× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
রাজনীতিতে আস্ফালন ভোটে ‍শূন্য
google_news print-icon

রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য

রাজনীতিতে-আস্ফালন-ভোটে-‍শূন্য
রাজনীতির মাঠে প্রায়ই উত্তাপ ছড়ালেও দিন দিন ভোটের লড়াই থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ইসলামী দলগুলো। ছবি: নিউজবাংলা
কওমি ঘরানার দলগুলো নানা ধর্মীয় সমাবেশে দেশের সিংহভাগ মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করার কথা বলে করে নানা দাবি তুলে থাকে। কিন্তু নির্বাচনের সময় জনগণের কাছে গিয়ে দলগুলো প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে বরাবর। ভোটের মাঠে তাদের সমর্থন শূন্য প্রায়।

প্রায়শ সভা সমাবেশ বা ধর্মীয় আলোচনায় ৯০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা বলে উত্তেজক বক্তব্য রাখা ধর্মীয় দলগুলো ভোটের মাঠে একেবারেই দুর্বল।

জাতীয় নির্বাচনগুলোতে জোটের প্রার্থী হিসেবে বড় দলের সমর্থনে কখনও কখনও জিতে আসলেও একক শক্তিতে জয়ের উদাহরণ নেই বললেই চলে। স্থানীয় নির্বাচনগুলোতেও যে তারা ভালো করে এমন নয়।

গত ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ২৪টি পৌরসভা নির্বাচনে নয়টিতে প্রার্থী ছিল ইসলামী আন্দোলনের। এর মধ্যে বরিশালের একটি পৌরসভায় বহু ব্যবধানে দ্বিতীয় হলেও বাকি কোনোটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই আসতে পারেননি কেউ।

আর জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর প্রার্থী পাওয়া গেছে একটিতে। জামানত হারিয়েছেন তিনিও। বাকি দলগুলোর প্রার্থীই ছিল না।

আগামী ১৬ জানুয়ারি পৌর নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে যে ৬১ পৌরসভায় ভোট হচ্ছে, সেখানেও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে কেবল ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে। তাও অর্ধেকের কম, ২৯টি পৌরসভায় আছে হাতপাখার প্রার্থী।

ভোটের মাঠে দুর্বল হলেও ইদানীং প্রায়ই ক্ষমতায় গিয়ে রাষ্ট্র চরিত্র পাল্টে দেয়ার কথা বলছেন নেতারা। হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফতে মজলিসের নেতা মামুনুল হক সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে এমনও বলেন, ক্ষমতায় গিয়ে তারা সব ভাস্কর্য ভেঙে ফেলবেন। কিন্তু তারা ভোটে ক্ষমতায় আসার মতো শক্তি অর্জন করতে পারবেন, এমন বিশ্বাস নেই খোদ দলটির নেতাদের মধ্যেই।

রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে নিজেদের দলীয় প্রতীকে ভোটের ময়দানে লড়ার অধিকার হারিয়েছে দেশের বৃহত্তম ইসলামী দল জামায়াতে ইসলামী।

বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় জামায়াতে ইসলামী। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরা দলটি এখন দলীয় প্রতীকে ভোটের অধিকার হারিয়েছে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন বাতিল হওয়ায়।

নিবন্ধিত ১২টি দলের মধ্যে এই মুহূর্তে ভোটে ভালো করছে ইসলামী আন্দোলন, যদিও তারা মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উঠে আসার ক্ষেত্রে অনেক দূরে।

বাকি ১১টি দলের মধ্যে চারটি আছে আওয়ামী লীগের জোটে। পাঁচটি দল আছে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোটে, যদিও এক সময় তারা নারী নেতৃত্বকে হারাম বলত।

দুটি দল ২০ দল থেকে বেরিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে চারটি কোনো জোটে নেই।

ধর্মভিত্তিক সবচেয়ে ‍প্রাচীন দুই দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন। বাকিদের অবস্থাও একই রকম।

পৌর নির্বাচনে কেমন ভোট পড়ল?

