‘রাজনীতির নামে পালাগান করেন কাদের-ফখরুল’

‘রাজনীতির নামে পালাগান করেন কাদের-ফখরুল’

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। ফাইল ছবি

সাংসদ কাজী ফিরোজ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে, কারণ দেশে কোনো রাজনীতি নেই। রাজনীতির নামে এখন পালাগানের অনুষ্ঠান হয়। সন্ধ্যায় ওবায়দুল কাদের একদিকে পালাগান করেন, একটু পর টিভিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরেকটা পালাগান করেন।’

দেশে রাজনীতি না থাকায় আওয়ামী লীগের এখন চরম সুসময় চলছে। একই সঙ্গে রাজনীতির নামে পালাগান করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে, কারণ দেশে কোনো রাজনীতি নেই। রাজনীতির নামে এখন পালাগানের অনুষ্ঠান হয়। সন্ধ্যায় ওবায়দুল কাদের একটা পালাগান করেন, একটু পর টিভিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরেকটা পালাগান করেন।’

কাজী ফিরোজ বলেন, ‘আমরা রাজনীতিবিদেরা ঘরে বসে টেলিভিশনে পালাগানের রাজনীতি দেখি। এই পালাগান চলছে দশ বছর। রাজনীতিশূন্য, কোথাও রাজনীতি নেই।’

এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতিবিদের চেয়ে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা বেশি প্রাধান্য পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, ‘এখন রাজনীতিবিদদের চেয়ে আমলাদের বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সচিবদের।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের সঙ্গে কথা বলেন। আর এমপি সাহেবরা পাশাপাশি বসে থাকেন, দূরে। তারপর বলে ডিসি সাব, আমি একটু কথা বলব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। এই হচ্ছে রাজনীতিবিদদের অবস্থা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের সঙ্গে যখন কথা বলেন, তখন এমপিদের কোনো দাম থাকে না।’

কাজী ফিরোজ বলেন, ‘রাজনীতির মঞ্চগুলো আস্তে আস্তে ব্যবসায়ীরা দখল করছেন। দেশ চালাচ্ছে কারা? দেশ চালাচ্ছেন জগৎশেঠরা। দেশ চালাচ্ছেন আমলারা। আমরা রাজনীতিবিদেরা এখন তৃতীয় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এই হচ্ছে আমাদের দুর্ভাগ্য। অথচ এই দেশ স্বাধীন করেছেন রাজনীতিবিদেরা।’

জাতীয় পার্টির এই সাংসদ বলেন, ‘পদ্মা সেতু, পায়রা বন্দর, মেট্রোরেল যাই করা হোক, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ছাড়া জনগণ এর সুফল পাবে না। রাজনীতিবিদ ছাড়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই প্রতিশ্রুতি থাকে না। বাতাস যেদিকে, তারা সেদিকে ছাতা ধরেন। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় ছিল, সে তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের আছে।’

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বলার সময় হলে বলবো: ফখরুল

বলার সময় হলে বলবো: ফখরুল

বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপি মহাসচিব জানান, শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আছে। এর আগে তিন দিনব্যাপী বৈঠক হলেও দলের কার্যনিবাহী অনেক সদস্যের বক্তব্য শোনা বাকি আছে। এছাড়া জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরাও আছেন। শনিবারের বৈঠকে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহ নিয়ে সংসদে দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের জবাবে তাৎক্ষণিক কিছু বলতে রাজি নন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিন দিনব্যাপী বৈঠকশেষে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফখরুল।

গণমাধ্যমকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে প্রশ্ন করলে তা এড়িয়ে যান ফখরুল। এরপর বলেন, ‘বলুক, বলার সময় হলে বলবো।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিএনপি এখন নির্বাচন কমিশন নিয়ে কোনও চিন্তা করছে না। সাংগঠনিক বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

টানা তিনদিনের সাংগঠনিক বৈঠক প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দলের নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক অবস্থা ও করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছেন। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। আজকের (বৃহস্পতিবার) বৈঠকে অন্তত ২৬ জন বক্তব্য দিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন ৯২ জন নেতা।’

তিনি বলেন, ‘ধারাবাহিক বৈঠকের আজ শেষ দিন ছিল। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। আজকের বৈঠকে তিনি কথা বলেছেন, স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও বক্তব্য রেখেছেন।’

