তারেকের বিচারের আদেশ: ছাত্রদলের বিক্ষোভ

তারেকের বিচারের আদেশ: ছাত্রদলের বিক্ষোভ

সাত বছর আগে বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির মামলায় গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমানের বিচার শুরুর আদেশ দেয় নোয়াখালীর একটি আদালত। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, বিদেশে অর্থপাচার ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তাকে যথাক্রমে যাবজ্জীবন, সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে তিনিট আদালত।

বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিচার শুরুর আদেশের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল।

এরই মধ্যে তিন মামলায় দণ্ডিত তারেক রহমানের বিচারে নতুন করে উদ্যোগ থামানো না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকিও দেয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করে বিএনপি। সেখানে ছিল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও। এই সমাবেশ শেষে হয় বিক্ষোভ।

পুরানা পল্টন, নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিন আমিন, সহ সভাপতি মামুন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ন আহবায়ক আবু জাফর, ইডেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব সানজিদা ইয়াসমিন তুলি এই মিছিলে ছিলেন।

সাত বছর আগে বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির মামলায় গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমানের বিচার শুরুর আদেশ দেয় নোয়াখালীর একটি আদালত।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে বিএনপির এক আলোচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার, খুনি ও পাকবন্ধু বলে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।

২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২ নং আমলি আদালতে মামলা করেন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর দেব প্রিয় চক্রবর্তী নিউজবাংলাকে জানান, আগামী ৩১ মার্চ এ মামলার বিচার শুরু হবে। আদালত বাদীকে সেদিন সাক্ষ্য দিতে হাজির হতে বলেছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমান মোট তিনটি মামলায় দণ্ডিত। তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি মামলা চলছে।

২০১৬ সালের ২১ জুলাই বিচারিক আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশে দেয় হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

দুই বছর পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তারেকের দণ্ড হয় ১০ বছর। এই মামলায় সাজা হয়েছে তার মা বেগম খালেদা জিয়ারও। বিচারিক আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিলেও উচ্চ আদালত সাজা দ্বিগুণ করেছে। দুই বছরের বেশি সাজা ভোগের পর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় গত মার্চে তিনি সাময়িক মুক্তি পান।

তারেকের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাজার রায় আসে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এই রায়ে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পরের বছর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। জামিনের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দেশে ফেরেননি।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হলে তারেককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে বিএনপি।

বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির অভিযোগে একাধিক জেলায় মামলা আছে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে।

সাত বছর আগে বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির মামলায় গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমানের বিচার শুরুর আদেশ দেয় নোয়াখালীর একটি আদালত। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, বিদেশে অর্থপাচার ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তাকে যথাক্রমে যাবজ্জীবন, সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে তিনিট আদালত।

তারেকের বিচারের আদেশ: ছাত্রদলের বিক্ষোভ

বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিচার শুরুর আদেশের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল।

এরই মধ্যে তিন মামলায় দণ্ডিত তারেক রহমানের বিচারে নতুন করে উদ্যোগ থামানো না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকিও দেয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করে বিএনপি। সেখানে ছিল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও। এই সমাবেশ শেষে হয় বিক্ষোভ।

পুরানা পল্টন, নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিন আমিন, সহ সভাপতি মামুন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ন আহবায়ক আবু জাফর, ইডেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব সানজিদা ইয়াসমিন তুলি এই মিছিলে ছিলেন।

সাত বছর আগে বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির মামলায় গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমানের বিচার শুরুর আদেশ দেয় নোয়াখালীর একটি আদালত।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে বিএনপির এক আলোচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার, খুনি ও পাকবন্ধু বলে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।

২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২ নং আমলি আদালতে মামলা করেন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর দেব প্রিয় চক্রবর্তী নিউজবাংলাকে জানান, আগামী ৩১ মার্চ এ মামলার বিচার শুরু হবে। আদালত বাদীকে সেদিন সাক্ষ্য দিতে হাজির হতে বলেছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমান মোট তিনটি মামলায় দণ্ডিত। তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি মামলা চলছে।

২০১৬ সালের ২১ জুলাই বিচারিক আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশে দেয় হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

দুই বছর পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তারেকের দণ্ড হয় ১০ বছর। এই মামলায় সাজা হয়েছে তার মা বেগম খালেদা জিয়ারও। বিচারিক আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিলেও উচ্চ আদালত সাজা দ্বিগুণ করেছে। দুই বছরের বেশি সাজা ভোগের পর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় গত মার্চে তিনি সাময়িক মুক্তি পান।

তারেকের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাজার রায় আসে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এই রায়ে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পরের বছর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। জামিনের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দেশে ফেরেননি।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হলে তারেককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে বিএনপি।

বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির অভিযোগে একাধিক জেলায় মামলা আছে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
লাঠিতে ভর করে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে রিজভী
ছাত্রদলের কমিটিতে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা
‘ব্যস্ততা’র চাপে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ প্রত্যাহার
ছাত্রদলের মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ

শেয়ার করুন

মন্তব্য