× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Four planets including the moon in a row
hear-news
player

চাঁদ ও ৪ গ্রহ এক কাতারে

চাঁদ-ও-৪-গ্রহ-এক-কাতারে রাতের আকাশে চাঁদ, শুক্র এবং বৃহস্পতি। জাপানের ইরিওমোট দ্বীপ থেকে তোলা। ছবি: শাটারস্টক
সূর্যোদয়ের ১ ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট আগে উত্তর গোলার্ধে গ্রহগুলো সহজেই দেখা যাবে। চাঁদ ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সারির ওপরে থাকবে। চারটি গ্রহ জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত তাদের মহাজাগতিক রেখায় অবস্থান করবে।

গ্রহদের নিয়ে প্যারেডের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে চাঁদ। উত্তর গোলার্ধের দিগন্তে ২৩ এপ্রিল দৃশ্যমান হবে মহাজাগতিক এই দৃশ্য।

সৌরজগতের দৃশ্যমান পাঁচ গ্রহের মধ্যে শনি, মঙ্গল, শুক্র এবং বৃহস্পতি ইতোমধ্যে চাঁদের পেছনে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নিয়েছে। মা হাঁসের পেছনে বাচ্চারা যেভাবে হাঁটে, দৃশ্যটা অনেকটা সে রকম। জুনের মাঝামাঝি যোগ দেবে বুধ।

কখন গ্রহগুলো সারিবদ্ধ হয়

একটা নির্দিষ্ট সময় পর গ্রহগুলোর কক্ষপথ আকাশের একটি অঞ্চলে চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে এগুলোকে দেখা যায়।

গ্রহগুলো এমন আচরণ অস্বাভাবিক কিছু না। তবে এগুলো নিয়মিত ঘটনাও না। শেষবার এই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ২০২০ সালে। তার আগে ২০১৬ এবং ২০০৫ সালে সারিবদ্ধ হয়েছিল গ্রহগুলো।

গ্রহগুলোর সারিবদ্ধ হতে বেশ সময় লাগে। শুক্র, মঙ্গল এবং শনি মার্চের শেষ থেকে রাতের আকাশের প্রতিবেশী। ৪ ও ৫ এপ্রিল এগুলো খুব কাছাকাছি হয়ে গিয়েছিল। পৃথিবী থেকে দেখা গিয়েছিল তাদের। দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ভোরের আকাশে মঙ্গল ও শনিকে দেখা গিয়েছিল চাঁদের ব্যাসের চেয়ে কম দূরত্বে।

মধ্য এপ্রিলে শুক্র, মঙ্গল ও শনির কাছাকাছি থাকবে বৃহস্পতি। শনির ডান পাশে ২৩ এপ্রিল অবস্থান করবে চাঁদ। এ সময় একটি কমলা বিন্দুর মতো দেখা যাবে মঙ্গলকে, শনির ঠিক বাঁয়ে। মঙ্গলের বাঁয়ে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে শুক্র। নিচের দিকে সবচেয়ে বাঁয়ে দেখা যাবে বৃহস্পতিকে।

আমেরিকার শিকাগোর অ্যাডলার প্ল্যানেটেরিয়ামের পাবলিক অবজারভেটরির পরিচালক মিশেল নিকোলস বলেন, ‘উজ্জ্বলতার ভিত্তিতে নক্ষত্র থেকে আলাদা করা যায় গ্রহকে। নক্ষত্র ঝিকমিক করে, গ্রহগুলো না।’

দেখা যাবে কখন?

সূর্যোদয়ের ১ ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট আগে উত্তর গোলার্ধে গ্রহগুলো সহজেই দেখা যাবে। চাঁদ ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সারির ওপরে থাকবে। তবে চারটি গ্রহ জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত তাদের মহাজাগতিক রেখায় অবস্থান করবে। সমতল অবস্থায় ১০ জুন থেকে এই রেখায় দেখা যাবে বুধকে।

মিশেল নিকোলস বলেন, ‘গ্রহগুলোকে পূর্ব থেকে দক্ষিণে এগিয়ে যেতে দেখা যাবে। জুনের শেষ দিকে সবচেয়ে স্পষ্ট দেখা যাবে পাঁচ গ্রহকে।’

সারিবদ্ধকরণের সময় ইউরেনাস ও নেপচুন অবস্থান করবে উত্তর গোলার্ধে। ইউরেনাস থাকবে বুধ ও মঙ্গল গ্রহের মাঝখানে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য দেখা যাবে।

নিকোলস বলেন, ‘নিকষ অন্ধকারে খালি চোখেই দেখা যেতে পারে এদের। দুরবিন থাকলে দৃশ্যটা আরও স্পষ্ট হবে। টেলিস্কোপ ছাড়া নেপচুনকে দেখা যাবে না। গ্রহ দেখার এটি একটি দুর্দান্ত সময় হবে।’

আরও পড়ুন:
১৮৩ দিন পর ফিরলেন চীনের ৩ নভোচারী
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে প্লাজমা
মঙ্গলগ্রহে যেতে লাগবে লেটুস পাতা
পৃথিবীর প্রত্যেকে হবে বিলিয়নেয়ার!
সৌরজগতে তিন চাঁদের গ্রহাণু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
New video about Shirin Akleh murder

শিরিন আকলেহ হত্যা নিয়ে নতুন ভিডিও

শিরিন আকলেহ হত্যা নিয়ে নতুন ভিডিও
গত ১১ মে পশ্চিম তীরের জেনিন শহরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর তল্লাশির খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন ৫১ বছর বয়সী শিরিন আকলেহ। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

পশ্চিম তীরে আল জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ যখন খুন হন, সে সময় ওই এলাকায় কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

আকলেহ খুন নিয়ে প্রকাশিত নতুন একটি ভিডিওতে এলাকাটির পরিস্থিতি তখন শান্ত ও নীরব দেখা গেছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা

গত ১১ মে পশ্চিম তীরের জেনিন শহরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর তল্লাশির খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন ৫১ বছর বয়সী শিরিন আকলেহ। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

জেনিনের এক বাসিন্দা ভিডিও ধারণ করেছেন; যারা সত্যতা যাচাই করেছে আল জাজিরা। এতে দেখা গেছে, এলাকাটি খুবই শান্ত অবস্থায় রয়েছে। ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েলিদের মধ্যে কোনো সংঘর্ষের ঘটনাও নেই সেখানে।

ভিডিওতে কিছু লোককে কথা বলতে এবং হাসতে দেখা যায়। এ সময় আকলেহ এবং তার সহকর্মীরা প্রেস লেখা জ্যাকেট পরা অবস্থায় ছিলেন।

গুলি শুরুর পর লোকজন দিকবিদিক দৌড়াতে শুরু করে। এরই এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন সাংবাদিক আকলেহ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে ফিলিস্তিনে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরুর সময় থেকে আল জাজিরার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শিরিন আলেহ। খুন হওয়ার সময় তার মাথায় ছিল হেলমেট, গায়ে ছিল ভেস্ট।

গুলি হেলমেট ও ভেস্টের ঠিক মাঝখান দিয়ে শিরিনের ঘাড়ে বিদ্ধ হয়। এ সময় শিরিনের সহকর্মীরা এবং পথচারীরা তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করলে গুলি চলতে থাকে। তাই তারা এগিয়ে আসতে পারেননি। নিথর পড়ে ছিল শিরিনের দেহ।

শুরুতে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা এই মৃত্যুর জন্য দায়ী। বিষয়টি প্রমাণে একটি ভিডিও প্রকাশ করে তেল আবিব। যেখানে দেখা যায়, একদল ফিলিস্তিনি গুলি ছুড়তে ছুড়তে একটি সরু গলি পার হচ্ছে।

ইসরায়েলের প্রভাবশালী মানবাধিকার সংস্থা- বিটস্লেম ওই ভিডিও ধারণের স্থানটি খুঁজে পেয়েছেন। তারা বলছে, ওই ভিডিওটি শিরিন হত্যাকাণ্ডের স্থান থেকে ৩০০ মিটার (৯৮৫ ফুট) দূরের একটি স্থান।

