× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
শাল্লায় হেফাজতের হামলা আ লীগের সমালোচনায় ছাত্রলীগ নেতা
google_news print-icon

হেফাজতের হামলা: আ. লীগের সমালোচনায় ছাত্রলীগ নেতা

হেফাজতের-হামলা-আ-লীগের-সমালোচনায়-ছাত্রলীগ-নেতা
কয়েক হাজার মানুষ দা-লাঠিসহ মিছিল নিয়ে এসে ভাঙচুর করে ৮৭টি হিন্দু বাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে দেখলাম না সুনামগঞ্জের ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলতে ৷ আমরা কি ধরে নেব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেও সাম্প্রদায়িক লোকজন ঢুকে গেছে? আওয়ামী লীগে কি একটি অসাম্প্রদায়িক নেতাও নেই যে এ বিষয়ে কথা বলবে?’

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু গ্রামে হামলার ঘটনায় ‘মুখ না খোলায়’ আওয়ামী লীগ নেতাদেরও সমালোচনা করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ সমালোচনা করেন তিনি।

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে ‘সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে জড়িত সবার গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে’ এ সমাবেশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। একই দাবিতে এর আগে মধুর ক্যানটিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা ৷ মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে দেখলাম না সুনামগঞ্জের ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলতে ৷ আমরা কি ধরে নেব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেও সাম্প্রদায়িক লোকজন ঢুকে গেছে? আওয়ামী লীগে কি একটি অসাম্প্রদায়িক নেতাও নেই যে এ বিষয়ে কথা বলবে?

‘ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের চেয়েও অনেক প্রাচীন সংগঠন৷ আমরা সব সংগঠনের ভুল ধরতে পারি ৷ আমরা কোনো ভুল করি না।’

একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সমর্থকরা বুধবার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে ৮৭টি হিন্দুবাড়ি। এসব ঘর থেকে টাকাপয়সা-স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় তারা।

আরও পড়ুন: হেফাজত জড়ো মসজিদের মাইকে, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

সমাবেশে সুনামগঞ্জে হামলার প্রতিবাদ যারা করেনি তাদের জন্ম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সনজিত। বলেন, ‘যারা সুনামগঞ্জের সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ করেনি তাদের জন্ম নিয়ে আমার প্রশ্ন রয়েছে৷ কারণ যারা এই সাম্প্রদায়িক হামলার পেছনে রয়েছে, তাদের যারা মৌন সমর্থন দেয় তারাও এই হামলার পেছনে ইন্ধন জোগাচ্ছে ৷’

হেফাজতের হামলা: আ. লীগের সমালোচনায় ছাত্রলীগ নেতা
বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ সমাবেশে

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবার বেলা ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মোদিবিরোধী সমাবেশের ডাক দিয়েছে প্রগতিশীল ৯টি ছাত্রসংগঠন।

এ সমাবেশ প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

আরও পড়ুন: ‘জীবন বাঁচানির লাগি হাওরও আশ্রয় নিছি’

সমাবেশে সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘কালকে তোদের সঙ্গে দেখা হবে৷ তোদের কলিজা টেনে ছিঁড়ে ফেলা হবে ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ দেখে নেবে কেমনে তোরা কালকে সমাবেশ করিস।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে, তখন বাম সংগঠনগুলো বিভিন্ন ধরনের পাঁয়তারা করছে৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম সংগঠনগুলো এখন জামাত-শিবিরের এজেন্ট। তারা কালকে রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ করবে।

‘আমরা তোদের ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলাম, ৯টি নয় তোদের ৯০ হাজার সংগঠন এসেও যদি রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ করতে পারিস আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করব না৷ আমরা ১০ জন আদর্শের শক্তি দিয়ে তোদের ১০ হাজার জনের সঙ্গে লড়ব ৷ তোরা সীমা লঙ্ঘন করিস না। পিঠের চামড়া কিন্তু কারও থাকবে না।’


আরও পড়ুন: হিন্দু গ্রামে হামলা, দায় এড়াচ্ছেন হেফাজতের মামুনুল

ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘আজ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব৷ আমরা দেখব কারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতাবিরোধী প্রোগ্রাম দেয়।’

সমাবেশের সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

তিনি বলেন, যখন সুনামগঞ্জে সাম্প্রদায়িক হামলা ঘটে তখন এই বাম সংগঠনগুলো নীরবতা পালন করে। অথচ আরেক দেশের সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ঘটনা নিয়ে তাদের উচ্চকিত হতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: শাল্লায় হামলার পর র‍্যাব-পুলিশের অভয়


সাদ্দাম বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ সুচারুরূপে উদযাপন করা নাগরিক হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই নৈতিক দায়িত্ব যদি কেউ বাধাগ্রস্ত করতে চায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর জবাব দিতে রাজপথে প্রস্তুত রয়েছে।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইফুদ্দিন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বাঁধন, নাজমুল হক সিদ্দিকি নাজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন রহমান ও জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উৎপল বিশ্বাস।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
Sheikh Hasina returned from China empty handed Rizvi

শেখ হাসিনা চীন থেকে শূন্য হাতে ফিরেছেন: রিজভী

শেখ হাসিনা চীন থেকে শূন্য হাতে ফিরেছেন: রিজভী
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘শেখ হাসিনা চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন। আর আশ্বাস পেয়েছেন এক বিলিয়ন ইয়েনের। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফেরত এসেছেন তিনি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ বিক্রি করার মহাজন বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতকে নিরাপদ করতে বাংলাদেশকে অনিরাপদ করেছেন। বাংলাদেশকে ভারতের নয়া উপনিবেশ বানানোর চেষ্টা করছেন তিনি।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী ভবনে শনিবার ওলামা দলের পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘১৯৫ জন সফরসঙ্গী নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শূন্য হাতে দেশে ফিরেছেন।

‘শেখ হাসিনা চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন। আর আশ্বাস পেয়েছেন এক বিলিয়ন ইয়েনের। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফেরত এসেছেন তিনি।’

সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেন, ‘দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, কর্তৃত্ববাদী শাসন-শোষণের ফলে দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে।’

ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল হোসেনের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, এটিএম আবদুল বারী ড্যানী, মাওলানা আলমগীর হোসেন, ক্বারী গোলাম মোস্তফা, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম ও মাওলানা মাসুম বিল্লাহ।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবস্থান ‘জাতীয় তামাশা’: রিজভী
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রোববার সারা দেশে বিএনপির দোয়া মাহফিল
বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ পরিকল্পনায় উদ্বেগ বিএনপির
বাংলাদেশ কার স্বার্থ রক্ষা করছে- মিয়ানমার ইস্যুতে প্রশ্ন রিজভীর
আজিজ-বেনজীরের মতো অনেক রূপকথার কাহিনী আছে: রিজভী

মন্তব্য

রাজনীতি
Quota activists claim unconstitutional who

কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের

কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধানবিরোধী বলে শনিবার মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিরোধী। কোটা নিয়ে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।

‘গেল কয়েকটি বছরে কোটা না থাকায় নারীদের অংশগ্রহণ হতাশাজনক। পিছিয়ে পড়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও।’

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কোটার পরিসংখ্যান তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে কোটায় নিয়োগ সবচেয়ে কম। ভারতে ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৯২.৫ শতাংশ, নেপালে ৪৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৫০ শতাংশ চাকরিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ৬০ শতাংশ কোটা চালু রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনের আগে পেনশন নিয়ে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ১৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি আলোচনায় অংশ নেন।

এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘পেনশন স্কিম ২০২৪ না ২০২৫, এ নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তা দূর হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের পহেলা জুলাই থেকে সবার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম।’

শিক্ষকদের অন্যান্য দাবি নিয়ে কাদের বলেন, ‘আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অচিরেই সমাধান হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

রাজনীতি
Quader meeting with the protesting teacher leaders

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতা ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে ওই বৈঠক শুরু হয়।

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম প্রত্যাহারসহ তিন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে শনিবার বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে ওই বৈঠক শুরু হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও নীল দলের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সামাদ বলেন, ‘উনার (ওবায়দুল কাদের) সাথে যে বৈঠক হবে, সেটা বেশ কিছু দিন ধরেই বোঝা যাচ্ছিল। অবশেষে আজকে উনি আমাদের সাথে বৈঠকে বসেছেন। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষক ফেডারেশন সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্তরা সেখানে গিয়েছেন।’

বৈঠকে শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম, মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক শফিউল আলম ভূইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে একবার শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও কাদেরের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির ব্যস্ততার কথা জানিয়ে সেটি বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন:
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের
কোটার আন্দোলনকে সরকারবিরোধী রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি: কাদের
জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটানো আন্দোলন রুখে দেবে ছাত্রলীগ: সভাপতি
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান কাদেরের

মন্তব্য

রাজনীতি
Demands of agitators about quota are not correct Salim Mahmud

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। ফাইল ছবি
সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘তারা বলছে, সরকারি চাকুরিতে কোটায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীরা মেধার চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে এবং এর ফলে মেধা ক্যাটাগরির প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। ৩৩তম, ৩৫তম এবং ৩৬তম—এই তিনটি বিসিএস পরীক্ষায় গড়ে প্রায় ৭২ শতাংশ প্রার্থীকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘তারা বলছে, সরকারি চাকুরিতে কোটায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীরা মেধার চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে এবং এর ফলে মেধা ক্যাটাগরির প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। ৩৩তম, ৩৫তম এবং ৩৬তম—এই তিনটি বিসিএস পরীক্ষায় গড়ে প্রায় ৭২ শতাংশ প্রার্থীকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

‘সেখানে গড়ে মাত্র ২৮ শতাংশ প্রার্থী কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছে। বিগত পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের সংখ্যা পাঁচ শতাংশের নিচে ছিল। সর্বশেষ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শূন্য পদগুলোতে মেধা তালিকা থেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে দেশের কোটা ব্যবস্থাপনার প্রকৃত চিত্র উঠে আসেনি। তারা কিছু সস্তা চিন্তার ও লোকদেখানো বিষয় উপস্থাপন করছে।‌ তারা এমনভাবে উপস্থাপন করছে‌ যেন কেবল কোটার অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদেরই নিয়োগ দেয়া হচ্ছে অথবা সিংহভাগ নিয়োগ কোটা থেকেই দেয়া হচ্ছে। ‌

‘বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই (কোটা চালু অবস্থায়) সরকারি চাকুরিতে সবচেয়ে কম প্রার্থীদের কোটা থেকে নিয়োগ দেয়া হয় (২৮%)।’

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘বর্তমানে ভারতে সরকারি চাকুরিতে ৬০% কোটার ভিত্তিতে ও ৪০% মেধার ভিত্তিতে, পাকিস্তানে ৯২.৫% কোটা ও মাত্র ৭.৫% মেধার ভিত্তিতে, নেপালে ৪৫% কোটা ও ৫৫% মেধার ভিত্তিতে, শ্রীলঙ্কায় ৫০% কোটা ও ৫০% মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কার বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভর্তির ক্ষেত্রে ৬০% জেলা কোটা বিদ্যমান রয়েছে। ‌

‘কোটায় অন্তর্ভুক্ত আর মেধাবী এ দুটো বিষয় যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, তাতে মনে হয় কোটার মাধ্যমে চাকরি প্রার্থীরা মেধাবী নয়। তারা অবশ্যই মেধাবী। কারণ একই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা পাস করে সংবিধানের আলোকে প্রণীত সরকারি নীতি অনুযায়ী অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘আধুনিক গণতান্ত্রিক উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই সরকারি চাকুরিতে কোটা ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে। এর কারণ হচ্ছে উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রায় সকল দেশই দীর্ঘসময় ধরে উপনিবেশ ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে তারা শোষণ আর নিপীড়নের কবলে ছিল। ফলে স্বাধীনতা লাভের পরও এ সকল দেশে উপযুক্ত জাতি গঠন প্রক্রিয়া, উন্নয়ন, সুযোগের সমতা ও সুষম বণ্টন এবং জনগণের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি অর্জিত হয়নি।

‘‌এ কারণে রাষ্ট্রের সকল অঞ্চল, সম্প্রদায় ও শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতে সরকারি চাকুরিতে ন্যায্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ পায়, সে বিষয়টি লক্ষ রেখে রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণীত হয়। এটিই প্রকৃত অর্থে কোটা ব্যবস্থা।’ ‌

আরও পড়ুন:
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

রাজনীতি
The anti independence forces fueled the quota movement Who?

কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের

কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সবসময় আন্তরিক। তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাব, আপনারা কারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে? সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাদের পক্ষেই আছে। এরপর আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনকে উসকানি দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখায় সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।’

তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে বিএনপি-জামায়াত অপশক্তির অপরাজনীতি এবং ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই বিবৃতি বলে তাতে উল্লেখ করা হয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এই আদেশের পর হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনো কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এরপরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর জনগণ আস্থাহীন হয়ে পড়বে। একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লুটার অপচেষ্টা করছে।

‘আমরা বিশ্বাস করি না, কোমলমতি সব শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তারাই আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।’

কাদের বলেন, ‘যে কোনো আন্দোলন হলেই বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা সেটাকে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে। এখন তারা কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ, তাদের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল– দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সবসময় আন্তরিক। কোনো যৌক্তিক দাবি কখনোই আওয়ামী লীগের কাছে উপেক্ষিত হয়নি। আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি জনকল্যাণকর উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাব, আপনারা কারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না।’

বিবৃতিতে বলা হয়, চূড়ান্ত শুনানিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আরও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে এ বিষয়ে নিষ্পত্তি করবে। আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের বিষয়গুলো চূড়ান্ত শুনানিকালে আমলে নিয়ে বাস্তবসম্মত চূড়ান্ত রায় প্রদান করবে এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আমরা আন্দোলনকারীদের ধৈর্য্য ধারণের আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে এ ধরনের সব কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আবারও অনুরোধ জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি চাই না: কাদের
ভারত রাজনৈতিক বন্ধু, চীন উন্নয়নের বন্ধু: কাদের
বিএনপির কারণে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সংকটের সমাধান দুরূহ: কাদের
মন্ত্রী-সচিব-রাজনীতবিদরা সৎ হলে দুর্নীতি থাকবে না
বিএনপি নেতারা কূটনৈতিক ভাষা জানেন না: ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

রাজনীতি
Children of BNP Jamaat have entered the field in the name of quota reform
সিলেটে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক নিখিল

কোটা সংস্কারের নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্তানেরা মাঠে নেমেছে

কোটা সংস্কারের নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্তানেরা মাঠে নেমেছে শুক্রবার সিলেটে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাইনুল হোসেন খান নিখিল। ছবি: নিউজবাংলা
যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে জামায়াত-বিএনপি। কোটা সংস্কারের নামে নিজেদের সন্তান মাঠে নামিয়েছে তারা। এতদিন দলের ব্যানারে আন্দোলন করে সফল হতে পারেনি। এবার তারা কোটা সংস্কারের নাম নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে।’

আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এমপি বলেছেন, ‘নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে জামায়াত-বিএনপি। কোটা সংস্কারের নামে তাদের সন্তান মাঠে নামিয়েছে তারা। এতদিন দলের ব্যানারে আন্দোলন করে সফল হতে পারেনি। এবার তারা কোটা সংস্কারের নাম নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে।’

শুক্রবার দুপুরে সিলেটে বন্যাকবলিতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণকালে তিনি এসব বলেন।

নিখিল বলেন, ‘যুবলীগ-ছাত্রলীগসহ আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মীরা যখন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তখন দেশবিরোধী চক্র জামায়াত-বিএনপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ৩১ কোটি টাকার বিদেশি লবিস্ট নিয়োগ করে। এতে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘যুবলীগ এলিট শ্রেণির সংগঠন নয়। এটি শ্রমিক ও মেহনতি মেধাবী যুবকদের সাংগঠনিক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি রাজনৈতিক সংগঠন। শিক্ষিত ও সাধারণ মানুষকে নিয়ে গঠিত যুবসংগঠন। এখানে কোনো অনুপ্রবেশকারী, দুষ্কৃতকারী, দুর্নীতি ও ক্যাসিনোবাজদের ঠাঁই নেই।’

সিলেট মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে শুক্রবার সিলেট সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে, জেলা যুবলীগের উদ্যোগে বিকেল ৩টায় দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজারে ও বিকেল ৪টায় ওসমানীনগরে বন্যাদুর্গত ক্ষতিগ্রস্ত গরিব-দুস্থদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘যুবলীগ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সিলেট মহানগর যুবলীগ একটি সুশৃঙ্খল যুব সংগঠন। আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নেতৃত্বে যুবলীগ আজ মানবিক যুবলীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

সিলেট জেলা যুবলীগ সভাপতি ও ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ ভিপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহমদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. রেজাউল কবির, যুবলীগ সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মুকিত চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য গিয়াস উদ্দিন আজম, ইঞ্জিনিয়ার মো. মুক্তার হোসেন চৌধুরী কামাল, ড. বিমান বড়ুয়া, নুরুল ইসলাম নুর মিয়া, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুসফিক জায়গীরদার, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
কাফনের কাপড়ের সঙ্গে হত্যার হুমকির চিরকুট, অভিযোগ যুবলীগ নেতার
কুমিল্লায় যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, ধারণা পুলিশের
স্বাধীন তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে জিয়ার ‘মুখোশ উন্মোচন’ করতে হবে: শেখ পরশ
ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন
যুবলীগ নেতাকে মারধরের মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান জেলে

মন্তব্য

রাজনীতি
The country has sunk in all directions under the fascist regime Khusrau

ফ্যাসিস্ট রেজিমে দেশ সব দিক থেকেই ডুবে গেছে: খসরু

ফ্যাসিস্ট রেজিমে দেশ সব দিক থেকেই ডুবে গেছে: খসরু শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘কোটা আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করব- তারা যেভাবে কোটার জন্য লড়াই করছে তাদেরকে তাদের ভোটের জন্য এভাবে লড়াই করতে হবে। তাদেরকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য এভাবে লড়াই করতে হবে।’

ফ্যাসিস্ট সরকারের কারণে বাংলাদেশ সব দিক থেকেই ডুবে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফা ও ১ দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তিতে উপলক্ষে ‘৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

টানা বর্ষণে রাজধানীতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘দেশ আর্থিক ও রাজনৈতিকভাবে তো এমনি ডুবে গেছে। এখন আপনারা পানির ডুবা দেখতে পারছেন। এই ফ্যাসিস্ট সরকারের রেজিমের কারণে প্রকৃতপক্ষে সবদিক থেকেই বাংলাদেশ ডুবে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহর তো ডুবে যাবে। মেধাবী লোকজন তো আসতে পারছে না সামনের দিকে। যারা কাজকর্ম করেন, এই প্ল্যানিং থেকে শুরু করে এটা বাস্তবায়ন পর্যন্ত, সেখানে তো কিছু মেধাবী লোককে উঠে আসতে হবে। সেটা তো হচ্ছে না। দলীয় লোকজন দিয়ে যদি চালানো হয় তাহলে ঢাকা শহর ডুববে এবং সারা বাংলাদেশও ডুববে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কোটা বিষয়ে আমার বক্তব্য স্পষ্ট, এটি বাংলাদেশের মেধাবীদের ধ্বংস করতে চায়। যেভাবে তারা (আওয়ামী লীগ) সরকার চালাচ্ছে, যেভাবে শাসন ব্যবস্থা চালাচ্ছে, এরকম চলতে থাকলে আগামী দিনে মেধাবী বাংলাদেশের কোনো সুযোগ নেই, বাংলাদেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।

‘আজকের এই রেজিম ব্যবস্থা বাংলাদেশকে একটা মেধাবী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়, এটা আমার মনে হচ্ছে না। কারণ মেধাবীরা সত্য কথা বলে, মেধাবীরা সত্য পথে চলে, মেধাবীরা প্রতিবাদ করে, মেধাবীরা প্রতিরোধ করে।’

তিনি বলেন, ‘কোটা আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করব- তারা যেভাবে কোটার জন্য লড়াই করছে তাদেরকে তাদের ভোটের জন্য এভাবে লড়াই করতে হবে। তাদেরকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য এভাবে লড়াই করতে হবে।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা যে কর্মসূচি দিয়েছি ৩১ দফার, এই ৩১ দফা একটা চমৎকার কর্মসূচি। কিন্তু কনস্টিটিউশনে কী কী পরিবর্তন আনলে মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার পাবে, সে কথা কি মানুষ ভালো করে বোঝে?

‘সাধারণ মানুষ বরং সিএমএম কোর্টে গেলে বুঝতে পারে কত বড় অনাচার চলছে। কারণ তার পাওনা জামিন, সেই জামিন দেয় না। কারণ ঘুষ না দিলে কোনো কাজ হয় না। তারা মনে করে এটার কী রকম করে পরিবর্তন করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এজন্য আরও কথা আসছে- যেরকম করে যুক্তফ্রন্ট হয়েছে, যেরকম করে কংগ্রেস কর্মসূচি দিয়েছে, যেরকম করে কেজরিওয়াল দিয়েছে, সেরকম করে কর্মসূচি হতে হবে। এই যে কোটার দাবি, সেটাও আমাদের দাবিনামার মধ্যে আসতে পারে। যাতে ছাত্রদেরও আমরা অন্তর্ভুক্ত করতে পারি এবং বড় আন্দোলনের পথে পা বাড়াতে পারি।

‘আমাদের সবাইকে মিলে লড়াইটা করতে হবে। সেই লড়াইটা হচ্ছে এই সরকারের পতন। যেরকম করে ছাত্ররা বৃহস্পতিবার ব্যারিকেড ভেঙেছে, সেরকম করে লড়াইয়ের চিন্তা করি।’

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, ৫৩/৫৪ বছর পরে একটা জাতি-রাষ্ট্র তাদের নিয়োগ পদ্ধতি কী হবে। সেটা হবে মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে। এটা নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।

‘কোটা আন্দোলন ইতোমধ্যে জনগণের মন স্পর্শ করেছে। ছাত্র-তরুণরা বাস্তবে সমগ্র জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে এখন প্রতিনিধিত্ব করছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, এটা মামলা মোকাদ্দমার বিষয় না। এটা রাজনৈতিক বিষয়, এটা একটা প্রশাসনিক বিষয়। সুতরাং আজকে সরকারকে নীতিগতভাবে কোটা সংস্কারের দাবি গ্রহণ করে খুব দ্রুত একটা কমিশন গঠন করে কিভাবে মেধার ভিত্তিতে আমাদের চাকরিতে নিয়োগ হবে, সে ব্যাপারে কার্যকর বিশ্বাসযোগ্য উদ্যোগ নিতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে গণতন্ত্র মঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘এই দেশে কেবল একটা শাসন নয়, এই রাষ্ট্রটাই জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাকে দমন করে শাসন করে এই রাষ্ট্র লুট করবে, এই রাষ্ট্র তাদের দাপট দেখাবে, এটাই তাদের (সরকার) কাজ। এটাকেই তারা চিরস্থায়ী করতে চায়।

‘এর বিরুদ্ধে আজ বিরোধী দলগুলো একটা ঐক্য গড়ে তুলেছে যে, এভাবে রাষ্ট্র চলতে পারে না, এরকম শাসন চলতে পারে না। এই ফ্যাসিস্ট সরকার কোনো কথাই শুনছে না। আমাদেরকে আন্দোলনের জায়গায় যেতে হবে। মানুষ আশা করে বিরোধী দলগুলো আবার বড় আকারের সংগ্রাম গড়ে তুলে এই সরকারকে বিদায় করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। সেই লড়াই গড়ে তুলবেন, এই আশাবাদ রাখছি।’

সভায় অন্যান্যের মধ্যে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, গণঅধিকার পরিষদের অপর অংশের আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান, আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
মামলার ৯ বছর পর আমীর খসরুসহ ৪৫৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন
ক্ষমতা দখল করতে বিএনপি নেতাকর্মীদের জেলে নেয়া হয়: আমীর খসরু
আন্দোলন শেষ হয়নি বরং শুরু হয়েছে: আমীর খসরু
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফেরানোর আন্দোলন চলবে: ফখরুল
মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরুর জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

মন্তব্য

p
উপরে