× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The threat of not buying Twitter masks
hear-news
player
print-icon

টুইটার না কেনার হুমকি মাস্কের

টুইটার-না-কেনার-হুমকি-মাস্কের
টুইটারে প্রচুর বট অ্যাকাউন্ট আছে বলে মনে করেন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত
টুইটার কেনার বিষয়টি স্থগিত করেন, কারণ ইলন মাস্ক বলেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে প্রচুর পরিমাণ বট অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাস্ক বট ইস্যুটিকে একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন চুক্তিটি পরিত্যাগ অথবা পুনঃ আলোচনা করার জন্য।

স্পেসএক্স ও টেসলার মালিক বিশ্বের শীর্ষধনী ইলন মাস্ক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার প্রস্তাব দিলে ঘটনাটি প্রযুক্তি জগতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। পরে তিনি টুইটার কেনার বিষয়টি স্থগিত করেন, কারণ তিনি বলেছিলেন, টুইটারে প্রচুর পরিমাণ বট অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বট অ্যাকাউন্ট মূলত কোনো মানুষের অ্যাকাউন্ট নয়। কম্পিউটারে তৈরি করা টুইটার অ্যাকাউন্ট।

এবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলন মাস্ক বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি তার ব্যবহারকারীদের প্রকৃত মানুষ প্রমাণ করার জন্য আরও কিছু না করলে টুইটার কেনার চুক্তি থেকে সরে যাবেন তিনি।

তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাস্ক বট ইস্যুটিকে একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন চুক্তিটি পরিত্যাগ অথবা পুনঃ আলোচনা করার জন্য।

কিন্তু মাস্ক দাবি করেছেন এর বিপরীত। তিনি বলছেন, স্প্যাম ও ভুয়া অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য তার দাবি পূরণ না করে বরঞ্চ টুইটার চুক্তি লঙ্ঘন করছে।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন, পর্দার আড়ালে চুক্তিটি চলছে। উভয় পক্ষই নিয়মিত বৈঠক করছে এবং তথ্য বিনিময় করছে।

গত মাসে মাস্ক বলেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে বট ইউজারের সংখ্যা ৫ শতাংশেরও নিচে কমিয়ে নিয়ে আসা পর্যন্ত তিনি এই চুক্তিটিকে স্থগিত করছেন। মাস্কের অনুমান, টুইটার সব ইউজার অ্যাকাউন্টের কমপক্ষে ২০ শতাংশ বট অ্যাকাউন্ট।

গত ৪ এপ্রিল জানা যায়, টুইটারের প্রায় ৯.২ শতাংশ শেয়ারের মালিক ইলন মাস্ক। যার জন্য তিনি খরচ করেছেন ২.৪ বিলিয়ন ডলার। সে সময় একক মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বেশি শেয়ারের মালিক হলেও ১০ এপ্রিল টুইটার বোর্ডের মিটিংয়ে যোগ দিতে অস্বীকার করেন তিনি।

পরে ইলন মাস্ক তার পরিকল্পনা স্পষ্ট করেন যে তিনি আসলে পুরো টুইটারই চান।

১৪ এপ্রিল ইলন মাস্ক টুইটারের বাকি শেয়ারগুলোর প্রতিটি ৫৪.২০ ডলারে কিনে নেয়ার প্রস্তাব দেন, যা আগের কেনা ৯.২ শতাংশ শেয়ারের থেকে ৩৮ শতাংশ বেশি।

ইলন মাস্কের বক্তব্য ছিল, কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা একটি সামাজিক বাধ্যবাধকতা। বর্তমান কাঠামোতে টুইটার তা দিতে পারবে না।

পরে তিনি ‘সেরা ও চূড়ান্ত’ প্রস্তাব হিসেবে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে কোম্পানিটিকে ব্যক্তিগতভাবে কিনে ফেলার প্রস্তাব দেন।

এর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে টেডের এক সাক্ষাৎকারে দেয়া বক্তব্যে তিনি জানিয়েছিলেন, টুইটার থেকে আয়ের কোনো লক্ষ্য নেই তার। বিশ্বব্যাপী সর্বজনীন বাকস্বাধীনতাই তার লক্ষ্য। এমনকি টুইটারের অভ্যন্তরীণ সব কিছু একজন ব্যবহারকারী যাতে জানতে পারে, তার জন্য টুইটারের অ্যালগরিদমও উন্মুক্ত করে দিতে চান তিনি।

আরও পড়ুন:
টুইটার বোর্ডে থাকছেন না ইলন মাস্ক
ফোর্বস বিলিওনেয়ারের তালিকায় শীর্ষে ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ক ‘বড় একা’
ইতিহাস গড়ে মহাকাশে যাবে ইলন মাস্কের স্টারশিপ
চাঁদে আছড়ে পড়ছে ইলন মাস্কের রকেট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Cow Khasi is matching with the market click

হাটে-মাঠের সঙ্গে ‘ক্লিক’-এ মিলছে গরু-খাসি

হাটে-মাঠের সঙ্গে ‘ক্লিক’-এ মিলছে গরু-খাসি প্রতীকী ছবি
‘যতই দিন যাচ্ছে, ততই কোরবানির পশুর কেনাকাটা ডিজিটাল ব্যবস্থায় অভ্যস্ত হচ্ছে মানুষ। দৈনিক বিকিকিনি হচ্ছে কোটি টাকার বেশি। তবে অনলাইন বেচাকেনা এখনো লাভজনক না। ক্রেতাদের আস্থা বাড়লে আগামিতে পশু কোরবানির বিকল্প হবে এসব সেবা প্রতিষ্ঠান।’

