গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ছবি: নিউজবাংলা

দলের নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে গুম হওয়া প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে খুঁজে বের করা হবে। সেই সঙ্গে যারা তাদের গুম করেছে, গুমের হুকুম দিয়েছে, তাদের সবার বিচার হবে।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে গুম হওয়া প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে খুঁজে বের করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াবাজারে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে নিশ্চয় আমরা আবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসব। যখনই আমরা আসব, আমাদের গুম হওয়া প্রত্যেক ভাইদের খুঁজে বের করব।’

সেই সঙ্গে যারা তাদের গুম করেছে, গুমের হুকুম দিয়েছে, তাদের সবার বিচার হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমার পুরান ঢাকা থেকেই বিএনপির কমপক্ষে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। অনেকে ছিলেন তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাদের হারিয়ে ফেলে অনেক পরিবারই আছে, যারা অসহায় হয়ে পড়েছে।’

অবিলম্বে নিখোঁজ সন্তানদের মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

এ সময় বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া নেতা-কর্মীদের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রার্থী ‘সরে যাওয়া’ ঠেকাতে জাপার মনিটরিং সেল

প্রার্থী ‘সরে যাওয়া’ ঠেকাতে জাপার মনিটরিং সেল

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়। ফাইল ছবি

জাপার যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বলেন, ‘এবার বিভাগীয় পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে স্থানীয় নির্বাচনগুলো দেখার জন্য। তারাই গভীরভাবে মনিটরিং করবে প্রার্থীদের বিষয়গুলো যে কী কারণে দলের প্রার্থীরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।’ 

স্থানীয় নির্বাচনে দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার ঠেকাতে এবার বিভাগওয়ারী মনিটরিং সেল করছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।

মঙ্গলবার নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন জাপার যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে (ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ) অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে আট বিভাগীয় কমিটির আওতায় মনিটরিং সেল করেছেন।

‘ওই সেল সার্বক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবে। প্রার্থীরাও তাদের যে কোনো সমস্যা (রাজনৈতিক, প্রসাশনিক, সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায় এমন কাজ, অন্য দলের চাপ বা শক্তি প্রয়োগ) সেলকে জানাবেন। মনিটরিং সেল ওই মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে।’

প্রার্থী নির্বাচন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিচ্ছে বলেই কি এমন সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে মাহমুদ আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসলে এটা ঠিক না, এবার এটাও। আসলে আগে আমাদের দলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করত।

‘এবার বিভাগীয় পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে স্থানীয় নির্বাচনগুলো দেখার জন্য। তারাই গভীরভাবে মনিটরিং করবে প্রার্থীদের বিষয়গুলো যে কী কারণে দলের প্রার্থীরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।’

এর আগে দলকে না জানিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় ২৪ জুন ঢাকা-১৪ আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান মোস্তাককে বহিষ্কার করে জাতীয় পার্টি। তিনি দলের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

এর আগে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার পর ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোয় কুমিল্লা-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী জসিম উদ্দিনকেও দল থেকে বাদ দেয়া হয়।

শুক্রবার কুমিল্লা-৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান জাপার ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা জাপার আহ্বায়ক লুৎফর রেজা খোকন। এ ঘটনায় তাকেও বহিষ্কার করে জাতীয় পার্টি।

রোববার যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনে দলকে না জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান দলীয় প্রার্থী মুফতি নুরুল আমিন। তাকেও বহিষ্কার করেছে দলটি।

সোমবার এক আলোচনা সভায় দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘যারা ভোটের লড়াই থেকে সরে যাবেন, জাতীয় পার্টিতে তাদের প্রয়োজন নেই।’

জাতীয় পার্টির বিভাগওয়ারী সেলে যারা

ঢাকা বিভাগে রয়েছেন গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মিজানুর রহমান মিরু ও মাহমুদ আলম; চট্টগ্রাম বিভাগে বেলাল হোসেন, সৈয়দ মো: ইফতেকার আহসান হাসান; রাজশাহী বিভাগে জহিরুল ইসলাম জহির, নুরুল ইসলাম ওমর; খুলনা বিভাগে মো. সাহিদুর রহমান টেপা ও সুমন আশরাফ; সিলেট বিভাগে এটিইউ তাজ রহমান ও সৈয়দ মঞ্জুরুল হোসেন মঞ্জু এবং বরিশাল বিভাগে রয়েছেন সংসদ সদস্য রানা মো. সোহেল এমপি ও ইকবাল হোসেন তাপস ।

এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগের মনিটরিং সেলে রয়েছেন মোস্তফা আল মাহমুদ ও জসিম উদ্দিন ভুঁইয়া এবং রংপুর বিভাগে রয়েছেন এসএম ইয়াসির ও মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

