× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
For fashion lovers Sunset Orange Apo F21 Pro
hear-news
player
print-icon

ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য সানসেট অরেঞ্জ অপো এফ২১ প্রো

ফ্যাশনপ্রেমীদের-জন্য-সানসেট-অরেঞ্জ-অপো-এফ২১-প্রো
সানসেট অরেঞ্জ কালারের স্মার্টফোনে সেলফি তুলছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ছবি: অপো
সেলফ-ডেভেলপড ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইনে তৈরি ডিভাইসটি নিশ্চিতভাবে মানুষের চোখকে আটকে দেবে। স্প্লাইসড ক্যামেরা ডিজাইন এবং পাতলা ও হালকা বডির সমন্বয়ে তৈরি স্মার্ট ডিজাইনের ফোনটি বেশ আকর্ষণীয় ও ব্যবহার উপযোগী।

শীর্ষস্থানীয় স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড অপোর এফ সিরিজের ফোনগুলোর বিশেষত্ব হচ্ছে- স্টাইলিশ, ট্রেন্ডি, নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী।

ব্যবহারকারীদের উন্নত জীবনধারা নিশ্চিতে দেশের বাজারে এসেছে দুর্দান্ত ডিজাইনের সানসেট অরেঞ্জ রঙের এফ২১ প্রো ডিভাইসটি। উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তৈরি এফ২১ প্রো ডিভাইসের ব্যতিক্রমী ডিজাইন ফ্যাশনপ্রেমীদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে বদলে দেবে।

নতুনত্ব আনবে ফাইবারগ্লাস লেদার ডিজাইন

সাধারণত যেকোনো স্মার্ট ডিভাইস কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতারা ডিজাইনকে প্রাধান্য দেন। বিশেষ করে, হাতে ধরলে ডিভাইসটি কেমন লাগবে, সে বিষয়টিকেই তারা সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। এফ২১ প্রো ডিভাইসটি প্রথম দর্শনেই যে কোন ব্যক্তিরই মনোযোগ আকর্ষণ করবে।

সেলফ-ডেভেলপড ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইনে তৈরি ডিভাইসটি নিশ্চিতভাবে মানুষের চোখকে আটকে দেবে। স্প্লাইসড ক্যামেরা ডিজাইন এবং পাতলা ও হালকা বডির সমন্বয়ে তৈরি স্মার্ট ডিজাইনের ফোনটি বেশ আকর্ষণীয় ও ব্যবহার উপযোগী।

অনন্য ম্যাটেরিয়াল ও ফিনিশ–স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য ডিজাইন

অপো সিএমএফ (কালার, ম্যাটেরিয়ালস, ফিনিশ) উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন সব ডিজাইন আনতে সচেষ্ট। অপো এফ২১ প্রো ডিভাইসটি এর ব্যতিক্রম নয়। ব্যবহাকারী ফোনটি হাতে ধরলে এর উজ্জ্বল কমলা রঙ বা সানসেট অরেঞ্জ শেড তৈরির মাধ্যমে ভিন্নতা আনবে। নারী-পুরুষ সবার হাতেই ফোনটি বেশ মানাবে।

ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য সানসেট অরেঞ্জ অপো এফ২১ প্রো
সাকিবের হাতে দুর্দান্ত ডিজাইনের অপো এফ২১ প্রো স্মার্টফোন। ছবি: অপো

অপো এফ২১ প্রো ডিভাইসটির ডিজাইনে রয়েছে সিনথেটিক লেদার ম্যাটেরিয়াল; প্লেট যুক্ত করার মাধ্যমে ফোনটিকে নতুন আকৃতিও দেয়া হয়েছে। ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইন ও ‘ফ্রেমলেস ব্যাটারি কাভার’ ব্যবহার করায় ফোনটিতে কোনো প্লাস্টিক মিড-ফ্রেম ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি; যা ডিভাইসটিকে এজলেস ও পাতলা করেছে। এমন ম্যাটেরিয়ালের কারণে ফোনটিও হবে দীর্ঘস্থায়ী।

নজরকাড়া ক্রিয়েটিভ এক্সটেরিয়র ডিজাইন

এফ২১ প্রো ডিভাইসটিতে ক্যামেরায় দেয়া হয়েছে বেশি গুরুত্ব। ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইনের মতো এফ২১ প্রোতে আরও একটি নতুন ডিজাইনের উপাদান রয়েছে, যা সিরিজটিতে আগে দেখা যায়নি। ডিভাইসটিতে অরবিট লাইট ডিজাইন দেয়া হয়েছে, যা বেশ কিছু কারণেই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যামেরা মডিউলের আকার আরও ছোট করা হয়েছে। এ সব ছাড়া সম্পূর্ণ নতুন অরবিট লাইট ডিজাইন স্মার্টফোনের উপযোগিতা এবং ভিজ্যুয়াল আবেদন দুটোই নিয়ে আসে।

ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য সানসেট অরেঞ্জ অপো এফ২১ প্রো
ডিজাইনে নতুনত্ব দেখা যাবে অপোর নতুন ফোন এফ২১ প্রো মডেলে। ছবি: অপো

নতুন মাত্রা যোগ করছে সানসেট অরেঞ্জ ডিভাইসটি

ক্লাসিক ফিল্ম ক্যামেরার লেদার ও মেটাল ডিজাইনে অনুপ্রাণিত হয়ে ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটির পেছনে মেটাল স্ট্রিপের ব্যবহার ফোনটিকে একটি প্রিমিয়াম লুক দেবে। অপো এফ২১ প্রো ব্যবহারকারীদের মিরর সেলফি তুলতে দেয়।