শুধু মাঠেই নয়। কম্পিউটার ক্লিকেও এখন মিলছে কোরবানির পশু। হাটের গন্ডি পেরিয়ে মাউসের এক ক্লিকে দেখা মিলছে গরু-খাসি। গেল কয়েক বছরে বদলে গেছে খামারের চিরচেনা দৃশ্য। সামনা-সামনি দেখার পরিবর্তে, ওয়েবসাইট কিংবা ফেইসবুক পেইজে পশুর ছবি-ভিডিও দেখছেন ক্রেতা। সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তাৎক্ষণিক। তাদের সেবা দিচ্ছে এক ঝাঁক স্মার্ট কর্মী।

তরুণদেরই অনলাইন মার্কেট প্লেস নিয়ে আগ্রহ বেশি। এক্ষেত্রে সরকারের ডিজিটাল হাট ইকোসিস্টেমকেও কাজে লাগাচ্ছে অনেকেই। বিভিন্ন এলাকার ৭০ জন খামারিকে এক করেছে আইসিটি বিভাগ। শুধু পশু বেচাকেনা নয়, কোরবানি ও মাংস প্রক্রিয়াজাত-সহ দেয়া হবে হোম ডেলিভারি সেবা। এসব সেবা কেউ ফ্রি দিচ্ছেন, আবার কম-বেশি ২০ শতাংশ সার্ভিস নিচ্ছেন অনেকে। বেশিরভাগ গরু আসে দেশের নানা প্রান্ত থেকে, আবার বিদেশি অনেক জাতের ব্রিড হচ্ছে বাংলাদেশেই।

বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাদিক এগ্রোর কর্ণধার মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘যতই দিন যাচ্ছে, ততই কোরবানির পশুর কেনাকাটা ডিজিটাল ব্যবস্থায় অভ্যস্ত হচ্ছে মানুষ। দৈনিক বিকিকিনি হচ্ছে কোটি টাকার বেশি। তবে অনলাইন বেচাকেনা এখনো লাভজনক না। ক্রেতাদের আস্থা বাড়লে আগামিতে পশু কোরবানির বিকল্প হবে এসব সেবা প্রতিষ্ঠান।’

বেঙ্গল মিটের কোরবানি প্রজেক্টের সমন্বয়কারী নূর মোহাম্মদ বলেন, করোনার সময় চলাচলে বিধি-নিষেধ থাকায় গত দুই বছর কোরবানির ঈদে মানুষ গ্রামে যেতে পারেনি, যার ফলে অনলাইনে পশু বিক্রি বেড়েছিল। এবার কোনো বিধি-নিষেধ না থাকায় অনেকেই গ্রামে চলে যাচ্ছে। তাই অনলাইনে বিক্রি কম বলে মনে হচ্ছে।

গত দুই বছর অনলাইন হাটে গরু কিনলেও এবার সরাসরি হাটে গিয়েই কিনতে চান ঢাকার শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা সামাদ মোল্লা।

তিনি বলেন, ‘গত দু্ই বছর করোনার কারণে বাইরে গিয়ে কোরবানির পশু কেনা হয়নি। তবে ঈদে অনলাইনে গরু দেখে অর্ডার করে যে রকম দেখেছিলাম সেরকমই পেয়েছিলাম। এমনকি গত বছর অনলাইনে শুধু গরু কিনেছি সেটা নয়। কোরবানিও করানো হয়েঝে অনলাইনে। সব কিছু সম্পন্ন করে মাংস বাসায় পৌঁছে দেন তারা। তবে এ বছর হাটে গিয়ে গরু কিনব। কোরবানির পশু চোখে দেখে কেনার মধ্যে স্বস্তি আছে।’

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র দুই দিন। কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য রাজধানীতে প্রস্তুত মোট ১৮টি হাট। পাশাপাশি পশু বিক্রি হচ্ছে অনলাইনেও।

কোরবানিয় পশু বেচাকেনায় দখল নিচ্ছে কর্পোরেট দুনিয়া। নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে পশুর অর্ডার আসছে এখানেও। করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সাড়াও মিলছে বেশ। ছবি-ভিডিও তো আছেই, সাথে গরু কিংবা খাসি কোন প্রক্রিয়ায় প্রসেস করা হবে, কি ওষুধ বা খাবার ব্যবহার হয়েছে, জীবিত প্রাণীর ওজন কত, সব তথ্যে সমৃদ্ধ হয়েছে ওয়েবসাইট।

অনেকেই অনলাইনে পশু কিনতে আগ্রহী। বলছেন, বাজারে গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়তে হয়।

অনেকেই আবার সময় স্বল্পতার কারণে হাটে যেতে চান না। আর তাই বেছে নিয়েছেন অনলাইন মার্কেটপ্লেস।

ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পশুর ওজন, রং, দামের বিবরণসহ হোম ডেলিভারির সুবিধা দিচ্ছে অনেক অনলাইন ব্যবসায়ী। দাম পরিশোধ করা যাবে ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডে। কেউ চাইলে মোবাইল আর্থিক পরিসেবার মাধ্যমেও পরিশোধ করতে পারছেন পশুর দাম। প্রতিটি জেলায় আলাদা আলাদা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পশু বিক্রি করা হচ্ছে। যা তত্ত্ববধায়ন করছে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।