৩০ নভেম্বরের মধ্যে নীলফামারী যুবলীগের সম্মেলন

৩০ নভেম্বরের মধ্যে নীলফামারী যুবলীগের সম্মেলন

নীলফামারী জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে যুবলীগের বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

নীলফামারী জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মাহমুদ জানান, ২০ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জেলা সম্মেলন হবে। এই সময়ের মধ্যে যেদিন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সময় দেবেন, সেদিন সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হবে।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে নীলফামারী জেলা যুবলীগের সম্মেলন হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

জেলা শিল্পকলা অডিটরিয়ামে মঙ্গলবার বিকেলে বর্ধিত সভা শেষে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

জেলা যুবলীগের সম্মেলনের আগে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিটগুলোর সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বাদশা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন পাভেল।

নীলফামারী জেলা যুবলীগের সভাপতি রামেন্দ্র বর্ধন বাপ্পীর সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ।

শাহিদ মাহমুদ জানান, ২০ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জেলা সম্মেলন হবে। এই সময়ের মধ্যে যেদিন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সময় দেবেন, সেদিন সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হবে।

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি: কাদের

ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি: কাদের

নির্বাচন চলাকালে সহিংসতায় দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচনে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি দুঃখজনক ঘটনা, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত। এ কথা সত্য যে গতকালের নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বেড়েছে, দেখা গেছে স্বতঃস্ফূর্ততা।’

সারা দেশে সোমবার ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন আরও কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচনে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি দুঃখজনক ঘটনা, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত। এ কথা সত্য যে গতকালের নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বেড়েছে, দেখা গেছে স্বতঃস্ফূর্ততা।’

সংবিধান অনুযায়ী সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে বলেও জানান সরকারের এই মন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’

কাদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করে, জবাবদিহির সুযোগ বাড়ায় এবং এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রম প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়।’

আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে বিএনপি

শীর্ষ নেতাদের ‘হঠকারিতা’ আর সরকারের বিরুদ্ধে ‘অতিমাত্রায় কৌশল’ করতে গিয়ে বিএনপি আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘দলীয় শীর্ষ নেতাদের হঠকারিতা আর সরকারের বিরুদ্ধে অতিমাত্রায় কৌশল করতে গিয়ে বিএনপি এখন আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে। তাই তারা এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না।’

কাদেরের ভাষ্য, এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও নেতিবাচক আর দূর-নিয়ন্ত্রিত রিমোট কন্ট্রোলের রাজনীতি নিজেদের সংকটকে আরও গভীরে নিমজ্জিত করেছে বিএনপিকে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির কথা শুনলে মনে হয় দেশে একমাত্র তারাই গণতন্ত্রের ধারক, বাহক ও রক্ষক। তারাই গণতন্ত্রের সোল এজেন্ট।’

দলটি নিজেদের অতীত ভুলে গেছে বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা। তিনি বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের দ্বারা গণতন্ত্র হত্যার অতীত ভুলে গেছে, ভুলে গেছে সাংবাদিক হত্যার ইতিহাস। ভুলে গেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের চলমান অগ্রযাত্রায় পদে পদে প্রতিবন্ধকতা তৈরির কথা। মুখে জনগণের অধিকার আর গণতন্ত্রের কথা বললেও নির্বাচনে অংশ না নেয়া বিএনপির স্পষ্ট দ্বিচারিতা।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।

কাদের বলেন, ‘যিনি দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে সংসদে যান না, অথচ জনগণের অধিকারের কথা বলেন, এ থেকে বোঝা যায় তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। বিএনপি চর্চা করে দ্বৈতনীতি। এ কারণে তাদের প্রার্থীদের ওপর ভোটারদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।’

ভরাডুবি এড়াতে বিএনপি নির্বাচন থেকে দূরে সরে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া মানে জনগণ থেকে দূরে সরে যাওয়া, যা প্রকারান্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

জামিন পেলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ

জামিন পেলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে জামিন দিয়েছে ব‌রিশা‌লের সাইবার ট্রাইবুনাল। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপি নেতা হাফিজ বলেন, ‘বর্তমান সরকার মামলাবাজ। ক্ষমতায় থেকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে জামিন দিয়েছে বরিশা‌লের সাইবার ট্রাইবুনাল।

বিচারক গোলাম ফারুক মঙ্গলবার সকাল সা‌ড়ে ১১টার দিকে তাকে জা‌মি‌ন দেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন হাফিজের আইনজী‌বী কাজী এনায়েত হো‌সেন।

