× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
ফখরুল হাছানদের মুখে মুখে ক্যাপিটল হিল কাণ্ড
google_news print-icon

ফখরুল হাছানদের মুখে মুখে ক্যাপিটল হিল কাণ্ড

ফখরুল-হাছানদের-মুখে-মুখে-ক্যাপিটল-হিল-কাণ্ড
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
দেশটির কংগ্রেসের ক্যাপিটল হিল ভবনে ট্রাম্প সমর্থকদের চালানো তাণ্ডবের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের নেতারাই। দুই পক্ষই বলছেন, ট্রাম্পের সহিংসতার চেষ্টার পরেও জয়ী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল পাল্টে দিতে ডনাল্ড ট্রাম্পের চেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও। দেশটির কংগ্রেসের ক্যাপিটল হিল ভবনে ট্রাম্প সমর্থকদের চালানো তাণ্ডবের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের নেতারাই।

দুই পক্ষই বলছেন, ট্রাম্পের সহিংসতার চেষ্টার পরেও জয়ী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের পর ক্যাপিটল ভবনে তাণ্ডব নিয়ে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল হাছানদের মুখে মুখে ক্যাপিটল হিল কাণ্ড

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দলটি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাচনে হেরে গিয়েও একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর করে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমেরিকার প্রতিষ্ঠানগুলো, তাদের বিচার বিভাগ, পার্লামেন্ট ট্রাম্পের অপচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমন করার কারণেই আজকে আমেরিকায় গণতন্ত্র ধ্বংস করতে পারেনি। সেখানে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।’

রোববার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে একই রকম মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি আশা প্রকাশ করেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ভবন ক্যাপিটাল হিলে হামলার ঘটনাকে ‘ইতিহাসের জন্য কলঙ্ক’ বলেও অভিহিত করেন তথ্যমন্ত্রী।

ফখরুল হাছানদের মুখে মুখে ক্যাপিটল হিল কাণ্ড

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাপিটাল হিলে যে ঘটনাটি ঘটেছে এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।’

যুক্তরাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে আশা করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের যে যাত্রা, সেটা অব্যাহত থাকবে। যেটি ক্যাপিটাল হিলে হামলার পরও সেখানে অব্যাহত থেকেছে।’

৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জয় লাভ করেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে আসছিলেন নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।

নির্বাচনের বাইডেনের জয় আটকাতে মামলাও করেছিল ট্রাম্পের প্রচার শিবির। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মামলাগুলো খারিজ করে দেয়। এরপরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে জয়ী দাবি করে আসছিলেন ট্রাম্প।

৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণার তারিখ ছিল। ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া ট্রাম্প সমর্থকদের কংগ্রেসে অবস্থান নিতে আহ্বান জানান। এ দিন তার ডাকে সাড়া দিয়ে ক্যাপিটল হিল ভবনে অনুপ্রবেশ করে সমর্থকরা। এ সময় সংঘর্ষে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচ জন নিহত হন।

তবে ট্রাম্পের শেষ রক্ষা হয়নি। ওই দিনই নিয়মতান্ত্রিকভাবে জো বাইডেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কংগ্রেস।

২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করবেন জো বাইডেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
A League leader Suranjit Sengupta acquitted in Arif Babar Gouch murder case

আ.লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস আরিফ-বাবর-গউছ

আ.লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস আরিফ-বাবর-গউছ ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রেলমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার মামলায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর এবং সরকার দলীয় হুইপ জিকে গউছকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে এ রায় দেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার।

রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন তিনজনই। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেন আদালত।

সকালে আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন এই তিনজন—জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী।

আদালতে আসামিরা জানালেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি করে। শুরুতে এজাহারে তাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

হুইপ জিকে গউছ বলেছেন, ‘এই মামলার কারণে সাড়ে ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কেবল বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এ মামলায় আমাকে আসামি করা হয়। আমি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করছি।’

২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে তখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বিস্ফোরণে অল্পের জন্য বেঁচে যান এই নেতা।

তবে যুবলীগের এক কর্মী নিহত ও ২৯ জন আহত হন। ঘটনার পর দিরাই থানার তৎকালীন এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন।

গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন তিনি। দুই মামলায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর বাবর, আরিফুল, জিকে গউছসহ ১০ জনকে আসামি করে গঠন করা হয় অভিযোগ।

মন্তব্য

রাজনীতি
The 11 party alliance gave a new program of 36 days

৩৬ দিনের নতুন কর্মসূচি দিল ১১-দলীয় জোট

৩৬ দিনের নতুন কর্মসূচি দিল ১১-দলীয় জোট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত গঠন এবং বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব জেলা ও মহানগরে সেমিনার আয়োজন। এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কনের কর্মসূচি পালন করা হবে।

জোটের নেতারা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশের পাশাপাশি ৫ আগস্ট সারাদেশের জেলা, উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

রাজনীতি
Earlier he used to ride rickshaws now July sells Chetna and rides in a Prado
সংসদে বিএনপির এমপি

আগে রিকশায় চড়তেন, এখন জুলাই চেতনা বিক্রি করে প্রাডোতে চড়েন

আগে রিকশায় চড়তেন, এখন জুলাই চেতনা বিক্রি করে প্রাডোতে চড়েন ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে এক তীক্ষ্ণ বক্তব্য দিয়েছেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, কিছু ব্যক্তি জুলাই যুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে নিজেদের ভাগ্য বদলে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আক্তারুজ্জামান বলেন, “আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি। আমি নিজেও করেছি। আমাদের এইখানে যাঁরা আছেন, অনেকেই জুলাই যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরা করেছেন। কিন্তু অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন মাননীয় স্পিকার। আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না। আমরা জুলাইকে ধারণ করি।” তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, জুলাই বিপ্লব কোনো বিক্রয়যোগ্য পণ্য নয়। অথচ একদল মানুষ এই চেতনাকে হাতিয়ার করে রাতারাতি বিত্তশালী হয়ে উঠেছেন।

