× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Iran launches rocket capable of carrying satellites
hear-news
player
print-icon

স্যাটেলাইট বহনে সক্ষম রকেটের উৎক্ষেপণ ইরানের

স্যাটেলাইট-বহনে-সক্ষম-রকেটের-উৎক্ষেপণ-ইরানের-
দ্বিতীয়বারের মতো জুলজানাহ স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার উৎক্ষেপণ করেছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত
হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাতি ইমাম হুসাইন (র.)-এর ঘোড়ার নামানুসারে এই স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার রকেটের নামকরণ করা হয়েছে জুলজানাহ। রকেটটি ২৫.৫ মিটার লম্বা এবং এর ওজন প্রায় ৫২ টন। আশা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির সংযোজন ও সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জুলজানাহ স্যাটেলাইট বহনে সক্ষম রকেট ৫০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পেলোড বহনে সক্ষম হবে।

ইরান দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশে স্যাটেলাইট বহনে সক্ষম রকেটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেসটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আহমেদ হুসেনি জানিয়েছেন, তিন পর্যায়ে স্যাটেলাইট বহনে সক্ষম রকেট জুলজানাহর পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কঠিন প্রপালশন পর্যায় ও তরল প্রপালশন পর্যায়। রকেটের তৃতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতেই হোসেইনি বলেছিলেন যে প্রতিটি গবেষণার জন্য উৎক্ষেপণের সময় জুলজানাহর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা হয় এবং মূল্যায়ন করা হয়।

আরও দুটি জুলজানাহর পরীক্ষামূলক রকেট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

আশা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির সংযোজন ও সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জুলজানাহ স্যাটেলাইট বহনে সক্ষম রকেট ৫০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পেলোড বহনে সক্ষম হবে।

এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে জুলজানাহ স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার রকেটকে উৎক্ষেপণ করেছিল।

হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাতি ইমাম হুসাইন (র.)-এর ঘোড়ার নামানুসারে এই স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার রকেটের নামকরণ করা হয়েছে জুলজানাহ। রকেটটি ২৫.৫ মিটার লম্বা এবং এর ওজন প্রায় ৫২ টন।

ইরান বরাবরই বলে আসছে, পরমাণু কর্মসূচির মতোই দেশটির স্যাটেলাইট কর্মসূচির উদ্দেশ্যও শান্তিপূর্ণ।

তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে আসছে। তারা মনে করছে, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের অংশ হিসেবে সামরিক প্রয়োগের লক্ষ্য থাকতে পারে ইরানের স্যাটেলাইট কর্মসূচির।

আরও পড়ুন:
এবার গ্রিসের তেলের ট্যাংকার আটকাল ইরান
ইরানে বিপ্লবী গার্ডের কর্নেলকে হত্যা
গোপন যুদ্ধে মোসাদকে পাল্টা জবাব ইরানের
ইরাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় নিল ইরান
মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠাতে ব্যর্থ ইরান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Canada is pouring 154 million dollars into cannabis

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা
বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। দেশটির সরকার ২০০৮ সাল থেকে সাবেক সামরিক সদস্যদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত গাঁজার খরচ দিচ্ছে।  

সাবেক সেনাদের গাঁজা কেনা সহজ করতে আরও টাকা ঢালতে যাচ্ছে কানাডা সরকার। বলা হচ্ছে, সরকার এবার এ খাতে প্রায় ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার খরচ করবে। এই অঙ্ক গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় ১৩৫ শতাংশ বেশি। কানাডার ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স ২০০৮ সাল থেকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত গাঁজার জন্য এ অর্থ ব্যয় করছে।

বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। উরুগুয়ের পর কানাডা এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দ্বিতীয় দেশ। সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে এ ব্যবস্থাটির বৈধতা দেয় জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

কানাডায় ওষুধ হিসেবে গাঁজা ২০০১ সাল থেকে বৈধ। গবেষণায় দেখা গেছে, উদ্বেগ, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে গাঁজা ভীষণ কার্যকর।

২০০৮ সালে আইনি নানা বাধা কাটিয়ে ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের চিকিৎসায় ঔষধি গাঁজার অনুমোদন দেয়। তিন বছর পর ২০১১ সালে গাঁজাকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে নিয়মকানুনগুলো সহজ করে সরকার। এ বছর গাঁজা কেনার জন্য ৩৭ জনকে ৮১ হাজার ডলার দেয়া হয়।

ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স বলছে, মেডিক্যাল গাঁজা ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানে দারুণ একটি ক্ষেত্র। এ নিয়ে আরও গবেষণা চলবে। বয়স্ক এবং তাদের পরিবারের কল্যাণে প্রয়োজনীয় নীতি সমন্বয় করা হবে।

কানাডিয়ান সিনেট কমিশন ২০১৯ সালে চিকিৎসার উদ্দেশে গাঁজার ইতিবাচক ফলাফলের ওপর জোর দিয়েছিল। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার বিরুদ্ধে ‘অত্যন্ত আসক্তিযুক্ত’ ওপিওডের বিকল্প ধরা হচ্ছে গাঁজাকে।

সিনেটররা বলেন, ‘গাঁজার দাম নিয়মিত মূল্যায়ন করা দরকার। কারণ কিছু অভিজ্ঞ সেনার সামর্থ্যের চেয়ে বেশি খরচ হতে পারে।’

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে কমপক্ষে ১৮ হাজার সাবেক সেনাকে ঔষধি গাঁজার জন্য টাকা দিয়েছিল কানাডা সরকার, যা ফেডারেল খরচের (১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার) সমান।

বিশেষজ্ঞরা প্রবীণদের জন্য পরিকল্পনাটিকে অনেকাংশেই সমর্থন করেন। তবে তারা বলছেন, এটির সঙ্গে মনোসামাজিক সহায়তা থাকা জরুরি, বিশেষ করে উদ্বেগ এবং পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন:
মাল্টার আদলে গাঁজা ‘পাচার’
গাঁজা সেবনের দায়ে ছাত্রদল নেতাকে জরিমানা
লং কোভিড চিকিৎসায় ‘অতুলনীয়’ গাঁজা
গাঁজা চাষে বিনিয়োগে জার্মান ব্যবসায়ীর সঙ্গে তালেবানের চুক্তি!
‘গাঁজা কিনতেন জাল টাকায়’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
8 dead in South Korea due to heaviest rain in 80 years

৮০ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় ৮ মৃত্যু

৮০ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় ৮ মৃত্যু আট দশকের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের গ্যাংনাম এলাকা। ছবি: ইয়োনহাপ
বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার রাতে সিউলের কিছু অংশ, পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দর নগরী ইনচিয়ন এবং সিউলঘেঁষা গিয়ঙ্গি প্রদেশে ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। সিউলের দংজাক এলাকায় এক পর্যায়ে ঘণ্টায় ১৪১.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, যা ১৯৪২ সালের পর সর্বোচ্চ।

বিগত ৮০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল ও আশপাশের এলাকায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

বানের জলে ভেসে নিখোঁজ হয়েছে আটজন। বন্যার পানি ঢুকে গেছে বাড়িঘর, যানবাহন, ভবন ও পাতাল রেলপথে।

দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মঙ্গলবার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সিউলভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার রাতে সিউলের কিছু অংশ, পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দর নগরী ইনচিয়ন এবং সিউলঘেঁষা গিয়ঙ্গি প্রদেশে ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। সিউলের দংজাক এলাকায় এক পর্যায়ে ঘণ্টায় ১৪১.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, যা ১৯৪২ সালের পর সর্বোচ্চ।

দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজধানী শহরে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। দক্ষিণাঞ্চলীয় গিয়ঙ্গি প্রদেশে বৃষ্টিপাত ৩৫০ মিলিমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

সরকারি ডেটা অনুযায়ী, সিউলে ভারি সৃষ্টির পর বন্যায় পাঁচজনের মৃত্যু ও চারজন নিখোঁজ হয়েছে। গিয়ঙ্গি প্রদেশে মৃত্যু হয় তিনজনের। সেখানে নিখোঁজ রয়েছে দুজন।

গিয়ঙ্গি প্রদেশে ৯ জন আহত হয়। সেখানে ২৩০টি পরিবারের ৩৯১ জন মানুষ বাড়িঘর হারিয়েছে। তারা আশ্রয় নিয়েছে স্কুলসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায়।

