ঢাকার সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটাতে চায় আ. লীগ

ঢাকার সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটাতে চায় আ. লীগ

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ফাইল ছবি

মির্জা আজম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রার্থী আগাখান মিন্টু ভাই। সুন্দর সুষ্ঠ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাকে বিজয়ী করে আনতে চাই। বেশি মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্রে আসে তার জন্য একটা মতবিনিময় সভা করলাম। ঢাকা মহানগরের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ থানা আওয়ামী লীগের কিছু নেতারা ওই বৈঠকে ছিলেন।’

ঢাকা বিভাগে দলের বিভিন্ন ইউনিটের সাংগঠনিক দুর্বলতা দূর করতে চায় আওয়ামী লীগ।

বুধবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসন্ন ঢাকা ১৪ আসনের নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক টিমের সঙ্গে আলোচনায় বসেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যরা।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন দলের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের ঢাকা বিভাগের যে সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে কেন্দ্রীয় টিমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

‘সাংগঠনে যে সব মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি রয়েছে সেগুলো এই কোভিড-১৯ পরিস্থিতির মধ্যেও যেন শক্তিশালি সংগঠন হিসেবে দাঁড়াতে পারে সে লক্ষ্যে আলোচনা চলছে।’

এ ছাড়াও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে মানুষকে কীভাবে ভোটকেন্দ্রে আনা যায় সে বিষয়েও কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মির্জা আজম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রার্থী আগাখান মিন্টু ভাই। সুন্দর সুষ্ঠ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাকে বিজয়ী করে আনতে চাই। বেশি মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্রে আসে তার জন্য একটা মতবিনিময় সভা করলাম। ঢাকা মহানগরের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ থানা আওয়ামী লীগের কিছু নেতারা ওই বৈঠকে ছিলেন।’

‘আমাদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের সমন্বয়কারী ডা. দীপু মনি। আমরা আমাদের টিম নিয়ে সব ধরনের আলোচনা করলাম। যাতে এই নির্বাচনে ব্যাপক ভোটারের উপস্থিতিতে আমরা জয় পাই। এটাই মূলত আলোচনা ছিল।’

আগামী ২৮ জুলাই ঢাকা-১৪ সহ তিনটি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের দিন ঠিক করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ১২ জুন ঢাকা ১৪ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ। এতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়বেন আগাখান মিন্টু।

দলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে চলা কার্যক্রম থেমে গেছে কিনা জানতে চাইলে মির্জা আজম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে, এই সমস্ত অনুপ্রবেশকারী, হাইব্রিড, কিংবা দলের ইমেজ নষ্টকারী কিছু মানুষ যেহেতু আওয়ামী লীগে আছেন, তাদেরকে দল থেকে বিতাড়িত করতে হবে।‘

‘সেই প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। সেই প্রক্রিয়ায় হয়ত এই মুহূর্তে বহিষ্কার করা হচ্ছে না, কিন্তু যখনই কোনো সম্মেলন হবে, সেই সম্মেলনের মাধ্যমে এ সমস্ত বিতর্কিত ব্যক্তিদের ঝেড়ে ফেলা হবে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নির্বাচনে জাতিসংঘের সহযোগিতা লাগবে না: তথ্যমন্ত্রী

নির্বাচনে জাতিসংঘের সহযোগিতা লাগবে না: তথ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সোমালিয়া বা ইথিওপিয়ার নয় যে, এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে। আমি মনে করি নির্বাচনের এখনও অনেক বাকি। নির্বাচন কমিশন অনেক শক্তিশালী। এখানে কারও সহযোগিতা প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্পন্নের বিষয়ে জাতিসংঘের সহায়তা প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সোমালিয়া বা ইথিওপিয়ার নয় যে, এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে।

‘আমি মনে করি নির্বাচনের এখনও অনেক বাকি। নির্বাচন কমিশন অনেক শক্তিশালী। এখানে কারও সহযোগিতা প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।’

বাংলাদেশ চাইলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতিসংঘ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে রোববার এক অনুষ্ঠানে জানান ঢাকাস্থ জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো।

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ কোনো দেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে না। তবে কোনো দেশের সরকার নির্বাচন-প্রক্রিয়ায় সহায়তা চাইলে জাতিসংঘ তা দিয়ে থাকে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা সেই সহযোগিতা দেবো।’

সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টায় জাতিসংঘ মধ্যস্থতার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না, সে বিষয়টি পরিষ্কার করেননি মিয়া সেপ্পো।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন অনুষ্ঠান একান্তই হোস্ট কান্ট্রির স্টেকহোল্ডারদের বিষয়। তারা চাইলে জাতিসংঘ যেকোনো ধরনের সহায়তা করে। কোনো দেশ চাইলেই তাদের নির্বাচনে সহযোগিতা দেয় জাতিসংঘ। সেটা বাংলাদেশেও ঘটতে পারে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বহুল আলোচিত নির্বাচনের আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবে রাজনীতি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতায় দুই দফা ঢাকা এসেছিলেন। কিন্তু সেই সিরিজ সংলাপ সফল হয়নি।

শেয়ার করুন

২২ বছর পর কৃষক দলের কমিটি

২২ বছর পর কৃষক দলের কমিটি

কৃষক দলের নতুন সভাপতি হাসান জাফির তুহিন (বাঁয়ে) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল। ছবি: সংগৃহীত

সংগঠনটির আংশিক কমিটিতে হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি ও শহীদুল ইসলাম বাবুলকে করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক। আর সহসভাপতি হিসেবে আছেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।

২২ বছর পর গঠিত হলো জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি।

সংগঠনটির নেতা হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি এবং শহীদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করে আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কমিটির অনুমোদন দেন বলে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

আংশিক কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে আছেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহসভাপতি গৌতম চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক পদে টি এস আইয়ুব, মোশারফ হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন শফিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২ জন নিহত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট চলাকালীন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। দুটি এলাকায় আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষে নিহত হন আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন ইসলামাবাদী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট নেয়া বন্ধ আছে।

শেয়ার করুন

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

নির্বাচন পূর্ব সহিংসতা, সংঘর্ষসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট চলছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে সোমবার বেলা ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তার এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ আনেন।

মাসুদ রানা লালন বলেন, ‘সকাল থেকেই আমার কর্মী-সমর্থকদের চাপ দিচ্ছিল নৌকার সমর্থকরা। পরে আমার এজেন্টদের বুথ থেকে জোর করে বের করে দেয়া হয়। ভেবেছিলাম নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, ভাবাই সারা হল আমাদের।’

ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েকটি জায়গায় হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার মোট ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হচ্ছে। তবে ভোট হচ্ছে ৬৫টি ইউনিয়নে। কারণ কচুয়া উপজেলার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা।

শেয়ার করুন

চান্দিনার সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্ত

চান্দিনার সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্ত

কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার জানান, ‘১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। তিন বৈধ প্রার্থীর দুইজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের সুযোগ থাকছে না। তাই ২০ সেপ্টেম্বর একমাত্র প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা করা হল।’

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার সোমবার বেলা ১১টায় একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। তিন বৈধ প্রার্থীর দুইজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের সুযোগ থাকছে না। তাই ২০ সেপ্টেম্বর একমাত্র প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা করা হল।’

প্রাণ গোপাল ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তবে সে সময় দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন অধ্যাপক আলী আশরাফ।

ওই আসনের সংসদ সদস্য আলী আশরাফ ৩০ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আসন শূন্য হলে ৪ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা-৭ আসনে উপনির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ।

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণহানি

নির্বাচনি সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণহানি

মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের একটি কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি আব্দুল হাই।

কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছে তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। তাদের হাসপাতালে নেয়ার সময় পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শেয়ার করুন

হাতিয়ায় ৫ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

হাতিয়ায় ৫ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

এই উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট শুরু হয় সকালে। এর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীরা ভোট বর্জন করায় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিতই। এখন কেবল দুইটি ইউনিয়ন পরিষদে লড়াই চলছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলসহ নানা অভিযোগে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট বর্জন করেছেন পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী।

ভোট শুরু ঘণ্টাখানেক পর নিজ নিজ বাড়ি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তারা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

তারা হলেন ৯ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, ১০ নম্বর জাহাজমারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এটিএম সিরাজ উদ্দিন, ৫ নম্বর চরইশ্বর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ, ৮ নম্বর সোনাদিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া এবং ১১ নম্বর নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরাজ উদ্দিন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।

এই উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট শুরু হয় সকালে। এর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীরা ভোট বর্জন করায় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিতই। এখন কেবল দুইটি ইউনিয়ন পরিষদে লড়াই চলছে।

হাতিয়ায় ৫ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

হাতিয়ার পাশাপাশি ইউপি নির্বাচনের ভোট হচ্ছে সুবর্ণচরেও। সেখানে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। ভোটার উপস্থিতি হাতিয়ার চেয়ে সুবর্ণচরেই বেশি দেখা গেছে।

এছাড়া কবিরহাট পৌরসভাতেও চলছে ভোট। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহিরুল হক রায়হান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ায় সেখানে কাউন্সিল পদের জন্য ভোট হচ্ছে।

শেয়ার করুন