লকডাউন বাস্তবায়নে বিজিবি চান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ফাইল ছবি

লকডাউন বাস্তবায়নে বিজিবি চান জিএম কাদের

‘সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে যেভাবে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ছে তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রতি দিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আবার সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে প্রতি রাতেই ভারত থেকে অসংখ্য মানুষ প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।’

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ঠেকাতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কঠোর লকডাউন প্রয়োজন বলে মনে করছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। সীমান্তবর্তী জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে জেলায় জেলায় আলাদা করে লকডাউন দেয়া কথা গত ২৫ মে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম ২৭ মে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনা বাড়লে এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেয়া হবে। রোববার করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর হাসপাতালে শুধু জরুরি সেবা চালু রাখার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর মধ্যেই সীমান্তবর্তী জেলায় বিজিবি মোতায়েনের দাবি জানালেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে যেভাবে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ছে তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রতি দিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আবার সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে প্রতি রাতেই ভারত থেকে অসংখ্য মানুষ প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।

‘তাই সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আরও কঠোরভাবে লকডাউন জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে লকডাউন বাস্তবায়নে বিজিবি মোতায়েন করা যেতে পারে। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় শিথিলতা দেখালে চরম খেসারত দিতে হবে দেশকে।’

তবে খাদ্য ও চিকিৎসা নিশ্চিত করেই লকডাউন দিতে হবে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে সীমান্ত জেলাগুলোতে কঠোর লকডাউন দিতে হবে। কারণ ক্ষুধার্ত মানুষকে খাদ্য না দিয়ে কখনোই আটকে রাখা যাবে না।

‘পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে দ্রুততার সাথে চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। করোনা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে শুরু করে অক্সিজেন সহায়তা প্রস্তুত রাখতে হবে।’

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘নেতাকর্মীরাই দলকে মজবুত ভিত্তি দিয়েছে’

‘নেতাকর্মীরাই দলকে মজবুত ভিত্তি দিয়েছে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দলটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল অসাম্প্রদায়িকতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনমতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা, বিশ্বের মুসলমানদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ব জোরদার এবং বিশ্ব শান্তির পথকে প্রশস্ত করা।

জাতির পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শত প্রতিকূলতার পরেও দলকে মজবুত ভিত্তিতে দাঁড় করিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে আমাদের সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শত প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আজ অত্যন্ত মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে।

‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্যই হলো দেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ এবং বাঙালিদের বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দলের মধ্যে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো ও গণতন্ত্রের চর্চা অটুট থাকলে কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে দলের নেতাকর্মীদের আহ্বানও জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বাণীতে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ঘটনাক্রম তুলে ধরেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ‘পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙালির মুক্তি এবং ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকার রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪ শে জুন এক সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

‘দলটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল অসাম্প্রদায়িকতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনমতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা, বিশ্বের মুসলমানদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ব জোরদার এবং বিশ্ব শান্তির পথকে প্রশস্ত করা।

‘কারাবন্দি অবস্থায় তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিব নবগঠিত সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য ১৯৫৩ সালের নভেম্বরে দ্বিতীয় সম্মেলনেই তাকে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।’

বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই ৬২-এর ছাত্র আন্দোলন, ৬৪-এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ, ৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি মুক্তির সনদ রচনা এবং ৬৯-এর গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসন অবসানের প্রতিশ্রুতি অর্জন দলটিকে মুক্তিকামী মানুষের আশ্রয়স্থলে পরিণত করে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শেখ মুজিবের নেতৃত্বের জন্য আওয়ামী লীগকে ৭০-এর নির্বাচনে পূর্ব-বাংলার মানুষ তাদের মুক্তির ম্যান্ডেট দিয়েছিল। জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদে দলটি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক জান্তা জনগণের এ রায়কে উপেক্ষা করে, শুরু করে প্রহসন। ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সকল সংসদ সদস্য ছয় দফার ভিত্তিতে শাসনতন্ত্র প্রণয়নের শপথ গ্রহণ করেন।’

তিনি বলেন, ‘২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি নিধন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর পরপরই জান্তা সরকার জাতির পিতাকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের নির্জন কারাগারে প্রেরণ করে।

‘তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণশক্তি। তার অবিচল নেতৃত্বে বাঙালি জাতি মরণপণ যুদ্ধ চালিয়ে যায়।’

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। ১২ জানুয়ারি তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধানে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর করেন।