আপনার প্রতিদিনের পথচলায় নতুন মাত্রা যোগ করতে সানসেট অরেঞ্জ রঙের অপো এফ২১ প্রো ডিভাইসটি বেশ সহায়ক। এ ডিভাইসটি আপনার প্রতিদিনের ফোন ব্যবহারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সে দিকটিকে বিবেচনায় রেখেই বাংলাদেশে বাজারে উন্মোচিত হয়েছে ফোনটি।

মনোমুগ্ধকর লেদার ডিজাইন

ফোনের ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইন অনেক বেশি মনোমুগ্ধকর এবং দেখতে চমৎকার। উন্নত উৎপাদন প্রক্রিয়া এফ২১ প্রো’কে আরও টেকসই করে তুলেছে। লিচি গ্রেইন লেদার ম্যাটেরিয়ালের ডিভাইসটি পানি প্রতিরোধী ও ওয়্যার রেজিস্ট্যান্ট। এটি অপোর ল্যাব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে একটি অ্যালকোহল-ভেজা প্যাড, একটি রাবার ইরেজার এবং একটি ডেনিম সোয়াচ দিয়ে যথাক্রমে পাঁচ হাজার, দশ হাজার ও দুই লাখ বার ম্যাটেরিয়ালকে ঘঁষে দেখা হয়েছে।

এ ছাড়া সানসেট অরেঞ্জ শেডেড অংশে একটি চকচকে ম্যাট টেক্সচার্ড রিয়ার কাভার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ডিভাইসটিকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট-প্রতিরোধী করে তুলেছে। লেদার ম্যাটেরিয়ালের তাপমাত্রা প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি খুব সহজেই হাতে ধরে রাখা যায়। ডিভাইসটি আইএসও সার্টিফায়েড হওয়ায় ফোনের গুণগত মানও উন্নত।

আরও পড়ুন:
তিন দিন ছাড় পাবেন অপো গ্রাহকরা
দেশে অপো এফ১৯: প্রিঅর্ডারে ফ্রি স্পিকার
ঈদ মার্কেটে অপোর এফ-১৯ প্রো, কিনলে ধামাকা অফার
আসছে অপো এফ১৯ প্রো’র ঈদ সংস্করণ
অপো রেনো৫ বিক্রির রেকর্ড, হোম ডেলিভারির সুবিধা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

‘চুরা কে দিল মেরা’

‘চুরা কে দিল মেরা’ ‘চুরা কে দিল মেরা’ গানটিতে পারফর্ম করে ভাইরাল নরওয়ের একটি নাচের দল। ছবি: সংগৃহীত
শিল্পা শেঠি ক্লিপটি নিয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম৷ তিনি লেখেন, ‘ওএমজি। আপনারা গানটিকে হনন করেছেন। এটি সত্যিই আমার হৃদয় চুরি করেছে।’

নেট দুনিয়ায় হালের আলোচিত ভিডিও ৯০ দশকের মাঝামাঝিতে বলিউডে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘ম্যায় খিলারি তু আনারি’। অক্ষয় কুমার আর শিল্পা শেঠির অভিনীত ‘চুরা কে দিল মেরা’ গানটির জনপ্রিয়তা আজও কমেনি। তাই তো ভারত থেকে ৬ হাজার ৯৫৭ কিলোমিটার দূরের দেশ নরওয়ের এক বিয়েতে গানটিতে নেচে ভাইরাল হয়েছেন একদল তরুণ

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ক্লিপে ব্যাকগ্রাউন্ডে সিগনেচার টিউন বাজলে নাচের দলটিকে ক্যামেরার উল্টো দিকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর শুরু হয় দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স। ভিডিওটি নজর কেড়েছে বলিউড সেলিব্রিটিদেরও।

শিল্পা শেঠি ক্লিপটি নিয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম৷ তিনি লেখেন, ‘ওএমজি। আপনারা গানটিকে হনন করেছেন। এটি সত্যিই আমার হৃদয় চুরি করেছে।’

গায়িকা সোফি চৌধুরী লেখেন, ‘তোমরা অসাধারণ। আমার পরবর্তী ভিডিওতে তোমাদের চাই।’

একজন সাধারণ ব্যবহারকারী লেখেন, ‘আমি যদি কখনও বিয়ে করি, তখন এমন একটি পারফরম্যান্স চাই।’

কয়েকজন তো লিখেছেন, ‘আমরা পুরো পারফরম্যান্স দেখতে চাই।’

ভিডিওটি এখন পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ২৬ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘চিন্তা করবেন না, এড শেরিন তোমাকে পেয়ে গেছেন।’

ধারণা করা হচ্ছে, কুইক স্টাইল গায়ক এড শেরিনের কথা এখানে বলা হয়েছে।

View this post on Instagram

A post shared by Quick Style (@thequickstyle)

কুইক স্টাইল বলিউড ট্র্যাকে পারফর্ম করতে পছন্দ করে। এর আগে একটি ভিডিওতে গ্রুপটি শাহরুখ খানের ‘ম্যায় হুন না’ সিনেমা থেকে ‘তুমসে মিলকে দিলকা জো হাল’-এর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। মন্তব্য বিভাগে আগুনের পাশাপাশি লাল হার্ট-আই ইমোজিতে প্লাবিত হয়েছিল ক্লিপটি।

‘বার বার দেখো’ সিনেমায় ‘কালা চশমা’ গানের সুরে নাচের সময় অল-মেন গ্রুপটির পারফরম্যান্স অনেকেরই মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The magic of the form of Alvi Al Beruni hit the ticket

টিকটকে হিট আলভি আল বেরুনীর ‘রূপের জাদু’