যাঁরা জুলাই চেতনা ‘বিক্রি’ করছেন তাঁদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, “আমি অনুরোধ করব উনারা আগে কিসে চড়তেন, এখন কিসে চড়েন? উনারা আগে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডোতে চড়েন। কোন বাসায় থাকেন উনারা, মাঝেমধ্যে লাইভ করেন, কোন বাসায় থাকেন একটু লাইভ করলে এই জাতি দেখত।” তিনি দাবি করেন, এই ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনই বলে দেয় তাঁরা কীভাবে বিপ্লবের আবেগকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছেন।

বাজেট প্রসঙ্গে আক্তারুজ্জামান উল্লেখ করেন যে, এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের দাম কমানো হয়েছে এবং শুধুমাত্র মদ ও সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা বাজেট’ বলে সমালোচনা করার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি রসিকতা করে বলেন, “আমরা শুনেছি, চানাচুর বাচ্চারা খায়। আবার বড়রাও খায়, কখন? অন্য কিছু খাওয়ার পরে নাকি চানাচুর খায়।” সরকারের এই জনবান্ধব বাজেট দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে দাবি করেন।

মন্তব্য

রাজনীতি
Chances of A League coming back in the next 50 years are slim Dr Mahbubur Rahman

আগামী ৫০ বছর আ. লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ: ডা. মাহবুবুর রহমান

আগামী ৫০ বছর আ. লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ: ডা. মাহবুবুর রহমান ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান জাতীয় সংসদে এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিগত বছরগুলোতে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজন্মকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে, যার ফলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে দলটির রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের ১৫তম দিনের বৈঠকে ডা. মাহবুবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ সরকার তাদের শাসনকালে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্নভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ তিনটি জেনারেশনকে ইনজুর্ড (আঘাত) করেছে। একটি হচ্ছে স্কুল, আরেকটি কলেজ, অন্য একটি ইউনিভার্সিটি।” তিনি নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং পরবর্তীতে সরকার পতনের আন্দোলনের উদাহরণ টেনে বলেন যে, এই তিনটি প্রজন্মের ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সাক্ষী হয়ে আছে।

সংসদ সদস্য আরও মন্তব্য করেন যে, এই তিনটি প্রজন্মের মানুষ যতক্ষণ জীবিত থাকবেন, ততক্ষণ আওয়ামী লীগের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে যে ক্ষত ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, তা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডের বিচার এবং নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য

রাজনীতি
Grocery stores should not be brought under VAT Rizvi

মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনা উচিত হবে না : রিজভী

মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনা উচিত হবে না : রিজভী ছবি: সংগৃহীত

ক্ষুদ্র মুদি ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ছোট ছোট মুদির দোকানের আয় অত্যন্ত সীমিত, তাই তাদের এই করের আওতায় আনা সমীচীন হবে না। এর পরিবর্তে যারা কর দেওয়ার প্রকৃত সক্ষমতা রাখা সত্ত্বেও করজালের বাইরে রয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় আনার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বর্তমান সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে রিজভী জানান, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রীয় সকল নীতি নির্ধারিত হবে। তিনি দাবি করেন, অতীতে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন কখনোই জনস্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। রাজনৈতিক নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও দলের জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভিত্তি অটুট রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে সরকারকে আরও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতায় অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামাঙ্কিত একটি সড়কের নাম পরিবর্তনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই পদক্ষেপকে ‘রুচিবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, উপমহাদেশের একজন প্রথিতযশা নেতার প্রতি এমন আচরণ কাম্য নয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি। বিপরীতে বাংলাদেশ ভারতের বিভিন্ন নেতার নামে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বহাল রেখে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিচয় দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর চলমান চীন সফর নিয়ে উচ্চাশা ব্যক্ত করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৮ বিলিয়ন ডলারের বিশাল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগ বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ সৌরশক্তি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর-সুবিধা প্রদানের বিষয়টিকে তিনি সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন প্রসঙ্গে রিজভী মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে দেশ একমুখী নীতির পরিবর্তে একটি শক্তিশালী বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্বাধীন ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এই কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য

রাজনীতি
BNP signed a memorandum of understanding with the Communist Party of China

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা স্মারক সই

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা স্মারক সই ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টি’ (সিপিসি)-র মধ্যে এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়। দুই দলের মধ্যে এ ধরনের আনুষ্ঠানিক সমঝোতা এটাই প্রথম, যা দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সমঝোতা স্মারকে বিএনপির পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও দলের যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) হুমায়ুন কবির। অন্যদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে স্বাক্ষর করেন দলটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিও হাইশিং। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও এই ঐতিহাসিক ক্ষণে বেইজিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সমঝোতা স্মারকের ফলে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দলের এই নিবিড় সম্পৃক্ততা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সমঝোতার বিস্তারিত বিষয়াদি নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য জানানো হবে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

রাজনীতি
Fascist mentality is reflected in the activities of opposition parties Rizvi

বিরোধীদলের কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়: রিজভী

বিরোধীদলের কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়: রিজভী রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের বিরুদ্ধে নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তোলা বিরোধীদলের নিজস্ব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই আসলে ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলে কোনো ধরনের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরের মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং সরকার রপ্তানি বাড়াতে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবে।

এ ছাড়া সংসদে জুয়া নিষিদ্ধ করার জন্য বিল উত্থাপনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড নির্মূলে বর্তমান সরকার যথাযথ উদ্যোগ নিচ্ছে এবং নির্বাচনের প্রাক্কালে দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সক্ষম রাষ্ট্র গড়ে তোলাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য

p
উপরে