সময়মতো আন্দোলনের ডাক: ফখরুল

সময়মতো আন্দোলনের ডাক: ফখরুল

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অনেকেই বিএনপিকে আন্দোলনের কথা বলেন। বিএনপির আন্দোলন করেছে ২০১৪ সালে, ২০১৮ সালে। জনগণ সারা দেশ বন্ধ করে দিয়েছিল। বিএনপির সময় হলে আন্দোলন করবে।’

সরকারের বিরুদ্ধে সময়মতো বিএনপি আন্দোলনের ডাক দেবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আন্দোলনে নামার এ পূর্বাভাস দেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনেকেই বিএনপিকে আন্দোলনের কথা বলেন। বিএনপির আন্দোলন করেছে ২০১৪ সালে, ২০১৮ সালে। জনগণ সারা দেশ বন্ধ করে দিয়েছিল। বিএনপির সময় হলে আন্দোলন করবে।

‘এখনো আন্দোলনের ডাক দেয়ার সময় আসেনি। সময় হলেই ডাক আসবে। ছাত্র-যুবকরা মাঠে না নামলে সফলতা কঠিন। ছাত্র শ্রমিক যুবক তরুণদের সংগঠিত করে তাদের নেতৃত্বে রাজপথে গণঅভ্যুত্থান হবে। তরুণদের ছাড়া গণঅভ্যুত্থান হবে না।’

ফখরুলের মতে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে ক্ষমতায় টিকে আছে সরকার।। আওয়ামী লীগ কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তাই সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছে তারা।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার জনগনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। ডিসি এসপিরা বক্তব্য দেয়, সরকার তারা বানিয়েছে। এই সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। কোনো দেশ তা করে দিয়ে যাবে না। বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠনগুলোই তা করবে।’

মির্জা ফখরুলের অভিযোগ, বর্তমান সময়ের তরুণেরা আন্দোলন সংগ্রামের মানসিকতা নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন আগে তরুণ ছিলাম তখন আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতাম। এখন আমাদের বয়স হয়েছে। আমানুল্লাহ আমানরা ৯০ এ তরুণ বয়সে তারা প্রতিবাদ করেছে।

‘এখন আমানুল্লাহ আমানদের আন্দোলনের ডাকে তরুণরা সাড়া দিচ্ছে না। কেন দিচ্ছে না? ৯০ আর ২০২১ এক নয়। এখনকার তরুণদের মধ্যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মানসিকতা দেখিনা। তারা হুকুমের অপেক্ষায় থাকে। আমরা কারো হুকুমের অপেক্ষায় থাকতাম না।’

২০১৮ সালের নির্বাচনে গিয়ে বিএনপি ভুল করিনি বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ ঢাকা আয়োজিত আলোচনা সভায় আয়োজক সভাপতিত্ব করেন হারুন আল রশিদ।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. মাজারুল ইসলাম দোলন, ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম, ডা. আবু হেনা, ডা. আবুল হাসান, সাবেক ছাত্রদল নেতা সেলিনা সুলতানাসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিএনপির ঢাকার কমিটিতে ছোটখাটো সমস্যা থাকতে পারে: ফখরুল

বিএনপির ঢাকার কমিটিতে ছোটখাটো সমস্যা থাকতে পারে: ফখরুল

বিএনপির ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

‘বিএনপি একটি বিশাল রাজনৈতিক দল। যখন একটি কমিটি তৈরি করা হয়, তখন ছোটখাটো সমস্যা থাকতেই পারে। তবে এবার পরীক্ষিত নেতাদের নিয়েই কমিটি করা হয়েছে। প্রবীণ এবং নবীনের সমন্বয়ে করা হয়েছে।’

ঢাকা মহানগরে বিএনপির যে দুটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে ছোটখাটো সমস্যা থাকতে পারে বলে স্বীকার করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে যাদের নেতৃত্বে রাখা হয়েছে তারা সবাই যোগ্য বলে মনে করেন তিনি।

রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় মঙ্গলবার নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নে ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি একটি বিশাল রাজনৈতিক দল। যখন একটি কমিটি তৈরি করা হয়, তখন ছোটখাটো সমস্যা থাকতেই পারে। তবে এবার পরীক্ষিত নেতাদের নিয়েই কমিটি করা হয়েছে। প্রবীণ এবং নবীনের সমন্বয়ে করা হয়েছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে ঢাকা উত্তরের ৪৭ সদস্য এবং আবদুস সালামের নেতৃত্বে দক্ষিণের ৪৯ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি সোমবার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

উত্তরের সদস্যসচিব হয়েছেন আমীনুল হক এবং দক্ষিণের রফিকুল আলম মজনু।

নতুন কমিটি নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘দুটি কমিটিই গঠন করা হয়েছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে। এই কমিটির প্রতি সারা দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। নেতাদের সবাই পরীক্ষিত।’

দলের আন্দোলনে নেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে বলে আশা করছেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কমিটির মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির একটা গুণগত পরিবর্তন আসবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

‘অগণতান্ত্রিক একটি সরকার আমাদের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা বিনষ্ট করে দিচ্ছে। নতুন নেতারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমিকা রাখবেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ভূমিকা রাখবেন।’

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ৫ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে যাওয়া বিএনপি নেত্রীর সাজা পরে বেড়ে হয় ১০ বছর। পরে আরও একটি মামলায় তার হয় সাত বছরের কারাদণ্ড।

তবে ২০২০ সালের মার্চে দণ্ড স্থগিত হওয়ার পর খালেদা জিয়া কারাগার থেকে দুই শর্তে বাসায় ফেরেন। ছয় মাসের জন্য তাকে মুক্ত করা হলেও পরে আরও দুই দফায় মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয় আরও ছয় মাস করে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আহ্বায়ক কমিটি অত্যন্ত সক্রিয় থেকে দলকে সুসংগঠিত করবে এবং একটি কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।’

কবে নাগাদ কাউন্সিল হতে পারে, এমন প্রশ্ন তিনি বলেন, ‘আমাদের যে গঠনতন্ত্র আছে, সে অনুযায়ী কাউন্সিল হবে।’

ঢাকা মহানগর উত্তরের নতুন আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘আজকে গণতন্ত্র অনুপস্থিত, একদলীয় শাসন চলছে। নির্যাতন-নিপীড়ন ও অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে। আমরা একযোগে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কাজ করব। যদি প্রয়োজন হয় ১৯৯০ সালের মতো গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সরকারকে সরানো হবে।’

মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেন, ‘সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এবং আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা।’

তাবিথ আউয়াল, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, নবী উল্লাহ নবী, ইউনুস মৃধা, মোহাম্মদ মোহন, আতিকুল ইসলাম মতিন, মোশাররফ হোসেন খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এস এম জাহাঙ্গীর, শায়রুল কবির খানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

পাকিস্তানের আম পেলেন খালেদাও

পাকিস্তানের আম পেলেন খালেদাও

এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুধু পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আম নয়, জাপান থেকে চকলেট দেয়া হয়, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে খেজুর, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, ইউরোপসহ বিভিন্ন দূতাবাস থেকে উপহার আসে। সেটা শুধু বিএনপি বা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য না; এটা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের কাছেও পাঠানো হয়।’

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছেও পাকিস্তান থেকে পাঠানো হয়েছে আম।

ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাসের পক্ষ থেকে সোমবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসায় আমের ঝুড়ি পৌঁছে দেয়া হয়।

বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ১ হাজার কে‌জি হা‌ড়িভাঙা আম পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুধু পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আম নয়, জাপান থেকে চকলেট দেয়া হয়, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে খেজুর, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, ইউরোপসহ বিভিন্ন দূতাবাস থেকে উপহার আসে।

‘সেটা শুধু বিএনপি বা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য না; এটা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের কাছেও পাঠানো হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকেও ঢাকার সকল দূতাবাসে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় উপহার পাঠানো হয়। বিভিন্ন সিজনে এ সমস্ত ফলমূল পাঠানো হয়।’

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

করোনা: বিএনপির হেল্প সেন্টারে বাধার অভিযোগ

করোনা: বিএনপির হেল্প সেন্টারে বাধার অভিযোগ

করোনার সময়ে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণে হেল্প সেন্টার চালু করেছে বিএনপি। ছবি: মেরিনা মিতু/নিউজবাংলা