টিকটকে হিট আলভি আল বেরুনীর ‘রূপের জাদু’ ‘রূপের জাদু’ গান দিয়ে টিকটকে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন আলভি আল বেরুনী। ছবি: সংগৃহীত
আলভি বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার ভক্তদের জন্য নতুন কাজ উপহার দিতে চাই। আমার রূপের জাদু গানটি পছন্দ করার জন্য সমস্ত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

সংগীত প্রযোজক ও সুরকার আলভি আল বেরুনী ঈদ উপলক্ষে শিল্পী শিমা ও রিজানকে নিয়ে তার নতুন গান ‘রূপের জাদু’ প্রকাশ করেছিলেন। অনামিকা ঐশি ফিচারিং মিউজিক ভিডিওটি নেটিজেনদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে হিট হয়েছে।

‘রূপের জাদু’ অল্প সময়ের মধ্যেই আলভি আল বেরুনীকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনে সাহায্য করেছে। গানটি প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পর টিকটকে লাখ ভিউ অর্জন করেছে। গানটি প্রায় ১২ লাখ টিকটকে ভিডিওতে ব্যবহার করা হয়েছে এবং গানটি কনটেন্ট নির্মাতাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে।

নিজের এমন অর্জন সম্পর্কে আলভি বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার ভক্তদের জন্য নতুন কাজ উপহার দিতে চাই। আমার রূপের জাদু গানটি পছন্দ করার জন্য সমস্ত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

‘মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, রূপের জাদু ১ লাখেরও বেশি শেয়ার করা হয়েছে, যা অভাবনীয় ছিল! টিকটকের মাধ্যমে আমি ব্যাপকভাবে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছি। আমি আনন্দিত যে টিকটকে মানুষ গানটি দিয়ে বানানো তাদের নিজেদের ভার্সন উপভোগ করছে।’

তিনি বলেন, ‘টিকটক অংশগ্রহণ উদ্যোগের মাধ্যমে সংগীত শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে সাহায্য করছে এবং আমার মতো তরুণ এবং নবীন শিল্পীদের প্ল্যাটফর্মে ইউনিক কনটেন্ট তৈরি করতে উৎসাহিত করছে।’

‘রূপের জাদু’ রিলিজ হওয়ার পরে, এটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। গানের সব উপাদান সুরেলাভাবে মিশ্রিত হয়েছে বলে অনেক ব্যবহারকারী একে অনন্য গানও বলছেন।

আরও পড়ুন:
টিকটকে কত সময় কাটাবেন সে নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই
‘টিকটক করায়’ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, স্কুল ভাঙচুর
পদ্মা সেতু নিয়ে টিকটক, গ্রেপ্তার যুবক
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: ‘টিকটক’ হৃদয়সহ ৭ বাংলাদেশির যাবজ্জীবন
টিকটকের রমজান ক্যাম্পেইনে ১৭০ কোটি ভিউ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Monthly offer on Lifestyle gadgets

 লাইফস্টাইল গ্যাজেটে মাসব্যাপী অফার

 লাইফস্টাইল গ্যাজেটে মাসব্যাপী অফার
লাইফস্টাই পণ্যের মধ্যে রয়েছে হেডফোন, স্পিকারসহ আরও পণ্য। হেডফোনের মধ্যে রয়েছে মটোরোলা ভার্ভ বাডস ১০০, মটোরোলা এসকেপ ২২০ ও মটোরোলা পেস ১১৫ ও ১৪৫, এয়াবাডস স্পোর্টস, এয়ারবাডস ৩ ও পালস ১২০ আর স্পিকারের মধ্যে রয়েছে মটোরোলার সনিক বুস্ট ২২০ ইত্যাদি।

বাংলাদেশে মটোরোলার ন্যাশনাল পার্টনার সেলেক্সট্রায় মটোরোলার বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্যের উপরে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় অফার চলছে। মটো টেক লাইফ ফেস্ট নামে ক্যাম্পেইনটি চলবে পুরো জুন মাস।

লাইফস্টাই পণ্যের মধ্যে রয়েছে হেডফোন, স্পিকারসহ আরও পণ্য। হেডফোনের মধ্যে রয়েছে মটোরোলা ভার্ভ বাডস ১০০, মটোরোলা এসকেপ ২২০ ও মটোরোলা পেস ১১৫ ও ১৪৫, এয়াবাডস স্পোর্টস, এয়ারবাডস ৩ ও পালস ১২০ আর স্পিকারের মধ্যে রয়েছে মটোরোলার সনিক বুস্ট ২২০ ইত্যাদি।

অফার সম্পর্কে সেলেক্সট্রার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিব আরাফাত বলেন, মটোরোলার অরিজিনাল লাইফস্টাইল প্রোডাক্টের একমাত্র পরিবেশক হিসেবে সেলেক্সট্রা লিমিটেড চেষ্টা করে যাচ্ছে অরিজিনাল প্রোডাক্ট ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে। সে লক্ষে টেক লাইফ ফেস্ট থেকে ক্রেতারা অভাবনীয় মূল্যে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত মুল্যছাড়ে এসব লাইফস্টাইল প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন।’

সবগুলো পণ্যে সর্বোচ্চ ৬ মাসের অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, তারা আগামী দিনে সাশ্রয়ী মূল্যে নানা ধরনের পণ্য ক্রেতাদের হাতে তুলে দিতে কাজ করবেন।

মটোরোলার এই অফার ছাড়াও যারা নগদের মাধ্যমে এসব পণ্যের মূল্য পরিশোধ করবেন তারা পাবেন দশ শতাংশ ক্যাশব্যাক অফার।

