20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
জাপা এমপির হাত ভেঙে দিতে চান আ. লীগ নেতা

জাপা এমপির হাত ভেঙে দিতে চান আ. লীগ নেতা

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমি যদি সোনারগাঁওয়ের সন্তান হতাম তাহলে খোকার হাত ভেঙে দিতাম। খোকা তুমি অনেক বোকা, খোকা তুমি অনেক বোকা।’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁখোকে হত্যা করতে চাওয়া জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার হাত ভেঙে দিতে চেয়েছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্যকে নিজ এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। দাহ করেছেন তার কুশপুতুল।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এক কর্মসূচিতে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

খোকা অবশ্য চাষাঢ়ার সংসদ সদস্য নন। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে।

সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের নাম সংবলিত একটি ফলক ভেঙে ফেলেছেন।

ফটকটি ছিল সোনারগাঁ জিআর ইনন্টিটিশনের মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটকের সামনে। তার উপস্থিতিতে ওই ফলকটি ভাঙা হয় বলে অভিযোগ করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।

শুক্রবার সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সমাবেশে খোকাকে তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম দেয়া হয়েছে।

পরদিন নারায়ণগঞ্জ শহরের কর্মসূচিতে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমি যদি সোনারগাঁওয়ের সন্তান হতাম তাহলে খোকার হাত ভেঙে দিতাম। খোকা তুমি অনেক বোকা, খোকা তুমি অনেক বোকা। তুমি বুঝতে পারোনি আনোয়ার হোসেনকে।’

ফ্রান্সে মহানবী (সা.) এর কার্টুন প্রকাশ করার জেরে নভেম্বরের শুরুতে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাখোঁকে হত্যার ইচ্ছার কথা বলে আলোচনায় আসেন লিয়াকত হোসেন খোকা।

নিজের ওয়ালে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলছেন, ‘ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীকে (প্রেসিডেন্ট) বলতে চাই, আজকে তুই যদি আমার সামনে থাকতি, আমি তোকে হত্যা করতাম। হত্যা করে আমি ফাঁসির মঞ্চে হাসতে হাসতে যেতাম।’

সমাবেশে লিয়াকত হোসেন খোকার কুশপুতুল দাহ করা হয়

খোকা নিউজবাংলাকে বলেন, তিনি সজ্ঞানে এই কথা বলেছেন এবং সুযোগ পেলেই মাখোঁকে হত্যা করবেন।

তিনি বলেন, ‘মুসলিম তার কথায় অটল থাকে। আমিও আছি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত থাকব।’

খোকা বিরোধী সমাবেশ চলাকালে আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিুসর রহমাপন দিপু খোকাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা করেন। বলেন, ‘এমপি খোকাকে ক্ষমা চাইতে হবে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে।’

জাপা সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আরজু রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জিএম আরমান, আহসান হাবীব, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদা মালা, জিএম আরাফাত, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আতিকুজ্জামান সোহেল প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য