‘১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে পুনরায় সরকার গঠন করে। জাতির পিতার আহ্বানে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বন্ধু দেশসমূহ দ্রুত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। অতি অল্পদিনের মধ্যেই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় এবং মাত্র সাড়ে তিন বছরেই স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী চক্র আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ গ্রহণ করে। বিদেশে থাকায় আমি এবং আমার বোন শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যাই।

‘২৬ সেপ্টেম্বর দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করে। ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। মোস্তাক-জিয়া চক্র খুনিদের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করে ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে। তারা মার্শাল ল জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে পাকিস্তানি কায়দায় দেশ শাসন করতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিদেশে থাকা অবস্থায় ৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে আমাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করে। প্রায় ছয় বছর রিফিউজি জীবন শেষে ৮১ সালের ১৭ মে আমি দেশে ফিরে এসে দলের দায়িত্বভার গ্রহণ করি।

‘সারা দেশে প্রান্তিক মানুষের দুঃখ-দুর্দশা চিত্র স্বচক্ষে অবলোকন করি এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন সংগঠিত করি। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচারী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করে সরকার গঠন করে। একই বছরে ১২ নভেম্বর ‘দায়মুক্ত অধ্যাদেশ বাতিল আইন-১৯৯৬’ সংসদে পাশ করে। এর মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু হয়।’

দেশ গঠনে আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গত সাড়ে বারো বছরে আমরা উন্নয়নের সকল সূচকে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছি। অর্থনৈতিক অগ্রগতির মানদণ্ডে বিশ্বের প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছি। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

‘আমরা দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছি। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছি। আমাদের মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছর। ৯৯ শতাংশ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দিচ্ছি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ে এবং কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘সড়ক, রেল, বিমান ও নৌ ও সমুদ্র যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক করেছি। দেশকে আমরা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এ রূপান্তরিত করেছি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি ছাড়িয়েছে।

‘বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশিতে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছি। রূপকল্প-২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি।’

সরকারে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে আমরা অঙ্গীকার করেছি কেউ গৃহহীন থাকবে না। শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে দেব। আমরা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করে যাচ্ছি।

‘২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দ্বিতীয় পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ গ্রহণ করেছি।’

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ. লীগের সীমিত আয়োজন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ. লীগের সীমিত আয়োজন

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ফাইল ছবি

বুধবার ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলটির জন্য দিনটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছর বেশ ঘটা করেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। কিন্তু গত বছরের মতো এবারও বাধ সেধেছে বৈশ্বিক করোনা মহামারি।

করোনা মহামারির মধ্যে এবারও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কোনো জমকালো আয়োজন নেই আওয়ামী লীগের।

দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন আর আলোচনা অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকছে এ বছরের আয়োজন।

বুধবার ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলটির জন্য দিনটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছর বেশ ঘটা করেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। কিন্তু গত বছরের মতো এবারও বাধ সেধেছে বৈশ্বিক করোনা মহামারি।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

সকাল ৯টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। সকাল ১১টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করবেন।

বিকাল ৪টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

যুবলীগের আনিসুরের জামিন সাড়ে ৩ মাস পর প্রকাশ

যুবলীগের আনিসুরের জামিন সাড়ে ৩ মাস পর প্রকাশ

যুবলীগের বহিষ্কৃত দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান

গত ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় আনিসুরকে জামিন দেয় বলে মঙ্গলবার আদালতের দুদক নিবন্ধন শাখা থেকে জানতে পেরেছে নিউজবাংলা।

রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকাতে ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাড়ে তিন আগেই জামিন পেয়েছেন যুবলীগের বহিষ্কৃত দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলো মঙ্গলবার।

গত ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় আনিসুরকে জামিন দেয় বলে মঙ্গলবার আদালতের দুদক নিবন্ধন শাখা থেকে জানতে পেরেছে নিউজবাংলা।

ওই দিন আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেনের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আনিসুর।

দুদকের নিবন্ধন শাখার নথি থেকে জানা যায় আসামির জামিন শুনানিতে আইনজীবী জাহাঙ্গীর বলেন, ‘কাজী আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ একাধিক ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কোনো অনিয়মের সাথে জড়িত না। তার বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়নি।’

আদালতকে আইনজীবী জানান, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি আসামি প্রথম শ্রেণির ঠিকাদারি কাজের বিনিময়ে পেমেন্ট অর্ডারের মাধ্যমে ও পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করেননি। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়।