এই অফারে একজন ক্রেতা নগদ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ব্যাক পেতে পারেন।

আরও পড়ুন:
গ্যাজেট বেচতে সেলেক্সট্রা

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The finance minister gave bad news to Macau lovers

বাজেটে ম্যাকাওপ্রেমীদের মাথায় হাত

বাজেটে ম্যাকাওপ্রেমীদের মাথায় হাত বিলাসবহুল পাখির আমদানি শুল্ক বাড়ছে পাঁচ গুণ। গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
বিদেশি পাখির আমদানি শুল্ক এক ধাক্কায় বাড়ছে পাঁচ গুণ। ফলে ম্যাকাও, প্যারট, প্যারাকিটস, কোকাটেলের মতো পাখি যারা পুষতে চান তাদের খরচের খাতাটি সামনের অর্থবছরে আরও ভারী হতে চলেছে। 

নতুন অর্থবছরের জন্য পৌনে ৭ লাখ কোটি টাকার বেশি আকারের বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এই বিশাল আকারের বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব আয় বাড়ানোর নানান পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন মন্ত্রী।

বিদেশ থেকে আমদানি করা পাখি ‘বিলাস পণ্য’ হিসেবে বিবেচনা করে বাজেট প্রস্তাবে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এক ধাক্কায় সেই শুল্ক বাড়ছে পাঁচ গুণ।

ফলে ম্যাকাও, প্যারট, প্যারাকিটস, কোকাটেলের মতো পাখি যারা পুষতে চান তাদের খরচের খাতাটি সামনের অর্থবছরে আরও ভারী হতে চলেছে।

অর্থনীতির আকার বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা। আগের তুলনায় বেড়েছে সৌখিন পাখি পোষার প্রবণতাও। প্রায় প্রতিটি জেলা শহরেই রয়েছে এসব পাখির দোকান। তবে আগামী বাজেট বিদেশি পাখি পোষার নেশায় ছেদ ঘটাতে পারে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট বক্তৃতায় বলেন, ‘বর্তমানে দেশে বিলাসবহুল পাখি আমদানি হচ্ছে। উক্ত পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। পাখিগুলো বিলাসবহুল বিধায় আলোচ্য ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতি যখন মন্দার মুখে, তখন ২০২২-২৩ অর্থবছরে ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’-এর স্বপ্ন নিয়ে এই বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

১ জুলাই কার্যকর হবে নতুন বাজেট। এর মধ্যে প্রস্তাবিত আমদানি শুল্ক কমানো না হলে বিদেশি পাখি কিনতে গুণতে হবে অনেক বেশি অর্থ।

আরও পড়ুন:
দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের
খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ
প্রস্তাবিত বাজেট সংস্কৃতিবান্ধব নয়: উদীচী
মদ খেলে বেশি ব্যয়
১০ টাকার চাল হচ্ছে ১৫ টাকা

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Why women are the enemy of women in provocative clothes

উত্তেজক পোশাকের নারীর শত্রু কেন নারীরাই

উত্তেজক পোশাকের নারীর শত্রু কেন নারীরাই একই লিঙ্গের সদস্যদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অন্য নারীদের প্রতি নারীর মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে। ছবি: সংগৃহীত
গবেষকরা বলছেন, ‘‘সঙ্গীকে আকৃষ্ট করতে গিয়ে অনেক নারী অন্য নারীর পোশাক নিয়ে সমালোচনায় মেতে উঠতে প্ররোচিত হন। খোলামেলা পোশাক ‘অশ্লীলতার’ ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করেন অনেকে, তাই তারা এমন আচরণ করে থাকেন।’’

নরসিংদী রেলস্টেশনে পোশাক নিয়ে এক তরুণীর হেনস্তার প্রতিবাদে সম্প্রতি একদল নারী নিজেদের পছন্দের পোশাক পরে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রতিবাদের এই ধরন নিয়ে ফেসবুকে অনেকের প্রশংসা পেয়েছেন তারা। আবার কেউ কেউ সমালোচনায় মুখরও হয়েছেন। সমালোচনাকারীদের মধ্যে কিছু নারীও আছেন।

নারীদের পোশাক নিয়ে নারীরাও সমালোচনায় মেতে ওঠেন কেন, তার খানিকটা জবাব রয়েছে মনোবিজ্ঞানীদের কাছে। সম্প্রতি দুটি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, মানুষ শুধু বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব দেখায় না, সমলিঙ্গের মাঝেও রয়েছে একই ধরনের প্রবণতা। আর এই প্রবণতা একজন নারীকেও অন্য নারীর প্রতিযোগী করে তুলতে পারে।

‘পারসোনালিটি অ্যান্ড ইনডিভিজুয়াল ডিফারেন্সেস’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় বেশ কয়েকজন নারীর ওপর চালানো একটি সমীক্ষার উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী নারীরা কোনো একজন নারীকে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচারের ক্ষেত্রে তার পোশাকের ধরনকে গুরুত্ব দেন। তাদের ধারণা, উত্তেজক পোশাক পরা নারীটির ‘এক-রাতের-শয্যায়’ যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

জেসিকা ডি. আয়ারস এবং অ্যারন টি গোয়েটজ গবেষণাটি চালান। উত্তেজক পোশাকের কারণে কেন একজন নারীকে অপমানের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন তারা।

গবেষকরা বলছেন, ‘‘সঙ্গীকে আকৃষ্ট করতে গিয়ে অনেক নারী অন্য নারীর পোশাক নিয়ে সমালোচনায় মেতে উঠতে প্ররোচিত হন। খোলামেলা পোশাক ‘অশ্লীলতার’ ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করেন অনেকে, তাই তারা এমন আচরণ করে থাকেন।’’

