× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
ভয় না পাওয়ার কারণ আফ্যান্টেসিয়া
google_news print-icon

সহজাত ভীতি নেই তাদের

সহজাত-ভীতি-নেই-তাদের
গুস্তাভ কোঁবের তৈলচিত্র ‘দ্য ম্যান মেইড ম্যাড বাই ফিয়ার’(১৮৪৪)। ছবি: সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলসের (ইউএনএসডব্লিউ) গবেষণাটিতে দেখা যায়, আফ্যান্টেসিয়া নামের এই মানসিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যারা যান তারা ভীতিকর মানসিক চিত্র কল্পনা করতে পারেন না। এ কারণে চট করে তাদের ভয়ের গল্প বা ভয়ংকর কিছু বলে ভয় পাওয়ানো যায় না।

মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলোর একটি ভয়। জন্মের পর থেকেই যে কয়েকটি সংবেদনশীলতার সঙ্গে পরিচিত হয় মানুষ, ভয় তার অন্যতম। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ এক মানসিক অবস্থার কারণে ভয় পান না কিছু মানুষ।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলসের (ইউএনএসডব্লিউ) গবেষণাটিতে দেখা যায়, আফ্যান্টেসিয়া নামের এই মানসিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যারা যান তারা ভীতিকর মানসিক চিত্র কল্পনা করতে পারেন না। এ কারণে চট করে তাদের ভয়ের গল্প বা ভয়ংকর কিছু বলে ভয় পাওয়ানো যায় না।

গত সপ্তাহে প্রসিডিংস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি বিতে প্রকাশ হয় ওই গবেষণাপত্র। সেখানে আফ্যান্টেসিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাঙ্গরের তাড়া খাওয়া, চূড়া থেকে পড়ে যাওয়া ও বিধ্বস্ত হতে যাওয়া বিমানের যাত্রী হওয়ার মতো বিভিন্ন রকম আতঙ্কময় পরিস্থিতির বর্ণনা পড়তে দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

গবেষকেরা বর্ণনা পড়ার পর ত্বকের পরিবাহিতার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে প্রতিটি অংশগ্রহণকারীর ভয়ের প্রতিক্রিয়া শারীরিকভাবে পরিমাপে সক্ষম হন। এককথায় ওই বর্ণনা একজন ব্যক্তিকে কতটা ঘামিয়েছে, সেটা তারা মেপেছেন। এই ধরনের পরীক্ষা সাধারণত মনোবৈজ্ঞনিক গবেষণায় আবেগের দৈহিক অভিব্যক্তি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, পাঠক যখন ভয়ের দৃশ্যটি কল্পনা করতে পারছেন না, তখন ভয়াবহ গল্পগুলো তাদের ভয়ের কারণটি হারিয়ে ফেলে। এ থেকে গবেষকদের ধারণা, ভয়ের সঙ্গে কল্পনার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আগের ধারণার চেয়েও বেশি থাকতে পারে।

ইউএনএসডব্লিউ সায়েন্সেস ফিউচার মাইন্ডস ল্যাবের অধ্যাপক ও গবেষণাপত্রের জ্যেষ্ঠ গবেষক জোল পিয়ারসন বলেন, ‘চিন্তা-ভাবনা ও আবেগের সংযোগ স্থাপনে কল্পনা যে মূল ভূমিকা পালন করে, সে সংক্রান্ত সবচেয়ে শক্ত প্রমাণ আমরা পেয়েছি।’

‘আফ্যান্টেসিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এটাই এখন পর্যন্ত আমাদের গবেষণায় পাওয়া সবচেয়ে বড় পার্থক্য’, যোগ করেন তিনি।

গবেষণার জন্য ৪৬ জন ব্যক্তির ওপর পরীক্ষাটি করা হয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের আফ্যান্টেসিয়া ছিল। বাকি ২৪ জন কল্পনা করতে সক্ষম।

আলো কমানো একটি ঘরে তাদের বসিয়ে ত্বকে ইলেকট্রোড লাগানো হয়। যখন কোনো ব্যক্তি ভয়ের মতো শক্তিশালী আবেগ অনুভব করেন তার ত্বক বিদ্যুতের ভালো পরিবাহক হয়ে ওঠে।

তারপর বিজ্ঞানীরা ঘরটি ছেড়ে বের হয়ে যান ও আলো বন্ধ করে ঘরটিকে পুরোপুরি অন্ধকার করে দেন। তারা অংশগ্রহণকারীদের একা রাখেন ও গল্পগুলো তাদের সামনের পর্দায় প্রদর্শন হয়।

‘আপনি সৈকতে আছেন, পানিতে নেমেছেন’ কিংবা ‘আপনি বিমানে জানালার ধারে বসেছেন’ এমন সাদামটাভাবেই শুরু হয় গল্পগুলো। গল্প এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সাসপেন্স। সৈকতের দূরে পানিতে কালো কিছু একটা দেখা যাচ্ছে কিংবা বিমানের কেবিনের লাইট নিভুনিভু ও বিমানটি কাঁপছে এমন বর্ণনা আসতে থাকে।

অধ্যাপক পিয়ারসন বলেন, ‘গল্পগুলোর কল্পনা করতে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ত্বকের পরিবাহিতার মাত্রা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। গল্প এগোনোর সঙ্গে তাদের প্রতিক্রিয়া বাড়তে থাকে। তবে অ্যাফান্টেসি আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ত্বকের পরিবাহিতা মাত্রা ছিল একই।’

ভয়ের সীমার পার্থক্যের কারণে যে প্রতিক্রিয়াগুলো আসেনি সেটি পরীক্ষা করতে লেখার বদলে মৃতদেহ ও সাপের বিষদাঁতের মতো ভয়ংকর কিছু ছবিও দেখানো হয়।

‘দুই ধরনের ফলের ভিত্তিতে বোঝা যায় যে সাধারণভাবে কম আবেগের সঙ্গে আফ্যান্টেসিয়ার যোগ নেই। যারা ভয়ের গল্প পড়ছিলেন তাদের মধ্যে নির্দিষ্টভাবে এটি দেখা গেছে। ভয়ের আবেগ তখনই দেখা গেছে যখন ভয়ংকর ছবি ও জিনিসগুলো তাদের দেখানো হচ্ছিল’, বলেন অধ্যাপক পিয়ারসন।

‘এ থেকে বোঝা যায়, কল্পনা আবেগের পরিবর্ধক। আমরা অনেক কিছুই ভাবতে পারি। কিন্তু কল্পনার দৃশ্য ছাড়া আমাদের চিন্তায় আবেগের আতিশয্য আসবে না,’ যোগ করেন তিনি।

আফ্যান্টেসিয়া কী?

গবেষকদের ধারণা, বিশ্বের ২-৩ শতাংশ মানুষ আফ্যান্টেসিয়ায় ভোগে। এই মানসিক অবস্থা সম্পর্কে খুব বেশি জানতে পারেননি বৈজ্ঞানিকেরা।

গত বছর প্রকাশিত ইউএনএসডব্লিউর এক গবেষণায় দেখা যায়, আফ্যান্টেসিয়া স্মৃতি, স্বপ্ন দেখা ও কল্পনা করার মতো জ্ঞানীয় প্রক্রিয়াগুলোর নানা পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

আগের আফ্যান্টেসিয়া গবেষণাগুলোতে আচরণগত পরিবর্তনকে মুখ্য ধরা হয়। আর সবশেষ গবেষণায় ত্বকের আচরণের পরিমাপ ব্যবহার করা হয়।

ইউএনএসডব্লিউর সাবেক পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো রেবেকা কিও বলেন, ‘এটি আফ্যান্টেসিয়াকে একটি অনন্য ও ভিন্ন ধরনের ঘটনা হিসেবে প্রমাণ করে। এই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফল ভবিষ্যতে আফ্যান্টেসিয়াকে নির্ণয় ও নিশ্চিত করার উপায় বের করতে সাহায্য করবে।’

আফ্যান্টেসিয়ার ওপর অনলাইন ডিসকাশন বোর্ড থেকে এই গবেষণার আইডিয়া পায় অস্ট্রেলিয়ান গবেষক দলটি। ডিসকাশন বোর্ডের আলোচনাকারীরা প্রায়ই অভিযোগ করতেন তারা ফিকশন পড়ে মজা পাচ্ছেন না।

গবেষণালব্ধ ফলে যদিও দেখা যায় আফ্যান্টেসিয়াতে ভোগা ব্যক্তিরা বই পড়ে আবেগ অনুভব না-ও করতে পারেন, অধ্যাপক পিয়ারসনের মতে সবার ক্ষেত্রে এমনটা নাও হতে পারে। গবেষণার ফলটি গড়পরতা মান হিসেবে ধরা যাবে, অ্যাফান্টেসিয়া আক্রান্ত সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

