× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
নুর বলছেন ক্ষমা চেয়েছে বিএনপি জাফরুল্লাহ বলছেন না
google_news print-icon

নূর বলছেন ক্ষমা চেয়েছে বিএনপি, জাফরুল্লাহ বলছেন ‘না’

নূর-বলছেন-ক্ষমা-চেয়েছে-বিএনপি-জাফরুল্লাহ-বলছেন-না
গত কয়েক বছরে কাছাকাছি আসা জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও নুরুল হক নুর মঙ্গলবারও একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ছবি: নিউজবাংলা
যেহেতু তিনি (জাফরুল্লাহ) বিএনপির অনেকের সঙ্গেই বেশ ভালোভাবে সম্পৃক্ত আছেন, সে ক্ষেত্রে আমারও মনে হয় না বিষয়টা মিডিয়ায় আসুক উনি চাচ্ছেন। অনেক বিষয় আছে, যার জন্য অনেকেই আছেন মিডিয়ায় আসুক চান। আমাদের বলেছেন এই নিয়ে বেশি কিছু না বলতে: নূর

তারেক রহমান ও বিএনপিকে নিয়ে কথা বলা না থামালে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কিছু হয়ে গেলে ছাত্রদল দায়ী থাকবে না- সংগঠনের সহসভাপতির এমন প্রকাশ্য হুমকি দেয়ার প্রায় তিন সপ্তাহেও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।

গত কয়েক বছরে জাফরুল্লাহ ও নূর বেশ কাছাকাছি এসেছেন এবং আলোচিত সব বিষয়ে তারা একই সুরে কথা বলেন। মঙ্গলবার জাফরুল্লাহর প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে দুজন একসঙ্গে এক অনুষ্ঠানেও বক্তব্য রাখেন।

নূর নিয়মিত ফেসবুক লাইভে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক প্রায় সব বিষয়েই তিনি তার মতো করে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেন। আর বলাই বাহুল্য, সরকারের কট্টর সমালোচক হয়ে উঠেছেন সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলনে নেমে আলোচিত হয়ে ওঠা ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা।

জাফরুল্লাহকে বলতে গেলে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়া হয়েছে। আপনি এই বিষয়টাতে চুপ কেন? নিউজবাংলার এমন প্রশ্নে নূর বলেন, ‘ছাত্রদল থেকে শুরু করে বিএনপির বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন জায়গা থেকে এটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে এবং জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণভাবে ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে বলে যেটা আমি জানি।

‘আমি যদ্দুর জানি, বিএনপির বিভিন্ন জায়গা থেকে এটার জন্য ওনার কাছে ক্ষমা চেয়েছে বা দুঃখ প্রকাশ করেছে বিষয়টির জন্য।’

নূর বলছেন ক্ষমা চেয়েছে বিএনপি, জাফরুল্লাহ বলছেন ‘না’
গত ২৬ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন ছাত্রদলের সহসভাপতি ওমর ফারুক কাউসার

তবে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল নিউজবাংলাকে বলেছেন, তাদের সহসভাপতি ওমর ফারুক কাউসার যা বলেছেন, সেটি তারা সমর্থন করেন।

তিনি বলেন, ‘জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন সিনিয়র সিটিজেন। মুক্তিযুদ্ধে ওনার একটি ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে তারেক জিয়া এই মুহূর্তে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক। দলকে নিয়ে, অভিভাবককে নিয়ে কথা তোলায় নিজের আবেগ ধরে রাখতে না পেরে সে (কাউসার) তার কথা বলেছে মাত্র। প্রতিবাদ করেছে। এ ধরনের প্রতিবাদকে আমরা সমর্থন করি। ভবিষ্যতে ঘটলেও আমরা তা-ই করব। একই সঙ্গে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মতো একজন বুজুর্গ ব্যক্তির থেকে এ রকম আচরণ আমরা আশা করি না।’

ছাত্রদলের এই অবস্থানকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল।

আর জাফরুল্লাহ চৌধুরী নিজে জানিয়েছেন, সেদিনের ঘটনা নিয়ে বিএনপির কেউ তাকে ফোন করেননি। আর বিএনপির এক সভায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাকে ইঙ্গিত করে যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে তিনি চটেছেন। বলেছেন, বিএনপির নেতারা গোঁয়ার।

জাফরুল্লাহ বলেছেন, বিএনপির কেউ সেদিনের ঘটনায় তাকে ফোন করেননি, তাহলে আপনি কীভাবে জেনেছেন যে, তারা ক্ষমা চেয়েছেন? এমন প্রশ্নে নূর কথা পাল্টে বলেন, ‘যেহেতু তিনি (জাফরুল্লাহ) বিএনপির অনেকের সঙ্গেই বেশ ভালোভাবে সম্পৃক্ত আছেন, সে ক্ষেত্রে আমারও মনে হয় না বিষয়টা মিডিয়ায় আসুক উনি চাচ্ছেন। অনেক বিষয় আছে যার জন্য অনেকেই আছেন মিডিয়ায় আসুক চান। আমাদের বলেছেন এই নিয়ে বেশি কিছু না বলতে।’

নূর বলছেন ক্ষমা চেয়েছে বিএনপি, জাফরুল্লাহ বলছেন ‘না’
নূরদের কর্মসূচিতে যেমন জাফরুল্লাহ আসছেন, তেমনি জাফরুল্লাহর কর্মসূচিতেও নূর যাচ্ছেন নিয়মিত

ঘটনাটি ছাত্রদল না ঘটিয়ে অন্য কোনো সংগঠন যদি করত তাহলে কি চুপ থাকতেন? এমন প্রশ্নে নূর বলেন, ‘জাফরুল্লাহ চৌধুরী একটা কথা বলেছেন ছাত্রদলের নেতার যদি না পছন্দ হয়, তবে তিনি বিনয়ের সঙ্গে বলতে পারেন যে, স্যার আপনার এই কথাটা আমরা ভালোভাবে নিতে পারি নাই,আমাদের নেতা সম্পর্কে এ ধরনের কথা বইলেন না আমরা কষ্ট পাই। এ ধরনের একটা কথা বলতে পারত। কিন্তু সেটা না করে সেই ছেলেটির (ছাত্রদল নেতা কাউসার) আচরণ খুবই দুঃখজনক।’

তিনি বলেন, ‘আমি ডাকসুর সাবেক ভিপি। ছাত্রদলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছি, ছাত্রলীগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলে থাকি। আমি তখন ছাত্রদলের সভাপতি, সেক্রেটারির প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা লেখায় যে, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘বুদ্ধিজীবী আছেন কয়জন এই সময়ে দেশের জন্য কথা বলে? এই এক জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আসলে এই বয়সে এই মানুষটার তো কিছু পাওয়ার নেই। তো এই মানুষটারে আমরা যদি আবার হার্ট করে কথা বলি, তাহলে এই বয়সে সে তো কথা বলার মানসিক শক্তিটাকে হারাবে। সেই জায়গা থেকে আসলে আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি’- অনেকটা নরম সুরে ছাত্রদলকে উদ্দেশ করে বলেন নূর।

প্রেস ক্লাবে সেদিন যা ঘটেছিল

গত ২৬ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের ওই সেমিনারের আয়োজক ছিল এডুকেশন রিফর্ম ইনিশিয়েটিভ (ইআরআই) নামে বিএনপি সমর্থক একটি সংগঠন। বিষয় ছিল ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: শিক্ষায় প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি এবং করোনাকালীন শিক্ষা বাজেট: ২০২১-২০২২’।

আলোচনার একপর্যায়ে বিএনপি, তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন জাফরুল্লাহ। মন্তব্য করেন, ‘বিএনপি চলে লন্ডন থেকে আসা ওহি দিয়ে।’

তারেক রহমানকে দুই বছর চুপচাপ বসে লন্ডনে পড়ালেখার পরামর্শও দেন জাফরুল্লাহ।

এ সময় শ্রোতাদের আসনে থাকা ছাত্রদল নেতা কাউসার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ওস্তাদ স্লামালাইকুম।’

মুহূর্তে সেমিনার কক্ষে উপস্থিত সবাই চমকে যান। সেই ব্যক্তি বলতে থাকেন, ‘আপনি বিএনপির কী? আপনি কে যে আপনার কথা শুনতে হবে? আপনি আমাদের নিয়া উল্টাপাল্টা কথা বলেন?’

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আপনি আগে কথা তো শোনেন।’

তখন ছাত্রদল নেতার সঙ্গে থাকা একজন বলেন, ‘আপনি জয়রে (প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়) নিয়া বলেন।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আপনাদের ভালোর জন্য বলি। আপনারা আপনাদের ভালো বোঝেন না।’

ছাত্রদল নেতা কাউসার বলেন, ‘না না, আমরা অবশ্যই বুঝি, আমরা আমাদেরটা বুঝি, আপনি আপনারটা বোঝেন। আপনি আমাদের নেতাকে নিয়ে কখনও এভাবে কথা বলবেন না। আপনি আপনাকে নিয়ে কথা বলেন, যদি বলেন, পরবর্তী সময়ে কিছু হলে কিন্তু আমরা জানি না।’

নূর বলছেন ক্ষমা চেয়েছে বিএনপি, জাফরুল্লাহ বলছেন ‘না’
বিএনপিপন্থিদের আলোচনায় বক্তব্য রাখার সময়ই ছাত্রদল নেতা উঠে জাফরুল্লাহকে বিএনপি নিয়ে কথা না বলতে শাসান

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘কোনো কিছু হবে না, আপনারা দায়ী হবেন কেন?’

কাউসার বলেন, ‘ধন্যবাদ।’

এই কথোপকথনের পর কাউসার তার সঙ্গীদের নিয়ে সেমিনার কক্ষ ত্যাগ করেন।

ছাত্রদল নেতার পর বিএনপির সভায় জাফরুল্লাহকে আক্রমণ

গত ৩ জুলাই বিএনপির এক অনলাইন আলোচনায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে আক্রমণ করে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতার নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘আজকে পত্রপত্রিকায় কিছু সুধীজন আমাদের মাঝে মাঝে কিছু কিছু উপদেশ দিয়ে থাকেন, আমাদের নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলতে থাকেন। তাদের সবিনয়ে বলব যে, এই কথাগুলো প্রকারান্তরে ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, যারা ক্ষমতায় আছে তাদের ক্ষমতায় থাকার পথটাকে প্রশস্ত করে।’

‘জনগণকে বিভ্রান্ত না করতে’ জাফরুল্লাহর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতৃত্ব নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা গণতন্ত্রের, সমস্যা ফ্যাসিজমের, সমস্যা আইনের শাসনের, সমস্যাটা হলো জাস্টিস নাই।

‘আমাদের নেতৃত্ব কিন্তু পদে পদে পরীক্ষিত, পদে পদে উত্তীর্ণ; শত নির্যাতন-অত্যাচারের কাছে বেগম খালেদা জিয়া মাথা নত করেননি; যেমনি জিয়াউর রহমান পাকিস্তানিদের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বুক টান করে একটি দেশ উপহার দিয়েছেন, তেমনি আমাদের নেতৃত্বও পরীক্ষিত।'

সেদিনের সেই ঘটনার পর জাফরুল্লাহকে বিএনপিপন্থিদের কোনো অনলাইন সভায় আর ডাকা হয়নি। আর জাফরুল্লাহ চৌধুরীও বিএনপিকে নিয়ে আর একটি কথাও বলেননি।

আরও পড়ুন:
রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের দায় আমলাদের: জাফরুল্লাহ
জাফরুল্লাহর দাবি, ৫০ লাখ করে দেয়া হোক ক্ষতিপূরণ
এখন বেক্সিমকোর মতোই এজেন্ট হতে চান জাফরুল্লাহ
বিএনপিতে বিরক্ত জাফরুল্লাহ, বললেন তারা গোঁয়ার
এবার বিএনপির আলোচনায় জাফরুল্লাহকে আক্রমণ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
Tariq Rahmans arrest threat is part of deep conspiracy Fakhrul

তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের হুমকি গভীর চক্রান্তের অংশ: ফখরুল

তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের হুমকি গভীর চক্রান্তের অংশ: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সুপরিকল্পিতভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আর সেজন্যই চক্রান্তমূলকভাবে ২১ আগস্টের মামলায় তাকে জড়ানো হয়েছে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকার বিষোদগার করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজকের এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমানসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ১৫ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী ওই বক্তব্য দেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সুপরিকল্পিতভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আর সেজন্যই চক্রান্তমূলকভাবে ২১ আগস্টের মামলায় তাকে জড়ানো হয়েছে।

‘বাংলাদেশে আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে সত্যের জন্য, সম্মানের জন্য, আত্মমর্যাদার জন্য সুশীল ভদ্রলোকদের সমাজে টিকে থাকাকে অসম্ভব করে তোলা হয়েছে। স্বার্থান্ধতা, ঔদ্ধত্য, অসহিষ্ণুতা ও মহা দুর্নীতিকে পর্দার আড়ালে রেখে সরকার এখন তারেক রহমানকে নিয়ে বিষোদগার করছে।’

বিবৃতিতে ফখরুল বলেন, ‘২১ আগস্টের বোমা হামলা মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তারেক রহমানসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকে যুক্ত করা হয়েছে। তারেক রহমানের ভাবমূর্তি করতে এটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর তারেক রহমানের নাম চার্জশিটে যুক্ত করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, চারদিক থেকে ব্যর্থ আওয়ামী সরকার রাজনৈতিক বিরোধের ছায়াকে প্রলম্বিত রাখতে চায় অশুভ উদ্দেশ্যে। সুশাসন ও ন্যায়বিচার থাকলে লুটেরা, টাকা পাচারকারী এবং ক্ষমতাঘনিষ্ঠ ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় শাস্তি হতো।

‘ডামি সরকার জনপীড়ক ও অত্যাচারী বিচারশূন্য প্রশাসন ও আইন বিভাগ দিয়ে গণতন্ত্রকামী নেতাকর্মীদের নিষ্ঠুরভাবে দমন করছে। যখন সরকারের ঘনিষ্ঠজনদের কলঙ্কিত দুর্নীতি প্রকাশ পাচ্ছে এবং দুর্নীতির মহামারীতে ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বড় বড় কর্মকর্তাদের অভিনব দুর্নীতির সংবাদ ভাইরাল হচ্ছে তখন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের হুমকি গভীর চক্রান্তের অংশ।

‘আমি জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক ও চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রধান নেতা তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
সরকার দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে: ফখরুল
দেউলিয়া আওয়ামী লীগ দুর্নীতির নতুন উপায় খুঁজছে: ফখরুল
ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে: আশা ফখরুলের
দেশকে বিদেশের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে আওয়ামী লীগ: ফখরুল
রাঘব-বোয়ালদের লুটপাটের সুযোগ দিতে এই বাজেট: ফখরুল

মন্তব্য

রাজনীতি
Govt destroyed countrys political structure Fakhrul

সরকার দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে: ফখরুল

সরকার দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে: ফখরুল ফাইল ছবি
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকারের অপকীর্তি স্বল্প সময়ে বলে শেষ করা যাবে না। প্রথম সর্বনাশ করেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। আগেও করেছিল, এবার করেছে একটু ভিন্ন কায়দায়।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সংকট-উত্তরণের পথ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকারের অপকীর্তি স্বল্প সময়ে বলে শেষ করা যাবে না। প্রথম সর্বনাশ করেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। আগেও করেছিল, এবার করেছে একটু ভিন্ন কায়দায়।

তিনি বলেন, এখন একটু শিক্ষিত হয়েছে, কীভাবে ছদ্মবেশী আবরণ দেয়া যায়; সেই আবরণ দিয়ে, গণতন্ত্রের লেবাস পরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো, সংবিধানের ভিত্তিতে যেটা আমরা গঠন করেছিলাম, সেটা ধ্বংস করেছে।

ফখরুল বলেন, অর্থনৈতিক স্তম্ভগুলো নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। আগে শুধু আমরাই কথা বলতাম, যারা বিরোধিতা করতাম। এখন কিন্তু দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদরা কথা বলতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য এই সরকার পরিবর্তন হয়ে জনগণের একটি সরকার আসবে। মানুষ জেগে উঠেছে। তবে সেই জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করা এখনো সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য

রাজনীতি
Awami League is extremely bankrupt Fakhrul

দেউলিয়া আওয়ামী লীগ দুর্নীতির নতুন উপায় খুঁজছে: ফখরুল

দেউলিয়া আওয়ামী লীগ দুর্নীতির নতুন উপায় খুঁজছে: ফখরুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মুন্নু সিটিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের কারণে আওয়ামী লীগকে আজ সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিবাজ আমলা ও দুর্নীতিবাজ রাজকর্মচারীদের সঙ্গে আঁতাত করে ক্ষমতায় থাকতে হচ্ছে। দলটি এখন দুর্নীতির নতুন নতুন উপায় খুঁজছে। মেগা দুর্নীতির মাধ্যমে মেগা দুর্নীতির ব্যবস্থা করছে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। তারা চরমভাবে ব্যাংকরাপ্ট হয়ে গেছে, দেউলিয়া হয়ে গেছে। এটি এখন আজিজ আর বেনজীরদের আওয়ামী লীগ।’

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মুন্নু সিটিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণতন্ত্র উত্তরণ, মতপ্রকাশ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও খাল খনন কর্মসূচি’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা জেলা বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের কারণে আওয়ামী লীগকে আজ সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিবাজ আমলা ও দুর্নীতিবাজ রাজকর্মচারীদের সঙ্গে আঁতাত করে ক্ষমতায় থাকতে হচ্ছে।

‘দলটি এখন দুর্নীতির নতুন নতুন উপায় খুঁজছে। মেগা দুর্নীতির মাধ্যমে মেগা দুর্নীতির ব্যবস্থা করছে।’

তিনি বলেন, ‘এক সেমিনারে দেশের স্বনামধন্য অথনীতিবিদরা বলেছেন যে দেশের অথনীতি বিপর্যয়ের পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তা স্বীকার করতে চায় না। তারা সব সময় বলে বেড়ায় যে দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো আছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কমিশন ছাড়া আওয়ামী লীগ কোনো কাজ করে না। দেশে নতুন করে কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে নগদ একটি। নগদে লেনদেনের প্রতি এক টাকায় আওয়ামী লীগ পাঁচ পয়সা কমিশন খায়। সেই কমিশন দেশের বাইরে যায় এবং দেশের বাইরের বিশেষ এক ব্যক্তির কাছে যায়। সেই বিশেষ ব্যক্তির নাম বললাম না, আপনারা তাকে চেনেন।’

ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদের সভাপতিত্বে সেমিনারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী ও ঢাকা বিভাগ বিএনপির সহ-সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো, কাজী সায়েদুল আলম বাবুল ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বেনজীরকে বাঁচাতে সরকার তাকে পাচার করে দিয়েছে: ফখরুল
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষ দিশেহারা: ফখরুল
জামায়াতের রাজনীতি সমর্থন করি না: ফখরুল
বেনজীর কীভাবে সপরিবারে দেশ ছাড়লেন: প্রশ্ন ফখরুলের
দেশ এখন পুরোপুরি মাফিয়া ও লুটেরাদের কবলে: ফখরুল

মন্তব্য

রাজনীতি
Bridges Minister went to Singapore for health examination

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৫৮৪ ফ্লাইটে সকাল সাড়ে ৮টায় ওবায়দুল কাদের ঢাকা ত্যাগ করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।

মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৫৮৪ ফ্লাইটে সকাল সাড়ে ৮টায় ওবায়দুল কাদের ঢাকা ত্যাগ করেন। খবর বাসসের

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগির তিনি ঢাকায় ফিরবেন বলে আশা করছেন।

মন্তব্য

রাজনীতি
The Prime Minister ordered to find the killers of Chhatra League leader Al Amin

‘ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’ সোমবার আল-আমিনের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর বাবা, মা, ভাইসহ তার পরিবারের ১৮ জনকে হত্যা করা হয়। হত্যা হলে পরিবারের সদস্যদের কী কষ্ট লাগে, তার চেয়ে বেশি কেউ বোঝে না।’

গাজীপুরের ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর বাবা, মা, ভাইসহ তার পরিবারের ১৮ জনকে হত্যা করা হয়। হত্যা হলে পরিবারের সদস্যদের কী কষ্ট লাগে, তার চেয়ে বেশি কেউ বোঝে না। তিনি ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যার ঘটনাটি জানেন। ভারতে যাওয়ার সময় এ বিষয় নিয়ে আমারও প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি পুলিশ প্রধানকে হত্যাকারীদের খুঁজে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে বলেছেন।’

সোমবার সকালে কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরইআরএমপি-৩ প্রকল্পের আওতায় নারী কর্মীদের সঞ্চয়ের চেক হস্তান্তর করেন মন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠান শেষে আল-আমিন হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে তার পরিবার ও এলাকাবাসী ছুটে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান, কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার আহম্মেদ, উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেলিম আজাদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রজত বিশ্বাস, উপজেলা প্রকৌশলী বিপ্লব পাল, কালিয়াকৈর থানার ওসি (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন শাহীন, সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরিফা আক্তারসহ আরও অনেকে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দলের ছাত্রনেতা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের দ্বাদশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আল-আমিনকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ নামধারী কিছু নেতা-কর্মী। সেটা আমরা সরেজমিনে না দেখলেও ভিডিওর মাধ্যমে দেশবাসী দেখেছেন। কাজেই কে তাকে মেরেছে- এ বিষয়ে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরেই আছে।

‘হত্যাকারী যে দলেরই হোক তাদের ঘৃণা করি, নিন্দা জানাই। আর প্রশাসনকে আগেও বলেছি, এখনও বলছি। যেহেতু খুনিরা বাংলাদেশের ভেতরেই আছে, যেভাবেই হোক তাদের খুঁজে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, আমাদের সরকার সাবেক পুলিশ প্রধানের অপকর্মের বিরুদ্ধেও কীভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে। সেনাবাহিনীর প্রধান, যারা অন্যায়-অপকর্ম-বেআইনি কাজ করেছে, তারাই ছাড় পায়নি। সেখানে ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীরা তো ছাড় পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

‘এই খুনের বিচার না হলে খুনিদের সাহস বেড়ে যাবে, আরও খুন-খারাপি হবে। মরা মানুষটিকে তো ফেরত দেয়া যাবে না, তবে এই খুনের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আনার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’

এর আগে, অনুষ্ঠানে আরইআরএম পি-৩ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৯১ জন নারী কর্মীর প্রত্যেককে ১ লাখ ২০ হাজার ৫০৫ টাকার করে চেক প্রদান করেন মন্ত্রী। এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগ নেতা হত্যা: মানববন্ধনে নিস্তব্ধতা, গ্রেপ্তার ১
যুবলীগ নেতা হত্যার কায়দায় ছাত্রলীগ নেতাকেও হত্যা, বিচার নিয়ে সংশয় পরিবারের

মন্তব্য

রাজনীতি
Indias new government will honor the aspirations of the people of Bangladesh Asha Fakhrul

ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে: আশা ফখরুলের

ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে: আশা ফখরুলের ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভারতের নতুন সরকার সম্পর্কে আমার একটাই বলার- তাদের দেশে যেভাবে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে, আমরাও আমাদের দেশে গণতন্ত্রকে সেভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা, তারা বাংলাদেশের জনগণের সেই প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে এবং সেভাবেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে।’

ভারতের নবনির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

‘আধুনিক কৃষি, অভিন্ন নদীর পানি আগ্রাসন এবং জলবায়ুর ভারসাম্যহীনতা রোধে শহীদ জিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। নিঃসন্দেহে আমাদের অনেক প্রভাবশালী প্রতিবেশী একটি দেশ।

‘ভারতের নতুন সরকার সম্পর্কে আমার একটাই বলার- তাদের দেশে যেভাবে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে, এখনও তাদের নির্বাচন কমিশন যেভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তাদের বিচার বিভাগ যেভাবে কাজ করতে পারে, আমরাও ১৯৭১ সালে সেই লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম। আমরাও আমাদের দেশে গণতন্ত্রকে সেভাবেই প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা, ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের সেই প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে এবং সেভাবেই তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গতকাল (রোববার) একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তার নাম বলবো না, আপনারা হয়তো অনেকেই চিনে ফেলবেন। সে এখন রাজনীতি থেকে দূরে আছে। সে তখন ছাত্রলীগের নেতা ছিল। পরবর্তীকালে সে আওয়ামী লীগ করেছে, এমপিও হয়েছে। কিন্তু ১০-১৫ বছর ধরে সে রাজনীতি থেকে দূরে সরে আছে।

‘তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি রাজনীতি করছো না কেন? সে বলে, কোন রাজনীতি করব? আমি বললাম আওয়ামী লীগ করবা। সে বললো, আওয়ামী লীগ কি আওয়ামী লীগ আছে? এটা তো এখন আজিজ (সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ) আর বেনজীরের (সাবেক আইজিপি) আওয়ামী লীগ।

‘এই যে দেখুন, একজন আওয়ামী লীগ নেতার উপলব্ধি। এটাই বাস্তবতা। আজকে আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ নেই।’

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কৃষক দল সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, কৃষক দলের সহ-সভাপতি আ ন ম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, যুগ্ম সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
দেশকে বিদেশের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে আওয়ামী লীগ: ফখরুল
রাঘব-বোয়ালদের লুটপাটের সুযোগ দিতে এই বাজেট: ফখরুল
বাজেটে নতুন করে লুটের পরিকল্পনা করা হয়েছে: ফখরুল
আওয়ামী লীগকে রক্ষায় সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলেন বেনজীর: ফখরুল
বেনজীরকে বাঁচাতে সরকার তাকে পাচার করে দিয়েছে: ফখরুল

মন্তব্য

রাজনীতি
The average voter turnout in the five phases is 36 56 percent CEC
উপজেলা নির্বাচন

পাঁচ ধাপে গড়ে ভোট পড়েছে ৩৬.৫৬ শতাংশ: সিইসি

পাঁচ ধাপে গড়ে ভোট পড়েছে ৩৬.৫৬ শতাংশ: সিইসি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সোমবার ‘আরএফইডি টক’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘এবার নির্বাচন অনেকটা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। অনেকে প্রভাব সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। আমাদের তৎপরতায় তারা সফল হয়নি। তবে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আরও বেশি সংস্কার প্রয়োজন।’

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাঁচ ধাপ মিলে মোট ৪৬৯টি উপজেলায় গড়ে ৩৬ দশিমিক ৫৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সোমবার বিকেলে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘আরএফইডি টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘পাঁচ ধাপে মোট ৪৬৯টি উপজেলায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। অতীতের তুলনায় শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। সার্বিকভাবে ৩৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।

‘এবার নির্বাচন অনেকটা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। অনেকে প্রভাব সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। আমাদের তৎপরতায় তারা সফল হয়নি। তবে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আরও বেশি সংস্কার প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
এনআইডি সেবায় হয়রানি বন্ধের নির্দেশ সিইসির
১৯ উপজেলার ২৩৫ কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৩.৯১%: সিইসি
চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ
জাতীয় নির্বাচন কয়েক ধাপে আয়োজন করতে চান সিইসি
দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি

মন্তব্য

p
উপরে