গবেষকদের হাইপোথিসিস কিছুটা ‘যৌন অর্থনীতি’ প্রভাবিত, যেখানে যৌন মিথস্ক্রিয়াকে একটি বাজারব্যবস্থার সঙ্গেও তুলনা করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতির একটি আবহ রয়েছে, যেখানে অধিকতর মনোযোগ আকর্ষণে সমকক্ষ অপরের নিন্দা করার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়। আর অনেক নারী এ ক্ষেত্রে অন্য নারীকে হেয় করতে তার পোশাককে গুরুত্ব দেয়ার কৌশল বেছে নেন।

বোইস স্টেট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক আয়ারস বলেন, ‘স্নাতক শেষে এ বিষয়ে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম। লক্ষ্য করেছি, একই লিঙ্গের মধ্যে প্রতিযোগিতার বেশির ভাগ ইতিহাস পুরুষের ওপরই জোর দিয়েছে।

‘যখন আমি এ বিষয়ে আরও পড়তে শুরু করি, তখন আমি লক্ষ্য করেছি বেশির ভাগ গবেষক ডারউইনের যৌন নির্বাচনের তত্ত্বের ব্যাখ্যা অনুযায়ী চিন্তা করেন। সেখানে একটি পুরুষের প্রতিযোগী লিঙ্গ এবং নারীকে লাজুক এবং খুঁতখুঁতে (সঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে) হিসেবে দেখা হয়।

‘খুব কম গবেষক জানতে চেয়েছেন, নারীরাও কীভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে। আমি ভাবতে শুরু করেছিলাম, কীভাবে নারীরা পোশাক নিয়ে অন্য নারীর (কিন্তু পুরুষদের নয়) প্রায়ই নিন্দা করে থাকেন।’

আয়ার্স এবং গোয়েটজ দুটি পরীক্ষামূলক গবেষণা চালান। প্রথমটিতে সাউথ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১২ জন নারী অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে কাজ করা হয়; যাদের গড় বয়স ২৫।

গবেষণার বিষয়টি গোপন রেখে অপরিচিত এক নারীর ছবি অংশগ্রহণকারীদের দেখানো হয়। তাদের বলা হয়, আটটি ‘বিশেষ বৈশিষ্ট্যের’ ভিত্তিতে তাদের নম্বর দিতে। মোটামুটি অর্ধেক অংশগ্রহণকারী ছবির নারীকে সঙ্গিহীন বলে দাবি করেছেন।

শালীন পোশাক পরা নারীর তুলনায় ছবিতে দেখানো নারীটি একাকিত্বে ভুগছেন বলে তারা মনে করেন। এ ক্ষেত্রে তারা ওই নারীকে প্রেমিকের সঙ্গে প্রতারণা বা অন্য কারো প্রেমিকের সঙ্গে প্রতারণা, পরীক্ষায় প্রতারণা, এক-রাতের-শয্যা এবং ‘নিয়ম মেনে না চলার’ মতো বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেন। ওই নারীকে কম বুদ্ধিমান এবং কোনো গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা কম বলেও বিচার করা হয়।

আয়ার্স বলেন, ‘নারীরা অন্য নারী সম্পর্কে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করে থাকেন। যখন একজন নারী এমন পোশাক পরতে পছন্দ করেন, যা ভীষণ উত্তেজক, সে ক্ষেত্রে ওই নারীকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য বেশি শোনা যায়। যদিও অংশগ্রহণকারীদের আগে থেকেই জানানো হয়েছিল, পোশাক কিংবা যৌনতা দিয়ে যেন কেউ ছবির নারীকে বিচার না করেন।’

দ্বিতীয় গবেষণায় ২২ বছর বয়সী ৩৪৬ জন নারীকে বেছে নেয়া হয়। তাদের একটি পরিস্থিতির বর্ণনা পড়তে দেয়া হয়, যেখানে একজন নারী একটি পানশালায় বসে তার সঙ্গীর সঙ্গে হাসি-তামাশায় ব্যস্ত। এই বর্ণনার সঙ্গে একটি নারীর ছবিও যুক্ত ছিল যার শরীরে ছিল ট্যাঁটু এবং পোশাক খোলামেলা।

সবকিছু বিবেচনা করে অংশগ্রহণকারীরা জানান, ছবির নারীর চেয়ে গল্প করা নারীকেই তারা বেশি নম্বর দেবেন। সেই নারীটি যে-ই হোন না কেন।

গবেষকরা বলছেন, ‘নারীরা মানসিকভাবে অন্যদের হয়ে বিচারের দায়িত্বও অনুভব করেন; যা তাদের অবাঞ্ছিত আচরণের প্রতি সমন্বিত নিন্দা প্রকাশের মানসিক অনুমোদন দেয়।’

আয়ার্স বলেন, ‘গবেষণার ফলাফলগুলো আমাদের অনুমানকে প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে। নারীরা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দারুণ দক্ষ। আর এ জন্য তারা আকর্ষণীয় নারীদের নিন্দা করে থাকেন।’

আরও পড়ুন:
শার্ট খোলা ছবি দিলেই আবেদন হারায় পুরুষ!
মারা গেলেন নারীবাদী ধর্মতত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা র‍্যাডফোর্ড রুথার
সৌদিতে সব নারী ক্রু দিয়ে উড়ল ফ্লাইট
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১০ কোটি টাকার চেক পেল মহিলা ক্রীড়া সংস্থা
চোয়ালের ব্যথাও হতে পারে মেনোপজের লক্ষণ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Old Dhaka is a vegetarian paradise

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য  নিরামিষ খাবারের দোকান ‘জগন্নাথ ভোজনালয়’ এর টেবিলে সাজানো ছোট ছোট বাটিতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। ছবি: নিউজবাংলা
টেবিলে সাজানো ছোট ছোট অসংখ্য বাটি। তাতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। সঙ্গে স্টিলের থালায় ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত। ভাত প্রথম প্লেট ১৫ টাকা, পরবর্তী হাফ প্লেট ৫ টাকা করে। টেবিলে সাজানো বাটি থেকে নিজ ইচ্ছা মতো নিয়ে খাওয়া যায়।

কাচ্চি-লাচ্ছি আর বাকরখানির দোকানের পাশাপাশি পুরান ঢাকায় চোখ আটকে যায় একটি নিরামিষ খাবারের দোকানে। নাম জগন্নাথ ভোজনালয়। আমিষের কোনো ছিটে-ফোঁটাও নেই। তবু নিরামিষ খাবার যে কত বিচিত্র আর সুস্বাদু হতে পারে, তা সংকীর্ণ এ দোকানে খেলে বোঝা যায়।

পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের শিবমন্দির থেকে ডান দিকে এগোলেই পড়বে নিরামিষের এই ভোজনালয়টি। গলির পাশের ভবনের দুই তলার সংকীর্ণ সিঁড়ি বেয়ে উঠতেই ছোট্ট একটি খাবার ঘর।

নিরামিষ ভোজনের এই স্বর্গে চার থেকে পাঁচটি টেবিল। প্রতি টেবিলে চার-পাঁচটি চেয়ার সংযুক্ত। টেবিলে ছোট ছোট অসংখ্য বাটি সাজানো। তাতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। সঙ্গে স্টিলের থালায় ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত। ভাত প্রথম প্লেট ১৫ টাকা, পরবর্তী হাফ প্লেট ৫ টাকা করে। টেবিলে সাজানো বাটি থেকে নিজ ইচ্ছামতো নিয়ে খাওয়া যায়।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

নিরামিষ খাবারের দোকান ‘জগন্নাথ ভোজনালয়’-এ খাচ্ছেন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা

জগন্নাথ ভোজনালয়ে আট থেকে ১০ রকমের ভর্তা পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে আছে বেগুন ভর্তা, আলু ভর্তা, ধনে পাতা ভর্তা, শিম ভর্তা, সরিষা ভর্তা, কচুরলতি ভর্তা ইত্যাদি। তা ছাড়া হরেক রকমের শাক পাওয়া যায়। ডালেরও অনেক আইটেম: মটর ডাল, মুগ ডাল, বুটের ডাল, মাষকলাই ডাল। তাছাড়া তরকারি, ছানাবড়া, পনিরসহ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার।

প্রতি বাটি ভর্তার দাম ১০ টাকা। ছোট বাটি তরকারি অথবা ভাজি ২০ টাকা এবং বড় বাটিতে ফুলকপি ভাজি ৩০ টাকা। বড় বাটি তরকারি ৪০ টাকা।

প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খাবার পাওয়া যায় দোকানে। খাবার পরিবেশনের কাজে নিয়োজিত আট কর্মচারী।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

এখানে খেতে আসা ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি নিয়মিত এখানে খেতে আসি, এখানকার খাবার গুণে ও মানে ভালো এবং দামও কম। আর এদের খাবার পরিবেশনটাও খুব ভালো লাগে। ১০০ টাকা দিয়ে যে কেউ দুপুরে পেট ভরে খেতে পারবে।’

জগন্নাথ ভোজনালয়ে বন্ধু রোহান রায়কে নিয়ে খেতে আসা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিপা রানী রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখানকার পনির, সয়াবিন আর বড়াটা খুবই সুস্বাদু। আমি প্রায়ই এখানে খেতে আসি। আমার মুখে জগন্নাথ ভোজনালয়ের খাবারের কথা শুনে আমার বন্ধুও অনেক দিন ধরে আমাকে নিয়ে আসতে বলছিল। আজ তাকে নিয়ে এলাম।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে ইসলামপুরে আসা কাপড় ব্যবসায়ী অনিমেষ রায় ঢাকায় পা রাখলেই দুপুরে খেয়ে যান এই নিরামিষ ভোজনালয়ে। নিউজবাংলাকে তিনি জানান, এখানে যে যে ধরনের নিরামিষ আইটেম পাওয়া যায় তা আশপাশে আর কোথাও পাওয়া যায় না। আর এখানকার খাবারে স্বাদও অনন্য।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

ভোজনালয়ের দায়িত্বে থাকা নিতাই পাল বলেন, ‘শীতকালে বেচাকেনা বেশি হয়, এখন বেচাকেনা একটু কম। আমরাও কম দামে ভালো খাবার দেওয়ার চেষ্টা করি।’

ভোজনালয়ের মালিক অশোক কবিরাজ বলেন, ‘আমাদের এখানে হিন্দু-মুসলমান থেকে শুরু করে সব ধরনের কাস্টমার আসে। স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা সকাল-দুপুরের খাবার খেতে আসেন। কেউ কেউ রাতের খাবারও খান। কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনও নিরামিষ খেতে ভালোবাসেন। সে জন্য এখন ভিড়টাও একটু বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখানে খাবার সাশ্রয়ী। নিরামিষ খাবার স্বাস্থ্যকরও। যে কেউ নিশ্চিন্তে আসতে পারেন, খেতে পারেন। খরচ বেশি পড়ে না। তাই খাবারের বাড়তি দামও রাখার প্রয়োজন হয় না। অনেকেই খেয়ে আবার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য পার্সেল নিয়ে যান।’

জগন্নাথ ভোজনালয়ের আরেক মালিক শিল্পী রানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের হোটেলে কোনো ধরনের বাসি খাবার নেই, প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন বিক্রি করা হয়। আমাদের কোনো ফ্রিজ নেই। আমরা ফুড পান্ডা অ্যাপেও খাবারের অর্ডার নেই। হোটেলটি ছোট পরিসরের। আশপাশে বড় জায়গা পেলে সেখানে আমাদের জগন্নাথ ভোজনালয়টি করব।’

আরও পড়ুন:
রাতের খাবারে মাংস বাড়ায় মৃত্যুঝুঁকি
দুপুরের খাবার ১৫ টাকায়
দীর্ঘ অনশনে কী ঘটে শরীরে?
করোনাকালে শিশুদের খাবার
ওমিক্রন থেকে সতর্ক থাকতে খান এই পাঁচ খাবার

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
As many smartphones as there are 108 megapixel cameras in the country

দেশে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার যত স্মার্টফোন

দেশে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার যত স্মার্টফোন দেশে বেশি মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ফোনের কদর বাড়ছে দিনকে দিন। ছবি: সংগৃহীত
অনেক প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, তাদের ফোনের ক্যামেরা এবং তাতে থাকা ফিচার পেশাদার ফটোগ্রাফারদের কাজ করতেও দিচ্ছে। তাই কদর বাড়ছে এমন ফোনের।

ছবি ও ভিডিওতে আমরা যেভাবে জোর দিয়েছে, ঠিক সেভাবেই স্মার্টফোনের ক্যামেরার উন্নয়নে জোর দিয়েছে কোম্পানিগুলো। বেশি মেগাপিক্সেলের, নতুন সব ফিচার দিয়ে ফোনে ক্যামেরা দিচ্ছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো।

অনেক প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, তাদের ফোনের ক্যামেরা এবং তাতে থাকা ফিচার পেশাদার ফটোগ্রাফারদের কাজ করতেও দিচ্ছে। তাই কদর বাড়ছে এমন ফোনের। বাংলাদেশের বাজারে থাকা এমন কিছু স্মার্টফোন দেখে নেয়া যাক।

রেডমি নোট ১১এস

রেডমি নোট ১১এস ডিভাইসটিতে পাওয়া যাবে ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ফটোগ্রাফি, সঙ্গে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ, যা দিয়ে নেয়া যাবে অবিশ্বাস্য সব শট ও ছবি।

১০৮ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরার পাশাপাশি এতে রয়েছে একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, যা দেবে ১১৮ ডিগ্রি ভিউ অ্যাঙ্গেল, রয়েছে ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর যা দেবে ন্যাচারাল লুক প্রোর্ট্রেইট এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা, যা দেবে ডিটেইলসহ ক্লোজ ছবি নিতে দেবে। আর সামনে দেয়া হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্লিয়ার অ্যান্ড ক্রিপস সেলফি ক্যামেরা।

রেডমি নোট ১১এস রয়েছে দুর্দান্ত ৬.৪৩ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ প্রসেসর, ফলে রেডমি নোট ১১এস দেবে স্মুথ পারফরম্যান্স।

দীর্ঘ ব্যাকআপ দেবে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি, সঙ্গে ৩৩ ওয়াটের প্রো চার্জিং। যা ডিভাইসটিকে অল্প সময়ে চার্জ করার পাশাপাশি দেবে দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার সুবিধা। রেডমি নোট ১১এস ৬+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের ২৭ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ৮+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

রিয়েলমি ৯

ক্যামেরায় জোর দেয়া হয়েছে রিয়েলমির নতুন ফোন রিয়েলমি ৯ ফোরজিতে। ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। সঙ্গে থাকছে আইসোসেল এইচএম সিক্স সেন্সর। ফলে লো-লাইটেও চমৎকার ও ঝকঝকে ছবি তোলা যাবে ফোনটি দিয়ে।

এর প্রাথমিক ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার পাশাপাশি রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা। সেলফি তোলার জন্য সামনে দেয়া হয়েছে ২৬ ন্যানোমিটারের ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। রয়েছে এইচডিআর ও প্যানারোমা ফিচার।

রিয়েলমি ৯ ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৯০ হার্টজের সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লেসহ পাওয়ার অ্যাফিশিয়েন্ট অত্যাধুনিক ৬ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৬৮০ প্রসেসর। ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংসহ ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি। যা চার্জ হবে ৭৫ মিনিটে।

৮ জিবি র‍্যামের সঙ্গে ১২৮ জিবি স্টোরেজ সুবিধার এই ফোনটির দাম ২৬ হাজার ৯৯০ টাকা।

রেডমি নোট ১০ প্রো

শাওমি ক্যামেরা ফোন হিসেবেই বাজারে এনেছে রেডমি নোট ১০ প্রো। ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ। এর প্রাইমারি ক্যামেরা ১০৮ মেগাপিক্সেল। একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের সুপার-ম্যাক্রো এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর।

সামনে আছে খুব ছোট পাঞ্চহোলের ১৬ মেগাপিক্সেলের ডিসপ্লে ক্যামেরা। ক্যামেরায় করা যাবে ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিও রেকর্ড। এছাড়া এমআইইউআই ক্যামেরা অ্যাপে পাওয়া যাবে সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটরস, নাইট মোড ফিচার ২.০, ভ্লগ মোড, ডুয়াল ভিডিও, প্রো ভিডিও, ম্যাজিক ক্লোন, লং এক্সপোজার মোড।

