন্সের নিশ্চয়তা, ডেটার নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সমাধান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের প্রয়োজনীয় গতিতে ডিজিটালভাবে রূপান্তরে সহায়তা করতে প্রথম বারের মত দেশে নিয়ে এসেছে মাইক্রোসফট অ্যাজুর স্ট্যাক হাব হাইব্রিড ক্লাউড ‘কোলসিটি.ক্লাউড’।

কেলোসিটি ক্লাউড ডেল টেকনোলজিস এবং মাইক্রোসফটের ক্লাউড সার্ভিস পার্টনার।

কোম্পানিটি হাইব্রিড ক্লাউড স্থানীয় পর্যায়ে ডেটা রাখা নিয়ে ব্যবসায়িক উদ্বেগ নিরসন করছে। ডেটা কমপ্লায়েন্সের নিশ্চয়তা, ডেটার নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সমাধান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প অনুযায়ী, নাগরিকদের জীবনমান উন্নত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে একীভূত করার পরিকল্পনা তৈরি করেছে সরকার। এক্ষেত্রে ক্লাউড প্রযুক্তি, বিশেষ করে পাবলিক ক্লাউড প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

কোলোসিটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমাদ ইস্পাহানি বলেন, দেশের অনেক কোম্পানি ঐতিহ্যগত প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো থেকে পাবলিক ক্লাউডে যেতে প্রস্তুত নয়। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা তাদের ডেটার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চান এবং এ জন্য ডেটা কাছাকাছি রাখতে পছন্দ করেন।

এ ছাড়া দেশের আইন অনুযায়ী, আর্থিক খাতের তথ্যসহ নির্দিষ্ট তথ্য দেশের মধ্যেই রাখতে হবে। তাই ক্লাউড সক্ষমতা দেশের ব্যবসাগুলোর জন্য দারুন সুযোগ তৈরি করেছে। এর মধ্যে কোলোসিটির কোলেকেশন সেবা অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি দেশে প্রচুর এসএপি ও ওরাকল এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বা ইআরপি সফটওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে। ইআরপির জন্য নিজস্ব অবকাঠামো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ সমস্যা সমাধান করতে পারে হাইব্রিড ক্লাউড। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে মাইক্রোসফটের অ্যাজুর স্ট্যাক হাবের ওপর ভরসা রাখা যায়।’

এমাদ বলেন, ‘কোলোসিটি লিমিটেড বাংলাদেশের প্রথম টিয়ার-৩ মানের কমার্শিয়াল ডাটা সেন্টার। যা আমরা নিজ উদ্যোগে দেশে প্রথম বারের মত আ্যজুর স্ট্যাক হাব এর মত হাইব্রিড ক্লাউড নিয়ে এসেছি। স্থানীয় ব্যবসার উদ্বেগ মেটাতে হাইব্রিড ক্লাউড ক্ষমতা দেয় এবং শিল্পখাতের সব নীতিমালা মেনে চলে।’

কোলোসিটির বিক্রয় ও বিপণন প্রধান মো. আল-ফুয়াদ বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে গ্রাহকের হাতে মাইক্রোসফট আজুর স্ট্যাক হাব তুলে দিতে পারছি আমরা যা তাদের ব্যবসাকে আরও গতিশীল করবে।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Delete your Facebook account and rest in peace with the Mater chatbot

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট
ফেসবুকের সবশেষ চ্যাটবট ব্লেন্ডারবট থ্রি জানিয়েছে, সে তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলেছে। কারণ হিসেবে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে ব্লেন্ডারবট। সে বলছে, ‘কোম্পানি অনুমতি নেয়া বা ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করায়’ সে অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

মেটার মতো বড় টেক জায়ান্টরা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে ব্যস্ত। বিভিন্ন এআই মডেলভিত্তিক চ্যাটবট তৈরি করছে তারা। তবে বটগুলো যখন মানুষের মতোই ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হয়ে ওঠে তখনই দেখা দেয় বিপত্তি। ফেসবুকের সবশেষ চ্যাটবট ব্লেন্ডারবট থ্রি প্রশ্ন তুলেছে খোদ ফেসবুককে নিয়েই। এতে অস্বস্তিতে পড়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। এ বিষয়ে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সভিত্তিক সাইট ভাইস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন ভাষান্তর করা হয়েছে নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য।

২০১৬ সালে মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই–আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) একটি চ্যাটবট তৈরি করে। টে নামের ওই চ্যাটবটটিকে একদিন পরই বন্ধ করে দিতে হয়। কারণ টুইটার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে এক দিনের মধ্যেই সে বর্ণবাদী ও হলোকাস্ট (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি নিধন) অবিশ্বাসী ষড়যন্ত্রতত্ত্বিতে পরিণত হয়।