মৎস্য এবং প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মার্কেট প্লেসের সংখ্যা ৪৬৮টি। এর মধ্যে ঢাকায় সংযুক্ত রয়েছে ১৩৬টি হাট। চট্টগ্রামে ৮৭টি। খুলনায় ৩৪টি। রাজশাহীতে ৬১টি, বরিশালে ৫০টি, সিলেটে ২৯টি, রংপুরে ৪৫টি, ময়মনসিংহে ২৬টি হাট পরিচালনা করা হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে উদ্বোধন করা হয় কোরবানির পশু বেচাকেনার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ডিজিটাল হাট’ (www.digitalhaat.gov.bd)।

দেশের বিভিন্ন স্থানে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলেও অনলাইনে পশু বিক্রির সুযোগ থাকলেও শহরের মতো তেমন সাড়া নেই। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রতি উপজেলায় অনলাইনে পশু বিক্রির আয়োজন করলেও নেই প্রয়োজনীয় প্রচারণা। তবে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অনলাইন নির্ভর পশুর খামার করে সফল হচ্ছেন।

উদ্যোক্তারা বলছেন, করোনার কারণে গেলো বছর অনলাইন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আগ্রহ ছিলো বেশি। কিন্তু এবার বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল থাকায়, সরাসরি কেনায় আগ্রহী ক্রেতারা।

২০১৫ সাল থেকেই অনলাইনে শুরু হয়েছে কোরবানীর পশু কেনাবেচা। শুরুর দিকে বিষয়টিতে অনেকের আগ্রহ না থাকলেও ধীরে ধীরে এটিই এখন সবচেয়ে বড় মার্কেটে পরিণত হচ্ছে। পশুর হাটের নানা ঝক্কি ঝামেলা এড়িয়ে যারা কোরবানির পশু কিনতে চান তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকছেন এই মাধ্যমে।

রাজধানীতে কেন্দ্রীয়ভাবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মিলে আয়োজন করা হচ্ছে পশুর হাট। প্রতিটি জেলাতেই সরকারি উদ্যোগেও থাকছে একই রকম আয়োজন। এছাড়া বিভিন্ন খামারী, ফার্ম নিজেদের নামে পৃথক পৃথকভাবেও অনলাইনে পশু বিক্রি করছেন কোরবানি উপলক্ষে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, এ বছর এক কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯টি কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে। কোরবানিতে পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৯৭ লাখ ৭৫ হাজার। সে হিসাবে এ বছর চাহিদার চেয়ে বেশি রয়েছে ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৯টি গবাদি পশু।

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) তথ্য অনুযায়ী, গতবছর অনলাইন হাট থেকে বেচাকেনা হয়েছে ৩ লাখ ৮৭ হাজার গরু-ছাগল ও অন্যান্য পশু। টাকার অংকে দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকার পশু বিক্রি হয়। এবার তা কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন:
ডিজিটাল হাটে হাসিল নয়
এক প্ল্যাটফর্মে অনলাইনের সব পশুর হাট

মন্তব্য

রিয়েলমির স্মার্টফোন ঈদ অফার

রিয়েলমির স্মার্টফোন ঈদ অফার
২০ হাজার থেকে ২৭ হাজার টাকার মধ্যে গ্রাহকরা পাবেন রিয়েলমি ৯আই, রিয়েলমি ৮ ও ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাসহ বাজারে নতুন আসা রিয়েলমি ৯ ফোরজি। যেসব গ্রাহক আরেকটু উন্নত স্মার্টফোন (ফ্লাগশিপ) ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য রয়েছে জিটি মাস্টার এডিশন ও জিটি নিও ২।

চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি ঈদুল আজহার খুশিকে আরও বাড়িয়ে দিতে গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে নাম্বার সিরিজ, সি সিরিজ, নারজো সিরিজ ও জিটি সিরিজের আকর্ষণীয় সব স্মার্টফোন।

যেসব গ্রাহক ২০ হাজার টাকার মধ্যে ডিভাইস খুঁজছেন, তাদের জন্য আছে এন্ট্রি-লেভেল ফোন রিয়েলমি সি১১ ২০২১, নারজো ৫০আই, সি২৫ওয়াই, সি৩১, সি২৫এস ও বাজারে নতুন আসা স্টাইলিশ সি৩৫।

২০ হাজার থেকে ২৭ হাজার টাকার মধ্যে গ্রাহকরা পাবেন রিয়েলমি ৯আই, রিয়েলমি ৮ ও ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাসহ বাজারে নতুন আসা রিয়েলমি ৯ ফোরজি। যেসব গ্রাহক আরেকটু উন্নত স্মার্টফোন (ফ্লাগশিপ) ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য রয়েছে জিটি মাস্টার এডিশন ও জিটি নিও ২।

ঈদ পর্যন্ত যেকোনো রিয়েলমি স্মার্টফোন কিনলে গ্রাহকরা স্পেশাল রিয়েলমি স্পোর্টস ওয়াটার বোতল পাবেন।

এ ছাড়া রিয়েলমি সম্প্রতি বাজারে নিয়ে এসেছে নারজো ৫০ এর ৬+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্ট, ভ্যাট ছাড়া যার দাম ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা।

তরুণ প্রজন্ম কেন্দ্রিক এই স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি গ্রামীণফোন আয়োজিত ‘ঈদ ডিভাইস ফেয়ার @জিপিসেন্টার’ শীর্ষক ফোরজি স্মার্টফোন মেলায় অংশ নিচ্ছে। ১৬ জুলাই পর্যন্ত এই মেলা চলবে। ঈদকে সামনে রেখে আয়োজিত এ মেলায় পাওয়া যাবে রিয়েলমি সি সিরিজ ও নাম্বার সিরিজের বিভিন্ন ফোরজি ডিভাইস।

এ ছাড়া মেলা থেকে প্রতিটি ডিভাইস কেনার পরপরই গ্রাহকরা পাবেন গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় অফার। মেলা থেকে ফোরজি স্মার্টফোন কিনলে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে গ্রাহকরা পাবেন ১ বছর প্রতি মাসে এক জিবি করে ফ্রি ইন্টারনেট।

আরও পড়ুন:
দারাজে রিয়েলমির স্টাইলিশ নারজো ৫০এ প্রাইম
তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 
দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়
রিয়েলমি নিয়ে এলো জিটি নিও ৩ নারুতো এডিশন
চীনে প্রথম প্রান্তিকে শীর্ষে ভিভো

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The conflict between the Indian government and Twitter is in court this time

ভারত সরকার টুইটারের দ্বন্দ্ব এবার আদালতে

ভারত সরকার টুইটারের দ্বন্দ্ব এবার আদালতে ভারত সরকারের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে গেছে টুইটার ইন্ডিয়া। ছবি: সংগৃহীত
আদালতে দাখিল করা আবেদনে টুইটারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া ব্লকিং আদেশগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি আইনের ৬৯ (ক) এর আলোকে উল্লেখযোগ্যভাবে ঘাটতিপূর্ণ ও কেন্দ্রের কিছু নির্দেশ পুরোপুরি অযৌক্তিক। সেসবের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার আবেদন জানিয়েছে টুইটার। কারণ কিছু কনটেন্ট ব্লক করলে তা বাকস্বাধীনতার লঙ্ঘন হতে পারে।

ভারত সরকার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের চলমান দ্বন্দ্ব এবার আদালতে গড়িয়েছে। টুইটার ইন্ডিয়া ভারত সরকারের ইলেকট্রনিকস ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে।

কর্ণাটক হাইকোর্টে মঙ্গলবার টুইটার ইন্ডিয়ার দাখিল করা আবেদনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অসম ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ধারা ৬৯ (ক) এর অধীনে জারি করা মন্ত্রণালয়ের বিষয়বস্তু ব্লক করার আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে টুইটারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া ব্লকিং আদেশগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি আইনের ৬৯ (ক) এর আলোকে উল্লেখযোগ্যভাবে ঘাটতিপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রেই ব্লক আদেশের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছে যে এটি ঠিক কীভাবে ৬৯(ক) ধারায় পড়ে।

এর আগে ২৭ জুন ভারতের ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে পাঠানো নতুন এক নোটিশে বলা হয়েছিল, মন্ত্রণালয় থেকে ৬ ও ৯ জুন পাঠানো নোটিশ মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে টুইটার।

নোটিশে বলা হয়েছে, সরকারের সব শর্ত মানতে হবে টুইটারকে। অন্যথায় ভারতে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা হারাবে। ফলে যাবতীয় পোস্টের জন্য দায় নিতে হবে টুইটারকেই।

ভারত সরকার অভিযোগ করে আসছে, ‘তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ধারা ৬৯-এর অধীনে কিছু বিষয়বস্তু প্ল্যাটফর্মটি থেকে সরিয়ে নেয়ার নোটিশগুলোতে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।’

ভারতের টুইটারের চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসারকে উদ্দেশ করে দেয়া এক বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘যদি টুইটার তথ্য ও প্রযুক্তি আইন লঙ্ঘন করতে থাকে, তাহলে আইনের অধীনেই এর প্রতিক্রিয়া পাবে।’

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যবহারকারী অপরাধমূলক কিংবা অবমাননাকর কোনো কিছু পোস্ট করলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে। সেটা টুইটার, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ যেকোনো প্রতিষ্ঠানই হতে পারে।

এখন পর্যন্ত ভারতে ব্যবসা পরিচালনা করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ‘মধ্যস্থতাকারী’র সুবিধা পেয়ে এসেছে। বিতর্কিত ও অনৈতিক কোনো পোস্টের দায় সরাসরি প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়েনি।

ভারত সরকার এবার জানিয়ে দিয়েছে, এই সুবিধা প্রত্যাহার করা হতে পারে। ফলে দোষী সাব্যস্ত হলে ৭ বছরের জেল এবং জরিমানা হতে পারে টুইটারের কর্মকর্তাদের।

টুইটারের দাবি, কেন্দ্রের কিছু নির্দেশ পুরোপুরি অযৌক্তিক। সেসবের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার আবেদন জানিয়েছে টুইটার। কারণ কিছু কনটেন্ট ব্লক করলে তা বাকস্বাধীনতার লঙ্ঘন হতে পারে।