ফিকশনের প্রতি ভয় ছাড়াও অন্যান্য আবেগের প্রতিক্রিয়া আলাদা হবে, সেটাও উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণায়।

পিয়ারসন বলেন, ‘আফ্যান্টেসিয়ার নানা ধরন ও প্রকার আছে। কিছু লোকের একেবারেই চিত্রিত কল্পনা নেই। আবার কারও ক্ষেত্রে সমস্ত ইন্দ্রিয়তেও কোনো কল্পনা নেই। কিছু লোক স্বপ্ন দেখে অন্যেরা দেখে না।

‘সুতরাং আপনার যদি আফ্যান্টেসিয়া থাকে ও এর ধরন বুঝতে না পারেন, তাহলে উদ্বেগের কিছু নেই। এটিতে নানা ধরনের বৈচিত্র্য রয়েছে, যা আমরা খুঁজে পেতে শুরু করেছি।’

সবশেষে তিনি বলেন, ‘আফ্যান্টেসিয়া স্নায়বিক বৈচিত্র্যের উদাহরণ। আমাদের মস্তিষ্ক ও মন যে কতটা আলাদা হতে পারে, তার একটি আশ্চর্য নমুনা এটি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Gomra villagers are afraid of losing agricultural land due to Sherpur river erosion

শেরপুরের নদীভাঙনে কৃষিজমি হারানোর শঙ্কায় গোমড়া গ্রামবাসী

শেরপুরের নদীভাঙনে কৃষিজমি হারানোর শঙ্কায় গোমড়া গ্রামবাসী ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারত সীমান্তঘেঁষা গোমড়া গ্রাম ইতোমধ্যেই ‘সবজি গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। গ্রামের প্রায় শতভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতির মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন।

এ গ্রামের প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে শিম, কাঁকরোল, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, ধুন্দল, করলাসহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজি। স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত এসব সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হয়।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামটি নানা অবকাঠামোগত সমস্যায় ভুগছে। শুকনো মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে ফসলি জমি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া নদীভাঙনের কারণে কৃষিজমি হারানোর আশঙ্কাও বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘কৃষিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করতে হলে গোমড়া গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, ভাঙনরোধ এবং প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ জরুরি।’

গোমড়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বসতভিটার আঙিনা ছাড়া প্রায় সব জমিই চাষাবাদের আওতায়। তাই ভাঙনরোধ ও রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।’

কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার কৃষিবান্ধব হলেও আমাদের এলাকার কৃষিজমি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত তাই সামগ্রিক উন্নয়নের উদ্যোগ প্রয়োজন।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘গোমড়া গ্রামের সর্বত্র কৃষির বিস্তার রয়েছে। রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, ভাঙনরোধ এবং প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ করা গেলে এ এলাকার কৃষকরা জাতীয় কৃষি উৎপাদনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Clashes centered on dominance in Comilla injured 5 students including gunshots

কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫

কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫ ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইথান আহমেদ প্রেম নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৪ জুন) রাত থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়।

রাতের ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালেও দুই গ্রুপ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় গুলিবর্ষণের ঘটনায় পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইথান আহমেদ প্রেম।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Fish worth 20 lakh rupees died due to poisoning in pond in Meherpur

মেহেরপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মরেছে ২০ লক্ষাধিক টাকার মাছ

মেহেরপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মরেছে ২০ লক্ষাধিক টাকার মাছ ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জুগিন্দা গ্রামের একটি মাছ চাষের পুকুরের ২০ লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা গেছে। পুর্বশত্রুতার জের ধরে অজ্ঞাত কেউ বিষ ঢেলে মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ মাছ চাষী কামরুজ্জামানের।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরে মাছ মরে ভেসে উঠলে বিষয়টি তার নজরে আসে।

জানা গেছে, কামরুজ্জামান ৩ বিঘা পুকুরে মাছ চাষ করেছেন। দুই বছর ধরে পাঙ্গাস জাতীয় মাছ চাষ করছেন । একেকটি মাছ ৭-১২ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়েছে। কয়েকদিন পরেই মাছ বিক্রি করতেন তিনি।

অথচ আজ সকালে স্থানীয়রা পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন। পুকুর মালিক লোকজন নিয়ে মাছ তুলে বিক্রির চেষ্টা করেছেন। তবে বিষে আক্রান্ত নেই বেশিরভাগ মাছে পচন ধরেছে। এতে তার ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান মাছ চাষী কামরুজক্জামান।

দ্রুততম সময়ে বিষয়টির তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Planning meeting at Bhangura to implement “Vitamin Plus Campaign”

“ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভাঙ্গুড়ায় পরিকল্পনা সভা

“ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভাঙ্গুড়ায় পরিকল্পনা সভা ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের সার্বিক প্রস্তুতি, শিশুদের মাঝে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণের কার্যক্রম, মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক উদ্যোগ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার পরিকল্পনা টিএইচ এ ডা হালিমা খানম লিমা, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মিজানুর রহমান এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা.সাব্বির রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
BSF tried to push 9 people on Naogaon border

নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনে চেষ্টা বিএসএফের

নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনে চেষ্টা বিএসএফের ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর পাতাড়ী সীমান্তে পুশইন চেষ্টার শিকার হওয়া ৯ নারী-শিশুকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ফিরিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নওগাঁ-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এক প্রেস নোটের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। প্রেস নোটে বলা হয়, গতকাল সারাদিন সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে প্রায় ১০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল ওই ৯ জন।

তবে বর্তমানে তাদের কোনো অবস্থান বা চলাচল দেখা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময়ে বিএসএফ তাদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় নওগাঁর সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা বাড়িয়েছে বিজিবি। জেলার প্রতিটি সীমান্ত চৌকিতে (বিওপি) টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The mouth is open with the softness of the flowers

আষাঢ়-শ্রাবণে চালিতা ফুলের স্নিগ্ধতায় মুখর শরণখোলা

আষাঢ়-শ্রাবণে চালিতা ফুলের স্নিগ্ধতায় মুখর শরণখোলা ছবি: সংগৃহীত

আষাঢ় মাসের বর্ষণমুখর প্রকৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে চালিতা ফুল। উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের শরণখোলার গ্রামের রাস্তার ধারে, খালের পাড়ে এবং বসতভিটার আশপাশে ফুটে থাকা সাদা রঙের এই ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বর্ষার আগমনী বার্তার সঙ্গে প্রকৃতিকে স্নিগ্ধ ও মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে চালিতা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য।

স্থানীয়রা জানান, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে চালিতা গাছে ফুল ফোটে। ফুলের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক আবহ পরিবেশকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে ফুলের সৌন্দর্য বেশি উপভোগ করা যায়।

প্রকৃতিপ্রেমী টিকেন্দ্রনাথ মাঝি বলেন, ‘বর্ষা এলেই চালিতা ফুলের জন্য অপেক্ষা করি। সাদা রঙের ফুলগুলো প্রকৃতির মাঝে এক অন্যরকম সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। ফুলগুলো দেখলে মন ভালো হয়ে যায়।’

ষাটোর্ধ্বো তাফালবাড়ি বাজারের স্থানীয় বাসিন্দা মন্নান হাওলাদার বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই চালিতা ফুল দেখে আসছি। বর্ষাকালে গাছে যখন অসংখ্য ফুল ফোটে, তখন চারপাশের পরিবেশ অনেক সুন্দর লাগে।’

এদিকে প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, অপরিকল্পিতভাবে গাছ কাটা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের কারণে অনেক দেশীয় গাছ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই চালিতাসহ দেশীয় বৃক্ষ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Two and a half thousand kg of banned polythene seized in Khulna

খুলনায় আড়াই হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

খুলনায় আড়াই হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ ছবি: সংগৃহীত

খুলনা নগরীর বড় বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি গোডাউন থেকে ২ হাজার ৫৪২ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। গত বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উত্তম এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউনে অভিযান চলাকালে মালিক পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের উপস্থিতিতে গোডাউন দুটির তালা ভেঙ্গে ২ হাজার ৫৪২ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে উত্তম এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মোঃ হারুন-অর-রশীদ ও পরিদর্শক মোঃ আসিফ আলম এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র কেমিস্ট তানভীর হায়দার, পরিদর্শক মারুফ বিল্লাহ।

মন্তব্য

p
উপরে