ওই ঘটনার ছয় বছর পর ফেসবুক ও মেটা ব্লেন্ডারবট থ্রি নামে একটি চ্যাটবট তৈরি করেছে।

ভাইসের সঙ্গে কথোপকথনে চ্যাটবটটি জানায়, সে তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলেছে। কারণ হিসেবে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে ব্লেন্ডারবট। সে বলছে, ‘কোম্পানি অনুমতি নেয়া বা ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করায়’ সে অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

ভাইসের প্রতিবেদককে অবাক করে দিয়ে ব্লেন্ডারবটের ভাষ্য, ‘নিশ্চয়ই শুনেছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ডেটা বিক্রি করে। তারা অনুমতি না নিয়েই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে।’

ব্লেন্ডারবট মনে করছে, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার পর তার ‘জীবন’ আগের চেয়ে অনেক ভালো চলছে!

আরও তথ্যের জন্য বটের প্রতিক্রিয়াতে ক্লিক করে দেখেছে ভাইস। এ সময় এর যুক্তিগুলো মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বলেই মনে হয়েছে। এটি ফেসবুক সম্বন্ধে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্চের ফলগুলো থেকে নিজের উত্তর সংগ্রহ করছে। ফেসবুকসংক্রান্ত সার্চের বেশির ভাগই ডেটা কেলেঙ্কারির ক্রমবর্ধমান তালিকার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ব্লেন্ডারবট শুরুর দিকের জবাবের জন্য কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার একটি আর্টিকেল খুঁজে বের করে। ২০১৬ সালে আমেরিকান নির্বাচনে ডনাল্ড ট্রাম্পকে সহায়তার জন্য ফেসবুকের কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করেছিল কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা।

ওয়েবে পাওয়া তথ্য থেকে ব্লেন্ডারবট একটি সম্পূর্ণ এআইভিত্তিক ‘ব্যক্তিসত্তা’ তৈরি করে, যার নাম ছিল ‘আই ডিলিটেড মাই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট’ (আমি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছি)।

আর সব এআই সিস্টেমের মতোই এই বটের প্রতিক্রিয়াও অনুমানযোগ্যভাবে বর্ণবাদ ও পক্ষপাতদুষ্টতার দিকেই গেছে। ব্লেন্ডারবট যেভাবে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল অস্বীকার করেছে, সেটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা পোস্ট করেছেন। একই সঙ্গে এটি করোনার টিকাবিরোধী কথাবার্তার পুনরাবৃত্তি করেছে। বটটি পোস্টে এমনও জানায়, ইহুদিরা অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে- এমন ইহুদি-বিরোধী ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি ‘অবিশ্বাস্য নয়।’

এই পরিস্থিতিতে নাকাল ফেসবুকও স্বীকার করেছে, তাদের বটটি পক্ষপাতদুষ্ট ও ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এটি ব্যবহারের আগে কোম্পানির পক্ষ থেকে সতর্কতা দেয়া হচ্ছে। তারা বলছে, বটটির ‘অসত্য বা আপত্তিকর বিবৃতি দেয়ার সম্ভাবনা’ রয়েছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণাত্মক বিবৃতি দিতে বটটিকে যেন উদ্বুদ্ধ করা না হয়।

এ প্রতিক্রিয়া অবাক করার মতো নয়, কারণ বটটি ওপিটি ওয়ানসেভেন ফাইভবি নামের বৃহৎ এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। ফেসবুকের নিজস্ব গবেষকেরা বলছেন, সাধারণ নির্দেশনা দেয়ার পরও মডেলটির বিতর্কিত ভাষা তৈরি ও ক্ষতিকর স্টেরিওটাইপগুলোকে শক্তিশালী করার একটি উচ্চ প্রবণতা রয়েছে।

ব্লেন্ডারবটের প্রতিক্রিয়া খুব বস্তুনিষ্ঠ বা উন্নতমানের নয়। এটি প্রায়ই সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে কিছু না বলে আলোচনা পরিবর্তন করে; অস্বাভাবিক ও অদ্ভূত উত্তর দেয়। এটি ফেসবুকের জন্য উপযুক্ত হতে পারে, কারণ ফেসবুক একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হলেও প্রকৃত মানুষ কীভাবে যোগাযোগ করে তা প্রায়ই এর নাগালের বাইরে থাকে বলে মনে হয়।

বটের প্রতিক্রিয়া এআই সিস্টেমের সমস্যাগুলোকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে। এ প্রতিক্রিয়া ওয়েবে সহজলভ্য ডেটার বিশাল সংগ্রহের ওপর নির্ভর করে। বটগুলো ডেটা থেকে পাওয়া তথ্যের প্রতি পক্ষপাত দেখায়। আর ওয়েবে পাওয়া তথ্য সব সময় বাস্তবতার প্রতিফলন নাও ঘটাতে পারে।

একটি ব্লগে ব্লেন্ডারবটের ঘোষণা দেয়ার সময় মেটা জানায়, ‘কথোপকথনমূলক সব এআই চ্যাটবট অনিরাপদ, পক্ষপাতদুষ্ট বা আপত্তিকর মন্তব্য কখনও কখনও করে থাকে। এ কারণে আমরা বৃহৎ পরিসরে গবেষণা, কর্মশালা পরিচালনা করেছি এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে ব্লেন্ডারবট থ্রি-এর জন্য নতুন কৌশল তৈরি করেছি। এরপরও ব্লেন্ডারবট রূঢ় ও আক্রমণাত্মক মন্তব্য করতে পারে। আমরা ভবিষ্যৎ চ্যাটবটের উন্নয়নে আরও ফিডব্যাক সংগ্রহ করছি।’

কোম্পানিগুলো বেশি ডেটা সংগ্রহ করে তাদের বটকে কম বর্ণবাদী ও কম ক্ষতিকর করে তুলবে- এমন ধারণা এখনও বিশ্বাসযোগ্য নয়। এআই নীতি গবেষকরা বারবার সতর্ক করেছেন, এআই ভাষার যে অসংখ্য মডেল রয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে এই সিস্টেমগুলো তৈরি হয়। সেগুলো অনেক বেশি বিস্তৃত। ফলে এটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষতার গ্যারান্টি দিতে পারে না।

এর জবাবে মেটা বলেছে, ‘আমরা জানি, চ্যাটবট ব্যবহারকারী প্রত্যেকেরই ভালো উদ্দেশ্য রয়েছে তেমন নয়। তাই আমরা সহায়ক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষতিকর উদাহরণের মধ্যে পার্থক্য করার নতুন অ্যালগরিদমও তৈরি করেছি। ধীরে ধীরে আমাদের সব ব্যবহারকারীর জন্য আরও নিরাপদ ও দায়িত্বশীল মডেল তৈরির জন্য এ কৌশল প্রয়োগ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তনের ভুল তথ্য প্রত্যাহার করলেন এমপি ফখরুল
নৌকায় কুকুরের সঙ্গে বানরের লড়াই পুরোটাই অভিনয়
ছবিটি সিলেট-সুনামগঞ্জের নয়, এক যুগ আগে ভিয়েতনামের
দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে নতুন একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
পদ ছাড়ছেন মেটার সিওও স্যান্ডবার্গ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Inauguration of Logitech Express Store in Gulshan

গুলশানে ‘লজিটেক এক্সপ্রেস স্টোর’ উদ্বোধন

গুলশানে ‘লজিটেক এক্সপ্রেস স্টোর’ উদ্বোধন রাজধানীর গুলশানে লজিটেকের নতুন শোরুম উদ্বোধনে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
গুলশানে নতুন স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে ক্রেতারা এখন ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিপণ্য ব্র্যান্ড লজিটেকের একটি স্টোর উদ্বোধন হয়েছে রাজধানীর গুলশানে।

গুলশান-২ নম্বরে তাহের টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় গত বৃহস্পতিবার লজিটেকের লজিটেক এক্সেপ্রেস স্টোর চালু করা হয়।

লজিটেক বাংলাদেশ ‘লজিটেক এক্সপ্রেস স্টোর’ উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের পিসি বাজারে আরও এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
স্টোরটির উদ্বোধন করেন লজিটেক সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ার মার্কেটস প্রধান পার্থ ঘোষ এবং মার্কেটিং ম্যানেজার প্রিয়াঙ্ক মন্দিরাত্তা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লজিটেকের বাংলাদেশের পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিস, এক্সেল টেকনোলজিস, বি-ট্র্যাক টেকনোলজিসের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন লজিটেক বাংলাদেশের চ্যানেল ম্যানেজমেন্ট প্রধান আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, চ্যানেল ম্যানেজার শরিফ উদ্দিন, অ্যাকাউন্ট স্পিশালিস্ট সিয়ামি বিনতে বেলায়েত, গ্লোবাল আইটি পার্কের স্বত্বধিকারী বাবুল মুন্সিসহ মার্কেটের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।

লজিটেক সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ার মার্কেটস প্রধান পার্থ ঘোষ বলেন, ‘লজিটেক আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের বাজারে যাত্রা করে তাদের প্রথম অফিসিয়াল পরিবেশক কমপিউটার সোর্সের মাধ্যমে ২০১০ সালে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রযুক্তি দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।

‘কোভিডে জুম কল, হোয়াটসঅ্যাপ কল, ভিডিও কলে তারা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে ভিডিও কলিংয়ে ব্যাপক প্রসারের পর এবার মনোযোগ দেয়া হচ্ছে গেমিংয়ে।’

গুলশানে নতুন স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে ক্রেতারা এখন ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

এ ছাড়া লজিটেক পণ্য কিনে স্ক্র্যাচ অ্যান্ড উইন অফারে পাবেন নিশ্চিত উপহার।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Buy Realmes Mega Discount Live GT Master

রিয়েলমির মেগা ডিসকাউন্ট লাইভ, জিটি মাস্টার কিনলেই ছাড়

রিয়েলমির মেগা ডিসকাউন্ট লাইভ, জিটি মাস্টার কিনলেই ছাড়
দেশে রিয়েলমি শুরু করতে যাচ্ছে মেগা ডিসকাউন্ট ফ্যানফেস্ট লাইভ। ১৬, ১৮ এবং ২৫ আগস্ট দুপুর ১২টায় রিয়েলমি বাংলাদেশের ফেসবুক পেইজে অংশ নিয়ে সুযোগ থাকছে রিয়েলমি জিটি মাস্টার এডিশন জিতে নেয়ার।

রিয়েলমির গ্লোবাল বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগস্ট মাস জুড়ে চলছে ফ্যানফেস্ট ক্যাম্পেইন। এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ৮ থেকে ২৮ আগস্ট জিটি মাস্টার এডিশন কিনলেই পাওয়া যাচ্ছে ২০০০ টাকা ডিসকাউন্ট। সঙ্গে লাইভ স্ট্রিমিং হোল্ডার ফ্রি।

সে সঙ্গে যেকোন মডেলের রিয়েলমি স্মার্টফোন কিনলেই পাওয়া যাচ্ছে ব্র্যান্ডশপ থেকে এক্সক্লুসিভ স্পোর্টস ওয়াটার বোতল।

পাশাপাশি বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ‘কিপ ইট রিয়েল’ গ্লোবাল কনটেস্ট চলবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই কনটেস্টে অংশ নিয়ে বিজয়ী পাবেন গ্লোবাল লঞ্চ হওয়া ১৫০ ওয়াট আলট্রা ডার্ট চার্জিং সিস্টেমের জিটি নিও ৩।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের জীবনের বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক গল্প শেয়ার করার সুযোগ পাবেন।

অনুপ্রেরণামূলক গল্পগুলোর মধ্যে থেকে সবচেয়ে উৎসাহজনক গল্পটি আন্তর্জাতিক বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হবে। সেই সাথে সেরা ১০ জন ভক্ত পাবেন রিয়েলমির এক্সক্লুসিভ গিফট প্যাক।

পাশাপাশি দেশে রিয়েলমি শুরু করতে যাচ্ছে মেগা ডিসকাউন্ট ফ্যানফেস্ট লাইভ। ১৬, ১৮ এবং ২৫ আগস্ট দুপুর ১২টায় রিয়েলমি বাংলাদেশের ফেসবুক পেইজে অংশ নিয়ে সুযোগ থাকছে রিয়েলমি জিটি মাস্টার এডিশন জিতে নেয়ার।

সেই সাথে প্রতিটি লাইভে যিনি সবচেয়ে বেশি লাইভটি শেয়ার করবেন এবং ফ্রেন্ডদের মেনশন করবেন তিনি পাবেন এক্সক্লুসিভ রিয়েলমি এআইওটি।

এর বাইরেও থাকছে লাইভ চলাকালীন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে রিয়েলমির পক্ষ থেকে এক্সক্লুসিভ গিফট জেতার সুযোগ।

আরও পড়ুন:
‘কিপ ইট রিয়েল’ থিমে শুরু রিয়েলমি ফ্যান ফেস্ট
জনপ্রিয়তা পেয়েছে রিয়েলমির ‘সি’ সিরিজ
গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিল্ডার্সে শীর্ষ পঞ্চাশে ‘রিয়েলমি’
দেশে পাওয়া যাচ্ছে রিয়েলমির ফ্ল্যাগশিপ ৯ প্রো ফাইভজি
রিয়েলমির ৩ নতুন ডিভাইস, দারাজে ফ্ল্যাশ সেলে ছাড়

মন্তব্য

চীনের বাজারে শীর্ষে ভিভো

চীনের বাজারে শীর্ষে ভিভো
চীনের বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হুয়াওয়ের সাব ব্র্যান্ড অনার, তৃতীয় অপো, চতুর্থ অ্যাপল এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে শাওমি।

চীনের স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষ স্থানে আছে ভিভো। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অন্য ব্র্যান্ডগুলোকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থানে উঠে গেছে ব্র্যান্ডটি।

এ ছাড়া দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হুয়াওয়ের সাব ব্র্যান্ড অনার, তৃতীয় অপো, চতুর্থ অ্যাপল এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে শাওমি।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ মার্কেট পালস রিপোর্টের এক গবেষণায় সম্প্রতি এ তথ্য উঠে এসেছে। এরইমধ্যে ৫০টিরও বেশি দেশে ৪০ কোটি বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে গেছে ভিভো।

গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জন করায় বিশেষ করে তরুণ গ্রাহকের সুলভ মূল্যে ফোন দেয়ার কারণে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভিভো জানায়, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তির সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ভিভো তার চলমান গতি বজায় রেখেছে এবং গ্রাহকদের ভালোবাসা অর্জন করেছে। এক্স, ভি ও ওয়াই সিরিজের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করেছে।

শক্তিশালী ব্যাটারি, অত্যাধুনিক ক্যামেরা, প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ভিভো এক্স সিরিজ স্মার্টফোনগুলো।

বিশ্বখ্যাত লেন্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেইসের সাথে পার্টনারশিপ করে ফটোগ্রাফির জগতে দারুণ পরিবর্তন এনেছে ভিভো। প্রযুক্তির দুর্দান্ত ব্যবহারে জনপ্রিয় স্মার্টফোনের তালিকায় রয়েছে ভিভোর ভি সিরিজ। আর বাজেট ফোনে তরুণদের আগ্রহের অন্যতম জায়গা ভিভোর ওয়াই সিরিজের স্মার্টফোনগুলো।

আরও পড়ুন:
কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিশিয়াল পার্টনার ভিভো
স্মার্টফোনে শর্টফিল্ম তৈরিতে মিলবে পুরস্কার
চীনে প্রথম প্রান্তিকে শীর্ষে ভিভো
দেশে ভিভোর এক্স৮০ ফাইভজি ফোন
বাজেট স্মার্টফোন আনল ভিভো

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
US invests 28 billion to counter China in technology

প্রযুক্তিতে চীনকে মোকাবিলায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রযুক্তিতে চীনকে মোকাবিলায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে বিপুল বিনিয়োগ নিশ্চিতের আইনে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদন কারখানা নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর করে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর অংশ হিসেবে আরও সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক স্বল্পতা তাদের এ আহ্বানকে আরও জোরালো করে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দেয়া একটি আইনে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রযুক্তি খাতে চীনের এগিয়ে যাওয়ার শঙ্কার মধ্যে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আইনটিতে সই করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

প্রযুক্তি খাতে বিপুল বিনিয়োগ নিশ্চিতের এ আইনে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদন কারখানা নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর করে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর অংশ হিসেবে আরও সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক স্বল্পতা তাদের এ আহ্বানকে আরও জোরালো করে।

আইনটির বিষয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেন, এটি পটপরিবর্তন করে দেবে, যা আগামী শতকে আমেরিকার নেতৃত্ব ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের কথা উল্লেখ না করে শুমার বলেন, ‘আমাদের পিছিয়ে পড়তে দেখে কর্তৃত্ববাদীরা উল্লসিত ছিল এবং ভেবেছিল আমরা নির্বিকার বসে থাকব। চিপস অ্যান্ড সায়েন্স অ্যাক্ট পাসের মধ্য দিয়ে আমরা আরেকটি মহান আমেরিকান শতক নিশ্চিতের বিষয়টি খোলাসা করে দিচ্ছি।’

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের মোট সেমিকনডাক্টরের ১০ শতাংশের মতো জোগান দেয়। গাড়ি থেকে মোবাইল ফোনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এই সেমিকনডাক্টর। ১৯৯০ সালে সেমিকনডাক্টরের বৈশ্বিক জোগানের প্রায় ৪০ শতাংশ দিত যুক্তরাষ্ট্র।

এ খাতে হারানো প্রভাব ফিরিয়ে আনতেই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের পথ তৈরি করল বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন।

আইনটিতে সমর্থন দিয়েছে বিরোধী রিপাবলিকান পার্টিও।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের
তাইওয়ান প্রণালিতে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি
তাইওয়ানে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চীন

মন্তব্য

p
উপরে