তিনি ব‌লেন, ‘রাষ্ট্র ও আসামিপ‌ক্ষের বক্তব্য শু‌নে বয়‌স বিবেচনায় বিচারক তাকে জা‌মিন দিয়েছেন।’

ভোলা জেলার লালমোহন থানায় ২০১৮ সা‌লের ২৮ ডি‌সেম্বর হাফিজের নামে এই মামলা করেন বদরপুর ইউ‌নিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপ‌তি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফ‌রিদুল হক। আরও ছয়জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।

এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার ২ নম্বর আসামি বাবুল হাওলাদারের সঙ্গে হাফিজের ফোনালাপ ফাঁস হয় সংবাদমাধ্যমে। সেই কথপোকথনে জানা যায়, হা‌ফিজ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভণ্ডুলের পরিকল্পনা করছিলেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলা করেন ফ‌রিদুল।

মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে বিএনপি নেতা হাফিজ বলেন, ‘দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকায় বিএনপি মামলায় পর্যুদস্তু। বর্তমান সরকার মামলাবাজ। ক্ষমতায় থেকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে।’

‘ক্ষমতায় থাকার লিপ্সায় বর্তমান সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেই নয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকভাবে মিথ্যে মামলা দিচ্ছে।’

এ সময় ১১ সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দল শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। ফরিদপুরের ‍এক ছাত্রনেতা ২ হাজার কোটি টাকা পাচার করল। অথচ ‍তাদের হিসাব জানতে না চেয়ে সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

‘আওয়ামী লীগের নেতারা জাতীয় নির্বাচনের প‌র সম্পদের হিসাব দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা তা দেয়নি। এতে পরিষ্কার হয়ে যায় তারা জনগণকে লুট করছে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

সম্পদের মামলায় নির্দোষ দাবি বাবরের

সম্পদের মামলায় নির্দোষ দাবি বাবরের

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফাজ্জামান বাবর। ফাইল ছবি

বিচারক মামলার সাত সাক্ষীর সাক্ষ্য বাবরকে পড়ে শোনান এবং এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চান। জবাবে বাবর নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং কোনো সাফাই সাক্ষী দেবেন না মর্মে আদালতকে জানিয়ে দেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের মামলায় আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চেয়েছেন বিএনপি-জামাতের জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলামের আদালতে মামলাটিতে মঙ্গলবার আসামির আত্মপক্ষ শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানিতে হাজির করা হয় বাবরকে।

বিচারক মামলার সাত সাক্ষীর সাক্ষ্য বাবরকে পড়ে শোনান এবং এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চান।

জবাবে বাবর নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং কোনো সাফাই সাক্ষী দেবেন না মর্মে আদালতকে জানিয়ে দেন।

এরপর বিচারক আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ রাখেন বিচারক বলে নিউজবাংলাকে জানান বাবরের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম।

শুনানি শেষে বাবরকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

২০০৭ সালের ২৮ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হওয়া বাবরের বিরুদ্ধে রমনা থানায় অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের মামলাটি হয়েছিল ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি।

মামলাটি করেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপ সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

চার্জশিটে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ আনা হয়।

বাবার দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন।

তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুইটি এফডিআর-এ ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

হিসাব তলব সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর নতুন কৌশল: ফখরুল

হিসাব তলব সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর নতুন কৌশল: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভয়াবহ দুঃশাসনে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও সরকারি জুলুম-নির্যাতনে জর্জরিত। সম্প্রতি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধের ঘোষণায় আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনো স্বাধীনতা নেই। বিভিন্ন কায়দায় সংবাদ মাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় কর্তৃত্ববাদী সরকার।’

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনাকে সাংবাদিকদের ভীতি প্রদর্শনের নতুন কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অবিলম্বে সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সত্য প্রকাশে দেশের বিবেক তথা গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমের কর্মীদের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এ আহ্বান জানান।

দলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের সই করা বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিস্ট সরকার সারাদেশে যে দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে তা থেকে সাংবাদিকরাও রেহাই পাচ্ছেন না। সত্য প্রকাশে নির্ভীক সাংবাদিকদের বিভিন্ন উপায়ে টুটি চেপে ধরার পর এখন জাতীয় প্রেসক্লাব, বিএফইউজে, ডিইউজে ও ডিআরইউর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের ব্যাংক হিসাব তলবের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মাঝে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।’

এ ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং মত প্রকাশে চরম হুমকি বলেও মনে করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘গোটা দেশ এখন আওয়ামী দুঃশাসনের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার খায়েশে বিভোর ভোটারবিহীন সরকার কেবল বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী, মানবাধিকার কর্মী ও বিরুদ্ধ মতের নাগরিকদের ওপরই জুলম-নির্যাতন চালাচ্ছে না, সত্য প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদেরও নির্যাতন শুরু করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভয়াবহ দুঃশাসনে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও সরকারি জুলুম-নির্যাতনে জর্জরিত। সম্প্রতি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধের ঘোষণায় আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনো স্বাধীনতা নেই। বিভিন্ন কায়দায় সংবাদ মাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় কর্তৃত্ববাদী সরকার।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে এক ব্যক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দিতে অনৈতিক সরকার নির্ভীক সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের কলম চেপে ধরছে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন

ভোট থেকে সরলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি জি এম কাদেরের

ভোট থেকে সরলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি জি এম কাদেরের

বনানীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে মিলাদ ও কর্মিসভায় অংশ নেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা দৃশ্যমান নয়। নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে সরকারি দলের সাথে প্রশাসনের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে। বিরোধী মতাদর্শের প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে দাঁড়াতেই পারছেন না। মামলা-হামলা, ভয়ভীতি আর লোভ-লালসায় বিপর্যস্ত হচ্ছেন তারা।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরোধী মতাদর্শের প্রার্থীরা মামলা-হামলার ভয় আর লোভ-লালসায় বিপর্যস্ত হচ্ছেন বলে মনে করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তবে যারা ভোটের লড়াই থেকে সরে যাবেন তাদের জাতীয় পার্টিতে ‘প্রয়োজন নেই’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার এক অনুষ্ঠানে জি এম কাদের এসব কথা বলেন।

নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি স্থানীয় সরকারের প্রতিটি নির্বাচনে অংশ নেবে। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা সংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছি। প্রতিটি নির্বাচনেই প্রার্থীদের শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে বলা হচ্ছে। যারা ভয়-ভীতি আর লোভ-লালসা উপেক্ষা করে লড়াই করতে পারবেন না, তাদের জাতীয় পার্টিতে প্রয়োজন নেই। কারণ, নতুন প্রজন্মের জন্য জাতীয় পার্টির দুয়ার খোলা আছে।’

দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর রোগমুক্তি কামনায় সোমবার মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা দৃশ্যমান নয়। অথচ একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অনেক ক্ষমতা আছে। নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করছে না বলেই এ পরিস্থিতি।

‘নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে সরকারি দলের সঙ্গে প্রশাসনের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে। তাই স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে না। বিরোধী মতাদর্শের প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে দাঁড়াতেই পারছেন না। মামলা-হামলা, ভয়-ভীতি আর লোভ-লালসায় বিপর্যস্ত হচ্ছেন তারা।’

মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

মিলাদের পর জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম ফয়সল চিশতীর সভাপতিত্বে এক কর্মিসভায় যোগ দেন জি এম কাদের।

সভায় তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগে জায়গা নেই। কেউ ইচ্ছে হলেই সেখানে যোগ দিতে পারছেন না। আর বিএনপিতে যোগ দিলেই মামলা আর হামলার ভয়। তাই নতুন প্রজন্মের রাজনীতির জন্য জাতীয় পার্টি হচ্ছে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।

‘সাধারণ মানুষের কাছে জাতীয় পার্টি সবচেয়ে নিরাপদ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, আওয়ামী লীগকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করে মানুষ। তাই আগামী দিনে জাতীয় পার্টিকেই রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় জনগণ।’

এর আগে দলকে না জানিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় গত ২৪ জুন ঢাকা-১৪ আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান মোস্তাককে বহিষ্কার করে জাতীয় পার্টি। মোস্তাক দলের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তার আগে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার পর ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোয় কুমিল্লা-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী জসিম উদ্দিনকেও দল থেকে বাদ দেয়া হয়।

গত শুক্রবার কুমিল্লা-৭ আসনের উপনির্বাচনে জাপার ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা জাপার আহ্বায়ক লুৎফর রেজা খোকন ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। তাকেও বহিষ্কার করে জাতীয় পার্টি।

রোববার যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনে দলকে না জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান দলীয় প্রার্থী মুফতি নুরুল আমিন। তাকেও বহিষ্কার করেছে দলটি।

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে নেতা-কর্মীদের পাল্টা প্রশ্ন বিএনপি নেতার
বক্তব্যে মনে হয় বিএনপি নেতারা মেধাহীন: হাছান
ভাঁওতাবাজির বাজেট: বিএনপি
‘ক্ষমতাসীনদের ভবিষ্যৎ গড়ার বাজেট’
‘বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য কিছু নেই’

শেয়ার করুন