শিরিনের কর্মস্থল আল জাজিরার সানাদ নিউজ ভেরিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিটও বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে। তারাও দাবি করেছেন ভিডিওটি ভুয়া।

প্রপাগান্ডায় কাজ না হওয়ায় আগের অবস্থান থেকে সরে আসে ইসরায়েল সরকার। তারা এই হত্যার তদন্ত করার আশ্বাস দেয়। তবে শেষমেশ আগের রূপেই ফিরেছে ইসরায়েল সরকার। তদন্ত না করার ইঙ্গিত দিয়েছে তেল আবিব। অতীতে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে ফিলিস্তিনি নিহতের ঘটনায় তদন্ত করে নিজ দেশে সমালোচিত হয়েছিল দেশটির সরকার।

শিরিনের শরীর থেকে বের করা বুলেটের টুকরা প্রমাণ হিসেবে রেখেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক শিরিন হত্যায় ইসরায়েলি মিথ্যাচার
‘তিনি ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের কণ্ঠস্বর’
সাংবাদিক শিরিন হত্যায় পশ্চিমা মিডিয়ার ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The World Bank will provide large funds for the global food crisis

বৈশ্বিক খাদ্য সংকটে ‘বড় তহবিল’ দেবে বিশ্বব্যাংক

বৈশ্বিক খাদ্য সংকটে ‘বড় তহবিল’ দেবে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিল ঘোষণা করেছে বিশ্বব্যাংক। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বব্যাংকের সদস্য দেশ ১৮৯টি। এর মধ্যে যেসব দেশে খাদ্য ও পুষ্টিসহায়তা বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে, সেসব দেশ এই তহবিল থেকে সহায়তা পাবে। নতুন প্রকল্পে যে ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ-সহায়তা দেয়া হবে, সেখানে দরিদ্য দেশগুলো অগ্রাধিকার পাবে।

বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিল ঘোষণা করেছে বিশ্ব আর্থিক খাতের মোড়ল সংস্থা-বিশ্বব্যাংক।

এ তহবিল থেকে বাংলাদেশসহ সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোকে ১২ বিলিয়ন ডলার নতুন প্রকল্পে দেয়া হবে। বাকি ১৮ বিলিয়ন ডলার চলমান খাদ্য ও পুষ্টিসহায়তা বিষয়ক প্রকল্পে অর্থায়ন হবে। তবে কোন দেশ কত সহায়তা পাবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদরদপ্তর থেকে বুধবার এ তহবিল ঘোষণা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা।

দুই দেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান দানাদার শস্যের রপ্তানিকারক হলেও, যুদ্ধের কারণে তাদের রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। আর তাই বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের এ হুমকি মোকাবিলায় ৩০ বিলিয়ন ডলার ঋণ-সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

তহবিল থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার নতুন প্রকল্পে দেয়া হবে। আর বাকি ১৮ বিলিয়ন ডলার চলমান খাদ্য ও পুষ্টিসহায়তা বিষয়ক প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে।

এর আওতায় ইতোমধ্যে যেসব প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, সেগুলোর অর্থছাড় হয়নি। এবার সেসব প্রকল্পে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।

এসব অর্থায়ন খাদ্য ও সার উৎপাদনকে উৎসাহিত করবে। সেই সঙ্গে খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৃহত্তর বাণিজ্যকে সহজতর করা এবং দারিদ্রসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলোকে সহায়তা করবে।

বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের সদস্য দেশ ১৮৯টি। এর মধ্যে যেসব দেশে খাদ্য ও পুষ্টিসহায়তা বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে, সেসব দেশ এই তহবিল থেকে সহায়তা পাবে। নতুন প্রকল্পে যে ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ-সহায়তা দেয়া হবে, সেখানে দরিদ্য দেশগুলো অগ্রাধিকার পাবে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশে খাদ্য ও পুষ্টিসহায়তা বিষয়ক কয়েকটি প্রকল্প চলমান আছে বলে সংস্থাটির ঢাকা অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সে বিবেচনায় বাংলাদেশ এ তহবিল থেকে সহায়তা পাবে বলে নিশ্চিত করেছেন তারা।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস বলেন, ‘যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্যমূল্য বেড়্বেছে। যা দরিদ্র দেশগুলোর মানুষকে চরম বিপদে ফেলেছে। দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন তারা। এসব দেশকে এখন খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর দিকে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে।