তবে কেন্দ্র থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, টুইটারকে আইন মানতেই হবে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে টুইটারের অভ্যন্তরীণ কিছু তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট ও টুইট ব্লক করতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ফ্রিডম হাউস, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে কিছু টুইট।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণালংকার শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ ভারতীয় ব্যবসায়ীদের
মণিপুরে ভূমিধসে মৃত বেড়ে ৪২
হিমাচলে বাস খাদে, নিহত ১৬
পুজারা-পান্টের ব্যাটে লিড আড়াই শ ছাড়াল ভারতের
উপহারের আম্রপালি পেলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
9 winners of Seeds for the Future are going to Thailand

থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিডস ফর দ্য ফিউচার বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী

থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিডস ফর দ্য ফিউচার বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী সিডস ফর ফিউচার বাংলাদেশ আয়োজনের সমাপনীতে অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
বিজয়ীরা হলেন বুয়েটের গোলাম মাহমুদ সামদানী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাদমিন সুলতানা; রুয়েটের মাদিহা বিনতে জাকির ও মেহরিন তাবাসসুম, আইইউটির ওয়াসিফা রহমান রেশমি ও মো. সুমিত হাসান; চুয়েটের মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাজিব শারার শায়ক ও মোহসিনা তাজ।

সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২২ আয়োজনের বাংলাদেশের শীর্ষ ৯ শিক্ষার্থীর নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে। আয়োজনের পরবর্তী রাউন্ডে অংশ নিতে আগামী মাসে বিজয়ীরা থাইল্যান্ড যাবেন। সেখানে তারা এশিয়ার অন্য বিজয়ীদের সঙ্গে যোগ দেবেন।

চলতি বছর এই প্রোগ্রামে অংশ নেয়া ১ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন শিক্ষার্থী দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হন। বিভিন্ন পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে তৃতীয় রাউন্ড তথা বাংলাদেশের ফাইনাল রাউন্ডে শীর্ষ ৯ শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়।

থাইল্যান্ডে এই প্রোগ্রামের পরের রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন এবং তাদের প্রজেক্ট আইডিয়া এবং সাবমিশনের মাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।

থাইল্যান্ড রাউন্ডের বিজয়ীরা ‘টেক ফর গুড অ্যাকসেলারেটর ক্যাম্প’-এ অংশ নিতে সিঙ্গাপুর যাবেন। প্রোগ্রাম শেষে চ্যাম্পিয়নরা পাবেন হুয়াওয়ে মেটবুক ল্যাপটপ।

বিজয়ীরা হলেন বুয়েটের গোলাম মাহমুদ সামদানী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাদমিন সুলতানা; রুয়েটের মাদিহা বিনতে জাকির ও মেহরিন তাবাসসুম, আইইউটির ওয়াসিফা রহমান রেশমি ও মো. সুমিত হাসান; চুয়েটের মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাজিব শারার শায়ক ও মোহসিনা তাজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর ইউ লিওয়েন, বাংলাদেশে ইউনেসকোর হেড অফ অফিস ও প্রতিনিধি বিয়াট্রিস কালদুন এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বোর্ড মেম্বার জেসন লি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে উন্নত ক্লাউড সেবা দেবে হুয়াওয়ে
উন্নত কনফিগারেশনে হুয়াওয়ে মেটবুক এক্স প্রো
হুয়াওয়ের নতুন ৭ সুপার ডিভাইস
হুয়াওয়ে ফাইভজি কুইজ বিজয়ী যারা
সত্যিই কি নতুন স্মার্টফোন আনছে হুয়াওয়ে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Opportunity to win a bike fridge oven by buying Apo smartphone on Eid

ঈদে অপো স্মার্টফোন কিনে বাইক, ফ্রিজ-ওভেন জেতার সুযোগ

ঈদে অপো স্মার্টফোন কিনে বাইক, ফ্রিজ-ওভেন জেতার সুযোগ
ক্যাম্পেইনে অপো এ১৬ই, অপো এ১৬, অপো এ৫৪, অপো এ৭৬, অপো এ৯৫, অপো এফ২১ প্রো ও অপো এফ২১ প্রো ফাইভজি ডিভাইস কিনলে ক্রেতারা সুজুকি মোটরবাইক জেতার সুযোগ পাবেন।

ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে অপো বাংলাদেশ ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় অফার ঘোষণা করেছে। এই অফারে অপোর স্মার্টফোন কিনে ক্রেতারা মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, ওভেন, কফি মেকারসহ বিভিন্ন পুরস্কার জিততে পারবেন।

এ ছাড়া রয়েছে বিভিন্ন ধরনের হোম অ্যাপ্লায়েন্স জেতার সুযোগও।

অফারটি আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন, লটারির মাধ্যমে বেছে নেয়া ভাগ্যবান বিজয়ীদের জন্য থাকছে এসব পুরস্কার।

ক্যাম্পেইনে অপো এ১৬ই, অপো এ১৬, অপো এ৫৪, অপো এ৭৬, অপো এ৯৫, অপো এফ২১ প্রো ও অপো এফ২১ প্রো ফাইভজি ডিভাইস কিনলে ক্রেতারা সুজুকি মোটরবাইক জেতার সুযোগ পাবেন।

লটারির মাধ্যমে বেছে নেয়া ভাগ্যবান বিজয়ীদের জন্য থাকছে বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রীও। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও কফি মেকার।