গত ২৮ ডিসেম্বরের পৌর নির্বাচনে দলের নয় জন প্রার্থীর মধ্যে একজন সাড়ে চার হাজারের মতো ভোট পেয়েছেন। বাকিদের বাক্সে পড়েছে নগণ্য সংখ্যক ভোট।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রার্থী হাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১৪৩ ভোট। রংপুরের বদরগঞ্জ সাদ্দাম হোসেন পেয়েছেন ৩২৭ ভোট, কুড়িগ্রামে আব্দুল মজিদ পেয়েছেন চার হাজার ৮৫, সিরাজগঞ্জের জেলার শাহজাদপুরে খন্দকার ইমরান হোসেন পান এক হাজার ৮৭ ভোট পান।

দলটির ঘাঁটি বরিশালের উজিরপুরে কাজী মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ভোট পান ৬১০ ও বাকেরগঞ্জে মাওলানা খলিলুর রহমান পান দুই হাজার ৪১১ ভোট। তিনি এই পৌরসভায় দ্বিতীয় হয়েছেন।

ঢাকার ধামরাইয়ে শওকত আলী পান ২৭২ ভোট, পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নূরুল ইসলাম পান ৫৭০ ভোট।

সবচেয়ে বেশি ভোট পান চুয়াডাঙ্গার তুষার ইমরান সরকার। তার বাক্সে পড়ে চার হাজার ৫৯৭ ভোট।

ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে জানান, তারা ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের ভোটে ৬১ পৌরসভার মধ্যে ২৯ জন ও তৃতীয় ধাপে ৩০ জানুয়ারি ৬৪ পৌরসভায় ৩৩ জন প্রার্থী দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আশাবাদী বলেই তো আমরা প্রার্থী দিয়েছি। এখন মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরিবর্তন চায়। আমরা মনে করছি মানুষ যদি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে আমাদের প্রার্থীরা জয়লাভ করবে।

‘আমরা তো মনে করি আমরা যেহেতু ইসলামী দলের মধ্যে একমাত্র প্রার্থী দিয়েছি। শুধুমাত্র আমাদের শক্তি দিয়ে নয়, মুসলমানদের ভোট আমরা পাব।’

রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ভোটের বাক্সে সাড়া নেই। অথচ ক্ষমতায় গিয়ে রাষ্ট্র চরিত্র পাল্টে দেয়ার স্বপ্ন দেখে খেলাফতে মজলিস। ছবি: নিউজবাংলা

কিন্তু আপনারা যেভাবে বলেন, সেভাবে ভোট তো পান না- এমন প্রশ্নে এই নেতা বলেন, ‘এবারের নির্বাচনেও কিন্তু আমাদের প্রার্থীদের বল প্রয়োগ করে হুমকি দেয়া হয়েছে।’

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভায় প্রার্থী দিয়ে আলোচনাতে আসতে পারেনি। দলের প্রার্থী লোকমান আহমদ ৪৩৩ ভোট পেয়েছেন। তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পৌরসভা নির্বাচনে আমরা প্রার্থী দিচ্ছি। এ বিষয়ে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে। তবে কয়টিতে প্রার্থী দেয়া হয়েছে আমি বলতে পারছি না।’

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর একাংশের নেতা মুফতি ওয়াক্কাস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা পৌর নির্বাচনে প্রার্থী দেইনি।’

কী কারণে দেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সব দল তো পৌর নির্বাচনে প্রার্থী দেয়নি। আমরাও তাই দেইনি।’

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে আলোচনায় আসা হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের রাজনৈতিক দল খেলাফত মজলিস কোনো পৌরসভায় প্রার্থী দেয়নি।

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান হেলাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত যে, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন করব না।’

দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জালাল উদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্র থেকেই নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ নেই। এ কারণে আমরা প্রার্থী দেইনি।

২০ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে খেলাফত মজলিস। দলটির দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক আব্দুল জলিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা পৌরসভা নির্বাচন বয়কট করছি এমন ঘোষণা দেইনি। তবে মেয়র পদে প্রার্থী দেইনি। কিন্তু অন্য পদে আমাদের প্রার্থী রয়েছে।‘

কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন লোক রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা এমন আশঙ্কা রয়েছে।’

তাহলে মেয়র বাদে অন্য পদে কেন নির্বাচন করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রার্থী নাই বিষয়টি এমন নয়।’

আওয়ামী লীগের সমর্থনে ১৪ দলীয় জোটের শরিক তরিকত ফেডারেশনের এক জন সংসদ সদস্য রয়েছে। কিন্তু পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয়নি তারাও।

চলমান পৌর নির্বাচন প্রসঙ্গে দলটির সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী নিউজবাংলাকে জানান, ‘পৌরসভা নির্বাচনে আমরা আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছি। মেয়র হিসেবে আমরা কোন প্রার্থী দেইনি।’

তিনি বলেন, ‘এই মূহুর্তে তরিকত ফেডারেশ মনে করে ১৪ দলকে শক্তিশালী করা দরকার।’

রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য

গোলাপফুল প্রতীক নিয়ে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নেয় জাকের পার্টি। দলটির একটি সমর্থক গোষ্ঠী থাকলেও ভোটের মাঠে তেমন সুবিধা করতে পারে নি দলটি। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৯০টি আসনে প্রার্থী দেয় জাকের পার্টি। কিন্তু কেউ বলার মতো ভোট পায়নি।

গত দুটি জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে কতটুকু সন্তুষ্ট- জানতে চাইলে দলটির মহাসচিব এজাজুর রসুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের আসন পাইতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। আমাদের কেউ যদি আসন না পায় আমাদের তাতে দুঃখ নেই।’

দলের জনপ্রিয়তা বহুগুণ বেড়েছে, এমন দাবিও করেন এই নেতা।

তাহলে ভোটে প্রতিফলন নেই কেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কেউ ভোট পাইল কি না, সেটা আমাদের হিসাব না। আমাদের উদ্দেশ্য হইলো নির্বাচনী প্রসেসকে সংহত করা।’

জাতীয় নির্বাচনে বড় দলের সমর্থন পেতে তোড়জোর

২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট করে ইসলামী ঐক্যজোট চারটি আসনে জয়ের পর থেকে জাতীয় নির্বাচনগুলোতে ধর্মভিত্তিক দলগুলো বড় দুই দলের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য নানা চেষ্টা করে আসছে।

দলগুলো এমন সব সংখ্যায় আসন দাবি করে, তা নিয়ে তাদের শরিকরা নানা সময় বিরক্তিও প্রকাশ করেছে।

২০০৭ সালের বাতিল হওয়া জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের জোটে যোগ দিয়ে খেলাফত মজলিস ছয়টি আসন চেয়েছিল।

গত নির্বাচনে বিএনপির কাছে ২০টির বেশি আসন দাবি করে জামায়াত ছাড়া ধর্মভিত্তিক বাকি দলগুলো।

আওয়ামী লীগের কাছেও ২০টির বেশি আসন দাবি করে তার ধর্মভিত্তিক দলের শরিকরা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
A League leader Suranjit Sengupta acquitted in Arif Babar Gouch murder case

আ.লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস আরিফ-বাবর-গউছ

আ.লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস আরিফ-বাবর-গউছ ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রেলমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার মামলায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর এবং সরকার দলীয় হুইপ জিকে গউছকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে এ রায় দেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার।

রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন তিনজনই। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেন আদালত।

সকালে আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন এই তিনজন—জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী।

আদালতে আসামিরা জানালেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি করে। শুরুতে এজাহারে তাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

হুইপ জিকে গউছ বলেছেন, ‘এই মামলার কারণে সাড়ে ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কেবল বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এ মামলায় আমাকে আসামি করা হয়। আমি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করছি।’

২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে তখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বিস্ফোরণে অল্পের জন্য বেঁচে যান এই নেতা।

তবে যুবলীগের এক কর্মী নিহত ও ২৯ জন আহত হন। ঘটনার পর দিরাই থানার তৎকালীন এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন।

গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন তিনি। দুই মামলায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর বাবর, আরিফুল, জিকে গউছসহ ১০ জনকে আসামি করে গঠন করা হয় অভিযোগ।

মন্তব্য

রাজনীতি
The 11 party alliance gave a new program of 36 days

৩৬ দিনের নতুন কর্মসূচি দিল ১১-দলীয় জোট

৩৬ দিনের নতুন কর্মসূচি দিল ১১-দলীয় জোট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত গঠন এবং বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব জেলা ও মহানগরে সেমিনার আয়োজন। এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কনের কর্মসূচি পালন করা হবে।

জোটের নেতারা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশের পাশাপাশি ৫ আগস্ট সারাদেশের জেলা, উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

রাজনীতি
Earlier he used to ride rickshaws now July sells Chetna and rides in a Prado
সংসদে বিএনপির এমপি

আগে রিকশায় চড়তেন, এখন জুলাই চেতনা বিক্রি করে প্রাডোতে চড়েন

আগে রিকশায় চড়তেন, এখন জুলাই চেতনা বিক্রি করে প্রাডোতে চড়েন ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে এক তীক্ষ্ণ বক্তব্য দিয়েছেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, কিছু ব্যক্তি জুলাই যুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে নিজেদের ভাগ্য বদলে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আক্তারুজ্জামান বলেন, “আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি। আমি নিজেও করেছি। আমাদের এইখানে যাঁরা আছেন, অনেকেই জুলাই যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরা করেছেন। কিন্তু অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন মাননীয় স্পিকার। আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না। আমরা জুলাইকে ধারণ করি।” তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, জুলাই বিপ্লব কোনো বিক্রয়যোগ্য পণ্য নয়। অথচ একদল মানুষ এই চেতনাকে হাতিয়ার করে রাতারাতি বিত্তশালী হয়ে উঠেছেন।

যাঁরা জুলাই চেতনা ‘বিক্রি’ করছেন তাঁদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, “আমি অনুরোধ করব উনারা আগে কিসে চড়তেন, এখন কিসে চড়েন? উনারা আগে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডোতে চড়েন। কোন বাসায় থাকেন উনারা, মাঝেমধ্যে লাইভ করেন, কোন বাসায় থাকেন একটু লাইভ করলে এই জাতি দেখত।” তিনি দাবি করেন, এই ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনই বলে দেয় তাঁরা কীভাবে বিপ্লবের আবেগকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছেন।

বাজেট প্রসঙ্গে আক্তারুজ্জামান উল্লেখ করেন যে, এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের দাম কমানো হয়েছে এবং শুধুমাত্র মদ ও সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা বাজেট’ বলে সমালোচনা করার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি রসিকতা করে বলেন, “আমরা শুনেছি, চানাচুর বাচ্চারা খায়। আবার বড়রাও খায়, কখন? অন্য কিছু খাওয়ার পরে নাকি চানাচুর খায়।” সরকারের এই জনবান্ধব বাজেট দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে দাবি করেন।

মন্তব্য

রাজনীতি
Chances of A League coming back in the next 50 years are slim Dr Mahbubur Rahman

আগামী ৫০ বছর আ. লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ: ডা. মাহবুবুর রহমান

আগামী ৫০ বছর আ. লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ: ডা. মাহবুবুর রহমান ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান জাতীয় সংসদে এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিগত বছরগুলোতে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজন্মকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে, যার ফলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে দলটির রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের ১৫তম দিনের বৈঠকে ডা. মাহবুবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ সরকার তাদের শাসনকালে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্নভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ তিনটি জেনারেশনকে ইনজুর্ড (আঘাত) করেছে। একটি হচ্ছে স্কুল, আরেকটি কলেজ, অন্য একটি ইউনিভার্সিটি।” তিনি নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং পরবর্তীতে সরকার পতনের আন্দোলনের উদাহরণ টেনে বলেন যে, এই তিনটি প্রজন্মের ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সাক্ষী হয়ে আছে।

সংসদ সদস্য আরও মন্তব্য করেন যে, এই তিনটি প্রজন্মের মানুষ যতক্ষণ জীবিত থাকবেন, ততক্ষণ আওয়ামী লীগের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে যে ক্ষত ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, তা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডের বিচার এবং নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য

রাজনীতি
Grocery stores should not be brought under VAT Rizvi

মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনা উচিত হবে না : রিজভী

মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনা উচিত হবে না : রিজভী ছবি: সংগৃহীত

ক্ষুদ্র মুদি ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ছোট ছোট মুদির দোকানের আয় অত্যন্ত সীমিত, তাই তাদের এই করের আওতায় আনা সমীচীন হবে না। এর পরিবর্তে যারা কর দেওয়ার প্রকৃত সক্ষমতা রাখা সত্ত্বেও করজালের বাইরে রয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় আনার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বর্তমান সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে রিজভী জানান, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রীয় সকল নীতি নির্ধারিত হবে। তিনি দাবি করেন, অতীতে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন কখনোই জনস্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। রাজনৈতিক নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও দলের জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভিত্তি অটুট রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে সরকারকে আরও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতায় অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামাঙ্কিত একটি সড়কের নাম পরিবর্তনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই পদক্ষেপকে ‘রুচিবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, উপমহাদেশের একজন প্রথিতযশা নেতার প্রতি এমন আচরণ কাম্য নয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি। বিপরীতে বাংলাদেশ ভারতের বিভিন্ন নেতার নামে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বহাল রেখে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিচয় দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর চলমান চীন সফর নিয়ে উচ্চাশা ব্যক্ত করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৮ বিলিয়ন ডলারের বিশাল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগ বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ সৌরশক্তি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর-সুবিধা প্রদানের বিষয়টিকে তিনি সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন প্রসঙ্গে রিজভী মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে দেশ একমুখী নীতির পরিবর্তে একটি শক্তিশালী বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্বাধীন ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এই কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য

রাজনীতি
BNP signed a memorandum of understanding with the Communist Party of China

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা স্মারক সই

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা স্মারক সই ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টি’ (সিপিসি)-র মধ্যে এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়। দুই দলের মধ্যে এ ধরনের আনুষ্ঠানিক সমঝোতা এটাই প্রথম, যা দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সমঝোতা স্মারকে বিএনপির পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও দলের যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) হুমায়ুন কবির। অন্যদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে স্বাক্ষর করেন দলটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিও হাইশিং। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও এই ঐতিহাসিক ক্ষণে বেইজিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সমঝোতা স্মারকের ফলে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দলের এই নিবিড় সম্পৃক্ততা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সমঝোতার বিস্তারিত বিষয়াদি নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য জানানো হবে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

রাজনীতি
Fascist mentality is reflected in the activities of opposition parties Rizvi

বিরোধীদলের কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়: রিজভী

বিরোধীদলের কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়: রিজভী রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের বিরুদ্ধে নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তোলা বিরোধীদলের নিজস্ব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই আসলে ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলে কোনো ধরনের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরের মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং সরকার রপ্তানি বাড়াতে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবে।

এ ছাড়া সংসদে জুয়া নিষিদ্ধ করার জন্য বিল উত্থাপনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড নির্মূলে বর্তমান সরকার যথাযথ উদ্যোগ নিচ্ছে এবং নির্বাচনের প্রাক্কালে দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সক্ষম রাষ্ট্র গড়ে তোলাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য

p
উপরে