‘শুধুমাত্র অনুমানের ওপর ভিত্তি করে মামলাটি করা হয়েছে। হয়রানি করতে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। তার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত কোনো সম্পদ বা সম্পত্তি নেই। দেশে ও বিদেশে বিপুল পরিমান অর্থ সম্পদ অর্জনের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়।’

জামিন শুনানিতে আনাসি আনিসুরকে অসুস্থ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

দুদকের পক্ষে মীর আহম্মেদ আলী সালাম জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন ও আপত্তি জানান।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আনিসুরকে জামিন দেন বিচারক।

১২ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার ৯২০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের বাইরে অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দায়ের করেন কমিশনের উপ পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

ওই দিন কাজী আনিসুরের স্ত্রী সুমি রহমানের বিরুদ্ধেও অবৈধ উপায়ে ১ কোটি ৩১ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদ অর্জনের দায়ে মামলা হয়। সুমি রহমানও আত্মসমর্পণ করে গত বছরের ২৬ নভেম্বর জামিন পান।

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। ছবি: নিউজবাংলা

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগে এবারই প্রথম পদ পেলেন মাশরাফি। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হন মাশরাফি। সেটি আওয়ামী লীগে মাশরাফির প্রথম পদ ছিল।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটিতে সদস্য পদ পেয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা।

জেলা আওয়ামী লীগের ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ এ কমিটি রোববার অনুমোদন দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

একই কমিটিতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়েছেন মাশরাফির বাবা গোলাম মুর্তজা স্বপন।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগে এবারই প্রথম পদ পেলেন মাশরাফি। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হন মাশরাফি। সেটি আওয়ামী লীগে মাশরাফির প্রথম পদ ছিল।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। জেলার সুলতান মঞ্চে ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সম্মেলনে অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসকে সভাপতি ও নিজাম উদ্দিন খান নিলুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এর দেড় বছর পর ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলো।

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

করোনা পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া: বিএনপি

করোনা পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া: বিএনপি

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর রাজধানীর এয়ারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে গত শনিবার বাসায় ফেরেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশনেত্রীর চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডা. এএফএম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, দেশনেত্রী করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ থেকে মুক্ত হলেও কোভিড পরবর্তী কয়েকটি জটিলতায় ভুগছেন এবং তিনি কোনো মতেই ঝুঁকিমুক্ত নন। উনার লিভার ও অন্যান্য জটিলতার চিকিৎসা বিদেশে কোনো উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে করা প্রয়োজন।’

করোনা থেকে সেরে উঠলেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত বিদেশে পাঠাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রীর চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডা. এএফএম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, দেশনেত্রী করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ থেকে মুক্ত হলেও কোভিড পরবর্তী কয়েকটি জটিলতায় ভুগছেন এবং তিনি কোনো মতেই ঝুঁকিমুক্ত নন। উনার লিভার ও অন্যান্য জটিলতার চিকিৎসা বিদেশে কোনো উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে করা প্রয়োজন। বাংলাদেশে এর সুযোগ কম।’

মির্জা ফখরুল জানান, স্থায়ী কমিটি মনে করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে আরও উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো দরকার। এজন্য দেশনেত্রীর বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে এবং তাকে মুক্তি দিতে আহ্বান জানায় কমিটি।

গত ২০ জুন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ফুসফুসসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা হয় বলে জানান মির্জা ফখরুল।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে প্রেরণ দলের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আগে বলিনি, উনার পরিবার বিদেশে প্রেরণের কথা বলেছিলে। আমরা এবার পার্টির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রেজুলেশন নিচ্ছি যে, তার বিদেশে চিকিৎসা দরকার। এজন্য যা কিছু সরকারের করা দরকার, সরকারের উচিত ইমিডিয়েটলি করা। তারপরের যে স্টেপগুলো আছে পরবর্তিতে আলাপ-আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর ৫৩ দিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গত শনিবার খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় ফিরেন।

হাসপাতালে আবার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকার কারণে তাকে বাসায় নিয়ে চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেয় ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ড।

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতাকে ছাত্রলীগের পদোন্নতি

ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতাকে ছাত্রলীগের পদোন্নতি

মধুখালী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ পাওয়া নাজমুল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

মধুখালী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হওয়া নাজমুল হোসেনকে ২০১৮ সালে যে প্যাডে রায়পুর ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক করে ছাত্রদলের কমিটির ঘোষণা করা হয়, তা এখন ছড়িয়ে পড়েছে। নাজমুল অবশ্য এই ছবিকে কারসাজি বলছেন।

আরও এক ছাত্রদল নেতার ছাত্রলীগের পদ পাওয়া নিয়ে ফরিদপুরে তোলপাড় চলছে।

রায়হান রনি নামে এক তরুণ আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকা অবস্থায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পাওয়া নিয়ে আলোচনার মধ্যেই মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজমুল হোসেনকে করা হয়েছে মধুখালী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকে পদোন্নতি দিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা নিয়ে সংগঠনে তৈরি হয়েছে অসন্তোষ।

যদিও নাজমুলের ছাত্রদল সম্পৃক্ততা অস্বীকার করছেন তাকে পদ দেয়া ও সুপারিশ করা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতারা। নাজমুল নিজেও দাবি করেছেন, তার পরিবার সব সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছে।

ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এও বলেছেন, নাজমুলের ছাত্রদল সম্পৃক্ততার অভিযোগ তারাও শুনেছেন। এটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে ২০১৮ সালে নাজমুলকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে যে প্যাডে ছাত্রদলের সেই কমিটির ঘোষণা করা হয়, তা এখন ছড়িয়ে পড়েছে। আর একে নাজমুল অবশ্য কারসাজি বলছেন।

গত ১২ জুন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান ও ফাহিম আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে মধুখালী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে রবিন মোল্যা ও ইনজামামুল আলম অনিককে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কমিটিতে নাজমুল হোসেনকে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি রবিন মোল্যার দাবি, নাজমুল দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসছেন। সেই হিসেবেই তাকে পদ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নাজমুল ছাত্রদল করতেন, বিষয়টি আমাদেরকেও অনেকেই জানিয়েছে, তবে খোঁজ নিয়ে এর কোনো সত্যতা পাইনি।’

তবে মধুখালী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওমর ফারুক জানান, ২০১৮ সালের উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটিতে নাজমুল হোসেন যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।

ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতাকে ছাত্রলীগের পদোন্নতি
২০১৮ সালে ছাত্রদলের কমিটিতে আর তিন বছর পর ছাত্রলীগের কমিটিতে নাজমুল

মধুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বকু বলেন, ‘নাজমুল হোসেন ছাত্রদলের রাজনীতি করত-এই বিষয়টি জানা নেই। তবে নাজমুল দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ছাত্রলীগের মিছিল মিটিংয়ে তাকে দেখেছি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান বলেন, ‘রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেই নাজমুল হোসেনকে ছাত্রলীগের পদ দেয়া হয়েছে। নাজমুল দীর্ঘদিন যাবৎ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার সুপারিশেই তাকে পদ দেয়া হয়েছে।’

নাজমুল হোসেন ছাত্রদল করতেন- এমন অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।

রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর সাত্তার শেখ বলেন, ‘নাজমুল হোসেনের বাড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে। ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রত্যয়ন পত্র পেয়েই নাজমুলকে ছাত্রলীগের পদ দিতে আমি সুপারিশ করেছি।’

নাজমুল হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ছাত্রদল করার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার দীর্ঘদিন যাবৎ আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। পারিবারিক কারণেই ছোটবেলা থেকেই আমিও ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসছি।’

তিনি বলেন, ‘একটি মহল আমার বিরুদ্ধে এধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আপনারা এলাকায় এসে খোঁজ নিয়ে দেখেন আমি এবং আমার পরিবারের সম্পর্কে।’

সম্প্রতি ছাত্রদল নেতা রায়হান রনির ছাত্রলীগে পদ পাওয়া নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়। এর মধ্যে গত ১৯ জুন তাকে ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। আর ছাত্রদল তাকে বহিষ্কার করে।

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন

সহিংসতা, ২ মৃত্যু, বর্জনের মধ্যে শেষ হলো ইউপি ভোট

সহিংসতা, ২ মৃত্যু, বর্জনের মধ্যে শেষ হলো ইউপি ভোট

ভোলা ও বরিশালে নির্বাচনি সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। এর বাইরে আরও কয়েক জেলায় হয়েছে সংঘর্ষ। পাঁচ ইউপিতে ভোট বর্জনের ঘটনা ঘটেছে।

দুই জেলায় ভোটে সহিংসতায় দুইজন নিহত, পাঁচ জেলায় প্রার্থীদের বর্জন ও কয়েক জেলায় সহিংসতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

ভোট হয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসন এবং দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ ও ঝালকাঠি পৌরসভাতেও।

সোমবার সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয় ১৩ জেলার ৪১ উপজেলার ২০৪টি ইউনিয়নে। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এসব জেলায় বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে নিউজবাংলার প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, ভোটার উপস্থিতি সকাল থেকেই ছিল চোখে পড়ার মতো। বরিশাল বিভাগের কয়েক জেলায় সকালে বৃষ্টি নামলেও ভোটার উপস্থিতি কমেনি।

বরিশাল জেলায় তিন ইউনিয়নে ভোটের সময় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে সংঘর্ষের পর ককটেল বিস্ফোরণে একজন নিহত হন। আহত হন দুইজন।

হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের খাগেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারের জেরে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও ৮টি ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সহিংসতার কারণে ঘণ্টাখানেক ভোট বন্ধ থাকে।

একই উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের গঙ্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। এতে এক আনসার সদস্য ও এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানেও ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। এখানেও কিছু সময়ের জন্য ভোট গ্রহণ ব্যাহত হয়।

সহিংসতা, ২ মৃত্যু, বর্জনের মধ্যে শেষ হলো ইউপি ভোট
গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণে একজন নিহত হন

বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের আবুল কালার ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ব্যালট ছিনতাইচেষ্টার ঘটনায় দেড় ঘণ্টা ভোট বন্ধ থাকে। নষ্ট হয় ২০ থেকে ২৫টি ব্যালট।

এই জেলার মুলাদী উপজেলায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেন গাছুয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকসেদ মীর ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মালেক শিকদার।

উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী উর্মিলা বাড়ৈ অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন করেন।

ভোলায় চরফ্যাশনের হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরফকিরা কোয়াইড প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সদস্য পদ প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হন। আহত হন দুইজন।

তজুমদ্দিনের চাচরা ইউনিয়নে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াদ হোসেন হান্নান। তিনি সেখানে পুনর্নির্বাচনের দাবিও করেন।

সম্ভুপুর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তাবিষয়ক উপসচিব আশহাফুল রহমান তিন পোলিং এজেন্টকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

আরও কিছু কেন্দ্রে বিক্ষিপ্তভাবে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সহিংসতা, ২ মৃত্যু, বর্জনের মধ্যে শেষ হলো ইউপি ভোট
ভোলায় চরফ্যাশনের হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের সংঘর্ষে নিহত হন একজন

পটুয়াখালীর বাউফলে কেশবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন পাঁচজন। কনকদিয়া ইউনিয়নে একটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয়ার অভিযোগে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জন করেন।

ঝালকাঠিতে ভোটার উপস্থিতি বিভাগের অন্য জেলার তুলনায় ছিল কম। এই জেলার নলছিটি উপজেলার সুজিতপুর ইউনিয়নে সদস্য পদ প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ফাঁকা গুলি করে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়নি।

ভোট হয়েছে ঝালকাঠি পৌরসভারও। অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আফজাল হোসেন।

ভোট হয়েছে দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভাতেও। ভোটারদের মধ্যে নারীদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক।

সহিংসতা, ২ মৃত্যু, বর্জনের মধ্যে শেষ হলো ইউপি ভোট

দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

লক্ষ্মীপুরে রামগতি ও কমলনগরে ৬টি ইউনিয়নে হয়েছে ভোট। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর-২ আসনে হয়েছে উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ।

এর মধ্যে কমলনগরের তারাবগঞ্জের উত্তর চরপাগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল আহমদ রতন ও নৌকার প্রার্থী মির্জা আশ্রাফুল জামাল রাসেলের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিঙ্কুর গাড়িসহ পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে বিজিবি ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এর আগে কেন্দ্রের বাইরে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া মধ্য চরপাগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তোরাবগঞ্জ ইসলাম পাড়া আনসার আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

রামগতির বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

অন্যান্য জেলায় ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে।

প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন বরিশাল থেকে তন্ময় তপু, ভোলা থেকে আদিল তপু, পটুয়াখালী থেকে জাকারিয়া হৃদয়, ঝালকাঠি থেকে হাসনাইন তালুকদার দিবস, দিনাজপুর থেকে কুরবান আলী এবং লক্ষ্মীপুর থেকে আনিস কবির।

আরও পড়ুন:
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন চান জিএম কাদের
আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মুক্তি পাইনি: জি এম কাদের
রাজনীতিতে আগ্রহ কমেছে মানুষের: জিএম কাদের
আ.লীগ-বিএনপির এক দল ঝরে পড়বে: জাপা
‘অটো-পাস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে’

শেয়ার করুন