সিউলের গোয়ানক এলাকায় একটি পরিবারের তিন সদস্য (চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী, তার বোন এবং কিশোরী ভাগ্নি) স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৯টা ৭ মিনিটে তলিয়ে যাওয়া একটি বাড়িতে ছিলেন বলে খবর পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে তাদের মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

দংজাক এলাকায় স্থানীয় ওয়ার্ড কার্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব এক কর্মীর মৃত্যু হয় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে। সড়কের পাশে পড়ে যাওয়া গাছ পরিষ্কারের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই এলাকায় বিকেল তলিয়ে যাওয়া একটি বাড়িতে ৫টা ৪০ মিনিটে আরও একজনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ কোরিয়া আ.লীগের রফিকুল বহিষ্কার
দক্ষিণ কোরিয়ায় আগুনে নিহত ৭
ব্যবসা সহজীকরণে দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তা চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকবে দক্ষিণ কোরিয়া
পাকিস্তানের দুই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে টুপি-চকলেট চুরির অভিযোগ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
China prepares for drill attack Taiwan

চীনের মহড়া হামলার প্রস্তুতি: তাইওয়ান

চীনের মহড়া হামলার প্রস্তুতি: তাইওয়ান তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়ায় চীনের যুদ্ধবিমান। ছবি: এএফপি
তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ বলেন, ‘তাইওয়ানে হামলার জন্য মহড়া ও সামরিক কৌশল সাজিয়েছে চীন। চীনের আসল উদ্দেশ্য তাইওয়ান প্রণালি এবং পুরো অঞ্চলের স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করা।’

আকাশ ও জলপথে সামরিক মহড়ার মধ্য দিয়ে চীন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দাবি করেছেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করতে চাইছে বলে মনে করছে তাইপে।

‘তাইওয়ানে হামলার জন্য মহড়া ও সামরিক কৌশল সাজিয়েছে চীন। চীনের আসল উদ্দেশ্য তাইওয়ান প্রণালি এবং পুরো অঞ্চলের স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করা’, বলেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর গত বৃহস্পতিবার থেকে সামরিক মহড়া শুরু করে চীন। সে মহড়া রোববার শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে সোমবারও তা অব্যাহত রাখে বেইজিং।

চীনের এ মহড়ায় উদ্বেগ বেড়েছে তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের মধ্যে। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে তারই প্রতিফলন দেখা গেল।

জোসেফ উ বলেন, তাইওয়ানের জনগণের মনোবল ভেঙে দিতে বড় পরিসরে সামরিক মহড়া ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পাশাপাশি সাইবার হামলা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও অর্থনৈতিক নিগ্রহ চালাচ্ছে চীন।

এদিকে টানা পাঁচ দিন চীনের সামরিক মহড়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষা মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ানও।

আরও পড়ুন:
‘এক চীন’ নীতিতে অটল থাকায় ঢাকার প্রতি কৃতজ্ঞ বেইজিং
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন চীনের
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The dog is walking around with a fan on in the intense heat

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর ইয়র্কশায়ার টেরিয়ার অ্যান এবং নন বিশেষ ফ্যানে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য। ছবি: সংগৃহীত
ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে হিকারু উজাওয়ার এই বিশেষ ফ্যান। ১ জুলাই দোকানটি উদ্বোধনের পর অন্তত ১০০টি অর্ডার পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া এবং ইতালি থেকেও আসছে চাহিদা।

জলবায়ু পরিবর্তনে পুড়ছে বিশ্ব। মানুষ, পশু-পাখি, গাছপালা কিছুই রেহাই পাচ্ছে তীব্র গরম থেকে। কদিন আগেই, ব্রিটেনের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শূকরদের গরম থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন মাখিয়েছিল খামারিরা।

ইউরোপের হাওয়া লেগেছে পূর্ব এশিয়াতেও। গ্রীষ্মের অসহ্য গরমে শীতল থাকার জন্য কুকুরের গায়ে আটকানো যায় এমন ফ্যান (ওয়ারেবল ফ্যান) কেনায় মেতে উঠেছেন জাপানের কুকুর মালিকরা

ওয়ানসি নামের ফ্যানটি একটি জালের সাথে সংযুক্ত। এটি পোষা প্রাণীর পশমের নিচের স্তরও ঠান্ডা রাখে।

হিকারু উজাওয়া সুইট মাম্মি নামে একটি মাতৃকালীন পোশাকের দোকানমালিক। তিনি বলেন, ‘আমার কুকুর বাইরে হেঁটে আসার পর হাঁপাত। অসহ্য গরমে সে দুর্বল হয়ে যেত। এ ফ্যান ব্যবহারের পর সে হাঁপানো বন্ধ করে দিয়েছে।’

ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে হিকারু উজাওয়ার এই বিশেষ ফ্যান। ১ জুলাই দোকানটি উদ্বোধনের পর অন্তত ১০০টি অর্ডার পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া এবং ইতালি থেকেও আসছে চাহিদা।

কেবল কুকুরের শরীর ঠান্ড রাখে, তা কিন্তু নয়। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাও ঠিকঠাক আপনাকে জানিয়ে দেবে হিকারুর এই বিশেষ ফ্যান।

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর

জুলাইয়ের শুরুতে রাজধানী টোকিওর বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। অবস্থা বেগতিক দেখে দিনের বেলা বাইরে যাওয়া এবং ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকার জন্য জনগণকে অনুরোধ জানায় কর্তৃপক্ষ।

সারা বিশ্বেই এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে ইংল্যান্ডে ৪০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়; যা আগের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জারি হয় ‘চরম তাপ সতর্কতা’। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, এই গ্রীষ্ম মৌসুমে তাপজনিত মৃত্যুর কারণে শত শত মানুষ মারা যেতে পারে।

হিকারু বলেন, ‘গরম থেকে বাঁচাতে আমার চিহুয়াহুয়া ও সোয়ানের (কুকুর) জন্য বহনযোগ্য পাখা তৈরি করেছি।’

হিকারুর এ ধরনের ফ্যানের ধারণা আসে তিন বছর আগে, ২০১৯ সালে। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন গ্রীষ্মে হাঁটার পর সোয়ান অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়।

হিকারু বলেন, ‘কাজের সময়সূচির কারণে আমার জন্য তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা কঠিন ছিল। তাই মধ্যাহ্নের গরমেই ওদের হাঁটাতে নিয়ে যেতাম।

পশু চিকিৎসকদের সাহায্যে এই ফ্যান তৈরি করেন হিকারু। এখন পাঁচটি ভিন্ন আকারের ফ্যান বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিটির দাম নিচ্ছেন ৯ হাজার ৯০০ ইয়েন; অর্থাৎ ৭৪ ডলারের কাছাকাছি।

হিরোকো মুরায়ামা তার দুটি ইয়র্কশায়ার টেরিয়ার অ্যান এবং ননের জন্য ওয়ানসি কিনেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম যে ফ্যানের ঘূর্ণায়মান শব্দ তারা অপছন্দ করতে পারে। তবে এমনটা হয়নি। প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় তারা এগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকে।’

হিকারু বলেন, ‘চাহিদা থাকায় আরও দুটি পরিধানযোগ্য ফ্যানের মডেল তৈরি হচ্ছে। একটি শরীরের সঙ্গে সংযুক্ত, অন্যটি পরিধানযোগ্য। এখন কুকুররা উত্সবে গেলেও শান্ত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
জলবায়ু ক্ষতিপূরণ আদায়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চান প্রধানমন্ত্রী
নথি ফাঁস: জলবায়ু প্রতিবেদন পরিবর্তনে চলছে লবিং
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে চীনের নতুন রেকর্ড
জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
True friendship will change the world
বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব প্রকৃত বন্ধুত্ব সব সীমাবদ্ধতা, সংকীর্ণতা ও শ্রেণিবৈষ্যমের উর্ধ্বে। ছবি: সংগৃহীত
বন্ধুত্বকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ ও ভারত প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববারকে বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে। এই বছর এটি ৭ আগস্ট পড়েছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করা হয় ৩০ জুলাই।

বন্ধুত্ব মানুষের জীবনের অন্যতম পবিত্র একটি বন্ধন। প্রকৃত বন্ধু এমন একজন যিনি সমর্থন ও উৎসাহ দেন এবং প্রতিটি যাত্রা ও ভ্রমণকে আনন্দদায়ক করে তোলেন।

এই বন্ধনকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ ও ভারত প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে। এই বছর এটি ৭ আগস্ট পড়েছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করা হয় ৩০ জুলাই।

কোনো একটি কাজ একা যতই চ্যালেঞ্জিং মনে হোক না কেন, সময়মতো পাশে একজন বন্ধু থাকলে তিনি এটিকে সহজ করে তুলতে পারেন।

এমন বন্ধুত্ব সব সীমাবদ্ধতা ও শ্রেণিবৈষ্যমের ঊর্ধ্বে। তরুণ থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত যে কেউ এই সম্পর্ককে লালন ও ধারণ করার পাশাপাশি যত্ন নিলে এটি তাকে শৈল্পিক ভালোবাসারও শিক্ষা দেবে।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

জাতিসংঘ গুরুত্ব দিয়ে জানায়, সহিংসতা, দারিদ্র্য এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো সমস্যায় জর্জরিত গোটা বিশ্ববাসী এসব বাধা উতরে যেতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এগুলো মানুষের নিরাপত্তা, উন্নয়ন, শান্তি এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে নষ্ট করে।

এসব বাধাবিপত্তি অতিক্রম ও মানবজাতির মধ্যকার সংহতি বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হিসেবে কাজ করে বন্ধুত্ব। এটি দ্বিধাবিভক্ত চেতনাকে সারিয়ে তুলতে সবচেয়ে সহজ কিন্তু কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

মানবজাতি এবং বিশ্বসম্প্রদায়ের মধ্যে বিশ্বাসের দৃঢ় বন্ধন তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে এমন বন্ধুত্ব।

যাতে আমরা একযোগে একটি শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারি। এটি একটি উন্নত ও মানবিক বিশ্বের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ আবেগ তৈরি করে, যেখানে একটি মহান উদ্দেশের জন্য সবাই একত্রিত হয়।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

ইতিহাস

বন্ধুত্বের ধরন যেমনই হোক না কেন, প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালন হয় বন্ধু দিবস।

২০১১ সালের ২৭ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস (ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ ডে) হিসেবে ৩০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়।

তবে ভারত, বাংলাদেশসহ কিছু দেশ আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে।

ফ্রেন্ডশিপ ডে ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা ‘জয়েস হল’ ১৯১৯ সালে আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস হিসেবে সবাইকে কার্ড পাঠাতেন।

প্রকৃত বন্ধুত্ব বদলে দেবে বিশ্ব

১৯৩৫ সালে আমেরিকার সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। তার প্রতিবাদে পরদিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

করোনা মহামারিতে কয়েক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে বন্ধু তৈরিতে পড়ে যায় বাধা। সেই বাধা ফের উতরে নতুন যাত্রার পথ চলল মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা।

আরও পড়ুন:
মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মনের বন্ধুর আন্তর্জাতিক পুরস্কার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Myanmar generals allowed to go to ASEAN meeting

মিয়ানমার জেনারেলদের আসিয়ানের বৈঠকে যেতে মানা

মিয়ানমার জেনারেলদের আসিয়ানের বৈঠকে যেতে মানা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লাইং। ফাইল ছবি
আসিয়ানের এবারের আঞ্চলিক বৈঠকগুলো হয়েছে কম্বোডিয়ার রাজধানী নম পেনে। সেসব বৈঠকে ১০ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমার জেনারেলদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় একমত হন।

শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০ দেশের জোট অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) বৈঠকে অংশ নিতে পারছেন না মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।

আসিয়ানের সিরিজ আঞ্চলিক বৈঠক শেষে স্থানীয় সময় শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সখন।

আসিয়ানের এবারের আঞ্চলিক বৈঠকগুলো হয়েছে কম্বোডিয়ার রাজধানী নম পেনে। সেসব বৈঠকে ১০ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমার জেনারেলদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় একমত হন।

সংবাদ সম্মেলনে কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জেনারেলদের এমনভাবে কাজ করতে হবে, যাতে বোঝা যায় শান্তি পরিকল্পনায় অগ্রগতি হয়েছে।

২০২১ সালের এপ্রিলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে তথাকথিত পাঁচ দফা ঐকমত্যে পৌঁছেছিল আসিয়ান। ১৫ মাসেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি।

আসিয়ানের বৈঠক চলাকালে শুক্রবার ১০ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছরের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন না হওয়ার নিন্দা জানান। চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় আসিয়ানের আঞ্চলিক সম্মেলনের আগে মিয়ানমারের সেনা নেতৃত্বাধীন স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিলকে (এসএসি) ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দেন তারা।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত নেতা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চিকে আটক করে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে অস্থিরতা চলছে মিয়ানমারে।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে অসহযোগ আন্দোলন, দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও অভ্যুত্থানবিরোধী সশস্ত্র সংগঠনগুলোর প্রতিরোধ দেখে মিয়ানমার।

নৃশংস কায়দায় বিরোধীদের সে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ দমন করে সামরিক জান্তা। অভ্যুত্থানের পর থেকে সেনাদের হাতে প্রাণ হারান ২ হাজার ১৫৮ জনের মতো মানুষ।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ৬ মাস
মিয়ানমারকে চাপ দিতে চীনের প্রতি আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
সু চির দলের এমপিকে ফাঁসিতে ঝুলাল জান্তা
মস্কোর দুয়ারে মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান
গৃহবন্দি সু চি এখন জেলে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
China has decided to break diplomatic relations with the United States

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন চীনের

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন চীনের বেইজিংয়ের বেই বিল্ডিংয়ে বৈঠকের সময় কথা বলছেন যুক্তরাষ্ট্র (বামে) ও চীনের শীর্ষ জেনারেল ও দেশ দুটির প্রতিনিধিরা। ফাইল ছবি
চীনের বিবৃতিতে বলা হয়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা, ফৌজদারি বিষয়ে আইনি সহায়তা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করা হবে।

কয়েকটি সামরিক ও বেসামরিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের প্রতিক্রিয়ায় এ পদক্ষেপ নিল বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়।

মন্ত্রণালয় এমন কিছু ক্ষেত্রের তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে চীনা ও আমেরিকান কর্মকর্তাদের মধ্যে আর যোগাযোগ থাকবে না। এর মধ্যে রয়েছে থিয়েটার কমান্ডার স্তরে সামরিক যোগাযোগ এবং বৃহত্তর প্রতিরক্ষা নীতি সমন্বয় আলোচনা।

চীনের বিবৃতিতে বলা হয়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা, ফৌজদারি বিষয়ে আইনি সহায়তা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করা হবে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান রাজনীতিক পেলোসি এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা দেয় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বেইজিংয়ের আপত্তি সত্ত্বেও পেলোসি গত মঙ্গলবার তাইওয়ান সফর করেন। স্বশাসিত দ্বীপটিকে নিজেদের অংশ দাবি করে চীন। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭০-এর দশক থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এক চীন’ নীতি স্বীকার করে আসছে।

বেইজিংয়ের কূটনৈতিক স্বীকৃতি পরিবর্তন করার পরও ওয়াশিংটন তাইপের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। কয়েক বছর ধরে আমেরিকান প্রশাসন তাইওয়ানের সরকারকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে দেখে আসছে।

বেইজিং বলছে, ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করছে এবং তাইওয়ানে বিচ্ছিন্নতাবাদকে উৎসাহ দিচ্ছে।

যদিও হোয়াইট হাউস পেলোসির অবস্থান থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর বলেছিল, তাইওয়ান যাওয়ার সিদ্ধান্ত পেলোসির ব্যক্তিগত।

চীনের কর্মকর্তারা এ দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছেন। তারা পরিণতির হুমকিও দিয়েছিলেন। শেষমেশ সব জল্পনা উড়িয়ে তাইওয়ান সফর করেন পেলোসি।

জবাবে চীনের পিপল’স লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাইওয়ানের চারপাশে বৃহস্পতিবার থেকে বড় মহড়া শুরু করে, যা শেষ হচ্ছে রোববার। একে চীনা মিডিয়া পূর্ণ অবরোধের মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাইওয়ানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞাও দেয় চীন।

আরও পড়ুন:
তাইওয়ানে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চীন
চীনের ড্রোন লক্ষ্য করে ফ্লেয়ার ছুড়ল তাইওয়ান
তাইওয়ানকে ঘিরে ৫ দিনের সামরিক মহড়া চীনের
তাইওয়ানের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু
উন্মাদ পেলোসি তাইওয়ানে কেন: ট্রাম্প

মন্তব্য

p
উপরে