× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
The progress of the BNP can no longer be stopped
hear-news
player
google_news print-icon

‘বিএনপির অগ্রযাত্রা আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না’

বিএনপির-অগ্রযাত্রা-আর-ঠেকিয়ে-রাখা-যাবে-না
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ফাইল ছবি।
‘একদিন ইনশাআল্লাহ গুলির আওয়াজ থাকবে না, পিস্তলও থাকবে না। জনগণের চাপের মুখে এই সরকারের পতন ঘটতেই হবে। যে দলে বাবুদের (শফিউল বারী বাবু) মতো কর্মী আছে, যেই দলে বাবুদের মতো নেতা আছে, যে দলের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যে দলের নেতা আমাদের দেশনায়ক তারেক রহমান, সেই দলকে কোনো পরিস্থিতিতে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না।’

বিএনপির অগ্রযাত্রা কোনো পরিস্থিতিতে আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা আব্বাস।

শনিবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘একদিন ইনশাআল্লাহ গুলির আওয়াজ থাকবে না, পিস্তলও থাকবে না। জনগণের চাপের মুখে এই সরকারের পতন ঘটতেই হবে। যে দলে বাবুদের (শফিউল বারী বাবু) মতো কর্মী আছে, যেই দলে বাবুদের মতো নেতা আছে, যে দলের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যে দলের নেতা আমাদের দেশনায়ক তারেক রহমান, সেই দলকে কোনো পরিস্থিতিতে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি সরকারের জন্য একটা শাপে বর হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির কথা বলে আমাদের তারা সভা-সমাবেশ করতে দিচ্ছে না। হয়ত অন্যরকম হয়ে যেতে পারত এই কয়েক দিনে।’

শফিউল বারী বাবুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এই সরকার দুর্গতির চরম সীমায় পড়ে গেছে। সে কারণেই বলছি, আমরা যে যেখানে থাকি না কেন আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়াটুকু আপাতত বন্ধ রেখে আমরা নেতৃত্বের যে নির্দেশগুলো সেগুলো যদি সাহসের সাথে রাজপথে দৃশ্যমান করতে পারি, তাহলে এই সরকার আর বেশি সময় টিকে থাকতে পারবে না। এই সরকার কিন্তু যাবে আপনারা আন্দোলন করেন আর না করেন।’

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে সংগঠনের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের পরিচালনায় আলোচনা সভায় দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
Allegation of encroachment against BNP leader

দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলে ধরেন রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ফাদি বিতা। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযুক্ত এস এ কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেছেন। ১৪ বছর ধরে তিনি রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি ছিলেন।

রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির অফিস জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা এস এ কে একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান এমডি সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ফাদি বিতা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমাইয়া তাসনীন, আইনজীবী ড. কাজী আক্তার হামিদ ও মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এ কে একরামুজ্জামান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতিও। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটির নতুন এমডি ফাদি বিতা জানান, একরামুজ্জামান ২০০৮ সালে কোম্পানির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এমডির দায়িত্বে ছিলেন। কোম্পানি আইনের ১১০(৩) ধারা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তাকে ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল কোম্পানির ৮১তম বোর্ড সভার সিদ্ধান্তক্রমে অব্যাহতি দেয়া হয়।

কিন্তু গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে ২০-২০ জন অস্ত্রধারী নিয়ে একরামুজ্জামান কোম্পানির মিরপুর অফিসে ঢোকেন। ফাদি বিতার ও সুমাইয়া তাসনীনকে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি তাদের কাছে থেকে পদত্যাগপত্রে সই করিয়ে নেন। অফিসে ঢোকার আগেই তারা সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে অফিসটি একরামুজ্জামানের দখলে আছে।

ফাদি বিতা অভিযোগ করে বলেন, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি ছাড়াই একরামুজ্জামান সম্পত্তি বন্ধক রেখে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৭০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। তিনি কোম্পানির নামে কয়েকটি অনুমোদনহীন ব্যাংক হিসাব খুলে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

‘স্টার পোরসেলিন’ নামে একটি কোম্পানির নামেও তিনি ৭৩ কোটি ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পরিচয়ে। এসব অনিয়মের বিষয়ে তাকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি নোটিশের জবাব দেননি। একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা আছে, বিভিন্ন অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

একরামুজ্জামান ১৪ বছর ধরে এমডির দায়িত্ব পালনকালে কোম্পানির লাভ দেখাননি, বরং প্রায় ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি আছে। তার এসব অনিয়ম প্রকাশ্যে আসায় ক্ষিপ্ত হয়ে বেআইনিভাবে অফিস দখল করেছেন বলে মনে করেন নতুন এমডি।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে ফাদি বিতা বলেন, ‘আমরা যথাযথ বিচার, আইনি সুরক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা দাবি করছি। পাশাপাশি অফিসের দখল পেতে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

অভিযোগের বিষয় জানতে একরামুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
হাটের জায়গায় দোকান, হাটুরেদের জায়গা নেই
রামনাথের ‘দুইন্যা’ উদ্ধারে সাইকেলযাত্রা
জমি দখলের অভিযোগে নারী কাউন্সিলর বরখাস্ত, নিরাপত্তা চান ভুক্তভোগী
খতিয়ান জালিয়াতি করে প্রবাসীর বাড়ি দখলের চেষ্টা
রামনাথের বাড়ি দখলে নেয়া আ.লীগ নেতা ওয়াহেদ হারালেন পদ

মন্তব্য

রাজনীতি
Nation is in disaster not only electricity but everything Fakhrul

কেবল বিদ্যুৎ নয়, সব কিছুতেই জাতি বিপর্যয়ে: ফখরুল

কেবল বিদ্যুৎ নয়, সব কিছুতেই জাতি বিপর্যয়ে: ফখরুল বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসায় কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
‘কেবল বিদ্যুৎ নয়, রাস্তার বিভ্রাটও ঢাকা শহরে। টঙ্গী থেকে উত্তরা পর্যন্ত আসতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে। সব ক্ষেত্রে দেখবেন উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা হয়ে গেছে।’

গ্রিড লাইন ফেল করার পর যে বিপর্যয় দেখা গেছে, তা কেবল বিদ্যুতের ক্ষেত্রে হয়নি বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, ‘তথাকথিত উন্নয়নের নামে সরকারের দুর্নীতির কারণে মানুষকে দুর্ভোগকে ফেলা হচ্ছে। এখন গোটা জাতি বিপর্যয়ের মধ্যে আছে।’

বুধবার মোহাম্মদপুর আসাদগেট বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘সরকার এত চিৎকার-চেঁচামেচি করছে, সব সময় বলছে আমরা বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেছি। বলা হচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন আরও বেশি হচ্ছে। গতকালকের ব্যাপারটা হচ্ছে অস্বাভাবিক ব্যাপার। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেছে সারা দেশে বেশিরভাগ এলাকায় ছিল না। প্রায় আট ঘণ্টা এই লোডশেডিং চলে। এর থেকে বোঝা যায় সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের নাম করে বহু প্রজেক্ট করেছে, টাকা পয়সা বানিয়েছে শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে এ ধরনের একটা বড় রকমের দুর্যোগের মধ্যে, বিপর্যয়ের মধ্যে জাতিকে তারা ফেলে দিয়েছে।

‘এতে করে সমস্যা হয়েছে- নেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, বিদ্যুতের মাধ্যমে যেসব কলকারখানা চলে তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সন্ধ্যার আগে যে কৃষি ক্ষেতে সেচের ব্যবস্থা করা হয় তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার কারণে ও সহনীয় পরিস্থিতি জাতি অনুভব করেছে।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘কেবল বিদ্যুৎ নয়, রাস্তার বিভ্রাটও ঢাকা শহরে। টঙ্গী থেকে উত্তরা পর্যন্ত আসতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে। সব ক্ষেত্রে দেখবেন উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা হয়ে গেছে।’

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো নিয়ে ফখরুল দাবি করেন, এই পরিকাঠামোয় যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম দেয়া হয়েছে, সেগুলোর ব্যাপারে তথ্য দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ‘এটা ভয়াবহ ব্যাপার। আমরা যে বলছি কর্তৃত্ববাদী সরকার তার যে বহিঃপ্রকাশ তারা যে আরও নিয়ন্ত্রণের দিকে যাচ্ছে, দেশকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করবে, দেশের মানুষকে তথ্য থেকে বঞ্চিত করবে এটা তারই বহিঃপ্রকাশ। স্বয়ং রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে যদি এই সার্কুলার আসে তাহলে এই দেশে যে পুরা কর্তৃত্ববাদী হয়ে গেছে, সেটা আর সন্দেহ নেই।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রোপার প্ল্যানিং এর মাধ্যমে তারা (সরকার) কিছু করেনি, সে দিকে তারা মনোযোগী হয়নি। দুর্নীতির জন্য যা যা করা দরকার তাড়াহুড়া করে করেছে। এজন্য একটি পলিটিক্যাল প্রাইস জনগণকে পে করতে হচ্ছে।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন প্রজেক্ট নেয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল দুর্নীতি। এ কারণে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘সরকার অপরিকল্পিতভাবে পাওয়ার স্টেশন করেছে। গতকালের মতো বিপর্যয় আরও হবে। সরকার যে ধরনের প্রকল্প নিয়েছে, তার জন্য জনগণকে এ ধরনের আরও সাফারার হবে।’

আরও পড়ুন:
বিএনপি-কল্যাণ পার্টি সংলাপ, আন্দোলনে ঐকমত্য
এলডিপিসহ দুই দলের সঙ্গে সোমবার বিএনপির সংলাপ
মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল
বিএনপি হাঁটুভাঙা দল নয়: ফখরুল

মন্তব্য

রাজনীতি
The breeze of democracy is blowing in the country who

দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে: কাদের

দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
বঙ্গবন্ধুকন্যা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন এবং জনগণের ওপর আস্থা রাখে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে পিতা মুজিবের মতো তিনিও বদ্ধপরিকর। তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, কোনো অশুভ শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে নস্যাৎ করতে চাইলে তাদেরকে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।’

বিরোধী দলগুলো যখন দেশে গণতন্ত্রহীনতার অভিযোগ করছে তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে। আর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বলেই এই ঘটনাটি ঘটেছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার আছে বলেই বাংলাদেশ একের পর এক উন্নয়নের মাইলফলক অর্জন করছে, বিশ্বসভায় প্রশংসিত হচ্ছে। শেখ হাসিনা আছেন বলেই দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে। আর সেজন্যই সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি নিবন্ধে বাংলাদেশে নারীদের বিস্ময়কর অগ্রগতি, শিক্ষা ও দারিদ্র্য নিরসন, সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন এবং জনগণের ওপর আস্থা রাখে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে পিতা মুজিবের মতো তিনিও বদ্ধপরিকর। তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, কোনো অশুভ শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে নস্যাৎ করতে চাইলে তাদেরকে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।’

দেশে গণতন্ত্র না থাকার অভিযোগ এনে বিএনপির নানা বক্তব্যেরও জবাব দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নস্যাৎ করে যাদের রাজনীতির যাত্রা শুরু হয়েছে, তাদের মুখে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা শোভা পায় না।

‘বিএনপি নামক রাজনৈতিক দলটি এদেশের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভরকেন্দ্র। তারা যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবার সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধন করে রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহারের বৈধতা দিয়েছিলেন।

‘সেই দলের নেতা হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা কুমিরের মায়াকান্না মাত্র। অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্রের জন্য বিএনপি মহাসচিবের ছদ্মবেশ ধারণ দেশের জনগণের সঙ্গে এক ধরনের পরিহাস।’

তিনি বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। তারা ক্ষমতাসীন হয়ে সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। বিরোধী মতকে দমন করতে ২১ আগস্টের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি সকল ধরনের অপচেষ্টা চালিয়েছিল। গণতান্ত্রিক সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার টুটি চেপে ধরে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল আর আজ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে সুগভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
এখনও বলা যাচ্ছে না আমরা কোন দলে যাব: জিএম কাদের
‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে নিজেদের দিকে তাকান’
‘জাপার নির্বাচনি জোট দলে আলোচনা সাপেক্ষে’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে পূজার নিরাপত্তা লজ্জার: জি এম কাদের
রাজনীতিতে অস্থিরতা, দলের ভেতরে-বাইরে সংঘাত

মন্তব্য

রাজনীতি
Sajeda Chowdhurys younger son got the boat

নৌকা পেলেন সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে লাবু

নৌকা পেলেন সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে লাবু প্রয়াত সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সভায় ৭ উপজেলা, ৪ পৌরসভা ও ২৯ ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করে নাম ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় সংসদে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা ও কৃষ্ণপুর) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন প্রয়াত সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী। মঙ্গলবার গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মনোনয়ন বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন উভয় বোর্ডের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, ড. আব্দুর রাজ্জাক, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, মাহবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি ও আব্দুস সোবহান গোলাপ।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাত সাড়ে ৮টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে লাবুর মনোনয়ন পাওয়ার খবর জানানো হয়।

এ বিষয়ে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখে ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে আমাকে নৌকার টিকিট দিয়েছেন। আমি সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চাই। আমি যেন আমার মায়ের এবং আমার নেত্রী শেখ হাসিনার সম্মান রক্ষা করতে পারি।’

ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য ১৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। আসনটিতে ভোট হবে ৫ নভেম্বর। নির্বাচন কমিশন ২৬ সেপ্টেম্বর এই উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

এছাড়া ওই বৈঠকে সাতটি উপজেলা, চারটি পৌরসভা এবং ২৯টি ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

আরও পড়ুন:
সাজেদা চৌধুরীর আসনে ভোট হবে ইভিএমে
সাজেদা চৌধুরীর আসন শূন্য ঘোষণা
বনানীতে শেষ শয্যায় সাজেদা চৌধুরী
বাংলাদেশের ইতিহাসের বড় অধ্যায়জুড়ে আছেন সাজেদা চৌধুরী: কাদের
মুরুব্বি সাজেদাকে বিএনপির শামার শ্রদ্ধা

মন্তব্য

রাজনীতি
Voting should be recorded on the mobile phone and shown

‘ভোট দেয়া মোবাইলে ধারণ করে দেখাতে হবে’

‘ভোট দেয়া মোবাইলে ধারণ করে দেখাতে হবে’ আখতারুজ্জামান আখতার। ছবি: সংগৃহীত
লিখিত আবেদনে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নে ভোটারদের কাছে যাচ্ছি। ভোটারদের অনেকেই বলেছেন, তাদেরকে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান চাপ দিচ্ছেন। এমনকি তাদের পচ্ছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে কি না তা নিশ্চিতের জন্য ভোট দেয়ার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে তাদেরকে দেখাতে হবে।

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আখতারুজ্জামান আখতার।

তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আখতারুজ্জামানের অভিযোগ, ‘আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের পক্ষে ভোট দেয়ার জন্য ভোটারদের চাপ দেয়া হচ্ছে। তার কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দেয়া হচ্ছে কি না দেখার জন্য বুথেও তাদের লোক রাখার কথা বলা হচ্ছে।’

এমন অভিযোগ এনে মঙ্গলবার তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরে আবেদন করেন।

লিখিত আবেদনে তিনি বলেন, ‘আমি বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নে ভোটারদের কাছে যাচ্ছি। ভোটারদের অনেকেই বলেছেন, তাদেরকে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান চাপ দিচ্ছেন। এমনকি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে কি না তা নিশ্চিতের জন্য ভোট দেয়ার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে তাদেরকে দেখাতে হবে।

‘অনেক বলছেন, গোপন কক্ষে তাদের লোক থাকবে। যদি ছবি তুলতে না চান তবে তাদের সমানেই ভোট প্রদান করতে হবে। অন্যথায় তাদের লোক তার ভোট প্রদান করে দিবে। যেহেতু ইভিএমএ ভোট হবে। তাই প্রথম ধাপ শেষ করার পরই তাদের লোক ভোট দিয়ে দিবেন।’

ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন করে আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইস রোধ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কামনা করছি।’

জেলা পরিষদ নির্বাচন রাজশাহীর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, ‘তিনি যেহেতু প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরে আবেদন করেছেন, আমরা আবেদনটি পাঠিয়ে দেবো। সার্বিকভাবে রাজশাহীতে নির্বাচনের পরিবেশ এখনও ভালো। আশাকরি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট হবে।’

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী। এর মধ্যে প্রচারে মাঠে আছেন দুই জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক (সদ্য বহিষ্কৃত) আখতারুজ্জামান আখতার।

আরও পড়ুন:
‘সব দল ভোটে এনে চমক দেবে ইসি’
ইসির সেই ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন
অন্যকে বাধা দিলে প্রার্থিতা বাতিল: ইসি
৩৩ বছরেও হয়নি তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন
প্রতারণার মামলায় আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কারাগারে

মন্তব্য

রাজনীতি
CEC wants everyone to vote

ভোটে সবাইকে চান সিইসি

ভোটে সবাইকে চান সিইসি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
ধারাবাহিক নানা কর্মসূচি দিয়ে রাজপথে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া ভোট হতে না দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছে বিএনপি। ফলে ২০১৩-১৪ সালের মতো রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার না হলে ভোট বর্জনে বিএনপি ও সমমনাদের ঘোষণার মধ্যে সবার অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

নির্বাচন কমিশনে মঙ্গলবার ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম (ইএমএফ) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলীসহ পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘আমরা যেটা চাচ্ছি ইভিএম বা ব্যালট মূল কথা নয়। মূল কথা হলো সবাইকে চেষ্টা করতে হবে একটা সুন্দর, সুষ্ঠু অবাধ, নির্বিঘ্ন ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। আমরা সব সময় বলছি আপনারা নির্বাচনে আসুন, অংশগ্রহণ করুন। অংশগ্রহণ করে নির্বাচন তাকে ফলপ্রসূ করুন। যাতে নির্বাচনটা সুন্দর হয়, জনমানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার দুই বছর পর উচ্চ আদালতের এক রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর সরকার নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের পদ্ধতি ফেরায়।

এর প্রতিবাদে ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনে যায় বিএনপি এবং তার শরিকরা। তবে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তারা ভোটে আসে। সেই নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে বিএনপি আবার নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে।

দাবি আদায় ধারাবাহিক নানা কর্মসূচি দিয়ে রাজপথে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া ভোট হতে না দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছে বিএনপি। ফলে ২০১৩-১৪ সালের মতো রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, ভোট কারা এলো বা না এলো সেটি তাদের দেখার কথা নয়। তাদের দায়িত্ব ভোটের আয়োজন করা, সেটি তারা করবে।

আবার আগামী নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনাদের আপত্তির মুখে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিন শ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ অর্ধেক আসনে ব্যালটে আর অর্ধেক আসনে ইভিএমে ভোট নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে- সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন নিশ্চয়তা নেই। কারণ এটা ডিপেন্ড করবে যদি সরকার এ প্রকল্প অনুমোদন করে।’

নতুন ইভিএম কিনতে প্রায় সাড়ে নয় কেনার নতুন প্রকল্প গ্রহণ করে সরকারকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশনার। তাহলে সেই প্রকল্প অনুমোদন কি নিশ্চিত নয়?- এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চয়তা নেই। এর আর্থিক সংশ্লিষ্টতা যেটা আছে, সেটা যদি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গীতে যথার্থ মনে না হয়, তাহলে অ্যালাউ নাও করতে পারে।’

বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে জনমনে যেসব পারসেপশন আছে, সে সম্পর্কে কিছু জানতে চেয়েছেন তারা। নেগেটিভ যে পারসেপশন বিরাজ করছে, সেটাকে দূরীভূত করার জন্য তারা সচেষ্ট আছেন।

‘সংক্ষিপ্ত একটি মতবিনিময় ছিল। যারা এসেছিল তারা বিশিষ্ট ব্যক্তি। আমাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যমূলক আলোচনা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কাউকে ধরে-বেঁধে নির্বাচনে আনব না: সিইসি
দশম ও একাদশ নির্বাচন নিয়ে অতিমাত্রায় বিতর্ক হচ্ছে: সিইসি
‘চিন্তায় রাতের ঘুম নষ্ট’ সিইসির
ভোটের আনুপাতিক হারে আসনের প্রস্তাব মনে ধরেছে সিইসির

মন্তব্য

রাজনীতি
BNP mass rally in Khulna on October 22

খুলনায় বিএনপির গণসমাবেশ ২২ অক্টোবর

খুলনায় বিএনপির গণসমাবেশ ২২ অক্টোবর বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ সভায় হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
সভায় বলা হয়, খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কর্মসূচি সমন্বয় করবেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ ২২ অক্টোবর। কর্মসূচি সফল করতে বিএনপির সব স্তরের নেতাকর্মীকে প্রচারে নামার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।

দেশের সব বিভাগীয় সদরে গণসমাবেশ করার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে খুলনা বিএনপি গণসমাবেশের দিন-ক্ষণ ঠিক করে।

খুলনা নগরীর সোনালী ব্যাংক চত্বরে গণসমাবেশ হবে। সমাবেশ সফল করতে বিএনপি এবং প্রতিটি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সভা-সমাবেশ ও প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় বলা হয়, খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কর্মসূচি সমন্বয় করবেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

কর্মসূচি সফল করতে ১১টি সাব কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলনে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। কর্মসূচিতে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ছে। সম্পৃক্ত হচ্ছেন পেশাজীবীরাও। হামলা হলে পাল্টা হামলার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
এলডিপিসহ দুই দলের সঙ্গে সোমবার বিএনপির সংলাপ
মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল
পুলিশ শুধু বিরোধী দলের লাঠি দেখে: দুদু
লাঠি নিয়ে এলে খবর আছে: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে