‘খুনি’ জিয়ার কোনো প্রোগ্রাম ঢাবিতে নয়: ছাত্রলীগ

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

‘খুনি’ জিয়ার কোনো প্রোগ্রাম ঢাবিতে নয়: ছাত্রলীগ

‘ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতার হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলে খুনি জিয়াউর রহমানের। আমরা খুনি জিয়ার কোনো প্রোগ্রাম এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে দেব না। ক্যম্পাসে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত করার চেষ্টা করলে ছাত্রদলকে প্রতিহত করতে ছাত্রলীগই যথেষ্ট।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে ‘খুনি’ আখ্যা দিয়ে তাকে স্মরণ করে কোনো কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের অনুসারী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ।

সংগঠনের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এক সমাবেশে এই ঘোষণা দেন।

ছাত্রলীগের মূল্যায়নে ‘শিক্ষাবান্ধব এবং উন্নয়নমূখী বাজেট’ প্রণয়ন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল পরবর্তী এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে জয় বলেন, ‘ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতার হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলে খুনি জিয়াউর রহমানের। আমরা খুনি জিয়ার কোনো প্রোগ্রাম এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে দেব না। ক্যম্পাসে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত করার চেষ্টা করলে ছাত্রদলকে প্রতিহত করতে ছাত্রলীগই যথেষ্ট।’

গত ৩০ মে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীকে তার স্মরণে পরদিন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে খাদ্য বিতরণ করতে গেলে বাধা দেয় ছাত্রলীগ। তারা ছাত্রদল কর্মীদের ওপর হামলাও করে। সে সময় এক গণমাধ্যমকর্মীও আহত হন।

‘খুনি’ জিয়ার কোনো প্রোগ্রাম ঢাবিতে নয়: ছাত্রলীগ
গত মঙ্গলবার জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীকে তার স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল খাদ্য বিতরণ করতে গেলে হামলা চালায় ছাত্রলীগ

তবে সেদিনের ঘটনায় গণমাধ্যমে ভুল প্রতিবেদন এসেছিল দাবি করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘সেদিন ছাত্রদলের অন্তকোন্দলের কারণেই সমস্যাটা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদের থামানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কিছু মিডিয়া ছাত্রলীগকে উদ্দেশ করে নিউজ করেছে।

‘যারা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে চায় তাদের উদ্দেশে বলবে, ছাত্রলীগ মাঠে আছে দেখেই আপনারা শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সারা বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সজাগ আছে। কেউ অরাজকতা করলে তাদের প্রতিহত করতে আমরা প্রস্তুত থাকব।’

তবে জয় অস্বীকার করলেও ঘটনার পর ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার কথা স্বীকার করেছিলেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা।

তখন তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, “ছাত্রদল সন্ত্রাসী সংগঠন৷ এরা বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে ঢুকে অরাজকতার চেষ্টা করে। আমরা খবর পেয়েছি আজকেও তারা বড় ধরনের অরাজকতা তৈরি করার চেষ্টা করবে। এই সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে আমরা হালকা ‘নাস্তা পানি খাওয়াইছি।”

‘খুনি’ জিয়ার কোনো প্রোগ্রাম ঢাবিতে নয়: ছাত্রলীগ
বাজেটের প্রশংসা করে ছাত্রলীগের সমাবেশের একাংশ

বাজেটের প্রশংসা করে ছাত্রলীগ সভাপতি জয় বলেন, ‘এ দেশের জনগণ, কৃষক, শিক্ষার্থী এবং স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের জন্য এ বাজেট। এই উন্নয়ন এবং গণমুখী বাজেট করার জন্য প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ছাত্রলীগ সবসময় কাজ করে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ধন্য আমাদের এমন একজন প্রধানমন্ত্রী আছেন। সারা বিশ্ব যখন করোনা মহামারিতে অর্থনৈতিকভাবে হিমশিম খাচ্ছে, তখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। সেই উন্নয়ের প্রতিফলন আজকের বাজেটে আমরা দেখেছি।’

আনন্দ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মেহেদী হাসান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ বিভিন্ন ইউনিটের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির প্রতিবাদে ৬ দাবি চকরিয়ার সাংসদের

দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির প্রতিবাদে ৬ দাবি চকরিয়ার সাংসদের

চকরিয়ার সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের অব্যাহতির আদেশ অবৈধ। একজন দলীয় সাংসদকে কমিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া এখতিয়ার বহির্ভূত। এই ক্ষমতা জেলা আওয়ামী লীগের নেই।