বিএনপি মহাসচিব জানান, শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আছে। এর আগে তিন দিনব্যাপী বৈঠক হলেও দলের কার্যনির্বাহী অনেক সদস্যের বক্তব্য শোনা বাকি আছে। এছাড়া জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরাও আছেন।
শনিবারের বৈঠকে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া দেশের সার্বিক বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গেও আলোচনার সম্ভাবনার কথা জানান ফখরুল।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের আগস্টের পর এবারই সরাসরি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপির শীর্ষনেতারা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী কমিটির মিটিং করেছিলেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সাংবাদিকদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে কথা বলার সময় বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে ছিলেন দলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদারসহ বেশ কিছু নেতা।

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

আদালতের ওপর সরকারের চাপ নেই: কাদের

আদালতের ওপর সরকারের চাপ নেই: কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার দমন-পীড়নে বিশ্বাসী নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা কেন দেবে সরকার? দেশের আইন-আদালতের প্রতি সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ বা চাপ নেই।’

আওয়ামী লীগ সরকার দমন-পীড়নে বিশ্বাসী নয়। তাই বিরোধী দল দমনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো মামলা দেয়া হয় না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘দেশের আইন-আদালতের ওপর সরকার কোনো চাপ প্রয়োগ বা হস্তক্ষেপ করে না।’

বৃহস্পতিবার ঢাকার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার দমন-পীড়নে বিশ্বাসী নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা কেন দেবে সরকার? দেশের আইন আদালতের প্রতি সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ বা চাপ নেই।’

তিনি বলেন, ‘কোনো মামলায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার করলেই সরকারের দোষ, গুরুতর অপরাধীকেও শাস্তির আওতায় আনা যাবে না, এ কোন ধরনের অভিযোগ? তাহলে কী দেশে বিচার ব্যবস্থা বা আইন-আদালত থাকবে না?’

বিএনপি ঢালাওভাবে অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়েছে এমন অপরাধীদের পক্ষে তারা বিবৃতি দিয়ে মুক্তি দাবি করেছে। বিএনপি স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকারের অবস্থান হচ্ছে স্পষ্ট, তা হলো সরকার রাজনৈতিক নিপীড়নে বিশ্বাস করে না।’

রাজনীতিকে রাজনীতিবিদদের কাছে কঠিন করে দেয়ার প্রত্যয়ে বিএনপির যাত্রা শুরু হয়েছিল জানিয়ে কাদের বলেন, ‘বিএনপিই দেশের রাজনীতিকে দূষিত করার কাজ শুরু করেছিল। রাজনীতিতে স্বার্থের অনুপ্রবেশ এবং সুবিধাবাদ চর্চা শুরু করেছিল বিএনপিই।’

বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘যাদের রাজনীতি জনগণ নির্ভর নয়, যারা নিজেরা নিজেদের সম্মান রক্ষা করতে জানে না, তাদেরকে কে সম্মান করবে?’

জনগণ যাদের ওপর আস্থাশীল নয়, তারাই রাজনীতির নামে ক্ষমতা দখলের জন্য সুবিধাবাদ কায়েম করে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘বিএনপি এখন সেটাই করছে।’

আওয়ামী লীগ তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল, তাই নেতাদের সম্মান আওয়ামী লীগই দিতে জানে বলেও মন্তব্য করেনে তিনি।

কাদের বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ কল্পিত এবং বরাবরের মত চর্বিতচর্বণ। নিত্যদিন সরকারের বিরুদ্ধে নতুন নতুন অভিযোগ উত্থাপন বিএনপির রোজনামচায় পরিণত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

‘জিয়া মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করেছেন’

‘জিয়া মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করেছেন’

প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, ‘তাহলে প্রশ্ন আসে: সে তাহলে যুদ্ধে কী কাজ করেছে? পাকিস্তানিদের পক্ষে, যাতে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুবরণ করে, ওই ব্যবস্থা করেছিল কি না সেটাই আমার প্রশ্ন। সে তো একটা সেক্টরের অধিনায়ক, সেক্টর কমান্ডার না।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে কোনো সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি, বরং তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে বৃহস্পতিবার সমাপনী বক্তব্যে সরকার প্রধান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদ মোশাররফ যখন আহত হয়ে যান, তখন মেজর হায়দার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার হয়নি।’

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদের কথার প্রসঙ্গে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য বলেছেন, জিয়া যেখানে দায়িত্বে ছিল, সেখানে নাকি বেশি মানুষ মারা গেছে। ক্যাজুয়ালিটি সব থেকে বেশি। সে একটা সেন্টারে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। আর সেখানে ক্যাজুয়ালিটি বেশি হয়েছে।’

জিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া থেকে মনে প্রশ্ন জেগেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তাহলে প্রশ্ন আসে: সে তাহলে যুদ্ধে কী কাজ করেছে? পাকিস্তানিদের পক্ষে, যাতে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুবরণ করে, ওই ব্যবস্থা করেছিল কি না সেটাই আমার প্রশ্ন। সে তো একটা সেক্টরের অধিনায়ক, সেক্টর কমান্ডার না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানেই প্রশ্ন, একটা সেক্টরে অধিনায়ক হয়ে সেখানে ক্যাজুয়ালিটি বাড়িয়ে দেওয়ার মানে কী? সে নিজের হাতে পাকিস্তানি সেনাদের গুলি করতেই যায়নি। সে আমাদের নিজেদের লোকদের এগিয়ে দিয়েছে মরতে।’

মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা প্রসঙ্গেও বিশদ আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘সে কী করেছে আমি বলি। কর্নেল আসলাম বেগ, সে তখন ঢাকায় কর্মরত ছিল, পরবর্তীতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হয়েছিল। সেই কর্নেল বেগ জিয়াকে একটা চিঠি দেয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন, ৭১ সালে। সেই চিঠিতে সে লিখেছিল, আপনি খুব ভালো কাজ করছেন। আমরা আপনার কাজে সন্তুষ্ট। আপনার স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। আপনাকে ভবিষ্যতে আরও কাজ দেয়া হবে।’

সেই চিঠিটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আছে বলেও সংসদকে জানান তিনি। বলেন, ‘কথাটা উঠবে জানলে আমি চিঠিটা নিয়ে আসতাম। এক সময় আমি নিয়ে আসব। এটা আমাদের প্রসিডিংসের পার্ট হয়ে থাকা উচিত।’

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

জিয়ার মরদেহ পাওয়া যায়নি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জিয়ার মরদেহ পাওয়া যায়নি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়ার মৃত্যু সংবাদের পর তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। গায়েবানা জানাজা হয়েছিল। কয়েক দিন পর একটা বাক্স আনা হলো।…যদি লাশ পাওয়া যেত লাশের ছবি থাকবে না কেন?’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের মরদেহ চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করা হয়নি এবং মৃত্যুর পর তার মরদেহ পাওয়া যায়নি বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জিয়ার মরদেহ আনার উদ্যোক্তা জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সেনা শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও মরদেহ শনাক্তকারী লে. জেনারেল মীর শওকত আলীর সঙ্গে কথা বলেও জিয়ার মরদেহ চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করার তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান সরকারপ্রধান।

জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে বৃহস্পতিবার সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জিয়ার মৃত্যু সংবাদের পর তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। গায়েবানা জানাজা হয়েছিল। কয়েক দিন পর একটা বাক্স আনা হলো। এখানে কেউ একটা বুদ্ধি দিয়েছে। জেনারেল এরশাদ সাহেব আবার এ ব্যাপারে বেশ পারদর্শী। সাজিয়ে গুছিয়ে একখানা বাক্স নিয়ে এসে দেখানো হলো। তখন এই পার্লামেন্টে বারবার প্রশ্ন এসেছে। যদি লাশ পাওয়া যেত লাশের ছবি থাকবে না কেন?’