‘দেশগুলোর উচিত জ্বালানি ও সারের সরবরাহ বাড়ানো। সেইসঙ্গে আমদানি-রপ্তানিকে বাধাগ্রস্ত করে, খাদ্যকে জৈব জ্বালানির দিকে সরিয়ে দেয় বা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় উৎসাহিত করে-এমন নীতি পরিহার করে সমন্বিত একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাংক খাদ্য নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় আগামী ১৫ মাসের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের নতুন প্রকল্পের প্রস্তুতি নিয়ে দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। এই প্রকল্পগুলো কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একইসঙ্গে উচ্চ খাদ্যমূল্যের প্রভাব কমাতে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব ইউরোপ, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বিশ্বব্যাংকের ১৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের চলমান সামাজিক সুরক্ষা এবং পানি ও সেচ প্রকল্পগুলো নতুন তহবিলের ১৮ বিলিয়ন ডলারে যোগ হবে।

বর্তমান ও ভবিষৎ সংকট বিবেচনায় সদস্য দেশগুলোকে উৎপাদন ও উৎপাদকদের সহায়তা, বর্ধিত বাণিজ্য সহজতর, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সহায়তা এবং টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান জানায় বিশ্বব্যাংক।

আরও পড়ুন:
বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০০ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ
খাদ্য-জ্বালানির আগুন ২০২৪ পর্যন্ত জ্বলবে: বিশ্বব্যাংক
গরিব দেশগুলোকে জরুরি খাদ্য সহায়তার আহ্বান
শ্রীলঙ্কা হওয়ার শঙ্কা নেই বাংলাদেশের: বিশ্বব্যাংক
বৈশ্বিক অনিশ্চয়তাতেও বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল: বিশ্বব্যাংক

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Thats what Zelensky said at the Cannes festival

কান উৎসবে যা বললেন জেলেনস্কি

কান উৎসবে যা বললেন জেলেনস্কি কান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত
ভলদিমির জেলেনস্কি ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন ফ্রান্সের কান শহরের এই বিশাল আয়োজনে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্য তুলে ধরেছেন তার দেশের মানুষের দুর্দশার কথা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন। বিশ্ব তারকা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে চার্লি চ্যাপলিনের মতো করে ফ্যাসিবাদি ব্যঙ্গবিদ্রুপ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দ্য গ্রেট ডিক্টেটর থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘মানুষের ঘৃণা কেটে যাবে এবং স্বৈরশাসকদের মৃত্যু হবে। তারা জনগণের কাছ থেকে যে ক্ষমতা নিয়েছিল তা জনগণের কাছে ফিরে আসবে। স্বাধীনতা কখনোই বিনষ্ট হবে না।’

জেলেনস্কি ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন ফ্রান্সের কান শহরের এই বিশাল আয়োজনে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যে তুলে ধরেছেন তার দেশের মানুষের দুর্দশার কথা।

রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর মাঝেই গত এপ্রিল মাসে দেশটির প্রেসিডেন্ট গ্র্যামিতে হঠাৎ করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য দেন। সে সময় তিনি শ্রোতা-দর্শকদের জানিয়েছিলেন তার দেশের সংগীতশিল্পীরা টাক্সেডোর পরিবর্তে বডি আর্মার পরে থাকেন। তারা হাসপাতালে আহতদের জন্য গান গান।

গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক হামলা চালিয়ে আসছে রাশিয়া।

আরও পড়ুন:
পর্দা উঠল কান চলচ্চিত্র উৎসবের
আনন্দে মেতেছে কান শহরের অলিগলি

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The Saudi dowel is getting lost

হারিয়ে যাচ্ছে সৌদি দোয়েল

হারিয়ে যাচ্ছে সৌদি দোয়েল বিলুপ্তপ্রায় সৌদি দোয়েল আসিরি ম্যাগপাই
তায়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শোব্রাক জানান, এটি একমাত্র সৌদি পাখি; যা পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না।

আসিরি ম্যাগপাই নামের একটি দোয়েলের প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। এটি সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিম পাহাড়ে থাকে। এই প্রজাতি করভিডে পরিবারের সদস্য।

তায়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শোব্রাক বলেছেন, ‘এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। কেউ যদি এটিকে সংরক্ষণ পদক্ষেপ না নেয় তাহলে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

শোব্রাক আফ্রিকা ও ইউরেশিয়ায় পরিযায়ী পাখির সংরক্ষণ সম্পর্কিত সমঝোতা স্মারক বিষয়ক কমিটির সদস্য।

বিলুপ্তপ্রায় দোয়েলটির বৈজ্ঞানিক নাম পিকা এ্যসিরেনসিস। ২০০৩ সালে প্রকাশিত পাখিদের জিনের উপর একটি গবেষণার মাধ্যমে এটিকে আলাদা প্রজাতি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় বলা হয়, ম্যাগপাই অন্যান্য পাখির প্রজাতি থেকে আলাদা এবং বিশ্বের কোথাও এটিকে পাওয়া যাবে না।

শোব্রাক বলেছেন, ‘স্যাটেলাইটের মাধ্যমে চিহ্নিত করা পাখিটি উঁচু অঞ্চলে বাস করে। এটি অন্য পাখিদের মত শীতকালে জায়গা বদলায় না।’

ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়াইল্ডলাইফের সাথে সৌদি আরামকোর স্পনসর করা এটিই সর্বশেষ গবেষণা। এর বসবাসের জন্য পরিবেশের ৮০ শতাংশই অনুপযুক্ত হয়ে গেছে এবং ২০ শতাংশ বাকি রয়েছে।

দোয়েলটির সংখ্যা এভাবে কমে যাওয়াই এটিকে বিশ্বের বিরল পাখিদের কাতারে ফেলেছে।

শোব্রাক বলেন, ‘সংখ্যা কমে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ, যেমন- শহরের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পাখির বাসস্থানের ওপর এর প্রভাব, গাছের মৃত্যু। এসবই এই পাখির বেঁচে থাকার ওপর প্রভাব ফেলে।’

শোব্রাক আরও বলেন, ‘অন্য সব পাখির মতোই আসিরি ম্যাগপাইয়ের প্রজনন এবং পুষ্টি গ্রহণ করে বেঁচে থাকার জন্য উপযোগী পরিবেশের প্রয়োজন। পাখিটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে হবে।’

তিনি জানান, এটি একমাত্র সৌদি পাখি; যা পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The United States is up in arms over the right to abortion

গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে ওয়াশিংটন মনুমেন্টের সামনে। অধিকারকর্মী গ্রেস লিলি এতে যোগ দেন। তারা সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাও করতে এগিয়ে যান। ছবি: রয়টার্স
উইমেন্স মার্চ-এর প্রধান নির্বাহী রাচেল কারমোনা বলেন, ‘নিজের শরীরের ওপর অধিকার আদায়ের এই সংগ্রাম তারা সাদরে গ্রহণ করেছেন। অধিকার রক্ষার এই সংগ্রামে তারা জয়ী হবেন। নারীর শরীরের ওপর চাপিয়ে দেয়া যেকোনো ধরনের শর্ত ও আঘাতকে হটিয়ে দিতে চাই আমরা। আমরা চাই নারীর শরীর হবে সব ধরনের নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে। আমরা চাই এই ডেমোক্রেটিক সরকার আমাদের অধিকার আদায়ের পক্ষে থাকবে।’

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের সম্ভাব্য রায়ের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ করছেন হাজারও নারী।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং শিকাগো শহরসহ কমপক্ষে ৩৮০টি স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন হাজারও নারী।

১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ‘রো বনাম ওয়েড’ নামের ঐতিহাসিক রায়ে আমেরিকান নারীদের গর্ভপাতে বৈধতা দেয়া হয়। সেই সঙ্গে গর্ভপাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়া হয় এই রায়ে।

সমাবেশে গর্ভপাতের পক্ষে অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, ডানপন্থি বিচারকদের প্রাধান্য থাকা উচ্চ আদালতের এখতিয়ার নেই নারীর গর্ভপাতের অধিকার হরণ করার।

গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

স্থানীয় সময় শনিবার গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে ওয়াশিংটন মনুমেন্টের সামনে। এরপর তারা সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাও করতে এগিয়ে যান। তবে পুলিশি বাধায় থেমে যায় তাদের পদযাত্রা।

উইমেন্স মার্চ-এর প্রধান নির্বাহী রাচেল কারমোনা বলেন, ‘নিজের শরীরের ওপর অধিকার আদায়ের এই সংগ্রাম তারা সাদরে গ্রহণ করেছেন। অধিকার রক্ষার এই সংগ্রামে তারা জয়ী হবেন।’

এই বিক্ষোভ-সমাবেশ আয়োজনে আরও ছিল প্লানড পেরেন্টহুড, আল্ট্রাভায়োলেট ও মুভঅনসহ বিভিন্ন অধিকারবিষয়ক সংগঠন।

এ সময় ড্রাম বাজিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে তারা উত্তাল করে তোলেন সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। তাদের স্লোগানের অন্যতম ছিল, ‘আমার শরীর, আমার পছন্দ।’ ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল প্রতিবাদী নানা স্লোগান- ‘নিজের জরায়ুর প্রতি মনোযোগ দিন’, ‘গর্ভপাত ব্যক্তিগত পছন্দ, আইনি বিতর্ক নয়’।

গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

তিনি আরও বলেন, ‘নারীর শরীরের ওপর চাপিয়ে দেয়া যেকোনো ধরনের শর্ত ও আঘাতকে হটিয়ে দিতে চাই আমরা। আমরা চাই নারীর শরীর হবে সব ধরনের নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে। আমরা চাই এই ডেমোক্রেটিক সরকার আমাদের অধিকার আদায়ের পক্ষে থাকবে।’

গর্ভপাতের অধিকার বন্ধে সুপ্রিম কোর্ট যদি মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের আদালতের দেয়া পর্যবেক্ষণের প্রতি মিল রেখে রায় দেয়, তবে দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য-পশ্চিমের অন্তত ২৬ রাজ্যে নিষিদ্ধ হবে গর্ভপাত।

গর্ভপাতের অধিকার দাবিতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

তখন নারীদের অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত করাতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে মুনাফালোভী চিকিৎসকের দারস্থ হতে হবে। এতে করে যেমন ওই নারী শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তেমনি গর্ভপাত করানোর অভিযোগে চিকিৎসক ও সেবিকারাও বিচারের আওতায় চলে আসবেন।

এর আগে, গত বছর ২ অক্টোবর, গর্ভপাতের ওপর বিধিনিষেধ বাড়ানোর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেন হাজারও নারী।

স্থানীয় সময় শনিবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গর্ভপাতের অধিকারের দাবিতে ৬৬০টি বিক্ষোভ হয়। এর মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের বিক্ষোভটি ছিল অন্যতম।

নারীদের এই বিক্ষোভ শুরু সম্প্রতি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাতবিষয়ক পাস হওয়া একটি আইন ঘিরে। এই আইনে কারও গর্ভধারণের সময় ছয় সপ্তাহের মতো হয়ে গেলে তাদের গর্ভপাত নিষিদ্ধ করা হয়।

পরের মাস থেকে কার্যকর হয় এই আইন। এটি যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতবিষয়ক সবচেয়ে কঠিন আইন।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বিক্ষোভটি ছিল বিশাল। সুপ্রিম কোর্টের আশপাশের সড়কগুলো ছিল পূর্ণ। গর্ভপাতবিরোধী আইনের সমালোচনামূলক বিভিন্ন ব্যানার ছিল নারীদের হাতে।

অনেককে পরতে দেখা যায় ‘১৯৭৩’ লেখা টি-শার্ট, যা মনে করিয়ে দেয় ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ‘রো বনাম ওয়েড’ নামের ঐতিহাসিক রায়ের বিষয়টি। যাতে আমেরিকান নারীদের গর্ভপাতে বৈধতা দেয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
নিউ ইয়র্কে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ হামলায় নিহত ১০, শ্বেতাঙ্গ আটক

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Burial of the President of the United Arab Emirates completed

আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের দাফন

আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের দাফন শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান
শুক্রবার ৭৩ বছর বয়সে মারা গেছেন আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার দেশটির রাজধানী আবুধাবির আল বাতিন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় বলে জানিয়েছে খালিজ টাইমস

এর আগে আবুধাবির শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আবুধাবির প্রথম মসজিদে জায়েদ খলিফা বিন জায়েদের জানাজায় অংশ নেন। এ সময় তারা প্রয়াত প্রেসিডেন্টের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

এ ছাড়া মাগরিবের নামাজের পর দেশজুড়ে মসজিদে মসজিদে প্রেসিডেন্টের জন্য দোয়া করা হয়।

শুক্রবার ৭৩ বছর বয়সে মারা গেছেন আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় পতাকা রাখা হবে অর্ধনমিত। মন্ত্রণালয়সহ সব ধরনের অফিস বন্ধ থাকবে তিন দিন।

১৯৪৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট জায়েদ আল নাহিয়ান। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট। ২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর থেকে প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি আবুধাবির শাসকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পৃথক দুই শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তারা তার পরিবার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন:
আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক
নাহিয়ানের উপশহরে হবে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Aircraft fire while flying in China

চীনে উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজে আগুন

চীনে উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজে আগুন আতঙ্কিত যাত্রীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেটের নোজ ও ডানায় আগুন ধরে যায়। ছবি: এনডিটিভি
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ফ্লাইটটি চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর চংকিং থেকে ৯ ক্রু ও ১১৩ যাত্রী নিয়ে তিব্বতের নিংচি শহরের দিকে যাত্রা শুরুর সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। সামান্য আহত কমপক্ষে ৪০ যাত্রীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চীনের বিমানবন্দরে তিব্বত এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ উড্ডয়নের সময়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে পরে। মুহূর্তে আগুন ধরে যায় যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটিতে। তবে সব যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ফ্লাইটটি চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর চংকিং থেকে ৯ ক্রু ও ১১৩ যাত্রী নিয়ে তিব্বতের নিংচি শহরের দিকে যাত্রা শুরুর সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

এয়ারলাইনসটি বিবৃতিতে জানায়, চংকিং জিয়াংবেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের সময় পাইলট উড়োজাহাজটিতে ‘অস্বাভাবিকতা’ বুঝতে পেরে উড্ডয়ন থামিয়ে দেন। দ্রুতগতিতে জেটটি রানওয়ে অতিক্রম করে এবং এতে আগুন ধরে যায়।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ছবিগুলোতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত যাত্রীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেটের ডানায় আগুন ধরে যায়।

তিব্বত এয়ারলাইনস বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আহত যাত্রীরা সবাই সামান্য আঘাত পেয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চংকিং জিয়াংবেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আলাদা বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফ্লাইট টিভি-৯৮৩৩ উড্ডয়নের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। উড়োজাহাজটির সম্মুখভাগের (নোজের) বাম পাশে আগুন ধরে যায়।

সামান্য আহত কমপক্ষে ৪০ যাত্রীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যোগ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর চংকিং বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। ‘দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে,’ জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছর মার্চ মাসে কুনমিং থেকে গুয়াংজু যাওয়ার পথে চীনের একটি উড়োজাহাজ ২৯ হাজার ফুট ওপর থেকে পাহাড়ে আছড়ে পরে। এতে সেই ফ্লাইটে থাকা ১৩২ যাত্রী ও ক্রুসহ সবাই নিহত হন।

প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে চীনের সবচেয়ে ভয়াবহ এই বিধ্বস্তের কারণ এখনও জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
চীনে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের ১২০ আরোহীর পরিচয় শনাক্ত

মন্তব্য

উপরে