সংসদ সদস্যকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া বৈধ নয় বলে মন্তব্য করেছেন কক্সবাজারের চকরিয়ার সংসদ সদস্য জাফর আলম। উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার একদিন পর তিনি এই প্রতিক্রিয়ায় দেন। সেইসঙ্গে ছয়টি দাবি নিয়ে কেন্দ্রের কাছে যাবেন বলেও জানান তিনি।

চকরিয়া পৌর নির্বাচনে দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর ওপর হামলা ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফরকে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয় জেলা আওয়ামী লীগ। সেই ঘোষণা দেয়া বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রের কাছে সুপারিশও পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেন জাফর। তিনি বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের অব্যাহতির আদেশ অবৈধ। একজন দলীয় সাংসদকে কমিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া এখতিয়ার বহির্ভূত। এই ক্ষমতা জেলা আওয়ামী লীগের নেই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ দূর্নীতিবাজ ও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি। এদের কাছে থেকে সুবিচার আশা করা যায় না। এজন্য তিনি ছয়টি দাবি নিয়ে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবেন।

দাবিগুলোর মধ্যে আছে, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠন, অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার, পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটে জেলা আওয়ামী লীগের হস্তক্ষেপ ও দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় আনা।

দাবির মধ্যে আরও আছে জেলা হোটেল মোটেল জোনে মেয়র মুজিবুর রহমানের দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও নানা অপকর্ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

জাফর আলম জানান, এসব দাবি নিয়ে তিনি রোববার ঢাকা যাবেন।

জেলা আওয়ামী লীগ থেকে জাফরকে অব্যাহতি দেয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সরওয়ার আলমকে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থক ও নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এবং চকরিয়া ও পেকুয়ার বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করে।

পরে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

‘ক্ষমতায় যেতে দিগ্বিদিকশূন্য বিএনপি’

‘ক্ষমতায় যেতে দিগ্বিদিকশূন্য বিএনপি’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেরাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপি ক্ষমতাপাগল, তারা এখন দিগ্বিদিকশূন্য। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।’

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা বিএনপি ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকায় নিজ বাসভবনে শনিবার সকালে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ের গ্যারান্টি দিলে নির্বাচন কমিশন তাদের ভাষায় নিরপেক্ষ আর তাদের পক্ষে রায় দিলেই বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিএনপি নেতাদের অপরাধ ও দুর্নীতির বিচার না করলে দুদক ভালো।

‘বিএনপি নিজেরাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপি ক্ষমতাপাগল, তারা এখন দিগ্বিদিকশূন্য। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।’

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতায় ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়, তারাই দেশকে অকার্যকর এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য। বিএনপিই বরং একের পর এক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত এবং বিশ্বসভায় সম্ভাবনাময় দেশ বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ পালন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে কারা তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল দেশবাসী তা জানে। কারা হামলা ও এর পৃষ্ঠপোষক এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারা জড়িত তা ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট হয়েছে।

‘বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক। তারা যতই অস্বীকার করুক সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ নীতি থেকে বের হতে পারবে না। ২০১৩-১৪ সালে আগুন-সন্ত্রাস চালিয়ে এর দায় আওয়ামী লীগের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছে বিএনপি। নিজেদের অপকর্ম ও ব্যর্থতা আড়াল করতে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির পুরোনো অভ্যাস।’

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

তিন উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি মিন্টু, হাবিব ও হাসেম

তিন উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি মিন্টু, হাবিব ও হাসেম

উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া ঢাকা ১৪ আসনে আগাখান মিন্টু (বাঁয়ে), কুমিল্লা-৫ আসনে আবুল হাসেম খান (মাঝে) ও সিলেট-৩ আসনে হাবিবুর রহমান

দলের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় তিন উপনির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে আগাখান মিন্টু, কুমিল্লা-৫ আসনে আবুল হাসেম খান এবং সিলেট-৩ আসনে হাবিবুর রহমান আওয়ামী লীগের হয়ে লড়বেন।

ঢাকা-১৪-সহ তিন উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। দলের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় তিন উপনির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে আগাখান মিন্টু, কুমিল্লা-৫ আসনে আবুল হাসেম খান এবং সিলেট-৩ আসনে হাবিবুর রহমান আওয়ামী লীগের হয়ে লড়বেন।

শনিবার বেলা ১১টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বোর্ডের অন্য সদস্যরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-১৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া আগাখান মিন্টু শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

সিলেট-৩-এ মনোনয়ন পাওয়া হাবিবুর রহমান জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আর কুমিল্লা-৫-এ আবুল হাসেম খান বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা-১৪, কুমিল্লা-৫ ও সিলেট-৩ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জুলাই।

নির্বাচন সামনে রেখে গত ৪ জুন থেকে দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করে আওয়ামী লীগ। মনোনয়ন গ্রহণ ও জমা দেয়া শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার।

এই তিন আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের ৯৪ জন নেতা-কর্মী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র তোলা হয়েছিল কুমিল্লা-৫ আসন থেকে, ৩৫ জন। এ ছাড়া ঢাকা-১৪ আসনে ৩৩ ও সিলেট-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিট চেয়েছিলেন ২১ জন।

গত ২ জুন নির্বাচন কমিশন এক বৈঠকে ঢাকা, কুমিল্লা ও সিলেটের মোট তিনটি আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

ঘোষণা অনুযায়ী ১৫ জুন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। মনোনয়ন বাছাই হবে ১৭ জুন। ১৮, ১৯ ও ২০ জুন আপিলের দিন ঠিক করা হয়েছে। প্রার্থিতা বাতিলের শেষ দিন ২৩ জুন। প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ২৪ জুন।

বিএনপি আগ্রহ না দেখালেও সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এরই মধ্যে আসনগুলোতে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। জাতীয় মোটর শ্রমিক পার্টির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক ঢাকা-১৪, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ আতিকুর রহমান সিলেট-৩ এবং জসিম উদ্দিনকে কুমিল্লা-৫ আসনে লাঙ্গল নিয়ে লড়বেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ৪ এপ্রিল আসলামুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা-১৪, ১৪ এপ্রিল আবদুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে কুমিল্লা-৫ আর ১১ মার্চ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের মৃত্যুতে ফাঁকা হয় সিলেট-৫ আসন।

শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনে ভোট করতে বাধ্যবাধকতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ

সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ

কেন্দ্রীয় নেতা বলছেন, খুব শিগগিরই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবেন তারা। জাতীয় কাউন্সিলের আগেই থমকে থাকা সম্মেলনগুলোও শেষ করতে চায় দল।

গত বছরের মার্চে দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে গত বছরের প্রায় পুরোটা জুড়ে সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রেখেছিল আওয়ামী লীগ। নতুন বছরের অর্ধেক পার হয়ে গেলেও সেই স্থবিরতা কাটাতে পারেনি ক্ষমতাসীন এ দলটি।

স্বাভাবিক সময়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ধানমন্ডি ৩/‘এ’-তে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সব সময় নেতাকর্মীদের ভিড় লেগেই থাকত। গত দেড় বছরে সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের আনাগোনা কম।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সেভাবে জনসমক্ষে আসতে দেখা যায় নি। নিয়মিত ঘরে বসে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দলীয় কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিভিন্ন দিবসে আগের মতো জনসমাগম দেখা যাচ্ছে না।

গত দেড় বছরে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কোথাও দলটির কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্রমে দূরত্ব বাড়ছে। নেতাদের সাথে কর্মীদের যে সংযোগ স্বাভাবিক সময়ে ঘটে, তা ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। আর এ কারণে দলে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কাও করছেন তারা।

এদিকে, তৃণমূল পর্যায়ের বেশিরভাগ কমিটির মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। যেগুলোর সম্মেলন এরই মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলো এখনও পূর্ণাঙ্গ হয়নি। সাংগঠনিক তৎপরতা না থাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে হতাশা। এই পরিস্থিতি আর জিইয়ে রাখতে চায় না কেন্দ্র।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাংগঠনিক কার্যক্রম সবগুলো তো করা সম্ভব ছিল না, এটা বাস্তবতা। তারপরও কার্যক্রম কিছু ছিল। মানবিক-সামাজিক কার্যক্রম, কর্মীদের সাথে সংযোগ, এই কমিউনিকেশন আমাদের ছিল।

‘রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যাপক ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের মতো দলের নেতাকর্মীদের সাথে যে সম্পর্ক, যে সংযোগটা আমরা সব সময় মেইনটেইন করতাম, এটা এই সময়ে সম্ভব হয় নি, তা অস্বীকার করার বিষয় না।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, করোনার কারণে সাংগঠনিক তৎপরতা সেভাবে না থাকলেও সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচিতে তৎপর ছিল দল। সীমিত আকারে পরিচালনা করা হয়েছে সাংগঠনিক কার্যক্রম।

দলের আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার পরে কর্মসূচি সীমিত করা হয়েছে। সে সময় রাজনৈতিক কর্মসূচির চেয়ে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি সামাজিক দায়িত্ব পালনে, যেমন দুর্যোগ শুরুর পর থেকে এটা মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা, স্বাস্থ্যগত বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নির্দেশনা পৌঁছে দেয়া।