সেদিন জিয়াউর রহমানের মরদেহ মীর শওকত আলী শনাক্ত করেছিলেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি তাকে (মীর শওকত) চিনতাম। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। “সত্যি কথা বলেন তো”; সে বলে যে লাশ কোথায় পাব? ইভেন জেনারেল এরশাদ সাহেব, তাকে আমি বললাম, আপনি এই যে বাক্স নিয়ে আসলেন, মৃত্যুর কিছুদিন আগেও জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি যে বাক্স আনলেন, লাশটা কই? আমাকে বলেছেন, বোন, লাশ পাব কোথায়? আর কী বলব।’

চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে ১৯৮১ সালের ২৯ মে রাতে সার্কিট হাউসে নিহত হয়েছিলেন ওই সময়ের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। একদল সেনা কর্মকর্তা গজখানেক দূর থেকে মেশিনগানের বুলেটে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করেছিলেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে।

জিয়ার লাশ এতটাই বিধ্বস্ত হয়েছিল যে, তাকে চিনতে পারাটাও কঠিন ছিল।

মর্মান্তিক মৃত্যুর পর রাঙ্গুনিয়ার এক পাহাড়ের পাদদেশে আরও দুই সেনা কমকর্তার সঙ্গে একই কবরে মাটিচাপা দেয়া হয় জিয়াকে। কয়েক দিন পর ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ গর্ত খুঁড়ে মরদেহ তুলে এনে ঢাকা পাঠান। চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো সেই মরদেহের কফিনের ঢাকনা খোলা হয়নি। প্রেসিডেন্টের স্ত্রী ও সন্তানদেরও ডালা খুলে শেষবারের মতো দেখানো হয়নি জিয়ার মুখ।

ওই কফিন চন্দ্রিমা উদ্যানে দাফন করা হয়। ফলে সেটির ভিতরে জিয়ার মরদেহ প্রকৃতই ছিল কি না, তা নিয়ে তখন থেকেই প্রশ্ন দেখা দেয়।

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

জিয়ার আমলে ফাঁসির তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জিয়ার আমলে ফাঁসির তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংসদ সদস্যদের একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত। জিয়ার আমলে প্রতিটা কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা, বগুড়া, রাজশাহী, খুলনা, কুমিল্লা- একেকটা ক্যু আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আর্মি অফিসার, আর্মি সোলজার, বিমানবাহিনীর ৫৬৩ জন অফিসার, সোলজার- এ রকম কত মারা গেছে?’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দেশের বিভিন্ন কারাগারে কতসংখ্যক মানুষকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তার তালিকা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্যে নিজের দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান এ নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সংসদ সদস্যদের একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত। জিয়ার আমলে প্রতিটা কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা, বগুড়া, রাজশাহী, খুলনা, কুমিল্লা- একেকটা ক্যু আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আর্মি অফিসার, আর্মি সোলজার, বিমানবাহিনীর ৫৬৩ জন অফিসার, সোলজার- এ রকম কত মারা গেছে?’

এসব তথ্য খুঁজে পাওয়া যাবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো থেকে যায়। এগুলো খুঁজে বের করে দেখেন। একেক রাতে ফাঁসি দিতে দিতে মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেছেন, এখনও এমন লোক আছেন।’

সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার রাখা বক্তব্যের জের ধরেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘একটা কথা ভালো বলেছেন রুমিন ফারহানা। ইতিহাস ফিরে আসে। হ্যাঁ, ঠিক তাই। আমি সম্পূর্ণ একমত। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল। তার ছবিটা দেখানো হতো না।’

এ সময় পঁচাত্তর-পরবর্তী দেশের শাসনব্যবস্থা নিয়েও কথা বলেন সংসদ নেতা।

তিনি বলেন, ‘আমার অধিকার নাই আমার বাবা-মা হত্যার বিচার চাওয়ার। আমাদের দলে বেইমান খন্দকার মোশতাক তো ছিলই। এটা তো অস্বীকার করি না। আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে। জিয়াউর রহমান তো খালেদা জিয়াকে নিয়ে মাসে একবার করে আমার বাসায় গিয়ে বসে থাকত।’

প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘এদের কাছে মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়, জ্ঞানের কথা শুনতে হয়, আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়।’

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

তারেকের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিএনপি

তারেকের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিএনপি

চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের ফটকের সামনেই ছিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ‘তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার’ শিরোনামে একটি ব্যানার। এর সামনে দাঁড়িয়ে ‘তারেক রহমান আসছে, মা মাটি ডাকছে’ স্লোগান দিতে দেখা যায় নেতা-কর্মীদের।

পরবর্তী কর্মপন্থা ঠিক করতে ধারাবাহিক বৈঠকের তৃতীয় দিনে দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটায় এই বৈঠক শুরু হয়। যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন তারেক রহমান।

বৈঠকের আগে বেলা তিনটা থেকেই নেতা-কর্মীরা একে একে আসতে থাকেন। প্রথম দুই দিনের তুলনায় আজ শেষ দিনে গুলশান কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

নেতারা ভেতরে বৈঠকে থাকলেও কার্যালয়ের বাইরেই তিন শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা ধাপে ধাপে কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানান।

কার্যালয়ের ফটকের ঠিক সামনেই ছিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ‘তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার’ শিরোনামে একটি ব্যানার। এর সামনে দাঁড়িয়ে ‘তারেক রহমান আসছে, মা মাটি ডাকছে’ স্লোগান দিতে দেখা যায় নেতা-কর্মীদের।

এদিকে কার্যালয়ের ভেতরে অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বৈঠক তখনও চলছিল।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মকৌশল ঠিক করতে ও নেতাদের মতামত জানতে মঙ্গলবার এই ধারাবাহিক বৈঠক শুরু হয়।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত আছেন।

প্রথম দিন দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের এবং দ্বিতীয় দিন দলের যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যদের মতামত জেনেছেন তারেক।

তৃতীয় দিন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, তাঁতী দল, উলামা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সভাপতি ও সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতা মিলিয়ে ৯২ জন অংশ নেন।

তাদের মধ্যে যু্বদলের সাইফুল ইসলাম নিরব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করীম বাদুর, নুরুল ইসলাম নয়ন, মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, গোলাম সারোয়ার, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ই্য়াসীন আলী, সাদরেজ জামান, রফিকুল ইসলাম, নাজমুল হাসান, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, নেওয়াজ হালিমা আরলী শাম্মী আখতার, জেবা খান, হেলেন জেরিন খান, চৌধুরী নায়াবা ইউসুফ, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের রফিকুল ইসলাম মাহতাব, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল, কাজী রওনুকুল ইসলাম শ্রাবণ, জাকিরুল ইসলাম জাকির, আশরাফুল আলম ফকির লিংকন, হাফিজুর রহমান হাফিজ, মামুন খান, পার্থদেব মণ্ডল, মোস্তাফিজুর রহমান, আমিনুর রহমান আমিন, উলামা দলের শাহ নেসারুল হক, নজরুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, চেয়ারপারসন কার্যালয়ের এ বি এম আবদুস সাত্তার, রিয়াজ উদ্দিন নসু এবং প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ রয়েছেন।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে এটি তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন

বিএনপি অরাজকতা করলে কঠোর হাতে দমন: কৃষিমন্ত্রী

বিএনপি অরাজকতা করলে কঠোর হাতে দমন: কৃষিমন্ত্রী

মধুপুরে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: নিউজবাংলা

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সামনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। গত সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে বিএনপি অনেক জ্বালাও-পোড়াও করেছে। এবার আন্দোলনের নামে অরাজকতায় নামলে কঠোর হাতে দমন করা হবে।

বিএনপি আন্দোলনের নামে অরাজকতা করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সামনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। বিএনপি এখন ঘাপটি মেরে বসে আছে৷ গত সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে বিএনপি অনেক জ্বালাও-পোড়াও করেছে। অনেক মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। আবারও অরাজকতার পাঁয়তারা শুরু করেছে। এবার আন্দোলনের নামে অরাজকতায় নামলে কঠোর হাতে দমন করা হবে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে হবে। দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, করোনার প্রকোপের কারণে দেড় বছরে আওয়ামী লীগের অনেক জেলা, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড সম্মেলন শেষ করা যায়নি। অনেক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। এই মুহূর্তে করোনার সংক্রমণ কম, এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, কমিটিতে তৃণমূলের পরীক্ষিত কর্মীদের জায়গা দিতে হবে। অসৎ, সুযোগসন্ধানী ও সুদিনের মৌমাছির মতো যারা দলে ভিড়েছে, তাদের কোনোমতেই কমিটিতে স্থান দেয়া হবে না।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন পেয়েও ভোটে অনীহা, জাপা থেকে বহিষ্কার আরও ১
সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে
তিন সংসদীয় আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বাজেট চায় জাপা
জাপানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

শেয়ার করুন