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহামারিতে জনগণের মধ্যে ওষুধ, অক্সিজেন, সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি করোনা টিকা রেজিস্ট্রেশন সংশ্লিষ্ট তথ্য দিয়ে থাকে করোনা হেল্প সেন্টার।

বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির করোনাভাইরাস সংক্রান্ত হেল্প সেন্টার স্থাপনে বাধা দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে একে ‘অমানবিক অপরাধ’ আখ্যা দিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

শেরপুরে করোনার হেল্প সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন।

‘যেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন শত শত লোক মৃত্যুবরণ করছেন, যেখানে এই মহামারিতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কথা, সেখানে করোনার হেল্প সেন্টারে বাধা দেয়া অমানবিক অপরাধ। এটা বিস্ময়কর। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে লজ্জাবোধ করছি’, বলেন নজরুল।

ওই সময় কার হুকুমে বাধা দেয়া হয়েছে, তার খোঁজ নিতে বিভাগীয় নেতা-কর্মীদের অনুরোধ জানান তিনি।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহামারিতে জনগণের মধ্যে ওষুধ, অক্সিজেন, সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি করোনা টিকা রেজিস্ট্রেশন সংশ্লিষ্ট তথ্য দিয়ে থাকে করোনা হেল্প সেন্টার।

শেরপুর জেলা বিএনপি জানায়, হেল্প সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠান চলাকালে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবির দফায় দফায় বাধার মুখে পড়ে তারা। এ কারণে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হয় জেলা বিএনপি।0

ওই অনুষ্ঠানে নজরুল বলেন, ‘টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে আফ্রিকার দরিদ্রতম দেশগুলো থেকেও পিছিয়ে বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, আফগানিস্তান থেকেও পিছিয়ে বাংলাদেশ। এই অবস্থায় সরকারের উচিত সবাইকে টিকাদানে উৎসাহিত করা।’

চলমান শাটডাউনের মধ্যে রপ্তানিমুখী শিল্প ও কলকারখানা খুলে দেয়ার বিষয়ে বিএনপির বর্ষীয়ান এ রাজনীতিক বলেন, ‘করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরামর্শক কমিটি যে পরামর্শ দিচ্ছে সরকার তার উল্টোটা করছে। শ্রম মন্ত্রণালয় বলছে মালিকরা তাদের কথা শুনছে না।

‘জনগণের কল্যাণকর এবং যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত না নিলে কেউ মানবে না—এটাই স্বাভাবিক। এই অবস্থায় সরকার আছে বলে মনে হয় না।’

বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এবং তারেক রহমানের নামে থাকা মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানান নজরুল।

শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় অন্যদের উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম, ওয়ারেস আলী মামুন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীসহ অনেকেই।

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

বিএনপিতে করোনার থাবা

বিএনপিতে করোনার থাবা

করোনায় মারা যাওয়া বিএনপির কয়েকজন নেতা। ফাইল ছবি

দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দুজন ভাইস চেয়ারম্যান, দলীয় চেয়ারপারসনের তিনজন উপদেষ্টা, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন সম্পাদক ছাড়া আছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কয়েকজন সদস্য। ভাইস চেয়ারম্যান দুজন হলেন চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী। প্রাণ হারানো বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টারা হলেন জিয়াউর রহমান খান, এম এ হক ও এ কে এম মোশাররফ হোসেন।

করোনাভাইরাসে রীতিমতো কাঁপছে বিএনপি। দলের কেন্দ্রীয় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী আক্রান্ত। মৃত্যুর সংখ্যাও ব্যাপক।

দলের হিসাব বলছে, কেন্দ্রীয় ১৯ জন নেতা প্রাণ হারিয়েছেন সারা বিশ্ব তোলপাড় করা ভাইরাসটিতে। আর সারা দেশে নেতা-কর্মীর এই সংখ্যা ৭০৯ বলে দাবি করছেন নেতারা।

দলটির করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা সবশেষ হালনাগাদ করা হয়েছে ১৫ জুন। এর মধ্যে পরে আরও কয়েকজন নেতা-কর্মীর মৃত্যুর খবর এসেছে। তবে তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স নিউজবাংলাকে জানান, গত দুই মাসেই মারা গেছেন ২৮৩ জন।

বিএনপির করোনা পর্যবেক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত দুই মাসে মৃত্যুর সংখ্যা এমনিতেই বেশি। সরকারের ব্যর্থতাই এর প্রধান কারণ। লকডাউনের তামাশা শেষ করে এখন শাটডাউনের তামাশা শুরু করছে তারা।’

বিএনপিতে করোনার থাবা
করোনায় মৃত্যু হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেনের।

অসচ্ছল নেতা-কর্মীদের পরিবারের পাশে বিএনপি থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল তাদের পরিবারকে দুই ঈদের উপহার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এদের বাইরে কেউ সহযোগিতার আবেদন করলে তাদেরও দেয়া হবে। এমনিতেও দলীয় তহবিল থেকে যতটুকু সম্ভব আর্থিক অনুদান দেয়া হচ্ছে।’

কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যারা মারা গেলেন

দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দুজন ভাইস চেয়ারম্যান, দলীয় চেয়ারপারসনের তিনজন উপদেষ্টা, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন সম্পাদক ছাড়া আছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কয়েকজন সদস্য।

ভাইস চেয়ারম্যান দুজন হলেন চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী।

বিএনপিতে করোনার থাবা
রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবু হেনা মারা গেছেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে। ফাইল ছবি

প্রাণ হারানো বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টারা হলেন জিয়াউর রহমান খান, এম এ হক ও এ কে এম মোশাররফ হোসেন।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, সহ-গ্রামসরকার বিষয়ক সম্পাদক আমজাদ হোসেনও প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়।

অন্য কেন্দ্রীয় নেতারা হলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য শফিউল বারী বাবু, খুররম খান চৌধুরী, আহসান উল্লাহ হাসান, পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্য খন্দকার আহাদ আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী টি এম গিয়াস উদ্দিন, এ টি এম আলমগীর, সাবেক সংসদ সদস্য আবু হেনা, আমেরিকার বোস্টনে বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক মিতোষ বড়ুয়া, জাতীয় ট্যাক্স-বারের সাবেক সভাপতি গফুর মজুমদার, ওলামা দলের প্রচার সম্পাদক দ্বীন মোহাম্মদ কাশেমী, দিনাজপুর বিএনপির সভাপতি লুৎফর রহমান মিন্টু, রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক।

বিএনপিতে করোনার থাবা
মানিকগঞ্জের বিএনপি নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের এক চেয়ারম্যানেরও মৃত্যু হয় করোনায়। ফাইল ছবি

তৃণমূলে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু চট্টগ্রাম বিভাগে

হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী দলটির সবচেয়ে বেশি নেতা-কর্মী মারা গেছেন চট্টগ্রাম বিভাগে। আর সবচেয়ে কম নেতা-কর্মী মারা গেছেন ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগে (সাংগঠনিক বিভাগ)।

বিএনপিতে করোনার থাবা
করোনায় মারা যাওয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয় দলটি। ফাইল ছবি

তালিকা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগে ২০১ জন, ঢাকা বিভাগে ১৮৬, খুলনা বিভাগে ১৫৪, রংপুর বিভাগে ২৫, রাজশাহী বিভাগে ৩৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১, ফরিদপুর বিভাগে ১১, বরিশাল বিভাগে ১৯, কুমিল্লা বিভাগে ৩৫ এবং সিলেট বিভাগে ১৫ জন মারা গেছেন।

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না: জি এম কাদের

সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না: জি এম কাদের

গার্মেন্টস খোলার খবরে রাজধানীমুখী শ শ শ্রমিক বরিশাল বাস টার্মিনাল এলাকায় শনিবার সকাল থেকে জড়ো হয়েছেন। ছবি: তন্ময় তপু/নিউজবাংলা

‘গেল বছরের লকডাউন থেকে শিক্ষা নেয়নি সংশ্লিষ্টরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের শ্রমিকশ্রেণির মানুষ। মনে হচ্ছে সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না।’

শ্রমিকদের সরকার তাদের মানুষ ভাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

শাটডাউনের মধ্যে শনিবার শ্রমিকরা বাস-লঞ্চ না পেয়ে ট্রাকে চেপে, পায়ে হেঁটে বা ছোট ছোট বাহনে করে ঢাকায় এসেছে রোববার থেকে কাজে যোগ দিতে। এই বিষয়টি তুলে ধরে জাপা নেতা বলেন, ‘অপরিকল্পিত লকডাউনের নামে শ্রমিকদের প্রতি যে উদাসীনতা দেখানো হয়েছে, তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না।’

সোমবার এক বিবৃতিতে সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, ‘অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে এক বছরের মাথায় আবারও শ্রমিকদের হেঁটে, কয়েক গুণ বেশি খরচ করে রাজধানীতে ফিরতে হয়েছে। যেসব শ্রমিক দেশের সমৃদ্ধির জন্য অর্থনীতির চাকা সচল রাখে, তাদের সঙ্গে অশোভন ও নির্মম আচরণ করা হয়েছে।’

সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি

জি এম কাদের বলেন, ‘গেল ২১ জুলাই কোরবানির ঈদের আগে ঈদের যাত্রী পরিবহনে গণপরিবহন চলেছে মাত্র দুই দিন। আবার ঈদের এক দিন পরেই কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন। স্বল্প সময়ে গণপরিবহনে গাদাগাদি করে ঈদযাত্রায় চলাচল করেছে লাখো মানুষ।

‘আবার কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে গেল ৩০ জুলাই হঠাৎ ঘোষণা ১ অক্টোবর থেকে তৈরি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। এমন ঘোষণায় স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

‘প্রতিটি ফেরিতে কয়েক হাজার মানুষ গাদাগাদি করে নদী পার হয়েছেন। এসব কারণে মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি।’

২০২০ সালে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর সাধারণ ছুটিতে যখন পোশাক কারখানা খুলে দেয়া হয়, তখনও একইভাবে শ্রমিকরা ঢাকায় ফিরেছেন। সেই বিষয়টি উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, ‘গেল বছরের লকডাউন থেকে শিক্ষা নেয়নি সংশ্লিষ্টরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের শ্রমিকশ্রেণির মানুষ। মনে হচ্ছে সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না।’

মহামারি নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত লকডাউন, ব্যাপক হারে গণটিকা কর্মসূচি জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেখানে দেখা যাচ্ছে সকল ক্ষেত্রে চরম সমন্বয়হীনতা। সে কারণে কমছে না করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা।’

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি

ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি

পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে নতুন কমিটি দিয়েছে বিএনপি। সোমবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কমিটি ঘোষণা করেন।

দপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা এমরান সালেহ প্রিন্সের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর

আমানউল্লাহ আমানকে আহ্বায়ক এবং আমিনুল হককে সদস্যসচিব করে বিএনপি-ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল আলী নকি (গুলশান), যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার (তেজগাঁও), যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন (মোহাম্মদপুর), যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন (বিমানবন্দর), যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি, যুগ্ম আহ্বায়ক এ জি এম শামসুল হক (বাড্ডা), যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মতি (কাফরুল), যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান (ভাটারা), যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন (খিলক্ষেত), যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা (তুরাগ) এবং সদস্য হিসেবে ৩৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

ঢাক মহানগর দক্ষিণ

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আবদুস সালামকে আহ্বায়ক এবং রফিকুল আলম মজনুকে সদস্যসচিব করে বিএনপি-ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে নবী উল্ল্যাহ নবী (যাত্রাবাড়ী), যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা (খিলগাঁও), যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোহন (কোতোয়ালি), যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন খোকন (লালবাগ), যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার (সূত্রাপুর), যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (কলাবাগান), যুগ্ম আহ্বায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম (শ্যামপুর), যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশিদ হারুন (মতিঝিল), যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিন (কদমতলী), যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ স্বেচ্ছাসেবক দল, যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে সেকেন্দার কাদির (পল্টন), যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন (কামরাঙ্গীরচর), সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু (শান্তিনগর) এবং সদস্য হিসেবে ৩৪ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন

ঈর্ষান্বিত হয়েই বিএনপির মিথ্যাচার: হানিফ

ঈর্ষান্বিত হয়েই বিএনপির মিথ্যাচার: হানিফ

সোমবার সকালে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাহবুব-উল-আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা

‘বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল একটা ভালো কাজ করেছে এমনটা তারা আজ দেখাতে পারে না। বিএনপি ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যাচারে ব্যস্ত। বিএনপির প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা বর্তমান সরকারকে সহায়তা না করেন, অন্তত নির্লজ্জ মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

বিএনপি নেতারা ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।

সোমবার সকালে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, ‘বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল একটা ভালো কাজ করেছে এমনটা তারা আজ দেখাতে পারে না। বিএনপি ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যাচারে ব্যস্ত। বিএনপির প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা বর্তমান সরকারকে সহায়তা না করেন, অন্তত নির্লজ্জ মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

‘এই করোনার দুর্যোগের সময়ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যাচ্ছেন। বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল সাহেব সুযোগ পেলেই মিথ্যাচার করেন। এই করোনার সময়ও তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন, মিথ্যাচার করছেন।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা ৮০ ভাগ জনগণকে যেন ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে পারি সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যেন এক কোটি মানুষকে টিকা দিতে পারি, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।’

‘তারা (বিএনপি) বলেন, এক সপ্তাহে কি এক কোটি লোককে টিকা দেয়া যায়? আমাদের টিকা মজুত আছে এবং এক সপ্তাহে প্রতিটি ইউনিয়নে পাঁচ হাজার জনকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে এক কোটিরও বেশি ব্যক্তি টিকার আওতায় আসবেন।’

আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুলরা সরকারের কোনো উন্নয়ন দেখেন না। ঢাকায় মেট্রোরেল চালু হচ্ছে, পায়রা বন্দর হচ্ছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ হাজার মেগাওয়াট থেকে ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে, কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে, অজস্র উন্নয়ন হচ্ছে। এগুলোর কোনোটাই বিএনপির চোখে পড়ে না।’

ঈর্ষান্বিত হয়েই বিএনপির মিথ্যাচার: হানিফ
সোমবার সকালে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘করোনা একটি ভয়াবহ রোগ। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বারবার দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করেছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে চলার জন্য, যথাযথভাবে মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য, ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য।’

‘আমরা এখনও বলছি লকডাউন করোনার সংক্রমণ রোধের একমাত্র উপায় নয়। করোনা সংক্রমণ রোধ করতে হলে ভ্যাকসিন নিতে হবে, তবেই শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে। সবাইকে মাস্ক পরতে হবে এবং হাত পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে হাতের মাধ্যমে নাকে, চোখে-মুখে ভাইরাস প্রবেশ করতে না পারে। আমরা সবাই সচেতন হিসেবে ঘরের বাইরে যখন যাব তখন অবশ্যই মাস্ক পরব। এতে আমরা নিরাপদ থাকতে পারব, অন্যকেও নিরাপদ রাখতে পারব।’

দুর্যোগে একমাত্র আওয়ামী লীগই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। হানিফ বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একমাত্র দল যারা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের এই ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।’

‘যারা বিত্তবান আছেন তাদের প্রতি আমি আগেও আহ্বান জানিয়েছি, আজও আহ্বান জানাচ্ছি, অসহায় মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। পাশাপাশি যে যার জায়গা থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে ভালো কোনো কাজ হতে পারে না।’

আরও পড়ুন:
ছয় কোটি মানুষকে কেন ১৫ হাজার করে টাকা দিলেন না
জলবায়ু তহবিলের টাকাও লুট: মির্জা ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীকে ফখরুল: খালেদাকে নিয়ে কথা বলবেন না
ফিলিস্তিনের জন্য বিএনপির ৮০ কার্টন ওষুধ, পাসপোর্ট পরিবর্তনে দুঃখ
জনগণের দল আ. লীগ নিয়ে ফখরুলের আক্ষেপ

শেয়ার করুন