‘বিশেষ করে করোনায় আক্রান্ত মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদেরকে সৎকারে শুরুর দিকে তাদের স্বজনরাও আতঙ্কিত হয়ে এগিয়ে আসে নি, সে সময় আমাদের দলের নেতাকর্মীরাই কিন্তু সৎকারে সহায়তা করেছে। এর পাশাপাশি আমাদের কৃষকদের ফসল ঘরে তুলতেও সহায়তা করা হয়েছে। পাশাপাশি নিম্ন আয়ের যেসব মানুষদের কাজ বন্ধ হয়েছিল, তাদের আমরা খাদ্য সহায়তা দিয়েছি, সরকারের পাশাপাশি। এগুলো আমরা সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে পালন করেছি।’

করোনা মহামারির মধ্যেও তৃণমূল পর্যায়ে আটকে থাকা কিছু কিছু সম্মেলন শেষ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। হানিফ বলেন, ‘এর মাঝেও আমরা সীমিতভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছি। এই কোভিডের মধ্যেও অনেক ইউনিয়ন পর্যায়ে আমরা সম্মেলনগুলো শেষ করেছি। এমনকি একটি জেলা সম্মেলনও করতে পেরেছি।’

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তারা। করোনা পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে না আসায় আরও কিছুটা সময় জনসমাগম এড়িয়ে চলতে চাইছে দলটি। তবে তৃণমূলে যে সংকট তৈরি হচ্ছে, তারও সমাধান করতে চান তারা।

দলের কেন্দ্রীয় নেতা বলছেন, খুব শিগগিরই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবেন তারা। দলের জাতীয় কাউন্সিলের আগেই থমকে থাকা সম্মেলনগুলোও শেষ করতে চায় দল।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘এখনও করোনার প্রকোপটা হয়তো কমে নাই, কিন্তু মানুষের মধ্যে আতংক কমে গেছে। এ কারণে আমরা আমাদের সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির চিন্তা করছি। কর্মসূচিও নিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই আমাদের সাংগঠনিক তৎপরতা চালানো চিন্তা করেছি।

‘আমাদের লক্ষ্য আছে, জাতীয় কাউন্সিলের আগেই আমাদের সমস্ত জেলা উপজেলা কমিটিগুলো ঢেলে সাজাব এবং এগুলো আপডেট করার লক্ষ্যে আমরা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছি। জেলা উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করা হচ্ছে তাদের গাইডলাইন দেয়া হচ্ছে। আমাদের ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সম্মেলনের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। জুন-জুলাইয়ের পরে হয়ত করোনার প্রভাবটা কিছুটা কমে যাবে। আমরা জুলাইয়ের শেষে অথবা এরপর থেকে কাউন্সিলের কাজগুলো শেষ করব।’

নেতারা বলছেন, তারা দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন। তার নির্দেশনা পেলেই দল গোছাতে মাঠে নামবেন নেতারা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে আমরা কিছু কিছু কাজ শুরু করেছি, বিভিন্ন পর্যায়ে। সাংগঠনিক কার্যক্রম ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে শুরু করব। আমাদের করোনার সাথে খাপ খাইয়ে বাস্তবতার ভিত্তিতে সব কিছু সমন্বয় করতে হবে।

‘আমরা সে হিসেবে কাজ করা শুরু করেছি। এখন ঘোষণার অপেক্ষামাত্র। করোনার জন্য বসে থাকা যাবে না। জীবন-জীবিকা যখন কোনোটিকেই অবহেলা করা যায় না। আমরা এতদিন অপেক্ষা করেছি। যেহেতু এর কোনো নির্দিষ্ট সীমা এখনও আমরা পাচ্ছি না, সব মিলিয়েই আমাদের পথ চলতে হবে। কার্যক্রম আমরা বাড়াব। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে আগামীতে কর্মসূচি নেব। আর সময় নষ্ট করতে চাই না।’

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের

সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সব শাখায় সংগঠনের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে সারাদেশে সাংগঠনিক টিম’ গঠনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

তৃণমূলে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা শাখায় সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সংসদ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সই করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সব শাখায় সংগঠনের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে সারাদেশে সাংগঠনিক টিম’ গঠনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌর শাখায় জেলা ও মহানগরের কার্যনির্বাহী সংসদের নেতাদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাংগঠনিক টিম গঠন করতে বলা হয়েছে।

এই সাংগঠনিক টিম সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে উপজেলা, থানা ও পৌর শাখার বিদ্যমান সাংগঠনিক সমস্যাসমূহ দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

একই ভাবে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিটের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের নেতাদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাংগঠনিক টিম গঠন করতে বলা হয়েছে।

এই টিমগুলো সংশ্লিষ্ট উপজেলা, থানা বা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিট শাখার বিদ্যমান সাংগঠনিক সমস্যাসমূহ দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

৩ উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি নির্ধারণ শনিবার

৩ উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি নির্ধারণ শনিবার

৩ আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের ৯৪ জন নেতা-কর্মী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র তুলেছেন কুমিল্লা-৫ আসন থেকে, ৩৫ জন। এছাড়াও ঢাকা-১৪ তে ৩৩ ও সিলেট-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিট চেয়েছেন ২১ জন।

আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় ৩ উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি কে হবেন তা নির্ধারণ হবে শনিবার। সকাল ১১টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বোর্ডের অন্য সদস্যরাও এতে উপস্থিত থাকবেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা-১৪, কুমিল্লা-৫ ও সিলেট-৩ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জুলাই। নির্বাচন সামনে রেখে গত ৪ জুন থেকে দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করে আওয়ামী লীগ। মনোনয়ন গ্রহণ ও জমা দেয়া শেষ হয় বৃহস্পতিবার।

এই ৩ আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের ৯৪ জন নেতা-কর্মী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র তুলেছেন কুমিল্লা-৫ আসন থেকে, ৩৫ জন। এছাড়াও ঢাকা-১৪ তে ৩৩ ও সিলেট-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিট চেয়েছেন ২১ জন।

গত ২ জুন নির্বাচন কমিশন এক বৈঠকে ঢাকা, কুমিল্লা ও সিলেটের মোট ৩টি আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

ঘোষণা অনুযায়ী ১৫ জুন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। মনোনয়ন বাছাই হবে ১৭ জুন। ১৮, ১৯ ও ২০ জুন আপিলের দিন ঠিক করা হয়েছে। প্রার্থিতা বাতিলের শেষ দিন ২৩ জুন। প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ২৪ জুন।

বিএনপি আগ্রহ না দেখালেও সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এরই মধ্যে আসনগুলোতে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক ঢাকা-১৪, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ আতিকুর রহমান সিলেট-৩ এবং জসিম উদ্দিনকে কুমিল্লা-৫ আসনে লাঙ্গল নিয়ে লড়বেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ৪ এপ্রিল আসলামুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা-১৪, ১৪ এপ্রিল আবদুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে কুমিল্লা-৫ আর ১১ মার্চ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের মৃত্যুতে ফাঁকা হয় সিলেট-৫ আসন।

শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনে ভোট করতে বাধ্য নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

আ.লীগের প্রচারে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ

আ.লীগের প্রচারে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ

‘জননেত্রীর সুদক্ষ নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী ব্যবস্থাপনার কারণেই করোনার সময়েও বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।’

দলীয় প্রচারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ এসেছে আওয়ামী লীগের এক সভায়।

শুক্রবার দুপুরে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে কেন্দ্রীয় দপ্তর ও উপ-দপ্তর সম্পাদকের সঙ্গে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকদের এক সভায় এ তাগিদ দেয়া হয়।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর বিভাগ থেকে ধাপে ধাপে ৮টি বিভাগের জেলাগুলোর দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকদের সঙ্গে ক্রমান্বয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় দলীয় কাজের ব্যবস্থাপনায় তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

সভা শেষে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সংসদের উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান জানান, সভায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে প্রচার-প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ নিয়ে কথা হয়।

‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৃণমূল পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতের পাশাপাশি দলীয় প্রচার-প্রচারণায় উদ্বুদ্ধ করার বিষয়টি আলোচনা হয়। এছাড়াও গুজবের বিরুদ্ধে মানুষকে কীভাবে সচেতন করা যায় এবং বিরোধী শিবিরের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কীভাবে পাল্টা জবাব নির্ধারণ করা যায়—তা তুলে ধরা হয়।’

সভায় রাজশাহী বিভাগে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলতে নেতাদেরকে আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘সংগঠনে দপ্তর বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় বিভাগ। দপ্তর বিভাগ সচল থাকলে সংগঠনে প্রাণশক্তির সঞ্চার হয়। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি বছর বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন।

‘জননেত্রীর সুদক্ষ নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী ব্যবস্থাপনার কারণেই করোনার সময়েও বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।’

আরও পড়ুন:
সেই রিকশাচালক ছাত্রলীগ নেতার পাশে কাদের মির্জা
জীবন পাল্টে যাচ্ছে রিকশা চালানো ছাত্রলীগের ফারুকের
ছাত্রলীগের সেই ফারুকের পাশে প্রধানমন্ত্রী
দাপুটে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক এখন রিকশাচালক
ব্রজমোহনে উপাধ্যক্ষের যোগদান ঠেকাতে মরিয়া ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন