× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Realm 9 forge door with 108 megapixel camera
hear-news
player
print-icon

১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ ফোরজি দারাজে

১০৮-মেগাপিক্সেল-ক্যামেরার-রিয়েলমি-৯-ফোরজি-দারাজে
৮ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের রিয়েলমি ৯ সানবার্স্ট গোল্ড, মিটিওর ব্ল্যাক ও স্টারগেজ হোয়াইট এই তিন রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

তরুণদের পছন্দের ব্র্যান্ড রিয়েলমির নতুন নাম্বার সিরিজের ফোন রিয়েলমি ৯ ফোরজি দারাজে পাওয়া যাচ্ছে।

আগ্রহী গ্রাহকরা দারাজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অফারে স্মার্টফোনটি কিনতে পারবেন।

রিয়েলমি ৯ ফোরজি বাংলাদেশের প্রথম ফোন, যাতে ১০৮ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে স্যামসাংয়ের আইএসওসেল এইচএম৬ সেন্সর।

৮ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের রিয়েলমি ৯ সানবার্স্ট গোল্ড, মিটিওর ব্ল্যাক ও স্টারগেজ হোয়াইট এই তিন রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

ডিভাইসটি রিয়েলমি নাম্বার সিরিজের উদ্ভাবনীতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। রিয়েলমি ৯ ফোরজিতে রয়েছে সর্বশেষ এইচএম ৬ সেন্সরের উচ্চমানের ১০৮ মেগাপিক্সেল প্রোলাইট ক্যামেরা।

ফলে ব্যবহারকারীরা কম আলোতেও ঝকঝকে ছবি তুলতে পারবেন। ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের সঙ্গে সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে রয়েছে; রয়েছে ৬ ন্যানোমিটারের শক্তিশালী কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৮০ প্রসেসর, রিপল হলোগ্রাফিক ডিজাইন, ৫০০০ এমএএইচের বিশাল ব্যাটারি ও ৩৩ ওয়াট ডার্ট চার্জ।

ফোনটি দারাজ থেকে ২৫ হাজার ৯৭০ টাকায় কেনা যাবে।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক দামে ফোন বিক্রির ফাঁদ
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ দেশে
রিয়েলমি সি৩৫: এ বছরের সেরা ডিজাইনের এন্ট্রি লেভেল স্মার্টফোন
হলোগ্রাফিক ডিজাইনের রিয়েলমি ৯ বাজারে আসছে রোববার
নতুন দুটি স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Prohibition on sale of Grameen SIM in dishonest services

মানহীন সেবায় গ্রামীণের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

মানহীন সেবায় গ্রামীণের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
‘গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাচ্ছি। কল করলে কেটে যায়, ইন্টারনেট সেবাও ধীরগতির। এই বিষয়টি নিয়ে কোম্পানিটির সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মিটিং করি, ড্রাইভ টেস্ট হয়। কিন্তু তাদের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

মানসম্মত সেবা দিতে না পারার কথা জানিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

যদিও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি দাবি করেছে, তাদের সেবা বিশ্বমানের চেয়ে এগিয়ে। নিষেধাজ্ঞাকে অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে পরিস্থিতি মূল্যায়নের কথাও জানিয়েছে তারা।

বুধবার দুপুরে বিষয়টির অনুমোদনের পরে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা গ্রামীণফোনে পাঠায় বিটিআরসি।

সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘গ্রামীণফোন কোয়ালিটি সার্ভিস দিতে পারছে না। তাই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অপারেটরটি (গ্রামীণফোন) সিম বিক্রি করতে পারবে না।’

মানসম্মত সেবা দিতে পারছে না বলতে কী বুঝাচ্ছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাচ্ছি। কল করলে কেটে যায়, ইন্টারনেট সেবাও ধীরগতির।’

এই বিষয়টি নিয়ে কোম্পানিটির সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলেও জানান বিটিআরসি কর্মকর্তা। বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মিটিং করি, ড্রাইভ টেস্ট হয়। কিন্তু তাদের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

মোবাইল ফোন সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ স্পষ্ট। কল ড্রপ, ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ করে আসছেন ভোক্তারা। তবে এ নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা কিছু বলছেন না।

বিটিআরসি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত মে পর্যন্ত গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার।

গ্রামীণের বক্তব্য

যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোন অপারেটরটি নিউজবাংলাকে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠায়

তারা বলেছে, ‘দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টেলিকম ব্র্যান্ড গ্রামীণফোন বিটিআরসি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা আইটিইউর সেবার মানদণ্ড অনুসরণ করার পাশাপাশি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড থেকেও এগিয়ে আছে।’

ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্ক ও সেবার মানোন্নয়নে আমরা বিটিআরসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে জানিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরটি বলেম ‘নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া নিলামেও গ্রামীণফোন সর্বোচ্চ অনুমোদিত তরঙ্গ অধিগ্রহণ করেছে জানিয়ে সংস্থাটি এও বলেছে, ‘এমতাবস্থায়, অপ্রত্যাশিত এ চিঠি ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ আমরা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছি। আমরা মনে করি, আমাদের সম্ভাব্য গ্রাহকদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে গঠনমূলক আলোচনাই হবে এ সমস্যা সমাধানের সর্বোত্তম উপায়।’

আরও পড়ুন:
সিলেটের গ্রাহকদের ফ্রি মিনিট দিল গ্রামীণফোন
ফিলিপ কটলারের বইয়ে গ্রামীণফোনের কেস স্টাডি
ঝড়ে ভাঙল গ্রামীণফোনের টাওয়ার, ভোগান্তিতে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি গ্রাহক
গ্রামীণফোনের ২৫০% লভ্যাংশ অনুমোদন
জিপির ই-সিম সোমবার থেকে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The electric three wheeler tiger is coming in July

আসছে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার ‘বাঘ’

আসছে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার ‘বাঘ’ দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির থ্রি হুইলার বাজারে আনছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘বাঘ মোটরস’। আগামী জুলাইয়ে উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি। ছবি: সংগৃহীত
লিথিয়াম ব্যাটারিতে চলা দেশে পেটেন্ট করা প্রথম থ্রি-হুইলার ‘বাঘ’ আসছে আগামী মাস থেকে। বাঘ মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করছে। দাম হবে ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

যানবাহনের প্রচলিত অ্যাসিড ব্যাটারির মেয়াদকাল ছয় মাস থেকে এক বছর। এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। অথচ একটি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি চলে পাঁচ থেকে ছয় বছর। এটি যানবাহন চালানোর খরচ কমিয়ে দেয়। পরিবেশও বাঁচায়।

এমন দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির থ্রি হুইলার বাজারে আনছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘বাঘ মোটরস’। আগামী জুলাইয়ে উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী কাজী জসিমুল ইসলাম বাপ্পি জানান, দেশে এটি হবে প্রথম ইকো থ্রি-হুইলার ট্যাক্সি। এর নাম রাখা হচ্ছে ‘বাঘ’। গাজীপুরের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন শুরু হবে।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ বাঁচাতে আমাদের তেলের বিকল্প নিয়ে ভাবতেই হবে। শুধু থ্রি-হুইলারই নয়, আগামী তিন বছরে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহনও যুক্ত হবে বাঘ মোটরসের বহরে।’

গত মার্চে এ বাহনটিকে চলাচলের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। উচ্চ নিরাপত্তা ফিচার, কম খরচ ও উন্নত প্রযুক্তির এই গাড়ির দাম ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বাঘ মোটরস জানিয়েছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলেও তাদের থ্রি হুইলারে তেমন গরম অনুভূত হয় না।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘বাঘ মোটরস প্রথম কোনো বাংলাদেশি কোম্পানি নিজস্ব প্যাটেন্ট দিয়ে, নিজস্ব ডিজাইনে নিজস্ব প্রকৌশলে দেশে গাড়ি উৎপাদন করছে। বর্তমানে দেশে অন্যরা যেসব গাড়ি উৎপাদন করছে, সেগুলো প্রযুক্তিসহ সব কিছুই অন্য দেশের। এখানে শুধু উৎপাদন হচ্ছে। আর আমাদের পেটেন্ট থেকে শুরু করে সবকিছুই নিজস্ব।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এ পরিবহন শতভাগ পরিবেশবান্ধব, কোনো দূষণ নাই, সৌরশক্তিতে চলে, গ্রিন এনার্জি ব্যবহার হয়। এমন হাজারটা কারণ আছে, যাতে মানুষ আমাদের এই বাঘ ইকো মোটরসের ইকো ট্যাক্সি ব্যবহার করবে।’

অ্যাসিড ব্যাটারির কারণে দেশে প্রায় ২ কোটি লিটার অ্যাসিড নির্গত হয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে। ফলে বিদ্যুৎচালিত যানবাহন উৎসাহিত করার সময় এসেছে।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এই ইকো থ্রি-হুইলারের ডিজাইন-ড্রইং করে পেটেন্ট করেছি। এটা পৃথিবীর প্রথম সোলার ইকো থ্রি-হুইলার, যেটা লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে চলে। এটির পারমিশন পেতে আমাদের প্রায় ৩০ মাস সময় লেগেছে।’

এটির দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একটা সিএনজি অটোরিকশার দাম এখন প্রায় ১৮ লাখ টাকা, সেখানে আমরা একটা ইকো থ্রি-হুইলার ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকায় দিচ্ছি। আমাদের একটা ব্যাটারি ৬ বছর পর্যন্ত পরিবর্তন করতে হয় না। প্রচলিত যেসব অ্যাসিড ব্যাটারি আছে, ছয় বছরে সেখানে ১২টি ব্যাটারি প্রয়োজন হয়।’

২০২০ সালের এপ্রিলে বাঘ মোটরস ১১টি যান তৈরি করে। ডুয়াল পাওয়ার-ব্যাটারি এবং সৌরচালিত এ থ্রি-হুইলারে যাত্রীর নিরাপত্তায় বেশ কিছু ফিচার যুক্ত হয়েছে। এর একটি হচ্ছে যাত্রীর সিটের সঙ্গে ‘প্যানিক বাটন’ রাখা রয়েছে। এই বাটনে চাপ দিলে গাড়ির গতি মুহূর্তেই ঘণ্টায় পাঁচ কিলোমিটারে নেমে আসবে। এরপর ২০ মিনিটের জন্য গাড়িটি অচল হয়ে যাবে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সতর্কবার্তাও পাঠাবে। এতে কর্তৃপক্ষ ট্যাক্সির কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় করতে পারবে।

এতে থাকবে নিরাপত্তা ক্যামেরা, যা একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত থাকবে। সব ধরনের ভিডিও রেকর্ড ও সংরক্ষণ থাকবে সার্ভারে। থাকবে এমবেড করা রিয়াল-টাইম জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম, যা থ্রি-হুইলারের রিয়াল-টাইম অবস্থান দেখাবে। চুরি ঠেকাতে থাকবে আলাদা প্রযুক্তিও।

গাড়িগুলোতে উচ্চমানের ইস্পাত ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সাধারণত বাস-কারে ব্যবহৃত হয়।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের গাড়ি শতভাগ মেটাল বডির তৈরি। পুরো বডিই মোটরগাড়ির মতো করে তৈরি, যা যাত্রীকে অধিক নিরাপত্তা দেবে। ব্রেক ও লাইট ছাড়া পুরো গাড়ির দুই বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি থাকবে। গাড়িতে ওয়াইফাই সিস্টেম থাকবে, মোবাইল চার্জিং সিস্টেম থাকবে, জিপিএস থাকবে, মনিটর থাকবে।’

২০২৫ সালের পর বিশ্বে কোনো ডিজেলচালিত গাড়ি তৈরি হবে না। ২০৩০ সাল থেকে তৈরি হবে না কোনো অকটেন গাড়িও। সব গাড়িই বিদ্যুৎচালিত গাড়িতে পরিণত হবে।

নিজস্ব রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে একটি ট্যাক্সি সার্ভিস হিসেবে কাজ করবে এই ইকো ট্যাক্সি। এর বাইরে ব্যক্তিগতভাবেও এটি কেনা যাবে।

সাধারণ সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার এবং হিউম্যান-হলারের চেয়ে বড় চাকা থাকবে বাঘ ইকো ট্যাক্সিতে। পাশাপাশি অ্যান্টি-লক ব্রেক সিস্টেম (এবিএস)-সহ একটি হাইড্রোলিক ব্রেক সিস্টেমও থাকবে। গাড়ির ছাদে থাকবে সোলার প্যানেল। এতে ব্যবহৃত একটি ৪৮০ ওয়াটের সোলার প্যানেল দিনের বেলায় ৪০ শতাংশ চার্জ হবে ব্যাটারিতে। যার ফলে অতিরিক্ত ৪০ কিলোমিটার যেতে পারবে গাড়িটি।

প্রতি কিলোমিটারে এটি চলার খরচ হতে পারে ১ দশমিক ৩৩ টাকার মতো। সম্পূর্ণ চার্জে ১৫০০ ওয়াটের গাড়িটি ৯০ কিলোমিটার চলতে পারে। এতে চালকের দিনে খরচ হবে ১২০ টাকা। ব্যাটারির চার্জ শেষ হলেও চিন্তা নেই। ৬০ ভোল্টের ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হতে মাত্র ১৫ মিনিট সময় লাগবে।

বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব চার্জিং পয়েন্টও বসানো হবে। চার্জিং পোর্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-সহ একটি মাইক্রো চিপ ইনস্টল করা থাকবে। একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে পোর্টটি খোলা হবে। গাড়ির মালিক নির্দেশ দিলেই চার্জ শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
মেয়রের ফ্রি বাস সার্ভিসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
‘মহাসড়কে থ্রি হুইলার ডিস্টার্ব, মারণফাঁদ’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Realms Night Photowalk for young people

তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 

তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 
এ ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপে, সারা দেশের ফটোগ্রাফি অনুরাগীদের তাদের প্রোফাইল জমা দিতে বলা হয়। বিভিন্ন অনলাইন ফটোগ্রাফি কমিউনিটির জন্যও এটি উন্মুক্ত ছিল। শতাধিক সাবমিশন থেকে, রিয়েলমি ফটোওয়াকের জন্য ১৬ জন ফটোগ্রাফার বাছাই করে।

রিয়েলমি স্মার্টফোনপ্রেমীদের জন্য এক নাইট ফটোওয়াক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। যারা মোবাইলে যেকোনো স্মৃতিময় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ভালোবাসেন, এই আয়োজন তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ করে দেবে বলে বলছে রিয়েলমি।

প্রতিযোগিতাটি নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে এবং ফটোগ্রাফি বিষয়ে আগ্রহীদের একজন স্বনামধন্য ফটোগ্রাফারের সাথে আলোচনার সুযোগ করে দেবে। আর তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পরামর্শ দেবেন সেই পেশাদার ফটোগ্রাফার।

এ ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপে, সারা দেশের ফটোগ্রাফি অনুরাগীদের তাদের প্রোফাইল জমা দিতে বলা হয়। বিভিন্ন অনলাইন ফটোগ্রাফি কমিউনিটির জন্যও এটি উন্মুক্ত ছিল। শতাধিক সাবমিশন থেকে, রিয়েলমি ফটোওয়াকের জন্য ১৬ জন ফটোগ্রাফার বাছাই করে।

প্রতিযোগিতাটির ৱতত্ত্বাবধানে ছিলেন স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার অভিজিৎ নন্দী। তিনি বিবিসি বাজ ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা, নেচার অ্যান্ড লাইফ-স্টাইল ক্যাটাগরিতে ডিইউপিএস আয়োজিত থার্ড অ্যানুয়াল ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন এবং আইআইইউপিই ২০০৮ (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টার ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফি কম্পিটিশন) সহ বিভিন্ন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি নির্বাচিত ফটোগ্রাফারদের স্মার্টফোন দিয়ে সেরা শট নেয়ার বিভিন্ন কৌশল ও টিপস দেয়ার জন্য একটি অনলাইন কর্মশালার আয়োজন করবেন। পরে নির্বাচিত ফটোগ্রাফারদের ফটোগ্রাফি দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ফটোওয়াকে নেয়া হবে।

প্রতিযোগিতায় চার ক্যাটাগরিতে ছবি তুলতে হবে– নেচার অ্যাট নাইট, স্ট্রিট ফটোগ্রাফি, পোর্ট্রেট অ্যাট নাইট ও ক্রিয়েটিভ অ্যাট নাইট।

অভিজিৎ নন্দীও এসব ক্যাটাগরিতে ছবি তুলবেন। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাব তাদের ছবিতে নতুন ও ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এই চার বিভাগের সকল ছবি রিয়েলমির আসন্ন ৯ প্রো সিরিজের স্মার্টফোন দিয়ে তোলা হবে।

মোবাইল ফটোগ্রাফির প্রতি যেসব তরুণদের প্রবল অনুরাগ রয়েছে, এই প্রতিযোগিতা তাদের সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটাতে এবং রাতের সৌন্দর্য ভিন্নভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন:
দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়
রিয়েলমি নিয়ে এলো জিটি নিও ৩ নারুতো এডিশন
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ ফোরজি দারাজে
অর্ধেক দামে ফোন বিক্রির ফাঁদ
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ দেশে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
5 wonderful bridges in the world

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
নির্মাণকৌশল আর বৈরী পরিবেশে নির্মিত চীনের দানিয়াং-কুনশান, ফ্রান্সের দ্য মিলিউ ভিয়াডাক্ট, জাপানের আকাশি কাইকিও, দক্ষিণ কোরিয়া ইনচিওন এবং রাশিয়ার রাস্কি আইল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর সেতু তালিকায় স্থান পেয়েছে।  

পদ্মা সেতু বিশ্বের দ্বিতীয় খরস্রোতা নদীর দুই পাড়কে যুক্ত করেছে বটে, তবে স্রোতের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নদীর নিচে শক্ত মাটির অনুপস্থিতি। বিশ্বের অনেক জায়গায় এ রকমই প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে গড়ে উঠেছে কিছু সেতু। কোথাও খরস্রোতা নদী, কোথাও সুউচ্চ পাহাড়, কোথাও সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ। প্রকৌশলীদের দক্ষতায় দুর্গম সব স্থানেও মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনেক সেতু। এ রকমই পাঁচ সেতুর কথা।

দানিয়াং-কুনশান সেতু, চীন

চীনের দানিয়াং-কুনশান সেতুটিকে বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটির দৈর্ঘ্য ১৬৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার। সেতুটি চীনের দুটি বড় শহর সাংহাই এবং নানজিংকে যুক্ত করেছে।

সেতুটি বেইজিং-সাংহাই হাই-স্পিড রেলওয়ের অংশে দানিয়াং এবং কুনশানকেও সংযুক্ত করেছে, যা বেইজিং পশ্চিম স্টেশন এবং সাংহাই হংকিয়াও স্টেশনকে সংযুক্ত করে।

কমপক্ষে ১০ হাজার কর্মী চার বছরে এটির নির্মাণ শেষ করেন। সেতুটির ৯ কিলোমিটার অংশ ইয়াংচেং হ্রদের ওপর বিস্তৃত। বড় এই অংশে সেতুটিকে সাপোর্ট দিচ্ছে ২ হাজার পিলার।

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু

পুরো অবকাঠামোয় সাড়ে ৪ লাখ টন স্টিল ব্যবহার করায় এটি প্রবল টাইফুন এবং ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ সহ্য করতে পারে অনায়াসেই। পিলারগুলো এতটাই মজবুত যে তিন লাখ টন ওজনের নৌযানের ধাক্কাতেও কিছুই হয় না এই সেতুর।

সেতুতে উচ্চগতিসম্পন্ন ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা আছে। ট্রেনের গতি ২৫০-৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত তোলা যায়।

দ্য মিলিউ ভিয়াডাক্ট, ফ্রান্স

এই সেতুটিকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু সেতু হিসেবে বিবেচনা করা হতো। উচ্চতার দিক থেকে এটি আইফেল টাওয়ারকেও ছাড়িয়ে গেছে।

এটি একটি মাল্টি-স্প্যান কেব্‌ল-স্টেড ব্রিজ, যা টার্ন নদীর গর্জ উপত্যকার ওপর দিয়ে গেছে। সেতুটি ১ লাখ ২৭ হাজার কিউবিক মিটার কংক্রিট এবং ২৬ হাজার ২০০ টন রিইনফোর্সিং ইস্পাত দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ হাজার টন প্রি-স্ট্রেসড স্টিল কেব্‌লে পুরো সেতুটি ঢাকা।

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু

এই সেতুর নকশার অন্যতম আকর্ষণ এটির স্প্যানগুলো অসামঞ্জস্যপূর্ণ ওজনের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। অতি উচ্চতার কারণে সেতুটি বাঁকানো। তাই পিলারগুলোকে প্রশস্ত এবং শক্তিশালী করে ডিজাইন করতে হয়েছে।

আকাশি কাইকিও সেতু, জাপান

জাপানের আকাশি কাইকিও সেতু বিশ্বের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতুগুলোর একটি। এটি ৩ হাজার ৯১১ মিটার দীর্ঘ। এটির সাপোর্ট টাওয়ারগুলো মাটি থেকে প্রায় ২৯৮ মিটার ওপরে দাঁড়িয়ে আছে।

স্টিল ট্রাস স্ট্রাকচারে ডিজাইন করা পাইলনগুলো তারের স্যাডলকে টেনে সেতুর বেশির ভাগ লোড সাপোর্ট করে। পাইলনের মধ্যে দূরত্ব ১ হাজার ৯৯১ মিটার। এটিতে এমন দুই-স্তরের গার্ডার সিস্টেম আছে, যা সেতুর কাঠামোকে রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ৫ পর্যন্ত ভূমিকম্প এবং ২৮৬ কিলোমিটার বেগের ঝোড়ো বাতাস থেকে রক্ষা করতে পারে।

এই বিশেষ সেতুতে বেশ কিছু উদ্ভাবনী প্রকৌশল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যার একটি হলো এটির প্রতিটি টাওয়ারে ২০টি টিউনড মাস ড্যাম্পার (টিএমডি)। টিএমডিগুলো সেতুকে বাতাসের দোলা থেকে রক্ষা করে।

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু

যখন বাতাস সেতুটিকে একদিকে দেয়, তখন টিএমডিগুলো বিপরীত দিকে দোলে। এতে সেতুর ভারসাম্য বজায় থাকে।

আকাশি কাইকিও সেতুটি ‘পার্ল ব্রিজ’ নামেও পরিচিত। রাতে ২৮টি বিভিন্ন প্যাটার্ন এবং আলো সেতুটিকে আলোকিত করে।

ইনচিওন ব্রিজ, দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিওন ব্রিজ ১৩ কিলোমিটার লম্বা একটি সেতু। কেব্‌লে ঝোলানো ব্রিজের অংশটিকে কোরিয়ার দীর্ঘতম বিশ্বের দশম বড় ঝোলানো ব্রিজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যার কেন্দ্রের মূল স্প্যান ৮০০ মিটার।

সেতুটির মূল উদ্দেশ্য হলো সোংদো এবং ইনচিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন। শক্তিশালী ইঞ্জিনিয়ারিং সফটওয়্যার মিডাস সিভিল ব্যবহার করে সেতুটির নকশা এবং কাঠামো বিশ্লেষণ করা হয়।

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু

এই সেতু ৭২ এমপিএস বায়ুসহ ঝড় এবং রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে। সেতুটি ইনচিওন বন্দরের কাছে অবস্থিত। নিচে ৮০ মিটার উচ্চতাসহ ইউ আকৃতির ডিজাইন করা। এতে প্রধান দুটি টাওয়ারের মাঝ দিয়ে নিরাপদে জাহাজ পার হতে পারে। ইনচিওন ব্রিজের নিচের স্তম্ভ ৬ হাজার টন পর্যন্ত ওজন সহ্য করতে পারে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে স্থিতিশীল সেতু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মাত্র আট মাসে সেতুর নির্মাণ শেষ হয়।

রুস্কি আইল্যান্ড সেতু, রাশিয়া

রুস্কি আইল্যান্ড সেতুটিকে বিশ্বের দীর্ঘতম কেব্‌ল সেতু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটির মোট দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ১০০ মিটার। টাওয়ারগুলোর মধ্যে দূরত্ব এক হাজার ৪ মিটার।

এই সেতুর নকশা নিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ এটি এমন একটি এলাকায় অবস্থিত যেখানকার আবহাওয়া চরম বৈরী।

ব্লাদিভোস্টকের আবহাওয়া মাইনাস ৪০ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠা-নামা করে। তাই এটির নির্মাণ ছিল শক্ত চ্যালেঞ্জের।

এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলীরা মিডাস সিভিল সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, যা তারের অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে অজানা লোড ফ্যাক্টরগুলোর কাঠামোগত বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

বিশ্বের ৫ বিস্ময়কর সেতু

কেব্‌ল সিস্টেমের জন্য কমপ্যাক্ট পিএসএস সিস্টেম নামে একটি উন্নত সিস্টেম ব্যবহার হয়েছে এটি নির্মাণে। এই সিস্টেমটি একটি কম্প্যাক্ট ডিজাইনের জন্য ব্যবহার করা হয়। ছোট ব্যাসের সঙ্গে খাপ খাওয়ার পাশাপাশি সেতুর কাঠামোতে বাতাসের গতি কমাতে সাহায্য করে এটি।

চরম তাপমাত্রার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য উচ্চ-ঘনত্বের পলিথিন (এইচপিডি) দিয়ে তৈরি প্রতিরক্ষামূলক কাভার ব্যবহার হয়েছে। এটি সেতুর কেবল-স্টেয়েড সিস্টেমের তারগুলোকে ঢেকে রাখে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
FICCIs concern over increase in VAT on mobiles

মোবাইলে ভ্যাট বাড়ানোয় এফআইসিসিআইয়ের উদ্বেগ

মোবাইলে ভ্যাট বাড়ানোয় এফআইসিসিআইয়ের উদ্বেগ বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিদেশি বিনিয়োগের ওপর বাজেটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এফআইসিসিআই। ছবি: সংগৃহীত
নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ‘আমরা এই সময় যখন ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, বিশেষ করে মোবাইল ফোনের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট বাড়ানো ঠিক হচ্ছে না।’

মোবাইল ফোনের ওপর আগামী অর্থবছরের বাজেটে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করার যে প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এফআইসিসিআই।

বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিদেশি বিনিয়োগের ওপর বাজেটের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মলনের আয়োজন করে সংগঠনটি। সেখানেই এমন উদ্বেগের কথা জানান এফআইসিসিআই প্রেসিডেন্ট।

গত ৯ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেন।

বাজেট নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ফরেন এফআইসিসিআই প্রেসিডেন্ট ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও নাসের এজাজ বিজয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নূরুল কবীর।

এফআইসিসিআই প্রেসিডেন্ট নাসের এজাজ বিজয় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এই সময় যখন ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, বিশেষ করে মোবাইল ফোনের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট বাড়ানো ঠিক হচ্ছে না।’

এর ফলে দেশে এই শিল্পের প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে এমন একটি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার ফলে একটি কোম্পানিকে ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ডের (ডব্লিউপিপিএফ) অবদানের ওপর কর দিতে হবে। এটি কোম্পানিটির আয়করের বোঝা ও কার্যকর করের হার বাড়িয়ে তুলবে।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবসায় প্রতিটি ব্র্যান্ডের জন্য ভোক্তা পর্যন্ত তিন-চারটি স্তরে ব্যবসা পরিচালনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে যদি মোবাইল ফোন ব্যবসার প্রতিটি স্তরে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়, তবে প্রতিটি মোবাইল ফোনের খুচরা মূল্য প্রায় ১৫-২০ শতাংশ বেড়ে যাবে।

এ ক্ষেত্রে ভোক্তাপর্যায়ে অসন্তুষ্টি সৃষ্টি হবে এবং মোবাইল ফোন দেশের সিংহভাগ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ৯২২ কোটি টাকার বাজেট পাস
সংসদে সম্পূরক বাজেট পাস
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই বাজেটে: সানেম
পাচার অর্থ বিনা প্রশ্নে দেশে আনার প্রস্তাবে বিজিএমইএর সমর্থন
রডের দাম আরও বাড়বে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Daraj Electronics discounts on Realm smartphones this week

দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়

দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়
রিয়েলমি নারজো ৫০ কেনা যাবে ১৭ হাজার ২২ টাকায়, যাতে ছাড় পাওয়া যাবে ৯৭৭ টাকা। রিয়েলমি সি৩৫ কেনা যাবে ১৬ হাজার ৯১ টাকায়, যার বাজারমূল্য ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা। এসব ডিভাইসে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়।

‘দারাজ ইলেকট্রনিকস উইক’ উপলক্ষে রিয়েলমি গ্রাহকদের নির্দিষ্ট স্মার্টফোনের উপর ৫ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য ছাড় অফার দেয়া হয়েছে। এই অফার চলবে ২১ জুন পর্যন্ত।

এ সময়ে রিয়েলমি সি২৫ওয়াই (৪+৬৪ জিবি) কেনা যাবে ১২ হাজার ৯৮১ টাকায়। যার বাজারমূল্য ১৩ হাজার ৬৯০ টাকা।

রিয়েলমি সি১১ (২+৩২ জিবি) পাওয়া যাবে ৯ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৯ হাজার ৪৭১ টাকায়।

এ ছাড়া রিয়েলমি নারজো ৫০ কেনা যাবে ১৭ হাজার ২২ টাকায়, যাতে ছাড় পাওয়া যাবে ৯৭৭ টাকা। রিয়েলমি সি৩৫ কেনা যাবে ১৬ হাজার ৯১ টাকায়, যার বাজারমূল্য ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা। এসব ডিভাইসে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়।

রিয়েলমি ৮ ফাইভজি (৮+১২৮ জিবি) এখন পাওয়া যাচ্ছে ছাড়ের পর ২১ হাজার ৫০১ টাকায়, যা আগে ছিল ২২ হাজার ৯৯০ টাকা।

৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারিসহ রিয়েলমি সি২৫এস (৪+১২৮ জিবি) কেনা যাবে ১৫ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৫ হাজার ৮১ টাকায়।

অন্যদিকে রিয়েলমি সি২১ওয়াই (৩+৩২ জিবি) বিক্রি করা হচ্ছে ১০ হাজার ৭৮১ টাকায়, হ্যান্ডসেটটির আগে দাম ছিল ১১ হাজার ৪৯০ টাকা।

রিয়েলমি সি১১ (৪+৬৪ জিবি) ১১ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১১ হাজার ৩১১ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

রিয়েলমি ৮ (৮+১২৮ জিবি) এখন কেনা যাবে ২৩ হাজার ৩৪১ টাকায়, যা আগে ছিল ২৪ হাজার ৯৯০ টাকা। রিয়েলমি ৯আই (৬+১২৮ জিবি) ২১ হাজার ৪৯০ টাকার পরিবর্তে ২০ হাজার ৪১ টাকায় কেনা যাবে।

রিয়েলমি ৯আই (৪+৬৪ জিবি) ১৬ হাজার ৩৪১ টাকায়, সি২১ওয়াই (৪+৬৪ জিবি) ১১ হাজার ৯৫১ টাকা, সি৩১ কেনা যাবে ১৩ হাজার ২৪ টাকায়।

এ ছাড়া রিয়েলমি জিটি মাস্টার এডিশন (৮+১২৮ জিবি) ৩৩ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৩১ হাজার ৪৯১ টাকায় কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। এসব ডিভাইসে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৭ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়।

এরবাইরে কিছু স্মার্টফোনে ১১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছেন ক্রেতারা। রিয়েলমি জিটি নিও ২ (৮+১২৮ জিবি) ৩৬ হাজার ৮৪১ টাকা, রিয়েলমি ৯ ছাড়ের পর ২৪ হাজার ৬৯১ টাকায়, নারজো ৫০আই (৪+৬৪ জিবি) ১০ হাজার ৭০১ টাকায় কেনা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
রিয়েলমি নিয়ে এলো জিটি নিও ৩ নারুতো এডিশন
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ ফোরজি দারাজে
ই-কমার্সের বিশৃঙ্খলা দূর করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা চান পরিকল্পনামন্ত্রী
সুইসকন্ট্যাক্ট ও দারাজের চুক্তি
অর্ধেক দামে ফোন বিক্রির ফাঁদ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
1146 mobile towers in operation in flood hit northeast

বন্যাদুর্গত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সচল ১১৪৬ মোবাইল টাওয়ার

বন্যাদুর্গত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সচল ১১৪৬ মোবাইল টাওয়ার মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রতিস্থাপনে কাজ করছেন বিভিন্ন অপারেটরের কর্মীরা। ছবি: বিটিআরসি
ওই এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা আরও ৯৭৬ সাইট চালু করতে অপারেটররা কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গল ও বুধবারের মধ্যে প্রায় শতভাগ সাইট চালু করা সম্ভব হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলায় ফিরে আসতে শুরু করেছে মোবাইল নেটওয়ার্ক। এরই মধ্যে সে অঞ্চলের ১ হাজার ১৪৬টি সাইট সচল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকা আরও ৯৭৬ সাইট চালু করতে অপারেটররা কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গল ও বুধবারের মধ্যে প্রায় শতভাগ সাইট চালু করা সম্ভব হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

ভারি বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার কয়েক লাখ বাসিন্দা।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, বিভিন্ন সাইটে পানি উঠে যাওয়ায় সেখানে চার মোবাইল অপারেটরের ৩ হাজার ৬১৭টি সাইটের মধ্যে প্রায় দুই হাজার সাইট বিকল হয়ে পড়ে। এতে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন সে অঞ্চলের মোবাইল ব্যবহারকারীরা।

নেটওয়ার্ক পুনরায় চালু করতে সে এলাকায় বিটিআরসির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অপারেটররা কাজ শুরু করে। তবে সাইটে জেনারেটর, জেনারেটরের তেলসহ অন্য সরঞ্জাম পৌঁছাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্মীদের।

তারপরও জোর চেষ্টায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১ হাজার ১৪৬ সাইট চালু করা সম্ভব হয়েছে বলে জানায় বিটিআরসি।

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো- আইএসপি

সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণাসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য এলাকায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় আইএসপি অপারেটরদের নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার, পয়েন্ট অফ প্রেজেন্স (পিওপি) স্থাপনাগুলো প্লাবিত ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

যেসব পিএপিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে, সেসবে পোর্টেবল জেনারেটর দিয়ে পরিষেবা দেয়া হচ্ছে। জেলাগুলোতে কিছু পিওপি-এ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আইএসপি অপারেটরগুলো তাদের টিম পাঠিয়ে নেটওয়ার্ক সচল রাখার জন্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আইআইজি

সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণাসহ সিলেট বিভাগের অন্য এলাকায় ১৫টি আইআইজি অপারেটরের ৪৮টি পয়েন্ট অফ প্রেজেন্স আছে, যার অধিকাংশই সচল রয়েছে। তবে বন্যাপ্লাবিত এলাকায় অবস্থিত অনেক সাইটে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগে সাময়িক প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়।

সিলেটে কয়েকটি আইআইজি পিওপি-এ ডিজেল জেনারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার জন্য একটি অস্থায়ী প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। জেলার কিছুসংখ্যক পিএপিতে বিদ্যুৎব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ডিজেলচালিত জেনারেটর এবং পোর্টেবল জেনারেটর ভাড়া করা হয়েছে।

বিএসসিএল

গত শনিবার ১২টি ভিস্যাট সুনামগঞ্জে সেনাবাহিনীর কাছে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে হাই-টেক পার্ক ক্যাম্পে একটি, সুনামগঞ্জ ডিসির কার্যালয়ে একটি এবং সার্কিট হাউসে একটি চালু করা হয়েছে।

সিলেট স্থানীয় প্রশাসনের কাছে ২৩টি ভিস্যাট রোরবার পৌঁছানো হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি ভিস্যাট স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুটি ভিস্যাট স্থাপনের কার্যক্রম চালু রয়েছে।

আরও পড়ুন:
বন্যার ভয়াবহতা দেখতে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
বন্যার ভয়াবহতা দেখতে সিলেটের পথে প্রধানমন্ত্রী
তিস্তার পানি বিপৎসীমায়
বানভাসিদের পাশে বিজিবি
উজান-ভাটি দু’দিক থেকেই পানি ঢুকছে হবিগঞ্জে

মন্তব্য

p
উপরে