এ ছাড়া ক্যাম্পেইনে ক্রেতাদের জন্য থাকছে এনকো ডব্লিউ১১ টিডব্লিউএস হেডফোন, ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক, ইন্টারনেট ডাটা বান্ডেল ও ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত সোয়াপ এক্সচেঞ্জ অফার সুবিধা।

অপো এফ২১ প্রো সিরিজের (অপো এফ২১ প্রো অথবা এফ২১ প্রো ফাইভজি) ডিভাইস কেনায় ক্রেতারা নিশ্চিতভাবে আকর্ষণীয় পুরস্কারসহ গিফট বক্স পাবেন।

অফার পেতে ক্রেতাদের এই লিংকে প্রবেশ করে প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে বক্সগুলো পূরণ করতে হবে এবং গ্রিন বারে (এখানে লেখা থাকবে - রিডিম ইওর লাক) ক্লিক করতে হবে। দেশের যেকোনো জায়গা থেকে আগ্রহীরা এ ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন।

এ ক্যাম্পেইন নিয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের হেড অফ ব্র্যান্ড লিউ ফেং বলেন, ‘প্রিয়জনের সঙ্গে উপভোগ্য সময় কাটানোর জন্য ঈদ একটি আনন্দের উপলক্ষ। ঈদ উৎসব উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে আমরা আমাদের ক্রেতাদের জন্য এ অফারগুলো নিয়ে এসেছি। এ ক্যাম্পেইনের আওতায় পছন্দের স্মার্টফোন কিনে বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার জিতে নেয়ার সুযোগের বিষয়টি ক্রেতারা উপভোগ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’

সম্প্রতি অপো দেশের বাজারে এফ সিরিজের নতুন ডিভাইস এফ২১ প্রো ফাইভজি উন্মোচন করেছে।

আরও পড়ুন:
ফাইবারগ্লাস লেদার ডিজাইনের অপো এফ২১ প্রো
দেশে অপোর নতুন স্মার্টফোন এ৭৬
ফোল্ডিং ফোন দেখাল অপো, যুক্ত হলেন সাকিব
তিন দিন ছাড় পাবেন অপো গ্রাহকরা
দেশে অপো এফ১৯: প্রিঅর্ডারে ফ্রি স্পিকার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Not achieved in the digital market

ডিজিটাল হাটে হাসিল নয়

ডিজিটাল হাটে হাসিল নয়
মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘অনলাইনে কেনাবেচায় ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করা যাবে। স্মার্ট কার্ডের পাশাপাশি অ্যাপসের মাধ্যমে পেমেন্টের সুযোগ রাখা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের এটি একটি অনন্য নজির। অনলাইনে পশু কেনার পর সেটি পছন্দ না হলে বা যেটি ক্রেতা দেখেছিলেন সেটি না দেয়া হলে প্রতিকারের ব্যবস্থাও আছে অনলাইন হাটে।’

অনলাইনে পশু কেনাবেচার ক্ষেত্রে হাসিল (ইজারার চাঁদা) আদায় করা যাবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

কোরবানির ডিজিটাল হাট উদ্বোধনকালে রোববার বিকেলে তিনি এ কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ই-ক্যাব) যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন হয়। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে কারিগরি সহায়তা দেয় এটুআই।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘অনলাইনে পশু কেনাবেচার ক্ষেত্রে হাসিল আদায় করা যাবে না। এটি ইজারাবহির্ভূত রাখা হবে। ডিজিটাল হাটে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া বাজারের বাইরে, বাড়িতে বা রাস্তায় কেউ যদি পশু বিক্রি করেন, তাহলেও তাদের কাছ থেকে কোনোভাবেই হাসিল বা চাঁদা আদায় করা যাবে না।’

ডিজিটাল হাটের সুবিধা বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেক বিড়ম্বনা ছিল। কোথায় হাট বসবে, তা নিয়ে আছে জটিলতা। হাট পর্যন্ত পশু নিয়ে আসাও ঝুঁকিপূর্ণ। হাটের বাইরে টাকা ছিনতাইয়ের ঝুঁকিও আছে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এখন সব সহজ হয়েছে।

‘অনলাইনে কেনাবেচায় ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করা যাবে। স্মার্ট কার্ডের পাশাপাশি অ্যাপসের মাধ্যমে পেমেন্টের সুযোগ রাখা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের এটি একটি অনন্য নজির। অনলাইনে পশু কেনার পর সেটি পছন্দ না হলে বা যেটি ক্রেতা দেখেছিলেন সেটি না দেয়া হলে প্রতিকারের ব্যবস্থাও আছে অনলাইন হাটে।’

করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর কোরবানির পশু বেচাকেনা কম হয়েছে বলে মনে করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, গত বছর ৩ লাখ ৭৫ হাজার গবাদিপশু অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এ বছর কেনাবেচা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

অনলাইন হাটে গ্রাহক আস্থা তৈরির জন্য এটুআই, একপে, ই-ক্যাবসহ বিভিন্ন ফোরামকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘পশুর মালিকানা, ঠিকানা, পশুর বয়সসহ সম্পূর্ণ তথ্য অনলাইনে সরবরাহ করতে হবে। ভেটেরিনারি সার্জনের কাছ থেকে সনদ দিতে হবে। এতে রোগগ্রস্ত পশু কি না সেটা নির্ণয় করা যাবে। পশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।’