রেডমি নোট ১০ প্রোতে রয়েছে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ৬.৬৭ ইঞ্চির ফুল এইচডিপ্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ৮ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭৩২জি প্রসেসর। রয়েছে ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার সেটআপ, যা উচ্চ, স্পষ্ট সাউন্ড দেবে; রয়েছে ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক, সঙ্গে আইআর ব্লাস্টার।

নিরাপত্তার জন্য সাইডে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং সঙ্গে ডাবল-ট্যাপ জেসচার। ৫০২০ এমএএইচ ব্যাটারির ফোনটি অনায়াশে এক দিনের সাপোর্ট দেবে। ৩৩ ওয়াটের চার্জারে ০ থেকে ৫৯ শতাংশ চার্জ হবে ৩০ মিনিটে। ৬+১২৮জিবি সংস্করণের ফোনটির দাম ২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৭৩ ফাইভজি

স্যামসাং তাদের ফাইভজি স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে বাজারে ছেড়েছে গ্যালাক্সি এ৭৩ মডেলের স্মার্টফোনটি। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির ফুল এইচডিপ্লাস ইনফিনিটি-ও সুপার অ্যামোলেড প্লাস ডিসপ্লে। যা দেবে ৮৮০০ নিট ব্রাইটনেস এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট। ডিসপ্লে সুরক্ষার জন্য দেয়া হয়েছে গরিলা গ্লাস ৫ সুরক্ষা।

স্মার্টফোনটিতে অক্টা-কোর কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৭৭৮জি প্রসেসর দেয়া হয়েছে। কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা সেটআপে দেয়া হয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি লেন্স।

১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের ডেফথ এবং একটি ৫ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো সেন্সর। সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।

২৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংসহ ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৫০০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ৮ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি রমের গ্যালাক্সি এ৭৩ ফাইভজির দাম ৫৯ হাজার ৪৯৯ টাকা।

শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজি

শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজি ফোনটি রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির ১২০ হার্জ অ্যামোলেড ডটড্রপ ডিসপ্লে। ফোনের স্ক্রিনের সুরক্ষা দিতে রয়েছে গরিলা গ্লাস ৫।

হাইপারচার্জ ডিভাইসটিতে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রো-গ্রেড ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ, যা স্বল্প আলোতেও অসাধারণ সব ছবি উপহার দেবে। এর প্রাথমিক ১০৮ মেগাপিক্সেলে ক্যামেরার সঙ্গে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্র-ওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা।

এ ছাড়া সব অসাধারণ মুহূর্ত ধরে রাখতে সামনে দেয়া হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এসব ক্যামেরায় রেকর্ড করা যাবে ফোর-কে, ১০৮০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ভিডিও।

ফোনটিতে রয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটির ৯২০ প্রসেসর। ফাইভজি এক্সপেরিযেন্স দিতে এতে দেয়া হয়েছে ৬ ন্যানোমিটার প্রযুক্তি, যাতে সাপোর্ট করে ৮টি ব্যান্ড। শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজির ডুয়েল সেমেট্রিক্যাল স্পিকারের সঙ্গে ডলবি অ্যাটমসে দেবে অসাধারণ অডিও অভিজ্ঞতা।

১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট এবং ৩৬০ হার্জ টাচ স্যামপ্লিং রেট দেবে অসাধারণ ডিসপ্লে ও দেখার অভিজ্ঞতা। ফোনটির দাম ৬+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্ট ৩৯ হাজার ৯৯৯ টাকা, ৮+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্ট ৪২ হাজার ৯৯৯ টাকা ।

মটোরোলা এজ ২০ ফিউশন

৬.৭ ইঞ্চির ওএলইডি ডিসপ্লের ফোনটিতে রয়েছে ১০৮০*২৪০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন। ডিসপ্লেটির রেশিও ২০:৯। এর ডিসপ্লেতে দেয়া হয়েছে ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেট। ডিভাইসটির অন্যতম ফিচারএফ/১.৯ অ্যাপারচারের ওয়াইড ১০৮ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা।

প্রাথমিক এই ক্যামেরা ছাড়াও রয়েছে একটি এফ/২.২ অ্যাপারচারের ৮ মেগাপিক্সেলের ১১৮ ডিগ্রি আল্ট্রাওয়াইড এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের এফ/২.৪ অ্যাপারচারের ডেফথ ক্যামেরা। এসব ক্যামেরায় রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ,এইচডিআর, প্যানারোমা ফিচার।

ফোর-কে ৩০এফপিএসে এতে ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব। সেলফি তুলতে ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের এফ/২.৩ অ্যাপারচারের ক্যামেরা।

ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে শক্তিশালী মিডিয়াটেকের এমটি৬৮৫৩ ডাইমেনসিটির ৮০০ ইউ ৭ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির অক্টা-কোর প্রসেসর।

৬ ও ৮ জিবি র‍্যামের সঙ্গে ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। দীর্ঘস্থায়ী পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য দেয়া হয়েছে ৫০০০ এমএএইচের ৩০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং ব্যাটারি। এই ডিভাইসটির দাম ৩৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
ফটোগ্রাফির জন্য ফ্ল্যাগশিপ এক্স৮০ স্মার্টফোন আনছে ভিভো
দেশে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস
৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস ফোনের প্রিবুক শুরু
ভিভো ওয়াই৩৩এস: মিডরেঞ্জের ফোনে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
ভিভো ভি২৩ সিরিজ: স্মার্টফোন ক্যামেরায় বেঞ্চমার্ক

মন্তব্য

p
উপরে