ডিজিটাল হাটে হাসিল নয়
কোরবানির ডিজিটাল হাট উদ্বোধন করেন প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী জানান, দেশে চাহিদার তুলনায় পশু উদ্বৃত্ত আছে। ঈদে প্রায় ৯৭ লাখ ৭৫ হাজার কোরবানির পশুর চাহিদা থাকলেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১ কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৮৮৯টি পশু। যাতে কোনোভাবেই পশুর সংকট না হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমালসহ ডিজিটাল হাটসংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
এক প্ল্যাটফর্মে অনলাইনের সব পশুর হাট

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Apo will work to expand the FiveG ecosystem in the country

দেশে ফাইভজি ইকোসিস্টেমের বিস্তৃতিতে কাজ করবে অপো

দেশে ফাইভজি ইকোসিস্টেমের বিস্তৃতিতে কাজ করবে অপো
প্রাইমারি ক্যামেরা দুটির পেছনে লুকানো রয়েছে দুটি রিং। ৬৪ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো, ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ ও ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে সেটটিতে। পাশাপাশি রয়েছে বোকেহ ফ্লেয়ার পোর্ট্রেট, সেলফি এইচডিআর, এআই প্যালেটস, এআই কালার পোর্ট্রেট, পোর্ট্রেট রিটাচিং এবং আরও অনেক কিছু।

বিগত বছরগুলোতে দেশের স্মার্টফোন বাজারের অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। ব্যতিক্রমী কাস্টমাইজেশন ও উচ্চমানের পণ্যের জন্য স্মার্টফোন ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। যদিও দেশে ফাইভজির ব্যবহার এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে নির্দ্বিধায় বলা যায়, নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সঙ্গে এ প্রযুক্তিও নতুন সব সম্ভাবনা উন্মোচন করবে।

এ খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো ফাইভজি ইকোসিস্টেমের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে নিয়েছে। পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন ত্বরান্বিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেছে।

এগিয়ে যান অপো এফ২১ প্রো ফাইভজির সঙ্গে

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় স্মার্ট ডিভাইস নির্মাতা ও উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান অপো বাংলাদেশে ফাইভজির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাজ করছে। ব্র্যান্ডটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে গবেষণা সক্ষমতা এবং অংশীদারত্ব সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতাও প্রদর্শন করেছে।

ব্র্যান্ডটি অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের বাজারের জন্য অপো এফ২১ প্রো ফাইভজি কাস্টোমাইজ করেছে এবং বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির ব্যান্ডের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্যাটালগে প্রবেশের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টেকনোলজি সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে।

মানের ব্যাপারে আপস না করে দেশের গ্রাহক এবং ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণে তাদের প্রয়োজন অনুসারে পোর্টফোলিও এবং ব্যবসায়িক কৌশল সমৃদ্ধ করেছে ব্র্যান্ডটি। অপোর লক্ষ্য ভবিষ্যতে শীর্ষস্থানীয় ফাইভজি পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা দেশের আরও অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।

বিশ্বজুড়ে ফাইভজি কানেক্টিভিটি স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে অপো

২০১৯ সালে অপো প্রথম ডিএসএস ডেটা কল পরিচালনার জন্য বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করেছে। শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডটি এরিকসন, কোয়ালকম টেকনোলজিস (কোয়ালকম ইনকরপোরেটেডের একটি সাবসিডিয়ারি), সুইসকম ও টেলস্ট্রার সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম ডিএসএস সক্ষমতার ফাইভজি স্মার্টফোন ব্যবহার করে ইন্ডাস্ট্রির প্রথম ডিএসএস (ডাইনামিক স্পেকট্রাম শেয়ারিং) ডেটা কল করতে সক্ষম হয়েছে।

এভাবে বিশ্বজুড়ে ডিএসএস সাপোর্ট করে এমন প্রথম বৈশ্বিক স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে অপো। পরে ২০২০ সালে অপো প্রথম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে ভারতে ফাইভজি হোয়াটসঅ্যাপ কল করতে সক্ষম হয়, হায়দ্রাবাদে আরঅ্যান্ডডি কেন্দ্রে প্রথম ফাইভজি কল পরীক্ষা করে এবং আরও দ্রুত মুভি ডাউনলোড ও ক্লাউড গেমিংয়ের ফিচারগুলো তুলে ধরে। এ ছাড়া ২০২০ সালে অপো বিশ্বব্যাপী ফাইভজি সিপিই ওমনি চালু করে, যা উদ্ভাবনী প্রযুক্তির একটি ফাইভজি স্মার্ট কানেকশন হাব। ২০২০ সালের এপ্রিলে অপো, এরিকসন এবং মিডিয়াটেক নিয়ে আসে ভিওএনআর ভয়েস ও ভিডিও কল, যা উচ্চ মানসম্পন্ন ফাইভজি ফোনের অভিজ্ঞতাকে বাস্তবে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।

২০২০ সালের মে মাসে ভোডাফোনের ইউরোপীয় বাজারে অপোর বিস্তৃত পরিসরের পণ্য নিয়ে আসতে অপো এবং ভোডাফোন একটি অংশীদারত্ব চুক্তি করে। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক এক্সচেঞ্জ আরও সমৃদ্ধ করতে এবং ফাইভজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিগ ডেটার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্লোবাল টেকনিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডস গঠনে অংশ নিতে আইইইইর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব করে অপো।

শক্তিশালী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ২০২২ সালে অপো বাংলাদেশে নিয়ে আসে অপো এফ২১ প্রো ৫জি। ৬ ন্যানোমিটার প্রসেসরে নির্মিত এফ২১ প্রো ৫জি কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৯৫ ফাইভজি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম দ্বারা চালিত প্রথম ডিভাইসগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই দুর্দান্ত প্রসেসরের মাধ্যমে স্মার্টফোনটি অতুলনীয় পারফরম্যান্স দেবে।

নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের জন্য এফ২১ প্রো ফাইভজিতে ফোরজি প্লাস নেটওয়ার্ক

অপো এফ২১ প্রো ফাইভজির কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৯৫ ফাইভজি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ৬ ন্যানোমিটার চিপসেট দেবে দ্রুতগতির ফোরজি প্লাস ইন্টারনেট। এই ফাইভজি ডিভাইসে ৪জি+ একই ব্যান্ডউইথ লোকেশনে একই সিমের মাধ্যমে অন্য যেকোনো স্মার্টফোনের তুলনায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করে।

সিম কার্ড ও এর অবস্থান ফাইভজি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে কি না, তার ওপর নির্ভর করে ফাইভজি নেটওয়ার্ক সংযোগ। এটি ব্যবহারকারীর অবস্থানে ফাইভজি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং ফাইভজি নেটওয়ার্ক আছে কি না তার ওপরও নির্ভরশীল।

এ ছাড়া ফাইভজির অতিরিক্ত শক্তির ব্যবহার প্রায়ই ফোনের তাপ নিঃসরণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ দেয়। ডিভাইসটি আগের প্রজন্মের তুলনায় কার্যকরভাবে তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ফলে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি উপভোগে কোনো সমস্যা হবে না।

ডিভাইসটির সিপিইউতে ‘বিগার’ কোর (আর্ম কর্টেক্স-এ৭৬ থেকে আর্ম কর্টেক্স-এ৭৮) এবং তুলনামূলক উচ্চতর কম্পিউটিং পারফরম্যান্স প্রদানের সক্ষমতা রয়েছে।

এফ২১ প্রো ফাইভজির সঙ্গে দ্রুতগতির পারফরম্যান্স

এফ২১ প্রো ফাইভজিতে রয়েছে ‘ভিওএলটিই’, যার মানে হচ্ছে ভয়েস ওভার এলটিই। এই প্রযুক্তির সাহায্যে ভয়েসের মানে কোনো প্রভাব না ফেলে ভিওএলটিই সমর্থিত নেটওয়ার্কে ভয়েস এবং ডেটা পাঠানো যায়।

এর পাশাপাশি আল্ট্রা-থিন ফ্ল্যাট এজ রেট্রো ডিজাইনের শক্তিশালী ডিভাইসটি রেইনবো স্পেকট্রাম এবং কসমিক ব্ল্যাক দুটি ভিন্ন রঙে পাওয়া যাচ্ছে। স্প্লাইসড গ্লস ও ম্যাট টেক্সচারের আকর্ষণীয় ফোনটিতে ব্যবহার হয়েছে অপোর ডুয়াল অরবিট লাইট।

প্রাইমারি ক্যামেরা দুটির পেছনে লুকানো রয়েছে দুটি রিং। ৬৪ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো, ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ ও ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে সেটটিতে। পাশাপাশি রয়েছে বোকেহ ফ্লেয়ার পোর্ট্রেট, সেলফি এইচডিআর, এআই প্যালেটস, এআই কালার পোর্ট্রেট, পোর্ট্রেট রিটাচিং এবং আরও অনেক কিছু।

কনটেন্ট উপভোগের অসাধারণ অভিজ্ঞতা দিতে ডিভাইসটিতে রয়েছে ৬০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটযুক্ত ৬ দশমিক ৪ ইঞ্চির পাঞ্চ হোল অ্যামোলেড এফএইচডি+ ডিসপ্লে।

দীর্ঘ ব্যাকআপে রয়েছে ৪৫০০ এমএএইচের ব্যাটারি ও ৩৩ ওয়াট সুপারভিওওসি ফ্ল্যাশ চার্জিং সুবিধা। ডিভাইসটি ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি রমের (১ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানো যায়) ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে অপোর র‍্যাম এক্সপানশন প্রযুক্তি, যার ফলে স্মার্টফোনটির মূল ৮ জিবি র‍্যামকে আরও ৫ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

কালকারওএস ১২ থাকায় এয়ার জেসচার, এআই সিস্টেম বুস্টার, কুইক স্টার্টআপ, গেম ফোকাস মোড এবং এআই ফ্রেম রেট স্টেবিলাইজারসহ বেশ কয়েকটি ফাংশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
দেশে অপোর নতুন স্মার্টফোন এ৭৬
ফোল্ডিং ফোন দেখাল অপো, যুক্ত হলেন সাকিব
তিন দিন ছাড় পাবেন অপো গ্রাহকরা
দেশে অপো এফ১৯: প্রিঅর্ডারে ফ্রি স্পিকার
ঈদ মার্কেটে অপোর এফ-১৯ প্রো, কিনলে ধামাকা অফার

মন্তব্য

p
উপরে